Home Blog Page 166

চীন ইরানকে সারেন্ডার করার পরামর্শ দিয়েছে

ইরাক যুদ্ধের সময়ও ওঁরা আবাবিল পাখির আশায় ছিলো, এখনো তাই! ফলাফল, ইরাক গেছে, ইরান যাবে। আবাবিল পাখিরা আরব্য উপন্যাসে মানায়, বাস্তবে নয়? সৌদি যুবরাজ আমেরিকাকে বলেছেন, এইতো সুযোগ, ইরানকে ধ্বংস করে দিন্। চীন ইরানী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন করে আত্মসমর্পনের পরামর্শ দিয়েছে। ইসরাইল ইঙ্গিত দিচ্ছে, আমেরিকা থামলেও তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। ইরান ট্রাম্পকে একটি দামী উপহার পাঠিয়ে ইতিবাচন ইঙ্গিত দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পারমাণবিক শর্ত মেনে নিয়েছে। ট্রাম্পের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে ইরান ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়াবে। তেল সমবৃদ্ধ ‘খড়গ’ হারাবে। হম্বিতম্বি করলেও ইরানের সামনে হাত তুলে দেয়া ছাড়া কিচ্ছু করার নেই? যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানী রেজিমে কি ভাঙ্গন ধরেছে?

পূর্ববর্তী খবরে বলা হয়: যুদ্ধ থামা উচিত, না থামলে সমস্যা বাড়বে, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক সঙ্কট বাড়বে, ইরান ধ্বংস হয়ে গাজায় পরিণত হবে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়ার জন্যে ইরানকে ৪৮ঘন্টা আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন, ইরান পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে, আলোচনা শুরু হয়। ট্রাম্প ৫দিনের জন্যে আক্রমন স্থগিত করেন। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন এরমধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে ব্যাপক আক্রমন চালানো হবে। ইসরাইল বলেছে, এত তাড়াতাড়ি সবকিছু হচ্ছে, আমরা তা জানিনা। ইসরাইলের যুদ্ধবিরতির শর্ত আরো কঠিন। ইরান বলেছে, আলোচনা চলছে না! ট্রাম্প লবি বলছে, ইসলামাবাদে বৈঠক, মার্কিন পক্ষে এম্বাসাডর ষ্টিভ উইস্কভ ও ট্রাম্প জামাতা জেরিড কুশনার অংশ নিচ্ছেন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট জে.ডি.ভ্যান্স শেষের দিকে অংশ নেবেন। যুক্তরাষ্ট্র থামলেও ইসরাইল কিন্তু বলে দিয়েছে, ইরান ও হেজবুল্লার ওপর আক্রমন চলবে।

সোমবার ট্রাম্প পাম বীচে সাংবাদিকদের বলেছেন, ১৫দফা নিয়ে নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। তিনি ইরানে রেজিম চেঞ্জ ও যৌথ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ইরানের সমবৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার কথা বলেছেন। হরমুজ প্রণালী আমেরিকা-ইরান যৌথ নেতৃত্বে পরিচালনার কথা বলেছেন। ইরান অবশ্য মিশর-কাতারের মধ্যস্থতায় শর্ত-সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানিয়েছে। ইরানের শর্তগুলো কঠিন, যেমন ভবিষ্যতে ইরান আক্রমন করা যাবেনা, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, মার্কিন ঘাঁটি তুলে নিতে হবে বা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইত্যাদি, যা মেনে নেয়া ট্রাম্পের পক্ষে সম্ভব নয়। ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধ চায়, কারণ অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে, নভেম্বরে মিড্-টার্ম ইলেকশন জিতলে হলে যুদ্ধ লম্বা করা যাবেনা। ইরান যুদ্ধ বন্ধ চায়, কারণ ইরানের আয়ের পথ সংকুচিত, ধ্বংস বন্ধ করা, যুদ্ধ ছড়িয়ে গেলে সেটি শিয়া-সুন্নি যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। ট্রাম্প সিএনবিসিকে বলেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতির জন্যে মরিয়া।

ইরান যুদ্ধ অর্ধেকের বেশি পথ পেরিয়েছে, এখন লক্ষ্য ইউরেনিয়াম: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ‘সাফল্যের অর্ধেকের বেশি পথ পারি দিয়েছে।’ তিনি জানান, দুই দেশের যৌথ হামলাগুলো এখন মূলত ইরানের পারমাণবিক উপকরণের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছে।

নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে এই যুদ্ধ শেষ করার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ‘শিডিউল’ তিনি নির্ধারণ করতে চান না।

রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম ‘নিউজম্যাক্স’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানি শাসনব্যবস্থা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং সেগুলো আমেরিকার শহরগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম খুঁজছে। এই যুদ্ধের মূল লক্ষ্যই হলো- সেই প্রচেষ্টা ও পরিণতি রুখে দেওয়া।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, যৌথ হামলাগুলো ইতোমধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে, উৎপাদন কারখানাগুলো ধ্বংস করেছে। হত্যা করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের।

জ্বালানি সংকট সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ বাড়াচ্ছে, উন্মোচিত করছে নীতিগত সীমাবদ্ধতা: দেবপ্রিয়

চলমান জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ভঙ্গুরতা আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং নীতিগত কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম-এর আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)-এর সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এতে রাজস্ব স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক ভারসাম্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর ঝুঁকি বাড়ছে বলে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। সিটিজেনস প্ল্যাটফর্ম ফর এসডিজিস, বাংলাদেশ আয়োজিত ওই আলোচনায় তিনি বলেন, জ্বালানি ধাক্কা এমন এক নীতিগত পরিবেশে ঘটছে, যেখানে সরকারের কার্যকর প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা সীমিত।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তির কিছু বিধান বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি কৌশলকে ক্রমশ সীমিত করে ফেলছে। “নিষেধাজ্ঞা সমন্বয় এবং ‘নন-মার্কেট কান্ট্রি’ সংক্রান্ত ধারাগুলোর কারণে তুলনামূলক সস্তা উৎস যেমন রাশিয়ার তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ছাড় নিতে হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি দামের অস্থিরতার সময় আমাদের ক্রয়-সুবিধা কমে গেছে।”

ত্রিমুখী ম্যাক্রো প্রভাব
সিপিডির ডিস্টিংগুইশড ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এ সংকট রাজস্ব, বৈদেশিক ও মুদ্রানীতি—এই তিনটি ক্ষেত্রে একযোগে প্রভাব ফেলছে। বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্মসূচির সংস্কার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণের আইএমএফ শর্ত পূরণ এবং বড় আকারের ভর্তুকি বজায় রাখা—এই দুইয়ের মধ্যে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বৈদেশিক খাতে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে বছরে প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত আমদানি ব্যয় হতে পারে, যা জিডিপির প্রায় ১.১ শতাংশের সমান। এতে চলতি হিসাবের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা টাকার ওপর অবমূল্যায়নের চাপ সৃষ্টি করছে। পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে উপসাগরীয় অঞ্চলের সম্ভাব্য অস্থিরতা। কারণ, মোট রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেকই ওই অঞ্চল থেকে আসে, যা বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্যের একটি প্রধান ভরসা।

কঠিন নীতিগত সিদ্ধান্ত
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় সরকারকে কঠিন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। রাজস্ব সুরক্ষায় বিদ্যমান জ্বালানি কর কাঠামো বজায় রাখা হবে, নাকি ভোক্তাদের চাপ কমাতে তা কমানো হবে—এই দ্বিধায় সরকারকে পড়তে হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রায় ৫৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতি সামাল দিতে জেট ফুয়েলের মতো কিছু ক্ষেত্রে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক দামের পুরো প্রভাব দেশীয় বাজারে প্রয়োগ করলে উচ্চ মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বিনিয়োগে ধীরগতি
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ কমে জিডিপির প্রায় ২২.৫ শতাংশে নেমে এসেছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জ্বালানি খাতে অনিশ্চয়তা ও ব্যয় বৃদ্ধি বেসরকারি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করছে, যা ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এমন নীতিগত পদক্ষেপ নিতে হবে, যা রাজস্ব শৃঙ্খলা, বৈদেশিক স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ—এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখবে। সতর্কভাবে পরিস্থিতি সামাল না দিতে পারলে জ্বালানি সংকট আরও বড় ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

দক্ষিণ লেবাননে চার ইসরায়েলি সেনা নিহত

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছেন।

একটি সামরিক বিবৃতিতে একই ব্যাটালিয়নের তিনজন সৈন্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে তারা লড়াই চলাকালে প্রাণ হারিয়েছেন। পৃথক একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একই ঘটনায় আরও একজন সৈন্য মারা গেছেন যার নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

দ্বিতীয় ওই বিবৃতি অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় আরও এক সৈন্য গুরুতর আহত হয়েছেন এবং একজন সংরক্ষিত সৈন্য মাঝারি ধরনের আঘাত পেয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে তাদের সৈন্যদের ওপর অতর্কিত হামলার চেষ্টাকালে কয়েকজন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে। হিজবুল্লাহর এক সদস্যকে সৈন্যদের ওপর নজরদারি করার সময় আটক করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী বলেছে, সৈন্যরা অস্ত্রাগারও ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে অস্ত্রের ভাণ্ডার, কমান্ড সেন্টার এবং ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ার একটি লঞ্চার ছিল। এছাড়া ওই স্থানগুলো থেকে সামরিক ভেস্ট এবং হেলমেটের পাশাপাশি একটি লোড করা আরপিজি উদ্ধার করা হয়েছে।

এবার বিশ্বভ্রমণে হুমায়ূন আহমেদের ট্রেনযাত্রার গল্প

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া এবং সাড়া জাগানো সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করেছে। গত শুক্রবার থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে করে সিনেমাটি। অস্ট্রেলিয়ার পর এবার কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ৫২টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’।

হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস থেকে অনুপ্রাণিত গল্পে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নির্মাণ করেছেন তানিম নূর। একটি ট্রেনযাত্রাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমায় যাত্রীদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা স্তর উঠে এসেছে।

ফেসবুক পোস্টে সিনেমাটির আন্তর্জাতিক পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রু জানিয়েছে, মুক্তির প্রথম সপ্তাহে কানাডার ১০টি, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮টি এবং যুক্তরাজ্যের ৪টি থিয়েটারে চলবে ছবিটি।

এরমধ্যে এএমসি (যুক্তরাষ্ট্র)-তে ২১ টি শো, রিগ্যাল (যুক্তরাষ্ট্র) ১৪টি, সিনেপ্লেক্স (কানাডা) ১৫টি, সিনেমার্ক (যুক্তরাষ্ট্র) ২টি, শোকেস (যুক্তরাষ্ট্র) ১টি এবং সিনে ওয়ার্ল্ড (যুক্তরাজ্য)-তে ৪টি শো চলবে।

এর আগে একই নির্মাতার ‘উৎসব’ এর চেয়েও ১৫টি থিয়েটার বেশি পেল ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। এর সাথে আগামী ১০ এপ্রিল এলএ, কানেক্টিকাট, অস্টিনসহ আরো ৪টি থিয়েটার যোগ হবার কথা আছে।

পরিচালক তানিম নূর বলেন, ‘দর্শকের কাছ থেকে যে সাড়া পাচ্ছি সেটা অভাবনীয়। এবার দেশের বাইরের দর্শকদের ছবিটি দেখাতে পারছি। এটা তো আমাদের জন্য অবশ্যই আনন্দের।’

চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, শরিফুল রাজ, ইন্তেখাব দিনার, সাবিলা নূর, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, শ্যামল মওলাসহ আরো অনেকে।

রাহুলকে পানি থেকে তোলার পর কী ঘটেছিল, বর্ণনা দিলেন উদ্ধারকারী

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। তালসারির মোহনায় ঠিক কী ঘটেছিল, কীভাবে এত লোকের সামনে কীভাবে পানিতে ডুবে গেলেন অভিনেতা, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই এখন নানা বয়ান সামনে আসছে। আরও অবাক করা বিষয়, অনেক তথ্যই একে অন্যের সঙ্গে মিলছে না।

ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হাসপাতাল সূত্রের বরাতে কলকাতার সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, অভিনেতা রাহুল দীর্ঘক্ষণ পানিতে ডুবে ছিলেন, সে কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার ফুসফুস, শ্বাসনালি, খাদ্যনালি ও পাকস্থলির ভেতরে বালি ও নোনাজলের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এতে ফুসফুস ফুলে দ্বিগুণ আকার ধারণ করে।

ঘটনার সময় সমুদ্রে শুটিং চলছিল। নিরাপত্তার জন্য উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নুলিয়া (লাইফগার্ড) ভগীরথ জানা। তিনিই প্রথম উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

এক সাক্ষাৎকারে ভগীরথ জানান, দুপুর থেকেই তিনি শুটিং স্পটে ছিলেন। অভিনেতা-অভিনেত্রী যখন সমুদ্রের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখন তাদের একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু বিকেলের দিকে আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়, জোয়ার দ্রুত বাড়তে থাকে—ফলে সতর্কবার্তা তাদের কানে পৌঁছায়নি বলে দাবি তার।

ভগীরথের ভাষায়, “ওরা যখন জলে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন, আমি দৌড়ে গিয়ে প্রথমে অভিনেত্রী শ্বেতাকে উদ্ধার করি। পরে রাহুলদাকে তুলি। তাকে কাঁধে করে উপরে এনে গাড়িতে তোলা হয়।”

তিনি আরও জানান, রাহুল সাঁতার জানতেন না। ফলে অনেক পানি শরীরের ভেতরে ঢুকে যায়। তবে উদ্ধার করার সময় তিনি অজ্ঞান ছিলেন না—শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল, হাঁসফাঁস করছিলেন। পেটে চাপ দিলে মুখ দিয়ে কিছু পানি বের হয়, এমনকি বমিও করেন।

ভগীরথের দাবি, “আমি ছোটবেলা থেকেই এই কাজ করছি। ওই জায়গায় জলের টান খুব বেশি ছিল। আমার জায়গায় অন্য কেউ থাকলেও একই ঘটনা ঘটত।”

এই ঘটনায় টালিউডজুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া। কীভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এমন দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে উদ্ধারকারীর এই বয়ান নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—শেষ মুহূর্তে ঠিক কী হয়েছিল অভিনেতার সঙ্গে?

প্রাকৃতিক উপাদানে রূপচর্চা কি সত্যিই নিরাপদ?

বাজারের চলতি পণ্যের পাশাপাশি অধিকাংশরা ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপাদানে ত্বকের যত্ন নেন। যুগ যুগ ধরে ত্বকচর্চায় ব্যবহৃত হওয়া সব উপাদান কি সবার জন্য নিরাপদ? না। সবার ত্বক সমান নয়। ত্বকের সমস্যাও সমান নয়। তাই ঘরোয়া টোটকা যে সব সময়ে ভালো ফল দেবে, এমনটা না-ও হতে পারে। যতই প্রাকৃতিক টোটকা হোক, তার মধ্যে কিছু যৌগ থাকে, যা ত্বকের উপর প্রভাব ফেলে। তাই ত্বকের ধরন, সমস্যা না বুঝে ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করলে আদতে ত্বকেরই ক্ষতি।

কোন প্রাকৃতিক পণ্য ত্বকে মাখা যায় না

ব্রণ তাড়াতে অনেকেই মুখে লেবুর রস, টুথপেস্ট ব্যবহার করেন। এগুলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। লেবুর রস ত্বকের পিএইচ স্তরের মাত্রা নষ্ট করে। এই উপাদানগুলো ত্বককে আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

বেকিং সোডা, চিনি ইত্যাদি ত্বকে মাখা ঠিক নয়। এগুলোও ত্বককে রুক্ষ করে। নষ্ট করে দেয় ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের পরত। একই ভাবে ত্বকে মাখা যায় না ডিমের সাদা অংশ। চামড়া টান টান রাখতে অনেকেই এটি ব্যবহার করেন। কিন্তু এতে ত্বকে অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়।

কোন উপাদান ত্বকের জন্য নিরাপদ?

ত্বকের যত্নে দই, হলুদ, বেসন, ওটমিল, মধু, অ্যালোভেরার মতো পণ্য ব্যবহার করা যায়। কিন্তু পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। হলুদ যৎসামান্য পরিমাণে ব্যবহার করতে পারেন। এটি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, সংবেদনশীল ত্বকে আরাম এনে দেয় ওটস। ত্বকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা জোগায় মধু। ত্বক এক্সফোলিয়েশনে সাহায্য করে দই। ত্বকের খেয়াল রাখে অ্যালোভেরা জেল। তাই এ উপাদানগুলো ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা যায়।

বসনিয়ার অনুশীলনে ‘ইতালিয়ান গুপ্তচর’!

০

আজ রাতে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার মহাগুরুত্বপূর্ণ প্লে-অফ ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইতালি এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। কিন্তু মাঠে বল গড়ানোর আগেই অদ্ভুত এক বিতর্কে জড়িয়েছে দুই দেশ। অনুশীলনে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ অভিযোগ তুলে ইতালির দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছে বসনিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

বসনিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ক্লিক্সবা’ দাবি করেছে, তাদের দলের অনুশীলন সেশনে এক ইতালীয় ব্যক্তিকে ‘গুপ্তচর’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ দর্শকদের জন্য নির্ধারিত ১৫ মিনিট শেষ হওয়ার পরও ওই ব্যক্তি মাঠের আশপাশে লুকিয়ে ছিলেন। এবং গোপনে বসনিয়ার খেলোয়াড়দের অনুশীলন রেকর্ড করছিলেন।

বসনিয়ার এই অভিযোগ অবশ্য পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে ইতালির গণমাধ্যম। ‘স্পোর্টমিডিয়াসেট’-এর দাবি, ওই ব্যক্তি মোটেও কোনো গুপ্তচর নন। বরং তিনি একজন ইতালীয় সেনাসদস্য। তার সামরিক ঘাঁটি অনুশীলন মাঠের ঠিক কাছেই অবস্থিত। নিছক কৌতূহলবশত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।

ইতালির কোচ জেনারো গাত্তুসো কিংবা দলের সঙ্গে ওই সেনাসদস্যের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও নিশ্চিত করেছে গণমাধ্যমটি। বসনিয়ার কৌশল বা পরিকল্পনা সংক্রান্ত কোনো গোপন তথ্য তিনি ইতালি শিবিরে পাচার করেছেন, এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

গত বৃহস্পতিবার প্লে-অফের সেমিফাইনালে নিজ নিজ ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠেছে ইতালি ও বসনিয়া। আজ জেনিৎসার বিলিনো পোলিয়ে স্টেডিয়ামে যে দল জিতবে, তারাই পাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট। তবে চেনা দর্শকের সামনে বসনিয়া বাড়তি সুবিধা পেলেও, জেনিৎসার কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়ায় বেশ কঠিন এক পরিবেশের মুখোমুখি হতে হবে গাত্তুসোর ইতালিকে।

নতুন পে স্কেলের জন্য সরকারকে নিজস্ব কমিশন গঠনের পরামর্শ দিলেন ড. দেবপ্রিয়

নাগরিক প্ল্যাটফর্ম-এর আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)-এর সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, নতুন পে স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে বর্তমান সরকারের নিজস্ব কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, আগের সরকারের প্রস্তাবিত পে কমিশনের রিপোর্টকে সরাসরি গ্রহণ না করে তা একটি উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার তাদের মেয়াদের শেষ সময়ে পে স্কেল সংক্রান্ত যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তমান সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে এক ধরনের ‘প্রলম্বিত দায়’ তৈরি হয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে অন্যায্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ‘এই সরকারের নিজের মতো কমিশন গঠন করে এটাকে বিবেচনা করা উচিত। যেখানে আগের সরকারের পে কমিশনের রিপোর্টটি একটা উপাদান হিসাবে বিবেচনা করতে পারে। প্রশ্নহীনভাবে এটাকে বিবেচনা করার সুযোগ উনাদের নেই।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) কার্যালয়ে ‘বাজেট ঘিরে নাগরিক ভাবনা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাক্-বাজেট মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘চুরি করা টাকা ফেরত আনতে হবে। দেশের ভেতরে ও বাইরে যেসব সম্পদ জব্দ করা হয়েছে, সেগুলো দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ায় বিক্রি করে অর্থ দেশে আনতে হবে।’

সম্প্রতি বিদেশ থেকে ৪৪ কোটি টাকা ফেরত আনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘ছোট অঙ্কের টাকা ফিরছে, কিন্তু বড় অঙ্কের টাকা কেন আসছে না?’

রাজস্ব আদায় বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে পারলে রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব। তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রাজনৈতিক শক্তি না থাকায় এ ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়নি। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের জন্য প্রথম বছরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। প্রথম বছরে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হলে শেষ বছরে তা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সরকারি ব্যয় ও ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষি ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকির চাহিদা বাড়বে। তাই ভর্তুকির মধ্যে অদক্ষ ও অন্যায্য খাতগুলো চিহ্নিত করে তা পুনর্বিন্যাস করা জরুরি। পাশাপাশি ধাপে ধাপে নগদ প্রণোদনা থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেন তিনি। আসন্ন বাজেটে অর্থসংস্থান বাড়াতে কর ছাড় কমানো, করের আওতা বৃদ্ধি এবং পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এই অর্থনীতিবিদ।

ভারত থেকে পাইপলাইনে এলো আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে এসে পৌঁছেছে। এটি এই ডিপোতে পাইপলাইনের মাধ্যমে চলতি বছরে আসা চতুর্থ চালান। এই চারটি চালানে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছে। এপ্রিল মাসে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৪০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আনার প্রক্রিয়া চলছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই কার্যক্রমে নিয়োজিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন্স) কাজী মো. রবিউল আলম। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় চতুর্থ চালানের সম্পূর্ণ তেল এসে পৌঁছায়। এসব ডিজেল পর্যায়ক্রমে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হবে। এপ্রিল মাসে ৪০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি আনার চাহিদা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ৩ থেকে ৪টি চালানের মাধ্যমে এসব তেল আসবে বলে জানান তিনি।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যা থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে তেল সরবরাহ করতে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড কেন্দ্র থেকে এই পাম্পিং কার্যক্রম শুরু করে ভারত। ভারতের আসামে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রেলহেড ওয়েল ডিপোতে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের রিসিপ্ট টার্মিনালে এসব ডিজেল তেল পৌঁছায়। এরপর সেখান থেকে রিসিপ্ট টার্মিনাল থেকে জ্বালানি রেলহেড অয়েল ডিপোর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এই তিন কোম্পানিতে এসব তেল সরবরাহ করা হয়। এর আগে তিন দফায় এই ডিপোতে পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার মেট্রিক টন করে মোট ১৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সারা বছর ডিজেল সরবরাহ রাখতে ভারত থেকে সরাসরি পাইপ লাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুরের রেলহেড তেল ডিপোতে জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরবরাহ করা হয়। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার ভূ-গর্ভস্থ এই পাইপ লাইন স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদাদি কার্যক্রম শুরু হয়।

দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী, ভারত আগামী ১৫ বছর ডিজেল সরবরাহ করবে এবং বছরে ২ থেকে ৩ লাখ টন জ্বালানি আমদাদি করা যাবে। পরে ব্যবহার, খরচ ও চাহিদা অনুযায়ী আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা হবে। এই পাইপ লাইন দিয়ে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন তেল ভারত থেকে আমদাদি করা সম্ভব বলেও বিপিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়। আগে খুলনা ও চট্টগ্রাম থেকে রেল ওয়াগনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে তেল আসতে সময় লাগতো ৬ থেকে ৭ দিন।