Home Blog Page 338

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহায়তা এবং বাংলাদেশে ব্যাপক বিনিয়োগের জন্য মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে কুয়ালালামপুরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. ইউনূস বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর আমাকে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এই ক্রান্তিলগ্নে আমার বন্ধু আনোয়ার ইব্রাহিমের সমর্থন আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।” তিনি জানান, দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং অর্থনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম সচল করা হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি চলছে।

রোহিঙ্গা সংকটকে ‘বড় সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা মালয়েশিয়ার কাছে সাহায্য চাই, বিশেষ করে আসিয়ান-এর সভাপতি হিসেবে তাদের ভূমিকা এখানে গুরুত্বপূর্ণ।”

বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি ও প্রযুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা এখানে পণ্য উৎপাদন করে বিশ্ববাজারে রপ্তানি করতে পারে। আমরা একটি করভিত্তিক ও উচ্চ প্রবৃদ্ধির অর্থনীতি গড়ে তুলতে চাই।”

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এর অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, উচ্চ শিক্ষা ও বাণিজ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট বিনিময় সম্পন্ন হয়।

এক ইনিংসে দেড়শ পেরোলেন তিন কিউই ক্রিকেটার

সিরিজের প্রথম টেস্টেও নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তা পায়নি জিম্বাবুয়ে। এবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বুলাওয়েতে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। এরপর কিউইরা রোডেশিয়ান বোলারদের নাস্তানাবুদ করে রানের পাহাড় গড়ে। দলীয় ছয়শ পেরিয়েছে তিন ব্যাটারের দেড়শ পেরোনো ইনিংসে। এর মাধ্যমেই বিশ্বরেকর্ড গড়ল নিউজিল্যান্ড।

দ্বিতীয় দিন শেষে কিউইদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৬০১ রান। ইতোমধ্যে প্রথম ইনিংসে তারা ৪৭৬ রানের লিড নিয়েছে। কতটা একপেশে ম্যাচ চলছে সেটি বলাই বাহুল্য। এক ইনিংসে তিন ব্যাটারের দেড়শ পেরোনো ইনিংস যৌথভাবে বিশ্বরেকর্ড। এমন ঘটনা টেস্ট ইতিহাসে আরও দু’বার দেখা গেছে। তবে গত ৩৯ বছরে এবারই প্রথম এক ইনিংসে দেড়শ পেরোলেন তিনজন।

গতকাল (শুক্রবার) কিউই ব্যাটারদের সামনে রীতিমতো অসহায় ছিলেন ‍জিম্বাবুইয়ান বোলাররা। তাদের পক্ষে তিনজন ১টি করে উইকেট নিলেও তাদের প্রত্যেকেই একশ’র বেশি রান খরচ করেছেন। সবমিলিয়ে রানের বন্যা থামাতে ৭ বোলার আক্রমণে আসতে হয়েছে জিম্বাবুয়ের। তবে তাদের সেভাবে সাফল্য পাওয়া হয়নি। কিউইদের পক্ষে দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও উইল ইয়াং মিলে উদ্বোধনী জুটিতেই ১৬২ রান করেন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ ও তৃতীয় উইকেটে আসে ১১০ রান।

দিনের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা হেনরি নিকোলস ও রাচিন রবীন্দ্র’র জুটি চলমান আছে ২৫৬ রানে। রাচিন ১৩৯ বলে ২১টি চার ও দুই ছক্কায় ১৬৫ এবং নিকোলস ২৪৫ বলে ১৫টি চারের মারে ১৫০ রান করেছেন। এর আগে ওপেনার কনওয়ে ১৫৩ রান করেন ২৪৫ বলে ১৮টি চারের সাহায্যে। সেই তুলনায় বাকি দুই ব্যাটারের কণ্ঠে হয়তো আক্ষেপই ঝরবে। কারণ ইয়াং ৭৪ ও জ্যাকব ডাফি ৩৬ রান করেছেন।

এ নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র তৃতীয়বার একই ইনিংসে তিনটি দেড়শ পেরোনো ইনিংস দেখা গেছে। প্রথমবার ১৯৩৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ড এবং ১৯৮৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের তিন ব্যাটার একই কীর্তি গড়েন।

রেকর্ড গড়ে সিরিজ জিতল নিউজিল্যান্ড

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচে ইনিংস ও ৩৫৯ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতে ইতিহাস গড়েছে নিউজিল্যান্ড। টেস্ট ক্রিকেটে এটি তাদের সবচেয়ে বড় জয় এবং ইনিংস ব্যবধানে জয়ের দিক থেকে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ। এই জয়ের ফলে নিউজিল্যান্ড দুই ম্যাচের সিরিজটিও নিশ্চিত করেছে।

প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ৬০১ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে। তাদের পক্ষে ডেভন কনওয়ে (১৫৩), হেনরি নিকোলস (১৫০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৬৫) প্রত্যেকে দেড়শ’র বেশি রান করেন।

জিম্বাবুয়ে তাদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২৫ রানে অলআউট হয়। ফলো-অন করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও তারা মাত্র ১১৭ রানে গুটিয়ে যায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন নিক ওয়েলশ, যিনি অপরাজিত ছিলেন।

অভিষিক্ত বোলার জাকারি ফকস দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৩৭ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও ম্যাট হেনরি ও জ্যাকব ডাফি দুটি করে উইকেট নেন।

ইনিংস ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয়ের তালিকায় নিউজিল্যান্ড এখন তৃতীয় স্থানে। এই তালিকার প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে আছে যথাক্রমে:

ইংল্যান্ড: ১৯৩৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইনিংস ও ৫৭৯ রানে জয়।

অস্ট্রেলিয়া: ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইনিংস ও ৩৬০ রানে জয়।

ইনবক্সে অশ্লীল মেসেজের স্ক্রিনশট ফাঁস করলেন প্রসূন আজাদ

শোবিজের পরিচিত মুখ প্রসূন আজাদ ইনবক্সে আসা একটি অশ্লীল মেসেজের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। মেসেজে তাকে উদ্দেশ্য করে তার শরীর নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়।

ফেসবুকে স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে প্রসূন লিখেছেন, “আপনার মা বা বউকে বলেন দেখাতে। কোনো তফাৎ নাই, বিশ্বাস করেন। একই জিনিস। খালি রংটা হালকা চেইঞ্জ। যে চামড়া গালে দেখা যায়, একই চামড়া পাছায় থাকে। ট্রাস্ট মি।”

তার পোস্টে এক অনুরাগী মন্তব্য করেন, সেই ব্যক্তির নাম-পরিচয় ও কর্মস্থল প্রকাশ করুন। জবাবে প্রসূন বলেন, “উচিত এটাই। কিন্তু এর লাইফ শেষ হয়ে যাবে ভাই। বাদ দেন।”

২০১২ সালে একটি রিয়েলিটি শোয়ের প্রথম রানারআপ হন প্রসূন আজাদ। এরপর অভিনয়ে নাম লেখান। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বেশ সরব থাকলেও ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। বর্তমানে পর্দায় তেমন দেখা যায় না এই অভিনেত্রীকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নারী শিল্পীদের উদ্দেশ্যে অশ্লীল বার্তার ঘটনা নতুন নয়। বছরের শুরুতে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্টে সাজিদা ফাউন্ডেশনের কর্মী রাকিবুল হাসান একটি আপত্তিকর মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক ফেসবুকে পোস্ট দেন ফারিয়া। ওই যুবকের মন্তব্যের স্ক্রিনশট ও প্রোফাইল ছবি শেয়ার করে প্রতিবাদ জানান তিনি। পরবর্তীতে চাকরি হারান সেই যুবক।

ডিভোর্স হওয়ার দিনই অভিনেত্রীকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প

ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও কমেডিয়ান এমা থম্পসন সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একবার তাকে ডেটের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি জানান, ট্রাম্প তাকে ফোন করে তার একটি সুন্দর বাড়িতে রাতে ডিনার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

এমা থম্পসন বলেন, তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন কেউ হয়তো মজা করছে। পরে ট্রাম্প সরাসরি তার একটি বাড়িতে থাকার এবং একসাথে ডিনার করার প্রস্তাব দেন। এমা জানান, ওই দিনই তার বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়েছিল। তিনি অনুমান করেন, ট্রাম্পের কিছু লোক হয়তো সদ্য বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া নারীদের খুঁজছিল এবং এভাবেই তার নম্বর পেয়েছিল। তিনি ট্রাম্পের সেই প্রস্তাব এড়িয়ে যান।

রাজনীতির ওপর হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করার জন্য পরিচিত এমা থম্পসন বলেন, তিনি একসময় মার্গারেট থ্যাচারকে হারপিস রোগের সঙ্গে তুলনা করে কৌতুক করেছিলেন, যা আজও সত্য বলে তিনি মনে করেন।

সম্প্রতি লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবে ব্রায়ান কার্ক পরিচালিত ‘ডেড অফ উইন্টার’ ছবির বিশেষ প্রদর্শনীর পর তিনি ‘লেপার্ড ক্লাব অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। এই পুরস্কার পেয়ে তিনি এতটাই অবাক এবং আনন্দিত হয়েছিলেন যে, প্রায় অবশ হওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল।

কাইয়ূমের আওয়ামীপ্রীতি; নিরাপত্তাহীনতায় বিএনপির তৃণমূল

জাল-জালিয়াতি করে জোরপূর্বক জমি লিখিয়ে নেয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে স্বদেশ স্বর্ণালী প্রপার্টিজের নামে। দেশের প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপটে অন্যের জমিতে জোরপূর্বক বালি ভরাট করা, কম দামে জমি লিখিয়ে নেয়াসহ সরকারি সড়ক, খাল, বিল, জলাশয় ও খাসজমি দখল করে প্রকল্পের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে কাইয়ূম-ওয়াকিল-গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে।

আওয়ামী লীগ আমলে এসব অপকর্ম সামলাতেন সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াকিল উদ্দিন। স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকা উত্তরের চাঁদাবাজি, ভূমিদখল-জালিয়াতির দায়িত্ব নেয় কুখ্যাত সোনা চোরাকারবারি গোল্ডেন মনির ও বিএনপির নামধারী নেতা এম এ কাইয়ূম, যার হাত ধড়ে বিএনপির জোয়ারে নাও ভাসাচ্ছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

কাইয়ূমের শেল্টারে আওয়ামী চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ জনগণের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। বিএনপির ইমেজ ডোবাতে যেন এক কাইয়ূমই যথেষ্ট। যারা একসময় আওয়ামী লীগ এমপি ওয়াকিল উদ্দিনের হয়ে কাজ করতো তাদের পালনকর্তা হয়ে উঠেছে বিএনপি নামধারী কাইয়ূম। স্বৈরাচার হাসিনার এজেন্ডা বাস্তবায়নে ওয়াকিল উদ্দিন ও এম এ কাইয়ূম একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, কাইয়ূমের স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ খোদ রাজউক চেয়ারম্যান ও পরিবেশ অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা। সরকারের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোনো প্রকার বৈধ অনুমোদন ছাড়াই রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় কাইয়ূম তৈরি করছে ছ (কিউ) হোটেল। এ যেন তার রামরাজত্ব, কাইয়ূমের স্বেচ্ছাচারিতা ও বল প্রয়োগের নমুনা এয়ারপোর্টের কাছাকাছি খিলক্ষেত এলাকায় নির্মাণাধীন বহুতল ছ (কিউ) হোটেল। যার অনুমোদন দেয়নি রাজউক, পরিবেশ ও পর্যটন অধিদপ্তর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের পলাতক আসামিদের আশ্রয়দাতা কাইয়ূম নিজ পেশিশক্তি বাড়াতে চালাচ্ছে বিএনপির ত্যাগি নেতাকর্মীদের উপর দমনপীড়ন, চাপিয়ে দিচ্ছে মিথ্যা মামলা। যার কারণে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির ভোট ব্যাংকে বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

কাইয়ূম-ওয়াকিলের দহরম মহরম: স্বদেশ প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালক থেকে কোটিপতি ওয়াকিল উদ্দিন। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ওয়াকিল উদ্দিন ইতিপূর্বে বৃহত্তর  গুলশান থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতি, বৃহত্তর গুলশান থানা ছাত্রলীগের সভাপতি (১৯৭৪) এবং ছাত্রলীগ কার্যকরী কমিটির সদস্য (১৯৬৯) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পেশাগত জীবনে ওয়াকিল উদ্দিন স্বদেশ প্রপার্টিজ নামক একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। বিএনপি নেতা কাইয়ূম এই প্রতিষ্ঠানে অংশীদার হিসেবে আছেন- অনেকে অভিযোগ করলেও ওয়াকিল উদ্দিন জানান ২০১৪ সালে বিএনপি নেতা কাইয়ূম স্বদেশ প্রপার্টিজ-এর শেয়ার বিক্রি করে দেন। তাই বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের সাথে বিএনপির কোনো নেতার সংশ্লিষ্টতা নেই।

গোয়েন্দাদের দেয়া তথ্য মতে, ওয়াকিল উদ্দিন গুলশান থানা আওয়ামী লীগের নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালীন বসুন্ধরা সিটিতে ৫৪টি দোকান ক্রয় করেন, যার দাম ১২ কোটি টাকা। বারিধারাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে রয়েছে তার ছয়টি বাড়ি। গাজীপুরে রয়েছে চার বিঘা জমি, যার দাম ৩০ লাখ টাকা। গুলশান ১ নম্বর মার্কেটে একটি দোকান রয়েছে, যার দাম ৬০ লাখ টাকা। এছাড়াও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে তার এক কোটি পঁচাত্তর লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে, যার বর্তমান মূল্য ছয় কোটি টাকা।

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ৫০ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে, যার বর্তমান মূল্য এক কোটি টাকা। স্বদেশ প্রপার্টিজের শেয়ার তিন কোটি ২০ লাখ টাকার- যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। কুড়িলে যমুনা পার্কের সঙ্গে আট কাঠা জমি রয়েছে। ওই জমির বর্তমান মূল্য দুই কোটি টাকা। নর্দা, জগন্নাথপুর, কালাচাঁদপুরে দুই বিঘা উঁচু জমি রয়েছে, যার মূল্যমান দুই কোটি ৩০ লাখ টাকা। বসুন্ধরায় পাঁচ কাঠার দুটি প্লট রয়েছে, যার দাম দেড় কোটি টাকা। সব মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ ৪৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বদেশ প্রপার্টিজ নামে একটি আবাসন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন পাওয়ার চমকপ্রদ তথ্য। ২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ছিল না। প্রতিষ্ঠানের ফাইলটি রাজউক থেকে পাস করে গণপূর্তে পাঠানো হয়। কমিশনের টানাপোড়েন নিয়ে ফাইলটা বেশ কিছুদিন ঝুলে ছিল। ফাইলটি পাস করাতে স্বদেশ প্রপার্টিজের অন্যতম মালিক সাবেক একজন মন্ত্রীর ‘ঘনিষ্ঠ’ লোকের শরণাপন্ন হন। তবে ফাইল পাস করাতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন তিনি। এরপর ফাইলটি পাস করানোর দায়িত্ব বর্তায় গোল্ডেন মনিরের ওপর। কারণ মনির স্বদেশ প্রপার্টিজের প্রায় ২১ শতাংশ শেয়ারের মালিক। বিএনপি সমর্থক সাবেক কাউন্সিলর একেএম কাইয়ুম কমিশনার স্বদেশ প্রপার্টিজের শেয়ার পুরোটাই মনিরের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এরপর বিদেশে পালিয়ে যান কাইয়ূম।

সূত্রমতে, ২০১৮ সালে স্বদেশের ফাইল পাসের দায়িত্ব পাওয়ার পর গণপূর্তের এক বড় কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মনির। এক পর্যায়ে তিনি তাকে ঘুষের প্রস্তাব দেন। পরে ফাইলটি পাস করার বিনিময়ে ২৫ লাখ টাকা ওই কর্মকর্তার বাসায় পৌঁছে দেন মনির। জানা গেছে, একটি বড় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান পূর্বাচলে বড় জায়গা বরাদ্দ পাওয়ার তৎপরতা চালাচ্ছে।

মূলত রাজউক থেকে যে কোটায় তারা ওই জায়গাটি বরাদ্দ নিতে চান, তা সাধারণত সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের পাওয়ার কথা। যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কোনো জমি নেই, তারা এ রকম প্লট পেতে পারে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক প্লট হিসেবে ওই জায়গাটি পাইয়ে দিতে ওই নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জোট বাঁধেন গোল্ডেন মনির। সব টেবিলের কর্মকর্তারা একমত হলেও এক বড় কর্মকর্তা ওই প্লট বরাদ্দে বাধা হয়ে দাঁড়ান। এরপর নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে ওই কর্মকর্তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেন গোল্ডেন মনির।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভালো চেয়ার পাইয়ে দেয়া ও পদচ্যুত করতে নিজের প্রভাব ও অর্থ ব্যয় করতেন মনির। আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াকিল, শিক্ষিত স্বর্ণ চোরাকারবারি গোল্ডেন মনির এবং সুবিধাবাদী বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ূমের বেশিরভাগ অবৈধ টাকা বিনিয়োগ করা হয় এই স্বদেশ প্রপার্টিজে, তাদের পেশিশক্তি অন্যান অপরাধের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ-বিএনপির সুনাম বিনষ্টকারীরা এসে মিলিত হয় স্বদেশ প্রপার্টিজ নামক আঁতুড়ঘরে। মাফিয়া কাইয়ূমের দৌরাত্ম্য নিয়ে দৈনিক মানবকণ্ঠের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।

উপদেষ্টাদের ‘সততার’ ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করল বিএনপি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের ‘সততার’ ওপর দলের পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন। একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত সাবেক সচিবের বক্তব্যের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, একটি সংবাদপত্রে একজন সাবেক সচিব (নাম উল্লেখ না করে) বলেছেন যে, আটজন উপদেষ্টা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। এই বক্তব্যের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “আমরা প্রধান উপদেষ্টাসহ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল উপদেষ্টার অত্যন্ত সম্মান করি এবং তাদের ইনটিগ্রিটির ওপরে আমরা আস্থা রাখি।”

বিএনপি মহাসচিবের এই বিবৃতি আসার কারণ হলো, শুক্রবার বিয়াম মিলনায়তনে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিসট্রেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের এক সেমিনারে অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার (বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আটজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের রক্তের ওপর দিয়ে চেয়ারে বসা এই উপদেষ্টাদের দুর্নীতির প্রমাণ গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

আব্দুস সাত্তার অভিযোগের উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন উপদেষ্টার এপিএসের অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা হয়নি। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নূরজাহান বেগমের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

যুক্তরাজ্যে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ গ্রুপের পক্ষে বিক্ষোভকালে গ্রেপ্তার ৪৬৬

লন্ডনের পার্লামেন্ট স্কয়ারে অনুষ্ঠিত একটি বিক্ষোভ থেকে শনিবার মেট্রোপলিটন পুলিশ অন্তত ৪৬৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। যুক্তরাজ্যের ফিলিস্তিনি অধিকার নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠন ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’-কে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

গত জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতারা ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ গ্রুপটিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করেন। এই গ্রুপটি ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থনের প্রতিবাদে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একটি ঘাঁটিতে হামলা করে কিছু উড়োজাহাজের ক্ষতি করেছিল। এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ নামের একটি ক্যাম্পেইন গ্রুপ এই বিক্ষোভের আয়োজন করে।

মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের এক্স (পূর্বে টুইটার) অ্যাকাউন্টে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’-এর পক্ষে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে সমর্থন জানাচ্ছিল, যার কারণে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ৩৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং পরে এই সংখ্যা ৪৬৬-তে পৌঁছায়। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা ‘আপনাদের লজ্জা পাওয়া উচিত’, ‘গাজা থেকে হাত গুটাও’ এবং ‘আমি গণহত্যার বিরোধী, প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থক’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’-এর সদস্য হওয়া যুক্তরাজ্যে এখন একটি অপরাধ, যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানানোর অনুমতি পেয়েছেন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা হুদা আম্মোরি।

অবরুদ্ধ গাজায় অনাহার ও অপুষ্টিতে আরও ১১ মৃত্যু

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাজায় অনাহার ও অপুষ্টিতে ভুগে আরও ১১ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে গাজায় অনাহারজনিত কারণে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২১২-তে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে ৯৮ জনই শিশু।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, শনিবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় যে পরিমাণ ত্রাণ প্রবেশ করছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

তবে ইসরায়েল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ত্রাণ বিতরণের দায়িত্বে থাকা জাতিসংঘের সংস্থাগুলো সীমান্ত থেকে ত্রাণ নিয়ে তা বিতরণ করছে না। বিপরীতে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা অভিযোগ করেছে যে, ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত থেকে ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা ক্রমাগত বাধা ও বিলম্বের শিকার হচ্ছে।

ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়েও ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েলি বাহিনীর গুলির শিকার হতে হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ২১ জন নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত নতুন সংস্থা গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩৭৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে মারা গেছেন। তবে ইসরায়েল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, তাদের বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিকদের ওপর গুলি চালায় না। ইসরায়েল গাজায় স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের অনুমতি না দেওয়ায় এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব নয়।

ইসরায়েল সম্প্রতি একটি বিতর্কিত পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে তারা গাজা সিটির নিয়ন্ত্রণ নেবে। ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা এই পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে বাসিন্দাদের শহরটি ছেড়ে যাওয়ার জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হতে পারে। এই পরিকল্পনার কারণে ইসরায়েলের ভেতরেও তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, কারণ সামরিক কর্মকর্তারা এবং জিম্মিদের পরিবারের অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে, এটি এখনো জীবিত থাকা ২০ জিম্মির জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

ট্রাকে টিসিবির যেসব পণ্য বিক্রি শুরু আজ

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) রবিবার থেকে সাধারণ মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করছে। একই সঙ্গে, স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের জন্য ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রমও চলমান থাকবে।

টিসিবি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বিভিন্ন জেলা ও মহানগরীতে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চলবে। ৬০টি ট্রাকের মাধ্যমে ১০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৩০ দিন (শুক্রবার বাদে) পণ্য বিক্রি করা হবে।

চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কুমিল্লা, ঢাকা, ফরিদপুর, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট জেলায় ১০ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ১৯ দিন (শুক্রবার বাদে) এই কার্যক্রম চলবে।

প্রতিটি ট্রাক থেকে দৈনিক ৫০০ জন সাধারণ মানুষ টিসিবির পণ্য কিনতে পারবেন।

ভ্রাম্যমাণ ট্রাক থেকে যে কোনো ভোক্তা যে মূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন:

ভোজ্য তেল: ২ লিটার, ২৩০ টাকা।

চিনি: ১ কেজি, ৮০ টাকা।

মশুর ডাল: ২ কেজি, ১৪০ টাকা।

কার্ডধারীরা ডিলারের কাছ থেকে একটি প্যাকেজ কিনতে পারবেন, যার মোট মূল্য ৫৪০ টাকা।

প্যাকেজে থাকবে:

চাল: ৫ কেজি, প্রতি কেজি ৩০ টাকা।

সয়াবিন তেল: ২ লিটার, প্রতি লিটার ১০০ টাকা।

মশুর ডাল: ২ কেজি, প্রতি কেজি ৬০ টাকা।

চিনি: ১ কেজি, প্রতি কেজি ৭০ টাকা।