Home Blog Page 254

পায়ের পেশীতে টান ধরলে যা করবেন

গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন অবস্থায় কিংবা জেগে থাকা অবস্থায়ই হঠাৎ পায়ের ডিম বা কাফ মাসলে তীব্র যন্ত্রণায় ঘুম ভেঙে যাওয়া—এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। তখন পা সোজা বা ভাঁজ, কিছুই করা যায় না। মনে হয় শিরা বা রগ এক জায়গায় দলা পাকিয়ে গেছে।শিশু থেকে বৃদ্ধ—প্রায় সব বয়সের মানুষই কমবেশি এই সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ সমস্যাকে বলা হয় নকচারনাল লেগ ক্র্যাম্পস।

চিকিৎসকরা বলছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন ও কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় মেনে চললেই এই যন্ত্রণা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

কেন হয় এই সমস্যা?
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পানির ঘাটতি (ডিহাইড্রেশন) অন্যতম প্রধান কারণ। এ ছাড়া ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাব, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করা, অতিরিক্ত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম, গর্ভাবস্থা ও বার্ধক্য; এসব কারণে পেশিতে হঠাৎ টান ধরতে পারে।

ঘুমের মধ্যে পায়ে টান ধরলে ভয় না পেয়ে নিচের উপায়গুলো অনুসরণ করুন—

স্ট্রেচিং: আক্রান্ত পা সোজা করে পায়ের পাতাটি নিজের দিকে টানুন। হাত দিয়ে আঙুল ধরে টানলে কাফ মাসল প্রসারিত হয় এবং ব্যথা কমে।

হাঁটাচলা: বিছানা থেকে নেমে ধীরে ধীরে কিছুক্ষণ হাঁটুন।

গরম সেঁক: টান ধরা জায়গায় হট ওয়াটার ব্যাগ দিয়ে সেঁক দিন বা গরম পানিতে গোসল করুন।

ম্যাসাজ: অল্প তেল দিয়ে হালকা হাতে মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং আরাম মেলে।

এই সমস্যা যেন বারবার না হয়, সেজন্য কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি—

পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে অন্তত ৩–৪ লিটার পানি পান করুন।

পুষ্টিকর খাবার: কলা, ডাবের পানি, পালং শাক, বাদামসহ পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান।

ঘুমানোর ভঙ্গি: উপুড় হয়ে না ঘুমিয়ে চিত হয়ে বা কাত হয়ে ঘুমান।

হালকা ব্যায়াম: ঘুমানোর আগে পায়ের হালকা স্ট্রেচিং বা কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি উপকারী।

 

রিয়াজের মৃত্যুর খবরে যা বলছে শিল্পী সমিতি

০

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর হঠাৎ করে এ ধরনের খবর ভাইরাল হলেও এ বিষয়ে কোনো ধরনের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী বুধবার সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর বিষয়ে সমিতির কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি বলেন, রিয়াজের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের যোগাযোগ না থাকলেও এমন কোনো ঘটনা ঘটলে শিল্পী সমিতি তা না জেনে থাকা অসম্ভব। তাঁর ভাষায়, এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি গুজব।

জয় চৌধুরী বলেন, শিল্পীদের মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়ানোর ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও নায়ক রাজ্জাক, এ টি এম শামসুজ্জামান, মিশা সওদাগর, ডিপজল ও রুবেলের মৃত্যুর খবর একইভাবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছিল। এসব গুজবে শিল্পীরা যেমন বিব্রত হন, তেমনি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও ভয় ও মানসিক চাপ তৈরি হয়।
এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। জয় চৌধুরী জানান, কদিন পরপর শিল্পীদের নিয়ে মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা আর মেনে নেওয়া যায় না। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে বেশ কিছু ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শিল্পী সমিতির এই নেতা মনে করেন, কিছু ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল শুধুমাত্র ভিউ ও প্রচারের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এমন গুজব ছড়িয়ে থাকে। এতে শিল্পী সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং পরিবারগুলো অযথা আতঙ্কের মধ্যে পড়ছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে টানা দুই দশক ধরে ঢালিউডের জনপ্রিয় মুখ ছিলেন রিয়াজ আহমেদ। ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়। এরপর উপহার দিয়েছেন অসংখ্য সুপারহিট চলচ্চিত্র। ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়া ‘অপারেশন সুন্দরবন’ ছিল তাঁর অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা। এরপর থেকে নতুন কোনো কাজে তাঁকে দেখা যায়নি।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও এক সময় সক্রিয় ছিলেন রিয়াজ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা গেছে এবং কয়েকবার প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবেও ছিলেন তিনি। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আড়ালে রয়েছেন বলে জানা যায়।

শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে আবারও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ গুজব এবং বিভ্রান্তিকর। এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট সবাইকে।

তারেক রহমানকে নিয়ে ন্যান্সির নতুন গান

০

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজনীতির পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও আলাদা অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই আবেগ থেকেই প্রকাশ পেয়েছে নতুন গান ‘নেতা আসছে’। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ও সালমান রাজ। গানের কথায় ফুটে উঠেছে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষা, আশা ও উচ্ছ্বাস—যেখানে নেতার ফিরে আসাকে ঘিরে মা, মাটি ও মানুষের কথা বলা হয়েছে।

গানটির কথা লিখেছেন মিজানুর রহমান। পলক হাসান সুমনের সুরে সংগীতায়োজন করেছেন এ এন ফরহাদ। পুরো প্রকল্পের গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধান করেছেন চিত্রনায়ক হেলাল খান।

‘নেতা আসছে’ গানটি বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে মন্তব্যের মাধ্যমে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাচ্ছেন এবং গানটির প্রশংসা করছেন।

সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিসরেও এই গান নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবমুখী পদক্ষেপ প্রয়োজন

০

নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি। কয়েক বছর ধরেই স্মরণকালের উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যহীনতা, ডলার সংকট, রিজার্ভের ক্ষয়, বিনিয়োগ খরা, রাজস্ব ঘাটতি, ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি ও অনিয়ম-দুর্নীতি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের লুটপাট ও অব্যবস্থাপনাসহ অর্থনীতি বিভিন্ন সংকটে নিমজ্জমান। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের চূড়ান্ত স্বীকৃতি মিলবে আগামীবছরের নভেম্বরে।

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর যেমন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে তেমনি সুযোগও তৈরি হবে। তখন আগে যে সুবিধাগুলো বিদ্যমান ছিল, তা আর পাওয়া যাবে না এবং বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতা করতে হবে আরও শক্তিশালী দেশের সঙ্গে। এ অবস্থায় শুধু পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না করে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। একইভাবে রেমিটেন্স বাড়াতে হলে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। দেশের ব্যাপক তরুণ জনগোষ্ঠী, রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা, প্রবাসী আয় এবং ডিজিটাল রূপান্তরের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের সামনে।

এজন্য উৎপাদন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণ করতে হবে। সুশাসন ও নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি করতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ, সংকট, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও করণীয় সম্পর্কে সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. মাহদী আমিন, ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক সাকিফ শামীম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। তাদের মতে, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যথাযথ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও নির্ধারিত সময়ে তা বাস্তবায়ন একান্ত অপরিহার্য।

এক্ষেত্রে নীতি সহায়তা ও সংস্কার, অর্থায়ন, লজিস্টিক খাতের উন্নয়ন, দক্ষ জনশক্তি এবং আর্থিক খাত চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ যত সহায়ক হবে রপ্তানি খাতে তত বেশি সাফল্য আসবে। সেই সঙ্গে শুল্কহার বেশি থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ব্যাহত হয়, তাই সহায়ক রাজস্ব নীতিমালার কোনো বিকল্প নেই। রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য স্বল্প সুদে অর্থায়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ে একটি সহায়ক বিনিময় হার নির্ধারণ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

একইসঙ্গে এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বেশকিছু চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি সুযোগও তৈরি হবে। তবে সেগুলো মোকাবিলার জন্য আমাদের দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। ড. মাহদী আমিনের মতে, বিএনপির ঘোষিত ৩১-দফা সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা রয়েছে। এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব।

অর্থনৈতিক অপরাধ এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতি রোধে আইনি ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ওপর তিনি জোর দিয়েছেন- যাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে আমাদের ডিজিটাল ডিভাইড কমাতে হবে এবং বিনিয়োগের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
ড. মাহদী আমিনের মতে, ৩১ দফার লক্ষ্য হলো, তরুণদের জন্য কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করা। কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে, সেজন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ঘটানো প্রয়োজন। ড. সায়মা হক বিদিশা মনে করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এক সন্ধিক্ষণে রয়েছে। স্থিতিশীলতা ফেরাতে হলে কেবল সাময়িক ব্যবস্থা না নিয়ে ব্যাংকিং খাত, রাজস্ব নীতি এবং কর্মসংস্থান এই তিনটি ক্ষেত্রে গভীর ও কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, উচ্চ মূল্যস্ফীতি।

তিনি মনে করেন, কেবল মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, এর জন্য বাজার তদারকি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজি বন্ধ করা জরুরি হয়ে পড়ছে। তার মতে, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অনেক সময় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলছে। অর্থনীতিবিদ সাকিফ শামীম বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের মহাকাব্য আজ এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে গতানুগতিক সাফল্যের পরিসংখ্যান আর আগামীর রূঢ় বাস্তবতার মধ্যে এক বিস্তর ব্যবধান দৃশ্যমান হচ্ছে।

গত এক দশকে আমাদের অবকাঠামোগত দৃশ্যপট আমূল বদলে গেলেও অর্থনৈতিক কাঠামোর গভীরে সঞ্চিত সংকটের মেঘগুলো এখন আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে ২০২৫ সালের এই সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা যখন বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি, তখন উন্নয়নকে কেবল ইট-পাথরের সংজ্ঞায় সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের জীবনযাত্রার মান ও নিরাপত্তার নিরিখে বিচার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রিয় নেতাকে বরণ করতে আজ ‘তারেক রহমানময়’ পুরো রাজধানী

০

দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ ১৪ দিনের নির্বাসিত জীবনের অবসান। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রিয় জন্মভূমির মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ‘বিজি-২০২’ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার সাথে সাথেই পুরো রাজধানী যেন এক বিশাল উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।

সকাল থেকেই রাজধানীর প্রতিটি সড়ক ও মোড় ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। বলা যায়, রাজধানী ঢাকা আজ তারেক রহমানময়। শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে শুরু করে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট (জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে) পর্যন্ত বিস্তৃত দীর্ঘ পথ এখন জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে।

তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফিরেছেন তাঁর স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিমানটি রানওয়ে স্পর্শ করার পর বিমানবন্দরের ‘রেড জোনে’ তাঁকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বিমানবন্দরে উপস্থিত নেতাকর্মীদের চোখে-মুখে ছিল দীর্ঘ দেড় যুগের প্রতীক্ষা শেষে প্রিয় নেতাকে ফিরে পাওয়ার আবেগ ও আনন্দ।

তারেক রহমানকে বরণ করতে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ বা ৩০০ ফিট এলাকায় জড়ো হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখ লাখ মানুষ। সকাল থেকেই ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’ স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে আকাশ-বাতাস।

বিমানবন্দর থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান সংবলিত একটি বিশেষ লাল বাসে চড়ে তিনি সংবর্ধনাস্থলে রওনা হয়েছেন। ৩০০ ফিট সংলগ্ন বিশাল মঞ্চে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে তারেক রহমানের প্রথম গন্তব্য হবে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল। সেখানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন তাঁর মা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ সময় পর মা ও ছেলের এই মিলন মুহূর্তটি নিয়ে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হয়েছে এক মানবিক ও আবেগঘন পরিবেশ। হাসপাতাল থেকে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।

লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে ফ্লাইটটি আজ সকালে প্রথমে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত কাজ সেরে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে উড়াল দেয় এবং ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে এক নতুন মোড় ঘটিয়ে দিয়েছে। রাজপথের এই অভাবনীয় জনস্রোত প্রমাণ করছে, মাঠ পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি এবং তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা কতটা সুদৃঢ়।

খিলক্ষেত পেরিয়ে উড়ালসেতুতে ‘বিজয়রথ’; সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন তারেক রহমান

০

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে প্রিয় জন্মভূমির মাটিতে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর, তিনি এখন তাঁর জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা সেই লাল-সবুজ বাসে চড়ে সংবর্ধনাস্থলের দিকে এগোচ্ছেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তাঁর গাড়ি বহরটি এখন খিলক্ষেত এলাকা পেরিয়ে উড়ালসেতু (ফ্লাইওভার) অতিক্রম করছে।

বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর রাস্তার দুপাশে অপেক্ষমাণ লাখো নেতাকর্মীর অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন তারেক রহমান।

লাল ও সবুজ রঙের এই বিশেষ বাসটির দুপাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিশাল প্রতিকৃতি শোভা পাচ্ছে।

নিরাপত্তার খাতিরে বাসের জানালাগুলো বিশেষ বুলেটপ্রুফ কাঁচ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভিড়ের মধ্যেও নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে।

খিলক্ষেত ও কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার জনসমুদ্র চিরে তাঁর বাসটি এখন ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ বা ৩০০ ফিট সংলগ্ন গণসংবর্ধনা মঞ্চের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সেখানে সকাল থেকে অপেক্ষমাণ লাখ লাখ নেতাকর্মীর উদ্দেশ্যে তিনি ঐতিহাসিক ভাষণ দেবেন। দীর্ঘ দেড় যুগ পর প্রিয় নেতাকে সরাসরি দেখতে ও তাঁর কথা শুনতে পুরো ৩০০ ফিট এলাকা এখন কানায় কানায় পূর্ণ।

গণসংবর্ধনা শেষে তারেক রহমানের গাড়ি বহর সরাসরি বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা হবে। সেখানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন মা বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করবেন তিনি। মা-ছেলের এই আবেগঘন সাক্ষাতের পর তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে সকালে লন্ডন থেকে আসা বিমানটি সিলেটে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করে, যার মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রথম দেশের মাটি স্পর্শ করার সুযোগ পান তারেক রহমান।িখিলক্ষেত পেরিয়ে উড়ালসেতুতে তারেক রহমানের ‘বিজয়রথ’: জনসমুদ্র চিরে এগোচ্ছে বিশেষ বাস

ডিসেম্বরের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫৩ কোটি ডলার

০

ডিসেম্বর মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই ২৩ দিনে দেশে এসেছে ২৫৩ কোটি ১০ লাখ বা ২.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই হিসাবে প্রবাসীরা প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ডিসেম্বরের প্রথম ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৫৫৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।

এর আগে গত নভেম্বরে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। আর গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

কঠোর নিরাপত্তা প্রটোকলে গুলশানের বাসায় পৌঁছেছেন ডা. জুবাইদা ও জাইমা রহমান

০

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে পৌঁছেছেন। পুলিশ ও সিএসএফ সদস্যদের কঠোর নিরাপত্তা প্রটোকলে তাঁদের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে তারা গুলশানের ওই বাসভবনে পৌঁছান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে একই দিন সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ও কন্যাকে বহনকারী বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে স্বল্প যাত্রাবিরতির পর বিমানটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় এবং বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। এ সময় তিনি নেতাদের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন এবং উপস্থিত সবার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দিনগত রাত সোয়া ১২টা) তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারকে বহনকারী বিমানটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর পরিবারের এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

শহিদ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর ৭ দিনেই ’বিদ্রোহী’ কবিতার ভিডিও সরিয়ে নিল অন্তর্বর্তী সরকার!

০

ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী বিপ্লবী শহিদ ওসমান হাদির ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেইজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার রাত থেকে ভিডিওটি পাওয়া না গেলে জুলাইয়ের বিভিন্ন পেজ থকে নানাধরণের মন্তব্য করতে দেখা যায়।

বৃহস্পতিবার জুলাই ঐক্যের পেজ থেকে এক পোস্টে বলা হয়, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী বিপ্লবী শহিদ ওসমান হাদির ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির এই ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেইজ থেকে সরিয়ে নেয়া হলো কার ইশারাতে? আমরা ইন্টারিম যেমন বানাতে পারি তেমনি লা/ত্থি মেরে নামাতেও জানি।’

জুলাইয়ের কথা পেজ থেকে বলা হয়, শহীদ ওসমান হাদির ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেইজ থেকে সরিয়ে নেয়া হলো কেন?

কী কারণে শহিদ ওসমান বিন হাদির এই ভিডিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত সরকার দেয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ভারতের মদদে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরীফ ওসমান বিন হাদি। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক এবং ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি শাহাদতবরণ করেন। তার জানাজায় বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোক অংশগ্রহণ করেন।

নোয়াখালীর বড় চমক, বিপিএলে দেখা যাবে বাবা-ছেলে জুটি

০

বিপিএলে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। আর নিজেদের প্রথম আসরেই এক বড় চমক দেখিয়েছে তারা। প্রথমবারের মতো বাবা ও ছেলেকে একই সঙ্গে মাঠে নামাতে যাচ্ছে দেশ ট্রাভেলসের মালিকানাধীন এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীকে আগেই দলে নিয়েছিল নোয়াখালী। এবার টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে তাঁর বড় ছেলে হাসান ইসাখিলকে দলে ভিড়িয়েছে তারা। ফলে বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাবা ও ছেলেকে একই দলে দেখা যাবে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাবা ও ছেলের ছবি পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের আগমনের বার্তা দিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

অবশ্য মাঠের ক্রিকেটে ‘বাপ-বেটা’র জুটি বিশ্ববাসী আগেও দেখেছে। এর আগে আফগানিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে একসঙ্গে খেলতে দেখা গেছে তাঁদের। ডানহাতি ব্যাটার ইসাখিল মূলত ওপেনিংয়ে খেলেন। আফগানিস্তানের জাতীয় দলে এখনও অভিষেক না হলেও ১৯ বছর বয়সী এই ব্যাটার খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলে।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর বিপিএলের উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামবে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। রাত পৌনে আটটায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে দলটির প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস।

নোয়াখালী এক্সপ্রেস স্কোয়াড: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, কুশল মেন্ডিস, জনসন চার্লস, সেদিকউল্লাহ আতাল, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, হাবিবুর রহমান সোহান, মুশফিক হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, রেজাউর রহমান রাজা, নাজমুল ইসলাম অপু, আবু হাসিম, মেহেদী হাসান রানা, সৈকত আলী, সাব্বির হোসেন, রহমতউল্লাহ আলী, ইহসানউল্লাহ খান, হায়দার আলী, মাজ সাদাকাত, জহির খান, মোহাম্মদ নবী, ইবরার আহমেদ, বিলাল সামি ও হাসান ইসাখিল।