Home Blog Page 391

রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে ছাড়ব: হাসনাত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমরা প্রতিজ্ঞা করছি অতীতের রাজনীতির যে ধারণা ছিল, যেই খেলা ছিল, সেই খেলার নিয়মতো পাল্টাবোই, খেলাকেও পাল্টে দেব। এই রাজনীতি রাজনীতিবিদদের জন্য আমরা কঠিন করে ছাড়ব। রাজনীতি, রাজনীতিবিদদেরকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে আমরা বাধ্য করব। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমরা জবাবদিহি করতে বাধ্য করব।

‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে নড়াইল শহরের পুরাতন বাস টার্মিনালে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচন, জনগণ এবং রাজনীতি যদি করতেই হয়, তাহলে চাকরি ছেড়ে দিয়ে এসে এবং ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে দিয়ে এসে রাজনীতির মাঠে এসে রাজনীতি করুন। গলফ খেলিয়ে, হসপিটালে ভর্তি করিয়ে রাজনীতিতে যারা ইন্টারফেয়ার করার চেষ্টা করছেন, আপনারা ফাউল করছেন। খুব শিগগিরই আপনারা রেডকার্ড দেখবেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গতকাল আমাদের নির্বাচন কমিশন বলে দিয়েছে শাপলা মার্কা নাকি আমাদেরকে দেওয়া হবে না। তারা মিটিং করেছে আজকে, কিন্তু মিটিং করার আগে গতকালই ফলাফল জানিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ ভোটের আগের ফলাফলের মতো আমাদের নির্বাচন কমিশন এখন মিটিংয়ের আগেই ফলাফল জানিয়ে দেয়। আমরা ধিক্কার জানাই এই নির্বাচন কমিশনের দ্বিচারিতাকে। তারা মিটিং করেছে আজকে, কীভাবে গতকালই ফলাফল জানিয়ে দেয় যে শাপলা মার্কাকে তারা দেবে না।

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে এনসিপির এই নেতা বলেন, আপনাদের রিমোর্ট কন্টোলটা কোথায়? সেটা কিন্তু আমাদের জানা আছে।

তিনি বলেন, আমরা দেখতাম নির্বাচনের আগে জিএম কাদের যায় ভারতে। এরশাদ যেত ক্যান্টনমেন্টে গলফ খেলতে। জিএম কাদের ভারত থেকে এসে বলতো আমরা সরকারের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব যে আমরা সরকারে থাকব, নাকি বিরোধী দলে থাকব। আমাদের কাছে খবর আছে এই নির্বাচন কমিশনের কারা কারা কিছু দিন আগে ক্যান্টনমেন্টে সিএমএইচে ভর্তি ছিলেন। আমাদের কাছে কিন্তু খবর আছে। এরশাদকে যেভাবে গলফ খেলতে নিয়ে যেত, ঠিক একইভাবে এখন অনেককেই ধরে ধরে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়। কোন জায়গা থেকে পরিচালিত হচ্ছে? রাজনীতি যে কোথায় চলে?

নড়াইলের পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম প্রমুখ।

“আপনি ইংরেজি শিখলেন কোথায়?”- লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্টকে ট্রাম্প

লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ বোয়াকাইর ইংরেজি কথায় মুগ্ধ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে জিজ্ঞাসা করেন— “আপনি ইংরেজি শিখলেন কোথায়?” বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার হোয়াইট হাউসে একদল আফ্রিকান নেতার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছিলেন। আলোচনার একপর্যায়ে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ বোয়াকাই ইংরেজিতে কথা বলা শুরু করলে ট্রাম্প চমকে যান এবং প্রশ্ন করেন, “এত ভালো ইংরেজি আপনি শিখলেন কোথায়?”

বোয়াকাই বলেন, “লাইবেরিয়া থেকেই”। উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “এটা বেশ মজার। আমরা এখানে যারা বসে আছি, তাদের মধ্যে অনেকেই এত ভালো ইংরেজি বলতে পারেন না।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্য শুনে বোয়াকাই হালকা হাসলেন, তবে বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। যদিও পশ্চিম আফ্রিকর দেশ লাইবেরিয়ার সরকারি ভাষা ইংরেজি। তবে ট্রাম্প জানতেনই না লাইবেরিয়ার সরকারি ভাষা ইংরেজি।

ট্রাম্প যখন আফ্রিকান নেতাদের স্বাগত জানাচ্ছিলেন, তখন লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “লাইবেরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু। আমরা ‘আমেরিকাকে আবার মহান করে তোলার’ নীতিকে সমর্থন করি। আমরা শুধু এই সুযোগের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।”

এই বক্তব্যের পরই ট্রাম্প তার ইংরেজি দক্ষতা নিয়ে মন্তব্য করেন।

লাইবেরিয়া এমন একটি দেশ যা ১৮২২ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই মুক্তি পাওয়া আফ্রিকান-আমেরিকানদের উপনিবেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তখন কিছু শ্বেতাঙ্গ আমেরিকান মনে করতেন দাসপ্রথা শেষ হলে কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য আলাদা জায়গা দরকার, এই ভাবনার ফলেই গড়ে ওঠে লাইবেরিয়া। ফলে দেশটির সরকারি ভাষা ইংরেজি, যদিও স্থানীয় বহু আদিবাসী ভাষাও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহারে বিলুপ্তির মুখে পোকামাকড়

ফল-ফসল ও এসব থেকে তৈরি খাবার খেয়ে আমরা বেঁচে থাকি। আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে এসব ফল-ফসল উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় কীটনাশক। আর এতে মারা যায় পোকামাকড়। অনেকটা নির্বিচারেই তাদের প্রাণ যায়। এগুলোর মধ্যে অনেক ভালো পোকামাকড়ও থাকে, যারা প্রকৃতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। ফসল রক্ষায় কীটনাশক ব্যাপক ব্যবহারের কারণে বিশ্বব্যাপী পোকামাকড়ের অনেক প্রজাতি এখন বিলুপ্তির মুখে।

নতুন এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা গেছে, ফল ও সবজিতে ছত্রাকনাশক স্প্রে করে পোকামাকড়ের ক্ষতি হচ্ছে বেশি। নিরাপদ বলে বিবেচিত মাত্রায় ব্যবহার কীটনাশকও বড় ক্ষতির কারণ হয়। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ম্যাককোয়ারি ইউনিভার্সিটির এক নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত রাসায়নিক ক্লোরোথ্যালোনিল পোকামাকড়ের বংশ বৃদ্ধির ক্ষমতা নষ্ট করছে ও মেরে ফেলছে। ম্যাককোয়ারির স্কুল অব ন্যাচারাল সায়েন্সেসের গবেষকরা ল্যাবে ব্যবহৃত সাধারণ পোকামাকড়ের মডেল, ফলের মাছিগুলোয় ক্লোরোথ্যালোনিলের প্রভাব পরীক্ষা করেছেন। ফলের মাছি বন্য অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক অনুরূপ পোকামাকড়ের প্রতিনিধিত্ব করে। এগুলো সাধারণ ফলের মাছি বা ভিনেগার মাছি নামে পরিচিত। ফসলের ক্ষতি করা পোকামাকড়ের বিপরীতে এগুলো পচা ফল খায়। খামার ও বাগানে বর্জ্য ভেঙে ফেলা ও পুষ্টির পুনর্ব্যবহারে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক পিএইচডি প্রার্থী দর্শিকা দিসাওয়া বলেন, ডি. মেলানোগাস্টার (সাধারণ ফলের মাছি) খাদ্যশৃঙ্খলের অন্তর্ভুক্ত। তারা অন্য অনেক প্রজাতির খাদ্য।

পরীক্ষায় ফলের মাছি লার্ভা ক্লোরোথ্যালোনিলের সংস্পর্শে আসে, যা প্রকৃত কৃষিজাত পণ্য যেমন– ক্র্যানবেরি ও ওয়াইন গ্রেপে পাওয়া যায়। দর্শিকা দিসাওয়া বলেন, ‘আমরা যেসব মাছি পরীক্ষা করেছি, তার প্রজননের ওপর খুব কম ঘনত্বের কীটনাশকেরও বিশাল প্রভাব পড়ে। এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মোট সংখ্যার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, এটি স্ত্রী-পুরুষ– উভয়ের উর্বরতাকেই প্রভাবিত করে।’

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মাছি কীটনাশকের সংস্পর্শে আসেনি, তাদের তুলনায় রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা মাছিগুলোর ডিম উৎপাদন ৩৭ শতাংশ হ্রাস পায়। অধ্যাপক ফ্লেউর পন্টন বলেন, ‘আমরা মনে করেছিলাম, বেশি মাত্রার কীটনাশক মাছির ডিম উৎপাদনের ওপর বেশি প্রভাব ফেলবে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম, খুব কম পরিমাণও তীব্র নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’

জঙ্গিবাদ বিষয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক থাকা উচিত: মার্কিন দূত

জঙ্গিবাদের বিষয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মেগান বোল্ডিন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর (অব.) সঙ্গে সৌজন্য স্বাক্ষাত করতে এসে এসব কথা বলেন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স বলেন, প্রতিটি দেশই কমবেশি সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গি হামলার ঝুঁকিতে থাকে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। যদিও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনেক রাজনৈতিক নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে জঙ্গিবাদ বলে অভিহিত করা হয়েছিলো। তারপরও বাংলাদেশকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো জঙ্গিবাদ নেই। তবে মাঝে মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল মিটিং-মিছিলের চেষ্টা করে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোরভাবে প্রতিহত করছে। শুধু সন্ত্রাসবাদ নয়, যে কোনো ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সে ধরনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ঢাকার বারিধারা ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি সেখানে কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও আইসিটি) খন্দকার মো. মাহাবুবুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কাউন্সিলর ইরিক গিলান, পলিটিক্যাল মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোস পপ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গ্যাস সংকট: ঘোড়াশালে ১,৬১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

গ্যাস সংকটের কারণে ১,৬১০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার নরসিংদীর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত দুই বছর ধরে ঘোড়াশালে গ্যাস সংকট চলছে। এর ফলে চলতি বছরের ৯ জুন ৫ নম্বর (২১০ মেগাওয়াট), ১৩ জুন ৪ নম্বর (৩৬০ মেগাওয়াট) এবং ১৪ জুন থেকে ৭ নম্বর (৩৬০ মেগাওয়াট) ইউনিটের উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।

প্রকৌশলী এনামুল হক বলেন, সরকার সার কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বিকল্প উপায়ে গ্যাস সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। গ্যাস পেলে আমরা দ্রুতই উৎপাদনে ফিরতে পারব।

তিনি  জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিট (৩৬০ মেগাওয়াট) গত দুই মাস ধরে টারবাইনের রোটারের ব্লেডে ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে। মেরামত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ চালু হলে এটি পুনরায় উৎপাদনে যেতে পারবে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০১০ সালের জুন মাসে অগ্নিকাণ্ডে ৬ নম্বর ইউনিটের (২১০ মেগাওয়াট) টারবাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেই ইউনিটে উৎপাদন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

আর্জেন্টিনার ২০২৬ বিশ্বকাপের জার্সির ছবি ফাঁস!

০

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে, টুর্নামেন্ট শুরু হতে এখনো প্রায় এক বছর বাকি। তবে এরই মধ্যে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার নতুন জার্সি ঘিরে আলোচনার ঝড় উঠেছে ফুটবল বিশ্বে। ২০২৬ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় বসতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর—ফিফা বিশ্বকাপ।

আর তার এক বছর আগেই আলোচনায় উঠে এসেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য জার্সি। ক্রীড়াভিত্তিক পোশাকের বিশেষজ্ঞ ওয়েব পোর্টাল ‘দ্য অপালিক’-এর দাবি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার নতুন বিশ্বকাপ জার্সির ছবি ইতিমধ্যেই ফাঁস হয়েছে। দেশটির খ্যাতনামা ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস-ও সম্ভাব্য জার্সিটির সত্যতা মেনে নিয়েছে।

নতুন জার্সিতে আর্জেন্টিনার চিরাচরিত আকাশি-সাদা রঙের প্রাধান্য বজায় থাকলেও, নকশায় এসেছে উল্লেখযোগ্য ভিন্নতা। জার্সির সামনের অংশে রয়েছে তিনটি লম্বালম্বি স্ট্রাইপ, যেখানে ব্যবহৃত হয়েছে তিন ধরনের নীল রঙ হালকা, মাঝারি ও গাঢ়। এর মাঝে আকাশি রঙটি থাকছে কেন্দ্রে। বাইরের অংশে সাদা রঙের পটভূমিতে গাঢ় নীল রঙের প্রলেপ, যা এক ভিন্ন মাত্রার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে।

এভাবে তিন রকম নীলের এই ডিজাইন আর্জেন্টিনার ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি এক আধুনিক ছোঁয়াও বহন করছে। জার্সির গলায় থাকছে ‘ডার্ক ব্লু’ রঙের ভি-আকৃতির ডিজাইন, যা জার্সির হাতায়ও পুনরাবৃত্ত হয়েছে। এ ছাড়া অ্যাডিডাসের চিরচেনা তিনটি কালো স্ট্রাইপ এবার দেখা যাবে কাঁধের অংশে।

‘দ্য অপালিক’-এর তথ্যমতে, আকাশি ও সাদার পাশাপাশি এবার জার্সিতে ‘নেভি ব্লু’ রঙের আধিক্য লক্ষ্য করা যাবে। বুকের ডান পাশে থাকবে স্পনসর অ্যাডিডাসের লোগো, মাঝখানে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল লোগো এবং বাম পাশে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) তিন তারকাখচিত সোনালি শিল্ড।ফুটবলাররা পরবেন জার্সির সঙ্গে মানানসই নেভি ব্লু শর্টস ও লম্বা মোজা।

আগামী বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে রেকর্ড ৪৮টি দল, যেখানে এরই মধ্যে কোয়ালিফাই করেছে ১০টি দেশ। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে সবচেয়ে আগে বিশ্বকাপে টিকিট নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তাদের পর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল ও ইকুয়েডর।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে উজবেকিস্তান ও জর্ডান। স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি খেলবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।ইতিমধ্যে আর্জেন্টিনা ছাড়াও কোয়ালিফাই করেছে ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উজবেকিস্তান, জর্ডান, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো। আগামী বিশ্বকাপে মোট খেলবে ৪৮টি দলফিফার ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ৩৬ বছরের শিরোপা খরা ঘোচানো আর্জেন্টিনা এবার নতুন চ্যালেঞ্জে নামছে ভিন্ন ডিজাইনের জার্সিতে। ফুটবলপ্রেমীদের এখন অপেক্ষা এই জার্সি কতটা সৌভাগ্য বয়ে আনে লিওনেল স্কালোনির দলটির জন্য। আর্জেন্টিনার সামনে এবার রেকর্ড ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। নতুন জার্সিতে তারা কতটা উজ্জ্বল হয়, সেটা এখন সময়ের অপেক্ষা।

কর ফাঁকি: ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তিকে এক বছরের কারাদণ্ড

০

কর ফাঁকির মামলায় ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে বুধবার এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন স্প্যানিশ আদালত। এছাড়া তাকে তিন লাখ ৮৬ হাজার ইউরো বা প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

কার্লো আনচেলত্তি দুই মেয়াদে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ ছিলেন। এর মধ্যে ২০১৪-১৫ মৌসুমে তিনি কর ফাঁকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই সময় তার ইমেজ স্বত্বের ওপর অর্জিত আয়ের ওপর কর দেননি বলে মামলা দায়ের করা হয়।

শুনানিতে আনচেলত্তি জানান যে, ক্লাবের থেকে তার ইমেজ স্বত্বের ওপর কর দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়নি। যে কারণে অনিচ্ছায় কর ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি।

এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ আসলেও আনচেলত্তিকে জেলে যেতে হবে না। সংবাদ মাধ্যম রয়র্টার্স দাবি করেছে, স্প্যানিশ আইনে কর ফাঁকির জন্য কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও আসলে তেমন কাউকে তা ভোগ করতে হয় না।

এর আগে শুনানিতে আনচেলত্তি আইনজীবীর মাধ্যমে নিজেকে র্নিদোষী দাবি করেন।

পাকিস্তানি অভিনেত্রীর লাশ নিতে অস্বীকৃতি, যা বললেন বাবা

পাকিস্তানের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী হুমাইরা আসগরের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তার পিতা লাশ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার করাচির ডিফেন্স ফেজ ৬ এলাকার নিজ ফ্ল্যাট থেকে ৩৫ বছর বয়সী হুমাইরা আসগরের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি, তবে পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোর বিষয়টি রহস্য তৈরি করেছে।

পুলিশ জানায়, মৃতদেহটি প্রচণ্ডভাবে পচে গিয়েছিল। যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় এক মাস আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। অভিনেত্রীর লাশ বর্তমানে হিমঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

লাহোরে জন্মগ্রহণ করা হুমাইরা তার স্বপ্ন পূরণের আশায় করাচিতে চলে আসেন। তবে এ শহরেই থেমে গেল তার জীবন প্রদীপ।

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে করাচির এসএসপি (দক্ষিণ) মাহজোর আলী বলেন, ২০১৮ সাল থেকে হুমাইরা ওই ফ্ল্যাটে একাই বসবাস করছিলেন এবং ২০২৪ সালের শুরু থেকেই ভাড়া দিতেন না। তিনি পুরোপুরি নিঃসঙ্গতায় বসবাস করছিলেন।’

এদিকে লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু হুমাইরার বাবা মেয়ের লাশ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। এমনকি তিনি তার মেয়ের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন বলেও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তাকে (বাবাকে) করাচিতে আসার জন্য বহুবার অনুরোধ জানানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। পরিবারের পক্ষ থেকেও এরপর আর কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।

এদিকে হুমাইরার সেই ফ্ল্যাটটি আদালতের নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীরা তার মোবাইল ফোনের ডেটা উদ্ধার করেছেন এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ফরেনসিক বিশ্লেষণের প্রতিবেদন অপেক্ষায় রয়েছে।

এসএসপি মাহজোর জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে- এটি স্বাভাবিক মৃত্যু। তবে আমরা সব দিক থেকেই তদন্ত করছি।’

ময়নাতদন্ত শেষ হলেও ফরেনসিক বিশ্লেষণের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত কিছু বলতে পারছে না।

জানা যায়, ২০১৩ সালে মডেলিং শুরু করেন হুমাইরা। পরে ২০২২ সালের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো তামাশা-তে অংশগ্রহণ করে খ্যাতি অর্জন করেন। তবে গত কয়েক বছর ধরে তিনি জনজীবন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন।

তার করুণ মৃত্যু এবং পরিবারের উদাসীন প্রতিক্রিয়া শোবিজ অঙ্গনে ব্যক্তিগত জীবনের অব্যক্ত কষ্ট ও মানসিক সংকট নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তার সহকর্মী ও ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক ও বিস্ময় প্রকাশ করছেন। অনেকেই শোবিজ অঙ্গনের ভেতরে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

শিল্পী সমিতির সেক্রেটারি ডিপজলের পাশে মুক্তি!

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়টি এখন বেশ আলোচিত। এদিকে মামলাটি হওয়ার পর ডিপজলের পাশে দাঁড়িয়েছেন শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য ও গুণী অভিনেত্রী আনোয়ারা তনয়া অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি। এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিজ সোশ্যাল হ্যান্ডেলে এটা নিয়ে একটু পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টটি তুলে ধরা হলো।

মুক্তি প্রথমেই লিখেছেন, শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আগে প্রচারণায় নিয়মিত এফডিসিতে আসতেন ডিপজল ভাই। মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার পর পরিচালক সমিতিতে যান তিনি। সেখান থেকে বেরিয়ে সমিতির আঙিনায় ঝটলা দেখতে পান। তার ভিড়ে একজন নারী কান্না করছেন। ওই নারীর বুকে ডিপজল ভাইয়ের ছবি। নিজেকে ভক্ত দাবি করে একটি বার ডিপজল ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে উপস্থিত সাংবাদিক ও পরিচালকদের সহযোগিতা কথা বলার সুযোগ পান তিনি। সেই সুযোগে নিজের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে ডিপজল ভাইয়ের কাছে সহযোগিতা চান ওই নারী। ডিপজল ভাই বললেন ঠিক আছে নির্বাচনের পর দেখবো।

শিল্পী সমিতির নির্বাচন শেষ। শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন সময় এফডিসিতে ওই নারী তার সন্তান নিয়ে আসেন ডিপজল ভাইয়ের আসার খবরে। অনেক সময় দেখা করতে পেরেছেন আবার অনেক সময় পাননি। তবে সেসময় অর্থনৈতিক সহযোগিতা পেয়েছেন কিনা সেটা জানি না।

মুক্তি আরও লিখেন – তার কিছু দিন পর প্রেস ক্লাবে ইলিয়াস কাঞ্চন মামার কাছে ডিপজল ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে কান্নাকাটি করেন। তখন সেই ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। ইলিয়াস কাঞ্চন মামা পাগল ভক্ত বুঝতে পেরে হয়তো এড়িয়ে গেছেন। গাবতলীর গরুর হাটে এই নারীর বিভিন্ন পাগলামির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আছে।

হঠাৎ করেই গতকাল সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি একই নারী ডিপজল ভাইয়ের বিরুদ্ধে মা/র/ধ/র ও অ্যা-সি-ড নিক্ষেপের অভিযোগে মা-ম-লা করেছেন। বিষয়টি দেখে খুবই অবাক হয়েছি। কারণ, কয়েক মাস আগেও ভক্ত দাবি করে পাগলামি করেছে, সেসব ভিডিও ইউটিউব এখনো রয়েছে। আর তিনিই এখন গুরুতর একটা অভিযোগ এনেছেন। এতে পরিস্কার যে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মা-ম-লা। অন্যদের প্রচারণায় তিনি এই মামলা করেছেন তা স্পষ্ট। তার এবং তাদের উদ্দেশ্য অসৎ।

মুক্তি শেষে লিখেছেন, গতকাল ডিপজল ভাইয়ের এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে জানতে পারি এই নারী অসহায়ত্বের কথা বলে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা নিয়েছেন। ধারণা করছি, অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য হয়তো তিনি এই ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন।

মহামান্য আদালতের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা সুষ্ঠ তদন্ত করে এর বিচার করবেন। যারা এই নারীকে ব্যবহার করে এসব কাজ করছে, তাদেরকেও প্রকাশ্যে আনবেন। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে শিল্পীদের নামে ভিত্তিহীন অভিযোগের নামে হয়রানি বন্ধ হোক।

ভারতের সীমান্তরক্ষীরা খুনিতে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর গুলির নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘দেশটি কখনোই আমাদের মিত্র নয়।’ বুধবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার শহীদ হাসান চত্বরে পদযাত্রায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপির দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা শীর্ষক মাসব্যাপী কর্মসূচির নবম দিনে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহে পদযাত্রা করে দলটি। এতে নাহিদ ইসলাম ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তৃতা করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রদের ওপরে গুলি চালানো হয়েছিল। সেই খুনিকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। ভারত কখনোই আমাদের মিত্র নয়। ভারতের সীমান্তরক্ষীরা খুনিতে পরিণত হয়েছে। তারা একের পর এক মানুষ হত্যা করে চলেছে। গতকালও (মঙ্গলবার) চুয়াডাঙ্গার সীমান্ত দিয়ে একজনের লাশ পাঠিয়েছে বিএসএফ।’

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এনসিপি বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলবে।