Home Blog Page 312

২০০৬’র পর জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য ধূমপান নিষিদ্ধ মালদ্বীপে

চলতি মাসে মালদ্বীপ এক যুগান্তকারী তামাকবিরোধী আইন কার্যকর করেছে। যার মাধ্যমে দেশটিতে ২০০৬ সালের পর জন্ম নেওয়া যে কারো জন্য ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো দ্বীপরাষ্ট্রটিকে ধীরে ধীরে একটি ‘তামাকমুক্ত প্রজন্ম’-এর দিকে নিয়ে যাওয়া।

নতুন আইনের অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা এর পর জন্মগ্রহণকারী কোনো ব্যক্তি মালদ্বীপে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার, ক্রয় বা বিক্রয় করতে পারবে না। এই নিয়ম কেবল মালদ্বীপের নাগরিকদের জন্যই নয় বরং বিদেশি পর্যটক ও দর্শনার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। পুরো দেশে যাতে একইভাবে আইনটি কার্যকর থাকে এ বিষয়ে কঠোর পর্যবেক্ষণ করবে দেশটির প্রশাসন।

আইন অনুযায়ী, তামাক বিক্রির আগে বিক্রেতাদের ক্রেতার বয়স ও জন্মতারিখ যাচাই করতে হবে। নিয়ম ভঙ্গ করলেই বিক্রেতাদের জরিমানা ও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

সরকার জানিয়েছে, ২০০৬ সালের পর জন্ম নেওয়া কেউ কখনো আইনত তামাকজাত দ্রব্য পাবে না। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।

এই নতুন আইনের অংশ হিসেবে সরকার ই-সিগারেট ও ভেপিং ডিভাইসের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তরুণদের মধ্যে এসব ডিভাইসের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার রোধ ও নিকোটিন আসক্তি কমানোই এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

দেশের সব হাসপাতালে সাপের কামড়ের ওষুধ অ্যান্টিভেনম পাঠাতে নির্দেশ

হাইকোর্টের নির্দেশে সাপের কামড়ের জন্য দেয়া অ্যান্টিভেনম দেশের সব উপজেলার হাসপাতালে পাঠাতে সিভিল সার্জনদের নির্দেশ দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। শনিবার সকালে এ নির্দেশ দেয়া হয়।

এর আগে ১৮ আগস্ট সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম দেশের সব উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্বাস্থ্য সচিব, ওষুধ প্রশাসন অধিপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

১৭ আগস্ট সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম দেশের সব উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে সরবরাহের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন অ্যাডভোকেট মীর এ কে এম নুরুন্নবী। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে এ রিট করা হয়।

পত্রিকায় প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়, সারা দেশে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত সাপের কামড়ে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই পাঁচ মাসে সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন ৬১০ জন।

নতুন ১৬ নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার বিষয়ে দাবি-আপত্তি চেয়ে ইসির গণবিজ্ঞপ্তি

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আবেদন যথাযথভাবে যাচাই করে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কারো বিরুদ্ধে কোনো দাবি, আপত্তি ও অভিযোগ থাকলে তা দাখিলের আহ্বান করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শনিবার (৮ নভেম্বর) এক সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আবেদন যথাযথভাবে যাচাই করে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কারো বিরুদ্ধে কোনো দাবি, আপত্তি ও অভিযোগ থাকলে তা দাখিলের আহ্বান করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ শনিবার এক সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক আশাদুল হক জানান, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ২৭ নভেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিতভাবে জানাতে হবে। কারো বিরুদ্ধে কোনো দাবি/আপত্তি/অভিযোগ থাকলে স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ আপত্তিকারীর নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর উল্লেখ করে ৬ (ছয়) সেট আপত্তি দাখিল করতে হবে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আপত্তির শুনানি শেষে তা গ্রহণ বা বাতিল সম্পর্কে সিদ্ধান্ত দেবে ইসি। এ বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। গণবিজ্ঞপ্তিটি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে (www.ecs.gov.bd) পাওয়া যাবে।

পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধনযোগ্য ১৬টি বেসরকারি সংস্থা হচ্ছে, এসো জাতি গড়ি (এজাগ), নেত্রকোণা সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এনএসডিও), ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর-ডরপ, হেল্প সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন, কেরানীগঞ্জ হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (ডিএমইউএস), রুরাল ইকোনোমিক সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (রেসডো), রাসটিক (রুরাল আনফরচুনেটস সেফটি তালিসম্যান ইল্যুমিনেশন কটেজ, বাঁচতে শেখা, পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা), ইন্টারন্যাশনাল আসফ লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন, মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মাউক), বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেনা অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস (বি-স্ক্যান), যুব একাডেমি, এসডিএস (শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি) এবং উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় ৬৬টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেয় নির্বাচন কমিশন। সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন একইসঙ্গে আরও ১৬টি পর্যবেক্ষক সংস্থার বিষয়ে দাবি/আপত্তি/অভিযোগ চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ পরে জানান, প্রাথমিক বাছাইয়ের পর আপত্তি ওঠায় ৭টি সংস্থাকে নিবন্ধন দেওয়া হয়নি। ৬৬টি দেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেওয়া হল। আবেদন করায় আরও ১৬টি সংস্থার বিষয়ে দাবি-আপত্তি জানতে চেয়ে ১৫ কার্যদিবস সময় দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

সৌদিতে ২১ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে প্রায় ২১ হাজারের বেশি প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৩ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ওই প্রবাসীদের গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। রোববার সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে বলে খবর দিয়েছে গালফ নিউজ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অবৈধ প্রবাসীদের বিরুদ্ধে সৌদিজুড়ে চলমান ধরপাকড় অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে ২১ হাজার ৬৫১ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১২ হাজার ৭৪৫ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনে ৪ হাজার ৫৭৭ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৪ হাজার ৩২৯ জন রয়েছেন। দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থা যৌথ অভিযান চালিয়ে এই প্রবাসীদের গ্রেপ্তার করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় গ্রেপ্তার হয়েছেন এক হাজার ৬৮৯ জন। তাদের মধ্যে ইয়েমেনি ৪৬ শতাংশ, ইথিওপিয়ান ৫৩ শতাংশ এবং অন্যান্য দেশের ১ শতাংশ নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া অবৈধ উপায়ে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টার সময় আরও ৫৯ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একই সময়ে আবাসন ও কর্মবিধি লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন এবং আশ্রয় দেওয়ায় সৌদিতে বসবাসরত ২১ ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে ৩১ হাজার ৮২৬ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০ হাজার ১৫১ জন পুরুষ এবং এক হাজার ৬৭৫ জন নারী।
গ্রেপ্তারকৃত প্রবাসীদের মধ্যে ২১ হাজার ৯৮০ জনকে দেশে ফেরত পাঠানোর আগে ভ্রমণের প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের জন্য তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও ৫ হাজার ১০ জনকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৯ জনকে ইতোমধ্যে সৌদি আরব থেকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে অবৈধভাবে প্রবেশে সহায়তার চেষ্টাকারী ব্যক্তির ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানার বিধান রয়েছে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে বারবার সতর্ক করে দিয়ে আসছে।
প্রায় ৩ কোটি ৪৮ লাখ মানুষের দেশ সৌদি আরব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ অভিবাসী শ্রমিক সৌদিতে কর্মরত রয়েছেন। সৌদি আরবের স্থানীয় গণমাধ্যম নিয়মিতভাবে দেশটিতে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন ধরপাকড় অভিযান ও অবৈধ প্রবাসীদের আটকের খবর প্রকাশ করছে।

যেভাবে শরীরের অতিরিক্ত প্রোটিন কমাবেন

ডায়াবেটিস হচ্ছে একটি নীরব ঘাতক। আপনার শরীরে ঠিকমতো ইনসুলিন তৈরি না হলে এ সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। আর নারীরা গর্ভাবস্থায় থাকলে তখন টাইপ-৩ ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। প্যানক্রিয়াসে তৈরি ইনসুলিন নামক এই হরমোনকে ডায়াবেটিসের জন্য শত্রু হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে আপনার শরীরে ইনসুলিনের উৎস যদি ঠিক থাকে, তাহলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আর একবার শরীরে ডায়াবেটিস আক্রমণ করলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সুগারের স্তর শরীরে নানা ধরনের ক্ষতিসাধন করে থাকে। যেমন কিডনির রোগ, হার্টের রোগ ও চোখের সমস্যা ইত্যাদি। এ ছাড়া হাই ব্লাডসুগার শরীরে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে থাকে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে এটি বড়সড় সমস্যার সৃষ্টি করে ৷ এটি আপনার শরীরের ত্বকেরও  ক্ষতি করে।
তবে ডায়াবেটিস নামক এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সে জন্য আপনার শরীরের প্রোটিনের উৎস কমাতে হবে। আর শরীরে ব্লাডসুগারের স্তর নিয়ন্ত্রিত থাকলে ভালো থাকে শরীর। নানা ধরনের সমস্যার হাত থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়। এর জন্য সকালে নাশতার আগে এক চামচ ঘি কিংবা নারিকেল তেল খেতে পারেন। আর রাতে ভিজিয়ে রাখা বাদাম ও দানাশস্য খেতে পারেন সকালে। এই বিশেষ খাবার খেলে ডায়াবেটিসের মতো গম্ভীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুগার নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যদিও ডায়াবেটিসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই কিংবা ডায়াবেটিস কখনই নির্মূল করা যায় না। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলেছেন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট সেবন করলে ব্লাডসুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এক মাস ধরে প্রতিদিন দই খেলে শরীরে যা ঘটে

মানুষ যত বেশি মানুষ স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের দিকে ঝুঁকছে, প্রোবায়োটিক যুক্ত দই তত বেশি সবার মনোযোগ পাচ্ছে। উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকার কারণে এটি শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে কাজ করে। নিয়মিত টক দই খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। আপনি যদি এক মাস ধরে প্রতিদিন এক বাটি দই খান, তাহলে কী হতে পারে? চলুন জেনে নেওয়া যাক, এক মাস ধরে প্রতিদিন একবাটি দই খেলে শরীরে কী ঘটে-
১. হজম উন্নত করে
প্রোবায়োটিক যুক্ত দই হজম ব্যবস্থা ভালো রাখে। ২০২২ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই যোগ করলে তা পেট ফুলে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং সামগ্রিক হজমের অস্বস্তি দূর করতে সাহায্য করে। ধীরে ধীরে আপনি হালকা পেট এবং আরও নিয়মিত হজম লক্ষ্য করতে পারবেন।
ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়াম সহ দইতে উপস্থিত প্রোবায়োটিকগুলো অন্ত্রের আস্তরণকে সহায়তা করে এবং শরীরকে সঠিকভাবে খাবার প্রক্রিয়াকরণে কাজ করে। উন্নত হজমশক্তি পরবর্তী উপকারিতাগুলোর ভিত্তি স্থাপন করে।
২. ত্বকের জন্য উপকারী
অন্ত্র এবং ত্বকের মধ্যে একটি শক্তিশালী সংযোগ রয়েছে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে যে দই ভেতর থেকে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ২০১৫ সালের একটি গবেষণাপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রোবায়োটিক অন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রেখে ব্রণ-প্রবণ ত্বককে পরোক্ষভাবে সাহায্য করে।
দইয়ে ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং প্রোটিনও থাকে যা হাইড্রেশন এবং স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পূর্বের সুবিধা থেকে হজমশক্তি উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার ত্বক আরও শান্ত এবং প্রাকৃতিকভাবে পুষ্ট হয়ে উঠবে।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে
একটি সুস্থ অন্ত্র উন্নত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ২০১৪ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, দইয়ের ভালো ব্যাকটেরিয়া উপকারী জীবাণুর বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সহায়তা করে।
প্রতিদিন দই খাওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আপনি ছোটখাটো সংক্রমণ বা মৌসুমী শ্বাসকষ্ট কমে আসতে দেখবেন। মসৃণ ও কার্যক্ষম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনাকে দীর্ঘ সময় সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ইজতেমা: ধর্ম উপদেষ্টা

০
আগামী বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন।
রোববার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তাবলিগের দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, যেহেতু সামনে নির্বাচন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন নিয়ে এখন ব্যস্ত, নির্বাচনের আমেজ শুরু হয়েছে। ইজতেমা করতে গেলে অনেক মানুষের সমাগম, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জড়িত থাকার বিষয় আছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ইজতেমা হবে নির্বাচনের পর।
ইজতেমা পেছানোর বিষয়ে যৌক্তিকতা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের আগে এত বড় একটা সমাবেশ, যেখানে বিদেশি মেহমানরাও থাকেন। এই ঝুঁকিটা সরকারের জন্য নেওয়া উচিত হবে না মনে করে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, ইজতেমা যে নির্বাচনের পরে হবে, সেই বিষয়ে উভয়পক্ষ তিন উপদেষ্টার সামনে সম্মতি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন যদি ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনের মধ্যে হয়, এরপর রমজানে তো আর হচ্ছে না, হয়তো রমজানের পর (ইজতেমা) হবে। তবে দুই পক্ষ কবে ইজতেমা করবে, সে সিদ্ধান্ত দুই পক্ষের সঙ্গে বসে নিতে হবে। তবে নির্বাচনের পর সুবিধাজনক সময়ে তারিখ নির্ধারিত হবে। তবে সময়টা এখনো ঠিক হয়নি।
দুই পক্ষ আলাদাভাবে ইজতেমা করবে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে ইজতেমা একসঙ্গে হওয়ার সুযোগ নেই। পরিস্থিতি এমন দিকে গড়িয়েছে যে আলাদা আলাদাই হবে।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন পেছানোর এই মুহূর্তে কোনো পরিকল্পনা নেই। যদি এ রকম কোনো পরিস্থিতি দেখা দেয়, তবে আমরা আবার বসব, কথা বলব—কী করা যায় তখন। নির্বাচন সঠিক সময়ে হবে, এভাবেই আমরা এগোচ্ছি।

ফেসবুকে ভুয়া চাকরির ফাঁদ থেকে সাবধান

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে নতুন এক প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা। ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তারা ব্যবহারকারীদের ফেসবুক লগইন তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা সাবলাইম সিকিউরিটি।
সম্প্রতি হ্যাকরেড–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতারকরা কেএফসি, রেড বুল, এমনকি ফেরারির মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের নামে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করছে। এসব বিজ্ঞাপন দেখতে সত্যিকার চাকরির বিজ্ঞাপনের মতোই, কিন্তু আসলে তা একটি ফিশিং ফাঁদ।
গবেষকদের তথ্যে জানা যায়, প্রথমে ভুক্তভোগীদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব পাঠানো হয়। ওই ইমেইলে এমন ভাষা ব্যবহার করা হয় যা অনেক সময় বড় ভাষা মডেল বা এআই ব্যবহার করে তৈরি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইমেইলে থাকা একটি লিংকে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীকে নিয়ে যাওয়া হয় একটি নকল নিরাপত্তা যাচাই পেজে। সেখান থেকে আবার রিডিরেক্ট করে এমন এক ওয়েবসাইটে পাঠানো হয় যা দেখতে হুবুহু জনপ্রিয় চাকরি অনুসন্ধান প্ল্যাটফর্মের মতো।
এরপর ব্যবহারকারীকে নির্দেশ দেওয়া হয় ইমেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করতে। ফেসবুক লগইন বেছে নিলে দেখা যায় একটি ‘লোডিং প্রগ্রেস বার’ যা কখনোই শেষ হয় না। এই সময়েই তাদের ফেসবুক ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে নেয় প্রতারকরা।
গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের প্রতারণা সাধারণত অচেনা ইমেইল ঠিকানা, অস্বাভাবিক ওয়েবসাইট ইউআরএল, কিংবা ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের সঙ্গে মিলহীন লিংক দ্বারা চিহ্নিত করা সম্ভব।
এর আগেও একই ধরনের প্রতারণা চালানো হয়েছিল মাইক্রোসফট ৩৬৫ ও গুগল ওয়ার্কস্পেস ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে। সেখানে ভুয়া গুগল চাকরির বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ব্যবহারকারীদের লগইন তথ্য চুরি করা হয়েছিল।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, চাকরির বিজ্ঞাপন বা ইমেইল পেলে সেটির উৎস যাচাই করা জরুরি। অচেনা লিংকে ক্লিক না করে সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে যাচাই করতে হবে বিজ্ঞাপনটি আসল কি না।
এ ছাড়া টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু থাকলে ফেসবুক বা অন্যান্য অ্যাকাউন্ট অনেকাংশে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

পুরোনো প্রেমে মজেছেন হানিয়া

০
পাকিস্তানি মডেল-অভিনেত্রী হানিয়া আমির শুধু তার অভিনয়ের জন্যই নয়, ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকেন। পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে অসংখ্য ভক্ত রয়েছে তার। এবার আবারও পুরোনো প্রেম নিয়ে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন এই অভিনেত্রী।
একসময় পাকিস্তানি গায়ক অসীম আজহারের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছেন হানিয়া। ২০১৮-২০১৯ সাল পর্যন্ত তারা পাকিস্তানি শোবিজের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ছিলেন। তবে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং ২০২০ সালে হানিয়া প্রকাশ্যে জানান, ‘আমরা শুধু ভালো বন্ধু।’ এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, অসীম বাগদানও সেরেছিলেন অভিনেত্রী মেরুব আলীর সঙ্গে।
কিন্তু সম্প্রতি হানিয়া আমির ও অসীম আজহারকে একাধিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন ডালপালা মেলেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া বেশকিছু ভিডিও ও ছবি এই গুঞ্জনকে আরও জোরালো করেছে।
অসীম তার ২৯তম জন্মদিনের আগে ঝাপসা একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন, যেখানে নেটিজেনরা হানিয়ার উপস্থিতি খুঁজে পেয়েছেন। অনেকে এটিকে তাদের নতুন সম্পর্কের ‘সফট লঞ্চ’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
এ ছাড়াও অসীমের জন্মদিনের ব্যক্তিগত উদযাপনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে হানিয়া ও অসীমকে একই স্থানে দেখা গেছে। যদিও তারা একসঙ্গে ছবি তোলেননি, তবে অন্য একটি ছবিতে তাদের একসঙ্গে বসে খাবার খেতে দেখা গেছে বলে দাবি করছেন অনেকে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুর দিকে মেরুব আলীর সঙ্গে তিন বছরের বাগদান ভেঙে দেন অসীম। এরপর গত আগস্টে অসীমের কনসার্টে হানিয়ার উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠতা দেখে নেটিজেনরা দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে ভুল করছেন না।
কয়েকটি পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমও দাবি করেছে, হানিয়া-অসীম আবারও সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেননি হানিয়া বা অসীম কেউই।

পুঁজিবাজারে পাঁচ ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন বন্ধ

একীভূতকরণের প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। ফলে পুঁজিবাজারে এখন থেকে ব্যাংকগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুই পুঁজিবাজার তাদের ওয়েবসাইটে ঘোষণা দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে।
শেয়ার লেনদেন স্থগিত হওয়া ব্যাংকগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।
লেনদেন স্থগিত করার কারণ হিসেবে ডিএসই থেকে জানানো হয়েছে, ব্যাংক রেজোলিউশন অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ধারা ১৫ অনুসারে ৫ নভেম্বর থেকে ব্যাংকগুলোকে অকার্যকর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
ডিএসই আরও জানিয়েছে, ব্যাংকগুলো জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ নভেম্বর চিঠির মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছে ব্যাংকগুলো এখন থেকে ব্যাংক রেজোলিউশন অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুসারে পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আরেকটি চিঠির মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদও ভেঙে দিয়েছে।
এদিকে গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির মূল্য এখন শূন্যের নিচে। ফলে শেয়ারগুলোর ভ্যালু জিরো হিসেবে বিবেচিত হবে। কাউকে কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না।
কোন ব্যাংকে সাধারণ বিনিয়োগকারীর মালিকানা কতটুকু
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে শেয়ার সংখ্যা রয়েছে ১২০ কোটি ৮১ লাখ। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশ ৬৫ শতাংশের বেশি। এর বাইরে প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে আরও ২৯ শতাংশ। মাত্র ৬ শতাংশ শেয়ার কোম্পানি উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে রয়েছে।
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ৯৮৭ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে শেয়ার রয়েছে ৯৮ কোটি ৭৪ লাখ। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যা প্রায় ৩২ শতাংশ। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৩ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে। উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের অংশ মাত্র ১৫ শতাংশ।
ইউনিয়ন ব্যাংকের ১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে শেয়ার সংখ্যা ১০৩ কোটি ৬৩ লাখ। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা প্রায় ৩২ শতাংশ। এর বাইরে প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারী রয়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের অংশ ৫৪ শতাংশ।
এক্সিম ব্যাংকের ১ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে শেয়ার সংখ্যা রয়েছে ১৪৪ কোটি ৭৬ লাখ। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৩৯ শতাংশ। আর প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৯ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা। কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে মাত্র ৩২ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা।
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১ হাজার ১৪০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে শেয়ার সংখ্যা ১১৪ কোটি ২ লাখ। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ১৯ শতাংশ। প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৬৯ শতাংশ। উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের মালিকানা মাত্র ১২ শতাংশ।