Home Blog Page 283

বিশেষ সুবিধা নিয়ে আবার স্টকে এলো অপো এ৬ প্রো!

০

বৈশ্বিক স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ড অপো-এর নতুন ফোন অপো এ৬ প্রো এখন আবার বাজারে পাওয়া যাচ্ছে; ডিভাইসটি প্রথম পর্যায়ে ক্রেতাদের বিপুল সাড়া পেয়েছে। ডিভাইসটির প্রথম ব্যাচ খুব অল্প সময়ের মধ্যে পুরো বিক্রি হয়ে যায়, যা বাংলাদেশে অপোর সাম্প্রতিক ইতিহাসে দ্রুততম প্রি-অর্ডার সেলআউটগুলোর মধ্যে অন্যতম।
অপো এ৬ প্রোর বিপুল চাহিদা ও আবারো বাজারে সহজলভ্যতা উদযাপন করতে বিশেষ অফার নিয়ে আসা হয়েছে। ক্রেতারা এখন তাদের প্রিয় ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চরিত্রের নাম কমেন্ট করে একটি বিশেষ ব্যাকপ্যাক জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
এই সেগমেন্টে বেশকিছু শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবন নিয়ে এসেছে অপো এ৬ প্রো। এর আইপি৬৯ রেটিং সহ আন্ডারওয়াটার ভিডিওগ্রাফি সক্ষমতা ব্যবহারকারীদেরকে বৃষ্টি, পানি বা আউটডোর অ্যাডভেঞ্চারে নিখুঁত ও প্রাণবন্ত ভিডিও রেকর্ড করার সুযোগ দেয়। এরকম সুরক্ষা এই সেগমেন্টের ফোনে খুব কমই দেখা যায়, যা এ৬ প্রোকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এক্সপ্লোরারদের জন্য সত্যিকারের যথার্থ ডিভাইস করে তুলেছে।
ডিভাইসটিতে সুবিশাল ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে; সারাদিন স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল এমন ব্যবহারকারীদের জন্য অসাধারণ সহনশীলতা প্রদান করে এটি। এর ৮০ ওয়াট সুপারভুক ফাস্ট চার্জিংয়ের মাধ্যমে ডিভাইসটি কম সময়ে চার্জ হয়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করে। পাশাপাশি, এর রিভার্স চার্জিং প্রযুক্তি এ৬ প্রোকে একটি পোর্টেবল পাওয়ার সোর্সে পরিণত করে, যা ব্যবহারকারীদের অন্যান্য ডিভাইস চার্জ করতে সক্ষম করে তোলে।
দীর্ঘ ব্যবহারের সময় সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে, অপো এতে এর সুপারকুল ভিসি সিস্টেম ব্যবহার করেছে। এই সর্বাধুনিক ভ্যাপর চেম্বার কুলিং গেমিং, ভিডিও রেকর্ডিং বা মাল্টিটাস্কিং করার সময় দক্ষতার সাথে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। এটি ফোনটিকে ঠাণ্ডা ও রেসপনসিভ রাখে, যা ভারি ব্যবহারের সময়ও ব্যবহারকারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
সীমিত সময়ের জন্য অপো এ৬ প্রো’র (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি) মূল্য এখন মাত্র ৩৪,৯৯০ টাকা। অপো ব্র্যান্ড শপ, পার্টনার রিটেইল আউটলেট থেকে ক্রেতারা ডিভাইসটি কিনতে পারবেন। আরও বিস্তারিত জানতে ফেসবুক পেজ

‘শাপলা কলি’ পাওয়ায় দেবিদ্বারে আনন্দ শোভাযাত্রায় এনসিপি

০

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন লাভ ও নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা কলি’ পাওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর নিজ এলাকা কুমিল্লার দেবিদ্বারে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ক‌রে‌ছে দল‌টির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

শনিবার দুপুরে দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকা থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে কু‌মিল্লা-‌সি‌লেট মহাসড়কের প্রায় আট কি‌লো‌মিটার এলাকা প্রদ‌ক্ষিণ ক‌রে দেবিদ্বার হাইস্কুল মাঠে এসে শেষ হয়। এতে মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও পিকআপসহ নানা বাহ‌নে ক‌রে শত শত নেতা-কর্মী বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ও ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত হয়ে অংশ নেন। মিছিলে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের পাশাপাশি দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর ছবি সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন শোভা পায়।

এ সময় ‘এনসিপির মার্কা শাপলা কলি,’ ‘দিল্লি না ঢাকা-ঢাকা ঢাকা, ইনকিলাব জিন্দাবাদ,’ ‘গ্রাম-শহর অলিগলি, জিতবে এবার শাপলা কলি’ শ্লোগা‌নে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

এনসিপির দেবিদ্বার উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন লাভ আমাদের দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন। এটি প্রমাণ করে, জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের স্বার্থে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই আগামী নির্বাচনে ‘শাপলা কলি’ হবে পরিবর্তনের প্রতীক।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির নেতা মো. শামীম কাউসার, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক নাজমুল হাসান নাহিদ, কাজী নাছির উদ্দীন, আরিফুল ইসলাম, ফয়সাল হোসেন, এমরান হোসেন, ফয়সাল মির্জা, জামাল হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র সংসদের নেতা রাকিবুল হাসান হৃদয়, সাজেদুল রাফসান, শাহাদাত হোসেন শ্যামল ও মো. হাসানসহ আরও অনেকে।

সুদানে গণহত্যার তথ্য লুকাতে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলছে আরএসএফ

সুদানে ‘গণহত্যা’র তথ্য লুকাতে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলছে দেশটির আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। দেশটির একটি চিকিৎসা সংস্থা দারফুরে গণহত্যার প্রমাণ গোপন করার জন্য মৃতদেহ পুড়িয়ে বা গণকবরে পুঁতে ফেলার ‘মরিয়া প্রচেষ্টা’করছে বলে আরএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। খবর আল জাজিরার।

সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, গত ২৬ অক্টোবর রক্তাক্ত হামলার পর শহর দখলের পর আধাসামরিক বাহিনী সুদানের পশ্চিম দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশেরের রাস্তা থেকে ‘শত শত মৃতদেহ’ তুলে নিয়ে গেছে। সংস্থাটি বলছে, সশস্ত্র এই গোষ্ঠীর অপরাধ গোপন বা পুড়িয়ে মুছে ফেলা যাবে না।

এল-ফাশেরে যা ঘটেছে তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং আরএসএফের একটি পূর্ণাঙ্গ গণহত্যার আরেকটি অধ্যায়। মৃতদেহ বিকৃত করা, পুড়িয়ে ফেলা বা গণকবর দেওয়া আন্তর্জাতিক ও ধর্মীয় রীতিনীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ধারণা, আরএসএফ এই অঞ্চলের শেষ সুদানি সামরিক ঘাঁটিটি দখল করার পর, এল-ফাশেরে আড়াই লাখের বেশি জনসংখ্যার মধ্যে ৮২ হাজার মানুষই পালিয়ে গেছে। সেখানে গণহত্যা, ধর্ষণ এবং নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে। অনেক বাসিন্দা এখনও আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুদানের রাজধানী খার্তুম থেকে আল জাজিরার হিবা মরগান জানিয়েছেন, আল-ফাশের থেকে উত্তরে আল দাব্বার উদ্দেশে পালিয়ে আসা অনেক লোক রাস্তায় মারা গেছে। কারণ, তাদের কাছে খাবার বা পানি ছিল না, অথবা গুলিবর্ষণের কারণে তারা আহত হয়েছিল।

মরগান বলেছেন, পালিয়ে আসা লোকজন আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, তারা আরএসএফ যোদ্ধাদের পোস্ট করা সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও থেকে তাদের স্বজনদের মৃত্যুর কথা জানতে পেরেছেন। এই গোষ্ঠীটি শহর দখল করার পর থেকে চরম সহিংসতার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

জাতিগত হত্যাকাণ্ড

মরগান রিপোর্ট করেছেন, শহরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেকেই জানতেন না যে তাদের পরিবারের সদস্যদের কী হয়েছে। তারা বিশ্বাস করেন যে, যদি তাদের আত্মীয়রা এখনও এল-ফাশেরের ভেতরে বেঁচে থাকে, তাহলে তারা হয়তো বেশিদিন সেখানে থাকবে না কারণ খাবার ও পানির অভাব… অথবা আরএসএফ তাদের জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে মানুষকে লক্ষ্য করে আসছে।

আরএসএফ, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে, এর উৎপত্তি মূলত আরব, সরকার-সমর্থিত মিলিশিয়া জানজাউইদ থেকে, যাদের বিরুদ্ধে দুই দশক আগে দারফুরে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে জাতিগত সহিংসতার প্রচারণায় আনুমানিক তিন লাখ মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় ২৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের সিলভাইন পেনিকাড এল-ফাশের থেকে পালিয়ে তাওইলা শহরে আসা বেসামরিক নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, পালিয়ে আসা অনেকেই বলেছেন যে, তাদের গায়ের রঙের কারণে হামলা চালানো হয়েছে।

পেনিকাড বলেন, আমার কাছে, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অংশ ছিল লোকজন যখন তাদের জীবন বাঁচাতে দৌঁড়াচ্ছিলেন তখন তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। কেবল কালো হওয়ার কারণে তাদের ওপর আক্রমণ করা হয়। এল-ফাশেরের প্রভাবশালী জাতিগত গোষ্ঠী জাঘাওয়া ২০২৩ সালের শেষের দিক থেকে সেনাবাহিনীর সাথে লড়াই করে আসছে।

এল-ফাশেরের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাসান ওসমান বলেন, কালো ত্বকের বাসিন্দারা, বিশেষ করে জাঘাওয়ার বেসামরিক নাগরিকরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ‘জাতিগত অবমাননা এবং শারীরিক ও মানসিক সহিংসতার শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, যদি আপনার ত্বক ফর্সা হয়, তাহলে তারা আপনাকে ছেড়ে দিতে পারে। এটি সম্পূর্ণরূপে জাতিগত।

সুদানের ‘অকল্পনীয় নৃশংসতা’ চলছে: জাতিসংঘ

গত মাসে সরকারি সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে সুদানের পশ্চিমে দারফুর রাজ্যের এল-ফাশের শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আধা-সামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)।

এরপর থেকেই জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করছে—গণহত্যা, ধর্ষণ ও অন্যান্য গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। এল-ফাশেরের পতনের ১০ দিন পরও থামছে না এসব অভিযোগ। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

এই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় হুশিয়ারি দিয়েছে, ওই অঞ্চলে ‘সহিংস হামলার’ সংখ্যা এখনো বাড়ছে।

অকল্পনীয় নৃশংসতা

গত শনিবার সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে সুদানে নিযুক্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রতিনিধি লি ফুং এক ভিডিওতে বলেন, ‘গত ১০ দিনে এল-ফাশেরে সহিংসতার মাত্রা অনেক বেড়েছে। এটি এখন একটি দুঃখ-দুর্দশার নগরী।’

‘যেসব বেসামরিক মানুষ কোনোমতে গত ১৮ মাসের নিরবচ্ছিন্ন হামলা ও বৈরি পরিবেশের মধ্যে টিকে ছিলেন, তারা এখন অকল্পনীয় মাত্রার নৃশংসতা সহ্য করছেন’, যোগ করেন লি।

তিনি আরও বলেন, ‘নারী, শিশু ও আহতসহ হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। তারা হাসপাতাল ও স্কুলে আশ্রয় নিয়েও প্রাণে বাঁচতে পারেননি। হামলা থেকে পালাতে গিয়ে অনেক পরিবারের সব সদস্য নিহত হয়েছেন। অনেক মানুষের কোনো চিহ্নই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

এমন সময় এই হুশিয়ারি এলো, যখন ত্রাণসংস্থাগুলো বলছে রাজ্যের রাজধানী আল-ফাশের ছেড়ে তাউইলা শহরে পালিয়ে আসা হাজারো মানুষ চরম বৈরি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বেঁচে আছেন।

সুদানস আইডিপি অ্যান্ড রিফিউজি ক্যাম্প নামের মানবাধিকার সংস্থার মুখপাত্র আদম রোজাল বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, এল-ফাশের থেকে পালিয়ে ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষ তাউইলায় এসেছেন।

তাদের অনেকের খাবার, ওষুধ, তাঁবু, কম্বল ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা প্রয়োজন। ত্রাণসংস্থাটির প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, অনেক বাস্তুচ্যুত মানুষ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। কিছু পরিবার ছেঁড়া কাপড়, বিছানার চাদর ও অন্যায় উপকরণ জোড়াতালি দিয়ে তাঁবু বানিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু সেগুলোর অবস্থাও খুবই জীর্ণ।

মার্কিন সরকারের শাটডাউন অবসানের বিল সিনেটে পাস

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দেশটির সরকারের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের শাটডাউন বা অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে সোমবার এক সমঝোতা চুক্তি অনুমোদন করেছে দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেট। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এই অচলাবস্থায় লাখো মানুষ খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে, কয়েক লাখ সরকারি কর্মচারী বেতন পাননি, আর বিমান চলাচল ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

৬০–৪০ ভোটে পাস হওয়া এই প্রস্তাবে প্রায় সব রিপাবলিকান সিনেটর ও আট ডেমোক্র্যাট সিনেটর সমর্থন দেন। যদিও ডেমোক্র্যাটরা সরকারে অর্থায়নের সঙ্গে বছরের শেষে মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া স্বাস্থ্য ভর্তুকি যুক্ত করতে চেয়েছিলেন, সেটি গৃহীত হয়নি। সমঝোতা অনুযায়ী ডিসেম্বর মাসে এই ভর্তুকি নিয়ে ভোট হবে, তবে তা বহাল থাকবে কি না, তার নিশ্চয়তা নেই।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তির মাধ্যমে ১ অক্টোবর মেয়াদোত্তীর্ণ ফেডারেল সংস্থাগুলোর অর্থায়ন পুনরায় চালু হবে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেডারেল কর্মীসংখ্যা কমানোর পরিকল্পনাও অন্তত ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। বিলটি এখন রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস বা প্রতিনিধি পরিষদে যাবে। স্পিকার মাইক জনসন জানিয়েছেন, তিনি বুধবারের মধ্যেই এটি পাস করিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে পাঠাতে চান। ট্রাম্প চুক্তিটিকে ‘খুব ভালো’ বলে প্রশংসা করেছেন।

এই সমঝোতায় সরকারের অর্থায়ন ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হবে। ফলে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার বছরে প্রায় ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার নতুন ঋণ যোগ করে ৩৮ ট্রিলিয়ন ডলারের মোট ঋণের পথে এগিয়ে যাবে।

চুক্তিটি এমন এক সময় হলো, যখন ডেমোক্র্যাটরা নিউ জার্সি, ভার্জিনিয়া এবং নিউ ইয়র্ক সিটিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে জয় পেয়েছে। তবে এই সমঝোতায় ডেমোক্র্যাটদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এতে স্বাস্থ্য ভর্তুকি চালু রাখার কোনো নিশ্চয়তা নেই। সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা ডিক ডারবিন বলেন, ‘আমরা আরও কিছু করতে চেয়েছিলাম। সরকার বন্ধ হওয়াকে আমরা ভালো নীতির পথে নেওয়ার সুযোগ ভেবেছিলাম। কিন্তু সেটা হয়নি।’

রয়টার্স–ইপসসের অক্টোবরের শেষ দিকের এক জরিপে দেখা যায়, ৫০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক শাটডাউনের জন্য রিপাবলিকানদের দায়ী করেন, আর ৪৩ শতাংশ দায় দেন ডেমোক্র্যাটদের।

এর আগে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একতরফাভাবে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় বাতিল করেছেন এবং লক্ষাধিক ফেডারেল কর্মী ছাঁটাই করেছেন, যা কংগ্রেসের আর্থিক ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ হিসেবে সমালোচিত হয়েছে। এতে পূর্বে কংগ্রেস অনুমোদিত ব্যয় আইনও ভঙ্গ হয়েছে। তাই অনেক ডেমোক্র্যাট এখন প্রশ্ন তুলছেন, ভবিষ্যতে এমন কোনো ব্যয় চুক্তিতে তারা কেন ভোট দেবেন।

চুক্তিতে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ ঠেকানোর কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে এতে স্ন্যাপ (SNAP) খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির অর্থায়ন আগামী বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে সরকার আবার বন্ধ হলেও এই সহায়তা ব্যাহত না হয়।

ছাত্রীকে অপহরণ-ধর্ষণ মামলায় নাটোরের সেই প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন

১০ম শ্রেণিপড়ুয়া ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের মামলায় আদালতে দণ্ডিত হয়েছেন নাটোরের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। ধর্ষণের অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ওই ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে আরও ১৪ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে তাকে। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহা. মহিদুজ্জামান রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত ব্যক্তির নাম ফিরোজ আহমেদ। সে নাটোরের একটি উপজেলার বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। রায় ঘোষণার সময় সে আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল। পরে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। জানা গেছে, ২০২২ সালের পহেলা অক্টোবর বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া ওই স্কুলছাত্রীকে বেশি নম্বর দেয়ার কথা বলে অপহরণ করে নিয়ে যায় ফিরোজ আহমেদ। তাকে  রাজশাহীর এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে সে। পরদিন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ফিরোজসহ তিনজনকে আসামি করে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। পুলিশ তদন্ত করে তিনজনের বিরুদ্ধে নাটোরের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ সময় বিচারক দু’জনকে অব্যাহতি দেন। পরবর্তীতে মামলাটি রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুন্সী আবুল কালাম আজাদ বলেন, সমস্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত রায় ঘোষণা করেছেন। এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা সন্তুষ্ট।

শ্যামনগরে বিদেশি অস্ত্র-মাদকসহ গ্রেপ্তার ১

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দেশি-বিদেশি অস্ত্র, মাদকদ্রব্যসহ এক অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে কোস্ট গার্ড। কোস্ট গার্ডের লে. কমান্ডার বিএন সিয়াম-উল-হক জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কৈখালীর সদস্যরা শ্যামনগরের ভেটখালী বাজারসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ব্যবসায়ী বনের ভেতর পালানোর চেষ্টা করলে মামুন কয়াল (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে একনলা বন্দুকসহ আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবন ও সীমান্ত ঘেঁষা কৈখালীর বয়াসিং খালসংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বিদেশি ৯ এমএম পিস্তল, একটি ওয়ান শুটার গান এবং আট রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ড জানায়, মামুন কয়াল দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচার, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।

হলুদের ছোঁয়ায় নিজেকে রাঙালেন স্পর্শিয়া

০
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। তিনি অভিনয় জীবন শুরু করেন ‘প্যারাসুট’ তেলের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। ‘বন্ধু তিন দিন’ শিরোনামের সেই বিজ্ঞাপনটি দর্শকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। এরপর নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব অর্চিতা স্পর্শিয়া। যেখানে জিরে ভালো লাগার বিষয়গুলো ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করে থাকেন। এবার হলুদের ছোঁয়ায় নিজেকে রাঙালেন স্পর্শিয়া।
একগুচ্ছ ছবি ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেছেন স্পর্শিয়া। যেখানে তাকে দেখা যায়, হলুদ শাড়িতে খোলা চুলে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন এ অভিনেত্রী। মিষ্টি হাসি চোখের চাহনি আর আবেদনময়ী লুকে ভক্তদের মনে ঝড় তুলেছেন।
কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা স্পর্শিয়ার রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘চোখ ফেরানো দায়, এত সুন্দর যেন রূপকথার চরিত্র।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ছোটবেলার ক্রাশ এখনও আগের মতো আছে।’
প্রসঙ্গত, অর্চিতা স্পর্শিয়া মডেলিং ও টিভি বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি তিনি নাটকে অভিনয় করেও বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। এয়ারটেল পরিচালিত ‘ইম্পসিবল ৫’ এ অভিনয় করে ২০১৩ সালে অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

 

ফিক্সিংয়ে জড়িত ক্রিকেটারদের বিপিএল খেলা নিয়ে যা বললেন বুলবুল

০
পাঁচ দল নিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বিপিএলের ১২তম আসর। ১৭ নভেম্বর হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট। এরপর আগামী ১৯ ডিসেম্বর বিপিএল শুরু হয়ে ফাইনাল মাঠে গড়াতে পারে ১৬ জানুয়ারি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এমন সম্ভাব্য সূচির কথা জানিয়েছে বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল।
তবে বিপিএল শুরুর আগে আলোচনায় গত আসরের ফিক্সিংয়ে থাকা সন্দেহভাজন ক্রিকেটাররা। তারা কী খেলতে পারবেন এবারের আসরে, ক্রিকেট অঙ্গনে ঘুরছে নানা প্রশ্ন। এ নিয়ে গতকাল কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
এ প্রসঙ্গে বুলবুল জানান, ‘আমরা এক চুলও নড়িনি। কোনো রিপোর্ট গায়েব করে দিয়েছি- সেরকম কিছু নেই। এটার আউটকাম, শাস্তি, মওকুফ- যা আছে তারা নেবে, আমরা তাদের পূর্ণ এখতিয়ার দিয়েছি। একটা কমিটি কাজ করছে। যেহেতু কাজ চলছে, এ সময় আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। নামগুলো তো আমি বলতে পারব না। তবে তারা কাজ করছে।’
পরে জাহানারা ইস্যুতে বিসিবি প্রধান জানান, ‘বিসিবির স্ট্যান্ড জিরো টলারেন্স প্রক্রিয়ার মধ্যেই আছি। ওই টাইম ফ্রেম, ওটার মধ্যে হয়ত পড়ে যাবে। যারা কাজ করছে তাদের আমরা প্রভাবিত করছি না। (নারী ডিরেক্টর বিসিবিতে আসা প্রসঙ্গে) উইমেন ক্রিকেট সবসময় অবহেলিত মনে হয়। ৭ তারিখ প্রেসিডেন্ট হয়ে প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলাম, আমাদের মহিলা ডিরেক্টর নেই, মহিলা উইংয়ে মহিলা নেই। আমাদের টার্গেট আছে। কন্সটিটিউশন চেঞ্জ করার ক্ষমতা আমার নেই। চেঞ্জ করা গেলে আমি খুব খুশি হবো যদি নারী পরিচালক কয়েকজন আসে। আমরা যেসব কোর্স করাব- এক্স্যাক্টলি এই শব্দ ইউজ করেছিলাম- জেন্ডার ইকুইলিটি।’

 

আকুর বিল পরিশোধ, ৩১ বিলিয়নে নামলো রিজার্ভ

০
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
রোববার (৯ নভেম্বর) ১৬১ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মূলত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানি লেনদেন বাবদ গৃহীত পণ্যের অর্থ পরিশোধে এই বিল দেওয়া হয়। আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।
গত মাসে রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। আকুর ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর তা ৩১ বিলিয়নে নেমে এলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি প্রবাহ ভালো থাকায় রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের ইতিহাসে ২০২২ সালের আগস্টে রিজার্ভ উঠেছিল সর্বোচ্চ ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলারে। এরপর আওয়ামী সরকারের সহায়তায় কয়েকটি ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ব্যাপকভাবে অর্থ পাচার করতে থাকে। যার কারণে রিজার্ভে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। প্রতি মাসে রিজার্ভ কমতে কমতে সরকার পতনের আগে গত বছরের জুলাই শেষে তা ২০ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর আর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি না করে অর্থ পাচার রোধে কঠোর হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের মেয়াদোত্তীর্ণ বকেয়া পরিশোধ করার পরও গ্রহণযোগ্য অবস্থায় রয়েছে রিজার্ভ।
সবশেষ চলতি মাসের ৬ নভেম্বর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ ২৮ বিলিয়ন ডলার ছিল।
এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময় প্রকাশ করা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।
প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে ৫ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।

ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, বর্তমান দাম কত?

০
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ৫০৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, সবশেষ গত ১ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৬৮০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ২ নভেম্বর থেকে।
এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭৪ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৫১ বার, আর কমেছে মাত্র ২৩ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।