Home Blog Page 315

গণতন্ত্রে ফেরার একমাত্র পথ অবাধ নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

০
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ফেরার একমাত্র পথ হলো সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আর বিকল্প কোনো পথ নেই। তিনি বলেন, কয়েকজন মিলে আইন করলে গণতন্ত্র হয় না।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্বৈরাচারবিরোধী গণ-আন্দোলনে শহীদ নাজিরউদ্দিন জেহাদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করেন নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা।
মির্জা ফখরুল বলেন, যতই সংস্কার করি বা বুদ্ধিজীবীরা মিলে কৌশল আবিষ্কারের চেষ্টা করি, নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা না করা পর্যন্ত গণতন্ত্রে ফিরে যেতে পারব না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রকামী ও স্বাধীনতাকামী। তারা বারবার লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে এবং রক্ত দিয়েছে স্বাধীনতার জন্য। দুর্ভাগ্য হচ্ছে সেই লড়াইয়ে মানুষ বারবার হোঁচট খেয়েছে। তবে যতবার হোঁচট খেয়েছে, ততবারই উঠে দাঁড়িয়েছে এবং আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিজয় অর্জন করেছে।
হাসিনাকে শুধু ‘হাসিনা’ বললে একটু সম্মান দেওয়া হয়ে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, দানব হাসিনা দেশের সমস্ত কিছুকে তছনছ করে দিয়েছে। দেশের বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন, নির্বাচন ব্যবস্থা, আমাদের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা- সমস্ত জায়গা সে তছনছ করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, কিছু কিছু মানুষ বা সংগঠন জুলাই আন্দোলনকে নিজেদের আন্দোলন বলে দাবি করে। অথচ গণতন্ত্রের জন্য বিএনপি দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই করেছে।
এনসিপিকে শাপলা মার্কা না দিলে ধানের শীষ বাতিল করতে হবে—দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ভাই, আমরা তো তোমাদের মার্কাতে বাধা দিইনি। কোন মার্কা তোমাদের দেবে, তা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। অযথা বিএনপির ধানের শীষকে নিয়ে টানাটানি কেন? কারণ ধানের শীষ অপ্রতিরোধ্য। সারা দেশে ধানের শীষের স্লোগান উঠেছে।
ধানের শীষকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ধানের শীষ জিতে গেলে বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা চলে যেতে বাধ্য হবে।

 

নোবেল না পেলেও শান্তির জন্য কাজ করে যাবেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কার না দেওয়ায় নোবেল কমিটির সমালোচনা করেছে দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজ।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ভেনেজুয়েলর বিরোধী দলের আপোষহীন নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউজ এর প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, শান্তির বদলে রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়ে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাম্প নোবেল না পেলেও তিনি শান্তির জন্য কাজ করে যাবেন।
বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ বলেছে, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তি চুক্তি, যুদ্ধ বন্ধ, জীবন রক্ষার কাজ অব্যাহত রাখবেন। তার রয়েছে একটি মানবিক হৃদয়। তার মতো আর কেউ হবে না, যিনি তার নিজের ইচ্ছার শক্তিতে পর্বতকে নড়াতে পারেন। নোবেল কমিটি প্রমাণ করেছে তারা শান্তির বদলে রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়েছে।”
বার্তাসংস্থা এএফপিকে মারিয়া কোরিনার প্রেস টিম একটি ভিডিও পাঠিয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, ভেনেজুয়েলার আরেক বিরোধী দলীয় নেতা এডমুন্ডো গঞ্জালেজ উরুতিয়া নোবেলজয়ী মারিয়াকে ফোন করেছেন। ওই ফোনেই মারিয়া তার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
মারিয়া কোরিনো বলেছেন, ‘আমি অবাক’। জবাবে গঞ্জালেজ বলেন, ‘আমরাও অবাক এবং আনন্দিত’। এরপর ৫৮ বছর বয়সী মারিয়া বলেন, ‘এটি কি, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না’
ভেনেজুয়েলার সরকারের রোষানলের কারণে তিনি লুকিয়ে আছেন। এ কারণে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারেননি তিনি।
ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশটিকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে একনায়কতন্ত্র থেকে গণতান্ত্রিক পথে নেওয়ার আন্দোলনের জন্য তাকে নোবেল দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।

 

ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার উৎসর্গ করলেন মাচাদো

ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শুক্রবার ভেনিজুয়েলার জনগণকে ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার নোবেল শান্তি পুরস্কার উৎসর্গ করেছেন। তিনি তার দেশের গণতন্ত্র আন্দোলনে ‘সিদ্ধান্তমূলক সহায়তার’ জন্য ট্রাম্পের প্রশংসা করেন।
তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘আমি এই পুরস্কারটি উৎসর্গ করছি ভেনিজুয়েলার দুঃখভোগী জনগণকে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে, আমাদের আন্দোলনের প্রতি তার সিদ্ধান্তমূলক সহায়তার জন্য!’
তিনি আরো লেখেন, ‘আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি এবং আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। আমরা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অর্জনের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, মার্কিন জনগণ, লাতিন আমেরিকার দেশসমূহ এবং বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর বিশ্বাস রাখছি।
বামপন্থী একনায়ক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর কারচুপির অভিযোগে কলঙ্কিত নির্বাচনগুলোর পর থেকে এক বছর ধরে মাচাদো ভেনিজুয়েলায় আত্মগোপনে আছেন।
নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারলেও মাচাদো তার প্রতিনিধি সাবেক কূটনীতিক এডমুন্ডো গনজালেজ উরুতিয়ার পক্ষে প্রচার চালান, যাকে আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ বৈধ বিজয়ী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
নোবেল কমিটি তার ‘ভেনিজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সংগ্রামের’ স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার প্রদান করেছে।
৫৮ বছর বয়সী মাচাদো ভেনিজুয়েলার উপকূলে বিশাল মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েনের মতো মাদুরোর ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক চাপকে ‘গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ বলে সমর্থন জানিয়েছেন।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট এক্সে মাচাদোর সেই পোস্টটি শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি ট্রাম্পকে তার নোবেল উৎসর্গ করেন।
দুইবারের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হেনরিক ক্যাপ্রিলেসের মতো বিরোধী শিবিরের অন্যান্য নেতারাও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ক্যাপ্রিলেস এক্সে লিখেছেন, ‘এই স্বীকৃতি যেন আমাদের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আরো উৎসাহ জোগায় এবং আমাদের ভেনিজুয়েলাকে দুঃখ-কষ্টের অন্ধকার থেকে মুক্ত করে সেই স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনে, যার জন্য আমরা বহু বছর ধরে লড়ছি।’

 

ইসরাইল থেকে মুক্তি পেয়ে তুরস্কে পৌঁছালেন শহিদুল

গত ৮ অক্টোবর ফ্রিডম ফ্লোটিলার ‘কনশানস’ জাহাজ থেকে ইসরাইলি দখলদার বাহিনী অপহরণ করেছিল আলোকচিত্রী ও লেখক ড. শহিদুল আলমকে। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ইসরাইলের নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত কেৎজিয়েত কারাগারে। অবশেষে আজ সে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। ইসরাইল থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে ৬৯২১ ফ্লাইটে করে কিছুক্ষণ আগে তুরস্কে পৌঁছেছেন এই মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।
প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে বিষয়টি। সেখানে বলা হয়, ‘তুর্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ইসরায়েল থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশের খ্যাতনামা আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলমকে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।’
ইসরাইল থেকে শহিদুলকে মুক্ত করার বিষয়ে সহযোগিতা করেছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। এর জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এর আগে গত ৮ অক্টোবর শহিদুল আলমসহ ফ্রিডম ফ্লোটিলা নৌবহরের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও জাহাজের নাবিকদের অপহরণ করে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যায়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ইসরাইলের কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়। ইসরাইলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র কেৎজিয়েত কারাগার নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত। এখানে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয় বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অবশেষে সে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন শহিদুল আলম। শিগগিরই তিনি দেশে ফিরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

 

‘মশার উৎপাতে’ বন্ধ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

০
২৮ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২২ রানে ব্যাট করছিল ভারত। পরের ওভারেই ঝাঁকে ঝাঁকে মশা ঘিরে ধরে ক্রিজের আশপাশে থাকা ক্রিকেটারদের। স্ট্রাইকে থাকা জেমিমাহ রদ্রিগেজ কিংবা হার্লিন দেওল দুজনেই নাজেহাল হচ্ছিলেন। বাদ ছিলেন পাকিস্তানের হয়ে বোলিং প্রান্তে থাকা ক্রিকেটারসহ বাকিরা।

একপর্যায়ে স্পিনার নাশরা সান্ধুকে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। পরে ইশারা দিয়ে আনা হয় মশার স্প্রে। খেলা বন্ধ ছিল মিনিট কয়েক। ওই সময় মুনিবা আলি ও ফাতিমারা স্প্রে করতে করতে মজায় মেতে ওঠেন।
৩৪ ওভারের পর আবারও বিপত্তি। এবার পেশাদার কীটনাশক ছিটানো ব্যক্তিদের দিয়ে মাঠে স্প্রে করা হয়। ওই সময় মাঠের বাইরে অবস্থান করছিলেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। ফলে খেলা বন্ধ রাখা হয় ১৫ মিনিটের মতো।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল

০
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির আসনে বসছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এদিকে সহ-সভাপতির দুই পদে বসতে যাচ্ছেন সাবেক বিসিবি প্রধান ও আরেক সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ এবং প্রখ্যাত ক্রিকেট কোচ নাজমুল আবেদিন ফাহিম।
বিসিবি নির্বাচনে ক্যাটাগরি-১ থেকে ঢাকা বিভাগের দুই পরিচালক নির্বাচিত হন বুলবুল ও ফাহিম। ক্লাব পর্যায়ের ক্যাটাগরি-২ থেকে নির্বাচিত হন ফারুক আহমেদ।
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এই ৩ জনই পাচ্ছেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ দায়িত্ব। এর মধ্যে সভাপতি হিসেবে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন একজনই, আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তাই এখানেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে চলেছেন তিনি।
এদিকে সহ-সভাপতি হিসেবে যে দুটি পদ রয়েছে সেখানে ফারুক ও ফাহিম- এ ২ জনেরই প্রার্থিতা করার কথা রয়েছে। তাই সহ-সভাপতির পদ কাদের দ্বারা পূরণ হতে যাচ্ছে- তা-ও নিশ্চিত।
আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল দশটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এনএসসি কোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন এম ইসফাক আহসান ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক।
জেলা-বিভাগ কোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন
চট্টগ্রাম বিভাগ- আহসান ইকবাল চৌধুরি, আসিফ আকবর।
খুলনা বিভাগ- আব্দুর রাজ্জাক রাজ, জুলফিকার আলি খান।
ঢাকা বিভাগ- নাজমুল আবেদিন ফাহিম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
বরিশাল বিভাগ- সাখাওয়াত হোসেন।
সিলেট বিভাগ- রাহাত শামস।
রাজশাহী- মোখলেসুর রহমান।
রংপুর- হাসানুজ্জামান।
ঢাকার ক্লাব কোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন
ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু , ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান ও নাজমুল ইসলাম।
সাবেক ক্রিকেটার এবং বিভিন্ন সরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন খালেদ মাসুদ পাইলট।

শাপলা প্রতীক না পেলে কী করবে এনসিপি?

০
দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি। প্রতীক চূড়ান্ত হলে দলটিকে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে। কিন্তু প্রতীক ইস্যুতেই দুটি ভিন্ন অবস্থানে অনড় এনসিপি ও নির্বাচন কমিশন। দলের প্রতীক হিসেবে শুরু থেকেই শাপলা চেয়ে আসছে এনসিপি। তবে শাপলা রাজনৈতিক দলের জন্য তৈরি করা প্রতীকের তালিকাতেই নেই বলে জানাচ্ছে ইসি।
শাপলার বদলে গেজেটকৃত ৫০টি প্রতীকের থেকে যে কোনো একটিকে বাছাই করতে এনসিপিকে চিঠিও দিয়েছে কমিশন। তালিকা থেকে প্রতীক বাছাই করতে এনসিপিকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময়ও বেধে দিয়েছিল তারা। তবে, এনসিপি বলছে তাদের পছন্দের শাপলা প্রতীক না দেওয়া হলে নির্বাচন কমিশনের তালিকাভুক্ত ৫০টি প্রতীকের অন্য কোনোটিই নেবে না তারা।
শুধু তাই নয়, একই সাথে তারা নির্বাচন কমিশনের সাথে আর কোনো ধরনের যোগাযোগও না রাখার পক্ষে দলটি। দলটির কোনো কোনো নেতা অবশ্য এটিও বলেছেন যে তারা শাপলা ছাড়া অন্য কোনো মার্কা দিলে নির্বাচনেও অংশ নেবে না।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ইসি যদি শাপলা প্রতীক না দিয়ে স্বেচ্ছাচারী আচরণ করে তাহলে এই কমিশনের যে কোনো কার্যক্রমে আমাদের অনাস্থা থাকবে।’
নির্বাচন কমিশন বলছে, তারা রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য প্রতীক তালিকার যে নতুন গেজেট করেছে সেখানে শাপলা না থাকায় এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দেওয়ার সুযোগ নাই।
গতকাল সোমবার বাংলাদেশের কোনো কোনো গণমাধ্যমে এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দেওয়া হচ্ছে এমন খবরও প্রকাশ করা হয়।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নতুন প্রতীক তালিকার গেজেটে যেহেতু শাপলা নাই, সে কারণে এনসিপির শাপলা প্রতীক পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই কমে গেছে।’
এনসিপি কেন শাপলায় অনড়?
জাতীয় নাগরিক পার্টি রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য যখন ইসিতে আবেদন করেছিল তখন প্রতীক হিসেবে শাপলা, কলম ও মোবাইল চেয়েছিল। এর কয়েকদিন পরে আবার আরেকটি চিঠি দিয়ে দেয়। ওই সংশোধিত চিঠিতে শাপলা, লাল শাপলা অথবা সাদা শাপলা থেকে যেকোনো একটি প্রতীক চায় এনসিপি।
এনসিপি নেতাকর্মীদের অনেকে গত বেশ কয়েক মাস ধরেই শাপলা প্রতীকের দাবিতে বিভিন্ন প্রচার প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে একাধিকবার দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা পেতে নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠকও করেছে দলটি। তবে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ইসি গত ৩০শে সেপ্টেম্বর এনসিপিকে যে চিঠি পাঠায়, সেই চিঠিতে বলা হয়, ৭ই অক্টোবরের মধ্যে ইসির তালিকাভুক্ত ৫০টি প্রতীক থেকে পছন্দ যে কোনো একটি প্রতীক নেওয়ার জন্য।
একই সাথে ওই চিঠিতে জানানো হয় দলটির প্রথম পছন্দ ‘শাপলা’ বর্তমানে নির্বাচন পরিচালনার বিধিমালার তালিকায় নেই, তাই এটি বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ৫০টি মার্কার মধ্যে আলমিরা, খাট, উটপাখি, ঘুড়ি, কাপ-পিরিচ, চশমা, দালান, বেগুন, চার্জার লাইট, কম্পিউটার, জগ, জাহাজ, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মার্কা রয়েছে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ও আইন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মুসা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকালে তারা নির্বাচন কমিশনকে ইমেইলের মাধ্যমে চিঠির জবাব দিয়েছেন। এনসিপি ইসিকে জানিয়েছে, শাপলার বাইরে অন্য প্রতীক তারা গ্রহণ করবে না। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম স্বাক্ষরিক চিঠির সঙ্গে শাপলা প্রতীকের সাত ধরনের নমুনাও যুক্ত করে দেওয়া হয়।
মুসা বলেন, ‘যেহেতু শাপলা প্রতীক পেতে আমাদের কোনো আইনগত জটিলতা নেই, সে কারণে আমরা ইসিকে আমাদের আগের অবস্থানই পুর্নব্যক্ত করেছি। এনসিপি শাপলার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেবে না।’
এনসিপির কয়েকজন নেতা দাবি করেছেন, দলটিকে শাপলা প্রতীক দেওয়ার ব্যাপারে মূল আপত্তি একটি গোয়েন্দা সংস্থার, যে কারণে নির্বাচন কমিশন চাইলেও স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।

আগামীর বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজি থাকবে না: বিএনপি নেতা

০
বিএনপির ঢাকা বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশে কোনো প্রকার চাঁদাবাজি মাদক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থাকবে না। আগামীর বাংলাদেশ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার উপজেলার পাঁচরুখী এলাকায় তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, জননেতা তারেক রহমান লন্ডনে থেকেও দেশকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় সে ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছেন। তারেক রহমান জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে কাজ করে যাব। সবাই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া করবেন।

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে স্বর্ণের ভরি

০
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ৩ হাজার ১৫০ টাকা বেড়েছে।
আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭২৫ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার (৪ অক্টোবর) প্রতি ভরিপ্রতি দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ১৯৩ টাকা।
আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) থেকে এ দাম সমন্বয় করা হবে।

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে আমি স্বস্তিতে আছি: অর্থ উপদেষ্টা

০
অর্থনীতি স্বস্তিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে আমি স্বস্তিতে রয়েছি। সে জন্য আমরা মোটামুটি একটু আত্মবিশ্বাসী।
আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মূল্যস্ফীতি আগের চেয়ে নিয়ন্ত্রণে এসেছে, কিন্তু একটা সার্ভারে বলছে যে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা খারাপ। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান বা কয়দিন আগে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলো নেপালের অবস্থাও আমাদের চাইতে ভালো। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বেসটা যখন বড় হয় ১১-১৪ ছিল, তারপরে নামিয়ে ৮-এ এনেছি। ওটা যদি ৭ থাকতো, ওখানে যদি ৪-এ নামিয়ে আনতে পারতাম সবাই মহানন্দ হতো।
তিনি বলেন, আমাদের বেসটাই তো খারাপ ছিল। আমাদের এটাকে নামিয়ে আনা খুব ডিফিকাল্ট ছিল, তবুও আমরা নিয়ে এনেছি। এই জন্য কিন্তু আমরা এখনো অনবরত চাচ্ছি ফুড এবং নন ফুড কমাতে। নন ফুডটা একটু ডিফিকাল্ট। ননফুড বাস ভাড়া, তারপরে ট্রান্সপোর্ট, এনার্জির সঙ্গে রিলেটেড। তারপর আপনার অন্যান্য জিনিস, ইলেকট্রিসিটি বিষয় আছে।
আমেরিকার শুল্ক নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, শুল্ক অলরেডি ইফেক্টিভ। যে সিলিং দিয়েছে ওটা ইফেক্ট করে না। অলরেডি চার বিলিয়ন ডলার আমরা সার্বিকভাবে শো দিয়ে দিয়েছি।
নতুন পে স্কেল কি দিতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সেটা পরে এক সময় আমি দেখবো। যাওয়ার আগে এক সময় আমি বলবো।
এবার নির্বাচনের জন্য ৪২০ কোটি টাকা দিয়ে বডি ক্যামেরা কেনা হচ্ছে, এটা কি অপচায় মনে করছে না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপনার সেটা পরে বুঝতে পারবেন।
বিশ্বব্যাংক থেকে আজ বলা হয়েছে দারিদ্র্যের হার বেড়ে গেছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমি তাত্ত্বিক দিকে এখন যাবো না। দারিদ্র্য বেড়ে গেছে, দারিদ্র্য আছে প্রকৃত পক্ষে এগুলো বলতে হলে আমার অনেক বক্তব্য দিতে হবে। আমি তো জানি কীভাবে ওরা দারিদ্র্য মেজার করে। বেজ আছে, ক্লায়েন্ট আছে।
তিনি বলেন, আপনি ৫ হাজার লোকের টেলিফোন করে ইন্টারভিউ নিয়ে বললেন দারিদ্র্য বেড়ে গেছে, এগুলো তো আমি জানি। আমাকে একজন বলে স্যার আপনি একটা পেপার লেখেন, আমি বলে দিলে একটা ফার্ম ২০ হাজার রিপ্লাই দিয়ে দেবে আপনাকে কালকের মধ্যে। এগুলো রিলাবিলিটির ব্যাপার।