Home Blog Page 375

কোটালীপাড়ায় গণ গ্রেপ্তারের অভিযোগ বিএনপির

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় নিরীহ মানুষদের হয়রানি ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি।  রোববার উপজেলার ঘাঘর বাজারে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন দলটির নেতাকর্মীরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন।

এস এম মহিউদ্দিন বলেন, ‘বুধবার (১৬ জুলাই) উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কোটালীপাড়া-পয়সারহাট সড়ক বন্ধ করে উপজেলার ওয়াবদার হাটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। তারা সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ ফেলে সাধারণ মানুষের চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানা-পুলিশ ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১৫০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় দেখিয় মামলা করে। এ মামলায় উপজেলার সাধারণ মানুষদের গ্রেপ্তারের নামে হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, ‘আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, এই মামলায় অধিকাংশ আসামিই নিরীহ মানুষ। বেশীর ভাগই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তা হলে কিভাবে? কাদের মদদে এই নিরীহ মানুষদের আসামি করা হলো?’

পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার কোটালীপাড়া থানা-পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিক্ষোভের সময় সেখানে আপনারা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তখন একজন ব্যক্তিকেও আপনারা আটক করতে পারেননি। আপনাদের কাছে তো ভিডিও ফুটেজ আছে। আপনারা ওই ফুটেজ দেখে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারতেন। কিন্তু আপনার তা না করে নিরীহ মানুষদের গ্রেপ্তার করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মানুষের জন্য রাজনীতি করি। আপনারা যদি সেই মানুষদের হয়রানি করেন তা হলে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর প্রতিরোধ করব।’

সংবাদ সম্মেলনে পৌর বিএনপির সভাপতি ইউছুপ আলী দাড়িয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ ফায়েকুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ছলেমান শেখ, যুবদলের সদস্যসচিব মান্নান শেখ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক লালন শেখ উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জে নির্বিচারে গণগ্রেপ্তার চলছে: রাশেদ খান

গোপালগঞ্জে নির্বিচারে গণগ্রেপ্তার চলছে বলে অভিযোগ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। রোববার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রাশেদ খান লিখেছেন, ‘গোপালগঞ্জে নির্বিচারে গণগ্রেপ্তার চলছে। যাদের গ্রেপ্তার করছে অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। আমাদের দলের একজন সদস্যদের বোন জামাইকে গ্রেপ্তার করেছে, পেশায় সে একজন ভ্যানচালক। আমাদের এক ছাত্র নেতার ছোট ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে।’

জেলার ‘প্রতিটি হাটবাজার ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রেপ্তার’ চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘গোপালগঞ্জ থেকে আমাদের দলের নেতারা এই তথ্য দিয়েছে। তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের নেতারা সব পলাতক। যাদেরকে ধরা হয়েছে এদের অধিকাংশ নিরীহ মানুষ। শুধুমাত্র চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করে কাদেরকে সন্তুষ্টি করতে এই গণগ্রেপ্তার?’

গোপালগঞ্জে গুলির প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন, ‘যেখানে যে পরিস্থিতি সেখানে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’গোপালগঞ্জে গুলির প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন, ‘যেখানে যে পরিস্থিতি সেখানে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরও লেখেন, ‘গোপালগঞ্জ এই দেশেরই অংশ। গোপালগঞ্জকে স্বাভাবিক করা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু গণহারে নিপীড়নের শিকার হলে সেটা গোপালগঞ্জের মানুষের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিবে। এই ক্ষোভ থেকে তারা বাঁচার জন্য সশস্ত্র হয়ে উঠতে পারে। সেটা কিন্তু দেশের জন্য ভাল নয়। আমি পুলিশকে বলবো, হাসিনার আমলের মত হইয়েন না। বেশি বেশি গ্রেপ্তার দেখিয়ে সরকার বা কোনো দলের নেতাদের খুশি করার চরিত্র থেকে বের হয়ে আসুন। নতুবা ক্ষতির শিকার আপনারাও হবেন।’

গত বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচিতে হামলা হয়। এরপর আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়। আহত হন শতাধিক। সংঘর্ষের পর থেকে জেলাজুড়ে কারফিউ জারি করা হয়। রোববার সকাল ৬ টায় কারফিউ শেষ হয়েছে। এখন জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

সংঘর্ষের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশের করা চার মামলায় এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক মানুষকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

দুই মাস ধরে রাজউকের নকশা অনুমোদন বন্ধ

দুই মাস ধরে বন্ধ হয়ে আছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নকশা অনুমোদন সার্ভার ইলেকট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিটিং সিস্টেম (ইসিপিএস)। দীর্ঘসময় ধরে অকেজো থাকায় থমকে আছে নকশা অনুমোদন থেকে শুরু করে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র দেওয়ার কাজ।

এতে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি সরকারও বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব আদায় থেকে। এদিকে, দ্রুতই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে রাজউক।

গত ১৯ মে হ্যাক হয় রাজউকের ইলেকট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিটিং সিস্টেম সার্ভার। এ ঘটনায় দুই জন গ্রেপ্তার হলেও চালু করা সম্ভব হয়নি সার্ভারটি। এরপর থেকেই বন্ধ আছে জমির ছাড়পত্র সনদ দেওয়ার সেবা। পাস হচ্ছে না বাড়ি তৈরির প্ল্যানও। ফলে সেবা প্রার্থীরা পড়ছেন ভোগান্তিতে।

বিষয়টি স্বীকার করে রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এক সপ্তাহের মধ্যে সার্ভার সচল করার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, জনবল সংকটে সমস্যা সমাধানে দেরি হচ্ছে। কোনো কারণে সচল না হলে সনাতন পদ্ধতিতে কাজ শুরু করা হবে।

রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও সতর্ক হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

প্রাচীন প্রথা মেনে দুই ভাইকে একসঙ্গে বিয়ে করলেন তরুণী

ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিরমৌর জেলার শিলাই গ্রামে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক তরুণীকে দুই ভাই মিলে বিয়ে করেছেন। এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলেও, বর ও কনের পরিবার দাবি করেছে যে এটি তাদের সম্প্রদায়ের বহু পুরোনো প্রথা এবং তারা এই প্রথা অনুসারেই বিয়ের আয়োজন করেছেন।

গত ১২ জুলাই কুনহাট গ্রামের তরুণী সুনীতা চৌহানকে বিয়ে করেন দুই ভাই—প্রদীপ নেগি ও কপিল নেগি। স্থানীয় ট্রান্স-গিরি এলাকায় তিন দিন ধরে চলে এই বিয়ের উৎসব, যেখানে শত শত আমন্ত্রিত অতিথি, পাহাড়ি গান, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং উৎসবের আমেজ ছিল।

প্রদীপ সরকারি চাকরি করেন, আর কপিল কাজ করেন বিদেশে। তারা হিমাচলের ‘হাট্টি’ সম্প্রদায়ের সদস্য। এই সম্প্রদায়ের মধ্যে একসময় এক নারীকে দুই ভাই মিলে বিয়ে করার রীতি প্রচলিত ছিল, যার নাম ‘হাট্টি পলিয়ান্দ্রি’। এমন বিয়েতে দুই স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে সম্মিলিতভাবেই সংসার করেন এবং সাধারণত এতে কোনো দ্বন্দ্ব হয় না।

বরদের ভাষায়, এই বিয়ে তারা সামাজিকভাবে স্বীকৃতভাবে করেছেন এবং এতে তারা গর্বিত। তাদের মতে, এটি পারিবারিক ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার একটি দৃষ্টান্ত।

নববধূ সুনীতা বলেন, ‘অনেকে ভাবতে পারেন আমি হয়তো কোনো চাপে পড়েই এই বিয়েতে রাজি হয়েছি। কিন্তু সেটা একদমই সত্যি নয়। সিদ্ধান্তটা আমার নিজস্ব ছিল এবং আমি আমাদের বন্ধনকে সম্মান জানিয়ে এই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই।’

উল্লেখ্য, হাট্টি সম্প্রদায়কে তিন বছর আগে ভারতের তপশিলি জনজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। স্থানীয় সূত্র বলছে, শুধু বাধানা গ্রামেই গত ছয় বছরে এমন অন্তত পাঁচটি বিয়ের উদাহরণ পাওয়া গেছে। তাই সম্প্রদায়ের অনেকে বলছেন, এমন ঘটনা এখন খুব একটা বিরল নয়।

প্রেমের টানে ৪৭২ মাইল পাড়ি দিয়ে দেখলেন প্রেমিকা বিবাহিত

সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় থেকে প্রেম, এমনকি বিয়ের স্বপ্নও দেখেছিলেন এক বেলজিয়ান যুবক। প্রেমিকাকে সারপ্রাইজ দিতে তিনি না জানিয়ে ৪৭২ মাইল গাড়ি চালিয়ে হাজির হন তার বাড়িতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, তার কথিত প্রেমিকা ফ্রেঞ্চ মডেল সোফি ভুজেলাউদ আসলে বিবাহিত! এ ঘটনায় হতবাক তিনি নিজেও, এবং প্রেমিকার স্বামী ফ্যাবিয়েন বাউন্টামাইনও। ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

প্রতিবেদনে মার্কিন গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, বেলজিয়ামের এক যুবক প্রায় ৫০০ মাইল পাড়ি দিয়ে হবু কনের কাছে গিয়ে দেখলেন, তার প্রেমিকা ফ্রেঞ্চ মডেল একজন বিবাহিতা। ওই প্রেমিকার নাম সোপি ভুজেলাউদ। প্রেমিকাকে সারপ্রাইজ দিতে ৪৭২ মাইল গাড়ি চালিয়ে সোপির বাসায় হাজির হন মিচেল নামের ওই প্রেমিক।  প্রেমিকার বাসায় গিয়ে তার ৩৮ বছর বয়সি স্বামী ফ্যাবিয়েন বাউন্টামাইনের দেখা পান তিনি।

স্ত্রী সোপিকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাবিয়েন এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি ভিডিওটি করেছি একজন অপরিচিত যুবকের জন্য, যে কিনা কিছু সময় আগে আমার বাড়ির কলিং বেল চেপেছিলেন।  দরজা খোলার পর তিনি বলেন, তিনি নাকি সোপির হুব বর। কিন্তু আমি তো তার বর্তমান স্বামী। একটা ঝামেলা হতে চলেছে।’

ফক্স নিউজ বলছে, মিচেল ওই বাড়িতে আসার কিছু সময় পর সোপির বিরুদ্ধে নিজের অভিযোগও তুলে ধরেন।  মিচেল বলেন, ‘আমার ধারণা, সোপি আমার সঙ্গে কোনো নোংরা খেলা খেলেছে।’

জবাবে দরজায় থাকা ফ্যাবিয়েন বলেন, ‘সে আমার স্ত্রী। সে এমনটা করতে পারে না। মনে হয় ভূয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনি প্রতারিত হয়েছেন। আপনার আরও সাবধান থাকা উচিত।’

২০০৭ সালে মিস ফ্রান্স প্রতিযোগিতার প্রথম রানার আপ হন সোফি।  এরপর জেতেন মিস লিমুজিন খেতাবও। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে বেশ অ্যাকটিভও তিনি। প্রায়শ ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন।

মিচেলের দাবি, অনলাইনে পরিচয় হওয়া সোপির জন্য তিনি ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করেছেন। তার ভাষায়, ‘সম্পর্কের এক পর্যায়ে সেই সোপি আমাকে জানায়, সে গর্ভবতী হয়েছিল এবং একপর্যায়ে তার তার গর্ভপাত হয়।’

জবাবে ফ্যাবিয়েন বলেন, ‘সোপি এখানেই আছে। আপনার বিষয়টির জন্য আমরা দুঃখিত।  সোপি অনেক ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করে। হয়তো সেসব ভিডিও থেকে কেউ ভূয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে। আপনার আরও সাবধান থাকা প্রয়োজন।’

দুই পুরুষের কথোপকথনের এক পর্যায়ে তাদের সঙ্গে যোগ দেন সোপি। মিচেলের ঘটনাটি শুনে মর্মাহত হন তিনি। বলেন, ‘আপনার কষ্ট আমার মনকে ব্যথিত করেছে। তথ্য প্রমাণ নিয়ে আপনার পুলিশের কাছে যাওয়া প্রয়োজন।’

নরসিংদীতে কলেজে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ১০ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

নরসিংদীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে বিএনপির সহযোগী সংগঠন কৃষকদলের আয়োজনে আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের মাঠে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় কলেজটির কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়। এ ঘটনায় উপস্থিত নেতা-কর্মী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ১০ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কলেজের প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, কলেজটিতে কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নেই কিংবা রাজনৈতিক কার্যক্রমও হয় না। আজ রোববার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র হওয়ায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বৃক্ষরোপন কর্মসূচির ভেন্যু হিসেবে আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ মাঠকে বেছে নেয়। তাদের কর্মসূচি চলাকালে কয়েকজন শিক্ষার্থী জয় বাংলা স্লোগান দেয়। এতে করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত মানবিক বিভাগের ১০ জন শিক্ষার্থীকে আপাতত ক্লাস বর্জনসহ সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

কলেজের অধ্যক্ষ হেরেম উল্যাহ আহসান বলেন, ‘যেহেতু এই কলেজটিতে কোনো প্রকার রাজনীতির চর্চা করতে দেওয়া হয় না। সেখানে আমাদের ছাত্ররা কেন রাজনৈতিক স্লোগান দেবে? তারই পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাস বর্জনসহ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিশু হাসপাতালের সেই ৬৫ চিকিৎসকের নিয়োগ বাতিল

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে নিয়োগ পাওয়া সেই ৬৫ জন মেডিকেল অফিসারের চাকরি শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে।  রোববার (২০ জুলাই) বিকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল আলম।

জানা যায়, বিতর্কিত এ নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নতুন করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৪২ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যদিও শিশু হাসপাতাল একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, তবু এর মোট ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশ বহন করে সরকার। কাজেই নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিয়ম মানার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা। কিন্তু সেটি লঙ্ঘন করা হয়েছে প্রতিটি ধাপে।

ডা. মাহবুবুল আলম জানান, নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাই পরিচালনা বোর্ডের সভায় আলোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে নিয়োগ বাতিলের। এখন নিয়ম অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এর আগে গত ৪ জুলাই কোনো লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই অভ্যন্তরীণভাবে ৬৫ চিকিৎসক নিয়োগ দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের অধিকাংশই একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের হিসেবে পরিচিত হওয়ায় এ নিয়ে চিকিৎসক সমাজে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়।

নিয়োগ-সংক্রান্ত তদন্তে উঠে এসেছে, পুরো প্রক্রিয়াটিই ছিল অস্বচ্ছ ও পক্ষপাতদুষ্ট। পরিচালক ডা. মাহবুবুল হক ও নিয়োগ কমিটির প্রধান ডা. এ কে এম আজিজুল হক পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে গোপন বিজ্ঞপ্তির আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ ওঠে। নিয়োগের ক্ষেত্রে হাসপাতালের ওয়েবসাইট বা জাতীয় দৈনিকে কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। বরং অভ্যন্তরীণ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়।

পেনাল্টির নিয়ম বদলে যেতে পারে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে

আগামী বছরের জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় বসছে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। এর আগে ফুটবলের বেশ কয়েকটি নিয়মে পরিবর্তন আনার চিন্তা করছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা আইএফএবি (ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড)। আলোচনায় রয়েছে পেনাল্টির নিয়মও।

বর্তমানে প্রথম শটে মিস করার পর আবার শট নিতে পারেন ফুটবলাররা। অফিশিয়ালরা মনে করেন, নিয়মটি চালু হলে পেনাল্টি পাওয়া দল অন্যায় সুবিধা পাবে না। পেনাল্টির সময় গোলকিপারের একটি পা গোললাইনের ওপরে কিংবা পেছনে থাকতে হয়। ফিরতি বলে আবারও শট নেয়াকে পেনাল্টি ঠেকানো দলের জন্য দ্বিগুণ শাস্তি বলে মনে করেন ফুটবলবোদ্ধারা।

কিন্তু নতুন প্রস্তাবিত নিয়মে, প্রথম শটে গোল না হলে খেলা আবার শুরু হবে গোলকিক দিয়ে, ফিরতি বলে আর শট নেওয়া যাবে না। প্রস্তাবটি পাশ হলে ২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে নতুন এই নিয়ম।

শুধু পেনাল্টিই নয়, ভিএআরের (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ব্যবহার আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনাও রয়েছে আইএফএবির। কর্নার, দ্বিতীয় হলুদ কার্ড কিংবা বিতর্কিত মুহূর্তে রেফারির সিদ্ধান্তে সাহায্যের জন্য নির্দিষ্টভাবে ভিএআর ব্যবহারের চিন্তা করা হচ্ছে।

ক্যারিবিয়ান লিগ: ওপেনিংয়ে নেমে সাকিব ঝড়, বল হাতেও ১ উইকেট

সাকিব আল হাসানকে সাধারণত ব্যাটিংয়ে ওপেন করতে দেখা যায় না। তবে ম্যাক্স সিক্সটিন ক্যারিবিয়ান টি-টেন লিগে ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেল। ওপেনিংয়ে নেমে ঝড় তোলেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জয় তুলে নিয়েছে মায়ামি ব্লেইজ, গ্র্যান্ড কেম্যান ফ্যালকনসকে হারিয়েছে ১৩ রানে।

কেম্যান আইসল্যান্ডের জিমি পাওয়েল ওভালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় গ্র্যান্ড কেম্যান। ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই ওপেনার শ্রীভাতস গোস্বামীকে হারালেও সাকিব চালিয়ে যান মারমুখী ব্যাটিং। মাত্র ১১ বলে ২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। মারেন ৩টি চার ও ২টি ছক্কা। তার স্ট্রাইকরেট ছিল ২৬৩.৬৩, যা ছিল ইনিংসে সেরা।

তিনে নেমে অ্যাঞ্জেলো পেরেরা খেলেন ২২ বলে ৪৫ রানের কার্যকর ইনিংস। তার ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ২টি ছক্কা। নির্ধারিত ১০ ওভারে মায়ামি স্কোরবোর্ডে তোলে ৫ উইকেটে ১১০ রান। ফ্যালকনসের হয়ে রিশি ধাওয়ান ও জ্যাক জার্ভিস দুটি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় গ্র্যান্ড কেম্যান ফ্যালকনস। ১০ ওভারে ৮ উইকেটে তারা করে ৯৭ রান। সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন চিরাগ গান্ধী। সাকিব ২ ওভারে দেন ১৯ রান, তুলে নেন ১ উইকেট। মায়ামির হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার সেহান জয়াসুরিয়া, ২ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট।

এবার অ্যাকশন-কমেডি সিনেমায় সানিয়া

বলিউডে পা রেখেই পরিণত শিল্পী হয়ে ওঠার যুদ্ধে নেমেছিলেন সানিয়া মালহোত্রা। মিস্টার পারফেকশনিস্ট-খ্যাত সুপারস্টার আমির খানের হাত ধরে অভিনয়ে আশা বলেই এই সাহস দেখাতে পেরেছেন। তাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন ভিন্ন ধাঁচের গল্প আর চরিত্রের মধ্য দিয়ে অভিনয় প্রতিনিয়ত নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরতে।

যার প্রমাণ ‘দঙ্গল’-এর পর তাঁর অভিনীত ‘সিক্রেট সুপারস্টার’, ‘পটাখা’, ‘ফটোগ্রাফ’, ‘শকুন্তলা দেবী’, ‘লুডে’, ‘লাভ হস্টেল’, ‘জওয়ান’, ‘পাগলায়েট’, ‘হিট: দ্য ফার্স্ট কেস’, ‘শ্যাম বাহাদুর’ সিনেমাগুলো। প্রতিটি সিনেমাতেই সানিয়া নিজেকে ভিন্ন রূপে তুলে ধরেছেন। এবার আনকোরা আরেক চরিত্রের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন অ্যাকশন-কমেডি গল্পের সিনেমা।

সিরিয়াস অভিনয় থেকে সানিয়া মালহোত্রা এবার সরাসরি ঢুকে পড়েছেন অ্যাকশন-কমেডির জগতে! এ বছরই মুক্তি পাবে এই বলিউড তারকার নতুন ছবি, যেখানে তিনি প্রথমবার পূর্ণাঙ্গ অ্যাকশন ও কমেডির হিরোইন। সম্প্রতি অভিনেত্রীর নতুন সিনেমার অফিসিয়াল ঘোষণা হলেও এর নাম চূড়ান্ত হয়নি। তবে নতুন সিনেমাটি নিয়ে সানিয়াকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

সামাজিক  মাধ্যমে সিনেমার টিমের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে পোস্টে সবার অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘এই খবরটা তোমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে আমি খুব খুশি। দেখা হবে সিনেমা হলে!’ এই ঘোষণার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ভক্তরা রীতিমতো উত্তেজিত। এতদিন তাঁকে সিরিয়াস চরিত্রে দেখে অভ্যস্ত দর্শকেরা এবার অপেক্ষায় এই নয়া ‘ধমাকা’ দেখার জন্য। নতুন রূপে সানিয়া কতটা সফল হন, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা।