Home Blog Page 383

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত বন্ধে মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত পুতিন-এরদোয়ান

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে গত চারদিন ধরে যে পাল্টা-পাল্টি হামলা চলছে, সেটি বন্ধে মধ্যস্থতা করার আগ্রহ দেখিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান।উভয়ই আলাদাভাবে জানিয়েছেন, সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে তারা মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত রয়েছেন।ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‌‘সংঘাত নিরসনের জন্য রাশিয়ার আগের প্রস্তাব এখনও বহাল রয়েছে। যদিও পরিস্থিতি এখন আরও জটিল হয়ে পড়েছে।’সমস্যার সমাধানে রাশিয়া বিবাদমান পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলেও জানিয়েছে ক্রেমলিন।এদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার রেচেপ তাই0প এরদোয়ান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।ইসরায়েলের সাথে সংঘাতের অবসান ঘটাতে তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালনে প্রস্তুত বলে ইরানকে জানিয়েছেন এরদোয়ান।

সাংবাদিকদের সর্বদা সত্যের পক্ষে কথা বলতে হবে: ডা. জাহিদ

সাংবাদিকদের সর্বদা সত্যের পক্ষে কথা বলতে হবে: ডা. জাহিদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সাংবাদিকদের কেউ কেউ শুধু প্রশংসা করতেই আগ্রহী হন, কিন্তু সমালোচনা করার সাহস দেখান না। পছন্দের সরকারের কেবল প্রশংসা করা, তাদের ভুল-ত্রুটি উপেক্ষা করে যাওয়া গণমাধ্যমের জন্য সঠিক কাজ নয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে হবে। সত্য ও জনগণের পাশে থাকলে মানুষ আপনাদের সব সময় মনে রাখবে।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডিইউজে সভাপতি শহীদুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে ডা. জাহিদ বলেন, আলোচনার মাধ্যমে ১০টি চুক্তি সই হয়েছে, কিন্তু একজন সাংবাদিকও প্রশ্ন করতে সাহস করেননি- এই চুক্তিগুলো আসলে কী নিয়ে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে অনেক সাংবাদিক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও আপনারা এখনও টিকে আছেন, এটাই আপনাদের অর্জন। আজকের দিনে অঙ্গীকার হোক, সর্বদা সত্যের পক্ষে কথা বলার, ন্যায়ের পক্ষে থাকার।
বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্র বন্ধ করে শেখ মুজিব গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছিলেন। তিনি জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিলেন।
আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন- জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক কালের কণ্ঠ সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, দ্য নিউ নেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, বিএফইউজে’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সহ-সভাপতি এ কে এম মহসিন ও খায়রুল বাশার, সহকারী মহাসচিব বাসির জামাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু, রাশেদুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খান।

সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে ডব্লিউজিইআইডি ভাইস চেয়ারপার্সনের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের জোরপূর্বক গুম বিষয়ক কার্যনির্বাহী দলের (WGEID) ভাইস চেয়ারপার্সন গ্রাজিনা বারানোভস্কার।

তার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সোমবার (১৬ জুন) সেনা সদরে সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজে তা প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সাক্ষাতে গ্রাজিনা বারানোভস্কা বিভিন্ন সংস্থায় (যেমন র‍্যাব, ডিজিএফআই, বিজিবি) অতীতে কর্মরত কিছু সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জবাবে সেনাবাহিনী প্রধান জানান, এ ধরনের সেনা সদস্যরা সংশ্লিষ্ট সংস্থার অধীনে নিয়ন্ত্রণাধীন থেকে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিচার প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তদন্ত প্রক্রিয়ায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

‘শপথের সুযোগ নেই, পরিপক্ব আচরণ প্রত্যাশা করি’

স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইস্যুতে স্থানীয় সরকার বিভাগ কোনো আইন ভঙ্গ করেনি। বিষয়টি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গেজেটের মেয়াদ ও পরে সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগের শপথ দেওয়ার কোনো আইনি সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, ‘তবে এভাবে ক্ষমতা প্রদর্শন করে নগর ভবন দখল করে দক্ষিণ ঢাকার দৈনন্দিন নাগরিক সেবায় বিঘ্ন ঘটানো দায়িত্বহীনতা ও আইনের শাসনের প্রতি অবমাননাকর।’

সোমবার (১৬ জুন) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

বিজ্ঞপ্তিতে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের একজন নেতার থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ প্রত্যাশা করিনি। অবরোধের কারণে বিগত মাসে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ নাগরিক সেবা হ্রাস পেয়েছে। আমাদের অফিসাররা ওয়াসা অফিসে বসে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে নাগরিক সেবা বাধাগ্রস্ত না হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অংশীজনদের থেকে আমরা আরও দায়িত্বশীল এবং পরিপক্ব আচরণ প্রত্যাশা করি।

বাংলাদেশেও হবে ফিফার একাডেমি

২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৭৫টি ট্যালেন্ট একাডেমি গড়বে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নতুন কমিটি ফিফা ট্যালেন্ট একাডেমি গড়ার উদ্যোগ নিচ্ছে। ফিফার অর্থায়নে এ একাডেমি প্রজেক্টে নিজেদের আগ্রহের কথা আর্সেন ওয়েঙ্গারকে জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

শনিবার ‘মিট দ্য প্রেসে’ এক প্রশ্নের জবাবে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেছেন, “প্রত্যেক দেশ এই একাডেমির জন্য আবেদন করতে পারে, তবে টিডিএস কমিটি রাজি হলেও চূড়ান্ত সম্মতি দেন আর্সেন ওয়েঙ্গার। তার কাছে আমি কমিটমেন্ট করেছি গত ফিফা কংগ্রেসে। আমরা আবেদন করব এবং প্রাথমিকভাবে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে আমাদের। আশা করি, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমরা ফিফা ট্যালেন্ট একাডেমির চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারব।”

এ প্রজেক্টের আনুষ্ঠানিক নাম হলো ‘ফিফা ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট স্কিম’। এর অধীনে ফিফা আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে ৭৫টি ফিফা ট্যালেন্ট একাডেমি গড়বে বিভিন্ন দেশে। ভারতের ভুবনেশ্বরেও এরকম একটি একাডেমি তৈরি করে দিয়েছে ফিফা। সর্বশেষ গত জানুয়ারিতে বাহরাইনও নিয়েছে ফিফার এলিট একাডেমির সুবিধা। ফিফার অর্থায়নের পাশাপাশি তাদের গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্টের তত্ত্বাবধানে চলবে এ একাডেমি।

এর আগে ২০১২ সালে একাডেমি গড়বে বলে ফিফার ৭ লাখ ডলার অনুদান নয়-ছয় করেছিল বাফুফে। সিলেট বিকেএসপিকে ফুটবল একাডেমিতে রূপ দিয়ে কিছুদিন চালিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিল তারা।

তবে তাবিথ আউয়ালের কমিটি ফিফার এ এলিট একাডেমি গড়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এর আগে বাফুফে সভাপতি চাইছেন ফুটবল সেন্টার অব এক্সেলেন্স-এর একটা সুরাহা করতে, আমাদের তো আগেই একটা ফুটবল সেন্টার করার প্রজেক্ট দিয়েছে, যা কক্সবাজারে হওয়ার কথা ছিল। স্বাভাবিকভাবে ওটা নিয়ে আগে আমাদের চিন্তা করতে হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে সুরাহা করতে না পারলে ওই প্রজেক্ট বাতিল হয়ে যাবে। কথা দিচ্ছি, এটা বাতিল হবে না, তার আগেই এটা কার্যকর করব।

জ্বরে ভুগছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ দলের পূর্ণাঙ্গ সফর। আগামী মঙ্গলবার গলে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। ম্যাচের আগে আজ রোববার প্রথমবারের মতো অনুশীলনে নামে বাংলাদেশ দল। মাঠে দেখা গেছে শান্ত, মুশফিক, নাহিদ রানা, জাকের আলিসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে।

তবে অনুশীলনে ছিলেন না সদ্য ওয়ানডে অধিনায়ক হওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ। জানা গেছে, জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় এদিন বিশ্রামে ছিলেন তিনি।

দিন শেষে অনুশীলনের পর সংবাদমাধ্যমে টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স জানিয়েছেন মিরাজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে। সিমন্স বলেন, ‘হ্যাঁ, মিরাজ জ্বরে ভুগছে। তবে আজ সকালেই তাকে আগের চেয়ে কিছুটা ভালো দেখেছি। চিকিৎসা চলছে। আশা করি আগামীকাল সে অনুশীলনে ফিরতে পারবে।’

তবে মিরাজের না থাকা দলের ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে বলেও জানান কোচ। তার ভাষ্য, ‘মিরাজকে নিয়ে আমাদের কিছুটা দুশ্চিন্তা আছে। তবে যদি খেলতে না পারে, তাহলে দলে পরিবর্তন আনতে হবে। এটাই বাস্তবতা।’

গলায় মৌমাছি ঢুকে মারা গেলেন কারিশমার সাবেক স্বামী

বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুর না ফেরার দেশে চলে গেছেন। লন্ডনে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান তিনি। বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের সঞ্জয়ের মৃত্যু ঘিরে নানা ধরনের খবর প্রকাশ্যে আসে।

তার বন্ধু ও ব্যবসায়িক সহযোগী সুহেল সেঠ এএনআইকে জানান, এ ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর মৃত্যু একটি মৌমাছির কারণে হয়েছে! তিনি একটি মৌমাছি গিলে ফেলেছিলেন। সে ভয়েই তাৎক্ষনিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সঞ্জয়। ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়, সঞ্জয় চেষ্টা করেছিলেন মৌমাছি গলা থেকে বার করে আনার। কিন্তু আতঙ্কিত হয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। বিষয়টি এতই দ্রুত ঘটে যায়, চিকিৎসারও কোনো সুযোগ মেলেনি।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, সঞ্জয় লন্ডনে পোলো খেলতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দ্য টেলিগ্রাফ-এর বরাত দিয়ে উক্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পোলো ম্যাচ চলাকালীন উপস্থিত দর্শকরা শুনেছিলেন যে সঞ্জয় কিছু একটা বলেছিলেন। তার কথাটি ছিল, আমি কিছু গিলে ফেলেছি।

এ কথায় উপস্থিত অনেকে ধারণা করেন যে তিনি সম্ভবত একটি পোকা গিলে ফেলেছেন। পরে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তিনি একটি মৌমাছি গিলে ফেলেছিলেন।

সঞ্জয় কাপুর এবং কারিশমা কাপুর ২০০৩ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০১৬ সালে দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুই সন্তান রয়েছে। এরপর ২০১৭ সালে মডেল প্রিয়া সচদেবকে বিয়ে করেন সঞ্জয়। দুজনের সে সংসারে একটি ছেলে রয়েছে। তবে কারিশমার সঙ্গে বিচ্ছেদ হলেও তার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন সঞ্জয়। বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যেত দুজনকে। প্রাক্তন স্বামীর এমন মৃত্যুতে ভেঙে পড়তে দেখা গেছে কারিশমা কাপুরকেও।

এদিকে ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী এই শিল্পপতির সম্পদের পরিমাণ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। সঞ্জয় কাপুরের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১০ হাজার ৩০০ কোটি রুপি)। ফোর্বস সাময়িকীর জরিপে তিনি বিশ্বের ২ হাজার ৭০৩তম ধনী ব্যক্তি ছিলেন।

সঞ্জয় কাপুর ছিলেন অটোমোটিভ যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী বহুজাতিক সংস্থা সোনা কমস্টারের চেয়ারম্যান। এ সংস্থার বাজারমূল্য ছিল ৪০ হাজার কোটি রুপির কাছাকাছি। বিশ্বের শীর্ষ ১০ গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭টিরই যন্ত্রাংশ সরবরাহ করত সোনা কমস্টার। বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) খাতে ভারতীয় অগ্রগতির অন্যতম পথপ্রদর্শক ছিল কোম্পানিটি।

সোনা কমস্টার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সঞ্জয়ের বাবা সুরিন্দর কাপুর, ১৯৯৭ সালে। ২০১৫ সালে তার মৃত্যুর পর সঞ্জয় ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নেন। সংস্থাটির কারখানা রয়েছে ৯টি দেশে।

কলকাতায় ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায় জয়া

এবারের ঈদুল আজহায় দেশে মুক্তি পেয়েছে দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত দুটি সিনেমা। একটি রায়হান রাফীর ‘তাণ্ডব’, অন্যটি তানিম নূরের ‘উৎসব’। দুটি সিনেমাই দারুণ সাড়া ফেলেছে। হলে দর্শক টানছে। এই দুটি সিনেমায় সম্পূর্ণই ব্যতিক্রমী দুই আমেজ নিয়ে দর্শকের সামনে এসেছেন গুণী এই অভিনেত্রী।

ঈদ উৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই ভারতের টালিগঞ্জে নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করলেন অভিনেত্রী। গত শনিবার মহরতের মধ্য দিয়ে কলকাতায় শুরু হয়েছে কৌশিক গাঙ্গুলীর ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার দৃশ্যাধারণ। সেখানে যোগ দিয়েছেন তিনি।

এ সিনেমার প্রথম পর্ব ‘অর্ধাঙ্গিনী’র মতো এবারও জয়ার সঙ্গে অভিনয় করবেন কৌশিক সেন ও চূর্ণী গাঙ্গুলী। এ তিনজনের সঙ্গে নতুন পর্বে যুক্ত হচ্ছেন ইন্দ্রাশিস রায়।

সুমনের (কৌশিক) অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে তাঁর সাবেক স্ত্রী শুভ্রা (চূর্ণী) ও বর্তমান স্ত্রী মেঘনার (জয়া) দেখা হওয়া এবং টানাপোড়েনকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল অর্ধাঙ্গিনীর প্রেক্ষাপট। আগের ঘটনার বছর দুয়েক পর একটা বিয়েকে কেন্দ্র করে আবার মুখোমুখি হন সুমন, শুভ্রা ও মেঘনা। নতুন সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘কৌশিকদার সঙ্গে আমরা খুব এনজয় করে কাজ করি।

এবারও তেমনটি হবে। কাজের ক্ষেত্রে প্রতিদিন আলাদা অভিজ্ঞতা হয়। নিজেকে আরও উন্নত করি অভিনেত্রী হিসেবে। এতে আবারও আমার সহশিল্পী হিসেবে চূর্ণী গাঙ্গুলীকে পাচ্ছি। তার মতো অভিনেত্রীকে সহশিল্পী হিসেবে পাওয়া মানে নিজের চরিত্রের আরও উত্তরণ ঘটা। আশা করছি, বেশ ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে সিনেমার কাজ শেষ করতে পারব।’

আজও অর্ধাঙ্গিনীর শুটিংয়ে যোগ দেওয়ার আগের দিন পর্যন্ত জয়া ঢাকায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন ঈদের দুই সিনেমার প্রচারে। হলে হলে ঘুরছেন তিনি। দর্শকের ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন তিনি।

ইরানের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরে ইসরায়েলের হামলা

ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদরদপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আজ রোববার এই হামলা করা হয়েছে।

ইসফাহানের নিরাপত্তাবিষয়ক ডেপুটি গভর্নর আকবর সালেহি হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে ওই হামলায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। খবর বিবিসির

হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেটি মূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে বলেও জানিয়েছেন ডেপুটি গভর্নর আকবর সালেহি।

এর আগে শনিবার রাতে ইরানি গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছিল যে, তেহরানের নোবোনিয়াদ এলাকাতেও দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

আরও ৩৬ দেশের ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা!

আরও ৩৬ দেশের জন্য দরজা বন্ধ করতে যাচ্ছে আমেরিকা। সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এমনটাই বলছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। আমেরিকার পররাষ্ট্র বিভাগের একটি মেমো উদ্ধৃত করে এই তথ্য জানিয়েছে তারা।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ১২টি দেশের নাগরিকের আমেরিকায় প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ট্রাম্প প্রশাসন। আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় আরও সাত দেশের ওপর। এবার সেই তালিকা দীর্ঘ হতে পারে। যদিও এ নিয়ে হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করেনি।

নতুন যে দেশগুলোর নাগরিকের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে, তার মধ্যে ২৫টি আফ্রিকা মহাদেশের। আমেরিকার সঙ্গী বলে পরিচিত মিশর, জিবুতিও রয়েছে এ তালিকায়। মধ্য এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দ্বীপরাষ্ট্রের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, এসব দেশ থেকে প্রায়ই নাগরিকেরা আমেরিকায় প্রবেশ করে অবৈধভাবে সেখানে থেকে যায়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন বলছে, ওই মেমোয় সই রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। যে দেশগুলোর ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিতে চলেছে আমেরিকা, সেখানকার রাষ্ট্রদূতের কাছে শনিবার মেমোটি পাঠানো হয়েছে বলেও জানা যায়। তালিকায় থাকা দেশগুলোকে ৬০ দিন সময় দিয়েছে আমেরিকা। তার মধ্যে তাদের জানাতে হবে, আমেরিকার দেওয়া মানদণ্ড ও শর্ত তারা গ্রহণ করবে কি না। আগামী বুধবার সকালের মধ্যে জানাতে হবে, এই বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তারা কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে।

আমেরিকার প্রশাসন বলে আসছে, সে দেশে প্রবেশের জন্য বেশ কিছু মানদণ্ড স্থির করা হয়েছে। যাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবা হচ্ছে, তাদের অনেকেই সেই ‘মানদণ্ড’ মানতে ব্যর্থ। এই দেশগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে নাগরিকদের বৈধ পরিচয়পত্র দেওয়ার মতো কোনো কেন্দ্রীয় সরকারই নেই। কিছু দেশে আবার পরিচয়পত্র দেওয়া নিয়ে জালিয়াতি হয়। ওই দেশগুলোর কিছু নাগরিক আমেরিকায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে নাগরিকত্ব কেনেন। তারপর অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। ওই ৩৬টি দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের এই সব ‘শর্ত’ যদি না মানে, তবে তাদের ওপর কবে থেকে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে, তা স্পষ্ট নয়।

মেমোয় যে দেশগুলোর নাম রয়েছে সেগুলো হলো- অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুদা, বেনিন, ভুটান, বুরকিনা ফাসো, কাবো ভার্দ, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, জিবুতি, ডোমিনিকা, ইথিওপিয়া, মিশর, গাবন, গাম্বিয়া, ঘানা, আইভরি কোস্ট, কিরঘিজস্তান, লাইবেরিয়া, মালাওয়ি, মৌরিতানিয়া, নাইজার, নাইজেরিয়া, সেন্ট কিটস, নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সাও টম অ্যান্ড প্রিন্সিপ, সেনেগাল, সাউথ সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, টোঙ্গা, টুভালু, উগান্ডা, ভানুয়াতু, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে।

এর আগে দেশকে ‘সুরক্ষিত রাখতে’ ১২টি দেশের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন ট্রাম্প। আফগানিস্তান, ইরান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হেটি, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেনের নাগরিকদের ওপরে এই নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। এ ছাড়াও আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ওপর। সেগুলো হলো-ভেনেজুয়েলা, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিয়ন, টোগো ও তুর্কমেনিস্তান।