Home Blog Page 265

সকালের কফি: লিভারের জন্য ভালো নাকি খারাপ?

০

সকালবেলা এক কাপ গরম কফি অনেকেরই দিন শুরু করার অপরিহার্য অনুষঙ্গ। কিন্তু এই কফি আপনার লিভারের জন্য উপকারী নাকি ক্ষতিকর? সাম্প্রতিক গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত বলছে, পরিমিত কফি পান লিভারের জন্য আশ্চর্যজনকভাবে উপকারী হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ও পরিমিত কফি পান লিভারের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ এবং এমনকি লিভার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কফি একটি প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সক্রিয় যৌগগুলো লিভারের প্রদাহ কমাতে এবং লিভার এনজাইমের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে অতিরিক্ত কফি পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। দিনে ৩-৪ কাপের বেশি কফি পান করলে তা উল্টো প্রভাব ফেলতে শুরু করে। কফির সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি বা ক্রিম মিশিয়ে খাওয়াও লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যাদের আগে থেকেই লিভারের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে কফি পানের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সকালে খালি পেটে কফি পান করা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তারা বলছেন, সকালের নাস্তার পর কফি পান করাই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস। এতে কফির উপকারিতা পাওয়া যায়, আবার এর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবও এড়ানো যায়।

গবেষকদের মতে, কফির এই লিভার-সুরক্ষামূলক গুণাবলি পাওয়া যায় কেবলমাত্র কালো কফিতে। ইনস্ট্যান্ট কফি বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত কফিতে এই উপকারিতা কম পাওয়া যায়। তাই লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষায় দিনে ২-৩ কাপ কালো কফি পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

লিওনেল মেসির ফিটনেস রহস্য: ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শীর্ষে থাকার কৌশল

০

ফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসি কখনোই সাধারণ জিম-অ্যাথলেটের মতো দেখায়নি। তবুও, ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন খেলায় দাপট দেখাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এখন যখন মেসি ভারতের GOAT (Greatest of All Time) ট্যুরে কলকাতা, হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও দিল্লিতে ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন, তখন তাঁর জীবনধারা নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ তুঙ্গে।
তারা শুধু মেসির কীর্তি উদযাপন করছেন না, জানতে চাইছেন কীভাবে তিনি দীর্ঘদিন ফুটবলের ডিমান্ড মেনে চলতে পেরেছেন। এর মূল উত্তর হলো শৃঙ্খলা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণ।

খাবারের গুরুত্বে মোড়:

ক্যারিয়ারের শুরুতে মেসি খাবারের দিকে তেমন মন দেননি। তখন মিষ্টি, সোডা, পিজা, লাল মাংস ছিল তার দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিল শরীরের প্রতিক্রিয়া। ম্যাচের সময় বমি বমি ভাব এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দেখা দিল। ২০১৪ সালে তিনি ইতালীয় পুষ্টিবিদ জুলিয়ানো পোসারের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। লক্ষ্য ছিল সরল: প্রদাহ কমানো এবং পেশীর দ্রুত পুনরুদ্ধার। মেসি নিজেই বলেছেন, ১৮ বছরে যা সহ্যযোগ্য, ২৭ বছরে তা আর কাজ করে না। এই বদল তাঁর দীর্ঘমেয়াদী ফিটনেসের ভিত্তি তৈরি করল।

ফুসফুসের যত্নে কী খাবেন ও কী খাবেন না

চলমান বায়ুদূষণ ও বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগ বৃদ্ধির ফলে ফুসফুসের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, বাতাসে থাকা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ধূলিকণার সরাসরি আঘাত প্রথমে ফুসফুসেই লাগে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণ, অ্যাজমা, সিওপিডি এমনকি ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে।

লেবু

লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস পান করলে ফুসফুসে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সহায়তা করে।

আসিফ মাহমুদকে নিয়ে যা জানালেন বিসিবি সভাপতি

০

প্রায় ১৬ মাস দায়িত্ব পালনের পর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ ছেড়ে দিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম পুরোধা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাঁর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদায়ী ক্রীড়া উপদেষ্টার অবদানের প্রশংসা করেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “ক্রিকেট–সংক্রান্ত প্রতিটি বিষয়ে যে আন্তরিকতা, স্পষ্টতা এবং উদ্যম নিয়ে আসিফ মাহমুদ কাজ করেছেন, বিসিবি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন কিংবা বোর্ডকে আত্মবিশ্বাসীভাবে এগিয়ে নিতে যে সহযোগিতা তিনি দিয়েছেন, তা অত্যন্ত মূল্যবান।”

সভাপতি বুলবুল নতুন উপদেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “ক্রীড়ার প্রতি তার দীর্ঘদিনের আগ্রহ ও জনসম্পৃক্ত কাজের অভিজ্ঞতা আমাদের আশাবাদী করে। তিনি দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে আরও দৃঢ়তা ও দিকনির্দেশনা যোগ করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

আজ থেকে বাড়তি দামে বিক্রি হবে সোনা

০

একদিনের ব্যবধানে ভালো মানের সোনা ভরিতে বাড়ল তিন হাজার ৪৫৩ টাকা। সে হিসেবে আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকায় মিলবে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম (পিওর গোল্ড) বাড়ায় বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা।

সোনার দামের সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৫৭২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা।

ডিসেম্বর মাসে টানা লম্বা ছুটি!

০

ডিসেম্বর এলেই ছুটির আমেজ, আর চলতি মাসে সেই সুযোগ আরও বড় পরিসরে পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবী থেকে শুরু করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বড়দিন, বিজয় দিবস, শীতকালীন অবকাশ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ডিসেম্বরের শেষভাগে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ।

সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চলতি বছরে এখনো দুটি সাধারণ ছুটি রয়েছে। এর একটি ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস এবং অন্যটি ২৫ ডিসেম্বর, যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন বা বড়দিন। বড়দিন বৃহস্পতিবার পড়ায় তার সঙ্গে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন টানা তিন দিনের ছুটি।

চলতি বছরের ছুটির তালিকায় মোট ১২ দিন সাধারণ ছুটি এবং নির্বাহী আদেশে ঘোষিত ছুটি রয়েছে ১৪ দিন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়

তবে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে দিবসটি পালনের নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের শেষ ছুটি শুরু হচ্ছে ১৪ ডিসেম্বর থেকে। তার আগে ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি থাকছে। এই ছুটি চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ছুটি শেষে ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা, যা চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকার নির্দেশনাও রয়েছে।

মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি মাদরাসা—স্বতন্ত্র, এবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরে—ছুটি শুরু হচ্ছে ১৪ ডিসেম্বর থেকে। এর আগে ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। মাদরাসাগুলো খুলবে ২৮ ডিসেম্বর। এ সময়ের মধ্যেই দুই স্তরে বৃত্তি পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি কলেজ

দেশের সরকারি ও বেসরকারি কলেজে ছুটি শুরু হবে ১৪ ডিসেম্বর থেকে। আগের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকছে। কলেজের ছুটি শেষ হবে ২৮ ডিসেম্বর। কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস পালনে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

সব মিলিয়ে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নেমে এসেছে দীর্ঘ ছুটির আবহ। পরীক্ষা, জাতীয় দিবস পালন ও শীতকালীন অবকাশ মিলিয়ে মাসের শেষভাগে শিক্ষা অঙ্গনে বিরাজ করছে স্বস্তির বিরতি।

দেশকে নেতৃত্বহীন করতে ওসমান হাদির ওপর হামলা করা হয়েছে

০

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে মেধাহীন করার জন্য ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

রবিবার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ মেধাবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, দেশকে মেধাহীন করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় দোসররা। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন অনুযায়ী স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও তাদের প্রাপ্তি অনেক কম।

সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে নেতৃত্বহীন করার জন্য ওসমান হাদির ওপর হামলা করা হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে বুদ্বিজীবীদের হত্যা করে দেশকে মেধাহীন করতে চেয়েছিল, তেমনি সম্প্রতি হাদিকে হত্যাচেষ্টার মাধ্যমে দেশকে মেধাহীন করতে চাচ্ছে জুলাইয়ের পরাজিত শক্তি। অনেককে হিট লিস্টে রাখা হয়েছে। একাত্তরে যেমন হানাদার বাহিনী পরাজিত হয়েছে, তেমনি এবারও এই ফ্যাসিবাদী শক্তি পরাজিত হবে।

তিনি বলেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের অপশক্তিকে যেভাবে পরাজিত করা হয়েছিলে, আজও কেউ সফল হতে পারবে না। তাদের শক্ত হাতে দমন করা হবে।

গণভোটের ব্যালট পেপার হবে গোলাপী, ফেলতে হবে একই বক্সে

০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট এবং গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলতে হবে। গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপী। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট সাদা হলেও গণনার সুবিধার্থে গণভোটের ব্যালটের রঙ হবে গোলাপী। এছাড়া গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট একই বক্সে ফেলা হবে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় গণভোটের প্রশ্ন, ভোটদানের সময়, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটগ্রহণ পদ্ধতি নির্ধারণ, ফলাফল প্রকাশসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইসি এই পরিপত্র জারি করে।

গণভোটের বিষয়

প্রশ্ন: ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি ভোটারগণ সম্মতি জ্ঞাপন করেন কি না (হ্যাঁ/না) সেই বিষয়ে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ক. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।

খ. আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।

গ. সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে ঐকমত্য হয়েছে- সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকবে।’

ঘ. জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।’

গণভোট অনুষ্ঠানের সময়সূচি ও গণবিজ্ঞপ্তি

গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের সময়সূচি উল্লেখ করে ১১ ডিসেম্বর একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিন অর্থাৎ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একই সঙ্গে বিরতিহীনভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন কর্তৃক যেসব রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ ও অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করা হবে, সেসব রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রে নিযুক্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। একইভাবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে যেসব প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা নিযুক্ত হবেন সেসব প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে নিযুক্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা একইসঙ্গে একই সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকা ও ভোটার

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র, গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতকৃত ভোটার তালিকা হবে গণভোটের ভোটার তালিকা এবং ওই তালিকাতে উল্লিখিত ভোটাররা গণভোট প্রদানের অধিকারী হবেন। অর্থাৎ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে সরবরাহকৃত প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের জন্য ভোটদানের অধিকারী ভোটারগণের তথ্য সম্বলিত ভোটার তালিকা গণভোটের ভোটার তালিকা হিসেবে ব্যবহৃত হবে।’

ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ভিন্ন রঙের ব্যালটে অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের ব্যালট (ফরম-১) গোলাপি রঙের হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত, নির্ধারিত এবং সরবরাহকৃত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সই গণভোটের ব্যালট বাক্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ভোটাররা ভোট প্রদান শেষে জাতীয় সংসদের ব্যালট ও গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলবেন।’

পোস্টাল ভোট

‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৭ দফা (১) এর উপ-দফা (ক) বা (খ) বা (গ) বা (ঘ) তে উল্লিখিত বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটার ও দেশে অবস্থানরত নির্দিষ্ট ভোটাররা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে গণভোট এ ভোটদান করবেন। গণভোটের জন্য পোস্টাল ব্যালট (ফরম-২) ব্যবহৃত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে যোগ্য ব্যক্তিগণ যে পদ্ধতি অবলম্বনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, গণভোটের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসৃত হবে।’

ভোটদান পদ্ধতি

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে একইসঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপারের সঙ্গে গণভোটের একটি ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হবে এবং গণভোটের ব্যালট পেপারে হ্যাঁ বা না-তে সিল দিয়ে ব্যালট পেপার ভাঁজ করে নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ফেলবেন। পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে, ভোটার গণভোটের পোস্টাল ব্যালট পেপারে (ফরম-২) হ্যাঁ বা না এর পাশে ফাঁকা ঘরে টিক বা ক্রস চিহ্ন দিয়ে প্রদান করে তার ভোট বা মত প্রকাশ করবেন।’

ভোটার কর্তৃক ভোটদানের প্রক্রিয়া

‘ভোটার ব্যালট পেপার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যালট পেপার চিহ্নিত করার জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যাবেন। যে প্রশ্নটিতে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সে প্রশ্নে হ্যাঁ-সূচক বা না-সূচক ভোটদান করতে চাইলে একজন ভোটার ব্যালট পেপারে মুদ্রিত হ্যাঁ-সূচক ঘরে বা না-সূচক ঘরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সরবরাহকৃত সিলমোহর দ্বারা নিজ ভোট প্রদান করবেন। ভোট প্রদানের পর ভোটার ব্যালট পেপারটি ভাঁজ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালটের সঙ্গে নির্ধারিত স্থানে রক্ষিত ব্যালট বাক্সে তা প্রবেশ করাবেন।’

ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পর

‘ভোটগ্রহণ সমাপ্তির অব্যবহিত পর প্রিসাইডিং অফিসার ভোটকেন্দ্রে বা পোস্টাল ভোটের গণনা কেন্দ্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের পক্ষে নিয়োজিত এজেন্টদের উপস্থিতিতে (যদি থাকে) প্রত্যেকটি ব্যালট বাক্স খুলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ও গণভোটের ব্যালটগুলো আলাদা করবেন। অতঃপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালটগুলো প্রার্থী ভিত্তিক এবং গণভোটে ভোটদানকৃত হ্যাঁ সূচক ও না সূচক ব্যালট পেপারগুলো পৃথক করে গণনা করবেন।’

আমরা আশঙ্কা করছি, এইরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে মির্জা ফখরুল

০

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশর মানুষ স্বপ্ন দেখছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। ঠিক সেই সময় আবার নতুন করে বাংলাদেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে। গত পরশু যে ঘটনা ঘটেছে (ওসমান হাদির ওপর হামলা) আমরা তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং আমরা আশঙ্কা করছি যে এরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশর মানুষ স্বপ্ন দেখছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। ঠিক সেই সময় আবার নতুন করে বাংলাদেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে। গত পরশু যে ঘটনা ঘটেছে (ওসমান হাদির ওপর হামলা) আমরা তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং আমরা আশঙ্কা করছি যে এরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে মেধাহীন করে দেওয়ার জন্য এই হত্যাকাণ্ডটা ঘটানো হয়। আজকে আমাদের এই দিনে আমরা সেই কথা মনে করি। একইভাবে আমরা সবাই জানি যে, ২০২৪ সালে আমাদের সন্তানদের গণহত্যা করা হয়েছে। আজকে বাংলাদেশ যখন একটা নতুন অধ্যায়ের দিকে একটা নতুন সূর্য দেখছে, বাংলাদেশর মানুষ স্বপ্ন দেখছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে সেই সময় আবার নতুন করে বাংলাদেশের শত্রুরা এই হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে। গত পরশু যে ঘটনা ঘটেছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং আমরা আশঙ্কা করছি যে, এইরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে আমাদের নেত্রী অসুস্থ, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে, আমাদের নেতা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এসেছি, শ্রদ্ধা জানিয়েছি। আমরা এই শপথ নিয়েছি যে, আমরা যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করবো, স্বর্বভৌমত্বকে রক্ষা করবো এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। এই দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আমাদের নেতা আমাদের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই বাংলাদেশের যে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিলেন তার প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সিনিয়র নেতারা এবং ঢাকা মহানগর ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মায়ের জানাজা পড়েনি ডিপজল পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বোনের বিস্ফোরক মন্তব্য

০

চলচ্চিত্রের মুভিলর্ড ও জনপ্রিয় খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার তাঁর তিন সহোদর বোনের আনা পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগের কারণে আলোচনায় এসেছেন। এলাকাবাসীর কাছে ‘দানবীর’ খেতাব পেলেও, এবার তাঁর বোনেরা অভিনেতার বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন।

পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ এলে ডিপজল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিকে ‘মিথ্যা অপবাদ’ দাবি করে একটি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, আল্লাহই সবকিছুর উত্তম বিচারক। আইন অনুযায়ী তাঁরা যদি মালিক হন, তবে তাঁদের প্রাপ্য অংশ অবশ্যই তাঁরা পাবেন।

ডিপজলের এই ফেসবুক পোস্টের পর অভিনেতার বোন পারভীন বেগম গণমাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন: “যে ভাই মায়ের জানাজার নামাজ পড়ে না, ওই ভাই বোনদের দেখবে? সেই ভাই কোনোদিন বোনদের হক ন্যায্যভাবে দেবে? এটা আশা করা যায় না।”

পারভীন বেগম জানান, তাঁরা ডিপজল ভাইয়ের অতিরিক্ত অংশ চান না, যতটুকু প্রাপ্য, কেবল ততটুকুই চান। তাঁরা ইতিমধ্যে সম্পত্তি আত্মসাতের বিষয়ে মামলা করেছেন, যা এখন কোর্ট বুঝবে।
দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ডিপজলসহ তিন ভাই-বোনদের দুই হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন পারভীন বেগম। তিনি সম্পত্তির বাজারমূল্য ও হিসাব তুলে ধরে বলেন:

মোট সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য: পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

তিন ভাইয়ের অংশ: তিন হাজার কোটি টাকা।

চার বোনের প্রাপ্য অংশ: দুই হাজার কোটি টাকা (প্রতিজনের পাঁচশো কোটি টাকা)।

পারভীন বেগমের অভিযোগ, ডিপজল ভুয়া দলিল দেখিয়ে বলছেন যে বোনেরা সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা এত পাগল না যে টিপ সই দিয়ে তাদের লিখে দেব। এই চল্লিশ বছর সম্পত্তি বাবদ কোথা থেকে কত ভাড়া নিয়েছে আমাদের জানা আছে।”