Home Blog Page 264

হজরত ওমরের (রা.) শাসনকালে ‍ভূমিকম্প নিয়ে ভাষণে যা বলেছিলেন!

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাবের (রা.) শাসনামলে মদিনায় একবার ভূমিকম্প হয়েছিল বলে বর্ণনা পাওয়া যায়। ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরের (রা.) স্ত্রী সাফিয়্যা বিনতে আবি ওবায়েদ সাকাফী। তিনি জানান, ভূমিকম্পের পর হজরত ওমর (রা.) মদিনাবাসীর উদ্দেশে এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন।
তিনি বলেন, ওমর (রা.) বলেছিলেন, লোকসকল! কী হলো এটা! কত দ্রুত তোমরা নতুন কিছু নিয়ে এলে? এ রকম কিছু যদি আবার হয়, তাহলে আমাকে আর মদিনায় পাবে না; আমি মদিনা ছেড়ে চলে যাবো। (মুসনাদে আহমদ)
বিবরণে উল্লেখ রয়েছে, নবীজির (সা.) ও আবু বকরের (রা.) শাসনামলে ভূমিকম্প হয়নি। তাই ভূমিকম্পকে তিনি ‘নতুন ঘটনা’ ও সম্ভাব্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখেন। তিনি ধারণা করেন, মদিনাবাসীর কোনো গুনাহ কিংবা অবহেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য তিনি নিজেও সতর্ক হন এবং মুসলমানদেরও সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেন।
বিদ্বানদের মতে, তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগকে একজন মুমিন আল্লাহ তাআলার সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করবে এবং আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নেক আমল বাড়ানোর চেষ্টা করবে।
হজরত ওমর (রা.) ছিলেন আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও সম্মানিত সাহাবিদের একজন। আবু বকর (রা.)-এর পর সাহাবিদের মধ্যে তার মর্যাদা সর্বোচ্চ বলে বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। ওহব আস-সুয়াই থেকে বর্ণিত একটি ঘটনায় আলী (রা.) বলেন,নবীজির (সা.) পর এই উম্মতের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি আবু বকর, তারপর ওমর। (মুসনাদে আহমদ)
৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে নবীজির (সা.) ইন্তেকালের পর সাহাবিদের সর্বসম্মতিক্রমে হজরত আবু বকর (রা.) প্রথম খলিফা নিযুক্ত হন। মাত্র দুই বছরের খেলাফতের পর ৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দে অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি মৃত্যুশয্যায় হজরত ওমর (রা.)-কে তার উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করেন। পরে ওমর (রা.) ইসলামের প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, রাষ্ট্রনীতি এবং ব্যাপক সামরিক বিজয়ের মাধ্যমে ইতিহাসে এক অনন্য শাসকে পরিণত হন।

সাকিবকে নিয়ে একাদশ ঘোষণা

আবুধাবি টি-টেন লিগে রয়্যাল চ্যাম্পসের হয়ে খেলছেন সাকিব আল হাসান। আসরের শুরু থেকেই স্কোয়াডের সঙ্গে থাকলেও নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচে একাদশে সুযোগ পাননি তিনি। তবে আজ আজমান টাইটান্সের বিপক্ষে সাকিবকে নিয়ে মাঠে নামছে রয়্যাল।
টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজমান টাইটান্স। বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি।
এর আগে তিন ম্যাচে খেলে সবকটিতে হেরেছে সাকিবের দল। নামের পাশে কোনো পয়েন্ট না থাকায় টেবিলের তলানিতে আছে তারা।
রয়্যাল চ্যাম্পস একাদশ-
জেসন রয়, নিরোসান ডিকভেলা, ব্রেন্ডন ম্যাকমুলেন, সাকিব আল হাসান, অ্যারন জোন্স, ড্যানিয়েল শামস, কুইন্টন স্যাম্পসন, ঋষি ধাওয়ান, ক্রিস জর্ডান, সঞ্জয় পাহাল, হায়দার রাজ্জাক।

সবজিতে ভরপুর বাজার তবু কমছে না দাম

শীতকালীন সবজিতে ভরপুর রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো। বর্তমানে সরবরাহ বাড়লেও দাম এখনো চড়া। অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। কারণ জানেন না কেহ।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
খিলক্ষেতের ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় আজ সবজির দাম তেমনটা বাড়েনি। কিছুটা কমেছে। শীতকালীন সবজি বাজারের দাম বাড়ার কারণ হচ্ছে সিন্ডিকেট। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়। ফলে কি করব আমরা।
বাজারে মানভেদে ফুলকপি প্রতিপিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, প্রতি কেজি বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, লতি ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও পটোল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আর প্রতি কেজি পেঁপে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকা, শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, শালগম ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। একই সঙ্গে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা গুণতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
বাজারে লালশাকের আঁটি ১০ টাকা, পুঁইশাক ২০-৩০ টাকা, মুলাশাক ১০ টাকা, ডাঁটাশাক ১০, কলমি শাক ১০ টাকা ও পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।
এ ছাড়া প্রতিপিচ লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লেবু ৬০ টাকা ডজন, আলু ২০ থোকে ২৫ টাকা কেজি, ধনে পাতা ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
সকালে সবজি বিক্রেতা ফিরোজ বলেন, সবজীর দাম কিছুটা কমেছে। তবে ক্রেতাদের নাগালে আসেনি। খোঁজ নিয়ে জেনেছি, গ্রাম থেকে যে দামে কাঁচামাল আসছে তার কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রয় হয়ে বাজারে। সিন্ডিকের হাতে আবারও বন্দি হয়ে গেছে রাজধানীর কাঁচা বাজারগুলো। কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা প্রতিটি সবজির দাম। ফুলকপি, বাঁধাকপি বাজারে আসার কারণে কিছুটা সবজির দাম কমেছে। বিভিন্ন শাকের দামও কম আছে। আগে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি আঁটি বিক্রি হলেও, এখন ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর প্রতিটি বাজারে পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ৯০ থেকে ১০০ টাকা পাইকারি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তারা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ থাকার পরও পাইকারি দাম কমছে না। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
মুহাম্মদপুর টাউন হলের সবজি ক্রেতা জেসমিন বলেন, শীতকালীন সব সবজিই আছে। দামটা এখনও কমেনি। অনেক সবজির দাম হয়তো কমেছে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আরও কমলে ভালো হয়।

ক্ষমতায় গেলে অসচ্ছল ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেবে বিএনপি: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সেই পরিকল্পনা নিয়েছি। কর্মজীবনে যিনি যে পেশায় নিয়োজিত হতে চান, কিংবা যে চাকরি করেন এর জন্য দরকার দক্ষতা, সততা। দেশের লক্ষ লক্ষ মসজিদকে কেন্দ্র করে আরও কি ধরনের উদ্যোগ নেওয়া যায় এ বিষয়ে বিএনপি সবার পরামর্শ চায়।
রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সম্মিলিত ইমাম-খতিব পরিষদ আয়োজিত জাতীয় সম্মেলন-২০২৫ এ লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেক মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাকরি মসজিদ কমিটির ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করে। আমি মনে করি এটা হওয়া উচিত নয়। এটা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বিরুদ্ধে অন্যায্য আচরণ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রীয় সার্ভিস রুল প্রণয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে। কারণ ইমাম- মুয়াজ্জিনগণ সমাজসংস্কারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ।
তারেক রহমান বলেন, রাজনীতি নিয়ে ইসলামি স্কলারদের মধ্যে বিরোধ দেখা যায়। হীন রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মীয় ব্যাখ্যা, সমাজে বিশৃঙ্খলা নিয়ে আসে। সমাজে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে আলেমদের সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি বরাবরই ইসলাম ও মুসলমানদের স্বার্থবিরোধী তৎপরতা রোধে সোচ্চার। এ সময়, ‘শাপলা চত্বরে হানাদার বাহিমীর মতো ক্র্যাকডাউন চালানো হয়েছিল’ বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের তাবেদারি শাসন প্রমাণ করেছে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যের বিকল্প নেই। ইনসাফভিত্তিক দেশ গড়তে আগামী নির্বাচন ইমাম-খতিব ও মুয়াজ্জিনদের দোয়া ও সমর্থন চান তিনি।
ইমাম-খতিবদের রাষ্ট্র সংস্কার কাজের বাইরে রেখে অগ্রগতি সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মসজিদ কমিটির ওপর ইমাম মুয়াজ্জিনদের চাকরি নির্ভর থাকা উচিত নয়। বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারলে ইমাম মুয়াজ্জিনদের সার্ভিস রুলস বাস্তবায়নের বিষয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করবে।

 

খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চেস্টে (বুকে) ইনফেকশন, হার্ট এবং ফুসফুস আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড সদস্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।
রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সবশেষ তথ্য জানানোর সময় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. এফ এম সিদ্দিকী জানান, খালেদা জিয়ার চেস্টে ইনফেকশন হয়েছে। হার্ট এবং ফুসফুস আক্রান্ত হয়েছে। আগামী ১২ ঘণ্টা মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে।
আর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বেগম জিয়া ঠিক কতদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকবেন, তা এখনি বলা যাচ্ছে নাহ। শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফিরোজা থেকে এভারকেয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা হন খালেদা জিয়া। পরে স্বাস্থ্যবিষয়ক পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক আল মামুন সে সময় বলেন, বেশকিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে।
সর্বশেষ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপির চেয়ারপারসন। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেন বলে জানান তার প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।
খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসার জন্য ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরেন। এরপর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসনকে।

 

দুবাই এয়ার শোতে ভারতের যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত (ভিডিও)

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে এয়ার শোতে কসরত দেখানোর সময় ভারতের একটি তেজস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিন আল মাখতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রদর্শনীতে ভারতীয় পাইলট তেজস যুদ্ধবিমান নিয়ে প্রদর্শন দেখাচ্ছিলেন। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেখান থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে দেখা গেছে।
এক আসনের হালকা এই যুদ্ধবিমানটি তৈরি করেছে ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড। তাদের তৈরি এ যুদ্ধবিমানটি দুবাইয়ের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে বিধ্বস্ত হয় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানের পাইলট বের হয়ে যেতে পেরেছিলেন কি না সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বিমানবাহিনী এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক তথ্য জানাবে।
এর আগে, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে রাজস্থানের জয়সলমেরে একটি তেজস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ২০০১ সালে প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের পর থেকে ২৩ বছরের ইতিহাসে সেটাই ছিল তেজস বিমানের প্রথম দুর্ঘটনা। সেই ক্ষেত্রে পাইলট নিরাপদে বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন।
তেজস হলো একটি ৪.৫-প্রজন্মের মাল্টি-রোল কমব্যাট বিমান, যা বিমান প্রতিরক্ষা, আক্রমণাত্মক আকাশ সহায়তা এবং নিকটবর্তী যুদ্ধ অভিযানের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটিকে এর শ্রেণির মধ্যে সবচেয়ে হালকা এবং ছোট যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে অন্যতম বলে মনে করা হয়।
এক দর্শকের ক্যামেরায় বিমান বিধ্বস্তের পুরো ঘটনা ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, বিমানটি প্রচণ্ড বেগে এগিয়ে আসছে। হঠাৎ করে এটি মাটির দিকে নেমে যেতে থাকে। এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এটি আছড়ে পড়ে। তখন পুরো বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।

বঙ্গোপসাগরে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে

বঙ্গোপসাগরে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি দুর্বল নিম্নচাপ তীব্রতর হয়ে ‘সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে’ রূপ নিয়েছে। যা আগামীকাল আরও শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে বলে প্রাথমিক বিশ্লেষণে জানা গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওড়িশাটিভি রোববার (২৩ নভেম্বর) জানিয়েছে, আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিমদিকে সরে গিয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
বর্তমানে এটি দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরের দিকে আসছে। যদিও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এটি কোনদিকে যাবে এবং কোথায় আঘাত হানবে সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।
দুর্বল নিম্নচাপটি ২৫শে নভেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগরের কাছাকাছি ঘনীভূত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ সন্দীপ পট্টনায়ক জানিয়েছেন, মালাক্কা প্রণালী এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে দুর্বল নিম্নচাপটি ম্যাডেন-জুলিয়ান অসিলেশন পর্যায় অতিক্রম করে আরও শক্তি অর্জন করতে পারে।
তিনি বলেন, “সমুদ্রের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল বড় হওয়ায় এবং প্রশান্ত মহাসাগর থেকে শক্তিশালী বাতাসের স্রোত আসায় আবহাওয়া অনুকূল রয়েছে, যার ফলে দুর্বল নিম্নচাপটি তীব্র হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যেহেতু শীতল বাতাসের প্রভাব কেটে গেছে, তাই এটির আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।”
এ আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, প্রশান্ত মহাসাগর থেকে শক্তিশালী বাতাস প্রবেশ, সমুদ্রের বিস্তৃত জলরাশি এবং শীতল বাতাসের অনুপ্রবেশ না থাকার কারণে এটি আরও তীব্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আবহাওয়ার এই সিস্টেমটি ২১শে নভেম্বর থেকে আগামী ২ বা ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে, বিশেষ করে ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এর তীব্রতা বৃদ্ধির সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে (বর্তমানে) দুর্বল নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে, অন্ধ্র প্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের কাছাকাছি শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
এটির প্রভাবে আগামী ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। ২৬ নভেম্বর বাতাসের গতিবেগ বেড়ে ৬০ থেকে ৭০ এমনকি ৮০ কিলোমিটারের বেশি হতে পারে। আর ২৭ নভেম্বর বাতাসের গতিবেগ ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ভূমিকম্পে ঢাকার চেয়েও বেশি বিপদে দেশের যেসব অঞ্চল!

মাত্রই দুদিন আগে যে প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল, তার আতঙ্ক থেকে এখনও বের হতে পারেনি দেশবাসী। শুক্রবারের সেই ভূমিকম্পের প্রভাবে এরই মধ্যে তিনবার আঘাত এনেছে আফটার শক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শঙ্কা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। চলতি মাসে আঘাত হানতে পারে আরও বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামনে বড় মাত্রার ভূমিকম্পেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে ছোট ও মাঝারি এই ভূমিকম্পগুলো। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে তেমন ঝুঁকিতেই রয়েছে বাংলাদেশ। তবে, নতুন উদ্ভূত এ আতঙ্কের মধ্যেও অপেক্ষাকৃত নিরাপদ অবস্থানে আছে দেশের কিছু অঞ্চল।
ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিবেচনায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানচিত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশকে মূলত তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো জোন-১ (উচ্চঝুঁকি), জোন-২ (মাঝারি ঝুঁকি) এবং জোন-৩ (নিম্ন ঝুঁকি)।
এর মধ্যে সাম্প্রতিক গবেষণা এবং ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সম্ভাব্য ভূমিকম্পগুলোতে ঢাকার চেয়েও উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং পূর্বাঞ্চল। আর এই উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জোন-১ এ অবস্থানরত অঞ্চলগুলো হলো সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, এবং চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকার কিছু অংশ (রাঙামাটি, বান্দরবান)।
এরপরই মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ বা জোন-২ এ অবস্থান করছে ঢাকা, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, নোয়াখালী, বগুড়া এবং রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকা।
সে তুলনায় ভূপ্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল।
নিম্ন ঝুঁকিপ্রবণ (জোন-৩) এলাকার জেলাসমূহ:
খুলনা বিভাগ: খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর।
বরিশাল বিভাগ: বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি।
রাজশাহী বিভাগের পশ্চিমাংশ: (কিছু অংশ জোন-২-এর হলেও পশ্চিমাংশ অপেক্ষাকৃত নিরাপদ)।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলগুলো মূল টেকটোনিক প্লেট বাউন্ডারি (যেমন: ডাউকি ফল্ট, মধুপুর ফল্ট বা মিয়ানমার ফল্ট লাইন) থেকে অপেক্ষাকৃত দূরে থাকায় সরাসরি বড় ধরনের কম্পন সৃষ্টির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয় না।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের চারপাশে ভূমিকম্পের প্রধান পাঁচটি উৎপত্তিস্থল চিহ্নিত করা আছে। এর একটিকে বলা হয় প্লেট বাউন্ডারি-১, যেটা মিয়ানমার থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত। এছাড়া প্লেট বাউন্ডারি-২ নোয়াখালী থেকে সিলেট এবং প্লেট বাউন্ডারি-৩ সিলেট থেকে ভারতের দিকে চলে গেছে। অন্যদিকে, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট এলাকায় ডাউকি ফল্ট এবং মধুপুর ফল্ট রয়েছে।
যদিও নিম্ন ঝুঁকিপ্রবণ অঞ্চলের জেলাগুলো বড় ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ; তবুও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, দুর্বল অবকাঠামো বা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হলে রিখটার স্কেলে কম মাত্রার কম্পনেও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যায়।

 

হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পতিত স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফেরাতে ভারতের কাছে আবারও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
রবিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কয়েকজন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা জানান।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত পরশু (শুক্রবার) দিল্লির বাংলাদেশ মিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এর আগেও ভারতে আশ্রিত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে নয়াদিল্লিকে চিঠি দিয়েছিল সরকার। সেই বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, হাসিনাকে ফেরাতে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, সেই চিঠির জবাব এখনো আসেনি। তবে এখন তো পরিস্থিতি আরেক রকম। এখন শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের (ভারত) সঙ্গে আমাদের চুক্তিও আছে। তাকে ফেরত আনতে অফিসিয়ালি  আমরা চিঠি দেব।
গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল ভারতে পালিয়ে যান। তাদের বিরুদ্ধে জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

চমকে দিলেন মাধুরী

নাগেশ কুকুনুর পরিচালিত ‘মিসেস দেশপান্ডে’ সিরিজ নিয়ে দীর্ঘদিন পর ওটিটি’র পর্দায় ফিরছেন মাধুরী দীক্ষিত। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে সিরিজটির ২০ সেকেন্ডের টিজার শেয়ার করে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন অভিনেত্রী। আর সেই টিজারে এমন এক টুইস্টের দেখা মিলেছে, যা ছিল সবার কল্পনার বাইরে। টিজার দেখে বোঝা যায়, এই সিরিজে তিনি এক ভয়ংকর সিরিয়াল কিলারের চরিত্রে অভিনয় করবেন। কারণ প্রথমে তাকে দেখা যায়, তিনি ধীরে ধীরে গহনা ও মেকআপ খুলছেন। ঠিক তখনই আবার দৃশ্যটি কাট হয়ে কারাগারের পোশাকে দেখা যায় তাকে। আর তখন তার মুখে ছিল রহস্যময় চাহনি ও হালকা হাসি। বেশ কিছুদিন আগে একদিন সকালে ইনস্টাগ্রামে একটি রহস্যময় পোস্ট দেন মাধুরী। আর সেই পোস্টে তার জনপ্রিয় গানগুলোর কথা সাজানো ছিল নতুনভাবে। কামিং সুন ক্যাপশনের সঙ্গে ছিল- ‘এক দো তিন চার পাঁচ ছয় সাত আট’, ‘ভোলি সি সুরত, আখো মে মাস্তি’। আর এগুলো দেখে ভক্তদের মাঝে প্রবল আগ্রহও শুরু হয়। আইফা অ্যাওয়ার্ডসে এসে মাধুরী বলেন, ইচ্ছা করে আলাদা কিছু করার, চেষ্টা ছিল না। তবে, এই চরিত্রটি এমন কিছু, যা আমি করতে চাই। এটি আমার এক ভিন্ন দিককে স্পর্শ করে। প্রসঙ্গত, ‘মিসেস দেশপান্ডে’ ফরাসি থ্রিলার ‘লা মান্তে’র অফিসিয়াল রিমেক হিসেবে নির্মিত হয়েছে। তবে, সিরিজটি মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা হয়নি।