Home Blog Page 312

বিক্ষোভে উত্তাল জর্জিয়া, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ঢোকার চেষ্টা জনতার

ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের আলোচনায় স্থবিরতা ও নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে জর্জিয়া। এসময় বিক্ষোভকারীরা রাজধানী তিবলিসিতে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ঢোকার চেষ্টা করে এবং পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী জলকামান ও পিপার স্প্রে ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। পরে বিক্ষোভকারীদের অনেককে আটক করে পুলিশ। রোববার (৫ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত বছরের পার্লামেন্ট নির্বাচনে শাসক দল জর্জিয়ান ড্রিম জয় দাবি করার পর থেকেই দেশটি রাজনৈতিক অচলাবস্থায় রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থি বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করছে, নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে শাসকদল জয় পেয়েছে। এরপর থেকে সরকার ইইউ-তে যোগদানের আলোচনা স্থগিত রেখেছে।

এমন অবস্থায় শনিবার স্থানীয় নির্বাচনের দিনই রাজধানীতে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারবিরোধী অভিযানের প্রতিবাদে অধিকাংশ বিরোধী দল এ নির্বাচন বর্জন করে। বিক্ষোভের অন্যতম সংগঠক অপেরা গায়ক পাতা বুড়চুলাদজে আগেই শাসক দলের নেতাদের গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এদিন তিবলিসির রাস্তাগুলোতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জর্জিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকা হাতে মিছিল করেন। বুড়চুলাদজে এক ঘোষণায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখিয়ে তারা যেন অবিলম্বে জর্জিয়ান ড্রিম দলের ছয়জন শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করেন।

পরে বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের সামনে গিয়ে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করলে দাঙ্গা পুলিশ পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করে।

মূলত গত কয়েক মাস ধরে সরকারবিরোধী কর্মী, স্বাধীন গণমাধ্যম ও পশ্চিমাপন্থি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর দমননীতি জোরদার করেছে জর্জিয়ার সরকার। অধিকাংশ বিরোধী নেতা এখন কারাগারে।

২১ বছর বয়সী ইয়া নামের এক তরুণী কালো পোশাক, হেলমেট ও গ্যাসমাস্ক পরে বিক্ষোভে যোগ দেন। তিনি বলেন, “রঙিন কিছু পরলে সহজেই আমাদের চেনা যাবে, আর চেনা গেলে জেলে যেতে হবে”। মূলত সরকারি নজরদারির অংশ হিসেবে রুস্তাভেলি এভিনিউতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন নজরদারি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং এটাই বোঝাতে চাচ্ছিলেন তিনি।

সরকারের মতে, “রাস্তা অবরোধের মতো বেআইনি কর্মকাণ্ডে” অংশ নেওয়ার অভিযোগে শত শত বিক্ষোভকারীকে ৫ হাজার জর্জিয়ান লারি (প্রায় ১ হাজার ৮৩৫ ডলার) জরিমানা করা হয়েছে।

ইয়া বলেন, “আমি চাই জর্জিয়ান ড্রিম সরে যাক। আমরা দেশটাকে ফিরে পেতে চাই। আমার যেসব বন্ধুকে অবৈধভাবে জেলে রাখা হয়েছে, তারা যেন মুক্তি পায়।”

‘দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারি না’

দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমরা ছিনিমিনি খেলতে পারি না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, সংবিধান ছেলে খেলা নয়। ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমরা ছিনিমিনি খেলতে পারি না। সংবিধানকে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চলতে দিতে হবে।

শনিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সেমিনার হলে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (এনডিপি) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নির্বাচন বানচাল হলে অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হবে। পতিত ফ্যাসিবাদ সুযোগ পাবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি বলেন, যারা হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, দলীয় স্বার্থে জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে, তাদের বলবো জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচালের চেষ্টা করা মানে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উত্থানের সুযোগ দেওয়া।

গণতান্ত্রিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, তর্ক-বিতর্ক হবে, বহুমত থাকবে, কিন্তু জাতীয় ইস্যুতে ঐক্যমত তৈরি করতে হবে। যাতে জনগণ বিজয়ী হয়, এদেশের মানুষ বিজয়ী হয়।

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন বলেন, সংবিধান ছেলে খেলা নয়। ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমরা ছিনিমিনি খেলতে পারি না। সংবিধানকে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চলতে দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানও গণপরিষদের মাধ্যমে প্রণীত হয়েছিল, কিন্তু, এক বছরের মধ্যে সংশোধন আনতে হয়েছিল। তাই নতুন সংবিধান প্রণয়ন করলেই তা স্থায়ী হয়ে যাবে, এমন ধারণা ভুল।

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, পিআর মানে পার্মানেন্ট রেস্টলেসনেস। এ ব্যবস্থায় স্থিতিশীল সরকার ব্যবস্থা থাকে না। কয়েক মাস পরপর প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়, সরকার পরিবর্তন হয়। এতে কোনো দল জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে পারে না, দেশের উন্নয়নও হয় না। বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রকে আমরা এমন অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারি না।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ

আজ ৫ অক্টোবর (রোববার), বিশ্ব শিক্ষক দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে। এবছরের শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘শিক্ষকতা পেশা : মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাবিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজ বাংলাদেশেও এই দিবস উদযাপন হবে।

শিক্ষক ছাড়া জাতির অগ্রগতি অসম্ভব—সেজন্য ১৯৯৪ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে এই দিনটি উদযাপিত হচ্ছে। ১৯৯৩ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ পালন শুরু হয়। ইউনেস্কোর অনুমোদনে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একজন শিক্ষার্থীর চিন্তা, চরিত্র ও ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষকরাই জাতিকে আলোকিত পথে এগিয়ে নিয়ে যান এবং সমাজকে গড়ে তোলেন জ্ঞান ও নৈতিকতার ভিত্তিতে। তাই তাদের ভূমিকা জাতি গঠনের কারিগর হিসেবে অনন্য ও অপরিসীম। এই দিবসটি শিক্ষকদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং তাদের কাজকে মূল্যায়ন করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষকরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত করেন এবং একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখেন। শিক্ষকদের পেশাগত স্বাধীনতা, অধিকার এবং উন্নত বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশার প্রতি তরুণদের আকর্ষণ বৃদ্ধি করা এই দিবসের অন্যতম তাৎপর্য।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠান। শিক্ষক দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতার দিন নয়, এটি শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার ও গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরার এক মূল্যবান মুহূর্ত।

দিবসি পালনের অংশ হিসেবে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ১২ জন শিক্ষককে দেওয়া হবে সংবর্ধনা। এজন্য প্রাথমিকভাবে ৩৬ জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন বিশ্বদ্যিালয়, কলেজ, মাধ্যমিক, মাদরাসা, কারিগরি ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের বাছাই করা হয়।

ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৯৬

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০২ জনে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৯৬ জন।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজনের ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী (৯৬ জন) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৯০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫৬ জন, বরিশাল বিভাগে ৮৭, রাজশাহী বিভাগে ১৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২০২ জন মারা গেছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু (৯৫ জন) হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। পাশাপাশি এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ৩২ জন ছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন, খুলনা বিভাগে ৫ জন এবং ঢাকা বিভাগে ৩ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছে।

জেনে নিন ল্যাপটপের গতি বাড়ানোর কৌশল

প্রযুক্তিনির্ভর দুনিয়ায় কম্পিউটার ছাড়া জীবন যেন অসম্পূর্ণ। বোকাবাক্সে বন্দি পুরো দুনিয়া। একটি ক্লিকে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের খবরা-খবর জানতে পারছেন কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনার অজানা যতো কিছু আছে, সবই জেনে নিতে পারবেন এক মুহূর্তেই। তবে বেশি দিন হয়নি আপনি ল্যাপটপ কিনেছেন। এর মধ্যে ল্যাপটপের গতি ধীর হয়ে গেছে। আর ল্যাপটপ ধীর হয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে অনেক প্রোগ্রাম একসঙ্গে চালু রাখা। ব্যবহার করা হচ্ছে না এমন অনেক প্রোগ্রাম ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকলে তা ল্যাপটপের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। সুতরাং, ল্যাপটপে কাজ করতে বেশি সময় লাগে।
ল্যাপটপের গতি কমার অন্যতম কারণ অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম। এ সমস্যা সমাধানের আগে দেখতে হবে কোন প্রোগ্রাম সবচেয়ে বেশি স্টোরেজ ব্যবহার করছে। সেটি দেখার জন্য টাস্ক ম্যানেজার (কি-বোর্ডের কন্ট্রোল-অল্ট-ডিলিট একসঙ্গে চাপ দিন) ব্যবহার করুন। সেখানে দেখানো তালিকা থেকে যেসব প্রোগ্রাম আপনি এ মুহূর্তে ব্যবহার করছেন না, সেগুলো বন্ধ করে দিন। এ ক্ষেত্রে ‘এন্ড টাস্ক’ লেখা বাটনে ক্লিক করুন।
চলুন জেনে নিই, ল্যাপটপের গতি বাড়াতে কি কি করা উচিত:
১. অস্থায়ী ফাইল মুছে ফেলা
ল্যাপটপে যে কোনো কাজ করার সময় অনেক অস্থায়ী ফাইল তৈরি হয়। এগুলো হার্ড ড্রাইভে অনেক জায়গা নিয়ে থাকে। এ ফাইলগুলো মুছে ফেলতে স্টার্ট মেন্যুতে যান এবং অনুসন্ধান বারে ‘ডিস্ক ক্লিনআপ’ টাইপ করুন। এর ফলে, এমন একটি প্রোগ্রাম চালু হবে, যেটি ইন্টারনেট ক্যাশ এবং প্রোগ্রাম চলার সময় তৈরি হওয়া সব অস্থায়ী ফাইল একসঙ্গে মুছে ফেলার কাজে সাহায্য করবে।
২. হার্ড ড্রাইভ আপগ্রেড করা
আপনার ল্যাপটপের গতি যদি কম হয়ে থাকে, তবে খেয়াল করুন আপনি দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করে আসছেন কি না। পুরোনো হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করে থাকলে বুঝতে হবে, আপনার আগের হার্ড ড্রাইভ পাল্টে নতুন এবং দ্রুততর হার্ড ড্রাইভ কেনার সময় এসেছে। নতুন হার্ড ড্রাইভ ল্যাপটপের গতি নিমিষেই বাড়িয়ে দেবে কয়েক গুণ।
৩. হার্ড ড্রাইভ ডিফ্র্যাগমেন্ট করা
হার্ড ড্রাইভ ডিফ্র্যাগমেন্ট করতে স্টার্ট মেন্যুতে যান এবং অনুসন্ধান বারে ‘ডিফ্র্যাগমেন্ট’ টাইপ করুন। এ প্রোগ্রামটি ল্যাপটপের হার্ড ড্রাইভকে ডিফ্র্যাগমেন্ট করবে এবং ফাইলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে বিন্যস্ত করতে সাহায্য করবে।
৪. সফটওয়্যার আপডেট
ল্যাপটপে ব্যবহৃত প্রায় সব সফটওয়্যারই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আপডেট প্রকাশ করে থাকে। এসব আপডেট সফটওয়্যারের নানা সমস্যা ও সমাধান করে এবং এগুলোর কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এ জন্য ল্যাপটপে সফটওয়্যারের সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আপনার সফটওয়্যার আপডেট করতে স্টার্ট মেন্যুতে যান এবং অনুসন্ধান বারে ‘আপডেট’ টাইপ করুন। এরপর যেসব সফটওয়্যারের আপডেট প্রয়োজন, সেগুলো আপডেট করে ফেলুন।
৫. ল্যাপটপ পরিষ্কার রাখা
সব সময় আপনার ল্যাপটপে অতিরিক্ত ধুলাবালি ও ময়লা জমে থাকে, তা ঠিকমতো বাইরে বের হতে পারে না। ফলে, ল্যাপটপ খুব দ্রুত গরম হয়ে যায় এবং এর গতি কমে আসে। সুতরাং, জমে থাকা ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করতে আপনার ল্যাপটপ বন্ধ করুন এবং এটি আনপ্লাগ করুন। এরপর বাইরের অংশ এবং ভেন্টগুলোকে নরম কাপড়ের সাহায্যে আলতো করে মুছে নিন। এটি ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করবে এবং এর গতি ঠিক রাখবে।
৬. বাড়তি র্যাম সহযোজন
আপনার ল্যাপটপে পর্যাপ্ত র্যাম না থাকলে মাত্রাতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা এর গতি কমিয়ে দেয়। অতিরিক্ত র্যাম কিনে তা ল্যাপটপে ইনস্টল করে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব।
ল্যাপটপে ব্যবহার করা হয় না এমন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার অনেক স্টোরেজ নিয়ে নেয়, যা ল্যাপটপের গতি কমিয়ে দেয়। এজন্য অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আনইনস্টল করা জরুরি। এতে করে ল্যাপটপের স্টোরেজ খালি হয় এবং এর গতি বৃদ্ধি পায়।

টিভিতে আজকের খেলা

ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য প্রতিদিনই টেলিভিশনের পর্দায় থাকে অনেক খেলা। তেমনি মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রয়েছে বেশকিছু খেলা।
চলুন দেখে নেওয়া যাক আজ টিভিতে কোন কোন খেলা রয়েছে।
ক্রিকেট
এনসিএল টি–টোয়েন্টি
রংপুর–রাজশাহী
সকাল ১০টা, টি স্পোর্টস
বরিশাল–ঢাকা মহানগর
দুপুর ২টা, টি স্পোর্টস
আহমেদাবাদ টেস্ট–৩য় দিন
ভারত–ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সকাল ১০টা, স্টার স্পোর্টস ২
৩য় টি–টোয়েন্টি
নিউজিল্যান্ড–অস্ট্রেলিয়া
দুপুর ১২–১৫ মি., সনি স্পোর্টস টেন ১ ও টেন ক্রিকেট
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ
শ্রীলঙ্কা–অস্ট্রেলিয়া
বিকেল ৩–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস ১
ফুটবল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
লিডস–টটেনহাম
বিকেল ৫–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড–সান্ডারল্যান্ড
রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১
আর্সেনাল–ওয়েস্ট হাম
রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২
চেলসি–লিভারপুল
রাত ১০–৩০ মি., স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১
লা লিগা
রিয়াল মাদ্রিদ–ভিয়ারিয়াল
রাত ১টা, রাজধানী টিভি
জার্মান বুন্দেসলিগা
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড–লাইপজিগ
সন্ধ্যা ৭–৩০ মি., সনি স্পোর্টস টেন ২
ফ্রাঙ্কফুর্ট–বায়ার্ন মিউনিখ
রাত ১০–৩০ মি., সনি স্পোর্টস টেন ২

শুভ জন্মদিন জাহিদ হাসান

টেলিভিশন নাটক দিয়ে অভিনয় শুরু করে সিনেমা, ওটিটি তিন মাধ্যমেই উজ্জ্বল মুখ অভিনেতা জাহিদ হাসান। নব্বই দশক থেকে অভিনয়ের যাত্রা শুরু, একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। নাট্য পরিচালক হিসেবেও রয়েছে তার খ্যাতি। সম্প্রতি ‘উৎসব’ সিনেমায় অভিনয় করে আবার আলোচনায় এসেছেন তিনি।
মায়ের দেওয়া ডাক নাম পুলক হাসান, বাড়িতে তাকে এ নামেই ডাকে, বন্ধুরাও এ নামেই চেনে। কিন্তু অভিনয়ে এসেছেন তিনি তার দাদার দেওয়ে নাম জাহিদ হাসান নিয়ে। এ নামে পরিচিতি থেকে মানুষের ভালোবাসা পেতে তাকে করতে হয়েছে অনেক পরিশ্রম। অভিনেতা হিসেবে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন জাহিদ হাসান নাম থেকেই।
ছোটবেলা থেকেই মঞ্চ নাটক ও যাত্রাপালা দেখার আগহ ছিলো জাহিদ হাসানের। একবার স্কুলজীবনে সিরাজগঞ্জ শহরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যাত্রাপালা দেখতে যান, যেখানে নামভূমিকায় অভনয় করবেন অভিনেতা আনোয়ার হোসেন। এরপর ২০ টাকার টিকিট কেটে চলে যান যাত্রা দেখতে। আনোয়ার হোসেনকে দেখে তিনি এতোতাই মুগ্ধ হন যার ঘোর তার মধ্যে অনেকদিন ছিল।
কলেজে ভর্তি হওয়ার পর তিনি তরুণ সম্প্রদায় নাট্যদলে যোগ দেন। বেশ কয়েকটি নাটক করলেও ‘সাত পুরুষের ঋণ’ নাতকটি তাকে অভিনয়ে বেষ আগ্রহী করে তুলেছিল। আশির দশকে নাটকটি বিটিভিতে প্রচার করা হয়।
অভিনয়কেই জীবনের মুলমন্ত্র করে তিনি ঢাকায় আসেন। ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলেও তিনি অভিনয়ের টানে ঢাকায় চলে আসেন। এরপর ১৯৮৯ সালে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে অডিশন দিয়ে অভিনেতার তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে ‘জীবন যেমন’ নাটকে অভিনয় দিয়ে তার টেলিভিশন নাটকে অভিষেক ঘটে। ভালো চরিত্র না পেলেও তার অভিনয়ের প্রতি তৃষ্ণা ছিলো অনেক।
কয়েকটি ধারাবাহিকে অভিনয় করে তিনি মানুষের কাছাকাষি পৌঁছাতে পেরেছেন। সবুজ ছায়া, সবু্জ ছাতি, নক্ষত্রের রাত, আজ রবিবার এর মধ্যে অন্যতম।
জাহিদ হাসান ১৯৮৬ সালে বলবান সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক করেন। হুমায়ূন আহমেদের শ্রাবণ মেঘের দিন সিনেমায় ‘মতি’ চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এরপর মেইড ইন বাংলাদেশ, হালদা, সাপলুডু, ও আমার আছে জল–এর মতো উল্লেখযোগ্য সিনেমায় অভিনয় করেন। সবশেষ তিনি তানিম নূর পরিচালিত উৎসব সিনেমায় ‘জাহাঙ্গীর’ চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।
অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক পরিচালনায়ও সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বিশেষ করে লাল নীল বেগুনি মেগা-ধারাবাহিক পরিচালনা করে আলোচনায় আসেন এবং এতে অভিনয়ও করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি জনপ্রিয় মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌকে বিয়ে করেছেন। তাদের দুই সন্তান—মেয়ে পুষ্পিতা ও ছেলে পূর্ণ।

টেলিভিশন নাটক দিয়ে অভিনয় শুরু করে সিনেমা, ওটিটি তিন মাধ্যমেই উজ্জ্বল মুখ অভিনেতা জাহিদ হাসান। নব্বই দশক থেকে অভিনয়ের যাত্রা শুরু, একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। নাট্য পরিচালক হিসেবেও রয়েছে তার খ্যাতি। সম্প্রতি ‘উৎসব’ সিনেমায় অভিনয় করে আবার আলোচনায় এসেছেন তিনি।
মায়ের দেওয়া ডাক নাম পুলক হাসান, বাড়িতে তাকে এ নামেই ডাকে, বন্ধুরাও এ নামেই চেনে। কিন্তু অভিনয়ে এসেছেন তিনি তার দাদার দেওয়ে নাম জাহিদ হাসান নিয়ে। এ নামে পরিচিতি থেকে মানুষের ভালোবাসা পেতে তাকে করতে হয়েছে অনেক পরিশ্রম। অভিনেতা হিসেবে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন জাহিদ হাসান নাম থেকেই।
ছোটবেলা থেকেই মঞ্চ নাটক ও যাত্রাপালা দেখার আগহ ছিলো জাহিদ হাসানের। একবার স্কুলজীবনে সিরাজগঞ্জ শহরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যাত্রাপালা দেখতে যান, যেখানে নামভূমিকায় অভনয় করবেন অভিনেতা আনোয়ার হোসেন। এরপর ২০ টাকার টিকিট কেটে চলে যান যাত্রা দেখতে। আনোয়ার হোসেনকে দেখে তিনি এতোতাই মুগ্ধ হন যার ঘোর তার মধ্যে অনেকদিন ছিল।
কলেজে ভর্তি হওয়ার পর তিনি তরুণ সম্প্রদায় নাট্যদলে যোগ দেন। বেশ কয়েকটি নাটক করলেও ‘সাত পুরুষের ঋণ’ নাতকটি তাকে অভিনয়ে বেষ আগ্রহী করে তুলেছিল। আশির দশকে নাটকটি বিটিভিতে প্রচার করা হয়।
অভিনয়কেই জীবনের মুলমন্ত্র করে তিনি ঢাকায় আসেন। ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলেও তিনি অভিনয়ের টানে ঢাকায় চলে আসেন। এরপর ১৯৮৯ সালে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে অডিশন দিয়ে অভিনেতার তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে ‘জীবন যেমন’ নাটকে অভিনয় দিয়ে তার টেলিভিশন নাটকে অভিষেক ঘটে। ভালো চরিত্র না পেলেও তার অভিনয়ের প্রতি তৃষ্ণা ছিলো অনেক।
কয়েকটি ধারাবাহিকে অভিনয় করে তিনি মানুষের কাছাকাষি পৌঁছাতে পেরেছেন। সবুজ ছায়া, সবু্জ ছাতি, নক্ষত্রের রাত, আজ রবিবার এর মধ্যে অন্যতম।
জাহিদ হাসান ১৯৮৬ সালে বলবান সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক করেন। হুমায়ূন আহমেদের শ্রাবণ মেঘের দিন সিনেমায় ‘মতি’ চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এরপর মেইড ইন বাংলাদেশ, হালদা, সাপলুডু, ও আমার আছে জল–এর মতো উল্লেখযোগ্য সিনেমায় অভিনয় করেন। সবশেষ তিনি তানিম নূর পরিচালিত উৎসব সিনেমায় ‘জাহাঙ্গীর’ চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।
অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক পরিচালনায়ও সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বিশেষ করে লাল নীল বেগুনি মেগা-ধারাবাহিক পরিচালনা করে আলোচনায় আসেন এবং এতে অভিনয়ও করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি জনপ্রিয় মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌকে বিয়ে করেছেন। তাদের দুই সন্তান—মেয়ে পুষ্পিতা ও ছেলে পূর্ণ।

৪ অক্টোবর: আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলামের ৫ স্তম্ভের মধ্যে নামাজ দ্বিতীয়। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার (৪ অক্টোবর) ২০২৫, ১৯ আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ও ১১ রবিউস সানি ১৪৪৭ হিজরি,
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:
ফজর – সকাল ৪:৩৭
যোহর – দুপুর ১১:৫০
আসর – বিকাল ৪:০৪
মাগরিব – সন্ধ্যা ৫:৪৭
ইশা – রাত ৭:০০
আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫:৫১ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে বিকাল ৫:৪২ মিনিটে।
বাংলাদেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে সময়ের সামান্য পার্থক্য রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের সাথে যে পরিমাণ সময় যোগ বা বিয়োগ করতে হবে তা হলো:
সময় বিয়োগ করুন
চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট
সিলেট: ৬ মিনিট
সময় যোগ করুন
খুলনা: ৩ মিনিট
রাজশাহী: ৭ মিনিট
রংপুর: ৮ মিনিট
বরিশাল: ১ মিনিট

১০ ঘণ্টা পর ইসলামী ব্যাংকের ফেসবুক উদ্ধার

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ হ্যাক হওয়ার প্রায় ১০ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে পেজটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে।
এর আগে ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে হ্যাকাররা পেজটির প্রোফাইল ও কাভার ছবি পরিবর্তন করে হুমকিসূচক বার্তা প্রকাশ করে। নিজেদের পরিচয় দিতে তারা ‘Team MS 47OX’ নাম ব্যবহার করে জানায়, শিগগির ব্যাংকের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে বড় ধরনের সাইবার হামলা চালানো হবে।
সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে পেজটি ফেসবুক থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। এতে গ্রাহক ও অনুসারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।
ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হলেও আইটি টিম বিশেষভাবে কাজ করে বিকেলে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে ফেসবুক পেজ স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।

শাপলা প্রতীক না দেওয়ায় ইসিকে ‘স্বেচ্ছাচার’ বলল এনসিপি

শাপলাকে প্রতীক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) স্বেচ্ছাচারী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। প্রতীক বরাদ্দ পেতে ইসির কাছে দেওয়া এক বিস্তারিত ব্যাখ্যায় এমনটি দাবি করেছে দলটি।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বরাত দিয়ে ব্যাখ্যাটি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এতে বলা হয়, এনসিপি বিগত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিধি দল নিয়মিত মতবিনিময়, বৈঠক ও যোগাযোগ রক্ষা করে আসছে। এনসিপির প্রতিনিধি দল এপ্রিল মাস থেকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নির্বাচন সংক্রান্ত আইন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন প্রক্রিয়া, নিবন্ধনের সময়সীমা, প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ নির্বাচনকেন্দ্রিক নানা বিষয় নিয়ে নিয়মিত আলোচনায় অংশ নিচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন বিবিধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর সংশ্লিষ্ট বিধানে নতুন করে নির্বাচনী প্রতীক তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। নির্বাচন কমিশনের তালিকায় প্রতীক যুক্ত করতে কমিশন একটি কমিটি গঠন করে এবং সংশ্লিষ্ট কমিটি মোট ১৫০টি প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করে। ওই কমিটির একজন সদস্যের সঙ্গে এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল গত ৪ জুন নির্বাচন কমিশনে বৈঠক করেন এবং বৈঠকে তিনি চূড়ান্ত তালিকায় শাপলা প্রতীক থাকার বিষয়টি আশ্বস্ত করেন। এ ছাড়া এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এরপর গত ২২ জুন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় কর্তৃক প্রকাশিত ১০ মার্চের ১৭.০০.০০০০.০২৫.৫০.০৯২.২৪-৪৯ নং স্মারকের গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন দাখিল করে এবং দলের অনুকূলে ‘শাপলা’ প্রতীক সংরক্ষণের জন্য আবেদন জানায়।
এনসিপির ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়েছে, এনসিপি নির্বাচন কমিশনের কাছে ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশের আপামর জনসাধারণ এনসিপির প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’-কে চিনতে শুরু করে এবং গণমানুষের সঙ্গে এনসিপির শাপলা প্রতীক কেন্দ্রিক এক অভূতপূর্ব আত্মীক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এ ছাড়া ২০২৫ সালের জুলাই মাসে এনসিপি দেশজুড়ে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করে এবং ওই কর্মসূচিতে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ এনসিপিকে আপন করে নেয় এবং স্বতস্ফূর্তভাবে খাল-বিল-জলাশয় থেকে শাপলা সংগ্রহ করে ওই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এনসিপির প্রতীক হিসেবে শাপলাকে হৃদয় থেকে বরণ করে নেয়।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হঠাৎ করে বিগত ৯ জুলাই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে এনসিপি জানতে পারে যে, নির্বাচন কমিশন শাপলাকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে তফসিলভুক্ত না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
শাপলা জাতীয় প্রতীক হওয়ায় নির্বাচনের প্রতীক হিসেবে এটি বিধিমালার তফসিলভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানায় নির্বাচন কমিশন। এরপর বিগত ১৩ জুলাই এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনারদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে এক বৈঠকে মিলিত হন এবং বৈঠকের আলোচনায় এবং একটি লিখিত আবেদনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেন যে, শাপলাকে জাতীয় প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের প্রদত্ত ব্যাখ্যা আইনানুগভাবে সঠিক নয় এবং এই বিষয়ে কমিশনের গৃহীত অবস্থানের আইনি ভিত্তি নেই।
এনসিপি বলছে, ওই বৈঠকে এনসিপি স্পষ্ট করে জানায় যে, বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪(৩), The Bangladesh National Anthem, Flag and Emblem Order, 1972 এর ধারা ৪, Bangladesh National Emblem Rules, 1972 এর বিধি ৩ এবং অন্যান্য বিদ্যমান আইন অনুসারে ‘শাপলা’ প্রতীক তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা এবং রাজনৈতিক দলকে বরাদ্দ দিতে কোনো আইনগত বাধা নেই। ১৯৭২ সালের অর্ডারের ৩য় তফসিল এবং ১৯৭২ সালের বিধিমালার পরিশিষ্ট-ক তে জাতীয় প্রতীকের নকশা অংকিত আছে। ওই নকশা অনুযায়ী জাতীয় প্রতীক হচ্ছে লালচে এবং হলুদ রঙের যুগল বৃত্তের ভেতরে লালচে এবং হলুদ রঙে অংকিত পানির ওপর ভাসমান শাপলা ফুল, দুপাশে দুটি ধানের শীষ, উপরে তিনটি সংযুক্ত পাট পাতা যার ঠিক দুই পাশে দুটি করে চারটি তারকার সন্নিবেশ ও সামষ্টিক রূপ।
অর্থাৎ জাতীয় প্রতীকের নকশা এবং রঙ ১৯৭২ সালের অর্ডারের ৩য় তফসিল ও বিধিমালার পরিশিষ্ট-ক দ্বারা সুনির্দিষ্ট। তাছাড়া জাতীয় প্রতীকের শাপলাটি পানিতে ভাসমান কিন্তু ‘ভাসমান শাপলা’ নামে কোনো প্রতীক তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার আয়োজন ছিল না। শাপলা জাতীয় প্রতীকের চারটি স্বতন্ত্র উপাদানের একটি মাত্র উপাদান। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে জাতীয় প্রতীকের চারটি উপাদানের একটি উপাদান ‘ধানের শীষ’ বরাদ্দ দিয়েছে এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডিকে আরেকটি উপাদান ‘তারা’ প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে। সেহেতু নির্বাচন কমিশন ‘শাপলা’-কে প্রতীকের তালিকাভুক্ত করে রাজনৈতিক দলকে বরাদ্দ দিতে পারে। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন জাতীয় ফল কাঁঠালকে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে এবং তৃণমূল বিএনপি নামের আরেকটি দলকে ‘সোনালি আঁশ’ প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে। সুতরাং শাপলা জাতীয় ফুল হলেও দলের প্রতীক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে আইনগত কোনো বাধা নেই। ধানের শীষ, শাপলা, পাটপাতা এবং তারকা আলাদা আলাদা করে চারটি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়। আর এই চারের সমষ্টিই হচ্ছে জাতীয় প্রতীক যা দুই রঙের দুটি বৃত্ত দ্বারা পরিবেষ্টিত। জাতীয় প্রতীকের উপাদানের মধ্যে দুইটি উপাদান ইতোমধ্যে দুইটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতীক হিসেবে বরাদ্দকৃত।
সর্বোপরি, ‘শাপলা’-কে প্রতীকের তালিকায় তালিকাভুক্ত না করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত ভুল আইনি ভিত্তি ও বোঝাপড়ার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
এরপর এনসিপির প্রতিনিধিদল দফায় দফায় কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয় এবং কমিশনের কাছে থেকে ওই ১৩ জুলাই আবেদনের অগ্রগতি জানতে চাইলেও কমিশন ওই বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা ও অবস্থান স্পষ্ট করে নাই। উল্লেখ্য ১৩ জুলাইয়ের বৈঠকের পরবর্তী কোনো বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে শাপলা প্রতীক বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরণের আইনি বাধার বিষয়টি আর উল্লেখ করা হয় নাই এবং সংবাদমাধ্যমেও আইনি বাধার বিষয়ে কমিশন কোনো বক্তব্য প্রদান করেননি।
অর্থাৎ শাপলাকে প্রতীক হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনো আইনি ভিত্তি দ্বারা গঠিত নয় বরং এনসিপির প্রতি বিরূপ মনোভাব ও স্বেচ্ছাচারী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ বলে প্রতীয়মান হয়।
পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি বিগত ৩ আগস্ট কমিশনের কাছে চিঠির মাধ্যমের পার্টির অনুকূলে প্রতীক সংরক্ষণের ক্রম হিসাবে ১. শাপলা ২. সাদা শাপলা এবং ৩. লাল শাপলা উল্লেখ করে এবং শাপলা প্রতীক হিসেবে দৃশ্যমান করার ক্ষেত্রে শাপলার ভিন্ন ভিন্ন ভার্সন বা আংশিক ডিসটর্টেট ভার্সন গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এনসিপি সবসময় আলোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানায়। একই দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সঙ্গে বৈঠকে এনসিপির প্রতিনিধি দল এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে।
এনসিপির ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়েছে, ৩ আগস্টের বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে শাপলাকে প্রতীক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও আশ্চর্যজনকভাবে ডিজিএফআইসহ আরও বেশ কিছু সংস্থার লোগোতে শাপলা রয়েছে এবং এ কারণে আইনগত কোনো বাধা না থাকলেও এনসিপিকে শাপলা বরাদ্দ না দেওয়ার ক্ষেত্রে কমিশনের মনোভাবের কথা ব্যক্ত করেন। কিন্তু ওই বৈঠকে এনসিপির প্রতিনিধি দল স্পষ্ট করে উল্লেখ করে যে, বাংলাদেশ পুলিশের লোগোর উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে ধানের শীষ প্রতীক বর্তমান থাকা, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর লোগোর উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে ঈগল প্রতীক বর্তমান থাকা এবং মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের লোগোর পুরোটা অংশ জুড়ে দাড়িপাল্লা প্রতীক থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন ইতোপূর্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতীক হিসাবে ধানের শীষ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) প্রতীক হিসাবে ঈগল এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক হিসাবে দাড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র ডিজিএফআইয়ের লোগোর সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্য থাকার কারণ দেখিয়ে এনসিপিকে শাপলা প্রতীক বরাদ্দ না দেওয়া বৈষম্যমূলক এবং স্বেচ্ছাচারী। নির্বাচন কমিশনের এধরণের মনোভাব প্রকাশের ফলে তাদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রীয় কোনো বাহিনীর কাছে নতি স্বীকার করছে কিনা এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে এবং তাদের কারো কারো কথায় প্রভাবিত হয়ে পরিচালিত হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্ন জনমনে তৈরি হয়।
উল্লেখ্য, এনসিপিকে যেন প্রতীক হিসেবে শাপলা বরাদ্দ না দেওয়া হয় এ বিষয়ে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের তৎপরতা জনপরিসরে দৃশ্যমান এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত রয়েছে।
সম্প্রতি মাঠ পর্যায়ে সকল যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার পর এবং নিবন্ধনের সকল শর্ত প্রতিপালন করার ফলশ্রুতিতে নির্বাচন কমিশন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কিন্তু গত ২৩ সেপ্টম্বর কমিশনের সিনিয়র সচিব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে,  নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার প্রতীক তালিকায় শাপলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই এবং এ কারণে এনসিপিকে শাপলা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশনের এমন স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত এবং ওইরূপ বক্তব্য অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। নির্বাচন কমিশনের এহেন একরোখা কার্যকলাপে তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উত্থাপিত হয় এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন ও সকল দলের ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
শাপলা বরাদ্দের দাবি জানিয়ে দলটি বলছে, সার্বিক বিবেচনায় আমরা আশা করি, নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালের নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে জাতীয় নাগরিক পার্টির অনুকূলে ১. শাপলা, ২. সাদা শাপলা এবং ৩. লাল শাপলা থেকে যেকোনো একটি প্রতীক বরাদ্দ করবে এবং এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ইতোপূর্বের স্বেচ্ছাচারী ও একরোখা মনোভাব পরিত্যাগ করবে এবং এমনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন ও সকল দলের ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।