Home Blog Page 235

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল ও মাছ জব্দ, গ্রেপ্তার ২৫৪

০

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌ পুলিশের চলমান অভিযানে গত সাত দিনে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ ও জেলীযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব অভিযানে ২৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ সূত্র জানায়, গত সাত দিনব্যাপী দেশব্যাপী পরিচালিত অভিযানে মোট ৩ কোটি ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৫ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এ ছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৭৪ কেজি মাছ, ২০ কেজি কাঁকড়া ও ৮০ কেজি জেলীযুক্ত চিংড়ি। অভিযানের সময় নদী থেকে ২৬০টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৮৯টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি দুটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

সাত দিনব্যাপী এই অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে মোট ৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫৩টি মৎস্য আইন, ১১টি বেপরোয়া গতি আইন, একটি অপমৃত্যু, একটি বালুমহাল, একটি অপহরণ, দুটি মাদক এবং একটি হত্যা মামলা। একই সময়ে চারটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নৌ পুলিশ আরও জানায়, জব্দকৃত অবৈধ জাল ও জেলীযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কাঁকড়া পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

হত্যার বিচার কি আদৌ হবে, প্রশ্ন ওসমান হাদির স্ত্রীর

০

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তার স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা। সেখানে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইনকিলাব মঞ্চ কোনো প্রোগ্রামের ডাক দিচ্ছে না।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন।

ওসমান হাদিকে নিয়ে দেওয়া রাবেয়া ইসলাম সম্পার পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো-

‌‘ওসমান হাদির হত্যার বিচার কি আদৌ হবে! ইনকিলাব মঞ্চ কোনো প্রোগ্রামের ডাক কেন দিচ্ছে না!

প্রথমত, বিচার হবে না এই শব্দটাকেই মাথায় আনা যাবে না। বিচার হতেই হবে সেটা যে কোনো মূল্যে। বিচার আদায় না হলে ওসমান হাদিরা, বিপ্লবী বীরেরা এদেশে আর জন্মাবে না।

তবে এত দেরি বা সময় কেনো লাগছে?

ওসমান হাদি একটা অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে রবীন্দ্রনাথের দুটি লাইন বলেছিলেন, সহজ করে বলতে আমায় কহ যে, সহজ কথা যায় না বলা সহজে।

তাই যুক্তি, তর্ক, ব্যাখ্যা কিছুই টানছি না শুধু এতটুকুই বলা আপনি বা আপনারাও জানেন কেন সব সহজে হচ্ছে না! জাস্ট মনে রাখবেন ওসমান হাদি বলে গিয়েছেন- আমাদের লড়াই অনেক দীর্ঘ। মুমিনের জীবন মানেই লড়াই সংগ্রাম। তাই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।

ইনকিলাব মঞ্চ নিয়ে শহিদ ওসমান হাদির নিজের বলা কয়েকটা কথা আপনাদের জানাতে ইচ্ছে হলো-  আমার প্রথম সন্তান ইনকিলাব মঞ্চ, দ্বিতীয় সন্তান ফিরনাস। পোলাপান গুলারে বেতন দেই না, ঠিকভাবে খাবারও খেতে পারে না কাজের জন্য। নিঃস্বার্থ ভাবে আমার সঙ্গে লেগে থাকে। ওদের ভবিষ্যতের চিন্তাও ওদের নাই। আমার তো ওদের ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে হবে ডিয়ার।

আপনারা যারা ওসমান হাদিরে শুধু তার কথা শুনে, ভিডিও দেখে তাকে এত ভালোবাসেন, দোয়া করেন, কান্না করেন। তাহলে ভাবেন, ওসমান হাদির এই ভাই-বোন গুলোর মনের অবস্থা কি এখন!

যাদের কাছে ভাই ছিল ২৪ ঘণ্টা ছায়ার মত তারা কোন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে !

ওসমান হাদি এখন বেঁচে থাকলে হয়তো বলতো আমারে বলেন ঠিক আছে, কিন্তু আমার ইনকিলাব মঞ্চের ভাই-বোন গুলোরে নিয়ে কথা বলবেন না। তাহলে আমি সহ্য করব না।

দাসত্বই যে জমিনের নিশ্চল নিয়তি, লড়াই-ই সেখানে সর্বোত্তম ইবাদত—শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি’

গ্যাস বিল নিয়ে তিতাসের নতুন নির্দেশনা

০

গ্যাস বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রতারক চক্র থেকে গ্রাহকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি কিছু প্রতারক চক্র নিজেদেরকে ‘তিতাস গ্যাস টি অ্যান্ড ডি পিএলসি’র কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে কল করছে।

তারা  গ্রাহকদেরকে ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে বকেয়া গ্যাস বিল পরিশোধ করার জন্য চাপ ও হুমকি দিচ্ছে।

তিতাস গ্যাসের পক্ষ থেকে গ্রাহকদেরকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, শুধু কোম্পানির নির্ধারিত ব্যাংকে এবং অনলাইন ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস’ অ্যাপের মাধ্যমে (বিকাশ, রকেট, উপায় ও ট্যাপ) গ্যাস বিল পরিশোধ করুন। কারও ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে গ্যাস বিল পরিশোধ করবেন না।

প্রতারক চক্র থেকে রক্ষা পেতে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে তিতাস আরও জানায়, প্রয়োজনে তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিসে উপস্থিত হয়ে অথবা টেলিফোনে যোগাযোগ করে পরামর্শ ও সেবা গ্রহণ করুন।

ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট!

০

আসন ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আসন নিয়ে অনড় অবস্থানের কারণে জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তি চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে ১১ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হতে যাচ্ছে।

জোটের অভ্যন্তরীণ সূত্রমতে, গত এক সপ্তাহ ধরে চলা নিবিড় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলন জানিয়ে দিয়েছে যে, কমপক্ষে ৮০টি আসন না দেওয়া হলে তারা জোটে থাকবে না। জামায়াত প্রথমে ৪০টি এবং পরে ৪৫টি আসন ছাড়ার পাশাপাশি কয়েকটি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দিলেও চরমোনাই পীর তাতে সন্তুষ্ট হননি। খেলাফত মজলিসের মাওলানা মামুনুল হক মধ্যস্থতার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত গভীর রাতে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, তারা আর জোটে থাকছে না। এখন দলটির ২৬৬ জন প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে লড়বেন।

জোটের শরিকদের মতে, জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি এই জোটে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধে। তারা ১৪৩টি আসনে নিজেদের জয়ের সম্ভাবনা দাবি করে এবং জামায়াত ও এনসিপির প্রভাবশালী নেতাদের আসনগুলোও দাবি করে বসে। জামায়াতের পক্ষে এতো বিপুল সংখ্যক আসন ছাড়া সম্ভব ছিল না, কারণ এতে জোটের অন্য শরিকদের মধ্যেও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ছিল। এই অনড় অবস্থানের কারণে বুধবারের নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনও পণ্ড হয়ে যায়।

ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে গেলেও মাওলানা মামুনুল হকের খেলাফত মজলিসসহ অন্য ৯টি শরিক দল জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, আজ দুপুরের মধ্যে জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন এবং এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে। জোটের অন্য নেতারা মনে করছেন, বড় শরিক চলে যাওয়ায় কিছু আসনে নতুন করে বিন্যাস প্রয়োজন হলেও তা জোটের মূল ঐক্যে ফাটল ধরাবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে চরমোনাই পীরের এই প্রস্থান ইসলামি দলগুলোর ভোটব্যাংকে বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যেসব আসনে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা একে অপরের মুখোমুখি হবেন, সেখানে নির্বাচনী সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।

সূত্র: আমার দেশ

সাকিবকে নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

০

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপে দলটির নেতৃত্ব দেবেন নিয়মিত অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন সাকিব জুলফিকারও।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ফিরিয়েছে নেদারল্যান্ডস। তাদের মধ্যে রয়েছেন কলিন অ্যাকারম্যান, রোয়েলফ ফন ডার মারউই, বাস ডি লিডে, টিম ফন ডার গুগটেন, লোগান ফন বিক, মাইকেল লেভিট ও জ্যাক লায়ন-ক্যাশেট। এদের মধ্যে মারউই, ডি লিডে, মাইকেল লেভিট ও লায়ন-ক্যাশেট সর্বশেষ ইউরোপ অঞ্চলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ফাইনালে অংশ নিয়েছিলেন।

অলরাউন্ডার কলিন অ্যাকারম্যান ২০২৪ সালের নভেম্বরে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন। ইংল্যান্ডের ভাইটালিটি ব্লাস্টে ডারহামের হয়ে ১৪ ম্যাচে ৩০৪ রান করেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৫টি টি-টোয়েন্টিতে তার সংগ্রহ ৫১৫ রান ও ১১ উইকেট।

পেসার টিম ফন ডার গুগটেনও ২০২৪ সালে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। নেদারল্যান্ডসের জার্সিতে ৪৯ ম্যাচে তার শিকার ৫২ উইকেট, পাশাপাশি ব্যাট হাতে করেছেন ১৬৮ রান। অন্যদিকে, ২০২৪ সালের বিশ্বকাপের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে আর খেলেননি পেসার লোগান ফন বিক।

অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস ছাড়াও দলে রাখা হয়েছে আরও দুই উইকেটরক্ষক কাইল ক্লেইন ও নোয়া ক্রোস। তবে এখনো পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা নেই তাদের কারও।

এদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে থাকা সেড্রিক ডি ল্যাঙ্গে, সিকান্দার জুলফিকার, সেবাস্তিয়ান ব্র্যাট, ড্যানিয়েল ডোরাম, শারিজ আহমেদ ও রায়ান ক্লেইন বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাননি।

বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’-তে নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ভারত, পাকিস্তান, নামিবিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।

নেদারল্যান্ডস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল : স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), নোয়া ক্রোস (উইকেটরক্ষক), ম্যাক্স ও’ডাউড, সাকিব জুলফিকার, আরিয়ান দত্ত, কাইল ক্লেইন, পল ফন মিকেরেন, ফ্রেড ক্লাসেন, কলিন অ্যাকারম্যান, বাস ডি লিড, মাইকেল লেভিট, জ্যাক লায়ন-ক্যাশেট, লোগান ফন বিক, রোয়েলফ ফন ডার মার্ভে ও টিম ফন ডার গুগটেন।

চিয়া সিডস নিঃসন্দেহে উপকারী, তবু কাদের খাওয়া চলবে না এই সুপারফুড?

০

চিয়া সিডস নিঃসন্দেহে উপকারী। প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর চিয়া। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে চিয়া সিডস। রোজ ১-২ চামচ চিয়া সিডস খেলে একাধিক রোগের ঝুঁকি এড়ানো যায়। এত উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও সবার স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী নয় চিয়া সিডস। চাইলেই যে কেউ খেতে পারেন না এই বীজ।

কারা চিয়া সিডস এড়িয়ে চলবেন?

নিম্ন রক্তচাপের রোগীরা
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য চিয়া সিডস ভীষণ উপযোগী। কিন্তু ব্লাড প্রেশার যদি সবসময়ে কম থাকে, তা হলে এই বীজ না খাওয়াই ভালো। চিয়া সিডসের মধ্যে উচ্চ মাত্রায় পটাশিয়াম ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই নিম্ন রক্তচাপে এই বীজ খেলে প্রেশার আরও কমে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেলে
অনেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান। সে ক্ষেত্রে আর চিয়া সিডস খাওয়ার দরকার নেই। চিয়া সিডস রক্তকে পাতলা করে এবং রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। অ্যাসপিরিন বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে চিয়া সিডস খেলে রক্ত ক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তখন ছোটখাটো কাটাছেঁড়াতেও রক্ত থামার নাম নেবে না।

কিডনির রোগীরা
চিয়া সিডের মধ্যে পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং অক্সালেটের মতো উপাদান রয়েছে। এগুলো কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। তার উপর যদি পর্যাপ্ত জল পান না করেন, তখন কিডনির সমস্যা আরও বাড়ে। তাই কিডনির রোগীদের চিয়া সিডস খাওয়ার আগে সতর্ক হওয়া জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

শরীর ডিহাইড্রেটেড হলে
চিয়া সিডস প্রচুর পরিমাণে জল শোষণ করে। আপনার শরীর যদি ডিহাইড্রেটেড থাকে, তারপরেও চিয়া সিডস খান, তখন সমস্যা বাড়বে। চিয়া সিডসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা গ্যাস, পেটফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই চিয়া সিডস খাওয়ার আগে ও পরে প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।

টানা ৮ দিন ধরে কথা বলতে পারছেন না শবনম ফারিয়া, উদ্বিগ্ন ভক্তরা

০

গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গলার গুরুতর সংক্রমণ ও টনসিলের প্রদাহে ভুগছেন তিনি। এ কারণে কথা বলতেও সমস্যা হচ্ছে এই অভিনেত্রীর।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে নিজেই অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন।

পোস্টে শবনম ফারিয়া লেখেন, ‘গলায় গুরুতর সংক্রমণ ও টনসিলের প্রদাহে ভুগছি, ৮ দিন ধরে আমার কণ্ঠস্বর বন্ধ হয়ে আছে।’

৫ জানুয়ারি থেকে অসুস্থতা শুরু জানিয়ে ফারিয়া লেখেন, ‘সেদিনই কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম। পরে কথা বলার জন্য নিজেকে জোর করে, অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। দুঃখজনকভাবে কয়েকটি নির্ধারিত কাজ ও শুটিং বাতিল করতে হয়েছে।’

বর্তমানে শারীরিক অবস্থার কারণে কারও সঙ্গে ফোনকলে যোগাযোগ রাখতে পারছেন না বলে দুঃখ প্রকাশ করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘অনেক ফোন আসছে, কিন্তু ধরতে পারছি না। খুব জরুরি হলে দয়া করে বার্তা (টেক্সট মেসেজ) পাঠান।’

অভিনেত্রীর এই পোস্টের পর মন্তব্যের ঘরে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।

২০১৮ সালে ‘দেবী’ চলচ্চিত্র দিয়ে সিনেমার জগতে প্রবেশ করেন শবনম ফারিয়া। যে কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে বাচসাস পুরস্কার এবং শ্রেষ্ঠ নবীন অভিনয়শিল্পী বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন।

আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও নগদ ১৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকাসহ গ্রেফতার ৭

০

নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায় মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে গোয়েন্দা  তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার মদিনা জুট মিলস সংলগ্ন কারারচর ও জাঙ্গাইলা এলাকায় যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের গডফাদার হিসেবে পরিচিত একাধিক মামলার আসামি জামাল উদ্দিন খোকাসহ ০৭ জনকে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, শিবপুর থানার কারারচর গ্রামের মো. মিজান মিয়ার ছেলে জামাল উদ্দিন খোকা (৭০), তার স্ত্রী সেলিনা বেগম (৫০), শাহাপুর গ্রামের শাহজালাল আহমেদ সানির স্ত্রী সম্পা আক্তার (২৪), জাঙ্গাইলা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৭), আওয়ালের স্ত্রী শামসুন নাহার (৫০), মৃত শুকুর আলীর ছেলে আজিজুল মিয়া (৩২) ও ফরিদ মিয়ার ছেলে ফয়সাল মিয়া (২০)

এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা, একটি একনলা বন্দুক, একটি স্টিলের পিস্তল, একটি প্লাস্টিকের রিভলভার, তিনটি ম্যাগজিন, দুটি শটগানের কার্তুজ, ফেন্সিডিলসহ দেশীয় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।  গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

শিবপুর মডেল থানা প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনী  ক্যাম্পের সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল শামীমুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন  পুলিশ সুপার, নরসিংদী মো: আবদুল্লাহ্‌-আল-ফারুক ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

যে কারণে সব সময় নিজের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়

০

ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি—সবক্ষেত্রেই সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব এখন অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানী ও মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, অন্ধভাবে কাউকে অনুসরণ না করে বা আবেগের বশবর্তী না হয়ে সর্বদা নিজের পরিস্থিতি ও সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। সমসাময়িক রাজনৈতিক দলগুলোর জোট গঠন কিংবা সাধারণ মানুষের পেশাগত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই বিষয়টি নতুন করে সামনে আসছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি মানুষের বা প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতা ও শক্তি ভিন্ন থাকে। অন্যের সাফল্যে প্রলুব্ধ হয়ে বা পরিস্থিতির চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত নিলে দীর্ঘমেয়াদে তা বড় ধরণের ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে প্রতিকূল সময়ে নিজের ‘সারভাইভাল স্ট্র্যাটেজি’ বা টিকে থাকার কৌশল নির্ধারণের জন্য পরিস্থিতি বিশ্লেষণ অপরিহার্য। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দলগুলোর আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, যারা নিজ নিজ ভোটব্যাংক ও তৃণমূলের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এগোচ্ছে, তারাই দরকষাকষিতে এগিয়ে থাকছে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্তগুলো আসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বা সামাজিক চাপের মুখে। কিন্তু যারা নিজের সম্পদ, সময় এবং পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে। মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী নেওয়া সিদ্ধান্ত মানুষের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যর্থতার দায়ভার কমানো সহজ করে। জীবন যুদ্ধে যারা নিজেদের মেধা ও বাস্তব পরিস্থিতিকে সমন্বয় করে পা বাড়ায়, তারাই টেকসই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারে।

সমাজে বড় ধরণের পরিবর্তন আনতে হলে হুজুগে গা ভাসানো বন্ধ করা জরুরি। রাষ্ট্র সংস্কার বা ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার—সব জায়গাতেই পরিস্থিতি পরিবর্তনের সাথে সাথে সিদ্ধান্তের খোলস পাল্টানোর মানসিকতা থাকতে হবে। মূলত ‘একই সূত্র সবার জন্য প্রযোজ্য নয়’—এই সত্যটি মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজালে যেকোনো বড় সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক পরিবারের মায়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন : শামা ওবায়েদ

০

ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রত্যেকটি পরিবারের মায়েরা ও নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। আর প্রত্যেকটি গ্রামের কৃষক ভাইদের জন্য কৃষি কার্ড করে দেওয়া হবে। এই কার্ড ব্যবহার করে মায়েরা ও কৃষকরা সেবা এবং সুবিধা পাবেন। যদি আমরা নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারি তাহলে অনেক উন্নয়ন করা হবে।

বুধবার বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া কাজী বাড়ি চত্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সারাটা জীবন দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন করেছেন। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য সংগ্রাম করার কারণে তিনি শুধু বিএনপির নয়, সারা বাংলাদেশের অভিভাবক হয়েছিলেন। আমরা তার আদর্শ ও কর্মের মাঝে তাকে খুঁজে পাবো।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, নির্বাচিত হলে আমি শুধু একা সংসদে যাবো না। আমি সালথা-নগরকান্দার সকলকে নিয়ে সংসদে যাবো না। আমার বাবা মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমান সালথা ও নগরকান্দার সকল মানুষকে ভালোবেসেছেন। দলমত নির্বিশেষে সকলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমিও বাবার মতো সকলকে ভালোবাসি এবং বাকি জীবন সকলের পাঁশে থেকে যাবো।