Home Blog Page 23

প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যেতেই পারেন, তা হতে হবে সমমর্যাদার: শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সারাবিশ্বই সফর করতে পারেন। দেশ ভারত সফর করতেও কোনো অসুবিধা নেই। তবে সেই সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার, বন্ধুত্বের। এখন এই দেশের মানুষ আর কারও আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না। মানুষ চায় ভারতের সাথে সম্পর্ক হোক বন্ধুত্বের, সমমর্যাদার, সমতার ভিত্তিতে।

শুক্রবার রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সদস্য (রোকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলেই চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্যের টুঁটি চেপে ধরতে পারেন। তিনি চাইলেই এসব বন্ধ হবে। তিনি চাচ্ছেন কিনা এটাই বড় বিষয়।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জামায়াত দেশের মানুষের কাছে আদর্শিক সংগঠনের নাম। এই আস্থা অর্জন করতে এই সংগঠন দীর্ঘ সময় ধরে এদেশের মানুষের মাঝে ইসলামের দাওয়াত ও আদর্শ সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

আগামী স্থানীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীদেরকে জনমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ভোট যেন কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে সে ব্যাপারে আমাদের নেতাকর্মীদের সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে।

রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির কেরামত আলী এমপির সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান এমপি। বক্তৃতা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি প্রমুখ।

বিএনপি-জামায়াত দ্বন্দ্বে বন্ধ সেবামূলক কাজ

খুলনার কয়রায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাদের বিরোধ ও সমন্বয়হীনতায় স্থবির হয়ে পড়েছে সরকারি নানা সেবামূলক কার্যক্রম। বিশেষ করে বিভিন্ন সরকারি ভাতা, সুবিধাভোগী নির্বাচন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুই দলের নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি চাপ ও প্রভাবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ফলে স্বাভাবিক সরকারি সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হওয়ার পাশাপাশি প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামীর হওয়ায় তাঁর অনুসারী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দুই দলের এমন অনড় অবস্থানের কারণে প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রচণ্ড বিঘ্ন ঘটছে।

আটকে গেছে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ
জানা গেছে, উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের লক্ষ্যে গত ৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে গভীর রাত ২টা পর্যন্ত টানা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে দুই রাজনৈতিক দলের বিরোধের কারণে দীর্ঘ সময় পার হলেও ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, দ্রুত ফলাফল ঘোষণার লক্ষ্যে গভীর রাত পর্যন্ত কষ্ট করে পরীক্ষা নেওয়া হলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তারা ফলাফল প্রকাশে ব্যর্থ হয়েছেন।
একইভাবে সম্প্রতি বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম নির্বাচনেও দুই দল বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি চেয়ারম্যান জানান, প্রতিটি ইউনিয়নের ১৫টি মসজিদ বাছাই করে নামের তালিকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও দুই দলের নেতারা তাঁদের পছন্দের লোক ঢোকাতে অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছেন। ফলে নিরপেক্ষ তালিকা প্রস্তুত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

বন্ধ খাবার পানির ট্যাঙ্ক বিতরণ
কয়রা উপজেলায় লবণাক্ততার কারণে খাবার পানির তীব্র সংকট রয়েছে। ফলে স্থানীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তর থেকে ভূগর্ভস্থ ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ৩ থেকে ১৫ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার প্লাস্টিকের ট্যাঙ্ক বিতরণ কার্যক্রম চালু ছিল। দুই দলের দ্বন্দ্বের কারণে সুফলভোগীদের তালিকা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।
কালনা গ্রামের ফরমান সরদার ও মমতাজ বেগম বলেন, ছয় মাস আগে ট্যাঙ্কির জন্য আবেদন করেছিলাম, পাইনি। অফিসে গেলে বলা হয় দুই দলের ঝামেলা মিটলে দেওয়া হবে। আমরা রাজনীতির হিসাব বুঝি না। অথচ নেতাদের টানাটানিতে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইশতিয়াক আহমেদ জানান, সংসদ সদস্যের কাছ থেকে নির্ধারিত তালিকা না পাওয়ায় বর্তমানে প্লাস্টিকের ট্যাঙ্ক বিতরণ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া মহিলা বিষয়ক দপ্তর ও সমাজসেবা অফিসের নানাবিধ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সুবিধাভোগী নির্বাচনেও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চলছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরিতে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা আমাদের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় পর্যায় থেকে একাধিক তালিকা আসার কারণে চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নে কিছুটা বিলম্ব ঘটছে।’

উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুই দলের নেতাদের টানাপোড়েনে প্রশাসনের কর্মকর্তারা যেমন বিব্রত হচ্ছেন, তেমনি প্রচণ্ড দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই সুযোগে রাজনীতি থেকে ঝরে পড়া অপশক্তি সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। দ্রুত সমাধান না হলে সার্বিক উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমীন বাবুল বলেন, ‘এ আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাঁদের দলীয় নেতাকর্মীরা প্রতিটি ক্ষেত্রে একচ্ছত্র প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন; যার ফলে সরকারি সুবিধাভোগী নির্বাচনে বাধা তৈরি হচ্ছে। আমরা বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেছি।’
ইউএনও মো. আবদুল্লাহ আল বাকী বলেন, ‘প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সম্পূর্ণ সরকারি নিয়মনীতি ও বিধিবিধান অনুসরণ করে কাজ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক সুপারিশ বা চাপ অনেক সময় আমাদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে। এর ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়ে যাচ্ছে।’

৮ বছর একসঙ্গে থাকার পর নতুন জীবনে অর্জুন রামপাল-গ্যাব্রিয়েলা

বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপাল ও তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস বিয়ে করেছেন। আট বছর একসঙ্গে থাকার পর শুক্রবার গোয়ায় আইনি প্রক্রিয়ায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন ৫৩ বছর বয়সী এই অভিনেতা।

উত্তর গোয়ার মাপুসার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে বিকেল ৪টার দিকে বিয়ের জন্য হাজির হন অর্জুন ও গ্যাব্রিয়েলা। জমকালো পোশাক বা কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছিল না। সাদামাটা পোশাকে ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন।

সাব-রেজিস্ট্রার সুরজ ভেরনেকার জানান, গোয়ার ইউনিফর্ম সিভিল কোডের আওতায় তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়েছে। স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় স্বাক্ষরের মধ্যে ১৫ দিনের অপেক্ষার বিধান রয়েছে। তবে বিশেষ অনুমতি নিয়ে সেদিনই প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন। বিয়ের ১৫ দিন পর মূল বিয়ের সনদ পাওয়ার কথা রয়েছে।

অর্জুন ও দক্ষিণ আফ্রিকার মডেল গ্যাব্রিয়েলার সম্পর্কের শুরু ২০১৮ সালে। দীর্ঘদিনের এই সম্পর্কে তাদের দুই সন্তান রয়েছে। ২০১৯ সালে প্রথম সন্তান অরিকের জন্ম হয়। ২০২৩ সালে জন্ম নেয় দ্বিতীয় সন্তান আরিভ।

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও এতদিন তারা একসঙ্গেই সংসার করেছেন। ২০২৫ সালে অর্জুন প্রকাশ্যে জানান, গ্যাব্রিয়েলার সঙ্গে বাগদান হয়েছে। এরপর ২০২৬ সালে এসে সম্পর্ক পেল আইনি স্বীকৃতি।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন জানিয়েছিলেন, তাদের সম্পর্কের জন্য বিয়ের কাগজ খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। সম্পর্কের মূল বিষয় হলো দুজনের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও একে অপরকে ভালোভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করা। তিনি বিয়ের বিরোধী নন বলেও জানিয়েছিলেন।

গ্যাব্রিয়েলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে অর্জুনের বিয়ে হয়েছিল মডেল ও সাবেক মিস ইন্ডিয়া মেহর জেসিয়ার সঙ্গে। ১৯৯৮ সালে তাদের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই মেয়ে মাহিকা ও মাইরা।

প্রায় ২১ বছর সংসার করার পর ২০১৯ সালেবিচ্ছেদ  হয়। বিচ্ছেদের পরও দুই মেয়ের সঙ্গে অর্জুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। গ্যাব্রিয়েলার সঙ্গে সম্পর্ক ও নতুন সংসার শুরু করার পাশাপাশি আগের দুই মেয়ের সঙ্গেও বাবার দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

বর্তমানে অর্জুন ও গ্যাব্রিয়েলা গোয়ার পানাজির কাছে বসবাস করেন। দীর্ঘদিনের প্রেম, দুই সন্তান ও একসঙ্গে সংসার করার পর এবার আইনি স্বীকৃতিও পেল সম্পর্ক।

হেসেছি, কেঁদেছি, আবার কখনও আবেগে ভেসেছি: অপূর্ব

তারকা অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনয়ের পাশাপাশি গানেও নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জীবনের প্রথম একক কনসার্টে গান গেয়ে দেশে-বিদেশে আলোচনায় আসেন তিনি। প্রথম কনসার্টের সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশে ফিরেছেন এই অভিনেতা। ফিরেই আবারও ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন অভিনয়ে। একদিকে বিদেশের মাটিতে গান গেয়ে দর্শকের প্রশংসা, অন্যদিকে দেশে ফিরে একের পর এক নাটকের কাজ–সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন অপূর্ব।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় অপূর্বর জীবনের প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠান। অভিনয়ের জন্য দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় হলেও গানেও যে তিনি দর্শকদের আকৃষ্ট করতে পারেন, সেই প্রমাণ মেলে ওই আয়োজনের মধ্য দিয়ে। কনসার্টের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আরও একক কনসার্টে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। আপাতত সেসব প্রস্তাবে সম্মতি না দিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন।

প্রথম কনসার্টের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে অপূর্ব বলেন, ‘যেহেতু এটা ছিল আমার জীবনের প্রথম কনসার্ট, তাই আমার ওপর অনেক চাপ ছিল। যেহেতু আমরা কোনো স্পন্সর নিইনি, সে জন্য চাপ এবং চ্যালেঞ্জটা অনেক বেশি ছিল। প্রথম দিকে একটু ভয়েই ছিলাম। পরে ঘোষণা দেওয়ার পর দেখলাম, একটু একটু করে আমার এই কনসার্ট দেখার জন্য সবার মধ্যে প্রবল আগ্রহের সৃষ্টি হয়।’

নিউইয়র্কের ওই কনসার্টে শুধু সেখানকার দর্শকই নন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকেও দর্শক উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অপূর্বর কয়েকজন সহশিল্পীও যোগ দেন। গান পরিবেশনের পাশাপাশি দর্শকের সঙ্গে কথোপকথনেও অংশ নেন তিনি।

নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে অপূর্ব বলেন, ‘শুধু নিউইয়র্ক থেকেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকে আমার কনসার্ট উপভোগ করার জন্য দর্শক এসেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে আমার অনেক সহশিল্পীরাও এই কনসার্টে যোগ দেন। যেহেতু সবমিলিয়ে আমার জীবনের প্রথম গানের অনুষ্ঠান অবিশ্বাস্য এক স্মরণীয় সন্ধ্যায় পরিণত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি স্টেট থেকে গান গাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। আমি রেগুলার শো করতে চাই না। এটি করলে শ্রোতার প্রতি আমার আকর্ষণ কমে যাবে।’

কনসার্টে গান গাওয়ার পাশাপাশি নানা আবেগঘন মুহূর্তেরও মুখোমুখি হন অপূর্ব। কখনও গান গেয়েছেন, কখনও দর্শকের সঙ্গে কথা বলেছেন, আবার কখনও আবেগে ভেসেছেন। সেই অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে বিশেষ মুহূর্ত হয়ে উঠেছে। অপূর্ব বলেন, ‘গান গেয়েছি, গানের ফাঁকে ফাঁকে কথা বলেছি, কখনও হেসেছি, কখনও কেঁদেছি, আবেগে ভেসেছি–আমি সবার ভালোবাসায় মুগ্ধ, অভিভূত। দিনটি জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

তবে বিদেশের মাটিতে গান গাওয়ার সেই ব্যস্ততা শেষ করে দেশে ফিরেই অভিনয়ের কাজে মন দিয়েছেন অপূর্ব। ইতোমধ্যে মাশরিকুল আলম ও মাহমুদুর রহমান হিমির নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। সামনে আরও কয়েকজন নির্মাতার নাটকে কাজ করার কথা রয়েছে তাঁর। সৈয়দ শাকিল, রুবেল হাসান, জাকারিয়া সৌখিন, মুরসালিন শুভ ও এস আর মজুমদারের নাটকে দেখা যাবে তাঁকে।

অপূর্ব জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই আটটি নাটকের কাজ শেষ করে আবার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। পরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে দীর্ঘ সময় দেশে থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ বিদেশের মঞ্চে গান এবং দেশে নাটকের শুটিং–দুই মাধ্যমেই আপাতত ব্যস্ত থাকছেন এই অভিনেতা।

দেশে ফিরে নাটকের কাজ শুরু করা প্রসঙ্গে অপূর্ব বলেন, ‘আমার প্রথম কনসার্টেরও রেশ কাটতে না কাটতেই দেশে ফিরেই কাজে ব্যস্ত হয়ে উঠেছি। যাদের নাটকে কাজ করছি বা করব, প্রত্যেকের নাটকের গল্প এক কথায় অসাধারণ। বিশেষত, সৈয়দ শাকিল ভাইয়ের নাটকের গল্পটা জীবন থেকে নেওয়া। এ নাটকে আমি শার্লিনের বিপরীতে অভিনয় করেছি। তাঁর সঙ্গে আমার অনেক দিন পর কাজ হয়েছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করে মনেই হয়নি অনেক দিন পর কাজ করেছি। মনে হয়েছে, আমারা দুজন প্রতিদিনিই কাজ করছি। আমাদের মধ্যে কাজের বোঝাপড়াটা ভালো ছিল বলে এমনটি মনে হয়েছে। নাটকের টিম ওয়ার্কটা ভালো ছিল বলে কাজ অনেক সহজ হয়েছে।’

আসন্ন নাটকগুলোতে সময়ের দর্শকপ্রিয় অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন অপূর্ব। নিজের দর্শকের প্রত্যাশার কথাও মাথায় রাখছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘আমার ভক্ত-দর্শকের কথা মাথায় রেখেই ভালো ভালো গল্পের নাটকে কাজ করছি। আশা করছি, প্রতিটি নাটকই দর্শকের ভালো লাগবে।’

অভিনয় তাঁর মূল পরিচয় হলেও নিউইয়র্কের প্রথম একক কনসার্ট অপূর্বর শিল্পীসত্তার আরেকটি দিক সামনে এনেছে। বিদেশের মাটিতে গান গেয়ে পাওয়া দর্শকের ভালোবাসা সঙ্গে নিয়েই এখন দেশের নাটকের কাজে ফিরেছেন তিনি। ফলে সামনে তাঁর ব্যস্ততায় যেমন থাকবে অভিনয়ের গল্প, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের সেই স্মরণীয় সংগীতসন্ধ্যার অভিজ্ঞতাও হয়ে থাকবে তাঁর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপ্রধান। এরপর তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

নতুন রাষ্ট্রপতি সেখানে পরিদর্শন বইয়ে সই করেন। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণও করেন। রাষ্ট্রপ্রধান সেখান থেকে সরাসরি মিন্টু রোডের বাসায় ফিরবেন। তিনি রোববার বঙ্গভবনে উঠবেন বলে তার কার্যালয় জানিয়েছে।

বঙ্গভবনে উঠবেন রোববার 
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোববার বঙ্গভবনে উঠবেন বলে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় জানিয়েছে। সেদিন সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে তিনি মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওয়ানা করবেন। রাষ্ট্রপতি কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রোববার বঙ্গভবনে ২ নম্বর গেইটে পৌঁছানোর পর রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল ‘গার্ড অব অনার’ মঞ্চে নিয়ে যাবে। সেখানে রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার দেবে। এ পর্ব শেষে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে তাঁর কার্যালয়ে যাবেন।

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেন বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব সামলানো মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও অনুষ্ঠানে ছিলেন।

২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন তৎকালীন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। স্পিকারের দায়িত্ব নেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। এরপর বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনের সভাকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।

খাগড়াছড়িতে ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সড়ক, সাজেকের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ

খাগড়াছড়িতে ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে টানা বৃষ্টিতে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকা ও দীঘিনালার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ঘরবাড়ি ও ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে দীঘিনালা-সাজেক ও দীঘিনালা-লংগদু সড়কে যান চলাচল।

খাগড়াছড়ি আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১২টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আকস্মিক ভারী বৃষ্টির কারণে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপদসীমা অতিক্রম করে।

পানি বেড়ে খাগড়াছড়ি শহরের কাঁচাবাজার, মুসলিমপাড়া, গরুর বাজার, শান্তিনগর ও খাগড়াছড়ি গেটসংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দীঘিনালার মেরুং, কবাখালী ও বেয়োলখালী এলাকার নিচু অঞ্চলও পানিতে তলিয়ে গেছে। দীঘিনালা-মেরুং সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। অনেক এলাকার ঘরবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়েছে।

আকস্মিক বৃষ্টিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য আশপাশের স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।

এদিকে, ভারী বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় দীঘিনালা থেকে সাজেক এবং দীঘিনালা থেকে লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ওই দুই রুটে চলাচলকারী মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।

‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এ যুক্ত হলেন রাফসান ও সুনেরাহ

জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর নতুন চ্যাপ্টারে যুক্ত হচ্ছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইফতেখার রাফসান (রাফসান দ্য ছোট ভাই) ও অভিনেত্রী সুনেহরা তাসনিম। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির এই ধারাবাহিকের ‘চ্যাপ্টার ১৪’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ-তে মুক্তি পাচ্ছে।

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে আগের চ্যাপ্টারের গল্পের পর এবার নতুন মোড় নিয়ে হাজির হচ্ছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’। এবারের চ্যাপ্টারের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন রাফসান ও সুনেরাহ।

ব্যাচেলর ফ্ল্যাটের চিরচেনা বিশৃঙ্খলা ও হাস্যরসের মধ্যে তাদের উপস্থিতি গল্পে নতুন কোনো টুইস্ট আনবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

bachelor%20point 1787224828

আজ সামাজিক মাধ্যমে রাফসান ও সুনেরাহর পোস্টার শেয়ার নির্মাতা লিখেছেন, ‘রাফসান-সুনেরাহ আসছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’! কিন্তু প্রশ্ন একটাই—ব্যাচেলরদের জন্য স্বস্তি, নাকি আরও একগাদা ঝামেলা?’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গ-তে একযোগে প্রকাশ পাবে ‘চ্যাপ্টার ১৪’-এর ৮টি নতুন পর্ব। পর্বগুলো হলো ১০৫ থেকে ১১২ নম্বর পর্যন্ত। এছাড়া বঙ্গের পাশাপাশি ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ প্রচারিত হচ্ছে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় এবং ইউটিউবে বুম ফিল্মসের চ্যানেলে।

ট্রাম্পের অর্থনৈতিক হুমকিকে ঋণের বোঝা দিয়ে কটাক্ষ আরাঘচির

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ‘অর্থনৈতিক চাপ’ সংক্রান্ত হুমকির জবাব দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বৃহস্পতিবার বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও পরাজয় ডেকে আনবে।

ইরানের ওপর ট্রাম্পের চূড়ান্ত অর্থনৈতিক চাপ তৈরির পরিকল্পনাকে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ বলা হচ্ছে। এই পরিকল্পনাকে ‘ব্যর্থ নীতির’ ধারাবাহিকতা হিসেবে অভিহিত করেন আরাঘচি। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান জাতীয় ঋণ নিয়েও কটাক্ষ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে আরাঘচি লিখেছেন, ‘তথাকথিত ইকোনমিক ডি-ডে হলো, আমেরিকার নজিরবিহীন ঋণ ও আকাশচুম্বী সুদের খরচ থেকে অন্যদিকে নজর সরানোর একটি কৌশল। এই ব্যর্থ নীতি আরও পরাজয় ডেকে আনবে।’

ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ হিসেবেও উল্লেখ করেন আরাঘচি। বলেন, এটি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য একটি হুমকি।

এর আগে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ‘যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া এ যাবৎকালের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ চালু করতে যাচ্ছেন। তিনি এটিকে অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও অবরোধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, যে দেশ ইরানের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি কোনো সংস্থাকে সহযোগিতা করবে, তারা ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখোমুখি হবে।

পশ্চিমবঙ্গের দুই জেলায় বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ১৭

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদ থেকে ১৭ জনকে আটক করেছে স্থানীয় থানা-পুলিশ। তারা বাংলাদেশি নাগরিক বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আটককৃতদের মধ্যে শিশু ও নারীরা আছেন।

রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধ ও বৃহস্পতিবার এই অভিযান চালানো হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘীর গাজীর মোড় এলাকার একটি বাড়ি থেকে প্রথমে ১০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে তিন শিশু ও দুজন নারী। বাড়িটি ইয়াকুব নামে এক ব্যক্তির। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়েছিল।

আটককৃতরা বেশ কয়েক বছর আগে ভারতে প্রবেশের পর ব্যাঙ্গালোরে ভাঙারি সামগ্রীর ব্যবসায় যুক্ত হন। সেখানে নথিবিহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে সম্প্রতি তারা রায়দিঘীর বাড়িটিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আটকের পর তাদেরকে জেলার লক্ষ্মীকান্তপুর হোল্ডিং সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। ভারতে প্রবেশের বৈধ নথি ও কীভাবে তারা এই এলাকায় এলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে মুর্শিদাবাদে রানীনগর থানার কাহারপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় স্থানীয় পুলিশ। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় সাতজনকে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখে তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন। রাজমিস্ত্রির কাজ করতে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।

মুর্শিদাবাদে আটককৃতরা সবাই পুরুষ। চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। দালাল সীমান্ত পার করে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তারা বিপাকে পড়েন। পরে পুলিশ আটক করে স্থানীয় লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে নিয়েছে।

শিশু হাসপাতালকে মাইক্রোবাস দিল পূবালী ব্যাংক

সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটকে একটি মাইক্রোবাস দিয়েছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি।

এ উপলক্ষে হাসপাতালের বোর্ড রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলামের কাছে মাইক্রোবাসের চাবি হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. এম. এ. কামাল, ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক, সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এস. এম. খালিদ মাহমুদ, পেডিয়াট্রিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুনির হোসাইন এবং উপপরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মো. আজহারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া পূবালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও ঢাকা উত্তর অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান এ. কে. এম. আব্দুর রকীব, ধানমন্ডি শাখার ব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপক নিগার সুলতানা, সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক দায়বদ্ধতার আওতায় দেওয়া এ মাইক্রোবাসটি বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহৃত হবে।