Home Blog Page 474

ভারতের দখলে থাকা কোদলা নদীর ৫ কিলোমিটার উদ্ধার করেছে বিজিবি

ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কোদলা নদীর ৫ কিলোমিটার ভারতের দখল থেকে উদ্ধার করেছে মহেশপুর-৫৮ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এতদিন কোদলা নদীর বাংলাদেশ সীমান্তের এই ৫ কিলোমিটার ভারতের বিএসএফ দখল করে আধিপত্য বিস্তার করেছিল।

সোমবার রাতে ৫৮ বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি জানায়, কোদলা নদী বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রসারিত হয়ে মহেশপুরের মাটিলা এলাকায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চিহ্নিত করেছে। ১৯৬১ সালে প্রণীত বাংলাদেশ-ভারত (স্টিপ ম্যাপ সিট নম্বর-৫১) মানচিত্র অনুসারে কোদলা নদীর উল্লেখিত ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার নদী সম্পূর্ণ বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্য রেখার অভ্যন্তরে অবস্থিত।

মহেশপুরের যাদবপুর ইউনিয়নের মাটিলা গ্রামের স্থানীয়রা জানায়, এক সময় এই নদী থেকে প্রচুর মাছ আহরণ করা হতো। স্বাধীনতার পর কোদলা নদী পাড়ের মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে বাংলাদেশের আরো অভ্যন্তরে বসবাস শুরু করলে কোদলা নদীর বাংলাদেশ অংশটুকু ভারতের বিএসএফ দখল করে নেয় এবং সেখানে আধিপত্য বিস্তার করে। ফলে কৃষকরা মাঠে চাষাবাদ ও নদীতে মাছ ধরতে যেতে পারতো না।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন জানান, কোদলা নদীর বাংলাদেশ অংশে গেলেই বিএসএফ বাধা প্রদান করতো। এতে নদীটি ব্যবহার করা নিয়ে মাটিলা গ্রামের মানুষের সাথে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ’র সাথে প্রায়ই বাদানুবাদ হতো।

মহেশপুর ৫৮ বিজিবি জানিয়েছে, সম্প্রতি কোদলা নদীর প্রকৃত মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়টি বিজিবির নজরে এলে তারা প্রথমে বিভিন্ন নথিপত্র, স্থানীয় প্রশাসন ও মানচিত্র থেকে নদীটির প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে বিএসএফ’র অবৈধ আধিপত্য বিস্তারের বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। বিজিবি সদস্যরা সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কোদলা নদী নিজেদের আয়ত্বে আনতে সক্ষম হয়। বর্তমানে বিজিবি সদস্যরা প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি এলাকার জন্য যন্ত্রচালিত বোট এবং নদীর পাড়ে দ্রুত টহলের জন্য অল ট্যারেইন ভেহিক্যেল (এটিভি) বরাদ্দ করেছে।

এদিকে ভারতের কবল থেকে ৫ কিলোমিটার নদী উদ্ধারের পর সোমবার দুপুরে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহ মো: আজিজুস সহিদ স্থানীয় জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন।

এ সময় নদী উদ্ধারে তাদের সহায়তার জন্য বিজিবি কর্মকর্তারা জনসাধারণকে ধন্যবাদ জানান এবং নদীর প্রকৃত অবস্থান এবং মালিকানা সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্মকে অবগত রাখার জন্য অনুরোধ জানান। সেই সাথে নদীর বাংলাদেশ অংশে প্রয়োজনীয় সেচ এবং চাষাবাদ চালু রাখার জন্য গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন বিজিবির কর্মকর্তারা।
সূত্র : বাসস

তামিমের বিধ্বংসী ইনিংসে বরিশালের বড় জয়

জ্বলে উঠলেন তামিম ইকবাল। অধিনায়কের বিধ্বংসী ইনিংসে দুর্বার রাজশাহীকে হেসেখেলেই হারিয়েছে ফরচুন বরিশাল। তাতে এক ম্যাচ পর জয়ের ধারায় ফিরেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তামিম ইকবাল ৪৮ বলে করেন অপরাজিত ৮৬* রান।

বিপিএলে আজ সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রাজশাহীকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বরিশাল। প্রথমে ব্যাট করে ১৬৮ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী। জবাবে ১৫ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় বরিশাল।

রাজশাহীর দেয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। নাজমুল হোসেন শান্তকে বাদ দিয়ে একাদশে আনা প্রীতম কুমার ভালো করতে পারেননি, ফেরেন ৯ বলে ৩ করে।

তবে ছোট ছোট জুটিতে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিতে থাকেন বরিশালের তামিম। প্রথমে মায়ার্সের সাথে ৪১ ও এরপর হৃদয়ের সাথে ৪০ রানের জুটি গড়েন তিনি। মায়ার্স ১১ বলে ২৪ ও তাওহীদ ফেরেন ১৩ রান করে।

তবে পাঁচে নেমে মুশফিকুর রহিম দলকে জিতিয়ে ফেরেন তামিমের সাথে মিলে। অধিনায়কের সাথে ৭৬ রানের অপরাজিত জুটি করে দলকে জেতান তিনি। মুশফিক অপরাজিত থাকেন ২৪ বলে ৩৪ রানে। রাজশাহীর হয়ে দুইটি উইকেট নেন মোহর শেখ।

এর আগে জিসান আলমের ২৭ বলে ৩৮, এনামুল হক বিজয়ের ৩৯ ও ইয়াসির আলির ২৩ বলে ৩৭ রানে ১৬৮ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী। মোহাম্মদ হারিস ২২ ও আকবর আলি করেন ৯ বলে ১৫ রান।

২ উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ফাহিম আশরাফ নেন ১ উইকেট। একটি উইকেট পেয়েছেন তানভীর ইসলামও।

ভারতে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়িতে বিস্ফোরণ : নিহত ৯

ভারতে ছত্তিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়িতে হামলায় নয়জন নিহত হয়েছে। মাওবাদী দমন অভিযান সেরে ফেরার সময় ওই নিরাপত্তা বাহিনীর উপর মাওবাদীরা পাল্টা হামলা চালায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই গাড়িটিকে আইইডি বিস্ফোরণের মাধ্যমে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বস্তার সুন্দররাজ পি জানিয়েছেন, দান্তেওয়াড়া, নারায়ণপুর, বস্তার ও বিজাপুর থেকে স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) ও সিআরপিএফ জওয়ানরা মাওবাদী অভিযান থেকে ফিরছিলেন।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে কুতরু থানার আম্বেলি গ্রামের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গাড়ি আইইডি বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত হয়।

এই বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে জেলা রিজার্ভ গার্ডের আটজন সৈন্য এবং একজন চালকের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। কয়েকজন জওয়ান গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার থেকেই বিজাপুর লাগোয়া নারায়ণপুর-দান্তেওয়াড়া সীমানায় মাওবাদী দমন অভিযান শুরু করেছিল যৌথবাহিনী। সেই সময় দুই পক্ষের গুলি বিনিময়ে একজন জওয়ান এবং চারজন মাওবাদীর মৃত্যু হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

তারই পাল্টা হিসেবে সোমবারের এই হামলা বলে অনুমান করা হচ্ছে।

সূত্র : বিবিসি

পদত্যাগের ঘোষণা কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর

নিজ দলের ভেতরে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) দেশটির রাজধানী অটোয়ায় নিজ বাসভবনের বাইরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এর আগে, দ্যা গ্লোব অ্যান্ড মেইল রোববার তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সোমবারের মধ্যে লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জাস্টন ট্রুডো ২০১৩ সালে লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সময় কানাডিয়ান এ দলটি গভীর সমস্যায় পড়েছিল এবং প্রথমবারের মতো হাউস অব কমন্সে তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছিল।

রয়টার্স বলছে, ট্রুডোর এ পদত্যাগের ফলে দেশটির ক্ষমতাসীন এ দলটিকে এমন এক সময়ে স্থায়ী প্রধান ছাড়াই রাজনৈতিক মাঠে ছেড়ে দেবে যখন জরিপগুলোতেও দেখা যাচ্ছে যে-চলতি বছরের অক্টোবরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে লিবারেলরা রক্ষণশীলদের কাছে খারাপভাবে হেরে যাবে।

সূত্র : আল জাজিরা

উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

আগামীকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় কাতারের আমিরের বিশেষ বিমান ‘রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স’ -এ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ত্যাগ করবেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এজন্য তার গাড়ি কোন পথে হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাবে সে রুট প্রকাশ করেছে বিএনপি।

জানা গেছে, গুলশান-২ এর বাসা ফিরোজা থেকে রাত ৮টায় চেয়ারপারসনকে নিয়ে গাড়িটি গুলশান-২ এর গোলচত্বর হয়ে কাকলী গোলচত্বর হয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবে।

ইতোমধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতার আমিরের বিশেষ বিমান ‘রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স’টি ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে।

বিমানের হোস্টদের স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও চেয়ারপারসন উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ডক্টর এনামুল হক চৌধুরী।

কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

অভিযোগ ওঠা সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্তের জন্য সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলকে নির্দেশনা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন। সে অনুযায়ী সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল আগামী সপ্তাহে তদন্ত শুরু করবে।

সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬ (৫) (বি) অনুসরণ করে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তদন্তের জন্য সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের নিকট নির্দেশনা প্রেরণ করেছেন। সে অনুযায়ী সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল আগামী সপ্তাহে তদন্ত শুরু করবে।

এর আগে বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে কয়েকজন বিচারপতির আচরণ বিষয়ক তথ্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছিল সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল। গত ১৫ ডিসেম্বর এ তথ্য জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

গত ৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বর্তমানে বেশ কয়েকজন বিচারপতি আচরণের (কনডাক্ট) বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে।

তার ধারাবাহিকতায় ১৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্টর কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে তথ্যবলী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে ইতোমধ্যে পাঠানো হয়।

১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ছিল। ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পণ করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেয়া হয় সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কাছে।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ষোড়শ সংশোধনীতে সেটা বাতিল করে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়া হয় সংসদকে। বিলটি পাসের পর একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয় আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রুলের রুল শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পাওয়ার পর ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত রায়টি দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। পরে একই বছরের ১ আগস্ট ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।

এরপর গত ২০ অক্টোবর সেই রিভিউ আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন আপিল বিভাগ।
এরপর সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।

কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে এই কাউন্সিল যাচাই বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ প্রেরণ করেন। সংবিধান অনুসারে, প্রধান বিচারপতি ও জ্যেষ্ঠ দু’জন বিচারপতির সমন্বয়ে এ কাউন্সিল গঠিত হয়।

সেই সময়ে অন্তত ১৫ জন বিচারপতিকে বিচার কাজের বাইরে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজন বিচারপতি ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। একজন অবসরে যান। এখন ১১ জন বিচারপতি বিচার কাজের বাইরে আছেন।

বিচার কাজের বাইরে থাকা ১২ বিচারপতি হলেন- বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি আশিষ রঞ্জন দাস, বিচারপতি খিজির হায়াত, বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন, বিচারপতি মো: আখতারুজ্জামান, বিচারপতি মো: আমিনুল ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলন।

চট্টগ্রাম আদালত থেকে ১৯১১টি মামলার ফাইল ‘উধাও’

চট্টগ্রাম আদালত থেকে ১ হাজার ৯১১টি মামলার নথি সিডিএস (কেস ডকুমেন্টস) গায়েব হয়ে গেছে। সোমবার ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মফিজুল হক ভূঁইয়া কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করার পর গায়েবের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

আইনজীবীরা বলেছেন, এই মামলার নথিগুলো অপরাধ প্রমাণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলো গায়েব হলে ন্যায়বিচার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মহানগর পিপির অফিসটি চট্টগ্রাম আদালত ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত, যা দায়রা জজের আদালত কক্ষ এবং অন্যান্য বিচারিক কক্ষের সংলগ্ন।

স্থান সঙ্কটের কারণে পিপির অফিসের বাইরের বারান্দায় হারিয়ে যাওয়া মামলার নথিগুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

২৮ থেকে ৩০টি আদালতের এই নথিগুলো ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল তারিখে সেখানে রাখা হয়েছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আদালতের ছুটির সময় নথিগুলো হারিয়ে যেতে পারে।

এ ঘটনায় জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এই ফাইলগুলো ছাড়া মামলা বিলম্বিত হতে পারে এমনকি মামলা ঝুঁকির মধ্যেও পড়তে পারে।

পিপি মফিজুল হক ভূঁইয়া এই নিখোঁজকে নিরাপত্তার গুরুতর লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এটি কোনো তুচ্ছ বিষয় নয়। এই ফাইলগুলো অপসারণের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে। এছাড়া আসামিরা তাদের মামলায় অযাচিত সুবিধা অর্জনের জন্য এ কাজের পরিকল্পনা করে থাকতে পারে।’
সূত্র : ইউএনবি

চিকিৎসক-নার্সসহ বিএসএমএমইউয়ের ১৫ জন বরখাস্ত

জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ১৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরাও রয়েছেন।

বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর শেখ ফরহাদ এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার এই সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক নজরুল ইসলাম সই করেন।

প্রক্টর শেখ ফরহাদ বলেন, ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে যে তারা সংঘাতে জড়িত ছিলেন। কেন তারা এমনটা করেছেন, তা জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের জেরা করবে।

আজ থেকে তাদের এই বরখাস্তের আদশে কার্যকর করা হবে।

কার্ডিওলোজি বিভাগের ডা. আবু তোরাব আলী মিম, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রিয়াজ সিদ্দিকী প্রাণ ও হাসপাতালের পরিচালকের অফিসের পেইন্টার নিতীশ রায়ও বরখাস্ত হওয়ার মধ্যে আছেন।

এছাড়াও সাইফুল ইসলাম, কাজী মেহেদী হাসান, অ্যাসিস্ট্যান্ড ড্রেসার শহীদুল ইসলাম (সাইদুল), সুইপার সন্দ্বীপ, রেসপাইরেটরি মেডিসিন অ্যাসিস্ট্যান্ট উজ্জ্বল মোল্লা, গাড়িচালক সুজন বিশ্ব শর্মা, ওপিডি-১ এমএলএসএস ফখরুল ইসলাম জনি, ল্যাব কাস্টমার কেয়ার অ্যাটেনডেন্ট রুবেল রানা, সিনিয়র নার্স শবনম নুরানি, ওয়ার্ড এমএলএসএস স্টাফ শাহাদাত, মুন্না আহমেদ ও আনোয়ার হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, বিএসএমএমইউয়ের ৯৪তম সিন্ডিকেট বৈঠকে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তারা গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

সূত্র : ইউএনবি

৭ বছর পর দেখা হচ্ছে মা ও ছেলের

আগামী ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বড় কোন জটিলতা না হলে দলটির বিভিন্ন পর্যায় থেকে এই তারিখটিই চূড়ান্ত বলে জানানো হয়েছে। সব ঠিক থাকলে ওইদিন রাত ১০টায় কাতার এয়ারলাইন্সের একটি এয়ার-অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। লন্ডনে পৌঁছে সরাসরি তার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কথা রয়েছে। বড় ছেলে তারেক রহমানের সাথে লন্ডনে কিছুদিন থাকার পর যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। মেরিল্যান্ডের পূর্ব বাল্টিমোরে অবস্থিত জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে চিকিৎসা নিবেন তিনি।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন জরুরি। ধারণা করা হচ্ছে, বেগম জিয়ার এই চিকিৎসায় কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগতে পারে।

দলীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা সম্পন্ন হলেই বেগম জিয়া দেশে ফিরবেন। ফেরার পথে সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন করতে পারেন তিনি। এমনও আলোচনা আছে, চিকিৎসা শেষে মায়ের সাথে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একত্রে দেশে ফিরতে পারেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিদেশযাত্রা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনা যেমন চলছিল, তেমনি চলছিল প্রস্তুতিও। বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি দুটি একসঙ্গে না এগুনোয় একাধিকবার বিদেশ যাত্রার তারিখ পরিবর্তন করতে হয়েছে। তবে নতুন করে আর তারিখ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে চিকিৎসক এবং দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে শনিবার (৪ জানুয়ারি) বলেছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়া আগামী ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যেতে পারেন। এখন পর্যন্ত এটা ঠিক আছে, সেভাবেই কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ওইদিন রাতে তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের রি-ফুয়েলিংয়ের জন্য দোহাতে থামা হতে পারে। পরদিন ভোরে বা সকালে লন্ডন পৌঁছে সোজা হাসপাতালে যাবেন তিনি।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে ২০২০ সালের মার্চে তৎকালীন সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি পান তিনি। মূলত এই সাময়িক কারামুক্তির পর থেকেই বেগম জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার এবং দল থেকে একাধিকবার দাবি জানানো হচ্ছিল। তবে প্রতিবারই শর্তসাপেক্ষে সাময়িক মুক্তির কথা বলে তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার।

এদিকে সাময়িক কারামুক্তির পর থেকে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় থাকলেও এই সময়ে তাকে একাধিকবার জরুরি ভিত্তিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার হার্টে রিং পরানো হয়েছে, লিভার সিরোসিসের চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে চিকিৎসক এনে ‘টিপস’ করানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও তার বিদেশে চিকিৎসার দরজা উন্মুক্ত হচ্ছিল না। তবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়া মুক্তি পান। এর পরপরই তার বিদেশযাত্রা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়। তিনি কোন দেশে যেতে পারেন, সেটা নিয়ে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড ও পরিবার একাধিকবার বৈঠক করেছে। এই সময়ের মধ্যে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থাও দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য পারমিট করছিল না। এমন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থা দীর্ঘ ভ্রমণের উপযোগী করে তোলা, কোনভাবে তাকে বিদেশে নেয়া যায় এবং তার পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনের ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হয়। ইতোমধ্যে বেগম জিয়ার নতুন পাসপোর্ট করানো, ভিসা জটিলতা সব কিছু কেটে গেছে। তিনি যুক্তরাজ্য ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের ভিসাও পেয়েছেন।

চিকিৎসকরা বলছেন, বিশেষ বিমানে তিনি এখন ভ্রমণেরও উপযোগী। ফলে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিতে তার পরিবার এখন সব দিক থেকে প্রস্তুত। জানা গেছে, খালেদা জিয়ার সাথে ৫/৬ জন চিকিৎসকসহ ১৫/১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যাবে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন গত ২৯ অক্টোবর বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে প্রথমে ‘দীর্ঘযাত্রার বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে’ লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর সেখান থেকে তাকে তৃতীয় একটি দেশে মালটিডিসিপ্ল্যানারি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হবে। পরবর্তীতে তৃতীয় সেই দেশটি যুক্তরাষ্ট্র বলে জানান তিনি।

২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। পেটে পানি আসা ও রক্তক্ষরণ বন্ধে তার শরীরে ট্রান্সজুগলার ইন্ট্রাহেপাটিক পোরটোসিসটেমিক সান্ট (টিপস) প্রতিস্থাপন করা হয়। সে কারণে বেগম জিয়ার মেডিকেল বোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই হাসপাতালেই লিভার প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে। জটিল এই অপারেশন প্রক্রিয়ায় টিপস সম্পাদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা তো থাকবেনই, খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের কয়েকজন চিকিৎসকও সেখানে অংশগ্রহণ করবেন।

৭৮ বছর বয়সী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস ছাড়াও কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। ২০০৭ সালে থেকে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে রয়েছেন। খালেদা জিয়ার এই সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পরে সেখানে মা-ছেলের সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে। এটিও একটি আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করবে বলে পরিবারের সদস্যরা বলছেন। এই কারণে খালেদা জিয়া সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে না গিয়ে প্রথমে লন্ডনে যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, চোখ ও পায়ের ফলোআপ চিকিৎসার জন্য ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন খালেদা জিয়া। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তিনি যাত্রাবিরতি করেন। ১৬ জুলাই বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে বেগম জিয়া লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান। লন্ডনে মা-ছেলের এ সাক্ষাৎকালে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান উভয়ই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারেক রহমান তখন নিজের গাড়িতে করে মা খালেদা জিয়াকে গন্তব্যে নিয়ে যান।

শেখ হা‌সিনা‌র ফেরতের বিষয়ে এখনো প্রতি‌ক্রিয়া জানায়‌নি ভারত : পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টা

পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টা মো: তৌ‌হিদ হো‌সেন জানিয়েছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনাকে ফেরত পাঠা‌নো নি‌য়ে ভার‌তের আনুষ্ঠা‌নিক কো‌নো প্রতি‌ক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে বেলাব থানা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

তৌ‌হিদ হো‌সেন ব‌লেন, ‘ওনা‌কে (‌শেখ হা‌সিনা) ফেরত পাঠা‌নো নি‌য়ে ভার‌তের কো‌নো আনুষ্ঠা‌নিক প্রতি‌ক্রিয়া এখনো আমরা পাইনি।’

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে অবস্থান করছেন।

প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে সম্প্রতি দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে ভারতের চিঠির জন্য অপেক্ষা করবে বাংলাদেশ। ভারতের কাছে চিঠির জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এদিকে, শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বাংলাদেশের বার্তা পাওয়ার কথা পুনরায় তু‌লে ধ‌রেন। তি‌নি ব‌লেন, কূট‌নৈ‌তিক পত্র প্রাপ্তিস্বীকারের বাইরে তেমন কিছু বলার নেই।