Home Blog Page 255

গণভোটের ব্যালট পেপার হবে গোলাপী, ফেলতে হবে একই বক্সে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট এবং গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলতে হবে। গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপী। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট সাদা হলেও গণনার সুবিধার্থে গণভোটের ব্যালটের রঙ হবে গোলাপী। এছাড়া গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট একই বক্সে ফেলা হবে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় গণভোটের প্রশ্ন, ভোটদানের সময়, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটগ্রহণ পদ্ধতি নির্ধারণ, ফলাফল প্রকাশসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইসি এই পরিপত্র জারি করে।

গণভোটের বিষয়

প্রশ্ন: ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি ভোটারগণ সম্মতি জ্ঞাপন করেন কি না (হ্যাঁ/না) সেই বিষয়ে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ক. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।

খ. আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।

গ. সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে ঐকমত্য হয়েছে- সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকবে।’

ঘ. জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।’

গণভোট অনুষ্ঠানের সময়সূচি ও গণবিজ্ঞপ্তি

গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের সময়সূচি উল্লেখ করে ১১ ডিসেম্বর একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিন অর্থাৎ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একই সঙ্গে বিরতিহীনভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন কর্তৃক যেসব রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ ও অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করা হবে, সেসব রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রে নিযুক্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। একইভাবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে যেসব প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা নিযুক্ত হবেন সেসব প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে নিযুক্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা একইসঙ্গে একই সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকা ও ভোটার

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র, গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতকৃত ভোটার তালিকা হবে গণভোটের ভোটার তালিকা এবং ওই তালিকাতে উল্লিখিত ভোটাররা গণভোট প্রদানের অধিকারী হবেন। অর্থাৎ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে সরবরাহকৃত প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের জন্য ভোটদানের অধিকারী ভোটারগণের তথ্য সম্বলিত ভোটার তালিকা গণভোটের ভোটার তালিকা হিসেবে ব্যবহৃত হবে।’

ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ভিন্ন রঙের ব্যালটে অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের ব্যালট (ফরম-১) গোলাপি রঙের হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত, নির্ধারিত এবং সরবরাহকৃত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সই গণভোটের ব্যালট বাক্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ভোটাররা ভোট প্রদান শেষে জাতীয় সংসদের ব্যালট ও গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলবেন।’

পোস্টাল ভোট

‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৭ দফা (১) এর উপ-দফা (ক) বা (খ) বা (গ) বা (ঘ) তে উল্লিখিত বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটার ও দেশে অবস্থানরত নির্দিষ্ট ভোটাররা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে গণভোট এ ভোটদান করবেন। গণভোটের জন্য পোস্টাল ব্যালট (ফরম-২) ব্যবহৃত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে যোগ্য ব্যক্তিগণ যে পদ্ধতি অবলম্বনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, গণভোটের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসৃত হবে।’

ভোটদান পদ্ধতি

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে একইসঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপারের সঙ্গে গণভোটের একটি ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হবে এবং গণভোটের ব্যালট পেপারে হ্যাঁ বা না-তে সিল দিয়ে ব্যালট পেপার ভাঁজ করে নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ফেলবেন। পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে, ভোটার গণভোটের পোস্টাল ব্যালট পেপারে (ফরম-২) হ্যাঁ বা না এর পাশে ফাঁকা ঘরে টিক বা ক্রস চিহ্ন দিয়ে প্রদান করে তার ভোট বা মত প্রকাশ করবেন।’

ভোটার কর্তৃক ভোটদানের প্রক্রিয়া

‘ভোটার ব্যালট পেপার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যালট পেপার চিহ্নিত করার জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যাবেন। যে প্রশ্নটিতে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সে প্রশ্নে হ্যাঁ-সূচক বা না-সূচক ভোটদান করতে চাইলে একজন ভোটার ব্যালট পেপারে মুদ্রিত হ্যাঁ-সূচক ঘরে বা না-সূচক ঘরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সরবরাহকৃত সিলমোহর দ্বারা নিজ ভোট প্রদান করবেন। ভোট প্রদানের পর ভোটার ব্যালট পেপারটি ভাঁজ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালটের সঙ্গে নির্ধারিত স্থানে রক্ষিত ব্যালট বাক্সে তা প্রবেশ করাবেন।’

ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর

‘ভোটগ্রহণ সমাপ্তির অব্যবহিত পর প্রিসাইডিং অফিসার ভোটকেন্দ্রে বা পোস্টাল ভোটের গণনা কেন্দ্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের পক্ষে নিয়োজিত এজেন্টদের উপস্থিতিতে (যদি থাকে) প্রত্যেকটি ব্যালট বাক্স খুলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ও গণভোটের ব্যালটগুলো আলাদা করবেন। অতঃপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালটগুলো প্রার্থী ভিত্তিক এবং গণভোটে ভোটদানকৃত হ্যাঁ সূচক ও না সূচক ব্যালট পেপারগুলো পৃথক করে গণনা করবেন।’

আমরা আশঙ্কা করছি, এইরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশর মানুষ স্বপ্ন দেখছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। ঠিক সেই সময় আবার নতুন করে বাংলাদেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে। গত পরশু যে ঘটনা ঘটেছে (ওসমান হাদির ওপর হামলা) আমরা তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং আমরা আশঙ্কা করছি যে এরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশর মানুষ স্বপ্ন দেখছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। ঠিক সেই সময় আবার নতুন করে বাংলাদেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে। গত পরশু যে ঘটনা ঘটেছে (ওসমান হাদির ওপর হামলা) আমরা তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং আমরা আশঙ্কা করছি যে এরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে মেধাহীন করে দেওয়ার জন্য এই হত্যাকাণ্ডটা ঘটানো হয়। আজকে আমাদের এই দিনে আমরা সেই কথা মনে করি। একইভাবে আমরা সবাই জানি যে, ২০২৪ সালে আমাদের সন্তানদের গণহত্যা করা হয়েছে। আজকে বাংলাদেশ যখন একটা নতুন অধ্যায়ের দিকে একটা নতুন সূর্য দেখছে, বাংলাদেশর মানুষ স্বপ্ন দেখছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে সেই সময় আবার নতুন করে বাংলাদেশের শত্রুরা এই হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে। গত পরশু যে ঘটনা ঘটেছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং আমরা আশঙ্কা করছি যে, এইরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে আমাদের নেত্রী অসুস্থ, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে, আমাদের নেতা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এসেছি, শ্রদ্ধা জানিয়েছি। আমরা এই শপথ নিয়েছি যে, আমরা যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করবো, স্বর্বভৌমত্বকে রক্ষা করবো এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। এই দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আমাদের নেতা আমাদের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই বাংলাদেশের যে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিলেন তার প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সিনিয়র নেতারা এবং ঢাকা মহানগর ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মায়ের জানাজা পড়েনি ডিপজল পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বোনের বিস্ফোরক মন্তব্য

চলচ্চিত্রের মুভিলর্ড ও জনপ্রিয় খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার তাঁর তিন সহোদর বোনের আনা পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগের কারণে আলোচনায় এসেছেন। এলাকাবাসীর কাছে ‘দানবীর’ খেতাব পেলেও, এবার তাঁর বোনেরা অভিনেতার বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন।

পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ এলে ডিপজল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিকে ‘মিথ্যা অপবাদ’ দাবি করে একটি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, আল্লাহই সবকিছুর উত্তম বিচারক। আইন অনুযায়ী তাঁরা যদি মালিক হন, তবে তাঁদের প্রাপ্য অংশ অবশ্যই তাঁরা পাবেন।

ডিপজলের এই ফেসবুক পোস্টের পর অভিনেতার বোন পারভীন বেগম গণমাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন: “যে ভাই মায়ের জানাজার নামাজ পড়ে না, ওই ভাই বোনদের দেখবে? সেই ভাই কোনোদিন বোনদের হক ন্যায্যভাবে দেবে? এটা আশা করা যায় না।”

পারভীন বেগম জানান, তাঁরা ডিপজল ভাইয়ের অতিরিক্ত অংশ চান না, যতটুকু প্রাপ্য, কেবল ততটুকুই চান। তাঁরা ইতিমধ্যে সম্পত্তি আত্মসাতের বিষয়ে মামলা করেছেন, যা এখন কোর্ট বুঝবে।
দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ডিপজলসহ তিন ভাই-বোনদের দুই হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন পারভীন বেগম। তিনি সম্পত্তির বাজারমূল্য ও হিসাব তুলে ধরে বলেন:

মোট সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য: পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

তিন ভাইয়ের অংশ: তিন হাজার কোটি টাকা।

চার বোনের প্রাপ্য অংশ: দুই হাজার কোটি টাকা (প্রতিজনের পাঁচশো কোটি টাকা)।

পারভীন বেগমের অভিযোগ, ডিপজল ভুয়া দলিল দেখিয়ে বলছেন যে বোনেরা সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা এত পাগল না যে টিপ সই দিয়ে তাদের লিখে দেব। এই চল্লিশ বছর সম্পত্তি বাবদ কোথা থেকে কত ভাড়া নিয়েছে আমাদের জানা আছে।”

স্বাস্থ্যকর রান্নার সহজ ৭ উপায়

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সঠিক খাবারের বিকল্প নেই। অনেক সময় আমরা খাবার খাওয়ার দিকে নজর দিলেও, রান্নার পদ্ধতির গুরুত্বকে উপেক্ষা করি। অথচ খাবার কীভাবে রান্না হচ্ছে সেটিই নির্ধারণ করে খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার ধরনে সামান্য পরিবর্তন আনলেই খাবার হতে পারে আরও পুষ্টিকর ও নিরাপদ। চলুন জেনে নেওয়া যাক স্বাস্থ্যকর রান্নার ৭টি সহজ উপায়—

১. হোল গ্রেইন ফুড বেছে নিন

সাদা ভাত বা ময়দার বদলে লাল চাল, ওটস, কুইনোয়া বা বাজরার মতো হোল গ্রেইন খাবার খেতে হবে। এতে পাওয়া যায় জটিল কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার, যা ধীরে ধীরে গ্লুকোজ নিঃসরণ করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।

২. কম তেল দিয়ে রান্না করুন

অলিভ অয়েল, রাইস ব্রান, তিসি বা আখরোটের তেলের মতো স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করা ভালো। তবে অল্প তেলেই রান্না করতে হবে। এতে ইনসুলিন প্রতিরোধ কমে, ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩. শাক-সবজি বাড়ান

স্টার্চবিহীন মৌসুমী শাক-সবজি প্লেটের অর্ধেক জুড়ে রাখুন। এতে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে এবং খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

৪. লবণ গ্রহণ সীমিত করুন

অতিরিক্ত লবণ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লবণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

৫. স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস বেছে নিন

প্যাকেটজাত খাবারের পরিবর্তে বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খান। এতে অপ্রয়োজনীয় চিনি ও সোডিয়ামের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

৬. হাইড্রেটেড থাকুন

চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে পানি, ভেষজ চা বা জিরা পানি পান করুন। এগুলো শরীরকে সতেজ রাখবে এবং হজম ও বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।

৭. প্রোটিন যোগ করুন

প্রতিদিনের খাবারে ডাল, মুরগি, ডিম বা মাছ রাখুন। প্রোটিন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং গ্লাইসেমিক সূচক কমাতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের পদ্ধতিতে এই পরিবর্তনগুলো আনলে সুস্থ থাকা অনেক সহজ হয়ে উঠবে।

ভারতে প্রাণ নিয়ে শঙ্কায় মেসি!২০ মিনিটেই ছাড়লেন মাঠ

ফুটবল বিশ্বের সেরা নক্ষত্রের তিক্ত অভিজ্ঞতা হল কলকাতায়। সল্ট লেকের যুবভারতী স্টেডিয়ামে মেসিকে ঘিরে ভিড় সামলাতে ব্যর্থ পুলিশ-প্রশাসন ও উদ্যোক্তারা। মাত্র ২০ মিনিটেই মাঠ থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হল মেসিকে !

কলকাতার সল্টলেকের যুবভারতী স্টেডিয়ামে মেসিকে এক নজর দেখতে হাজির হয়েছিলেন অন্তত এক লাখ দর্শক। সকাল থেকেই স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তবে এত বিপুল সংখ্যক দর্শক সামলাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয় স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন ও আয়োজকরা। এমনটাই জানা যায় ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

কথা ছিল, শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ স্টেডিয়ামে আসবেন মেসি। যুবভারতী স্টেডিয়ামের গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল সকাল সাড়ে আটটায়। এবং সকাল সাড়ে আটটা থেকেই স্টেডিয়ামে ঢোকার ভিড়। বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ অনীক ধর বন্দেমাতরম গেয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। পরিকল্পনা মতোই ট্যাঙ্গো ও রবীন্দ্রসঙ্গীতের ফিউশন নৃত্য পরিবেশন করা হয়। গ্যালারিতে তখন হাজার পঞ্চাশেক মানুষের ভিড়। কার্যত তিলধারণের জায়গা নেই।

ঘড়িতে তখন কাঁটায় কাঁটায় বেলা সাড়ে এগারোটা। বিরাট কনভয় ঢুকল স্টেডিয়ামে। সরাসরি গাড়িতে চাপিয়েই মাঠে ঢোকানো হল মেসিকে। গ্যালারিতে শুরু হল গর্জন। মেসি মেসি স্লোগানে আকাশ বাতাস যেন ফেটে পড়ার জো। তারকাপুজোয় কোনও খামতি রাখতে চাইনি বাংলা।

মেসি মাঠে ঢুকেই গ্যলারির দিকে হাত নাড়লেন। মাঠে তখন মেসির নামে জয়োধ্বনি। এই পর্যন্ত ঠিকই ছিল। তাল কাটল মেসিকে ঘিরে ভিড় বাড়তে থাকায়। ভারতীয় ফুটবলাররা মেসিকে ছোঁয়ার জন্য, জার্সিতে সই নেওয়ার জন্য এমন করলেন যে, অনেকেই বেশ হতবাক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখেই মাত্র ২২ মিনিটের মাথায় মাঠ থেকে বের করে নেওয়া হল মেসিকে। তারপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ল গ্যালারি।

উল্লেখ্য, মাঠে উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল লিওনেল মেসির। কিন্তু নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সেই সূচিও বাতিল হয়ে যায়। নিজের ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার আগেই মাঠ ছাড়তে হয় ফুটবল ইতিহাসের এই মহাতারকাকে।

আজ কলকাতায় মেসির বেশ ব্যস্ত সময়সূচি থাকার কথা ছিল। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এবং ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে যুবভারতী স্টেডিয়ামের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সেই সূচি নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

শীতে ত্বক কালো হয়ে যাচ্ছে? কারণ ও প্রতিকার জানুন

শীতকালে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ত্বক ধীরে ধীরে কালচে বা ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু অভ্যাস ও পরিবেশগত কারণের জন্য ত্বকের রঙে পরিবর্তন হতে পারে।

ত্বক কালো হওয়ার প্রধান কারণ:

শীতের শুষ্ক আবহাওয়া: শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে। এর ফলে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ এবং ফ্যাকাশে দেখাতে পারে।

সূর্যের প্রভাব: শীতেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে পৌঁছায়, যা পিগমেন্টেশন বাড়াতে পারে।

সঠিক ত্বক পরিচর্যা না করা: শীতকালে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করলে ত্বক রুক্ষ ও কালচে হয়ে যায়।

অপর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টি: পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া, ভিটামিন ও খনিজের অভাব ত্বকের উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেয়।

ত্বক কালো হওয়ার প্রতিকার:

প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের জন্য।

শীতের দিনেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন, কারণ সূর্যের আলোর প্রভাব ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খান।

সপ্তাহে ১–২ বার হালকা স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েশন করুন, তবে খুব শক্ত স্ক্রাব ব্যবহার করবেন না।

গরম পানি দিয়ে দীর্ঘ সময় মুখ ধোবেন না, কারণ এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শীতের ত্বক কালো হওয়া সাধারণত সাময়িক এবং সঠিক যত্ন নিলে এ সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন ব্যবহার ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

ভোজ্যতেল ও পেঁয়াজের দাম বাড়তি, কমেছে ডিম-সবজির

নিত্যপণ্যের বাজারে ভোজ্যতেল ও পেঁয়াজ বাড়তি দামে বিক্রি হলেও স্বস্তি ফিরেছে ডিম ও সবজিতে। সরবরাহ বাড়ায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। এছাড়া চাল, ডাল, আটা ও চিনির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। মুরগির দাম কমলেও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছ। শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, কাপ্তান বাজার, মুগদা বড় বাজার ও খিলগাঁও সিটি কর্পোরেশন বাজার থেকে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে। বাজারে বোতলজাত ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে সপ্তাহখানেক আগে। এখন নতুন দরেই সব দোকানে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে। তেলের সঙ্গে বাড়তি রয়েছে পুরোনো পেঁয়াজের দামও।
ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো কয়েক দফা চেষ্টার পরে ৭ ডিসেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৬ টাকা বাড়িয়েছে। তাতে সয়াবিন তেলের এক লিটারের বোতলের দাম ১৯৫ টাকায় উঠেছে। ৫ লিটারের বোতলের দাম এখন ৯৫৫ টাকা করা হয়েছে। শুক্রবার বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সব দোকানেই নতুন এই দরেই সয়াবিন বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে। আবার অনেক দোকানে ৯৬০-৯৭০ টাকা দাম নিচ্ছে পাঁচ লিটারের প্রতিটি ক্যান। বাজারে পেঁয়াজের দামও এখন বাড়তি। যদিও নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজের কেজি ১১০-১২০ টাকা।
পুরানো পেঁয়াজের দাম আরও বেশি, কেজি ১৪০-১৫০ টাকা। বিক্রেতারা জানান, নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে। মৌসুমের আরেক নতুন পণ্য আলু।  তবে পণ্যটির দাম তুলনামূলক বেশি।
বাজারে প্রতি কেজি নতুন সাদা আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। আর নতুন লাল আলুর কেজি ৭০ টাকার আশাপাশে। কয়েক দিন আগে নতুন আলুর দাম এক শ টাকার ওপরে ছিল।
সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম কিছুটা কমেছে। তবে পুরোনো আলুর দাম কম। কেজি ২০-২৫ টাকা। গত দুই সপ্তাহ ধরে ডিমের দাম কম রয়েছে। ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিমের দাম এখন ১২০-১২৫ টাকা। আগে এটি ১৪০ টাকা ছিল। এছাড়া প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৭০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বাড়ায় বাজারে সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। প্রতি পিস ফুলকপি ও বাধাকপি ৪০-৫০ টাকা, লাউ ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে প্রতি কেজি বেগুন ৬০-১০০ টাকা, মুলা ৩০-৪০ টাকা, শালগম ৪০-৬০ টাকা, শিম ৪০-৫০ টাকা ও দেশি টমেটো ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া নদী-নালা, খালবিল, হাওড়-বাঁওড় ও পুকুরের পানি কমে আসায় বাজারে সব ধরনের দেশি মাছের সরবরাহ বেড়েছে। তবে দাম কমছে না। গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

জামায়াতে যোগ দিলেন মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান

সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।

সাক্ষাৎকালে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শ, দেশপ্রেম এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটির অবিচল অবস্থানের প্রতি গভীর আস্থা ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি সংগঠনের প্রাথমিক সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ, দেশের স্বার্থ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাকি জীবন অতিবাহিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিয়ম-নীতি, আদর্শ, দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের প্রতি অনুগত থাকার অঙ্গীকার করেন।

যোগদান শেষে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান আন্তরিকভাবে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানকে আলিঙ্গন করেন এবং তাঁর দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করেন।

এই গুলি হাদীর উপরে না, এই গুলি ৩৬ এ বিপ্লবের উপর

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন আক্রমণ হিসেবে দেখছেন না সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির।

তিনি হামলার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “এই গুলি হাদীর উপরে না, এই গুলি ৩৬ এ বিপ্লবের উপর।”

ব্যারিস্টার কবিরের এই মন্তব্য ইঙ্গিত করে যে, এই হামলা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর আদর্শিক বা রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি ইঙ্গিত করে।