Home Blog Page 289

চসিকের সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) হিসাব বিভাগে কর্মরত তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সোমবার (৬ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন–২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) চসিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, জাইকার আওতায় সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের সিরাজউদ্দৌলা রোড শাখায় পরিচালিত হিসাব (হিসাব নম্বর–০১০১৮৩৬০০০১০৩) থেকে মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অনুকূলে জমা দেওয়ার জন্য ইস্যুকৃত চেকটি ভাউচার পরিবর্তন করে অন্যভাবে ব্যবহার করা হয়। এতে ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৫২৭ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের বাণিজ্যিক এলাকা কর্পোরেট শাখা, আগ্রাবাদের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।

এছাড়া অপরাধ সংঘটনের সময় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংকের আরও একজন কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের হিসাব বিভাগের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে দুদক।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. ফিরোজ মাহমুদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিষয়টি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগকে জানাতে হবে।

দুদকের ২০২৪ সালের ১৩ জুনের পত্রের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সেই অভিযোগপত্রে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ ঘটনার সময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির চৌধুরী, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (বিল) আশুতোষ দে ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (বাজেট) মাসুদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে দুদক।

ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা ৪৮টি ক্লাবের

বিসিবির নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকেই ক্রিকেটাঙ্গন উত্তপ্ত হয়েছিল। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঢাকার ক্লাব পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংগঠকদের একটা বড় অংশ নির্বাচন বয়কট করেছিল। সেই সঙ্গে দাবি মানা না হলে ঘরোয়া ক্রিকেট বর্জনেরও হুমকি দিয়েছিল তারা। তারই ধারবাহিকতায় বুধবার (৮ অক্টোবর) ঘরোয়া ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দিলেন নির্বাচন বয়কট করা ক্লাবগুলোর সংগঠকরা।
গত শনিবার (৪ অক্টোবর) নির্বাচন পেছানোসহ ৩টি শর্ত দিয়েছিলেন এই সংগঠকরা। একই দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপিও পাঠান তারা। তাদের দাবি–বিসিবি’র বর্তমান (বিগত) নির্বাহী পর্ষদের সময় বাড়িয়ে নির্বাচনের পুনঃতফসিল, বিকল্প হিসেবে অ্যাডহক কমিটির কাছে দায়িত্ব দেওয়া ও পুনঃনির্ধারিত সময়ে নতুন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণ করা।
তাদের দাবিকে উপেক্ষা করেই গত সোমবার (৬ অক্টোবর) বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে নতুন করে সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। প্রতিক্রিয়া জানাতে আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন বিদ্রোহী ক্লাবগুলোর সংগঠকরা। সেখানে মোহামেডানের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান ক্লাবগুলোর পক্ষে সিদ্ধান্ত জানান।
আসন্ন ঘরোয়া মৌসুমে ৪৮টি ক্লাব টুর্নামেন্ট না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া বুলবুলকে অবৈধ সভাপতি বলেও উল্লেখ করেন মোহামেডানের এই কাউন্সিলর। আপত্তি জানান তাদের বিদ্রোহী ক্লাব সংগঠক বলারও।

বিসিবির নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকেই ক্রিকেটাঙ্গন উত্তপ্ত হয়েছিল। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ঢাকার ক্লাব পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংগঠকদের একটা বড় অংশ নির্বাচন বয়কট করেছিল। সেই সঙ্গে দাবি মানা না হলে ঘরোয়া ক্রিকেট বর্জনেরও হুমকি দিয়েছিল তারা। তারই ধারবাহিকতায় বুধবার (৮ অক্টোবর) ঘরোয়া ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দিলেন নির্বাচন বয়কট করা ক্লাবগুলোর সংগঠকরা।
গত শনিবার (৪ অক্টোবর) নির্বাচন পেছানোসহ ৩টি শর্ত দিয়েছিলেন এই সংগঠকরা। একই দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপিও পাঠান তারা। তাদের দাবি–বিসিবি’র বর্তমান (বিগত) নির্বাহী পর্ষদের সময় বাড়িয়ে নির্বাচনের পুনঃতফসিল, বিকল্প হিসেবে অ্যাডহক কমিটির কাছে দায়িত্ব দেওয়া ও পুনঃনির্ধারিত সময়ে নতুন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণ করা।
তাদের দাবিকে উপেক্ষা করেই গত সোমবার (৬ অক্টোবর) বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে নতুন করে সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। প্রতিক্রিয়া জানাতে আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন বিদ্রোহী ক্লাবগুলোর সংগঠকরা। সেখানে মোহামেডানের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান ক্লাবগুলোর পক্ষে সিদ্ধান্ত জানান।
আসন্ন ঘরোয়া মৌসুমে ৪৮টি ক্লাব টুর্নামেন্ট না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া বুলবুলকে অবৈধ সভাপতি বলেও উল্লেখ করেন মোহামেডানের এই কাউন্সিলর। আপত্তি জানান তাদের বিদ্রোহী ক্লাব সংগঠক বলারও।

খালাতো ভাইকে বিয়ে, স্বীকার করে যা বললেন পরীমণি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি প্রায়শই খবরের শিরোনাম হন। অভিনয় জীবনের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চলে ব্যাপক আলোচনা। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের প্রেম ও বিয়ে সংক্রান্ত বিভিন্ন গুঞ্জন নিয়ে অকপটে কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক রুম্মান রশীদ খান পরীমণির কাছে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন।
সঞ্চালকের করা ‘এই মুহূর্তে তুমি কি সিঙ্গেল?’ এই প্রশ্নের জবাবে পরীমণি বলেন, ‘না।’ এরপর কারও সঙ্গে সম্পর্কে আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি উত্তর দেন, ‘জানি না।’ আরও বলেন, ‘শোনেন, আমি যদি নিজেকে সিঙ্গেল বলি, কেউ বিশ্বাস করবে না। আমি নিজেই বিশ্বাস করি না। আমার সামহাউ সারাক্ষণ প্রেম প্রেম ফিল হয় এবং এটা থাকা ভালো।’
পরীমণি কতবার বিয়ে করেছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একবার।’ সঞ্চালক তখন শরীফুল রাজের কথা উল্লেখ করে বাকি বিয়ের গুঞ্জন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি মজা করে বলেন, ‘জানি না। ওরা মনে হয় সৎস্বামী। (হা হা) যাদের সঙ্গে ডিভোর্সটা দেখা যায়নি।’
শরীফুল রাজের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটেছে। রাজের সঙ্গে বিয়েটা ভুল ছিল কিনা—এই প্রশ্নের জবাবে পরীমণি বলেন, ‘না। আমার জীবনে কিছুই ভুল না। সবকিছুই একটা অভিজ্ঞতা।’
অভিনয় ক্যারিয়ার শুরুর আগে পরীমণি তার খালাতো ভাই ইসমাইলকে বিয়ে করেছিলেন। গত বছরের নভেম্বরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইলের মৃত্যুর পর এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। সামাজিক মাধ্যমেও তাদের দুজনের ছবি দেখা যায়।
ইসমাইল কি তার স্বামী ছিলেন—এই প্রশ্নের জবাবে পরীমণি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার সৎস্বামী ছিল।’ এরপর সঞ্চালক জানতে চান, তিনি কতবার বিয়ে করতে চান। এর উত্তরে পরীমণি বলেন, ‘আমার না আসলে ১২টা বিয়ে করার (ইচ্ছা আছে)। ছোটবেলা থেকে আমি মজা করে বলতাম, আমি এক ডজন বিয়ে করব। এটা আসলে রিউমারটা এভাবে স্টাবলিশ হবে—সেটা আমি বুঝি নাই। তাহলে আমি কোনো দিনই বলতাম না।’

 

ডায়মন্ডের দিলীপের ১৫৮ কোটি টাকার সম্পদ, সন্দেহজনক লেনদেন ৯৬৯ কোটি

১৫৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৯৬৯ কোটি টাকার সন্দেভাজন লেনদেনের অভিযোগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও জুয়েলার্স সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৮ অক্টোবর) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদক জানায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দিলীপ কুমার আগারওয়ালা অসাধু উপায়ে ১১২ কোটি ৪৭ লাখ ২৮ হাজার ৪০৭ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া, তার নামে থাকা ৩৪টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৭৫৫ কোটি ৩০ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৩ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা হয়েছে।
এসব লেনদেনের অর্থ তিনি হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আয়ের প্রকৃত উৎস আড়াল করেছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা অনুযায়ী মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
অন্যদিকে দিলীপ কুমার আগারওয়ালার স্ত্রী সবিতা আগারওয়ালা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৭ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও দখলে রেখেছেন। পাশাপাশি ৮টি ব্যাংক হিসাবে ২১৩ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৯২৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধেও একই ধারায় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।  ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি কত?

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ৬ হাজার ৮৩৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৩০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এটি দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৯ হাজার ৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

 

এনসিপি নেতাদের টিভি মালিকানা নিয়ে যা বললেন নুর

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার নতুন দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স পাওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, শুনেছি এনসিপির নেতৃবৃন্দের নামে দুটি গণমাধ্যম অনুমোদন করা হয়েছে। যে দুইজনের নামে হয়েছে, তাদের আমি ভালোভাবে চিনি। তারা নিজের ফ্যামিলি নিয়ে চলতে হিমশিম খাচ্ছে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নুরুল হক নুর বলেন, আমি একটি দলের প্রধান, কিন্তু ৫ আগস্টের পরে যেখানে ছিলাম ওখানেই আছি। তারা অনেকে আমার সহকর্মী ছিলেন। ছোট একটা পত্রিকায় চাকরি করেন। অত ভালো বেতনও না। মেইনস্ট্রিম মিডিয়া বলতে আমরা যা বুঝি, সেখানেও কেউ কাজ করেন না। কোত্থেকে কীভাবে কী দেওয়া হয়, সেটা আমি জানি না। এটা আমি খুব অবাক হয়েছি। এটার মধ্যে দিয়ে এ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যে অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতমূলক মনোভাব রয়েছে, সেগুলো বোধহয় প্রকাশ পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুরুর দিকে যেভাবে অ্যাকশন দেখিয়েছিল। বিশেষ করে মানুষকে যেভাবে একটা শৃঙ্খলায় নিয়ে আসার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারের কাছে আমরা সেটা দেখিনি। এই সরকারের সময় আমরা দেখেছি পুরনো স্টাইলে ভাগ-বাটোয়ারা, নিয়ন্ত্রণ, লোকজন বসানো ও প্রতিষ্ঠান দখল এগুলো চলছে। ৫ আগস্টের পরে অনেক গণমাধ্যম দখল হয়েছে। এগুলো আমরা এই সরকার দ্বারা প্রত্যাশা করিনি। এই সরকারে যারা আছেন, তাদের এর দায় নিতে হবে।
উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। চ্যানেল দুটির নাম ‘নেক্সট টিভি’ ও ‘লাইভ টিভি’। এর মধ্যে নেক্সট টিভির লাইসেন্স পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিন। তিনি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি একটি ইংরেজি দৈনিকের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। এনসিপি গঠিত হওয়ার পর তিনি দলটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হন।
লাইভ টিভির লাইসেন্স পেয়েছেন আরিফুর রহমান নামের আরেকজন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে ছয় বছর আগে পড়াশোনা শেষ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি একটি ইংরেজি দৈনিকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ছিলেন। তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে এনসিপিতে যোগ দেননি।

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব

ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন।
বুধবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত আছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপার্সনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া আছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ।
দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিএনপির কূটনৈতিক উইংয়ের এক সদস্য জানিয়েছেন, বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরবেন।

 

তুর্কি ড্রামা ‘কুরলুস উসমান’ দেখে ইসলাম গ্রহণ করলেন নারী

জনপ্রিয় তুর্কি ড্রামা ‘কুরলুস উসমান’ দেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন স্কটল্যান্ডের এক নারী। ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে তৈরি ড্রামাটি নির্মাণ করেছে বোজদাগ ফ্লিম।
সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) জানিয়েছে, বোজদাগ ফ্লিম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জুলিয়েটা লোরেঞ্জা মার্টিনেজ নামে এ নারী ড্রামা সিরিজটি দেখার সময় তুরস্কের সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন।
আর এই আকর্ষণ থেকে তিনি আরও গবেষণা শুরু করেন। যা তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে প্রভাবিত করে।
বার্তাসংস্থা আনাদোলুকে এই নও মুসলিম বলেছেন, “করোনা মহামারির সময় আমি তার্কিস টিভি দেখা শুরু করি। কারণ কুরলুস উসমানের গল্প, ইতিহাস এবং ইসলাম নিয়ে তথ্য আমার খুবই ভালো লেগেছিল। ইসলাম নিয়ে এরআগে আমি এত কিছু জানতাম না।”
“এসব বিষয় আমাকে কোরান পড়তে উদ্বুদ্ধ করে। উসমান দেখার দুই বছর পর, আমি শাহাদা পাঠ করে মুসলিম হই।”— যোগ করেন মার্টিনেজ।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল সফর করেন। সেখানে তিনি বোজদাগ ফ্লিমের সেট, ড্রামাটির দৃর্শ্যধারণের স্থান এবং কায়ি উপজাতি ক্যাম্প ঘোরেন। যা ড্রামাটিতে দেখানো হয়েছে।
তুরস্কে যাওয়াকে নিজের জন্য একটি ‘আবেগঘন সফর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। এ নারী বলেছেন, “আমি যেন নতুন জীবন পেয়েছি। আমি এ জীবনকে খুবই ভালোবাসি।”
তার্কিস এ ড্রামা সিরিজ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকে দেশেই এটি ভাষান্তর করে প্রচার করা হয়েছে। এতে অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা এবং এটির সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

ইসরাইল ও হামাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এ চুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।
ট্রাম্প জানান, চুক্তির অধীনে সব জিম্মিদের শিগগিরই মুক্তি দেওয়া হবে এবং ইসরাইল তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে।
প্রথম ধাপে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী গাজায় জিম্মি ২০ জন জীবিত ইসরাইলি বন্দি এবং ২৮ জনের মরদেহ ফেরত দেবে।
এর বিনিময়ে ইসরাইল এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি দেবে—যাদের মধ্যে অনেকেই ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে আটক।
চুক্তিটি মিশরের শারম-আল-শেখে তিন দিনের পরোক্ষ আলোচনার পর সম্পন্ন হয়। আলোচনায় কাতার, তুরস্ক, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমি গর্বিত যে ইসরাইল ও হামাস উভয়েই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সই করেছে। এটি আরব ও মুসলিম বিশ্ব, ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন।
তিনি আরও বলেন, গাজা পুনর্নির্মিত হবে, মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে চলবে—একটি নতুন বিশ্ব শুরু হবে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, আজ (বুধবার) ইসরাইলের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। আগামীকাল আমি সরকারকে আহ্বান করবো চুক্তি অনুমোদনের জন্য এবং আমাদের জিম্মিদের ঘরে ফেরাতে।
হামাস এক বিবৃতিতে কাতার, মিশর, তুরস্ক ও ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে ধন্যবাদ জানায় এবং ইসরাইলকে চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের জনগণের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না—আমরা স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাবো।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেন, এটি দুই রাষ্ট্র সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি কাতার, মিশর, তুরস্ক ও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং গাজা ও পশ্চিম তীরের সংযোগ পুনঃস্থাপনের ওপর জোর দেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধের অবসান, বন্দি বিনিময় ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়ে সব দফা ও বাস্তবায়ন কাঠামোতে চুক্তি হয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেন, আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখিয়েছেন। আমরা চুক্তি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করবো এবং ১৯৬৭ সালের সীমারেখায় স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগ্রাম চালিয়ে যাবো।
সৌদি আরব আশা প্রকাশ করেছে যে চুক্তিটি গাজাবাসীর মানবিক কষ্ট লাঘবে এবং ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহারে সহায়ক হবে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘মাসের পর মাস দুর্ভোগের পর এই চুক্তি একটুখানি আশার আলো।’ তিনি সব পক্ষকে এই সুযোগ কাজে লাগাতে আহ্বান জানান।
ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, মস্কো চুক্তির প্রথম ধাপকে সমর্থন করছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতাকারীদের প্রশংসা জানাচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, এটি আশার এক আলো—আট দশকের সহিংসতা ও সন্ত্রাসের পর এখনই সময় এই চক্র ভাঙার।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, আমি যুদ্ধবিরতি ও বন্দিমুক্তি চুক্তি স্বাগত জানাই। এখন জরুরি হলো মানবিক সহায়তা ও নিরবচ্ছিন্নভাবে গাজায় প্রবেশ নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, এই চুক্তি যেন দুই রাষ্ট্র সমাধানের পথে স্থায়ী শান্তির সূচনা হয়।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, এই চুক্তি যুদ্ধের সমাপ্তি এবং রাজনৈতিক সমাধানের সূচনা ঘটাবে। ফ্রান্স এ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, চুক্তির বাস্তবায়ন বিলম্ব ছাড়াই সম্পূর্ণভাবে হতে হবে এবং গাজায় মানবিক সহায়তার ওপর সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ গৃহীত হওয়ায় আমরা স্বাগত জানাই। এটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

নতুন গণমাধ্যমের অনুমতি দেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা

নতুন গণমাধ্যমের অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
বুধবার বিকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মাহফুজ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি হলো কোনো গণমাধ্যম বন্ধ করা হবে না। যেহেতু কোনো গণমাধ্যম বন্ধ হচ্ছে না, তাই নতুন গণমাধ্যমের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এটি আগের নিয়ম অনুযায়ী করা হবে।
তিনি আরও বলেন, যদি নতুন আইনে গণমাধ্যমের অনুমতি দিতে পারতাম, তবে সেটি সবচেয়ে সুখকর হতো। কিন্তু নতুন আইন প্রণয়ন করতে গেলে, এ সরকারের আমলে কোনো নতুন গণমাধ্যম আসতে পারবে না।
নতুন গণমাধ্যম এলে প্রতিযোগিতা বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইতোমধ্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার যে প্রক্রিয়ায় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনের (টিভি) লাইসেন্স দিত, সেই একই প্রক্রিয়ায় নতুন দুটি টিভির অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। চ্যানেল দুটির নাম ‘নেক্সট টিভি’ ও ‘লাইভ টিভি’।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন নেক্সট টিভির অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি ‘৩৬ মিডিয়া লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার করাতিটোলা লেন। ‘৩৬ মিডিয়া লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মো. আরিফুর রহমান তুহিন।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এই টিভি চ্যানেলের পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন বগুড়ার বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম হাফিজুর রহমানের ছেলে এ কে এম গোলাম হাসনাইন। তিনি সৌদি আরব প্রবাসী এবং সৌদি আরব (পূর্বাঞ্চল) বিএনপির সভাপতি।
অন্যদিকে, ‘লাইভ টিভি’ অনুমোদন পেয়েছে গত ১৪ জুলাই। আরিফুর রহমান নামের আরেকজন এই টিভির মালিকানায় রয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠানের নাম ‘মিনার্ভা মিডিয়া লিমিটেড’। ঠিকানা ১৪৩ নম্বর সড়ক, গুলশান-১। আরিফুর রহমান জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে এনসিপিতে যোগ দেননি বলে জানা গেছে।
বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ৫০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল রয়েছে। এর মধ্যে পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে মাত্র ৩৬ প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ১৪টি সম্প্রচারের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদিত আইপি টিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন) রয়েছে ১৫। টিভি চ্যানেলের আরও কিছু আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে বেশ কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয়। এগুলো হলো জাতীয় পরিচয়পত্র, আর্টিকেল অব মেমোরেন্ডাম (প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র), সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন, ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর সনদ, ব্যাংক সলভেন্সি সনদ, প্রকল্প প্রস্তাব এবং চ্যানেল চালানোর সামর্থ্য আছে মর্মে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা।
আবেদন করার পর তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। বেসরকারি টিভি লাইসেন্স পাওয়ার পর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছ থেকে ‘ফ্রিকোয়েন্সি ক্লিয়ারেন্স’ নিতে হয়। মূলত সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের ‘সবুজ সংকেত’ থাকলেই তরঙ্গ পাওয়া যায়।