Home Blog Page 238

জাতি একটি মেটিক্যুলাস নির্বাচনের অপেক্ষায়!

০

Shitangsu Ghuho Website Banner Final

শিতাংশু গুহ, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, নিউইয়র্ক।। বাংলাদেশে আর একটি নির্বাচন এসে গেছে। নির্বাচন মানে প্রহসন। নির্বাচন মানে হিন্দু’র ওপর সহিংসতা। নির্বাচন মানে কিছু প্রাণহানি। তবু নির্বাচনে কিছু লোক এমপি হ’ন, দুর্নীতি করেন, দেশের কথা কারো মনে থাকেনা। নেতারা গরিবের জন্যে কাজ করতে করতে কোটিপতি হয়ে যান, গরিব আরো গরিব হয়ে পড়ে? তবু তো নির্বাচন, একটি গণতান্ত্রিক ধাপ, হোক না সেটা ‘মেটিক্যুলাস’ কারচুপি’র নির্বাচন। শেখ হাসিনা’র আমলে পরপর ৩টি নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো, এবারের নির্বাচনটিও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ভোটার যাকেই ভোট দিক, জিতবে তালগাছ। আওয়ামী লীগ ভোট প্রতিহত করতে চাচ্ছে, কিন্তু করবে কে? নির্বাচনটি হয়ে গেলে আওয়ামী লীগ কি করবে? নির্বাচন না হলেই বা কি করবে? নির্বাচনটি কি আসলেই হবে? হবে, তবে মেটিক্যুলাস পদ্ধতিতে। সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। শুধু ঘোষণা বাকি! .

 

সময় আছে মাত্র দুই সপ্তাহ’র একটু বেশি। ফরিদপুর থেকে একজন ফোন করে জানালো, কিসের নির্বাচন, তেমন সাড়াশব্দ তো দেখি না? নির্বাচন নিয়ে মানুষের সংশয় আছে, এর কারণ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি মানুষের আস্থার অভাব। ধারণা করি, নির্বাচনটি যেনতেন প্রকারে হয়ে যাবে। যারা আগে বলতেন নির্বাচন হবেনা, তারা এখন বলছেন, নির্বাচনটি হলেও সরকার টিকবে না? আমরা গত ১৭মাস ধরে শুনছি, ইউনুস সরকার টিকবে না! টিকে তো আছে? তেমনি নির্বাচনটি হয়ে গেলে যেই সরকারই আসুক, নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য হোক বা না-হোক, সরকারটি হবে নির্বাচিত সরকার, সুতরাং সেটি ফেলে দেয়া অতটা সহজ হবেনা। ইউনুস সরকার ছিলো ভঙ্গুর, সেটিই যখন ফেলা গেলোনা তখন একটি নির্বাচিত সরকার ফেলা অতটা সহজ নাও হতে পারে।

 

তাহলে কি বাংলাদেশ এভাবেই চলবে? হ্যাঁ, তবে রাজনৈতিক সরকার হয়তো কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। পাঠক কি হতাশ হচ্ছেন? বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর অনেকেই দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো, কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি সশস্ত্র বাহিনী ছিলো, ছিলেন রাজনৈতিক নেতারা। তখনো প্রায়শ:শোনা যেত যে, জিয়া সরকার পড়ে যাচ্ছে। শেষমেশ সবাইকে চোরের মতোই দেশে ফিরতে হয়েছিলো। এবারো হয়তো তাই ঘটবে। অর্থাৎ আন্দোলনটা দেশে বসেই করতে হবে। বাংলাদেশের হিন্দুরা গত ৭৯ বছর ধরে আশা করেছিলো যে, ভারত তাদের উদ্ধার করবে, করেনি। আওয়ামী লীগাররা ভারতের দিকে চেয়ে থাকলেও ভারত তেমন কিছু করবে এমন আভাষ কোথায়? সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটলে এবং তা নিরাপত্তার জন্যে হুমকি হলে ভারত কিছু করতে পারে?

 

ভারত একটি দায়িত্বশীল গণতান্ত্রিক দেশ, ইচ্ছে করলেই ভারত সবকিছু করতে পারেনা। এটি ঠিক ভারত সরকার, ও ভারতের জনগণ আওয়ামী লীগ ও প্রগতিশীল শক্তির প্রতি সহানুভূতিশীল। ভারত সরকার কখনোই শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে না। আমি একজন ভারতীয় দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে আমেরিকা এতকিছু করছে, আপনারা কিছু করছেন না কেন? তিনি বলেছেন, আমেরিকার মত ভারতের পক্ষে কি সবকিছু করা সম্ভব? সুতরাং আওয়ামী লীগারদের সবকিছু নুতন  করে ভাবতে হবে, নুতন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে? যারা এখন ক্ষমতায় তাঁরা সরে যাবার জন্যে আসেনি। নির্বাচন দিয়ে হোক বা না দিয়ে হোক, তাঁরা বা তাদের বন্ধুরা ক্ষমতায় থাকবে। দেশ গোল্লায় গেলে তাদের কিচ্ছু আসে-যায় না? তাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে পূর্ব-পাকিস্তান বানানো।

 

এ সময়ে ভোটের রাজনীতি লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, নির্বাচনী প্রচার শুধু ধর্ম, স্বৈরাচার ও ভারত বিরোধিতায় সীমাবদ্ধ। আওয়ামী লীগ মাঠে নাই, তাই বিএনপি-জামাত  ফাইট কিছুটা দৃশ্যমান। জামাতের শরিক লেবার পার্টির এক নেতা তোষামোদ করে বলেই ফেলেছেন, ডা. শফিকুর রহমানে মধ্যে জনতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি বা মাহাথির মোহাম্মদকে দেখেছে। তাহলেই বুঝুন, ১৭ মাসে দেশের ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা, খোমেনীরা ক্ষমতায় এলে কি হবে? জামাতের আর এক নেতা ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির ভোটকে ঈমানি দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, দাঁড়িপাল্লাকে জয়ী করা প্রত্যেক মুসলিমের নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য। তিনি বলেন, ভোটের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব এবং কিয়ামতের দিনে নিজেকে জবাবদিহি করতে পারবেন। নারীঘটিত অপকর্মে গ্রেফতার হওয়া খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকও এবার রাজনীতির মাঠে আছেন।

 

জামাতের এক হিন্দু প্রার্থী বলেছেন, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে ডিমের কুসুমের মত আলগে রাখবো। মনে আছে নিশ্চয় জাতীয় পার্টির এমপি সেলিম ওসমান শিক্ষক শ্যামল ভক্তকে কানধরে উঠবস করিয়েছিলেন! আওয়ামী লীগ আমলে সেলিম ওসমান ভাল তবিয়তে ছিলেন, তবে শ্যামল ভক্ত পরে বাধ্য হয়েছিলেন গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে সেলিম ওসমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালাতে। নির্বাচনকালীন সময়ে বাংলাদেশের হিন্দুদের অসহায়ত্ব এ দু’টি ঘটনায় স্পষ্ট। এবারেও একই চিত্র, হিন্দুরা ভোট দিলেও সমস্যা, না দিলেও সমস্যা। এমনিতে চিন্ময় প্রভু’র মুক্তি না দিলে অনেকেই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পক্ষে নয়? আওয়ামী লীগের সমর্থকরাও বিপদে আছে, তারা কাকে ভোট দেবেন? নাকি ভোট বয়কট করবেন। এ সময়ে জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি বা এমনকি বিএনপি মিনমিন করে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলছে, লক্ষ্য আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পাওয়া।

সাবেক ভিপি নূর-র জেতার সম্ভবনা কম, তাই তিনি এখন আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলছেন, যদি লাইগ্যা যায়? ঠাকুরগাঁয়ে বিএনপি’র মহাসচিব আওয়ামী লীগের জন্যে দুয়ার খুলে দিচ্ছেন, কারণ সেখানে প্রচুর হিন্দু ভোট। জামাতের শক্ত প্রার্থী। ২০২৪–আগষ্টের পর ঠাকুগাঁয়ের হিন্দু মন্ত্রীকে বিএনপি যেভাবে নির্যাতন করে জেলে দিয়েছে, প্রতিপক্ষ সেটি হিন্দুদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। তারেক রহমান, তিনি যতই ভাষণ দিচ্ছেন মনে হচ্ছে বিএনপি’র ভোট কমছে। ভাষণে এত আল্লাবিল্লাহ করলে কি ভোট বাড়বে? এজন্যে তো জামাত আছে। আওয়ামী লীগও একই ভুল করেছিল, মৌলবাদের খেদমতে কর্মীদের ভুলে গিয়েছিলো, সুযোগ মত মৌলবাদ বাঁশ দিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতা নাই, আওয়ামী লীগ-বিএনপি নেতা সৃষ্টি হতে দেয়নি। এনসিপি’র রাজনীতি পুরোটাই ভুল, সুবিধাবাদী, ধর্মকে সুড়সুড়ি দেয়া, এবং ভারত বিরোধিতা। নির্বাচনী মাঠে এদের পদচারণা দৃশ্যমান নয়, এঁরা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে অভ্যস্থ, হয়তো থাকবেও। guhasb@gmail.com;

মেম্বার ও চেয়ারম্যান পদে আলেম-ওলামা ও সমাজের সৎ মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান: হান্নান মাসউদ

০

আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আলেম-ওলামা ও সমাজের সৎ মানুষদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মরহুম মাওলানা আজমির হুসাইন এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলে তিনি এ আহ্বান জানান । বুধবার (২৮ জানুয়ারি) উপজেলা শহরে উকিল পাড়া মাদ্রাসায় এঈ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হান্নান মাসউদ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এদেশের আলেম-ওলামারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আলেম সমাজ যে সম্মান ও অবস্থানে থাকার কথা ছিল, সেখানে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। তিনি বলেন, আগামীর দিনে আলেম-ওলামা ও সমাজের সৎ মানুষদেরই মেম্বারও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ওয়াজ করার জন্যও অনুমতি নিতে হতো এটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। যেখানে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান, সেখানে গুটি কয়েকজনের কাছে আলেম সমাজ জিম্মি ছিল। আমরা এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। তাই বৈষম্য দূর করতে হলে ১২ তারিখের গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে থাকতে হবে।

দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শহর উত্তর মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা ক্বারি মাহমুদুল হাসান, হাতিয়ার বিশিষ্ট আলেম মুফতি সারওয়ার কাসেমী, হাতিয়া উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ-সভাপতি মুফতি সাহেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মাওলানা কাউসার আহমেদসহ অন্যান্য বরণ্য আলেমগণ।

কাকে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি অভিনেতা উমর!

০

জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন পাকিস্তানি অভিনেতা উমর আলম। নববধূর নাম ফিজা মাসরুর। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়, যেখানে নবদম্পতির নিকটাত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের পর নবদম্পতির বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের তারকাদেরও এ জুটিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেছে।

বিয়েতে উমর আলমের পরনে ছিল হালকা নীল রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে একটি ডিজাইনার কোট। অন্যদিকে, কনে ফিজা মাসরুর বেছে নেন সোনা ও রূপার সূক্ষ্ম নকশায় সজ্জিত ধুলো গোলাপি রঙের পোশাক।

পরবর্তীতে এই দম্পতি ইনস্টাগ্রামে বিয়ের কিছু বিশেষ মুহূর্ত শেয়ার করেন, যার মধ্যে সমুদ্রতীরে তোলা একটি ফটোশুট বিশেষভাবে অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। অনুষ্ঠানে তারকাদের মধ্যে শাজিয়া ওয়াজাহাত, ওয়াজাহাত রউফ, হাসান রিজভি ও হিনা মীরসহ একাধিক শোবিজ ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এক বিমান ভ্রমণের সময় উমর আলম ফিজা মাসরুরকে বিয়ের প্রস্তাব দেন, যার ভিডিও সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

পিরিয়ডে ব্যথা আর মুড সুইং? এই পানীয় ফিরিয়ে দেবে স্বস্তি

০

পিরিয়ডের ব্যথা নানাভাবে প্রকাশ পেতে পারে – ক্র্যাম্প, পেট ফাঁপা এবং অস্বস্তির সাধারণ অনুভূতি যা আপনার পুরো রুটিনকে ভারসাম্যহীন করে তুলতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়, তবে অনেক নারী এই সমস্যা সমাধানের জন্য হালকা, খাদ্য-ভিত্তিক উপায় খুঁজছেন। একটি সহজ পানীয় রয়েছে যা ভেতর থেকে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে কাজ করে। এই উষ্ণ পানীয়টি হজমে সহায়তা করে, প্রদাহ কমায় এবং শরীরকে পিরিয়ডের আগে এবং পিরিয়ড সম্পর্কিত অস্বস্তি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

উপকরণ

১ টেবিল চামচ বার্লি

১ ইঞ্চি আদা

২ কাপ পানি।

পানীয়টি কীভাবে তৈরি করবেন?

প্রস্তুতি খুব কম, তবে একটি ধাপ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে বার্লি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন, অথবা কমপক্ষে ৬-৮ ঘণ্টা। সকালে পানিতে ভেজানো বার্লির সঙ্গে আদা কুচি যোগ করুন। মিশ্রণটি ১০-১২ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ছেঁকে নিন এবং গরম করে পান করুন। এই ধীর ফুটন্ত মিশ্রণটি উভয় উপাদানের গুণাগুণ পানিতে মিশে যেতে দেয়, যা শরীরের জন্য শোষণ করা সহজ করে তোলে।

কীভাবে এবং কখন পান করবেন?

ঋতুস্রাবের সহায়তার ক্ষেত্রে সময় গুরুত্বপূর্ণ। এই পানীয়টি একবার পেট ফাঁপা শুরু হলে শেষ মুহূর্তের সমাধান নয়। প্রতিদিন ১ কাপ পান করুন। আপনার মাসিকের ১০-১৪ দিন আগে থেকে শুরু করুন। সকালে বা সন্ধ্যায় খাওয়া সবচেয়ে ভালো। এটি শরীরকে আগে থেকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করে।

পানীয়টি কেন পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে?

বার্লি অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে এবং ইস্ট্রোজেন ডিটক্সে সহায়তা করে, যা হরমোনের ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদা পেট ফাঁপা, প্রদাহ এবং পিরিয়ডের আগে অনেকেরই যে ভারী, অলস অনুভূতি হয় তা কমাতে পরিচিত। একসঙ্গে এগুলো পিরিয়ডের আগে পেট ফাঁপা এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। এখানে তাৎক্ষণিক উপশম নয়, বরং শরীরের জন্য মৃদু, ধারাবাহিক সহায়তা প্রদানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আক্কেল দাঁতের ব্যথা: কেন হয়, কী করবেন?

০

মানুষের চোয়ালে স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা মোট ৩২টি, যার মধ্যে আক্কেল দাঁতও অন্তর্ভুক্ত। তবে কার্যত ২৮টি দাঁতই কর্মক্ষম—আক্কেল দাঁত বাদে। প্রতিটি দাঁতের নির্দিষ্ট কাজ থাকলেও আক্কেল দাঁতের কোনো কার্যকর ভূমিকা নেই। এ কারণে একে অনেক সময় নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলা হয়। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো— এই দাঁত ওঠার সময়ই অনেকের জীবনে শুরু হয় তীব্র যন্ত্রণা।

কেন আক্কেল দাঁতে এত ব্যথা হয়?

অনেক ক্ষেত্রে চোয়ালে জায়গার অভাব থাকে বা আক্কেল দাঁতের অবস্থান স্বাভাবিক হয় না। ফলে দাঁতটি মাড়ি ভেদ করে সম্পূর্ণভাবে বের হতে পারে না।

কখনো দাঁতের একটি অংশ উঠে আবার আটকে যায়। এতে—

> দাঁত ও মাড়ির ফাঁকে খাদ্যকণা আটকে যায়

> মাড়িতে প্রদাহ (ইনফ্ল্যামেশন) তৈরি হয়

> তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়

> মুখ খুলতে বা হাঁ করতে কষ্ট হয়

সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এই সংক্রমণ মুখ ও গলার গভীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কী করবেন / কী করবেন না

যা করবেন

> আক্কেল দাঁত ওঠার কারণে সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে

> ব্যথা কমাতে প্রয়োজন অনুযায়ী পেইন কিলার দেওয়া হয়

> দিনে কয়েকবার গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলি করতে হবে

> ব্যথা ও সংক্রমণ কমে গেলে অনেক ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী মাড়ির সামান্য অংশ কেটে দেওয়া হয়, যাতে দাঁতটি স্বাভাবিকভাবে উঠতে পারে

> যদি দাঁতের অবস্থানজনিত ত্রুটি থাকে, তাহলে আক্কেল দাঁত তুলে ফেলাই উত্তম সমাধান

যা করবেন না

> দাঁত তুলতে কখনোই হাতুড়ে বা অননুমোদিত চিকিৎসকের কাছে যাবেন না

> ব্যথা কমেছে বলে চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখে দেবেন না

> নিজে নিজে ওষুধ সেবন করবেন না

আক্কেল দাঁতের ব্যথাকে অবহেলা করলে তা বড় সমস্যায় রূপ নিতে পারে। শুরুতেই সঠিক সিদ্ধান্ত ও সময়মতো দন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণা ও জটিলতা এড়ানো সম্ভব। ব্যথা সহ্য নয়— সঠিক চিকিৎসাই সমাধান।

দেশের ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত

০

দেশের ৯টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৬টি প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি ৩টি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচকে উন্নতির জন্য ৩ থেকে ৬ মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রথম ধাপে যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে সেগুলো হলো—ফাস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, অ্যাভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। উচ্চ খেলাপি ঋণ, দীর্ঘদিনের অনিয়ম এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠান অবসায়নের পথে যাচ্ছে।

অন্যদিকে জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানিকে (বিআইএফসি) আর্থিক সূচক উন্নয়নের সুযোগ দিয়ে ৩ থেকে ৬ মাস সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে এসব প্রতিষ্ঠানকেও অবসায়নের আওতায় আনা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গত বছরের মে মাসে ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী মূল্যায়নে দেখা যায়, এর মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনা সন্তোষজনক নয়। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে। অবসায়ন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কোনো যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে গত সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যা গত রবিবার শেষ হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শুনানিতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মপরিকল্পনা ও বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচক উন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বোর্ড সভায় অনুমোদন পায়।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগের সরকারের সময় ব্যাপক অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। উদাহরণ হিসেবে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (বর্তমানে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে চারটি এনবিএফআই—পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফাস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি থেকে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, অবসায়নের পথে থাকা ৯টি রুগ্‌ণ এনবিএফআইয়ের ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারীরা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে, রমজানের আগেই, তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ মূল্যায়নের কাজ শুরু করা হবে। সম্পদের ইতিবাচক বা নেতিবাচক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে শেয়ারহোল্ডাররা কোনো অর্থ পাবেন কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে সরকার মৌখিকভাবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। তবে আমানতকারীরা শুধু মূল অর্থ ফেরত পাবেন, কোনো সুদ প্রদান করা হবে না।

আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

০

নতুন তথ্য অনুযায়ী, দেশে আবারো বেড়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঘোষণা করেছে যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৩৪৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম। নতুন দাম সকাল ১০:১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দামের অনু‌যায়ী, ২১ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২০ হাজার ৭৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ টাকা।

সোনার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬% মজুরি যুক্ত করতে হবে, যদিও গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে।

এর আগে, গত ২৬ জানুয়ারি ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস, যা তখন দেশের সর্বোচ্চ ছিল।

চলতি বছরে সোনার দাম মোট ১৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১২ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে সোনার দাম সমন্বয় ছিল ৯৩ বার, যার ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।

অপরদিকে, দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৭ হাজার ৭৫৭ টাকা, যা রুপার সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

চলতি বছর রুপার দাম ১১ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮ বার দাম বৃদ্ধি ও ৩ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম ১৩ বার পরিবর্তন হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ৩ বার কমানো।

নৌকা না থাকলেও আমাদের একটি প্রতিপক্ষ আছে- ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

০

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নৌকা না থাকলেও আমাদের একটি প্রতিপক্ষ দল রয়েছে সেটি হলো দাড়িপাল্লা। ৯১ সালে আমরা দাড়িপাল্লাকে দেখেছিলাম সেসময় তার খুব কম ভোট পেয়েছিলো।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা চিলারং ইউনিয়নের মোলানী বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার গণসংযোগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল এবং আমি আপনাদের ব্যাক্তিগত ভাবে পরিচিত লোক। দীর্ঘদিন আপনাদের সাথে কাজ করেছি কখনো আপনাদের ছেড়ে যায়নি। আগামি নির্বাচনে আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন তাহলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের জন্য আমি কাজ করবো।

মহাসচিব বলেন, এর আগে আমরা কখনো ভোট দিতে পারিনি সব ভোট ফ্যাসিস্ট হাসিনা নিয়ে গেছে। এবার একটা সঠিক ভোট হবে এমন আশা করছি আমরা।যেখানে সকল ভোটাররা স্বাধীনভাবে যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পারবে।

তিনি বলেন, হাসিনা তাদের লোকদের ফেলে চলে গেছে দিল্লিতে।আপ্নারা চিন্তা কিরবেন না আমরা সেই বিপদ থেকে আপনাদের উদ্ধার করবো। যারা অন্যায় করেছে তাদের শাস্তি হবে। আর যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ আমরা তাদের বুকে টেনে নিব।

তিনি আরো বলেন, আমাদের নতুন নতুন কলকারখানা তৈরী করতে হবে। মানুষের চিকিৎসার জন্য ভালো হাসপাতাল তৈরী করবো। এটা আমার শেষ ভোট, আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। এই শেষ ভোটে দয়া করে আপনারা সকলকে আমাকে সমর্থন করে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের কাজ করার সুযোগ দিবেন।

এ সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ভূমিধস বিজয় অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ

০

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বুধবার সকালে চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রেখেছেন। এ সময় তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের ভূমিধস বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করে এক মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের আপামর জনগণ রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পাবে। বিএনপি এমন এক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে যেখানে আর কোনো মানুষ গুম হবে না এবং কোনো মাকে সন্তান হারানোর বেদনায় পুড়তে হবে না। তিনি ২৪-এর গণআন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাঁদের যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার অঙ্গীকার করেন।

গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি দল তাদের পরিকল্পনা ও কর্মসূচি জনগণের কাছে তুলে ধরবে এবং জনগণ বিচার করে ভোট দেবে। তবে একটি বিশেষ দল পরকালীন জান্নাত পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ধোকা দিচ্ছে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। সালাহউদ্দিন আহমদ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে ধোঁকাবাজি করছে, তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।

দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে কারাগারে থাকায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, তবে তাঁর স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে এলাকার মানুষ বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। এ সময় মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপুসহ স্থানীয় অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

০

২০২৬ সালের হজযাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময় বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যাবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছিল। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই হজযাত্রীদের টিকা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest (P/A view) রিপোর্টসহ, ECG রিপোর্টসহ, Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) এবং Blood Grouping ও Rh Typing পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি শনাক্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কিছু বিশেষ পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
সন্দেহজনক হৃদ্‌যন্ত্রের অকার্যকারিতার ক্ষেত্রে Echocardiography;
কিডনি জটিলতায় Serum Creatinine ও KUB-এর আলট্রাসনোগ্রাফি;
লিভার সিরোসিস সন্দেহ হলে Whole Abdomen USG ও Upper GIT Endoscopy;
এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে Sputum for AFB, Chest CT Scan, Serum Bilirubin, SGPT ও Albumin–Globulin Ratio পরীক্ষা।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে জমা দিয়ে টিকা গ্রহণের পর হজযাত্রীরা স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।