Home Blog Page 224

গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর এনসিপিতে যোগদান

০

নেত্রকোনা গণঅধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগ দিয়েছেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগদান করেন। এ সময় তাঁদের ফুল দিয়ে বরণ করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) প্রীতম সোহাগ।

যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন— গণঅধিকার পরিষদ নেত্রকোনা জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. ফেরদৌস আহমেদ, সদস্য সচিব মুফতি তারিক জামিল ফয়েজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাদেক হুসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব মো. পারভেজ হাসান, পূর্বধলা উপজেলা আহ্বায়ক মো. জাহিদ হাসান কাঞ্চন এবং বারহাট্টা উপজেলা আহ্বায়ক মো. ওয়াসিম মীর শাওন।

এ ছাড়া শ্রমিক অধিকার পরিষদের জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. শফিউল্লাহ ও সদস্য সচিব মো. শহিদুল্লাহ, সদর উপজেলা আহ্বায়ক মো. জালাল উদ্দীন, যুব অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি মো. রাজু রায়হান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাফায়াত হুসেন ও প্রচার সম্পাদক মো. ওমর ফারুক রিপন।

ছাত্র অধিকার পরিষদের নেত্রকোনা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মো. কাওসার আহমেদ, সহসভাপতি মো. আক্কাস উদ্দিন আকাশ ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মো. জুয়েল রানাসহ অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম সোহাগ বলেন, দেশে নৈতিক ও জনকল্যাণমূলক রাজনৈতিক নেতৃত্বের সংকট রয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের অধিকার, ভোটাধিকার, ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে রাজনীতি করছে। এনসিপির প্রতি মানুষের আস্থা দিন দিন বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, এনসিপির রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়; মানুষের অধিকার রক্ষাই এর মূল মন্ত্র। নাগরিক অধিকার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এনসিপি রাজপথে সক্রিয় থাকবে।

নবাগত নেতাকর্মীরা জানান, গণমানুষের অধিকার, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা থেকেই তারা জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যোগ দিয়েছেন।

গণভোটে যে ভোট দিতে আহ্বান জানালেন আজহারী

০

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে দুটি ভোট হওয়ার কারণে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নির্বাচনে অংশ নিতে অনেক ভোটার নিজ নিজ এলাকায় ফিরছেন, যার ফলে কিছু স্থানে যানজটও দেখা দিয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারী।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি সবাইকে গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি লিখেছেন, “একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য গণভোটে হ্যাঁ দিন। Say ‘YES’ for Future Bangladesh।”

ডায়াবেটিস রোগীরা কি সব ফল খেতে পারবেন

০

ফলের দোকানে আম, কলা, আঙুর বা তরমুজ দেখে মুখ চটকানো স্বাভাবিক। তবে ডায়াবেটিস থাকলে অনেকেই চিন্তায় পড়েন।

“ফল খেলে কি ব্লাড সুগার হঠাৎ বেড়ে যাবে?” এই ভয়ের কারণে অনেক রোগী ফল একেবারে বাদ দেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নয়।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ফল স্বাস্থ্যকর হতে পারে, যদি ফলের ধরন, পরিমাণ এবং খাওয়ার সময় সঠিকভাবে মেনে চলা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ফলের শর্করার পরিমাণ সমান নয়। কিছু ফলের প্রাকৃতিক চিনি বেশি, আবার কিছু ফলের ফাইবার বেশি থাকায় রক্তে শর্করা ধীরে বৃদ্ধি পায়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী, ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) এবং ফাইবারের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপদ ফলের মধ্যে রয়েছে: আপেল, পেয়ারা, নাশপাতি, কমলা, মাল্টা, পেঁপে, বেরিজ জাতীয় ফল যেমন স্ট্রবেরি এবং বেদানা। এই ফলগুলো রক্তে শর্করা ধীরে বৃদ্ধি করে।

তবে কিছু ফলের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। আম, কলা, কাঁঠাল, আঙুর ও লিচুতে প্রাকৃতিক চিনি বেশি থাকে। এগুলো একেবারে নিষিদ্ধ নয়, তবে অল্প পরিমাণে এবং নিয়মিত নয় খাওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, অতিরিক্ত চিনি যেকোনো উৎস থেকে রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে।

ফলের রসের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। এতে ফাইবার কম থাকে, চিনি বেশি থাকে এবং রক্তে শর্করা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই গোটা ফল খাওয়া সবসময় বেশি নিরাপদ।

খাওয়ার সময়ও গুরুত্বপূর্ণ। খালি পেটে না খেয়ে দিনের মাঝামাঝি সময় বা হালকা নাস্তা হিসেবে ফল খেলে রক্তে শর্করার ওঠানামা কম থাকে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, এক বেলায় এক ধরনের ফলই যথেষ্ট।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ফল শত্রু নয়, তবে সঠিক ফল, সঠিক পরিমাণ এবং সঠিক সময় মেনে খাওয়া জরুরি।

ভোট দিতে যাবার আগে যেসব তথ্য জানা জরুরি

০

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে।

ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে ও পরে কিছু বিষয় জানা দরকার। ভোট দিতে কী কী তথ্যের প্রয়োজন, ভোট দেওয়ার নিয়ম, ব্যালটপেপার ভাঁজ করতে হয় কি করে এবং নির্দিষ্ট ব্যালট বাক্সে ফেলার বিষয়ে জেনে নিলে ভোট প্রদানে কোনো জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে না।

অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। ভোট দিতে যাওয়ার আগেই জেনে নিতে হবে সঠিক ভোটকেন্দ্র কোনটি ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর।

এ দুটি বিষয় জানা থাকলে সময় যেমন বাঁচবে তেমনি ঝামেলাতেও পড়তে হবে না।

নির্বাচন কমিশনের ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ ব্যবহার করে এসব তথ্য সহজেই জেনে নেওয়া যাবে। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ইন্সটল করা যাবে। এছাড়া ১০৫ নম্বরে কল করে ভোটকেন্দ্র, ভোটার নম্বর এবং ক্রমিক নম্বর জেনে নেওয়া যাবে।

এ জন্য ১০৫ নম্বরে কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এ পদ্ধতিতে তথ্য জানতে ভোটারের এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ প্রয়োজন হবে। এসব তথ্য দিয়ে সহজেই জেনে নেওয়া যাবে ভোটকেন্দ্রসহ বাকি তথ্য।

অ্যাপ ও হটলাইন ছাড়াও এসএমএসের মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। সেজন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘পিসি এনআইডি’ (PC NID) লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

এসব ছাড়াও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিস থেকেও এ তথ্য পাওয়া যাবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটার তালিকা থেকেও এই তথ্য সংগ্রহ করা যাবে।

ভোট দিতে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে রাখা উচিৎ। তবে এটির ওপর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এনআইডিকার্ড থাকলে নাম ও ছবি ভোটার তালিকায় থাকলে এবং পোলিং অফিসার আপনার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলে সহজেই ভোট দিতে পারবেন।

ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কোনো রকম দাহ্য পদার্থ বা অস্ত্র নিয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর পোলিং অফিসার প্রথমে ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ভোটারের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে বা অন্য কোনো আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেবেন (সংসদ নির্বাচন ও গণভোট)। ব্যালট পেপারের পেছনে অবশ্যই অফিশিয়াল সিল এবং প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না দেখে নিতে হবে।

ব্যালট পেপার নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষে ভোট প্রদানের জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যেতে হবে। ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ভোটটি যেন বাতিল না হয়, সে জন্য ব্যালট ভাঁজ করা প্রত্যেক ভোটারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট করে সিল দিতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ/না ভোট আলাদা ব্যালটে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন সিলের কালি অন্য কোনো প্রতীকের ওপর না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ। ভাঁজ করা ব্যালট পেপারটি উন্মুক্তস্থানে রাখা সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলে ভোট দিতে হবে। ভোট প্রদান প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে না। এবারের ভোট হবে সম্পূর্ণ সনাতন পদ্ধতিতে, অর্থাৎ কাগজের ব্যালট ও ব্যালট বাক্সে। ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফরমগুলো কেবল তথ্য আদান-প্রদান ও প্রশাসনিক সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, ভোট প্রদানের জন্য নয়।

সুদ নেই, ফি-ও নেই: শরিয়াহ ধাঁচে নতুন স্থায়ী আমানত স্কিম চালু করল কৃষি ব্যাংক

০

সঞ্চয়ের ওপর যারা সুদ নিতে আগ্রহী নন, সেইসব নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে শরিয়াহ ধাঁচের সুদমুক্ত স্থায়ী আমানত স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি)।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই স্কিম চালু করার জন্য গত ২৯ জানুয়ারি এক সার্কুলারে ব্যাংকটি তাদের সব শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশ দিয়েছে। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এ হিসাব খুলতে পারবেন।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খালেদুজ্জামান টিবিএসকে বলেন, দেশের ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের চাহিদা বিবেচনা করে সুদমুক্ত আমানত হিসাব চালু করার অনুমোদন দিয়েছে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

এই স্কিমের আওতায় আমানতকারীরা কোনো সুদ পাবেন না। সেই বিবেচনায় আবগারি শুল্কসহ সরকারি ও ব্যাংকের যত ধরনের চার্জ আছে, সেগুলো আমানতকারীদের থেকে নেওয়া হবে না। চার্জগুলো আমানতকারীদের পক্ষে ব্যাংক পরিশোধ করবে।

পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে আমানত রাখলে আমানতকারীকে ডেবিট কার্ডও দেওয়া হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অগণিত ধর্মপ্রাণ নাগরিক আছেন, যারা কষ্টার্জিত অর্থ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা সৃষ্টির প্রয়োজনে সঞ্চয় আকারে জমা রাখতে আগ্রহী হলেও ব্যাংকের দেওয়া সুদ নিতে আগ্রহী নন।

এসব আমানতকারীর থেকে সুদমুক্ত আমানত সংগ্রহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করে ব্যাংকটি।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের ধর্মপ্রাণ গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনা করে এবং সুদহিবীন ও কম সুদের আমানত সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন ও আমানত ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার জন্য ‘কৃষি ব্যাংক সুদমুক্ত স্থায়ী আমানত হিসাব’ চালু করা হয়েছে। গত বছরের ১৫ অক্টোবর ব্যাংকের ৮৮৭তম বোর্ড সভায় এই হিসাব খোলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

হিসাব খোলার শর্ত

তবে এই হিসাব খোলার কিছু শর্ত রয়েছে। এই স্কিমে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা জমা রাখতে হবে। সর্বোচ্চ যেকোনো পরিমাণ অর্থ এই হিসাবে রাখা যাবে। আমানতের মেয়াদ হবে ১ মাস থেকে ৩ বছর বা তার বেশি।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জানিয়েছে, এই হিসাবে নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর ডিসেম্বরে সরকারি আবগারি শুল্ক কাটা হবে। তবে আবগারি শুল্ক কাটার পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে শাখা কর্তৃক স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা পুনর্ভরন করা হবে।

আর এই হিসাব সুদমুক্ত বিধায় উৎসে কর কাটা হবে না।

এই হিসাবের কোনো রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ নেবে না ব্যাংক। এমনকি হিসাব বন্ধ করা, স্টেটমেন্ট চার্জ ও এসএমএস চার্জও নেবে না ব্যাংক।

ব্যক্তির পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, চার্চ, কবরস্থান, মাদ্রাসা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সমিতি বা এ ধরনের যেকোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন এ হিসাব খুলতে পারবে।

তবে এই হিসাবের বিপরীতে ব্যাংক কোনো চেক ইস্যু করবে না। অর্থাৎ হিসাবটি হবে চেকবিহীন। হিসাব খোলার সময় গ্রাহককে আমানত রশিদ দেওয়া হবে।

এই হিসাব এক শাখা থেকে অন্য শাখায় নেওয়া যাবে না। হিসাবের বিপরীতে কোনো ঋণও দেওয়া হবে না।

অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় যেমন হবে এ হিসাব

সাধারণত দেশের ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে এ ধরনের হিসাব পরিচালনা করা হয়ে থাকে। আল-ওয়াদিয়াহ নামে এই হিসাব পরিচালনা করে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলো। প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর ইসলামী উইন্ডো এ ধরনের হিসাব পরিচালনা করে।

তবে অন্য কোনো রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক বা বিশেষায়িত ব্যাংকে এখন এ ধরনের সুদমুক্ত স্থায়ী আমানত হিসাব নেই। সোনালী, জনতা, রুপালী ও অগ্রণী ব্যাংকে লিখিতভাবে সুদ নেবেন না বলে ঘোষণা দিয়ে সঞ্চয়ী হিসাব খুলে অর্থ জমা রাখতে পারেন গ্রাহক।

এই ব্যাংকগুলোর চলতি হিসাবে সুদ দেওয়া হয় না। এমনকি বেশিরভাগ বেসরকারি ব্যাংকও চলতি হিসাবের বিপরীতে সুদ দেয় না। কিন্তু ব্যাংক ভেদে আলাদা আলাদা সার্ভিস চার্জ ও মেইনটেনেন্স ফি দেওয়া লাগে গ্রাহকদের।

বর্তমানে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) সুদমুক্ত সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে।

এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে দ্য সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ইষ্টার্ন ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক তাদের ইসলামী উইন্ডো বা উইংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের সুদমুক্ত সেবা দিয়ে থাকে।

জামায়ত খুব কৌশলী দল তবে জনগণ বোকা নয়: মির্জা ফখরুল

০

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামাত খুব কৌশলী দল, তারা খুব অপপ্রচার চালায়, ধর্মকে ব্যবহার করে, চরিত্র হনন করে। তবে আমি জনগণকে বোকা ভাবি না, জনগণ অনেক চালাক

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁয়ে কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কি-না এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, কিছুটা তো শঙ্কা থেকে যায়, তবে অতীতের মত কোন ইঞ্জিনিয়ারিং এবার হবে না এমনটাই আশা করছেন তিনি। ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতার বিষয় মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব সময়ই ফলাফল গ্রহণ করেছি। ২০০৮ সালে বিএনপি যখন ৩০টি আসন পেল তখন আমরা সংসদে গিয়েছি। এবার আমরা আশাবাদী বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।

নির্বাসন থেকে ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান: রয়টার্স

০

দীর্ঘ দুই দশকের নির্বাসন শেষে তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন এবং দেশের শাসনভার গ্রহণের জোরালো সম্ভাবনা বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ২০০৮ সালে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত ডিসেম্বরে তিনি দেশে ফিরেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদের লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সেখানে তারেক রহমানের এই উত্থানকে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশাল পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণায় একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। বিশেষ করে, ক্ষমতায় গেলে কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না—এমন সাংবিধানিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি, যাতে ভবিষ্যতে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা রোধ করা সম্ভব হয়।

তারেক রহমানের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে দরিদ্র পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং দুর্নীতি দমন। তিনি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না করে খেলনা ও চামড়াজাত পণ্যের মতো নতুন শিল্প খাতের বিকাশে গুরুত্ব দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি কোনো বিশেষ দেশের ওপর অতি-নির্ভরশীল না হয়ে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতি বজায় রাখার কথা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই ফিরে আসা কেবল একটি দলের ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক ধারায় এক বড় পরিবর্তন। একদিকে তিনি তার পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছেন, অন্যদিকে নিজেকে একজন আধুনিক নীতিনির্ধারক হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। মাঠপর্যায়ে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তাকে এই নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তার এই নির্বাসন থেকে ক্ষমতার যাত্রা চূড়ান্ত সফলতা পায় কি না।

ভোটারের হাতে টাকা গুঁজে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা বললেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার

০

ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটিতে তাকে একজন পান বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলতে এবং আলোচনার শেষে তাকে এক হাজার টাকা দিতে দেখা যায়।

এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর অনেকেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার অনুদান বা চাঁদা প্রদান করা নিষিদ্ধ। এই আইনি সীমাবদ্ধতার কারণেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

সমালোচনার মুখে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির তার ফেসবুক পেজে ‘মানবিক আবেদন’ শিরোনামে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মিরপুর এলাকায় গণসংযোগের সময় ওই পান বিক্রেতার সারাদিন বিক্রি না হওয়ার কথা জানতে পেরে তিনি কেবল মানবিক দিক বিবেচনা করে টাকাটি দিয়েছিলেন। এছাড়া একই এলাকায় শিশুদের র‍্যাকেট কেনার জন্যও তিনি কিছু টাকা উপহার হিসেবে দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, বরং নিছক মানবিক সাহায্য ছিল এবং গণমাধ্যম যেন বিষয়টিকে ভিন্নভাবে প্রচার না করে।

শাহরিয়ার কবির তার পোস্টে জুলকারনাইন সায়েরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেন, তার এই মানবিক কাজকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিনি এই ঘটনায় মর্মাহত হওয়ার কথা জানান এবং মানুষ হিসেবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ভাইরাল ভিডিওটির সংলাপে দেখা যায়, শাহরিয়ার কবির ওই বিক্রেতার কাছে ব্যবসার অবস্থা জানতে চাইলে বিক্রেতা দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে আতঙ্কের কথা জানান। উত্তরে শাহরিয়ার কবির তাকে ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন যে, রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ। এরপর চলে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার নোটটি গুঁজে দেন।

স্বাধীনতাবিরোধী দলটি নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে: বরকত উল্লাহ বুলু

০

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক বানিজ্য উপদেষ্টা ও নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) সংসদীয় আসন থেকে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য জননেতা বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী দলটি নির্বাচন নিয়েও নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

সোমবার শেষ বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নোয়াখালী জেলার প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী পৌর শহরের রেলগেইট উত্তরের মাঠে বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও চৌমুহনী শহর বিএনপি’র আয়োজিত স্মরণকালের বিশাল জনসমাবেশে তিনি জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালে জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে ১৭৩ দিন এই দেশে হরতাল পালন করেছে। ১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে তারা মাত্র তিনটি সিট পেয়েছে।’

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাখ্যা চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপি’র জেলা-উপজেলা ও পৌর শাখার বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বেগমগঞ্জের সর্বস্তরের জনতা উন্নয়নের প্রতীক ধানের শীষকে বিজয় নিশ্চিত করবে।

নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে দুপুরের পর থেকেই উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন এবং চৌমুহনী পৌর শহরের সকল ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে পুরো জনসভাস্থল কানায় কানায় ভরে যায়।

তিনি আরো বলেন, ২০০১ সালে নির্বাচনের পর সাবেক দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জামায়েত ইসলামকে মন্ত্রী পরিষদেও ২টি আসন দিয়েছেন। অথচ সেই জামায়েত ইসলাম এখন বিএনপি নিয়ে চরম কটাক্ষ বক্তব্য দিচ্ছেন।