Home Blog Page 358

মায়ের সঙ্গে শপিংয়ে যান না অভিষেক বচ্চন

০

রাগী স্বভাবের জন্য বহুবার শিরোনামে এসেছেন জয়া বচ্চন। এবার চর্চায় এলেন ছেলেকে ঘিরে। জানা গেছে, অভিষেক বচ্চন নাকি মায়ের সঙ্গে একেবারেই শপিংয়ে যেতে চান না। বরং জামাকাপড় কেনার ক্ষেত্রে তিনি বাবা অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

ভারতীয় এক গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে অভিষেক বচ্চন নিজেই জানান, আজকাল বিমানবন্দরে তার মাকে দেখলে ছবি তোলার জন্য ছবিশিকারিরা হুড়োহুড়ি করেন না। যদিও অভিষেক নিজে মায়ের মেজাজের কারণে তার সঙ্গে জামাকাপড় কিনতে যেতে চান না, এমন নয়।

অভিনেতা বলেন, ‘আমার মা ১২ বছর বয়স পর্যন্ত তার মর্জিমতো জামা পরিয়েছেন, আর নয়। আমার মায়ের সঙ্গে কোথাও খেতে যেতেই ভালো লাগে। কারণ মা বাঙালি, আর বাঙালিদের খাবারের বিষয়ে জ্ঞান বেশ ভালো। জামাকাপড় কেনাকাটার ব্যাপারটা বাবার সঙ্গেই করি।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ

০

এশিয়া কাপের এবারের আসরে শনিবারের ম্যাচটি হয়ে উঠেছে ‘গ্রুপ অব ডেথ’-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণীয় ম্যাচ। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা—দুই পরিচিত প্রতিপক্ষ মুখোমুখি হচ্ছে এমন এক ম্যাচে, যেখানে হারলে সুপার ফোর নিশ্চিত করা হয়ে উঠবে কঠিন।

বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দেখিয়েছে দাপট। আবুধাবিতে হংকংকে উড়িয়ে দিয়েছে লিটন দাসের দল। পেসারদের আগ্রাসী সূচনা আর শুরুর ব্যাটারদের পরিপক্ব ব্যাটিং—সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ এক জয় পেয়েছে টাইগাররা। দারুণ জয়ের পর ক্রিকেট সমর্থকদের মনে একটাই প্রশ্ন, দ্বিতীয় ম্যাচে কেমন হতে পারে টাইগারদের একাদশ।

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচ থেকে টাইগারদের একাদশে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। তাওহীদ হৃদয় হংকং ম্যাচে ধীরগতির ব্যাটিং করলেও আরেকটি সুযোগ তিনি পেয়ে যাবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রিশাদ প্রতিপক্ষ বিবেচনায় হংকংয়ের বিপক্ষে কিছুটা খরুচে বোলিং করলেও তার ওপরই আস্থা রাখার সম্ভাবনা বেশি টিম ম্যানেজমেন্টের। কারণ, ব্যাট হাতে রিশাদের শেষদিকে দ্রুত রান তোলার সামর্থ্য তাকে এগিয়ে রাখবে বাকিদের চেয়ে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ– পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেখ মাহেদী, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

ব্রেক আপের কত দিন পর নতুন করে সম্পর্কে যাওয়া উচিত

০

ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে গেলে মানসিকভাবে সেটা সামাল দেওয়া সত্যিই কঠিন। মন ভেঙে যায়, আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে পড়ে। কেউ চুপচাপ হয়ে যান, কেউ আবার নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেন।

আর অনেকে এমনও আছেন, যারা দীর্ঘদিন সম্পর্ক থাকার পর হঠাৎ একা হয়ে ভয় পেয়ে যান—আবার কারও ওপর ভরসা করতে সাহস পান না। তবে প্রশ্নটা সবার মনে ঘুরপাক খায়— ‘ব্রেকআপের পর কতদিন গেলে আবার নতুন সম্পর্কে যাওয়া ঠিক?’

সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও ডেটিং কোচ মাইশা ব্যাটেল।

নতুন সম্পর্ক মানেই ভুল কিছু নয়

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রেকআপের পর সবাই একভাবে রিঅ্যাক্ট করেন না। কেউ দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে যান, কেউ আবার অনেক সময় নেন। কিন্তু এটা ঠিক যে—সব সময় একা থেকে কাটিয়ে ওঠার চেয়ে নতুন সম্পর্ক অনেক সময় মন ভালো করতে সাহায্য করে।

ব্রেক আপের কত দিন পর নতুন করে সম্পর্কে যাওয়া উচিত

বিশেষজ্ঞ মাইশা ব্যাটেল বলছেন, ‘দুঃখ থেকে পালানোর জন্য কেউ যদি তড়িঘড়ি করে নতুন সম্পর্কে ঢুকে পড়েন, সেটা ঠিক নয়। কিন্তু কারও সঙ্গে ধীরে ধীরে মানসিকভাবে যুক্ত হওয়া, তাকে বোঝার চেষ্টা করা, নতুনভাবে নিজেকে সাজানো—এগুলো কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে।’

নিজেকে বুঝতে সময় নিন, তবে প্রেম থেকে ভয় পাবেন না

ব্রেকআপের পর অনেকে নিজেকে সময় দিতে চান। কেউ যোগব্যায়াম করেন, কেউ সিনেমা দেখেন, কেউ বই পড়ে মন সরান, আবার কেউ নতুন কোর্সে ভর্তি হন।

কিন্তু মাইশার মতে, ‘এই সব কিছুর চেয়ে অনেক সময় নতুন সম্পর্ক সবচেয়ে দ্রুত মানুষকে জীবনের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনে’

তবে এর মানে এই নয় যে আপনি পুরোনো সম্পর্ক না ভুলতেই নতুন সম্পর্কে চলে যাবেন। ব্যাপারটা হলো—আপনি নিজেকে কতটা ভালোবাসছেন, কতটা প্রস্তুত হচ্ছেন নতুন কাউকে গ্রহণ করতে—এই আত্মজিজ্ঞাসাটাই আসল।

ব্রেকআপ কত দিনের ছিল, সেটা নয়—গুরুত্বপূর্ণ ছিল কতটা গভীর?

একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—কতদিনের সম্পর্ক ছিল, সেটা অত গুরুত্বপূর্ণ নয়। আসল কথা হলো, আপনি মানসিকভাবে সেই সম্পর্কে কতটা জড়িয়ে ছিলেন।

অনেকে বছরখানেকের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ান। আবার কেউ তিন মাসের সম্পর্ক ভাঙার পরও মাসের পর মাস মন খারাপ করে থাকেন।

তাই নতুন সম্পর্কে যাবেন কি যাবেন না—এই সিদ্ধান্ত সময় দেখে নয়, নিজেকে দেখে নিতে হবে। আপনি কি তৈরি? আপনি কি কাউকে বিশ্বাস করতে পারবেন? পুরোনো সম্পর্কের ক্ষত এখনো কাঁটার মতো বিঁধে থাকছে কি?

ব্রেকআপ মানে ভেঙে পড়া নয়। আর নতুন প্রেম মানেই আগেরটা ভুলে যাওয়া না। ভালোবাসা মানেই প্রতিবার নতুন করে নিজেকে আরেকটু ভালো বোঝা।

কখন নতুন সম্পর্কে যাবেন, সেই উত্তর সময় নয়, আপনার মন-ই ঠিক করে দেবে।

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

০

দেশের বাজারে আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণ ভরিতে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । এর আগে গেল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্বর্ণ ভরিতে ৩ হাজার ১৩৭ টাকা বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে, সবশেষ গত ৮ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১ হাজার ২৬০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি, যা এতদিন ছিল দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা কার্যকর হয়েছিল ৯ সেপ্টেম্বর থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৫২ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩৬ বার, আর কমেছে মাত্র ১৬ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮১১ টাকায়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭২৬ টাকায়।

বিএনপির ২ নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার

০

দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিএনপির ২ নেতাকে বহিষ্কার করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

বহিষ্কৃতরা হলেন—ঢাকা মহানগর উত্তর মোহাম্মদপুর থানা ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মান্নান হোসেন শাহীন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম অপু।

‎শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তরের দায়িত্বে) এ বি এম এ রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাদের পদ প্রথমে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও পরবর্তীতে নিজেকে সংশোধন না করায় তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মান্নান হোসেন শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম অপুর বিরুদ্ধে কাঁটাসুর নামার বাজার দখল, ফুটপাত ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া মান্নান হোসেন শাহীন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলালের অন্যতম সহযোগী।

ছাত্ররাজনীতি জনগণের স্বপ্নকেও প্রাধান্য দেবে, প্রত্যাশা রবের

০

ছাত্ররাজনীতি শিক্ষার পাশাপাশি জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আ স ম আবদুর রব।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বৈ. স)-এর নবগঠিত কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন বিজয় এবং সাধারণ সম্পাদক নাবিলা সুলতানার নেতৃত্বে নেতারা সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রব এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, এটি কখনও ব্যক্তিগত, দলীয় বা গোষ্ঠীর উচ্চাকাঙ্ক্ষার খেলা হতে পারে না। রাজনীতি হচ্ছে ন্যায়, শিক্ষা ও মানুষের মর্যাদার জন্য লড়াই। ক্ষমতার লড়াইকে প্রাধান্য দিলে, রাজনীতি স্বাভাবিকভাবেই স্বার্থনির্ভর ও স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে ওঠে। কিন্তু জনগণের স্বপ্ন ও ন্যায়কে কেন্দ্রে রাখলে রাজনীতি হয়ে ওঠে একটি নৈতিক প্রক্রিয়া—যা সমাজের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ, শিক্ষা ও গণমুখী শক্তিকে প্রসারিত করে।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (বৈ. স) সাবেক সভাপতি শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের অপ্রত্যাশিত জয় এবং বিএনপিসহ জুলাই অভ্যুত্থানপন্থি শক্তির পরাজয় শুধু একটি সাংগঠনিক দৃশ্যই নয়; এটি আমাদের সামনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির নৈতিক ভিত্তি এবং দার্শনিক দিকনির্দেশকের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুহূর্ত। এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে পুরোনো রাজনীতি ও কৌশল অতিক্রম করে সমাজ উপযোগী রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়ে নীতি ও কৌশল নির্ধারণ করতে হবে।

সৌজন্য সাক্ষাতের সময় জেএসডির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রর এবং ছাত্রলীগ (বৈ স)-এর নেতাদের মধ্যে নাহিদ হাসান রিমন, মোহাম্মদ রুবন আকরাম, আসিফুল ইসলাম রিয়াজ, ইমতিয়াজ আহমেদ সিয়াম, সাইফ তাসনিম চৌধুরী, তারেক রহমান,জাহিদুল ইসলাম রিয়াজ, মেহেদী হাসান, আশরাফুল আলম জুয়েল, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, তেল আবিবে বেজে উঠল সাইরেন

০

ইয়েমেন থেকে দখলকৃত ভূখণ্ডের দিকে চালানো একটি ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে তেল আবিবে সাইরেন বেজে উঠেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।

ফিলিস্তিনি মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে। কুদস নিউজ নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, তেল আবিবসহ দখলকৃত অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে।

প্যালেস্টাইন পোস্ট জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তেল আবিবে সাইরেন বাজতে শুরু করে। আল-মায়াদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্তীর্ণ এলাকায় সাইরেন শোনা গেছে। প্যালেস্টাইন নাউ আরও জানিয়েছে, কল্পিলিয়া ও তেল আবিবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, এই বিস্ফোরণগুলো তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের ফলাফল।

এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়লেন সুশীলা

০
নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নেপালের প্রেসিডেন্ট দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জেন-জির বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধি, প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল এবং সেনাবাহিনীর প্রধান অশোক রাজ সিগদেলের মধ্যে আলোচনা হয়। এরপর সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী বানানোর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সবাই একমত হয়। আজ স্থানীয় সময় রাত ৯টায় তিনি শপথ নেবেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে গত সপ্তাহে আন্দোলনে নামে নেপালের জেন-জিরা। এর মধ্যে গত সোমবার বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থী নিহত হন।
এরপর ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। মঙ্গলবার তাদের আন্দোলনের তীব্রতা বাড়লে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়েন কেপি শর্মা অলি। তার পতনের পর নেপালে স্থিতিশীলতা ফেরাতে জেন-জিদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করে সেনাবাহিনী। নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব কে দেবেন, তা নিয়ে চলে আলোচনা। একপর্যায়ে জেন-জি শিক্ষার্থীরাসহ বেশিরভাগ মানুষ সুশীলা কার্কির নাম প্রস্তাব করেন।

অনিয়মের অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করলেন জাকসু নির্বাচন কমিশনার

০
অনিয়মের অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করলেন জাকসু নির্বাচন কমিশনারজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদের নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার। তিনি ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।
এসময় মাফরুহী সাত্তার বলেন, ‘নির্বাচনে আমি অনেকগুলো অনিয়ম দেখেছি। অনেকগুলো মারাত্মক ত্রুটি দেখেছি। এই ত্রুটিগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এরকম পরিস্থিতিতে আমি নির্বাচন কমিশনের সকলে একমত পোষণ করলেও বিশেষ কিছু কারণে আমার যে মতামত তা গ্রহণে তারা অপারগতা প্রকাশ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আমার মতামতের সুরাহা না করেই ভোট গণনা শুরু করেছে, তখন আমি আমার যে মত তা লিখিতভাবে জানিয়েছি। লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড বলতে আমরা যা বুঝি নির্বাচনে সেটি ছিল না। আমি যাতে পদত্যাগ না করে সেজন্য গতকাল থেকেই আমার ওপর চাপ ছিল, তবুও আমি পদত্যাগ করছি।’
এছাড়াও নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও প্রশাসনের পক্ষপাতের অভিযোগ উঠায় নির্বাচন স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইনও।
তিনি বলেছেন, ‘জাকসু নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। প্রচুর কারচুপির অভিযোগ উঠেছে প্রায় সব মহলেই। এ নির্বাচন স্থগিত করা উচিত।’
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, নজরুল ইসলাম, ও নাহরিন খান।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গণছুটি স্থগিত

০
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চলমান গণছুটি কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কর্মস্থলে যোগদানের জন্য অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মাহবুব মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আরইবি-পিবিএস সংস্কারের মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের বিদ্যুৎ বৈষম্য দূর করে মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবার লক্ষ্যে একটি টেকসই বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেম বিনির্মাণে আমরা ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আন্দোলন শুরু করেছিলাম। দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকার বিভিন্ন সময়ে একাধিক কমিটি গঠন করলেও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অসহযোগিতার কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারী পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুঃশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই শুরু হয় মামলা, চাকরিচ্যুত, বরখাস্ত, সংযুক্তসহ নানা ধরনের দমন-পীড়ন। চলতি বছরের ২১ মে থেকে শহীদ মিনারে ১৬ দিনব্যাপী আন্দোলনের পর বিদ্যুৎ বিভাগের লিখিত আশ্বাসে ৫ জুন কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়। যার প্রেক্ষিতে ১৭ জুন বিদ্যুৎ বিভাগ দুইটি কমিটি গঠন করে। কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে লক্ষ্য করেছি ওই কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন না করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দমন-পীড়নের মাধ্যমে হয়রানি এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘আন্দোলনের কারণে এখন পর্যন্ত ১৭২ জনের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা, ২০ জন কর্মকর্তাকে দীর্ঘদিন জেল খাটানো, ৪০ জনকে বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত, ৮৭ জনকে বরখাস্ত ও সংযুক্ত, সাড়ে ৬ হাজার জনকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮ জন সহকর্মীকে বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত এবং ২৮ জনকে স্ট্যান্ডরিলিজ পূর্বক বরখাস্ত করা হয়েছে। সংকট সমাধানের লক্ষ্যে চার দফা দাবিতে গত ৩১ আগস্ট থেকে ৫ দিন শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হলেও দমন-পীড়ন বন্ধ না করা এবং সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে গণছুটি কর্মসূচি ঘোষণা করতে হয়।’
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলে, ‘দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের আন্দোলনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কখনোই বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং গ্রাহকসেবা বন্ধ রাখেনি।
বিদ্যমান গণছুটি কর্মসূচিতে ৮০টি সমিতির ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ৩৩ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উপকেন্দ্রসমূহ চালু রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ না থাকায় আরইবি কর্তৃক বারবার ভুল তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগকে বিভ্রান্ত করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা উপেক্ষা করে আমাদের দেশবিরোধী শক্তি/নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্রকারী ইত্যাদি ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে, যা অপ্রত্যাশিত। যারা রোদ, ঝড়, বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ১৪ কোটি মানুষের ঘর আলোকিত করে তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেশবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করা অভিপ্রেত নয়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চলমান গণছুটি কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আমরা দেশবিরোধী শক্তি নই সেটা প্রমাণের জন্য গতকাল বিদ্যুৎ উপদেষ্টা আহ্বান জানান।
আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের বিষয়ে বিদ্যুৎ উপদেষ্টার পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে আশ্বস্ত করা হয়েছে। দেশের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট ও জনদুর্ভোগ বিবেচনায় বিদ্যমান সংকটের সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে সরকার তথা উপদেষ্টার প্রতি আস্থা রেখে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চলমান গণছুটি কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হলো।’