Home Blog Page 188

লেবুর দাম নিয়ে সুখবর

পবিত্র রমজান শুরুর কয়েক দিন আগে থেকে লেবুর দাম কমতে শুরু করেছে। রাজধানীর বাজারে আজ একটি ছোট লেবু ৬০ টাকায়, মাঝারি আকারের লেবু ৮০ টাকায় এবং বড় আকারের চারটি লেবু ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত একই ধরনের লেবুর দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা ছিল, অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

বেগুনের দামও কিছুটা কমেছে, তবে এখনও এটি শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে। মোটা কালো লম্বা বেগুন কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে এবং চিকন লম্বা বেগুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বেগুনের চাহিদার কারণে চিকন বেগুনের দাম তুলনামূলক বেশি।

কাঁচামরিচের দামও হঠাৎ কমে দিনে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজির দামের পরিস্থিতিও সামঞ্জস্যপূর্ণ। আলু সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে, প্রতিকেজি মাত্র ২০ টাকা, আর ভ্যানে ৬ কেজি ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। করলা, বরবটি, মুলা, লতি, ধুন্দুল, পেঁপে, গাজর, কচুরমুখী, শিম ও শালগমসহ সবজি বাজারে স্বাভাবিক দামে পাওয়া যাচ্ছে।

ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, লালশাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, কলমি শাক ও পালংশাকের দামে সামান্য ওঠাপড়ার মধ্যে রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত এবং দামও তুলনামূলক স্বাভাবিক। তবে রমজানের প্রভাবে ইফতারের ব্যবহারের জন্য কিছু সবজির দাম সামান্য বেড়েছে। তারা আশা করছেন, দুই-তিন দিনের মধ্যে দাম আবার স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসবে।

রোজা রেখে সারাদিন ক্লান্ত? ইফতারের এই ৫ খাবার বদলে দেবে সব

রমযানে দীর্ঘ সময় রোজা রাখার কারণে অনেকেই ইফতারের আগেই তীব্র ক্লান্তি, মাথা ঘোরা কিংবা শক্তিহীনতা অনুভব করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর প্রধান কারণ হলো শরীরে পানির ঘাটতি ও সঠিক পুষ্টির অভাব। তবে ইফতারে কিছু নির্দিষ্ট খাবার রাখলে খুব দ্রুত শক্তি ফিরে পাওয়া সম্ভব।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, ইফতার শুরু করা উচিত খেজুর দিয়ে। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক চিনি দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে এক গ্লাস পানি বা লেবুর শরবত পানিশূন্যতা দূর করে।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাবার হলো ফল। তরমুজ, কলা বা পেঁপের মতো ফল শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করে এবং ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে দই বা দইভিত্তিক পানীয় হজম ভালো রাখে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞরা ইফতারে ছোলা বা ডালজাতীয় খাবার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। এগুলোতে থাকা প্রোটিন ও ফাইবার দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া স্যুপ বা সবজি জাতীয় হালকা খাবার শরীরকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণে অভ্যস্ত করে।
তবে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও কোমল পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এসব খাবার সাময়িক তৃপ্তি দিলেও পরে আরও বেশি ক্লান্তি ও অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাবার নির্বাচন করলে ইফতার শুধু ক্ষুধা মেটায় না, বরং সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে আবারও প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে।

রোজায় শরীরে শক্তি ধরে রাখতে যা করবেন

রোজা রাখার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকলেও শরীর ক্লান্ত হওয়াটা স্বাভাবিক। সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে শরীর কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই। কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখলে পুরো রমজানজুড়ে আপনি সুস্থ ও শক্তিশালী থাকতে পারবেন। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠলে ক্লান্তিবোধ কমে আসবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোজায় শক্তি ধরে রাখতে কী করবেন-

১. সেহরিতে পুষ্টিকর খাবার খান

সুষম সেহরি দিনের বেলায় রোজার জন্য শরীরকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে, পাশাপাশি হজমকে আরও মসৃণ করে তুলবে। জটিল কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ফল ও শাক-সবজির মিশ্রণ শরীরকে টিকিয়ে রাখবে। লবণাক্ত বা গভীর ভাজা খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার উপভোগ করুন। হোল গ্রেইন রুটি, বাদামি চাল, ডিম, অ্যাভোকাডো, পনির এবং কলা বেছে নিন। সেইসঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

২. মৃদু ব্যায়াম

শরীর যখন রোজার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়, তখন প্রথম কয়েক দিন শক্তির মাত্রা কমে যেতে পারে। এটিকে সামঞ্জস্য করার জন্য, আপনার দিনের মধ্যে মৃদু কার্যকলাপ অন্তর্ভুক্ত করুন। কয়েক মিনিট স্ট্রেচিং, অল্প হাঁটা, অথবা কিছু সহজ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম আপনাকে পুনরুজ্জীবিত এবং সতেজ করতে সাহায্য করবে।

৩. ঘুমের সময়সূচী ঠিক রাখুন

ঐতিহ্যগতভাবে বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার একত্রিত হওয়ার সময় হলো রমজান মাস। ইফতার, নামাজ, সেহরি সবকিছু মিলিয়ে রাতে ঘুমের সময়ে পরিবর্তন আসে। যদি সম্ভব হয়, আগে আগে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন, অথবা সম্ভব হলে নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী বজায় রাখুন।

৪. ঠান্ডা পরিবেশে থাকুন

তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে রোজায় পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফ্যান এবং এয়ার কন্ডিশনিং সমৃদ্ধ পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন, সেইসঙ্গে সম্ভব হলে তাপ থেকে দূরে থাকুন। তীব্র পানিশূন্যতা এড়াতে নিজের ও প্রিয়জনদের দিকে খেয়াল রাখুন। পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

অনুভূতি জানতে দুদিন রোজা রেখেছিলেন রোনালদো

সৌদি ক্লাব আল নাসর–এর সাবেক ফুটবলার শায়ে শারাহিলি জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের সময় রমজানে রোজা রাখা আরব ফুটবলারদের জন্য সাধারণত বড় সমস্যা হয় না, কারণ তারা প্রতিবছরই এ অভ্যাসে অভ্যস্ত। তবে বিদেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে শুরুতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়।

থমনিয়াহ (Thmanyah)–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শারাহিলি বলেন, রমজানের দৈনন্দিন রুটিন ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের কারণে অনেক বিদেশি খেলোয়াড় প্রথম অভিজ্ঞতায় মানিয়ে নিতে সময় নেন।

সাক্ষাৎকারে তিনি রোনালদোর অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে খেলার সময় গত রমজানে রোনালদো কৌতূহলবশত দুই দিন রোজা রেখে দেখেছিলেন। এটি ছিল স্থানীয় সংস্কৃতি বোঝার ব্যক্তিগত চেষ্টা, স্থায়ীভাবে রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নয়।

শারাহিলি আরও বলেন, কিছু ক্রীড়াবিদ মনে করেন রোজা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে, তবে বিষয়টি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন।

ভয়াবহ পরিণতি এড়াতে এখনই ব্যবস্থা নিন— এমপি রুমিন ফারহানার আহ্বান

বিএনপির স্থায়ী নেতাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন,দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। এখনই যদি স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, ভবিষ্যতে এর ফল ভালো হবে না। স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় না থাকলে তার পরিণতি “ভয়াবহ” হতে পারে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত পৌনে ২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে প্রোটোকল মেনে আমিই সবার আগে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবো—এটাই নিয়ম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কিছু নেতা-কর্মী পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়।

এর আগে রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গেলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে একপর্যায়ে ধস্তাধস্তিতে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, এ সময় রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবক ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই কর্মী-সমর্থকদের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।

ঘটনার পরপরই রাত ১টার দিকে শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার সমর্থকরা। প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়ে, সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

অন্যদিকে, স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেছেন, প্রোটোকল ও সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পুষ্পস্তবক ছেঁড়ার অভিযোগ তারা অস্বীকার করেন।

প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এই প্রথমবার জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হলো।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশের প্রথম প্রহরে (রাত ১২টা ২৩ মিনিটে) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত, এটিএম আজহারসহ জোটের অন্যান্য নেতারা।

পুষ্পস্তবক অপর্ণের সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ভাষা শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করেন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিরোধী দলীয় নেতার শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন বাহিনী প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে পুরো শহীদ মিনার এলাকাকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রং তুলিতে শহীদ মিনারের বেদিসহ আশপাশের এলাকায় আলপনা আঁকা হয়েছে। শহীদ মিনার আবাসিক এলাকার দেওয়ালে লেখা হয়েছে বিখ্যাত কবি লেখকদের উক্তি।

নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরো এলাকাকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। সন্ধ্যা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রণীত রুটম্যাপ কার্যকর করা হয়েছে।

ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিনি ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। পরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে এবং দলীয়ভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরবর্তীতে তৃতীয় দফায় প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

পরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় দফায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান।

তৃতীয় দফায় সাবেক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি নীরবতা পালন ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন।

গাজা পুনর্গঠনে বিলিয়ন ডলার দেবে যে দেশ

গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র শান্তি ইনস্টিটিউট–এ অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুররহমান বিন জাসিম আল থানি। এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

বৈঠকটি ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ‘শান্তি পর্ষদ’-এর প্রথম সভা। সেখানে কাতারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বে গঠিত বোর্ড ২০ দফা পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে এমন একটি সমাধানের দিকে এগোবে, যাতে ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলি উভয় পক্ষের জন্য ন্যায়বিচার ও ভারসাম্য নিশ্চিত হয়। তিনি আরও জানান, এই অর্থ সহায়তা পরিষদের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হবে—যেখানে ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা প্রত্যাশা সমানভাবে গুরুত্ব পাবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগের অংশ হিসেবে ট্রাম্প ‘শান্তি পর্ষদ’ গঠনের ঘোষণা দেন। পরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ–এর রেজুলেশন ২৮০৩–এর মাধ্যমে যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা কাঠামো অনুমোদন করা হয়।

পরিষদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—গাজা অঞ্চলে অন্তর্বর্তীকালীন তদারকি, পুনর্গঠন কার্যক্রম সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সহায়তা প্রদান, নিরাপত্তা ব্যবস্থার রূপান্তর সহজ করা, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া।

কুয়াকাটায় দোকানে হামলা ভাংচুরের ঘটনায় মূল হোতা মাকসুদ গ্রেফতার

কুয়াকাটায় ‘তানিসা আচার ঘর’ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাকসুদ আকনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তাকে কুয়াকাটা পৌর এলাকা থেকে মহিপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

বিষয়টি মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান নিশ্চিত করেন। এর আগে পটুয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে মাকসুদকে দল থেকে বহিষ্কার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মাকসুদ কুয়াকাটা পৌরসভার নয় নং ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।

এ ঘটনায় দোকান মালিক মনির হাওলাদার মহিপুর থানায় বৃহস্পতিবার সকালে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। যেখানে মাকসুদ আকন (৩০), মোঃ শাহীন মুসল্লী (২৮), মোঃ রহিমের (৩০) নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টায় অভিযুক্তরা দোকানের ম্যানেজার হাসানকে দোকান থেকে নামতে বলে। এক পর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। দোকানে ভাংচুর চালানো হয়। মালামাল তছনছ করে ক্যাশ থেকে নগদ ২২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। প্রথমে মনির হাওলাদার জরুরি পরিষেবা ৯৯৯ এ কল করেন। দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে আসামিরা সটকে পড়েন। তবে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন, কুয়াকাটা শুন্য পয়েন্টের ওই বিতর্কিত জায়গার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। যার জের ধরে গতকালকের হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের মতামত জায়গাজমির বিরোধ থাকতে পারে তাতে একজনের দোকানে প্রকাশ্যে দিনের বেলা সন্ত্রাসী হামলা ভাংচুরের ঘটনা চরম নিন্দনীয়। এ ঘটনায় আইনের সহায়তা নেওয়া যেত।

মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।