Home Blog Page 292

এবার ১০ লাখ সরকারি চাকরিজীবীর ভোটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে : সিইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দায়িত্ব পালন করা প্রায় ১০ লাখ সরকারি চাকরিজীবীর ভোটের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

আজ (সোমবার) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সাথে সংলাপে শুভেচ্ছা বক্তব্যে এ কথা জানান সিইসি। সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে সিইসি বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২১ লাখ মৃত ভোটার========= চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের অনেকেই আগে ভোট দিয়ে যেত।

‎এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনে। গণমাধ্যমের সহযোগিতা ছাড়া লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও নির্বাচনের অনূকূল পরিবেশ তৈরি সম্ভব নয়। এজন্য সকলের সহযোগিতা চাই। এআই-এর অপব্যবহার রোধে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকা রাখতে হবে। এ ছাড়া প্রবাসী, নির্বাচনে যারা দায়িত্ব পালন করেন, সেসব সরকারি চাকরিজীবীদের ভোটের ব্যবস্থা আমরা করবো। প্রায় ১০ লাখ সরকারি চাকরিজীবীকে ভোটের আওতায় নিয়ে আসা হবে এবার। সবাইকে সাথে নিয়ে স্বচ্ছভাবে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চাই। আয়নার মতো স্বচ্ছ করে এই নির্বাচন করতে চাই।

সকাল সাড়ে ১০টায় টিভি মিডিয়া এবং দুপুর আড়াইটায় পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে বসবে সংস্থাটি। দু’দফায় প্রায় ৫০ জনের মতো গণমাধ্যম প্রতিনিধির সংলাপে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

আগামীকাল ৭ অক্টোবর নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে৷ এরপর জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিকদলগুলোর সঙ্গেও বসবে ইসি। ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সংলাপে উঠে আসা মতামত তার কমিশন বাস্তবায়ন করবে।

এর আগে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোটের সংলাপ শুরু করে ইসি। ওইদিন সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবি ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সংলাপ শুরুর দিন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অর্ধেকেরও বেশি সুশীল ও বুদ্ধিজীবী অংশ নেয়নি।

রোজা শুরু হতে বাকি আর কত দিন, জানালেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

পবিত্র রমজান মাসের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান শুরু হবে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) থেকে। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির প্রাথমিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী এখন আমরা রমজানের থেকে ঠিক ১৩৯ দিন দূরে আছি। খবর গালফ নিউজের।
সংস্থার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, নতুন চাঁদ জন্ম নেবে ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ০১ মিনিটে (ইউএই সময়)। তবে ওইদিন সূর্যাস্তের মাত্র এক মিনিট পরই চাঁদ অস্ত যাবে, ফলে সেই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না। এ কারণে রমজানের প্রথম দিন হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ধরা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে সরকারি চাঁদ দেখার কমিটি।
তিনি আরো জানান, আবুধাবিতে রমজানের শুরুতে রোজার সময়কাল হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট, যা ধীরে ধীরে বেড়ে মাসের শেষে হবে ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিট। দিনের আলো শুরুর দিকে থাকবে প্রায় ১১ ঘণ্টা ৩২ মিনিট, আর মাস শেষে তা বাড়বে ১২ ঘণ্টা ১২ মিনিট পর্যন্ত।
আবহাওয়ার দিক থেকে শুরুতে আবুধাবিতে উত্তর দিকের শীতল বাতাসের প্রভাবে তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। তবে রমজানের শেষের দিকে যখন বসন্তকালীন আবহাওয়া শুরু হবে এবং পশ্চিমা বাতাস বইতে শুরু করবে তখন তা বাড়তে বাড়তে দাঁড়াবে ১৯ ডিগ্রি থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আল জারওয়ান আরো উল্লেখ করেন, পুরো রমজান মাস জুড়েই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং গড়ে ১৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

সংসারের দৈনন্দিন খরচ কমানোর সেরা যত উপায়

দুর্মূল্যের এই বাজারে সংসারের বাজেট মেলানো দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। মাছ-মাংস, শাকসবজি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারই হিমশিম খাচ্ছে। তবে একটু সচেতনতা, পরিকল্পনা ও জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনলেই খরচ কমানো সম্ভব
সব খরচের তালিকা
আপনি হয়তো প্রতিদিন একাধিকবার ১০০ টাকা খরচ করছেন। কিন্তু, ভাবেন ‘মাত্র ১০০ টাকা, খুব বেশি নয়’। তবে, আপনার ধারণা পাল্টে যাবে যদি আপনি এই কৌশলটি অবলম্বন করেন। প্রতিদিন যতবার ১০০ টাকা খরচ করছেন তা লিখে রাখুন। পুরো মাসজুড়ে এটি করুন। তারপর মাস শেষে একবার পুরো খরচ যোগ করে দেখুন, আপনি অবাক হয়ে যাবেন। কারণ, মাস শেষে আপনার মাত্র ১০০ টাকা খরচের যোগফল কিন্তু বেশ বড়ই হবে। এই বিষয়টি আপনাকে অনেক খরচ কমাতে সহায়তা করবে। আপনি অদরকারি খরচের খাত চিহ্নিত করতে পারবেন।
বাইরের কফি বাদ
আপনি হয়তো নিয়মিত বাইরে কফি পান করেন। কিন্তু, এটা বাদ দিতে পারেন। তাহলে আপনার খরচ কমে যাবে। প্রয়োজনে বাসায় কফি বানান। তারপর তা একটি ফ্লাস্কে ভরে কর্মস্থলে নিয়ে যান। আপনি যদি সত্যিই ব্যয় কমাতে চান তাহলে এই অভ্যাসটি খুবই জরুরি। এতে প্রতিমাসে আপনার খরচ কমবে।
সাইকেলে বা হেঁটে কর্মস্থলে যাওয়া
আপনার কর্মস্থল যদি বাসার কাছাকাছি হয়। তাহলে হেঁটে বা সাইকেল চালিয়ে কর্মস্থলে যেতে পারেন। এই অভ্যাস খরচ কমানোর জন্য খুবই কার্যকরী উপায়। আবার একইসঙ্গে আপনার জন্য ব্যায়ামও হয়ে যাবে, আপনি ফিট থাকবেন।
ব্র্যান্ডের পণ্য এড়িয়ে চলা
সংসারের প্রয়োজনীয় অনেক জিনিস আমরা ব্রান্ড থেকে কিনে থাকি। কিন্তু, খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে ব্রান্ডের পণ্য আর সাধারণ পণ্যের স্বাদে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তাই ব্র্যান্ডিংয়ে প্রলুব্ধ হবেন না। আপনি হয়তো ব্রান্ডের জুস বা প্রক্রিয়াজাত অন্যান্য খাবার কিনছেন। অথচ চাইলেই এগুলো বাসাতে বানানো যায়। তাহলে শুধু শুধু এজন্য কেন অতিরিক্ত টাকা খরচ করবেন?
বাসার খাবার খাওয়া
আমরা অনেক সময় বাইরের খাবার খাই। কিংবা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ব্যয়বহুল কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে যাই। কিন্তু, কখনো ভেবে দেখেছেন এজন্য প্রতিমাসে আপনাকে অতিরিক্ত কতগুলো টাকা খরচ করতে হয়। তাই এই অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। কোনো বিশেষ কিছু খেতে ইচ্ছে হলে চেষ্টা করুন বাসায় রান্না করে খাওয়ার। এতে খরচ সাশ্রয় হবে আবার পরিবারের সবার সঙ্গে সম্পর্কটাও মজবুত হবে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা
আমার অনেকেই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে সচেতন না। অথচ আমাদের সংসারের প্রতিমাসের নিয়মিত খরচের দুটি খাত গ্যাস ও বিদ্যুৎ। তাই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহারে খুব সচেতন হতে হবে। তাহলে এখান থেকেও সংসারের কিছু খরচ কমাতে পারবেন।
দামি পানীয় এড়িয়ে চলা
দামি কোল্ড ড্রিংকস ও সফট ড্রিংকস পান করা অনেকের নিয়মিত অভ্যাস। অথচ, এগুলোর কার্যত কোনো উপকার নেই। সহজ কথায় বলতে গেলে এগুলো এক ধরনের অপচয়। তাই এই অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তাহলে এই খাত থেকেও বেশ কিছু খরচ কমানো সম্ভব হবে। আসল কথা, যে জিনিসের কোনো সুবিধা নেই তার পেছনে অর্থ ব্যয় করার কোনো মানে হয় না।
পুরনো জিনিস বিক্রি
সংসারে এমন অনেক জিনিস থাকে যেগুলো কাজে লাগে না। ঘরের এক কোণে পড়ে থাকে। পুরনো হয়ে যাওয়ায় এই জিনিসগুলো ব্যবহার করা হয়ে ওঠে না। কিংবা হয়তো ব্যবহারের দরকার হয় না। কিন্তু, যে জিনিসটা আপনার জন্য অদরকারি, সেটা অন্য কারো কাছে বেশ দরকারি হতে পারে। তাই পুরনো অদরকারি জিনিসগুলো বিক্রি করে দিন। তাহলে সেখান থেকে কিছু অর্থ আসবে। আজকাল পুরনো জিনিস অহরহ বিক্রি হচ্ছে। পুরনো জিনিস কেনাবেচার অনেকগুলো অনলাইন প্লাটফর্মও আছে।
অনলাইন সাবসক্রিপশন কমানো
আধুনিক সময়ে আমরা বিনোদনের জন্য অনেকে অনলাইন প্লাটফর্মের সাবসক্রিপশন নিয়ে থাকি। কিন্তু, সেসব প্লাটফর্মে মুভি, ড্রামা বা অন্যকিছু দেখা হয় না। তাই এসব প্লাটফর্ম আনসাবসক্রাইব করে নিন। তাহলে এখান থেকে প্রতিমাসে কিছু টাকা কমাতে পারবেন। যা আপনার সংসার খরচ যোগাতে সহায়ক হবে।
ব্যয়বহুল ক্লিনিং পণ্যের ব্যবহার কমানো
চাইলেই বাসাতে অনেক পরিষ্কারপণ্য তৈরি করা সম্ভব। যেমন- ড্রেন পরিষ্কার করতে ভিনেগার ও বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। আবার সাধারণ দাগ, ফ্রিজ বা জানালার গ্লাস পরিষ্কার করতে লেবুর রস ব্যবহার করা যায়। তাহলে এসবের জন্য শুধু শুধু বিলাসবহুল পরিষ্কারপণ্য ব্যবহার করার দরকার নেই। এখান থেকে সংসারের খরচ কিছুটা হলেও কমবে।
বিলাসবহুল সৌন্দর্যপণ্য এড়িয়ে চলা
ত্বকের বলিরেখা থেকে মুক্তি পেতে এবং ত্বক সুন্দর রাখতে আমরা দামি ক্রিম ব্যবহারে প্রলুব্ধ হয়ে থাকি। কিন্তু, বাস্তবে ত্বকের প্রয়োজন হলো একটি ভালো ডায়েট। দরকার প্রচুর পরিমাণে পানি ও হাইড্রেশন। এজন্য ব্যয়বহুল ক্রিমের পরিবর্তে বাদাম বা নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এতে ত্বক ভালো থাকবে আবার সংসারের খরচও কমবে।
জিমের সদস্যপদ বাতিল করা
ব্যায়াম বা ওয়ার্কআউটের জন্য জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। জিমের পরিবর্তে সাইকেল চালিয়ে, পার্কে হেঁটে ও দৌড়িয়ে কিংবা বাড়িতে ভারোত্তোলন করে ব্যায়াম করতে পারেন। আবার যারা জিম ছাড়তে চান, তাদের নিয়ে একটি গ্রুপ গঠন করতে পারেন। তারপর তাদের সঙ্গে বাইরে নিয়মিত ওয়ার্কআউট সেশন করতে পারেন। তাহলে ফিট থাকার জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হবে না।
কার্ডে নয়, নগদ লেনদেন
প্রতি সপ্তাহে খরচের জন্য নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করুন এবং শুধু সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করুন। তবে, অবশ্যই নগদ টাকা খরচ করবেন। কারণ কার্ডে লেনদেন করলে আপনি নিজেও জানতে পারবেন না কত টাকা খরচ করে ফেলছেন। তাই কার্ড নয় নগদ লেনদের করুন। তাহলে সহজে বুঝতে পারবেন কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। যা আপনাকে খরচের ব্যাপারে সাবধানী হতে সহায়তা করবে।
অফারে নজর দেবেন না
এটা কিনলে ওটা ফ্রি, চলছে বিরাট ছাড়—এমন নানা বিজ্ঞাপন আমাদের চোখের সামনে আসে। কখনো কখনো অনেক প্রতিষ্ঠান মুঠোফোনে খুদে বার্তাও পাঠায়। অনেক সময় অফারের ফাঁদে পড়ে আমরা অপ্রয়োজনীয় জিনিসও কিনে ফেলি। এ ধরনের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে নোটিফিকেশনগুলো বন্ধ করে দিন, পেজগুলো আনফলো করুন। আর যদি এসব করতে না চান, তাহলে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ান।
খাবারের ব্যয় কমান
খেয়াল করে দেখবেন, আমাদের একটা বড় অঙ্কের টাকা চলে যায় খাবার কেনার পেছনে। অনেক সময় রেস্তোরাঁ বা সুপার শপে গিয়ে একটু বেশিই খরচ হয়ে যায়। মজার খাবারের লোভ সামলানোও কঠিন বটে। তাই খাবারদাবারের পেছনে নির্দিষ্ট বাজেট নির্ধারণ করে রাখুন। প্রচণ্ড ক্ষুধা নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে যাবেন না। কারণ, ক্ষুধার্ত অবস্থায় অনেক সময় আমরা অনেক বেশি অর্ডার করে ফেলি, সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করি। অল্প কিছু খেয়ে নিয়ে আগে ক্ষুধা নিবারণ করুন।
ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড বাসায় রেখে যান
যতটুকু প্রয়োজন, শুধু ততটুকু নগদ টাকাই সঙ্গে নিন। কোনো ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সঙ্গে রাখবেন না। তাহলে যতই প্রলুব্ধ হোন না কেন, দিন শেষে আপনাকে খরচ না করেই বাড়ি ফিরতে হবে। একান্তই যদি প্রয়োজনীয় কিছু কেনার পরিকল্পনা থাকে, তাহলেই কার্ড সঙ্গে নিন।
আয়ের কষ্ট মাথায় রাখুন
হঠাৎ কিছু কেনার ইচ্ছা হতেই পারে। তখন ভাবুন, এই পরিমাণ টাকা আয় করতে আপনাকে কত ঘণ্টা কাজ করতে হবে। ধরা যাক, ঘণ্টায় আপনি ২০০ টাকা আয় করেন। তাহলে দুই হাজার টাকা আয় করতে কষ্ট করতে হয়েছে ১০ ঘণ্টা। অতএব হুট করে দুই হাজার টাকার কিছু কেনার আগে এই হিসাবটা মাথায় রাখুন। এই ভাবনা আপনাকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে নিরুৎসাহিত করবে।
ঋণ বা সঞ্চয়ে মন দিন
ঋণ করে কিনলে বা সঞ্চয় থেকে খরচ হলে সেটা পূরণ করতে কত দিন সময় লাগতে পারে, হিসাব করুন। নিজের জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। ধরা যাক, আপনি ২০ হাজার টাকা জমিয়েছেন। মনে মনে ঠিক করুন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা জমাবেন, এক বছরের মধ্যে এক লাখ টাকা জমাবেন। এভাবে ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোতে থাকুন। প্রয়োজনে আপনার লক্ষ্যটা লিখে মানিব্যাগে রাখুন। যেন মানিব্যাগ খুললেই লক্ষ্যটা মনে পড়ে।
সময় নিন
হুট করে শখের কিছু কিনে ফেলবেন না। সময় নিন। কেনার আগ্রহ মনে নিয়ে অন্তত এক রাত ঘুমান। হতে পারে, ঘুম থেকে ওঠার পর একই পণ্য আপনার কাছে আর অতটা আকর্ষণীয় লাগবে না।
পুরোনো সরিয়ে নতুন আনুন
যদি নতুন কিছু কিনতে চান, দেখুন আপনার কোনো অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করতে পারেন কি না। এতে খরচের কিছুটা উঠে আসবে। এখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সহজেই পুরোনো জিনিস বিক্রি করা যায়।
তালিকার বাইরে যাবেন না
বাজারে যাওয়ার আগে সব সময় প্রয়োজনীয় জিনিসের একটি তালিকা তৈরি করুন। আকর্ষণীয় কিছু চোখে পড়লেও তালিকার বাইরে কিছু কিনবেন না।
নিজেকে চ্যালেঞ্জ করুন
অল্প বাজেটেই আড্ডা দেওয়া বা ঘুরতে যাওয়ার ব্যাপারে সচেষ্ট থাকা গুরুত্বপূর্ণ। হতে পারে বাড়ির ছাদেই আয়োজন করলেন ছোটখাটো পিকনিক বা বসার ঘরকেই বানিয়ে ফেললেন ছোটখাটো থিয়েটার, বন্ধুদের নিয়ে দেখলেন কোনো ছবি। এভাবে বড় আয়োজনগুলোর পরিসর ছোট করে আনুন।
খুচরা পয়সা জমান
বাড়িতে একটি মাটির ব্যাংক থাকলে অনেক সময় টাকা জমানো সহজ হয়। খুচরো টাকাগুলো মানিব্যাগে নিয়ে না ঘুরে মাটির ব্যাংকে জমা রাখুন। এতে বড় নোট ভাঙানোর প্রবণতা কমবে।
 ‘শূন্য খরচের দিন’
সপ্তাহে এক দিন বা দুদিনকে বানান ‘শূন্য খরচের দিন’। অর্থাৎ ওই নির্দিষ্ট দিনে আগে নির্ধারিত বাজেটের বাইরে কোনো টাকা ব্যয় করবেন না। সম্ভব হলে পুরোটা দিন কোনো খরচ না করে কাটান। হেঁটে গন্তব্যে যান। বাড়িতে যা কিছু আছে, তা দিয়েই খাবার বানান।

 

ওজন কমাতে চান? এই ৩ কাজ করুন

আপনি কি নানাভাবে চেষ্টা করেই যাচ্ছেন, কিন্তু ওজন কমছে না? কিছুদিন এক রুটিনে থেকে বিরক্ত হয়ে তা ছেড়ে দিচ্ছেন? যারা ওজন কমাতে চান, তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে মৌলিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন। জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে এক মাসের মধ্যে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ৩ কেজি ওজন কমানো সম্ভব। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
প্রোটিন সমৃদ্ধ সকালের নাস্তায়
প্রোটিন সমৃদ্ধ সকালের নাস্তা দিয়ে দিন শুরু করেন তা সারাদিনের শক্তি জোগাতে কাজ করে। প্রোটিনের কারণে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, যার ফলে পরে বেশি খাওয়ার ভয় থাকে না। ডিম, টক দই এবং ফলের সঙ্গে প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে খেতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সকালের নাস্তায় প্রোটিন খেলে তা বিপাকীয় কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, একইসঙ্গে শরীরের টিস্যুতে চর্বি ভাঙন ত্বরান্বিত করে। স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে যা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকে বিরত রাখে।
পর্যাপ্ত হাইড্রেশন
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে সাহায্য করবে। মানবদেহ তার বিপাকীয় হার বাড়াতে পানি ব্যবহার করে, যার ফলে ক্যালোরি পোড়ানোর দক্ষতা উন্নত হয়। খাবারের আগে এক গ্লাস পানি পান করলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত খাওয়া রোধ করে। হাইড্রেশন ভালো হজম করতে সাহায্য করে এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদনের জন্য শরীরকে শক্তি সরবরাহ করে। আপনার প্রতিদিনের পানি গ্রহণ ৮ গ্লাসে পৌঁছানো উচিত, অন্যদিকে ক্যালোরি গ্রহণ এড়াতে সমস্ত চিনিযুক্ত পানীয়ের পরিবর্তে কেবল বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত।
নিয়মিত ব্যায়াম
শারীরিক ব্যায়াম ওজন কমানোর জন্য একটি মৌলিক উপাদান হিসেবে কাজ করে, সেইসঙ্গে সুস্থতা বজায় রাখে। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ দীর্ঘ জিম সেশনের প্রয়োজন ছাড়াই ওজন হ্রাস করে। জাম্পিং জ্যাক এবং প্ল্যাঙ্কের মতো ঘরোয়া ব্যায়াম, হাঁটা এবং সাইকেল চালানো, পেশী ভর তৈরি করার সময় ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে। সকালের ব্যায়াম সারা দিন রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ফাইভজি ফোন এখন বাংলাদেশে

বৈশ্বিক উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করল পোভা ফাইভজি সিরিজ। রাজধানীর উত্তরায় সেন্টারপয়েন্টে টেকনো ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে আয়োজিত গ্র্যান্ড অনুষ্ঠানে সিরিজের তিনটি নতুন মডেল— পোভা ৭ প্রো ফাইভজি, আলট্রা–স্লিম পোভা স্লিম ফাইভজি ও প্রিমিয়াম পোভা কার্ভ ফাইভজি—একসঙ্গে বাজারে আনা হয়।
পোভা ফাইভজি সিরিজ : বর্ন টু বি ইউনিক
টেকনোর নতুন লাইনআপের ট্যাগলাইন “বর্ন টু বি ইউনিক”। প্রতিটি ডিভাইসেই রয়েছে দ্রুতগতির ফাইভজি কানেক্টিভিটি, ইউনিক ডিজাইন ও সর্বাধুনিক এআই পারফরম্যান্স। ফলে শুধু লুকস নয়, পারফরম্যান্সেও স্মার্টফোনগুলো আলাদা অভিজ্ঞতা দেবে।
আইস্মার্টু টেকনোলজি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন, “বাংলাদেশ যখন ফাইভজি যুগে প্রবেশ করছে, তখন উদ্ভাবনের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করবে এমন ডিভাইস আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পোভা ফাইভজি সিরিজের মাধ্যমে আমরা ব্যবহারকারীদের জন্য এআই–নির্ভর বুদ্ধিমত্তা, নেক্সট–লেভেল পারফরম্যান্স ও অনন্য ডিজাইন নিয়ে আসতে চাই, যা স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করবে।”
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি : গেমিং ও এআই–এর সমন্বয়ে পাওয়ারহাউস
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি এসেছে ইন্টারস্টেলার স্পেসশিপ ডিজাইন ও স্ট্যাটাস লাইট ফিচারসহ, যা গেমিং ও নোটিফিকেশনের সময় আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়।
প্রসেসর: ডায়মেনসিটি ৭৩০০ আল্টিমেট ফাইভজি প্রসেসর।
ডিসপ্লে: ৬.৭৮ ইঞ্চির অ্যামোলেড, ১৪৪ হার্জ, ১.৫কে রেজোলিউশন (কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই সুরক্ষিত)।
ব্যাটারি: ৬০০০ এমএএইচ, ৪৫ ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জ, ৩০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জ।
অতিরিক্ত: বক্সে ফ্রি ওয়্যারলেস ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক।
এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে এআই–নির্ভর স্মার্ট ফিচার যেমন এআই রাইটিং, কল অ্যাসিস্ট্যান্ট, সার্কেল টু সার্চ ও এআই স্টুডিও।
পোভা স্লিম ফাইভজি : বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ৫জি ফোন
টেকনো জানিয়েছে, পোভা স্লিম ফাইভজি হলো বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম থ্রিডি–কার্ভড ফাইভজি স্মার্টফোন, যার পুরুত্ব মাত্র ৫.৯৫ মিমি।
ব্যাটারি: ৫১৬০ এমএএইচ, ৪৫ ওয়াট সুপার চার্জ।
কুলিং সিস্টেম: ২৪,৫৩২ বর্গমিমি কুলিং।
বডি: এয়ারস্পেস–গ্রেড ম্যাটেরিয়াল ও ফাইবারগ্লাস ব্যাক কভার।
অতিরিক্ত ফিচার: মুড লাইট, ৫০ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ।
প্রসেসরে রয়েছে ডায়মেনসিটি ৬৪০০ ফাইভজি+, যা ল্যাগ–ফ্রি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। ফোনটি মিলিটারি–গ্রেড শক রেসিস্ট্যান্স টেস্ট উত্তীর্ণ হওয়ায় টেকসই ও নির্ভরযোগ্য।
পোভা কার্ভ ফাইভজি : গেমারদের জন্য বিশেষ চমক
পোভা কার্ভ ফাইভজি এসেছে স্টাইলিশ ডিজাইন ও শক্তিশালী গেমিং ক্ষমতা নিয়ে।
প্রসেসর: ডায়মেনসিটি ৭৩০০ ফাইভজি প্রসেসর।
গেমিং পারফরম্যান্স: হাইপার গেমিং ইঞ্জিন সহ ৯০ এফপিএস পাবজি।
ডিসপ্লে: ৬.৭৮ ইঞ্চি অ্যামোলেড ১৪৪ হার্জ এফএইচডি+, গরিলা গ্লাস ৭আই।
তিনটি ডিভাইসেই রয়েছে:
নতুন হাইওএস ১৫ স্পেশাল ওএস
২৫৬ জিবি স্টোরেজ ও ১৬ জিবি র‍্যাম (৮+৮ এক্সটেন্ডেড)
উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম
ডলবি অ্যাটমস ডুয়েল স্পিকার
আইপি৬৪ ডাস্ট ও ওয়াটার রেসিস্ট্যান্স
এনএফসি ও আইআর রিমোট কন্ট্রোল
TECNO POVA 5G Price in Bangladesh
পোভা স্লিম ফাইভজি — ২৯,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)
পোভা কার্ভ ফাইভজি — ৩২,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)
পোভা ৭ প্রো ফাইভজি — ৩৪,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)

 

প্রথমবারের মতো বিলিয়নিয়ার ক্লাবে শাহরুখ খান

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান এবার প্রথমবারের মতো বিলিয়নিয়ার ক্লাবে যোগ দিয়েছেন। হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট ২০২৫ অনুযায়ী, তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার। খবর বিবিসি’র।
৫৯ বছর বয়সী শাহরুখকে এবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী সেলিব্রিটিদের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। এই তালিকায় আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার, গায়িকা রিহানা, গলফার টাইগার উডস এবং গায়িকা টেইলর সুইফটও আছেন।
বলিউডের ‘রোমান্স কিং’ হিসেবে খ্যাত শাহরুখ খান তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্দি সিনেমায় কাজ করছেন। অভিনেতা থেকে প্রযোজনা সংস্থার মালিক এবং ক্রিকেট দলের মালিক হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজেকে অনেকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
হুরুন ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা আনাস রহমান জুনায়েদ জানিয়েছেন, ‘শাহরুখের বিলিয়নিয়ার হওয়ার মূল কারণ হলো তার প্রযোজনা সংস্থা রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট এবং আইপিএল ক্রিকেট দল নাইট রাইডারসের মালিকানা।’ এছাড়া চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন ও বিশ্বজুড়ে সম্পত্তিতে বিনিয়োগও তার আয়ের প্রধান উৎস।
তালিকায় আরও রয়েছেন অভিনেত্রী জুহি চাওলা, অভিনেতা হৃত্বিক রোশন ও অমিতাভ বচ্চন এবং চলচ্চিত্র পরিচালক করণ জোহর। জুহি চাওলা ও তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৮৮০ মিলিয়ন ডলার। হৃত্বিক রোশন ২৬০ মিলিয়ন, করণ জোহর প্রায় ২০০ মিলিয়ন, আর অমিতাভ বচ্চন ও তার পরিবারের সম্পদ প্রায় ১৮৩ মিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক।
শাহরুখ খানের বিলিয়নিয়ার হওয়া ভারতের অর্থনীতির নতুন ধারা প্রতিফলিত করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন বিনিয়োগ ও সেলিব্রিটি-নির্ভর ব্যবসা ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকা শক্তি।
শাহরুখ খানের এ সফলতা প্রমাণ করে, কেবল অভিনয় নয়, সৃজনশীল উদ্যোগ ও ব্যবসায়ও বড় সম্পদ গড়ার পথ খুলে দেয়।
হুরুন ইন্ডিয়ার হিসাব অনুযায়ী, ভারতের মোট ধনীর সংখ্যা এবার ৩৫০-এর বেশি ছাড়িয়েছে। শীর্ষ দুই স্থানে অবস্থান ধরে রেখেছেন ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানি।

আবেদনময়ী লুকে নুসরাত ফারিয়া বললেন, ‘চোখের জন্য খুব বেশি হয়ে গেল?

তপ্ত রোদে সমুদ্র পাড়ে সাহসী রূপে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। অভিনেত্রীর এ লুক নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। তার রুপের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগীরাও। নিজের আবেদনময়ী ছবি দিয়ে পোস্টের ক্যাপশনে ফারিয়া এক ভিন্ন বার্তাও দিলেন।
ঢালিউডের অন্যতম দাপুটে নায়িকা নুসরাত ফারিয়া সিনেমার পর্দার ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সরব। নিয়মিতই নিজের বিভিন্ন লুক ও মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ভক্তদের জন্য সমুদ্রপাড় থেকে শেয়ার করলেন কিছু ছবি। কালো রঙের বিকিনি ও স্কার্ট-স্টাইল আউটফিটে ধরা দিলেন।
সমুদ্রের পানিতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তোলা ছবিগুলোতে তাকে দেখা যায় বেশ সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিমায়। ছবিগুলোর ক্যাপশনে নায়িকা লিখেছেন— ‘চোখের জন্য খুব বেশি হয়ে গেল? তাহলে স্ক্রল করো প্রিয়’। অর্থাৎ, যারা নুসরাতের এই অবতারে অস্বস্তি বোধ করছেন, তাদের জন্য স্ক্রল করে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শই যেন দিলেন তিনি।
এদিকে নুসরাত ফারিয়ার ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। মুহূর্তের মধ্যে লাইক-কমেন্টে ভরে যায় ফারিয়ার পোস্ট। অনেকেই তার ফিটনেস ও স্টাইলের প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার মন্তব্য করেছেন তার সাহসী রূপ নিয়ে। এক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘কালো রঙটি সত্যিই চিত্তাকর্ষক। প্রতিটি ছবিতে তোমার আত্মবিশ্বাস আমার খুব ভালো লাগে, এটা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক!’ কারো মন্তব্য, ‘বাহ! তুমি অসাধারণ!’
এর ফাঁকেই একেকদিন একেক সাজে ভক্তদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। কখনো ওয়েস্টার্ন, কখনো ফিউশন লুকে, আবার কখনো একেবারেই ক্যাজুয়াল ভঙ্গিমায়। প্রতিবারের মতো এবারও তার নতুন লুক ভক্তদের মধ্যে আলাদা করে সাড়া ফেলছে।

‘রাতের ভোটকেও হার মানিয়ে ফেলেছে বিসিবি নির্বাচন’

আগামীকাল ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন। তবে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই নাটকীয় হচ্ছে পরিস্থিতি। ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গন। তামিম ইকবালসহ হেভিওয়েট ১৭ জন প্রার্থী এখন পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
এরই মাঝে শনিবার তিন দফা দাবি জানিয়েছে বিসিবি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা ক্রীড়া সংগঠকরা। এবার সেই তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছে ঢাকার ৪৮টি ক্রিকেট ক্লাবের সংগঠকরা।
এদিকে নির্বাচন বর্জন করাদের তালিকায় যোগ হয়েছে আরও একটি নাম। জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে ঢাকা বিভাগের পরিচালক পদপ্রার্থী ছিলেন আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান। তবে তিনি আজ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে আজ বিসিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ। সেখানে নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ করেন তিনি। এবারের বিসিবি নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের ‘রাতের ভোট’কেও হার মানিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ফুয়াদ বলেন, ‘রাতের ভোট তো…তবু তো ওরা ব্যালট বাক্স ভরেছে, সেটা আলাদা জিনিস। এরা তো সুকৌশলে এমন কাজ করছে, সেটা (রাতের) ব্যালট বাক্সকেও হার মানিয়ে ফেলছে।’
এদিকে ফুয়াদের সঙ্গে ঢাকা বিভাগ থেকে পরিচালক হওয়ার দৌড়ে আরও ছিলেন বিসিবির বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন। ফুয়াদ সরে দাড়ানোয় বুলবুল ও নাজমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেলেন।
ফুয়াদ বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বহুবার দেখা করতে চেয়েছি, আমার সঙ্গে দেখা করেনি। আমি দরখাস্তও দিতে চেয়েছিলাম যে, ই-ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট শুধু তাঁদেরকেই দেবেন, যাঁরা দেশের বাইরে অথবা হাসপাতালে রোগী হিসেবে আছেন। যাঁরা সুস্থ, যাঁরা ঘুরেফিরে খাচ্ছেন, যাঁরা কাউন্সিলর হয়েছেন, যাঁরা হোটেলে বসে আমোদ-ফুর্তি করছেন, তাঁরা কেন ই-ব্যালটে ভোট দেবেন?’

 

আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

শারজাহর গরম রাতে বাংলাদেশ পেল এক দারুন ঝলমলে জয়। আফগানিস্তানের ছুড়ে দেওয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য সামনে রেখে টাইগাররা কিছুটা চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত সাইফ হাসানের আগুনে ইনিংসে ভর করে ১৮ ওভারে ম্যাচ শেষ করে ফেলে জয়ের পতাকা তোলে। ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করল।

শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে ব্যাট করতে নামে আফগানিস্তান। শরিফুল ইসলাম এবং নাসুম আহমেদের করা প্রথম দুই ওভার থেকে বিনা উইকেটে ২০ রান তুলে নিয়ে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল দলটি।
কিন্তু তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে শরিফুল ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানের (৭) উইকেট তুলে নিতেই নুয়ে পড়ে আফগানিস্তান। পরের ওভারের প্রথম বলে নাসুম আহমেদ সাজঘরের পথ দেখান আরেক ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজকে (১২)।
তিনে নামা সেদিকউল্লাহ আতাল ২৩ বলে সমান একটি করে চার-ছক্কায় করেন ২৮ রান। তবে সাইফউদ্দিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দাঁড়ানো তানজিম সাকিবের ক্যাচ হন তিনি।
পরের ব্যাটারদের মধ্যে শুধু পাঁচে নামা দারউইশ রাসুলি-ই যা একটু রানের গতি সচল রাখার চেষ্টা করেন। ১৯তম ওভারে সেই সাইফউদ্দিনের বলে ফেরার আগে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ বলে দলীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন এই ব্যাটার।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে ৩ ওভারে ১৫ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন। দুটি করে উইকেট যায় নাসুম ও সাকিবের ঝুলিতে।

আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাত বঞ্চনা: গুলশান থানার ওসিকে শোকজ

ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার সাথে তাঁর আইনজীবীর সাক্ষাত ও আইনি পরামর্শের অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় আদালত গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) শোকজ নোটিশ জারি করেছে।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার আইনজীবী সারোয়ার হোসাইনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত এ আদেশ দেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতারকৃত আসামির আইনজীবীকে থানায় গিয়ে তাঁর মক্কেলের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা বাংলাদেশের সংবিধান এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
এর আগে, ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি বাসা থেকে ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়াকে গতকাল শনিবার (৪ অক্টোবর) ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক এবং আওয়ামী লীগ নেতা এম এ সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে।
গুলশান থানার এসআই আবদুস সালাম বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর নিকেতনের শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের পাশে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা করে।
ওই ঘটনায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে।
ওই মামলায় গ্রেপ্তারের জন্য ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার ধানমন্ডির বাসায় যাওয়া হয় গত শুক্রবার রাতে। সারারাত তারা বাসার দরজা খোলেননি। পরে ভোরে বাসার দরজা খুলে দিলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ব্যারিস্টার আহসান হাবিব নিকেতনের ওই মিছিলে অংশ নিয়েছেন কি না অথবা অর্থায়ন করেছিলেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে এসআই আবদুস সালাম বলেন, তদন্তাধীন বিষয়ে কিছু বলাটা উচিত হবে না।
এদিকে আহসান হাবিব ভূঁইয়ার আইনজীবী সারোয়ার হোসাইন জানান, আহসান হাবিব গ্রেপ্তার হওয়ার পর বারবার থানায় গেলেও আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি গ্রেপ্তারের কারণও জানায়নি। অথচ সংবিধানে বা সিআরপিসিতে তার এ অধিকার রয়েছে।
এরই প্রেক্ষিতে আজ আইনজীবী সারোয়ার হোসাইন আদালতে আবেদন করলে আদালত উপরোক্ত আদেশের মাধ্যমে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) শোকজ নোটিশ জারি করেন।