Home Blog Page 234

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিএনপির শ্রদ্ধা

মহান বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিএনপির কেন্দ্রীয়, ঢাকা জেলার নেতাকর্মীরা।

সূর্য উদয়ের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয় স্মৃতিসৌধ। তখন শ্রদ্ধা জানান বিএনপি নেতাকর্মীরা।

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলমাী একাত্তরে স্বাধীনতাবিরোধী ছিল, এখনও তারা সেই অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একাত্তরের সঙ্গে চব্বিশের তুলনা চলে না।

তিনি বলেন, গোলাম আযম ও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে সূর্যসন্তান আখ্যায়িত করে মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত অপমান করেছে জামায়াত।

ইতিহাসকে ধারণ করে ছাত্রদল এগিয়ে যেতে চায়: নাছির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেছেন, বিজয়ের ৫৪ বছর আমরা পার করছি। এই বছরটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিজয়ের ৫৪ বছর পর এসে আমাদের মধ্যে আশঙ্কা জাগ্রত হয়েছে যে গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে যেমন বিকৃত করেছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসা করেছে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমরা দেখছি, একটি পক্ষ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে ভুলিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা গত পাঁচ দশকে দেখেছি আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিক্রি করে মুক্তিযুদ্ধের একক মালিকানা দাবি করতো। এখন বাংলাদেশে দেখতে পাচ্ছি একটি পক্ষ মুক্তিযুদ্ধকে ভুলিয়ে নতুন প্রজন্মকে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের এজেন্ডাকে তারা এখানে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দিন আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন উপ-উপাচার্য এরকম একটা দায়িত্বশীল পদে থেকে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের মহান বুদ্ধিজীবী দিবসকে যেভাবে খাটো করেছেন, এবং প্রকৃত ইতিহাসকে বিকিয়ে তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে চেষ্টা করছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এবং চব্বিশের প্রকৃত ইতিহাসকে ধারণ করে ছাত্রদল এগিয়ে যেতে চায়।

এসময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

সিঙ্গাপুরে হাদির চিকিৎসা: সর্বশেষ যা জানা গেছে

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়া যাবে। রিপোর্ট পর্যালোচনার পর চিকিৎসকরা হাদির পরিবারের সঙ্গে পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা বা রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা করবেন।

এর আগে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর থেকে তাকে সরাসরি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। আগেই প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকায় হাসপাতালে পৌঁছানোর পরপরই তাকে ভর্তি করে পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করা হয়।

শরিফ ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে গেছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা আমিনুল হাসান ফয়সাল।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। এর আগে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে হাদিকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি রওনা দেয় এবং বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে। পরে আনুমানিক দেড়টার দিকে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে শরিফ ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে এক জরুরি কল কনফারেন্সে হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। কল কনফারেন্সে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর এবং হাদির ভাই ওমর বিন হাদি অংশ নেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে হাদির দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চাওয়া হয়েছে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

সাভার স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বিজয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রপতি সাভার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান উপদেষ্টা।

এদিকে, মহান বিজয় দিবস দেশব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে সর্বোচ্চসংখ্যক জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাশুটিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়া হবে। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী সকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে শহরের তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে পৃথকভাবে ফ্লাই-পাস্ট প্রদর্শন করবে। সেখানে একটি বিশেষ বিজয় দিবস ব্যান্ড শো আয়োজন করা হবে।

এছাড়াও, ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার দেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর উপলক্ষ্যে সকাল ১১টা ৪০ মিনিট থেকে পতাকাবাহী স্কাইডাইভ প্রদর্শন করবে। যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ পতাকা-প্যারাশুটিং প্রদর্শনী হবে, যা একটি নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপন করবে।

৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে চুরি হওয়া কাভার্ডভ্যান আধা ঘন্টায় উদ্ধার

১২ ডিসেম্বর ২০২৫ শুক্রবার সন্ধ্যা ১৮.৫০ মিনিটে হাসান নামে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, গাজিপুর জেলার কালিয়াকৈর থেকে একটি কাভার্ডভ্যান, ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৬১৮০ চুরি করে নিয়ে গেছে। গাড়িতে সংযুক্ত জিপিএস ট্রাকারে তিনি দেখতে পারছিলেন গাড়িটি বর্তমানে যমুনা সেতু পার হয়ে হাটিকুমরুল গোলচত্বরের দিকে যাচ্ছে। কলটি গ্রহণ করেছিলেন ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম এবং উদ্ধার তৎপরতার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সাথে তদারক এবং সমন্বয় করছিলেন ৯৯৯ ডিসপাচার এএসআই উদয় কুমার।

৯৯৯ থেকে প্রাপ্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার একটি টহলদল সার্জেন্ট মোঃ বাদশা আলম সংগীয় ফোর্সসহ ঢাকা পাবনা মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা বাসষ্ট্যান্ড মোড়ে চেকপোস্ট করতে থাকে। গাড়ি চেক করা কালে ১৯.২০ মিনিটে চেকপোস্টে কাভার্ডভ্যানটি বেরিক্যাড দিয়ে আটক করা হয়। ঐ সময় চালক মোঃ আসাদুজ্জামান শাহেদ (৩০), পিতা- আবুল বাশার বাদশা, সাং-কিসমত নোয়াপাড়া, থানা কোতয়ালী, জেলা যশোর এবং চালকের হেলপার মোঃ হৃদয় হোসেন (২২), পিতা মোঃ হযরত আলী, সাং- আঙ্গারপাড়া, থানা ঝিকরগাছা, জেলা যশোরদ্বয়কে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীদ্বয়ের দেহ তল্লাশী করে আসামী হেলপার হৃদয় হোসেন এর নিজ হেফাজতে থাকা একটি কালো স্কুল ব্যাগের ভিতরে খবরের কাগজে মোড়ানে অবস্থায় ৭৫(পচাত্তর) গ্রাম শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়।

উদ্ধারকৃত কাভার্ডভ্যানের মালিক এসএম তরিকুল হাসান, পিতা মৃত এসএম জামাল উদ্দিন, সেক্টর-১৪, উত্তরা, ঢাকা কে উদ্ধার সংক্রান্তে বিষয়ে অবগত করা হয়েছে এবং আইনী প্রক্রিয়ায় গাড়িটি হস্তান্তর করা হবে। এই সংক্রান্তে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

আনিস আলমগীর মতো দালাল কে যখন মাসুদ কামালের মতো দালাল রক্ষার দায়িত্ব নেয় হাসান আল মামুন

গগণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন সাংবাদিক আনিস আলমগীর এবং মাসুদ কামালকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

হাসান আল মামুন বলেন, এক দালাল যখন আরেক দালালকে রক্ষা করার দায়িত্ব নেয়, তখন পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি উল্লেখ করেন, সাংবাদিক মাসুদ কামাল আনিস আলমগীরকে নিয়ে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, “আনিস আলমগীরের দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে অনেক বড় একটা ভূমিকা আছে।”

হাসান আল মামুন এই বক্তব্যকে দালালি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর মতে, আওয়ামী লীগপন্থী সাংবাদিক আনিস আলমগীরের পক্ষ নিয়ে মাসুদ কামাল যে ভূমিকা পালন করছেন, তা আসলে আওয়ামী লীগের পক্ষেই দালালি করার নামান্তর। এর মাধ্যমে তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে মাসুদ কামালও আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ নিয়ে কাজ করছেন।

আজ যে দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ

ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বশেষ তিন হাজার ৪৫৩ টাকা বেড়েছে। সে হিসেবে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ মিলবে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকায়।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম (পিওর গোল্ড) বাড়ায় বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা।

স্বর্ণের দামের সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৫৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা।

ডিসেম্বরের ১৩ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১৩ দিনেই দেশে এসেছে ১৫০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলারের সমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, এ সময় প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১১ কোটি ৫৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

একই সময়ে বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৪ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সবচেয়ে বেশি—১০৯ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার ডলার।

এ ছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩২ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ৭ থেকে ১৩ ডিসেম্বর—এই সাত দিনে দেশে এসেছে ৮৭ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রবাসী আয় আরও গতি পেয়েছে।

মাসের প্রথম ছয় দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৬৩ কোটি ২৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা পরের সাত দিনে আরও বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের আগের মাসগুলোর চিত্রও ইতিবাচক। নভেম্বর মাসে দেশে এসেছে সর্বোচ্চ ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

এর আগে আগস্ট মাসে দেশে আসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাই মাসে আসে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরজুড়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো একক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আয়ের রেকর্ড।

‘সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে’

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনকল্যাণমুখী জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশে আবার স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনের প্রত্যাশা জেগে উঠেছে। এই মুহূর্তে নির্বিঘ্নে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনকল্যাণমুখী জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য এই বিজয়ের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক-আমরা বিভাজন ভুলে, হিংসা ভুলে মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে থাকবো। মহান বিজয় দিবসে আমি দেশবাসী সকলের প্রতি সেই আহবান জানাই। বিজয় দিবস উপলক্ষে আমি সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।

তিনি বলেন, ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের পরে জাতি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। আমি এদিনে দেশবাসীসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের জানাই শুভেচ্ছা। সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণে ভরে উঠুক তাদের জীবন। এই দিনে ৯ মাসব্যাপী স্বাধীনতাযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে এবং বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন, সেই সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী। আমি স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। বিদেশী শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে যেসব মা-বোন সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন- আমি জানাই তাদের সশ্রদ্ধ সালাম।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডাকে শুরু হওয়া স্বাধীনতাযুদ্ধ ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয়, পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করার মাধ্যমে। দেশের অদম্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবনবাজী রেখে এ বিজয় ছিনিয়ে আনে। তাই ১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন। আজকের এ মহান দিনে আমি সেসব বীর সেনাদের সশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই।
তিনি আরো বলেন, শোষণমুক্ত ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক গণতান্ত্রিক নীতিমালার ওপর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ছিলো নতুন রাষ্ট্রের মর্মমূলে। কিন্তু অমানবিক ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী বারবার সেই প্রত্যয়কে মাটিচাপা দিয়ে সর্বনাশা দু:শাসন জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়। থামিয়ে দেয় বহুদলীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭১-এ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত হলেও চক্রান্তকারীদের নীলনকশা এখনো চলমান। আগ্রাসী শক্তি আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অবজ্ঞা করার ঔদ্ধত্য দেখায়। ওই অপশক্তির এদেশীয় এজেন্টরা আমাদের অর্জিত স্বাধীনতা বিপন্ন করার চক্রান্তজাল বুনে চলেছে। এরা ১৬ গত বছর ধরে একের পর এক প্রহসনের একতরফা নির্বাচন করে জনমতকে তাচ্ছিল্য করেছে। এদেশের মানুষের সকল গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়। নাগরিক স্বাধীনতা অদৃশ্য করে মানুষকে করে অধিকারহারা।

তিনি বলেন, এদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র নিরুদ্দেশ করা হয়। নিরুদ্দেশ করা হয় সংবাদপত্রসহ বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা। গণতন্ত্রহীন দেশে নিরঙ্কুশ ক্ষমতার দাপটে সর্বত্র হতাশা, ভয় আর নৈরাজ্যের অন্ধকার নেমে আসে। ক্ষমতা জবরদখলকারীরা জনগণের ওপর নৃশংস আক্রমণ চালিয়ে অসংখ্য মানুষকে অদৃশ্য ও হত্যা করে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ করে। পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর নৈরাজ্যময় হয়ে উঠে।

তারেক রহমান বলেন, যিনি জীবনের দীর্ঘ সময় গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন সেই অবিসংবাদিত নেত্রীকে অন্যায়ভাবে বন্দী করে অন্ধকার কারাগারে রাখা হয়েছিল। অমানবিক নিপীড়ক শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা চিরস্থায়ীভাবে ধরে রাখার জন্য একের পর এক গণবিরোধী পদক্ষেপ নিতে থাকে। ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে বিপদমুক্ত করতে মহান বিজয় দিবসের প্রেরণায় বলীয়ান হয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে ওঠে এবং ‘২৪ এর জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার দুনিয়া-কাঁপানো আন্দোলনে তারা পরাজিত হয়। পতন হয় ইতিহাসের এক নিষ্ঠুরতম একনায়কের।

অপর এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আমি দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশি সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।
তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশীদের গৌরবময় জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশের দিন। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, ৩০ লক্ষ শহীদের তাজা রক্ত আর ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই লাল সবুজের পতাকা। বিজয় দিবস আমাদের বুক ফুলিয়ে বাঁচার দিন, মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার দিন। মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের ডাকে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধে দীর্ঘ পরাধীনতার শৃৃঙ্খল ছিন্ন করে ১৯৭১ সালের এদিনে আমরা দেশমাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে সক্ষম হই।

মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে উদিত হয় স্বাধীনতা সূর্য। বিজয়ী হয়ে অর্জন করি ভৌগলিক স্বাধীনতা। যারা সেদিন নিজেদের বর্তমানকে বিসর্জন দিয়েছিলেন আমাদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য, সেই সকল নাম না জানা শহীদ এবং অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি জানাই আমার বিনম্র শ্রদ্ধা। স্বাধীনতাযুদ্ধে যারা আত্মদান করেছেন, সেসব বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, রক্তস্রোত পেরিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা গত শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ অর্জন। চিরায়ত গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়েই আমরা স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। সে লক্ষ্য পূরণে আজও আমরা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা আমাদের মূল লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হবো বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনা কিনতে চান সৌদি যুবরাজ!

বড় ধরণের আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বার্সেলোনা। স্প্যানিশ ক্লাবটির বর্তমান ঋণের পরিমাণ প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ইউরো। এমন পরিস্থিতিতে বার্সেলোনার দিকে চোখ পড়েছে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের। গুঞ্জন উঠেছে, তিনি নাকি ১০ বিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে কাতালান ক্লাবটিকে কিনতে ইচ্ছুক! স্পেনের জনপ্রিয় টেলিভিশন শো এল চিরিঙ্গুইতো-তে দেশটির সাংবাদিক ফ্রাঁসোয়া গালার্দো দাবি করেন, বার্সেলোনা কিনতে প্রায় ১০ বিলিয়ন ইউরো, যা কি না বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা, মূল্যের একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছেন সৌদি যুবরাজ।

এই বিপুল অঙ্কের অর্থ ক্লাবটির আনুমানিক ২.৫ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি সোদি যুবরাজকে ক্লাবের ওপর তাত্ত্বিকভাবে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দিতে পারে। একে সৌদি আরবের ‘ক্রীড়া কূটনীতি’ বা স্পোর্টস ওয়াশিং কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এর আগেও সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়াক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে। তবে ক্লাবের মালিকানার বিষয়টি মোটেই এত সহজ নয়। ১০ বিলিয়ন ইউরোর এ প্রস্তাব যতই লোভনীয় হোক না কেন, বার্সেলোনা বিক্রি করা বাস্তবে প্রায় অসম্ভব। কেননা, বার্সেলোনা কোনো ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সম্পূর্ণ ‘সোসিও’ বা সদস্য মালিকানাধীন ক্লাব। হাজার হাজার সদস্যের ভোটের মাধ্যমে ক্লাবটির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ঐতিহ্যগতভাবে তারা বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর ক্লাবের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতে রাজি হবেন না বলে ধারণা করাই যায়। সরাসরি মালিকানা পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হিসেবে না দেখলেও, এই চোখ কপালে তোলার মতো অঙ্ক অনেকের মনেই কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। কারণ, বার্সেলোনা এখনও আর্থিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়েই যাচ্ছে।
এদিকে, সৌদি আরবের ফুটবল সম্প্রসারণ ইতিমধ্যেই অপ্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছেছে। ফুটবল অঙ্গনে সৌদি যুবরাজ এরই মধ্যে বিপুল অর্থ ঢেলেছেন। বার্সেলোনার জন্য প্রস্তাবিত এই অর্থের পরিমাণ তাদের ‘ভিশন ২০৩০’ কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।