Home Blog Page 313

নেতা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেইভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেবো

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার জন্য ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে আমাদের নেতা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেইভাবে আমরা আমাদের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবো। নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র উত্তরণ প্রক্রিয়ায় গোটা বিশ্বের সমর্থন রয়েছে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমাদের বার্তা একটাই, আমাদেরকে এখন গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে যে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে আমাদের নেতা তারেক রহমান যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেইভাবে আমরা আমাদের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবো। আজকে গণতন্ত্র উত্তরণের এই বিষয়টাতে গোটা পৃথিবীর সমর্থন রয়েছে। বিশেষ করে গণতান্ত্রিক বিশ্বের সমর্থনটা এখানে সম্পূর্ণভাবেই রয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি নিউইয়র্ক যান। প্রধান উপদেষ্টা ২ অক্টোবর দেশে ফিরেছেন। বিএনপি মহাসচিব যুক্তরাষ্ট্রে দলীয় একটি অনুষ্ঠান শেষে একদিন পর দেশে ফিরলেন।
প্রধান উপদেষ্টার এই প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনিম জারা।
জাতিসংঘের অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সাথে আপনার আলাপ হয়েছে কিনা প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, সবার সঙ্গেই আমাদের আলাপ হয়েছে। আর যারা গিয়েছেন, তাদের সঙ্গে তো অবশ্যই আলাপ হবে এটাই তো স্বাভাবিক।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে আমরা জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আমরা তার সফরসঙ্গী হয়েছিলাম এবং সেখানে আমাদের যতটুকু দায়িত্ব পালন করার কথা ছিলো, সেই দায়িত্ব পালন করেছি। আমি মনে করি, আমাদের এই সফর সফল হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি যে-সব সভা হয়েছে আমরা মনে করি যে, এটা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ভালো হয়েছে, অ্যাজ এ হোল গণতন্ত্রের জন্য ভালো হয়েছে।

গাজায় অভিযান বন্ধে ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া নেতানিয়াহুর

বারবার এড়িয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের জন্য ইসরায়েলের প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন তাতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, গাজায় অভিযান বন্ধের জন্য ইসরায়েলি বাহিনী প্রস্তুত।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ অবসানের জন্য ট্রাম্প গত সপ্তাহে ২০টি পয়েন্ট সম্বলিত নতুন একটি প্রস্তাব পেশ করেন। ইসরায়েল আগেই এই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছিল, গতকাল শুক্রবার তাতে সম্মতি জানিয়েছে গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসও।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে হামাসের হাইকমান্ড বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে নিয়ে নিজেদের কব্জায় থাকা সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে এবং গাজার প্রশাসনিক ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি আছে হামাস।
হামাসের এই বিবৃতির পর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি বার্তা পোস্ট করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানে তিনি বলেন, ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ ও সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে।
ট্রাম্প এই বার্তা পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যে এতে সাড়া দিয়ে বিবৃতি দেয় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘(গাজায় যুদ্ধাবসানে) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে পরিকল্পনা দিয়েছেন, তার প্রাথমিক ধাপ বাস্তবায়ন করার জন্য ইসরায়েল সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
‘এই যুদ্ধের অবসান ইস্যুতে ট্রাম্প যে দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন, তার সঙ্গে ইসরায়েলের নীতি সঙ্গতিপূর্ণ। তাই গাজায় যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার নেতৃত্বাধীন প্রশাসনকে পূর্ণমাত্রায় সহযোগিতা করব।’

বন্ধ হলো জার্মানির মিউনিখ বিমানবন্দর

নিজেদের আকাশ সীমায় একের পর এক ড্রোন দেখে দ্বিতীয়বার বিমান বন্দর বন্ধ করলো জার্মানি। জার্মানির আকাশে গত ২৪ ঘণ্টায় একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। ড্রোনগুলো কোন দেশের সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে, মিউনিখ বিমানবন্দর দ্বিতীয়বারের বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিট থেকে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে, প্রায় সাড়ে ছয় হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিউনিখে কমপক্ষে ১৭টি ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়। সে সময় বিমানবন্দরের কাছাকাছি আকাশসীমায় একাধিক ড্রোন চলাচল করতে দেখা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আকাশসীমায় বার বার ড্রোনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বেলজিয়ামের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষ ১৫টি ড্রোনের উপস্থিতির বিষয়ে তদন্ত করছে। এসব ড্রোন জার্মান সীমান্তের কাছে এলসেনবর্ন সামরিক স্থাপনার ওপরে দেখা গেছে।
ড্রোনগুলো শনাক্ত হওয়ার পর এগুলোকে বেলজিয়াম থেকে জার্মানিতে উড়ে যেতে দেখা গেছে। জার্মানির ছোট্ট শহর ডুরেনের পুলিশও এগুলো পর্যবেক্ষণ করেছে। তবে এসব ড্রোন কোত্থেকে এসেছে বা কারা এগুলো পরিচালনা করেছে তা শনাক্ত করতে সক্ষম হননি কর্মকর্তারা।
জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডব্রিনডট বলেছেন, তিনি শনিবার (৪ অক্টোবর) ইউরোপীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ড্রোন-বিরোধী প্রতিরক্ষার বিষয়টি উত্থাপন করবেন।

সরকারী অনুমোদন না পাওয়ায় কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রূপান্তরে বিলম্ব

কক্সবাজার অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মর্যাদা দেওয়ার জন্য ২ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। শনিবার(৫ অক্টোবর) সেখান থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের অনুমোদন না পাওয়ায় আপাতত তা সম্ভব হচ্ছে না।
শুরুতে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখন থেকে সপ্তাহে কলকাতা রুটে ১টি ফ্লাইট পরিচালনার কথা থাকলেও তারা প্রস্তুতি নিয়ে এখনো অন্ধকারে রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ বলছে, বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক রূপান্তরের সময়সূচি অজানা থাকায় তারা টিকিট বিক্রি প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেনি। অপরদিকে, কক্সবাজার বিমানবন্দরে এখনো অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে। টার্মিনাল এখনো রেডি পুরোপুরি না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কক্সবাজার অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর দেশের বিমান খাত ও পর্যটন শিল্পের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের শহর কক্সবাজারে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার অর্থনীতি, হোটেল-মোটেল ব্যবসা, রিসোর্ট ও পরিবহন খাতেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে কক্সবাজারে শুধু অবকাশযাপন নয়, আন্তর্জাতিক সম্মেলন, করপোরেট ইভেন্ট ও বৃহৎ পরিসরের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনও সহজ হবে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগও ব্যাপক হারে বাড়বে।
বিমানের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, বিমানবন্দরটি কখন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত হবে, তা এখনো বিমানকে জানানো হয়নি। এই অনিশ্চয়তার কারণেই তারা টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেননি।
তিনি আরও জানান, বিমান কলকাতা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে সাপ্তাহিক ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক রূপান্তরের সময়সূচি অজানা থাকায় প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (অপারেশন্স অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান জানান, কক্সবাজার অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের জন্য আমরা সরকারের কাছে অনুমোদনের জন্য চিঠি দিয়েছি। কিন্তু এখনো অনুমোদন পাইনি।
তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে, নিউইয়র্ক থেকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ফিরে আসার পর আমরা ৫ অক্টোবর অনুমোদন পাওয়ার আশা করছি।
মেহবুব খান জানান, বেবিচক ইতোমধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে উন্নীত করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থাকে (আইসিএও) অবহিত করেছে। তবে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কবে থেকে পরিচালিত হবে, তা নির্ভর করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ওপর।
বিমানবন্দরের পরিচালক গোলাম মুর্তজা হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশন সুবিধা ইতোমধ্যেই চালু রয়েছে। বর্তমানে, নতুন টার্মিনাল আংশিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে— আগমন বিভাগটি চালু হয়েছে, তবে প্রস্থানগুলো এখনো পুরোনো ভবন থেকেই অব্যাহত থাকবে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক টার্মিনাল প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুস ভূঁইয়া জানান, টার্মিনালের নির্মাণকাজের ৮৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। অভ্যন্তরে টাইলিং, বৈদ্যুতিক তার এবং এসি স্থাপনের মতো কাজ চলছে, যা ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টার্মিনাল ভবনের বাইরের অংশে কাচের প্যানেল স্থাপনে কর্মীরা ব্যস্ত। বোর্ডিং ব্রিজ নির্মাণ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং গাড়ি পার্কিং সুবিধার কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে। চায়না রেলওয়ে ফার্স্ট গ্রুপ এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৩৬২ কোটি টাকার টার্মিনাল নির্মাণ কাজের গতি পেয়েছে।
অন্যদিকে, এক হাজার ৭৯৪ কোটি টাকার রানওয়ে সম্প্রসারণ এবং অন্যান্য কাজ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চীনের চাংজিয়াং ইচাং ওয়াটারওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো (সিওয়াাইডব্লিউইবি) এবং চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসি)।

দুপুরের মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

দুপুরের মধ্যে দেশের আটটি অঞ্চলের উপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুরের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে।

টাংগাইলে ‎মাভাবিপ্রবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা

টাঙ্গাইল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর রাতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত নোটিশে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

‎নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সাগর আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ ইসলাম দিপু।

‎এ ছাড়া সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ রাব্বিউল হাসান তানভী, ফাহিম মুবিন আকিব, রূপক মিয়া, সালাউদ্দিন, মোঃ জোনাইদ হাসান, মোঃ মুন্নাফ হোসেন, মুস্তাকিন, আল-আমিন, মোঃ আশরাফুল আলম রবিন (রিয়ান), মো: মাহমুদুল হাসান পারভেজ, মোঃ ফুয়াদ হাসান, সুমন মিয়া, মো: আখিল আহমেদ, মোহাম্মদ আদনান, মোঃ জামিল হোসেন এবং তানজিম আহমেদ।

‎যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উদয় তালুকদার, আব্দুল হাদী, আরিফুল ইসলাম, রায়হান আহমেদ, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোঃ মুবিন, মোঃ সাকিব হোসেন, আফজালুর রহমান আবির, শাফায়াত তানজিম, হুমায়ুন কবির রিয়াদ, সাগর হোসাইন ও শামীম হোসেন।

‎সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রাজু মিয়া, মোঃ সোহাগ হাসান, মোঃ সামিউল আলম সিদ্দিকী মোস্তাকিম ও হাকিমুল ইসলাম। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রিমন মিয়া এবং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন আল শাহরিয়ার রাজ, সীমান্ত হোসেন জয়, মোঃ সোহানুর রহমান খান, মোঃ নাহিদুর রহমান ও নাজির মিয়া।

‎এ ছাড়া দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন মোঃ নাসিফ ইকবাল পিয়াল, সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন নাদভী, প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান আপেল, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন, সমাজসেবা সম্পাদক আনিসুর রহমান অপু, ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমুর রহমান নাঈম, যোগাযোগ সম্পাদক আব্দুল করিম, পাঠাগার সম্পাদক রিমেল চৌধুরী, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক ওয়াসিফ বিন মাহমুদ অয়ন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এবং সম্মানিত সদস্য হয়েছেন মশিউর রহমান মারুফ ও মো. নাজমুল হোসেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন কমিটির সভাপতি সাগর আহমেদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও সংগঠিত ও সক্রিয় করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত পরিবেশ তৈরি করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, কমিটির সকল সদস্য একযোগে কাজ করে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভূমিকা রাখবেন।

সাধারণ সম্পাদক সাজিদ ইসলাম দিপু বলেন,আমরা শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে কমিটির কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূ করে তুলতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদলের প্রতিটি পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করবে।

‎উল্লেখ্য, গত ১৪ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের দরবার হলে মাভাবিপ্রবি শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ হীরা, প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. রাসেল এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুর রহমান তাজ। সেখানে ভোটের মাধ্যমে  সভাপতি হিসেবে সাগর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাজিদ ইসলাম দিপু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রিমন মিয়া নির্বাচিত হন।

তাসকিনের অর্ধেক দাম সাকিবের!

সময়ের সাথে সাথে যে বাজারদরও কমতে শুরু করেছে, তা বেশ ভালো করেই টের পাচ্ছেন হয়তো সাকিব আল হাসান। এই যেমন আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের চেয়ে অর্ধেক দামে বিক্রি হলেন সাকিব। শুরুতে অবশ্য সাকিবকে কেউ কেনেনি। অবিক্রিতই থেকে যাচ্ছিলেন। পরে অবশ্য দল পেলেন। তাকে কিনেছে ভারতীয় মিলিওনিয়ার মুকেশ আম্বানির দল এমআই এমিরেটস। সাকিবের মূল্য ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। তাসকিনের মূল্য সাকিবের দ্বিগুণ। যদিও বাংলাদেশের এই পেসারকে ৮০ হাজার ডলারে কিনেছে শারজাহ ওয়ারিয়র্স। ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু হলেও আইএলটি-২০ এর নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারই প্রথম। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত নিলামে সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্যের খেলোয়াড় ছিলেন ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে ১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের এই ক্রিকেটারকে নিয়ে ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউই আগ্রহ দেখায়নি। এমনকি অলরাউন্ডারদের টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে আসার সুখবর পাওয়ার দিনে দল পাননি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবও। যদিও পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা আইএল টি২০’র জন্য এনওসি পাবেন কি না সন্দেহ রয়েছে। অন্যান্য পরিচিত ক্রিকেটারদের মধ্যে মোহাম্মদ আমির, জেসন রয়, টেম্বা বাভুমা, জিমি অ্যান্ডারসন, মোহাম্মদ নেওয়াজকেও কোনো দল কেনেনি। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টে অবাধে খেলার উদ্দেশ্যে ভারতের সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন অশ্বিন। ভারতের বাইরে লিগে খেলার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সাবেক এই অফ স্পিনার এরপর নাম লেখান আইএলটি-২০ নিলামে। কিন্তু তিনি সেখানে অবিক্রিতই রয়ে গেলেন। নিলামে প্রথম ডাকে দল পাননি সাকিব ও তাসকিন দু’জনই। পরে অবিক্রীত খেলোয়াড়দের নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহের ভিত্তিতে আবার নিলাম ডাকা হয়। তখন সাকিবকে এমআই এমিরেটস এবং তাসকিনকে শারজা ওয়ারিয়র্স কিনে নেয়।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে নাটকীয়ভাবে জিতল বাংলাদেশ

শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৬ রান। সমীকরণটা অনেকটা সহজ মনে হলেও আগের কয়েক ওভার রীতিমতো সংগ্রাম করেছে বাংলাদেশ। ১৯ তম ওভারে বোলিংয়ে এসেছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। টানা দুই ছক্কার মার নুরুল হাসান সোহানের ব্যাট থেকে।

তৃতীয় বলে হয়েছে সিঙ্গেল। চতুর্থ বলে রিশাদের শট টপ–এজড হয়ে উইকেটকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বাউন্ডারি। ইনিংসের ৮ বল বাকি থাকতেই বাংলাদেশ পৌঁছে গেছে ১৫৩ রানে। নাটকীয় ম্যাচে ৬ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তানকে।

তানজিদ তামিম আর পারভেজ ইমনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে উদ্বোধনী জুটিতেই শতরান। আফগানিস্তানের বোলারদের নাস্তানাবুদ করে সহজ জয়ের দিকেই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। শেষ দিকে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৫১ বলে ৪৩ রান, হাতে সবকটি উইকেট। সহজ জয়ের অপেক্ষায় সবাই। তবে দলটা যখন বাংলাদেশ, কিছুটা নাটকীয় না হলে জমে কিভাবে!  ৯ রানের ব্যবধানে টপঅর্ডারের ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে সহজ ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে যাচ্ছিল টাইগাররা।

রশিদ খানের বল যেন বাংলাদেশ দলের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো হয়ে এসেছিল। এই স্পিনারের ৪ উইকেট শিকারে টাইগাররা জয় থেকে প্রায় ছিটকে যাচ্ছিল। ১০৯ রান থেকে ১১৮ রান পর্যন্ত বাংলাদেশ দল হারিয়ে বসে ৬ উইকেট। এরপর নুরুল হাসান সোহান এবং রিশাদ হোসেনের ব্যাটে কোনো রকমে রক্ষা।

শারজায় আফগানদের দেওয়া ১৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৮ বল থাকতে ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। মাঝারি রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দলের শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম এবং পারভেজ হোসেন ইমন যেন নিজেদের খোলস ছেড়ে খেলেছেন। দুইজনই আফগান বোলারদের বেদম পিটিয়ে তুলে নেন অর্ধ-শতক। তামিম ৫১ এবং ইমন ফিরে যান ৫৪ রান করে।

এরপর সাইফ হাসান, শামীম পাটোয়ারী, জাকের আলি অনিকরা ছিলেন যাওয়া আসার মিছিলে। তানজিম সাকিবও ব্যর্থ হন ব্যাট হাতে। একসময় মনেই হচ্ছিল যেন ফসকে গেল হাত থেকে ম্যাচটা। তবে সোহান এবং রিশাদ ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছেড়েছেন। সোহান ১৩ বলে ২৩ এবং রিশাদ ৯ বলে ১৪ করে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে দিনের শুরুতে শারজাহতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন নাসুম আহমেদ। ইব্রাহিম জাদরানকে বোল্ড করেছেন এই অফ স্পিনার। সাজঘরে ফেরার আগে ১০ বলে ১৫ রান করেন তিনি। ব্যর্থ হন আরেক ওপেনার সাদিকুল্লাহ আতালও, করেন ১২ বলে ১০ রান।

এরপর দারউইস রাসুলি-মোহাম্মদ ইশাকরা দ্রুতই ফিরেন। এ দুজনের কেউই দুই অঙ্কের রান ছুঁতে পারেননি। তাতে ৪০ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে আফগানিস্তান। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও রহমানুল্লাহ গুরবাজ। ১৮ বলে ১৮ রান করে গুরবাজ আউট হলে ভাঙে বড় হতে থাকা পঞ্চম উইকেট জুটি। এরপর গুরবাজও ফিরেছেন ৪০ রানে।

যদিও শেষদিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন মোহাম্মদ নবি। তাসকিনকে ১৮তম ওভারে তিন ছক্কা হাঁকান তিনি। যদিও সেই ওভারেই আউট হন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ২৫ বলে ৩৮ রান করেছেন তিনি। এছাড়া ১২ বলে অপরাজিত ১৭ রান করেন শরাফুদ্দিন আশরাফ।

ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের!

বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ডিপফেক ভিডিওর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন জানা যায়, মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট প্রচারের অভিযোগে তারা প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব এবং এর মূল সংস্থা গুগলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
তারা গুগল এবং অন্যদের কাছ থেকে ৪৫০,০০০ ডলার (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন। একই সঙ্গে এই ধরনের ডিপফেক ভিডিও শেয়ার করার উপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এই তারকা দম্পতি।
অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইউটিউবে প্রচারিত শত শত লিঙ্ক এবং স্ক্রিনশট, যেখানে এআই-এর মাধ্যমে তৈরি ভিডিওতে তাদের নিয়ে ‘ভয়াবহ’, ‘যৌন উস্কানিমূলক’ এবং ‘কাল্পনিক’ বিষয়বস্তু দেখানো হয়েছে।
আদালতে দেওয়া পিটিশনে তারা উল্লেখ করেছেন, ইউটিউবে এমন একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়, যেখানে তাদের ছবি ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর এবং মানহানিকর উপায়ে চিত্রিত করা হচ্ছে।
এর উদাহরণ হিসেবে আবেদনে ‘অভিষেক বচ্চন হঠাৎ কোনো চলচ্চিত্র অভিনেত্রীকে চুম্বন করছেন’ বা ‘ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং সালমান খান একসঙ্গে ডিনার করছেন’—এমন মনগড়া ভিডিওর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনকারী তারকা দম্পতি যুক্তি দেন, এই জাতীয় ভিডিওগুলো কেবল তাদের সুনামকেই আঘাত করছে না, বরং এটি তাদের গোপনীয়তার মৌলিক অধিকারেরও মারাত্মক লঙ্ঘন।

বন্দরে বর্ধিত মাশুল ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর

এক মাস স্থগিত রাখার পর ১৪ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে বিভিন্ন সেবাখাতে বাড়ানো ট্যারিফ (মাশুল) আদায়ের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দরের অর্থ ও হিসাবরক্ষণ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা মো. আবদুস শাকুরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৪ অক্টোবর রাত ১২টার পর চট্টগ্রাম বন্দরে আসা সব জাহাজ, কনটেইনার ও কার্গো বিল নতুন রেট অনুযায়ী নেওয়া হবে। একইভাবে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধিসহ সব বন্দর ব্যবহারকারী বর্ধিত হারে মাশুল পরিশোধ করবেন। তালিকাভুক্ত সব শিপিং এজেন্টকে তফসিলি ব্যাংকে তাদের হিসাব নম্বরে বর্ধিত হারে যথাযথ অর্থের সংস্থান রেখে আসা জাহাজের ছাড়পত্র (এনওসি) নিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বন্দরের বিভিন্ন সেবাখাতে সর্বোচ্চ ৪১ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়ার মুখে নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা ২০ সেপ্টেম্বর তা এক মাসের জন্য স্থগিত রাখেন।

বন্দরে বর্তমানে ৫২টি খাতে মাশুল আদায় হয়। এর মধ্যে ২৩টি খাতে সরাসরি নতুন হারে ট্যারিফ কার্যকর করা হচ্ছে। গেজেট অনুযায়ী ভাড়া, টোল, ফি ও মাশুল ডলারের বিনিময়মূল্যের ভিত্তিতে আদায় করা হবে। প্রতি ডলারের হার ধরা হয়েছে ১২২ টাকা। হার বাড়লে মাশুলও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে।

সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি হয়েছে কনটেইনার পরিবহন খাতে। প্রতি ২০ ফুট কনটেইনারে মাশুল ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২৪৩ টাকা, যা আগের ১১ হাজার ৮৪৯ টাকা। এতে গড়ে প্রায় ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। আমদানি কনটেইনারে ৫ হাজার ৭২০ টাকা এবং রপ্তানি কনটেইনারে ৩ হাজার ৪৫ টাকা বেশি দিতে হবে। এ ছাড়া প্রতিটি কনটেইনার ওঠানামার ক্ষেত্রেও প্রায় ৩ হাজার টাকা বাড়তি খরচ যুক্ত হবে। ফলে সামগ্রিকভাবে কনটেইনার পরিবহনে ২৫ থেকে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়বে।