Home Blog Page 199

আবারও ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম,আজ থেকে রেকর্ড দামে বিক্রি

দেশের স্বর্ণবাজারে নতুন করে দামের রেকর্ড তৈরি হলো। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকেই দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হবে সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে।
বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্য কার্যকর করা হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা।

সংগঠনটি জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে নতুন করে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, যা দেশের বাজারে স্বর্ণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

বাজুস আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে ভিন্নতা থাকতে পারে।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেদিন ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা, যা তখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছিল। সেই দাম কার্যকর হয়েছিল ২০ জানুয়ারি থেকে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ বার দাম বেড়েছে এবং ২ বার কমেছে। আর গত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, যা দেশের বাজারে রুপার ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।

টানা মূল্যবৃদ্ধিতে স্বর্ণ ও রুপার বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কোথায় গিয়ে থামে।

চুল পড়া বন্ধ করতে চান? জেনে নিন পুরুষদের জন্য সবচেয়ে বড় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস

চুল পড়া পুরুষদের মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা হিসেবে দেখা যায়। যদিও জিনগত কারণ এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তবে কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস চুল পড়ার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। অনেক সময় অজান্তে ভুল জীবনযাপন ও চুলের যত্নের অভ্যাস চুল ক্ষয় ঘটায়।

নিচে তুলে ধরা হলো পুরুষদের বেশি চুল পড়ার পেছনে দায়ী ৫টি প্রধান অভ্যাস:
১. অতিরিক্ত মানসিক চাপ
দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ থাকলে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি চক্র ব্যাহত হয়। এর ফলে চুলের গোড়া বিশ্রাম পর্যায়ে চলে যায় এবং অস্বাভাবিকভাবে চুল ঝরে পড়ে। কাজের চাপ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং দুশ্চিন্তা মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত।

২. অপুষ্টিকর খাবার ও পুষ্টির ঘাটতি
প্রচুর চিনি, ফাস্ট ফুড এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খেলে চুলের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন B, C, D-এর অভাবে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অতিরিক্ত পড়তে শুরু করে।

৩. অতিরিক্ত হেয়ার স্টাইলিং প্রোডাক্ট ব্যবহার
জেল, ওয়াক্স, হেয়ার স্প্রে ও কেমিক্যালযুক্ত পণ্য নিয়মিত ব্যবহার করলে চুলের গোড়া বন্ধ হতে পারে এবং স্ক্যাল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া, হিট স্টাইলিং (হেয়ার ড্রায়ার বা স্ট্রেইটনার) চুলকে আরও দুর্বল করে তোলে।

৪. ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান
ধূমপান মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়। ফলে চুলের গোড়ায় অক্সিজেন ও পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়। অতিরিক্ত মদ্যপান শরীরকে পানিশূন্য করে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি নষ্ট করে, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

৫. ভুলভাবে চুলের যত্ন নেওয়া
খুব ঘন ঘন চুল ধোয়া, শক্ত কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার, ভেজা চুল জোরে মুছে ফেলা বা আঁচড়ানো চুল ভাঙার কারণ হতে পারে। এছাড়া, স্ক্যাল্প ঠিকমতো পরিষ্কার না রাখলে খুশকি, সংক্রমণ ও চুল পড়া আরও বৃদ্ধি পায়।

চুল পড়া নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ
পুরুষদের চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করা সবসময় সম্ভব না হলেও, এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করলে চুল পড়া অনেকটাই কমানো সম্ভব।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস
সঠিক চুল পরিচর্যা
এই তিনটি বিষয় চুলকে সুস্থ ও ঘন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বারবার হোঁচট খেয়েও কেন এগিয়ে যান কিছু মানুষ? ব্যর্থতা থেকে শক্তি নেওয়ার ১২টি গোপন কৌশল

কখনও কি মনে হয়, চারপাশের কিছু মানুষ যেন যা-ই করুক সফল হয়, আর আপনি চেষ্টা করলেই হোঁচট খান? কেউ কেউ বর্তমান অবস্থাতেই সন্তুষ্ট থাকতে পারেন, আবার অনেকের কাছে মনে হয় যত চেষ্টাই করা হোক, এগোনো যায় না। সেই হতাশা থেকেই জন্ম নেয় ব্যর্থতার অনুভূতি। কিন্তু সবার জন্য ব্যর্থতা একরকম নয়।
যারা ব্যর্থতাকে ব্যবহার করে নিজেকে আরও শক্তিশালী ও পরিণত করে তোলেন, তারা অন্যদের থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আলাদা। আত্মসমালোচনা থেকে শুরু করে ভুলকে ইতিবাচক পরিবর্তনের পাথেয় বানানো পর্যন্ত, তাদের কাছে ব্যর্থতা কোনো শেষ নয়। বরং এটি নিজেকে আরও সচেতন, স্থিতিশীল ও দৃঢ় মানুষে পরিণত করার একটি ধাপ।

এমন মানুষদের ১২টি আলাদা অভ্যাস এখানে তুলে ধরা হলো।
এক. তারা ভুলকে নিজের পরিচয় বানান না
এই মানুষগুলো জানেন, ব্যর্থতা মানে শেষ নয়। বরং এটি নিজেকে আরও শাণিত করার প্রক্রিয়া। জীবনের উত্থান-পতন, অর্থনৈতিক চাপ কিংবা ব্যক্তিগত টানাপোড়েনে অনেক সময় মনে হয় কিছুই ঠিকঠাক চলছে না। কিন্তু তারা বোঝেন, এটি হয়তো সাময়িক নিম্নচক্র। ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ র‍্যাশেল ক্যাসাডা লোহম্যানের মতে, প্রতিটি ভুলই শেখার সুযোগ। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে তা প্রয়োগ করলেই মানুষ আরও প্রজ্ঞাবান হয়।
দুই. নিজের জন্য ভালো কিছু গড়তে তারা আনন্দ খুঁজে পান
ভুলের কারণে যে ক্ষতি হয়, সেটাকেই তারা ভবিষ্যতের ভিত্তি বানান। জীবনে পরিবর্তন আনতে গেলে যে উদ্দীপনা ও আশা জন্ম নেয়, সেই অনুভূতিগুলোই আবার খুঁজে পেতে চান তারা। নিজের জন্য ভালো কিছু তৈরি করতে পারা তাদের কাছে আত্মবিশ্বাসের বড় উৎস।
তিন. তারা সহজেই মানিয়ে নিতে জানেন
ব্যর্থতায় ডুবে না থেকে তারা পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেন। সামনে কী পরিবর্তন আসছে, সে বিষয়ে তারা খোলা মন রাখেন। মনোবিজ্ঞানের শিক্ষাবিদ কেন্ড্রা চেরির মতে, মানসিকভাবে নমনীয় মানুষ নতুন পরিস্থিতিতে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারেন এবং নেতিবাচক চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন।
চার. ক্ষতির পর তারা নিজেকে গুছিয়ে নেন
যেকোনো ব্যর্থতার পরই দৌড়াতে শুরু করেন না তারা। কিছুটা বিরতি নিয়ে মন পরিষ্কার করেন। পরিবেশ বদল, স্বল্প ভ্রমণ কিংবা নিজের সঙ্গে সময় কাটানো তাদের নতুন শক্তি জোগায়। গবেষণায়ও দেখা গেছে, চিন্তা থেকে সাময়িক বিরতি মানসিকভাবে উপকারী।
পাঁচ. তারা ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে হাঁটেন
ব্যর্থতা তাদের শেখায়, ঝুঁকি বেশি হয়েছিল নাকি কম। সেই অভিজ্ঞতা থেকে লক্ষ্যগুলো নতুন করে ঠিক করেন তারা। ছোট বা বড়, যেকোনো পরিবর্তনই হোক, সেটি যেন জীবনের উন্নতির দিকে যায়, সেটাই তাদের লক্ষ্য।
ছয়. তারা নিজেকে বাস্তবতার আয়নায় দেখেন
আগের ব্যর্থ অভিজ্ঞতাগুলো বিশ্লেষণ করে তারা বুঝতে চান, কোথায় ভুল হয়েছিল আর কোথায় সাফল্যের আভাস ছিল। কোন দক্ষতা বা পরিস্থিতি আগে কাজে লেগেছিল, তা নতুন করে চিহ্নিত করেন।
সাত. একই অভিজ্ঞতার মানুষদের পরামর্শ নেন
একা সব বোঝা টানেন না তারা। যাঁরা আগে একই পথ পেরিয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ নেন। প্রয়োজনে একজন মেন্টরের সহায়তাও নেন। এতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়।
আট. প্রয়োজনীয় সম্পদ খুঁজে নেন
ব্যর্থতার পর তারা বোঝেন, কোথায় সম্পদের ঘাটতি ছিল। তাই নতুন যোগাযোগ, নতুন উপকরণ কিংবা নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে পরবর্তী উদ্যোগের জন্য প্রস্তুতি নেন।
নয়. নিজের ওপর বিশ্বাস রাখেন
নিজের সক্ষমতার ওপর আস্থা হারালে সাফল্য দূরে সরে যায়। যারা ব্যর্থতাকে শক্তিতে বদলায়, তারা এই সত্যটি সবচেয়ে ভালো বোঝেন। নিজের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই বাধা পেরোনোর শক্তি দেয়। লেখক লুইস হাউসের মতে, আত্মবিশ্বাসই সব কিছুর ভিত্তি।
দশ. অন্যের মতামত নিয়ে তারা অতিরিক্ত চিন্তিত হন না
মানুষ কী ভাবছে, তা নিয়ে বেশি ভাবলে নতুন করে চেষ্টা করাই পিছিয়ে যায়। তারা জানেন, ব্যর্থতা লজ্জার নয়। এটি সাময়িক, স্থায়ী নয়।
এগারো. তারা নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হন
নতুন বন্ধু, নতুন দল কিংবা নতুন পরিবেশ তাদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করে। ইতিবাচক মানুষের সান্নিধ্য মানসিক শক্তি বাড়ায় এবং সাফল্যের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে।
বারো. তারা আত্মবিশ্লেষণে সময় দেন
ব্যর্থতার পর তারা নিজেকে প্রশ্ন করেন, এই অভিজ্ঞতা থেকে কী শেখা যায়। ভালো জীবনের স্বপ্ন দেখা বন্ধ করেন না। বরং নতুন ধারণা নিয়ে আবার চেষ্টা চালিয়ে যান। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, অভিজ্ঞতা থেকে শেখার প্রশ্নগুলোই ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানুষকে আরও দৃঢ় করে তোলে।
ব্যর্থতাকে সাফল্যে রূপ দেওয়া সহজ নয়। তবে যারা লেগে থাকতে জানেন, নতুন করে ভাবতে পারেন এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখেন, তাদের জন্য ব্যর্থতা শেষ কথা নয়। বরং সেটিই হয়ে ওঠে আরও শক্ত হয়ে ফিরে আসার সিঁড়ি।

যে প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রাশসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে তার কাঙ্খিত ‘হাঁস’ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সব মিলিয়ে বৈধ চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি তার দলীয় প্রতীক ‘মাথাল’ বরাদ্দ পেয়েছেন।

কাঙ্ক্ষিত প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। তারা যখন আমাকে দেখে, ছোট-ছোট বাচ্চারা চিৎকার করতে থাকে আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা আমার ভোটারদের মার্কা, আমার মার্কা না। আমি হাঁস পালতাম।

নিজের পালিত হাঁস চুরির কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি চোরকে ছাঁড়ি নাই। আমি মামলা করেছি, জেলেও ভরেছি। আমার এই হাঁস (প্রতীক) যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

তিনি আরও বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, ভোটাররা যা বলবেন যেভাবে চাইবেন; আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়ন সেভাবেই করব।

নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

রাজধানীর পীরেরবাগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের হেনস্তা ও হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পীরেরবাগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জামায়াতের নারী কর্মীদের এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।
হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না। কিন্তু তারা যদি আমাদের সঙ্গে বিশৃঙ্খলা করতে আসে আমরা ছাড় দেব না। জামায়াত-শিবিরকে দুর্বল ভাবার কোনো সুযোগ নেই। এ দেশের মানুষ আগামীতে জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। সুতরাং জামায়াত সকল প্রস্তুতি নিয়েই আগামী ইলেকশন ও সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করবে ইনশাল্লাহ।’
হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এই পীরেরবাগ জামায়াত ও শিবিরের ঘাঁটি সুতরাং এখানে কোনো সন্ত্রাসীকে ছাড় করা হবে না।’

শীত নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন বার্তা

সারা দেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে এই সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে দেওয়া পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা ঝরার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভোট নিয়ে প্রবাসীদের নতুন যে নির্দেশনা দিল ইসি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, যারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে ইচ্ছুক, তাদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসী ভোটারদের দেওয়া ভোট যেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে পারে, সেই লক্ষ্যেই নির্বাচন কমিশন এই আহ্বান জানিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো না হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের নিকট তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই প্রবাসী ভোটারদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যেই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিকটস্থ পোস্ট অফিসে ব্যালট জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

চিয়া সিড খেতে সাবধান থাকবেন যারা

সকালে  চিয়া সিড খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হলেও কিছু সতর্কতা জানা জরুরি। কিছু রোগের জন্য এই চিয়া  সিড খেতে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

দেখে নিন সকালে চিয়া সিড খাওয়ার ৫ সতর্কতা

১. অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন:  চিয়া সিডে প্রচুর ফাইবার থাকে। বেশি পরিমাণ খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা হতে পারে। দিনে ১–২ চা চামচ যথেষ্ট।

২. ভিজিয়ে খাওয়া জরুরি: শুকনা চিয়া সিড খেলে পেটে গিয়ে ফুলে উঠতে পারে, এতে গলা আটকে যাওয়া বা হজমে সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অন্তত ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া উচিত।

৩. থাইরয়েড রোগীরা সতর্ক থাকুন: চিয়া সিডে উচ্চমাত্রায় ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা থাইরয়েডের ওষুধের সাথে প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার।

৪. লো ব্লাড প্রেশার ও ব্লাড থিনারের ওষুধ খেলে সাবধান: চিয়া সিড রক্ত পাতলা করার কাজ করে, ফলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। যারা ব্লাড থিনার ওষুধ খান, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়।

৫. অ্যালার্জির ঝুঁকি: কিছু মানুষের চিয়া সিডে অ্যালার্জি হতে পারে। এতে চুলকানি, ফুসকুড়ি বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। প্রথমবার খাওয়ার সময় অল্প পরিমাণে চেষ্টা করুন।

তাই সকালে চিয়া সিড খেতে চাইলে পরিমিত পরিমাণে, ভিজিয়ে এবং স্বাস্থ্যগত অবস্থার সাথে মিলিয়ে খাওয়া নিরাপদ।

নাম মুছে ফেললেন রোজা

গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খানের সঙ্গে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রোজা আহমেদ। তবে বছর না ঘুরতেই এসেছে তাদের বিচ্ছেদের সংবাদ। সম্প্রতি তাহসান জানিয়েছেন রোজার সঙ্গে আর তিনি থাকছেন না।

দুজনের পথ যে আলাদা হয়ে গেছে সেটা আরো স্পষ্ট হলো এবার। ইনস্টাগ্রাম থেকেও তাহসানের ছবি মুছে ফেললেন রোজা। নিজের নামের সঙ্গে খান পদবী যুক্ত করেছিলেন সেটাও মুছে ফেলেছেন। রোজার ইনস্টাগ্রাম ঘেঁটে দেখা গেল, কোথাও তাহসান নেই। রোজার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের নাম ছিল রোজা আহমেদ খান। সেখান থেকে ছেঁটে দিয়েছেন খান।

 

সিলিন্ডার গ্যাস সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকার নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। কোথাও কোথাও আরও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, নির্ধারিত দামের কথা বললে অনেক দোকানদার সিলিন্ডার দিতে অস্বীকৃতি জানান। আবার অতিরিক্ত দামে কিনলেও খুচরা বিক্রেতারা কোনো রসিদ দিচ্ছেন না। রসিদ চাইলে বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার নেই।

তাদের ভাষ্য, অতিরিক্ত দাম নেওয়া অবৈধ হওয়ায় রসিদ দিলে প্রমাণ থেকে যাবে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার একেবারেই নেই। সরবরাহ সংকটের কথা বলে ক্রেতাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।  আজিমপুরের গৃহিণী রেহেনা আক্তার বলেন, সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই দামে কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার রসিদও দেয় না, অভিযোগ করব কীভাবে?
খুচরা বিক্রেতারা দাবি করছেন, পাইকারি পর্যায়েই তাদের বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকার অদূরে টঙ্গীর সিলিন্ডার ব্যবসায়ী মিঠু মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বলেন, সর্বশেষ গত সপ্তাহে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সিলিন্ডার বিক্রি করেছি (১২ কেজির)। এই সপ্তাহে পাচ্ছি না। দোকান একেবারেই খালি।