Home Blog Page 319

রাকান আর্মি বেঁচেই আছে মাদক বেচে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আরাকান আর্মি শুধু মাদক বিক্রি করে বেঁচে আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশে বর্তমানে প্রচুর মাদক প্রবেশ করছে, তবে আগের চেয়ে ধরা পড়ছে বেশি। নতুন নতুন ধরনের মাদকও আসছে এবং সেগুলো হোটেলগুলোতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আরাকান আর্মি বেঁচে আছে শুধু মাদক বিক্রি করে। তাদের প্রধান আয় মাদক থেকেই আসে। তারা মিয়ানমারের সীমান্ত দখল করে নিয়েছে। তবে ইদানীং তারা কৃষিকাজে ঝুঁকছে। সেটা হলে মাদকের প্রবাহ কিছুটা হলেও কমবে। বর্তমানে প্রতিদিন লাখ লাখ পিস ইয়াবা ধরা পড়ছে।
ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, উপাচার্যের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা ডাকসুতে ভোট দিচ্ছেন তারা সবাই শিক্ষিত সমাজের অংশ। প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররাও উচ্চশিক্ষিত। এটি জাতীয় নির্বাচনের মতো পুরোপুরি না হলেও একটি মডেল হিসেবে কাজ করছে।

ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি

অনেকদিন ধরেই কিডনির সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাধীন দেশবরেণ্য লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। সপ্তাহে দুই দিন নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে তাকে। গত ২ সেপ্টেম্বর নিয়মিত ডায়ালাইসিসের জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়; বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এই শিল্পী।

হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, ডায়ালাইসিসের পর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায় ফরিদা পারভীনের; তাই তাকে আইসি ইউতে নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু প্রক্রিয়া শেষে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। চিকিৎসকরা তখনই তাকে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের এমডি ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

এদিকে শিল্পীর ছেলে ইমাম নিমেরি জানিয়েছেন, ‘আম্মাকে ডায়ালাইসিস করতে নিয়ে যাই। পরে শরীর খারাপ হলে আইসিইউতে ভর্তি করতে হয়।’

উল্লেখ্য, ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। কিডনির পাশাপাশি ফুসফুস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও থাইরয়েড সমস্যাও রয়েছে তার। গেল মাসে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বেশ কিছুদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন, নিতে হয় আইসিইউ তেও। এবার ডায়ালাইসিসের পর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় ফের আইসিইউতে এই শিল্পী।

হামাসকে ট্রাম্পের ‘শেষ সতর্কবার্তা’

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে হামাসকে ‘শেষ সতর্কবার্তা’ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

এ সময় তিনি বলেন, জিম্মিদের মুক্তি দিতে হামাসকে অবশ্যই একটি চুক্তি মেনে নিতে হবে।

ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরাইল আমার শর্ত মেনে নিয়েছে। এবার হামাসকেও মানতে হবে। আমি হামাসকে সতর্ক করেছি, শর্ত না মানলে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এটি আমার শেষ সতর্কবার্তা।’

ট্রাম্প এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ কথা বলেন।

এর কিছুক্ষণ পরই প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, ‘তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনার টেবিলে বসতে’ প্রস্তুত।

এর আগে তারা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আমেরিকান পক্ষের কিছু প্রস্তাবের কথা’ বর্ণনা করে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের দূত স্টিভ উইটকফ গত সপ্তাহে হামাসকে গাজায় জিম্মি ও যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছেন।

হোয়াইট হাউস প্রস্তাব সম্পর্কে কোনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে রোববার রাতে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আপনারা খুব শীঘ্রই এটি সম্পর্কে জানতে পারবেন। কারণ তিনি এই আলোচনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করেছেন।’

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কিছু খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং ভালো কিছু ঘটতে পারে। আমি মনে করি, খুব শীঘ্রই গাজা নিয়ে আমাদের মধ্যে একটি চুক্তি হতে চলেছে।’

গত মার্চের শুরুতে ট্রাম্প হামাসকে একই রকম আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি হামাসের উদ্দেশে বলেছিলেন, অবিলম্বে বাকি সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে ও নিহত ব্যক্তিদের লাশ হস্তান্তর করতে হবে। যদি না হয়, ‘আপনার জন্য সবকিছু শেষ।’

ইসরাইলি প্রচারণা গোষ্ঠী হোস্টেজ অ্যান্ড মিসিং ফ্যামিলিজ ফোরাম মার্কিন প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ হস্তক্ষেপকে ‘সত্যিকারের অগ্রগতি’ বলে একে স্বাগত জানিয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে ঢুকে ভয়াবহ হামলা চালায় হামাস। এ সময় ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায় তারা। এর মধ্যে ৪৭ জন এখনো গাজায় আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের মধ্যে ২৫ জন নিহত। ইসরাইল তাদের লাশ ফেরত চাইছে।

নেপালে ‘জেন-জি’ আন্দোলনে পুলিশের গুলি, নিহত বেড়ে ১৪

নেপালে দুর্নীতি এবং বেশ কয়েকটি সামাজিক মাধ্যম অ্যাপের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পেড়েছে ‘জেন-জি’ আন্দোলন। এতে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের গুলি বর্ষণে অন্তত ১৪ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। সোমবার দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য হিমালয় টাইমস।
আন্দোলনে শতাধিক বিক্ষোভকারী, সাংবাদিক ও নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের অনেকেই রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জানা গেছে, নেপালের রাজধানীতে ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা কারফিউ ভেঙে সংসদের কাছের সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করার পর সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বানেশ্বর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কারফিউ জারি করেছে কাঠমান্ডুর জেলা প্রশাসন কার্যালয়। প্রধান জেলা কর্মকর্তা ছবি রিজালের সই করা কারফিউ ঘোষণায় জানানো হয়, স্থানীয় প্রশাসন আইন ২০২৮-এর ৬(এ) ধারা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবসহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বন্ধ রয়েছে।
এর আগে, এদিন সকালে রাজধানী কাঠমান্ডুর বাণেশ্বর এলাকায় প্রথম বিক্ষোভ শুরু হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে রাজধানীর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ দমন করতে রাজধানী কাঠমান্ডুতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত হচ্ছে বিক্ষোভকারীদের।

মব সৃষ্টি করে মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার সুযোগ নেই’

মব সৃষ্টি করে মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধকে ‘ছোট করার’ কোনো সুযোগ নেই বলে সতর্ক করে দিয়েছে সেনাবাহিনী। সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসে সেনাবাহিনীর এ অবস্থান তুলে ধরেন সামরিক অপারেশন পরিদপ্তরের কর্নেল স্টাফ শফিকুল ইসলাম।
সারাদেশে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম তুলে ধরতে বনানীতে স্টাফ রোডের মেসে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সেখানে মব সন্ত্রাসের নানা ঘটনা তুলে ধরে সেনাবাহিনীর বক্তব্য জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, গত এক বছর ধরে ধৈর্যের সঙ্গে এবং পরিশ্রমের সঙ্গে সরকার ও জনগণের জন্য আমরা কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা উন্নতি করা বা রক্ষা করা শুধু সেনাবাহিনীর কাজ নয়। মেজিস্টিসি পাওয়ার দেয়া হয়েছে; আমরা গ্রেপ্তার, আটক ও হস্তান্তর করতে পারি। কোনো সাজা দিতে পারি না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব অংশীদারকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। এরই মধ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করা শুরু হয়েছে। একত্রে কাজ করলে সামনের দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালো হবে বলে আশা করি।
মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি অন্তরের অন্তরস্থল থেকে। এ ধরনের শ্রদ্ধা-সম্মান আগেও যেমন করেছি, এখনও করি, ভবিষ্যতেও করব। কোনো মব বা কোনো কিছু দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার সুযোগ নেই।
মবের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরে এ সেনা কর্মকর্তা বলেন, যেখানে যখন মব হয়েছে, সেখানে দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে কয়েকটি জায়গায় সোর্স থেকে তথ্য পেতে দেরি হয়েছে। আর যেকোনো ঘটনা ঘটার পর সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যায়, তারপরে সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করা হয়, এর মধ্যেই কিছু হয়ে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায় নিতে পারে না।
মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বাসার সামনে ‘মব’ সৃষ্টির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা যখনই মেসেজ পেয়েছি, সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যরা ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে সেনাবাহিনীকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। তবে আমরা আমাদের মতো প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে আমরা প্রস্তুত আছি।
গুম কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী সব সহযোগিতা করা হয়েছে বা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করা হবে এ কথা জানিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে না বিষয়টি পুরোপুরি গুজব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সেনা সদরে ব্রিফিংয়ে কর্নেল শফিকুল ইসলাম আরো বলেন, ‘মায়ানমার সীমান্তে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া বা তাদের বিজিবি বা সেনাবাহিনীর ক্যাম্প সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সেনাবাহিনী।’
তিনি বলেন, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে কবর থেকে তুলে নুরাল পাগলার মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাজ করছে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, জনসাধারণের জন্য কাজ করার পরও সামাজিকে যোগাযোগ মাধ্যমে যদি আমাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধাচারণ করা হয় তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে অনেকেই সেনাবাহিনীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে কথা বলছেন।
ডাকসু নির্বাচনে সাইবার বুলিং হওয়ার যে অভিযোগ উঠছে, সংবাদ সম্মেলনে সে প্রসঙ্গও আসে।
এ বিষয়ে কর্নেল স্টাফ শফিকুল ইসলাম বলেন, ডাকসু নির্বাচনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই; আগেও বলেছি। তবে কিছু অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা হয়েছে। এই অপপ্রচারে কেউ কোনো সুবিধা করতে পারেনি।
ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুস্থ পরিবেশে গণতান্ত্রিক চর্চা হবে, এটাই চাওয়া বলে মন্তব্য করেন এ সেনা কর্মকর্তা।
অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হারানো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ শতাংশ।”
যত দ্রুত সম্ভব বাকি অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের পর অনানুষ্ঠানিকভাবে না বিষয়ে কথা বলেন সামরিক অপারেশন পরিদপ্তরের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।

যতো ভালো ঘুমাবেন, ততো আপনি সুস্থ থাকবেন

জীবনে সুস্থতা ও দীর্ঘায়ুর জন্য প্রথম কাজ হিসেবে ‘ঘুম’কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। তার মতে, ভালো ঘুমই হতে পারে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এমনকি বন্ধ্যত্বের মতো রোগ থেকে বাঁচার অন্যতম উপায়।
বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘আমার পরামর্শ একটাই—ঘুমান, ঘুমান এবং ঘুমান। যতো ভালো ঘুমাবেন, ততো আপনার জীবন দীর্ঘ হবে, ততো আপনি সুস্থ থাকবেন।’
তিনি আরও জানান, শুধু শারীরিক নয়, ঘুম মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত ঘুম মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়, মানসিক চাপ কমায় এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
তবে সমাজে ঘুম নিয়ে কিছু ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ‘আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা হলো, যে ব্যক্তি বেশি ঘুমায়, সে অলস। বিষয়টা মোটেও তা নয়। ঘুম মানুষের জীবনের এক নম্বর প্রয়োজন,’ বলেন ওই বিশেষজ্ঞ।
তার মতে, জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অভ্যাস হলো—প্রথমত ঘুম, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং তৃতীয়ত নিয়মিত ব্যায়াম।
স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিকদের প্রতি তার পরামর্শ, কাজের চাপে নিজের ঘুমকে অবহেলা না করে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। তাহলেই মিলবে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন।

বুলবুলকে ভোটের আগে চেয়ার ছাড়তে বললেন তামিম

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রিকেট পাড়ায় এখন উত্তাপ ছড়াচ্ছে। অক্টোবরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচন ঘিরে এরই মধ্যে জমে উঠেছে নানা বিতর্ক।
বর্তমান সভাপতি আমিনুল এবং সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিসিবির তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। এরপরই বেসরকারি এক টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল বর্তমান সভাপতি আমিনুলের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ওনার (আমিনুল) পদত্যাগ করে সভাপতির চেয়ার ছেড়ে দেওয়া উচিত। কারণ, এটা ফেয়ার থাকবে তার কোনো গ্যারান্টি নাই।’
তিনি আরও জানান, আমিনুল একজন সৎ ব্যক্তি, তাই তার উচিত নির্বাচনের এক মাস আগে পদত্যাগ করে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা। এতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠবে না।
এদিকে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করেছেন সভাপতি আমিনুল, যা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং সরকারের প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তামিম।
জানা গেছে, তামিম ক্লাব ক্যাটাগরিতে পরিচালক পদে লড়বেন। তার প্রাথমিক লক্ষ্য হলো পরিচালনায় যুক্ত হয়ে দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।
তবে, বাকি পরিচালকদের সমর্থন পেলে ভবিষ্যতে তিনি সভাপতির পদে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

 

তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে প্রেম, অতীত প্রসঙ্গে যা বললেন দীঘি!

বর্তমানে তুমুল আলোচনায় ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় করা একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর; আর সে থেকেই বেশ কয়েকদিন ধরে সংবাদের শিরোনাম তিনি।
এরপর থেকেই নানা অভিযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসে আফ্রিদির নাম। শোনা যায়, আফ্রিদি বিবাহিত, তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু একটা সময় এই তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গেই নাম জড়ায় চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদীন দীঘির। তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিস্তর আলোচনা তৈরি হয় শোবিজ অঙ্গনে। নেটিজেনরা ধরেই নিয়েছিলেন, এই জুটি হয়তো বিয়ের পিঁড়িতেও বসবেন। আদতে বর্তমানে তৌহিদ আফ্রিদির স্ত্রী অন্য কেউ।
যদিও আফ্রিদি ও দীঘি- দুজনেই নিজেদের সম্পকর্কে শুধু বন্ধুত্বের সম্পর্ক বলেই দাবি করে এসেছেন। কিন্তু ভক্তদের কৌতূহল তো কম নয়! সামাজিক মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে ওঠে ফের আলোচনা। তারই প্রেক্ষিতে সম্প্রতি ফের এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। জানালেন, বর্তমানে তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে কোনো যোগাযোগই নেই তার।
সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তৌহিদ আফ্রিদি প্রসঙ্গে নানা কথা বলেন দীঘি। আফ্রিদির সঙ্গে কিভাবে তার পরিচয়, তা জানিয়ে দীঘি বলেন, ‘মাই টিভির একটা প্রোগ্রামে সে অ্যাংকর ছিলো। ওখান থেকেই প্রথম দেখা, পরিচয়। তারপর ওই ইস্যুটা অনেক বেশি ভাইরাল হয়ে যায়। আমরা কেউ ভাবিনি ওটা এতো ভাইরাল হবে।’
নিজেকে দীঘির বয়ফ্রেন্ড দাবি করতেন তৌহিদ আফ্রিদি, এমন আলোচনা প্রসঙ্গে দীঘি বলেন, ‘আমরা কখনো এরকম কথা বলিনি। আমি তো বলিনি। আর ও তো আরো বেশি স্ট্রিক্ট ছিল ব্যাপারটাতে এবং একটা মোমেন্ট ছিল যে, যখন ব্যাপারটা অনেক বেশি বেড়ে যায়।’
দীঘি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমাদের পরিবারও বিব্রত হয়ে যায়। কারণ যে জিনিসটা নিয়ে আমরা অবগত না, কিংবা যে জিনিসটা আমাদের আশেপাশে কেন হবে, এরকম নিউজ কেন হবে? তখন এমন একটা সময় এসেছিল যে আমরা এক থেকে দেড় বছর কথাই বলিনি ঠিকমতো; দেখা করাও অফ করে দিয়েছি।’

আ. লীগ কর্মীরা এক জায়গায় বলে জয়, দেড়মাইল পরে বলে বাংলা’

মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস শুধু আওয়ামী লীগের উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তাদের কর্মীরা এক জায়গায় বলছে ‘জয়’, দৌড়াতে দৌড়াতে দেড়মাইল দূরে গিয়ে বলছে ‘বাংলা’… এই হলো তাদের অবস্থা। তারা যেন আর দাঁড়াতে না পারে, সে রাজনীতি করবে আগামীর নেতৃত্ব।
আজ রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে যার মাধ্যমে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে রমজানের একসপ্তাহে আগে অথবা তারও আগে নির্বাচন হতে পারে। এ পথে যারা কাঁটা বিছানোর চেষ্টা করছে, বিভিন্ন রকমের বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের সবার প্রতি নসিহত। দেশ এখন নির্বাচনী আবহে আছে, সারাদেশে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে।
এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক এবং বিভিন্ন বিষয়ে একমত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন মেজর ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে সিদ্ধান্ত দিলে, আগামী নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হবে। যে বিষয়গুলোতে ঐকমত্যে পৌঁছানে হবে, সেগুলোর বাস্তাবায়ন সংসদের মাধ্যমে হবে বলেও জানান তিনি।

 

দেশে থাকলে ভিক্ষা করে খেতে হতো: আহমেদ শরীফ

একসময়ের ঢালিউডের বর্ষীয়ান খলঅভিনেতা আহমেদ শরীফ সিনেমা জগতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এখন দূরপ্রবাসে জীবনযাপন করছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন এ খলঅভিনেতা। মনে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, যদি তিনি আজ বাংলাদেশে থাকতেন, তাহলে তাকে হাত পেতে ভিক্ষা করতে হতো।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিএফডিসিতে প্রয়াতশিল্পীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলে উপস্থিত হয়ে সেই কথা বলেন বর্ষীয়ান এ অভিনেতা।
এ খলঅভিনেতা বলেন, এখন শিল্পীদের অনেকেই ঠিকমতো দুই বেলা খেতে পারে না। চলচ্চিত্রে কজন মানুষ আছে যে, নিশ্চিত করে বলবে— তার দুই বেলা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে? নেই।
তিনি বলেন, যদি মিথ্যা না বলি তাহলে নেই। আজকে যদি আমি বাংলাদেশে থাকতাম, নিশ্চিত করে বলতে পারি আমাকে হাত পেতে লোকেদের কাছে ভিক্ষা করে খেতে হতো। বলতাম ভাই, আমার বাড়িতে খাবার নেই, বউ-বাচ্চাকে খাবার দিতে পারছি না, আমাকে টাকা দাও।
আহমেদ শরীফ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি দেশে এসেছেন। দেশের বাড়ি কুষ্টিয়ায় নিজ অর্থায়নে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন এ অভিনেতা। তার মতো অনেক শিল্পীই বিদেশে চলে যাচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে আহমেদ শরীফ বলেন, আজকে আমি দেখছি অনেক শিল্পী দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন। শুধু ফিল্ম নয়, টিভিরও অনেক শিল্পী চলে যাচ্ছেন। কারণ দেশে আনন্দ বিনোদন কিংবা নিশ্চিন্ত থাকারও সুযোগ নেই। আমরা চাই দেশ ভালো করুক, মঙ্গল করুক।
আগামী সরকারের কাছে শিল্পীদের জন্য নিশ্চিত জীবন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে এ খলঅভিনেতা বলেন, আমি আগামীতে যদি দেশে আসি সরকারের কাছে চাইব—শিল্পীদের নিশ্চিত ব্যবস্থা থাকতে হবে। শিল্পীরা নিশ্চিত ব্যবস্থা যেন পায় আমি সরকারের কাছে চাইব।