Home Blog Page 362

জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে: আখতার

জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এনসিপির সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান।

আখতার হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করছে জুলাই সনদের প্রতিটি কথা বাস্তবায়ন করতে হবে। জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। জুলাই সনদের সংস্কার অন্তর্বর্তী সরকারকে বাস্তবায়ন করতে হবে।’

দেশে ফ্যাসিবাদের কোনো জায়গা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাম্যের বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের জায়গা হবে না। বিচার বিভাগকে কোনো দলের কর্তৃত্বের অধীনে যেতে দেওয়া হবে না। সচিবালয়ে যে নীতি হবে, তা জনগণের স্বার্থে হতে হবে।’

এর আগে বিকেল ৫টার কিছু আগে শুরু হয় এনসিপির সমাবেশ। এতে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দলটির নেতা-কর্মীরা শহীদ মিনার এলাকায় জড়ো হন। সমাবেশ থেকে নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার ঘোষণা করবে এনসিপি। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই ইশতেহার পাঠ করবেন।

এক দফা ঘোষণার এক বছর পূর্তিতে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার এবং নতুন সংবিধানের দাবিতে এই ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে ভিডিও বার্তায় আগেই জানিয়েছিলেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

মার্কিন শুল্ক চুক্তিতে ‘ভূ-রাজনৈতিক সমঝোতা’ থাকলে ‘হুমকি’ দেখছেন প্রিন্স

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে যদি ‘নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক সমঝোতা জোরদার’ হয়, তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য গুরুতর হুমকির মুখে পড়বে।

রোববার বাম গণতান্ত্রিক জোটের এক সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। সিপিবির সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স বলেন যে, বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, এই ‘তথাকথিত ছাড়’-এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে কিছু শর্ত মেনে চলতে হতে পারে, যেমন:

যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চ মূল্যে গম ও এলএনজি কেনা।

২৫টি বোয়িং বিমান ক্রয়।

১১০টি মার্কিন পণ্যকে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়া।

বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের খনিজ সম্পদের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক সমঝোতা জোরদার করা হচ্ছে বলেও শোনা যাচ্ছে, যা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রিন্স বলেন, এসব বিষয়ে সরকারেরই উচিত সবকিছু স্পষ্ট করা।

অন্যান্য নেতার বক্তব্য ও জোটের কর্মসূচি

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, জনগণের সামনে এই গোপন চুক্তির খসড়া প্রকাশ এবং তাদের সম্মতি ছাড়া কোনো চুক্তি না করার আহ্বান জানান তিনি।

বাম গণতান্ত্রিক জোট ৫ আগস্ট ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালনের জন্য দেশজুড়ে সভা, সমাবেশ, নিহতদের স্মরণ এবং আহতদের সঙ্গে দেখা করার মতো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

রুহিন হোসেন প্রিন্সের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় সিপিবি সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আব্দুস সাত্তার, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মাসুদ রানাসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।

ইয়েমেনের উপকূলে নৌকা ডুবির ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬৮ জন

ইয়েমেনের উপকূলে অভিবাসী ও শরণার্থী বোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৬৮ জন আফ্রিকান নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ৭৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এই তথ্য জানিয়েছে।

ইয়েমেনে আইওএম-এর প্রধান আবদুসত্তার ইসোয়েভ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেন যে, রোববার ইয়েমেনের আবিয়ান প্রদেশের উপকূলে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটিতে প্রায় ১৫৪ জন ইথিওপীয় নাগরিক ছিলেন।

তিনি বলেন, মাত্রা ১২ জন মানুষ জাহাজের একটি ধ্বংসস্তূপকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে ছিলেন। এছাড়া ৫৪ জনের মরদেহ কানফার জেলায় ভেসে আছে এবং আরও ১৪ জনের মরদেহ বিভিন্ন স্থানে খুঁজে পাওয়া গেছে। তাদেরকে একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

ইয়েমেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নৌকা ডুবির ঘটনায় তারা ৫৪ জন নিহতের তথ্য পেয়েছে।

ঝাঞ্জিবারের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল কাদের বাজামিল জানিয়েছেন, নিহতদের শাকরা শহরে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া যারা নিখোঁজ রয়েছেন তাদেরকেও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আফ্রিকা থেকে সমুদ্র পথে ইয়েমেনে প্রবেশের পথ রয়েছে। তবে অনেক সময়ই সমুদ্রের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কারণে অনেকের সলিল সমাধি ঘটে।

আইএমও জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ইয়েমেনে প্রায় ৬০ হাজার শরণার্থী ও অভিবাসী আশ্রয় নেয়। এর আগের বছর আশ্রয় নেন প্রায় ৯৭ হাজার ২০০ জন।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ গেল আরও ১১৯ ফিলিস্তিনির

অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৮৩৯ জনে।

এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ৬০ হাজার ৮৩৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৯টি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৮৬৬ জন। এর ফলে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন বা রাস্তায় পড়ে আছেন। উদ্ধারকর্মীরা সেখানে পৌঁছাতে পারছেন না, ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে ৬৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫১১ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ১ হাজার ৪৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আর গত ২৭ মে থেকে আহত হয়েছেন আরও ১০ হাজার ৫৭৮ জন।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখিও হয়েছে ইসরায়েল। তবুও থেমে নেই তাদের বর্বরতা। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় বইছে।

বেড়েছে গোয়েন্দা নজরদারি, চলছে চিরুনি অভিযান

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আগস্ট মাসকে কেন্দ্র করে অনলাইনে ও অফলাইনে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতোমধ্যে ২২ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সম্প্রতি পতিত সরকারের নেতাকর্মীদের ঢাকায় ‘গোপন বৈঠক’ এবং এর সঙ্গে সেনা কর্মকর্তার জড়িত থাকার খবরে দেশজুড়ে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের ২২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছৈ।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, আবাসিক হোটেল, মেস এবং নেতাকর্মীদের ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। এ ছাড়া নাশকতা চলতে পারে এমন বস্তি এলাকায়ও নজরদারি এবং চিরুনি অভিযান চলছে। পুরো আগস্ট মাসজুড়ে এই অভিযান চলবে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক সপ্তাহ আবাসিক হোটেলগুলোতে অভিযান চলবে। ঢাকার বাইরে থেকে কেউ হোটেলে অবস্থান করলে পরিচয়পত্র দেখে সুনির্দিষ্ট কারণ না জানাতে পারলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ কর্মীদের গোপনে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে মেজর সাদিক নামে এক সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ওই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদ আলম জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতার পরিকল্পনা হচ্ছে, এমন আশঙ্কায় চিরুনি অভিযান শুরু হয়েছে। পুরো আগস্ট মাস এ অভিযান চলবে।আমাদের প্রতিটি টিম, থানা ও ইউনিট কাজ করছে।

তিনি বলেন, আবাসিক হোটেল, ছাত্রাবাস, মেস ও বস্তিগুলোকেও নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে, যেখান থেকে গোপনে তৎপরতা চালানো হতে পারে। চিরুনি অভিযান চলছে।

ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করতে অনেকেই পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম করছে। তবে, আমরা সজাগ রয়েছি। গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে নাশকতার চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, আগস্ট ঘিরে যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে র‍্যাব তৎপর রয়েছে। ঢাকায় অতিরিক্ত চেকপোস্ট ও পেট্রলিং বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই বসুন্ধরা-সংলগ্ন কে বি কনভেনশন সেন্টারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ গোপন বৈঠকের আয়োজন করে। দিনভর বৈঠকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলে অংশ নেন ৩০০ থেকে ৪০০ জন। সেখানে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলে সারাদেশ থেকে ঢাকায় লোক জড়ো করা, শাহবাগ মোড় দখল করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিশ্চিত করার মতো পরিকল্পনা করা হয় সেখানে। এই ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়।

সমালোচনার পাশাপাশি ভালো দিকগুলোও তুলে ধরুন: অর্থ উপদেষ্টা

`

অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করার পাশাপাশি এর ভালো দিকগুলোও তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (৪ আগস্ট) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট সম্পর্কিত একটি সেমিনারে তিনি বলেন, “যাদের চোখে সরকারের কোনো উন্নয়ন বা সংস্কার ধরা পড়ে না, তারা আসলে অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখেন না। শুধু ভুল আর নেতিবাচক বিষয়গুলো না দেখে ভালো দিকগুলোও দেখতে হবে।”

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, সমালোচনায় তার আপত্তি নেই, কারণ এর মাধ্যমে ভুল সংশোধন করা সম্ভব। তবে তিনি অর্থনীতিবিদদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা কেবল ভুলগুলোই তুলে না ধরে, বরং সরকারের ভালো কাজগুলোর প্রতিও নজর দেন।

এই সেমিনারে তিনি ২০২৫-২৬ কর বছরের জন্য ই-রিটার্ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

দীর্ঘ সম্পর্কের ইতি টেনে টটেনহাম ছাড়ছেন সন

হঠাৎ করেই টটেনহাম হটস্পার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার তারকা ফুটবলার সন হিউং-মিন। দীর্ঘ ১০ বছরের পথচলার ইতি টেনে এই গ্রীষ্মেই ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই এমন আকস্মিক সিদ্ধান্তের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, সনের সম্ভাব্য পরবর্তী গন্তব্য হতে পারে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব লস অ্যাঞ্জেলস এফসি।

টটেনহামে সনের সময়টা ছিল সাফল্যমণ্ডিত। সম্প্রতি তার নেতৃত্বে টটেনহাম ইউরোপা লিগ জিতে ১৭ বছর পর কোনো শিরোপা জয় করে, যা ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় ৪১ বছর পর ক্লাবের প্রথম সাফল্য।

ক্লাব ছাড়ার বিষয়ে সন বলেন, “এই গ্রীষ্মে আমি ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি সম্ভবত আমার ফুটবল জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত। একটি দলের হয়ে ১০ বছর ধরে খেলা আমার জন্য অনেক গর্বের বিষয় ছিল। আমি প্রতিটি দিন নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “মাঠে এবং মাঠের বাইরে আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ইউরোপা লিগ জয় সম্ভবত আমার পক্ষে সম্ভবত সবথেকে বড় অর্জন ছিল।”

টটেনহামের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৫৪ ম্যাচে ১৭৩ গোল করেছেন এই তারকা। ক্লাবটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “একজন খেলোয়াড় এবং মানুষ হিসেবে আমি এখানেই সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়েছি। তাই আমার হৃদয় কৃতজ্ঞতায় পূর্ণ।”

৮ গোলের ম্যাচে টাইব্রেকারে রুদ্ধশ্বাস শিরোপা জয় ব্রাজিলের

নারী কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হারিয়ে নবমবারের মতো শিরোপা জিতেছে ব্রাজিল। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে উভয় দলের স্কোর ছিল ৪-৪। এরপর টাইব্রেকারে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়।

এটি ছিল কোপা আমেরিকা ফেমেনিনার দশম আসর। এই দশ আসরের মধ্যে নয়টি শিরোপাই এখন ব্রাজিলের দখলে। বিশেষ করে, ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি মার্তা ভিয়েইরা দা সিলভার জন্য এই জয় ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্যারিস অলিম্পিকের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেও, গত মে মাসে তিনি মাঠে ফিরে আসেন এবং কোপা আমেরিকায় দলের চতুর্থ শিরোপা জয়ে বড় অবদান রাখেন।

তবে ম্যাচে নাটকীয়তার কমতি ছিল না। প্রথমবারের মতো কোপার শিরোপার দোরগোড়ায় চলে গিয়েছিল কলম্বিয়া। ম্যাচের শেষ দিকে ৩-২ গোলে এগিয়ে ছিল তারা। কিন্তু ইনজুরি সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরান মার্তা।

অতিরিক্ত সময়েও নায়কোচিত ভূমিকায় মার্তা, এবার দলকে এনে দেন লিড। তবে সেটি ধরে রাখতে পারেনি ব্রাজিল, কলম্বিয়ার লেসি সান্তোস গোল করে ম্যাচ নিয়ে যান টাইব্রেকারে।

গোল সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুটআউটেও উত্তেজনা অব্যাহত ছিল। মার্তা নিজে পেনাল্টি মিস করলেও বাকিরা তা পুষিয়ে দেন। প্রথম পাঁচ শটে দু’দলই করে তিনটি করে গোল। এরপর সাডেন ডেথে ব্রাজিল এগিয়ে গিয়ে নিশ্চিত করে শিরোপা।

ব্রাজিলের হয়ে অ্যাঞ্জেলিনা আলনসো, আমান্দা গুতেয়াস, মার্তা (২টি) এবং কলম্বিয়া হয়ে লিন্দা কাইসেদো, মায়রা রমিরেজ, তারসিয়ানের (আত্মঘাতি), লেসি সান্তোস গোল করেন।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো কোপা আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন হলো ব্রাজিল। পুরো আসর জুড়ে অপরাজিত থেকেই শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা।

শাহরুখ-রানী-বিক্রান্তসহ যারা পেলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

শাহরুখ খান। তিন দশক ধরে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সাথে অভিনয় করছেন। তিন দশকের ক্যারিয়ারে দেশ বিদেশে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। কিন্তু অধরা ছিল ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ৩৩ বছরের ক্যারিয়ারে অবশেষে এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার হাতে উঠতে চলেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার!

২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জওয়ান’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার জন্য ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। তার সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পাচ্ছেন ‘টুয়েলভথ ফেল’ অভিনেতা বিক্রান্ত ম্যাসি। বিক্রান্তেরও এটি প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

এছাড়া তার ‘টুয়েলভথ ফেল’ সিনেমা পাচ্ছে সেরা সিনেমার পুরস্কার। ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাচ্ছেন রানী মুখার্জি।

ভারতের ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা:

সেরা ফিচার ফিল্ম– টুয়েলভথ ফেল
সেরা অভিনেত্রী – রানী মুখার্জি (মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে)
সেরা অভিনেতা- শাহরুখ খান (জাওয়ান), বিক্রান্ত ম্যাসি (টুয়েলভথ ফেল)
সেরা পরিচালক- সুদীপ্ত সেন (দ্য কেরালা স্টোরি)
সেরা গায়িকা- শিল্পা রাও, ছালেয়া (জওয়ান)
সেরা গায়ক- পিভিএন এস রোহিত প্রেমিসথুন্না (বেবি)
সেরা পপুলার ফিল্ম- রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি
সেরা সমাজ সচেতনতামূলক সিনেমা- সাম বাহাদুর
সেরা বাংলা ছবি- ডিপ ফ্রিজ
সেরা হিন্দি ছবি- কাঠাল: আ জ্যাকফ্রুট
সেরা কোরিওগ্রাফি- ঢিন্ডোরা বাজে রে!
সেরা লিরিকস- বালাগাম (ওরু পাল্লেতুরু)
সেরা সংগীত পরিচালনা- ভাতি (তামিল)
সেরা আবহ সংগীত- অ্যানিমেল
সেরা মেকআপ- শ্রীকান্ত দেশাই (সাম বাহাদুর)
সেরা পোশাকশিল্পী- শচীন লোভালেকর, দিব্যা গম্ভীর, নিধি গম্ভীর (সাম বাহাদুর)
সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন- এভরিওয়ান ইজ আ হিরো (মোহনদাস)
সেরা সম্পাদনা- পোক্কালাম
সেরা সাউন্ড ডিজাইন- অ্যানিমেল
সেরা চিত্রনাট্য- বেবি (তেলুগু)
সেরা সংলাপ- সির্ফ এক বান্দা কাফি হ্যায়
সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফি- দ্য কেরালা স্টোরি
সেরা অ্যাকশন পরিচালক- হনু-মান (তেলুগু, স্টান্ট কোরিওগ্রাফি)

শাহরুখ খান। তিন দশক ধরে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে দাপটের সাথে অভিনয় করছেন। তিন দশকের ক্যারিয়ারে দেশ বিদেশে পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। কিন্তু অধরা ছিল ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ৩৩ বছরের ক্যারিয়ারে অবশেষে এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার হাতে উঠতে চলেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার!

২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জওয়ান’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার জন্য ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। তার সঙ্গে যৌথভাবে এই পুরস্কার পাচ্ছেন ‘টুয়েলভথ ফেল’ অভিনেতা বিক্রান্ত ম্যাসি। বিক্রান্তেরও এটি প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

এছাড়া তার ‘টুয়েলভথ ফেল’ সিনেমা পাচ্ছে সেরা সিনেমার পুরস্কার। ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাচ্ছেন রানী মুখার্জি।

ভারতের ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা:

সেরা ফিচার ফিল্ম– টুয়েলভথ ফেল
সেরা অভিনেত্রী – রানী মুখার্জি (মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে)
সেরা অভিনেতা- শাহরুখ খান (জাওয়ান), বিক্রান্ত ম্যাসি (টুয়েলভথ ফেল)
সেরা পরিচালক- সুদীপ্ত সেন (দ্য কেরালা স্টোরি)
সেরা গায়িকা- শিল্পা রাও, ছালেয়া (জওয়ান)
সেরা গায়ক- পিভিএন এস রোহিত প্রেমিসথুন্না (বেবি)
সেরা পপুলার ফিল্ম- রকি অউর রানী কি প্রেম কাহানি
সেরা সমাজ সচেতনতামূলক সিনেমা- সাম বাহাদুর
সেরা বাংলা ছবি- ডিপ ফ্রিজ
সেরা হিন্দি ছবি- কাঠাল: আ জ্যাকফ্রুট
সেরা কোরিওগ্রাফি- ঢিন্ডোরা বাজে রে!
সেরা লিরিকস- বালাগাম (ওরু পাল্লেতুরু)
সেরা সংগীত পরিচালনা- ভাতি (তামিল)
সেরা আবহ সংগীত- অ্যানিমেল
সেরা মেকআপ- শ্রীকান্ত দেশাই (সাম বাহাদুর)
সেরা পোশাকশিল্পী- শচীন লোভালেকর, দিব্যা গম্ভীর, নিধি গম্ভীর (সাম বাহাদুর)
সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন- এভরিওয়ান ইজ আ হিরো (মোহনদাস)
সেরা সম্পাদনা- পোক্কালাম
সেরা সাউন্ড ডিজাইন- অ্যানিমেল
সেরা চিত্রনাট্য- বেবি (তেলুগু)
সেরা সংলাপ- সির্ফ এক বান্দা কাফি হ্যায়
সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফি- দ্য কেরালা স্টোরি
সেরা অ্যাকশন পরিচালক- হনু-মান (তেলুগু, স্টান্ট কোরিওগ্রাফি)

শাহরুখ ছাড়াও ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিজয়ী যারা

ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করেছে দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করা হয়। ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের এবারের আসরে ২০২৩ সালের ভারতীয় চলচ্চিত্রের সেরা সিনেমাগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিজয়ীদের তালিকা-

অভিনয় ও নির্মাণ:- সেরা অভিনেতা: শাহরুখ খান (জওয়ান), বিক্রান্ত ম্যাসি (টুয়েলভথ ফেল) সেরা অভিনেত্রী: রানি মুখার্জি (মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে) সেরা সহ-অভিনেত্রী: উর্বশী (উল্লঝুক্কু), জানকী বদিওয়ালা (ভাশ), সেরা সহ-অভিনেতা: বিজয় রাঘবন (পুকালাম), মুথুপেত্তাই সোমু ভাস্কর (পার্কিং) সেরা সিনেমা: টুয়েলভথ ফেল সেরা নির্মাতা: সুদীপ্ত সেন (দ্য কেরালা স্টোরি) ফিচার ফিল্মস: সেরা হিন্দি সিনেমা কাঁঠাল সেরা ভিএফএক্স ফিল্ম: হনুমান সেরা শিশু ফিল্ম: নাল ২ সেরা শিশু শিল্পী: সুকৃতি বান্দি রেড্ডি (গান্ধী থাথা চেট্টু), কবির খান্ডারে (জিপসি), ত্রীশা তোশার, শ্রীনিবাস পোকালে, ভার্গব (নাল ২) জাতীয়, সামাজিক মূল্যবোধ

প্রচারকারী সেরা চলচ্চিত্র: স্যাম বাহাদুর স্বাস্থ্যকর বিনোদন প্রদানকারী সেরা জনপ্রিয় চলচ্চিত্র: রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি সেরা ডেবিউ ফিল্ম: আত্মপম্ফলেট বিশেষ উল্লেখ: এমআর রাজাকৃষ্ণান (অ্যানিমেল – রি-রেকর্ডিং) নেকাল – ক্রনিকল অফ দ্য প্যাডি ম্যান, দ্য সি অ্যান্ড দ্য সেভেন ভিলেজেস

সেরা আঞ্চলিক চলচ্চিত্র:- সেরা গাড়ো ফিল্ম: রিমদোত্তিঙ্গা সেরা তেলুগু ফিল্ম: ভগবন্থ কেসারি সেরা তামিল ফিল্ম: পার্কিং সেরা পাঞ্জাবি ফিল্ম: গদ্দে গদ্দে ছা সেরা ওড়িয়া ফিল্ম: পুষ্কড়া সেরা মারাঠি ফিল্ম: শ্যামচি আই সেরা মালয়ালম ফিল্ম: উল্লঝুক্কু সেরা কন্নড় ফিল্ম: কান্দেলু সেরা হিন্দি ফিল্ম: কাঁঠাল সেরা গুজরাটি ফিল্ম: ভাশ সেরা বাংলা ফিল্ম: ডিপ ফ্রিজ সেরা অসমীয়া ফিল্ম: রঙাটাপু ১৯৮২

প্রযুক্তিগত পুরস্কার:- সেরা অ্যাকশন নির্দেশনা: নন্দু-পৃথ্বী (হনুমান) সেরা কোরিওগ্রাফি: বৈভবী মার্চেন্ট (ঢিন্ডোরা বাজে রে – রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি) সেরা লিরিক্স: কাসারলা শ্যাম (ঊরু পাল্লেটুরু – বালাগাম) সেরা

সংগীত নির্দেশনা: জি ভি প্রকাশ কুমার (ভাদি), হর্ষবর্ধন রামেশ্বর (অ্যানিমেল) সেরা মেকআপ: শ্রীকান্ত দেশাই (স্যাম বাহাদুর) সেরা কস্টিউম ডিজাইন: শচীন, দিব্যা, নিধি (স্যাম বাহাদুর) সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন:

মোহানদাস সেরা সম্পাদনা: মিথুন মুরালি (পুকালাম) সেরা সাউন্ড ডিজাইন: শচীন সুধাকরণ, হরিহরণ (অ্যানিমেল) সেরা চিত্রনাট্য: সাই রাজেশ (বেবি), রামকুমার বালাকৃষ্ণান (পার্কিং) সেরা ডায়ালগ: দীপক কিংরানি (সির্ফ

এক বান্দা কাফি হ্যায়) সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: প্রশান্তানু মহাপাত্র (দ্য কেরালা স্টোরি) সেরা প্লেব্যাক শিল্পী: শিল্পা রাও (ছালিয়া – জওয়ান), রোহিত (প্রেমিসথুন্না – বেবি)

অন্যান্য পুরস্কার:- সেরা স্ক্রিপ্ট: সানফ্লাওয়ারস ওয়্যার দ্য ফার্স্ট ওয়ান্স টু নো সেরা ভয়েসওভার: হরি কৃষ্ণান এস (দ্য সেকরেড জ্যাক – এক্সপ্লোরিং দ্য ট্রি অফ উইশেস) সেরা সংগীত নির্দেশনা: প্রণিল দেশাই (দ্য ফার্স্ট ফিল্ম) সেরা সম্পাদনা: নীলাদ্রি রায় (মুভিং ফোকাস) সেরা সাউন্ড ডিজাইন: শুভ্রুন সেনগুপ্ত (ধূন্ধগিরি কে ফুল) সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: মীনাক্ষী সোমান, সারভানামরুথু (লিটল উইংস)

সেরা নির্মাতা: পিয়ুষ ঠাকুর (দ্য ফার্স্ট ফিল্ম) সেরা শর্ট ফিল্ম: গিধ দ্য স্কাভেঞ্জার সামাজিক ও পরিবেশগত মূল্যবোধ প্রচারকারী সেরা নন-ফিচার ফিল্ম: দ্য সাইলেন্ট এপিডেমিক সেরা ডকুমেন্টারি ফিল্ম: গড ভালচার অ্যান্ড

হিউম্যান সেরা আর্ট/কালচার ফিল্ম: টাইমলেস তামিলনাড়ু সেরা বায়োগ্রাফিক্যাল/হিস্টোরিক্যাল রিকনস্ট্রাকশন ফিল্ম: মো বউ মো গান, লেন্টিনা আও সেরা ডেবিউ ফিল্ম: দ্য স্পিরিট ড্রিমস অফ চেরা সেরা নন-ফিকশন

ফিল্ম: ফ্লাওয়ারিং ম্যান