Home Blog Page 493

দেশে সংখ্যালঘু আর সংখ্যাগুরু বলে পার্থক্য করা যাবে না : জামায়াত আমির

দেশে সংখ্যালঘু আর সংখ্যাগুরু বলে পার্থক্য করা যাবে না মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘এ দেশে যারাই জন্ম নিয়েছে, তারা এ দেশের গর্বিত নাগরিক। আমরা নাগরিকদের ধর্ম কিংবা কোনো দলে বিভক্ত করতে চাই না।’

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে ইউনিটি। একটাই জাতি আমরা, আমাদের পরিচয় হবে আমরা বাংলাদেশী।’

ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘যে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে না, সে দেশের মানুষ মাথা সোজা করে সম্মানের সাথে বিশ্বের সামনে দাঁড়াতে পারে না। স্বাধীনতার ৫৪ বছর গেল, আর কত বছর আমাদের বিভক্ত করে রাখা হবে?’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে চলার পক্ষে। কেউ যেন কারো ধর্ম নিয়ে খোঁচাখুঁচি না করেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভারত আমাদের কাছের প্রতিবেশী, তারা যেন আমাদের উপর এমন কিছু চাপিয়ে না দেন যা বাংলাদেশের মানুষের জন্য অপমানজনক।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘পঞ্চগড়ের সাথে আমার ২০২২ সাল থেকে আলাদা একটা সম্পর্ক আছে। এর আগে আমার কাছে অন্য জেলার মতোই একটা জেলা ছিল। ২০২২ সালে নৌকা ডুবিতে যখন এলাম আমরা চেষ্টা করেছি, অসহায় পরিবারগুলোর কাছে যাওয়ার। ওই সময় একটা ছোট শিশুকে কোলে নেয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেই শিশুটি আজকে এখানে এসেছে। শিশুটির নাম বিপু। ওই সময় তার বয়স সম্ভবত দু’বছর হবে। একেবারেই ছোট ছিল। নৌকা ডুবিতে মা-বাবা হারিয়েছে। আমরা সেই শিশুটির লেখাপড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার আর্থিক দায়িত্ব নিয়েছিলাম।’

পরে ডা: শফিকুর রহমান পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে স্থানীয় জামাতের নারী সদস্য এবং বিশিষ্ট জনদের সাথে পৃথক মতবিনিময় করেন।

এ সময় জনসভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলওয়ার হোসাইন সাঈদী, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আব্দুল হাকিম, নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার, জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার মাহমুদ আল মামুন হিমু, তোফায়েল প্রধান, পঞ্চগড় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী, পঞ্চগড় জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মীর মোর্শেদ তুহিন, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির সভাপতি মাসুদুর রহমান বক্তব্য দেন।

রাশিয়ার সাথে শান্তিপূর্ণ পরমাণু শক্তি সম্প্রসারণে আগ্রহী বাংলাদেশ : ড. ইউনূস

০

শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তির বিকাশ ও অভিন্ন স্বার্থের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘বাংলাদেশ রাশিয়ার সাথে পরমাণু শক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী।’

বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রায়ত্ত পরমাণু শক্তি করপোরেশন রসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ অধ্যাপক ইউনূসের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে মূলত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের (আরএনপিপি) চলমান সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রকল্পটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে পরমাণু শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস রসাটমের অব্যাহত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রকল্পটি সময়মতো সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা রসাটমের মহাপরিচালকের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা আপনার সহায়তা প্রত্যাশা করছি, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

মহাপরিচালক লিখাচেভ রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতির সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অধ্যাপক ইউনূসকে অবহিত করেন এবং জানান নির্মাণ কাজ পরিকল্পনামাফিক এগিয়ে চলছে এবং ইতোমধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

লিখাচেভ বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের যেকোনো সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য গ্রহণীয়।’

তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, প্রকল্পটির টেস্ট রান (পরীক্ষামূলক চালনা) চলছে এবং শিগগিরই পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন যে- সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে রসাটম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৈঠকে দুই পক্ষ আন্তঃসরকারি ঋণ চুক্তি (আইজিসিএ) সংশোধনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন, সেখানে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত ঋণের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়।

এই বিষয়ে উভয় পক্ষ শিগগিরই আইজিসিএ-এর প্রটোকল নম্বর ২ স্বাক্ষর করতে সম্মত হয়, যা প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করবে। এছাড়া কর্মী প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা প্রটোকল এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরসহ দীর্ঘমেয়াদী সফলতার জন্য অব্যাহত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টার মূখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মোকাব্বির হোসেন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো: শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন, রাশিয়ার ফেডারেল এনভায়রনমেন্টাল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড নিউক্লিয়ার সুপারভিশন সার্ভিস-এর ডেপুটি চেয়ারম্যান আলেক্সি ফেরোপোন্তভ, রসাটমের প্রথম ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল আন্দ্রেই পেত্রভ এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ও এএসই জেএসই-এর সহ-সভাপতি আলেক্সি ডেরি উপস্থিত ছিলেন।

মহাপরিচালক লিখাচেভ বর্তমানে এক দিনের সফরে বাংলাদেশ রয়েছেন। এর আগে তিনি সর্বশেষ ২০২৪ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ সফর করেন।
সূত্র : বাসস

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সামনে অবস্থান নিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে আহতরা

০

জুলাই আন্দোলনে আহতরা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মিছিল নিয়ে গিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনের সড়কে বসে পড়েন তারা।

এ সময় তারা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এর আগে, বিভিন্ন সময় আন্দোলনে আহতরা স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবিতে রাজধানীর শ্যামলী, শাহবাগ, উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অবরোধ করেছিলেন।

জানা গেছে, আহতরা উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রবেশের গেটের সামনের সড়কে বসে আছেন। তাদের পুলিশ, কার্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএনসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন।

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আহত এবং নিহত হয়েছে এমন ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যরা সেখানে গেছেন। তাদের সবার দাবি, আহতদের ক্যাটাগরি বিন্যাসে যে বৈষম্য করা হয়েছে সেটি সংশোধন করতে হবে। একইসাথে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে।

এ বিষয়ে যতক্ষণ পর্যন্ত সুস্পষ্ট নির্দেশনা না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে বলে জানান তারা।

ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতরা তাদের কিছু দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। তারা রাস্তা অবরোধ করেনি, কার্যালযয়ের সামনে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।’

উত্তেজনার মধ্যেই নতুন ছাত্র সংগঠনের নাম ঘোষণা

গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া শিক্ষার্থীদের নতুন ছাত্র সংগঠনের নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে হাতাহাতি ঘটেছে। বুধবার বেলা ৩টায় সংবাদ সম্মেলনে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু ধাক্কাধাক্কি ও বিক্ষোভের মুখে নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পরও সংবাদ সম্মেলন শুরু করা যায়নি।

পরে সোয়া ৫টার দিকে জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রদের অন্যতম আবু বাকের মজুমদার নতুন দলের নাম ঘোষণা করেন। তখনো বিক্ষুব্ধ কিছু তরুণকে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

নতুন ছাত্র সংগঠনের নাম রাখা হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’।

পদ বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে এ আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ করেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের ধাক্কাধাক্কি করতে দেখা যায়।

নতুন ছাত্র সংগঠনের আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার। সদস্য সচিব জাহিদ আহসান। মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদাসসির এবং মুখপাত্র আশরেফা খাতুন।

দলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল কাদের এবং সদস্য সচিব মাহির আলমের নাম ঘোষণা করা হয়।

সংগঠনটির প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে, ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট’।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের সাথে এর সাংগঠনিক কাঠামোর কোনো সম্পর্ক থাকবে না। এমনকি গঠিত হতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের সাথেও কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক একটি ছাত্র সংগঠন হিসেবে এই সংগঠন কাজ করবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
সূত্র : বিবিসি

উপদেষ্টা মাহফুজ পেলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে মো: নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের এক দিন পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন মো: মাহফুজ আলম।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীন সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেয়া হয়।

এর আগে মঙ্গলবার মো: নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়া এই পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, ‘রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের পরে ছাত্র-জনতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে পরিবর্তিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য আপনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।’

এই উপদেষ্টা পরিষদে তাকে সুযোগ দেয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম লেখেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদে আমি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাই। নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আপনার নেতৃত্বে দায়িত্ব পালনে সদা সচেষ্ট থেকেছি। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমার ছাত্র-জনতার কাতারে উপস্থিত থাকা উচিত মর্মে আমি মনে করি। ফলে আমি আমার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়া সমীচীন মনে করছি।’

এফডিসির এমডিকে অপসারণে আলটিমেটাম

০

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অপসারণ চেয়ে আলটিমেটাম দিয়েছেন চলচ্চিত্র শিল্পি ও কলাকুশলীরা। সম্মিলিত বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির ব্যানারে আজ রোববার সকাল থেকেই এফডিসির গেটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে তারা এ দাবি জানান।

শিল্পিদের অভিযোগ, সম্প্রতি এমডি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মাসুমা রহমান তানি পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর। তাই তাকে সরাতে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। এজন্য রোববার থেকে সরকারকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে মাসুমা রহমান তানিকে এমডির পদ থেকে না সরালে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেয়া হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার জন্য প্রতীকী ‘এফডিসি ব্লকড’ পালন করা হয়।

এ উপলক্ষে গতকাল এফডিসি প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করে বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি। এতে বক্তব্য রাখেন কমিটির উপদেষ্টা এবং চিত্রনায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল।

বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলমের সভাপতিত্বে এফডিসি ফটকে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, চিত্রনায়ক হেলাল খান, শিল্পী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আরমান, অভিনয়শিল্পী এ বি এম সোহেল রশিদ, কেয়া চৌধুরী, শারমিন, চলচ্চিত্র পরিচালক নাসির উদ্দিন, জয়নাল আবেদিন, শাওন আশরাফ, শফিকুল ইসলাম, কাহিনিকার ও চিত্রনাট্যকার কাসেম আলী, ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এতে চিত্রনায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল বলেন, ‘এফডিসিতে প্রশাসনিক কাজে যদি কোনো প্রশাসক আসে, আমাদের তো কোনো আপত্তি নেই। কারণ এটা সরকারি জায়গা। একটা লোক চাকরি করতে আসবে, সে আসতেই পারে। এখানে চাকরি করতেই পারে। কিন্তু আপনি এমন একজনকে পাঠাচ্ছেন যিনি অজ্ঞাতনামা আসামি আমাদের চোখে। আমরা তাকে চিনি না, জানি না। তাহলে কেন জোর করে আমাদের ওপর আপনারা তাকে চাপিয়ে দেবেন। এমনটা হবে না। আমরা সেটা প্রতিহত করব।’

পরিচালক ও বৈষম্যহীন চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক বদিউল আলম বলেন, ‘আমরা বলছি না, আমাদের পছন্দের কাউকে এফডিসির এমডি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হোক। কিন্তু যাকে এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দেয়া হবে, তাকে অবশ্যই যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে। চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের মতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে, চলচ্চিত্র সম্পর্কে জানতে হবে। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানে আমরা দেখছি এখন ফ্যাসিস্ট ও আওয়ামী দোসরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এটা মেনে নেয়া যায় না। তাই আমরা সবাই এক হয়েছি।’

বিয়ে করলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন

০

বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় বাংলাদেশী অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। দীর্ঘদিনের প্রেমিক পরিচালক আদনান আল রাজীবের সাথে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আকদের পর ঢাকার অদূরে একটি রিসোর্টে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে আজ।

সোমবার (২৪ ফেব্রয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে দেড় সপ্তাহ পর তিনি ভক্তদের এই সুখবর জানান।

ওই পোস্টে স্মৃতিচারণ করে মেহজাবীন লিখেছেন, ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল প্রথমবার রাজীবের সাথে তার দেখা হয়েছিল। সেদিন তাদের ১৫ মিনিটের সংক্ষিপ্ত কথোপকথন তাদের পরস্পরের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। বছরের পর বছর তাদের বন্ধন আরো দৃঢ় হয়েছে। অবশেষে ১৩ বছর পরে বিয়ের মাধ্যমে পরিণতি পেয়েছে তাদের সম্পর্ক।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘১৩ বছর পর আমরা একসাথে, উপভোগ করছি আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করেছি।’

অভিনেত্রী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনের জন্য সবার কাছে আশীর্বাদ ও দোয়া চেয়েছেন।

জানা গেছে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে মেহজাবীন ও আদনানের আকদ সম্পন্ন হয়।

গতকাল রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অদূরে একটি রিসোর্টে তাদের গায়ে-হলুদ অনুষ্ঠান হয়েছে। একই রিসোর্টে আজ হচ্ছে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। তবে অভিনেত্রী বিয়ের অনুষ্ঠানে গোপনীয়তা বজায় রাখতে চেয়েছেন। তিনি নিজেই ছবি পোস্ট করবেন বলেও জানান।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজীবের সাথে মেহজাবীনের প্রেমের গুঞ্জন চলছিল। তারা বিয়ে সেরেছেন এমন কথাও ভাসছিল শোবিজ অঙ্গনে। তবে এটি নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে কিছু বলেননি এই দম্পতি। অবশেষে গুঞ্জন সত্যি হলো তাদের আনুষ্ঠানিক বিয়ের মধ্য দিয়ে।

বিনোদন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ মেহজাবিন। টেলিভিশন নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয় জয় করেছেন এই অভিনেত্রী। মেহজাবিনের স্বামী আদনান আল রাজীব একজন পরিচালক।

এই দম্পতির বিয়ের খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সহকর্মী ও ভক্তরা তাদের সুখী ও প্রেমময় দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন।
সূত্র : ইউএনবি

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহকে থামতে বললেন কার্তিক

০

এবার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দীনেশ কার্তিক। এই বয়সেও তাদের জাতীয় দলে খেলা নিয়ে কথা বলেছেন ভারতীয় সাবেক এই ক্রিকেটার। ভারত বিশ্বকাপের পর তারা অবসর না নেয়ায় বিস্মিত তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেড়যুগ পাড় করে ফেলেছেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাদের সময়কার অনেকেই এখন ব্যাট-প্যাড গুছিয়ে ফেলেছেন, অনেকেই আবার বিদায় বলে দিয়েছেন জাতীয় দলকে।

অথচ মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ এখনো অটো চয়েস হয়ে খেলে যাচ্ছেন জাতীয় দলে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দলেও। আগের মতো যেমন দায়িত্ব নিতে পারছেন না তারা, তেমনি পেছনে ফেলে এসেছেন নিজেদের সেরা সময়।

মুশফিকের ব্যাটে রান নেই বিশ্বকাপের পর থেকেই। এই সময়ে ১৭ ইনিংসে মাত্র ২৭.৭৮ গড় ও ৮১.২১ স্ট্রাইক রেটে ৩২৯ রান করেছেন তিনি। যেখানে দুই অঙ্কের ঘরেই যেতে পারেননি আটবার। বিপিএলেও ছিলেন ব্যর্থ।

বিপিএলে ১৪ ম্যাচে মুশফিক রান করেছিলেন মাত্র ১৮৪। এরপর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দুই ম্যাচেও আউট হয়েছেন ০ ও ২ রানে। অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহও ছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিস্প্রভ। ব্যাট হাতে মাত্র ৪ রান করেন তিনি, একইসাথে ফিল্ডিংয়েও মিস করেন সহজ ক্যাচ।

তাদের এমন দৃষ্টিকটু পারফরম্যান্সে বিরক্ত ভারতের সাবেক ক্রিকেটার দীনেশ কার্তিক। ক্রিকবাজের সাথে আলাপকালে এই দুই ক্রিকেটারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘তারা একসাথে ১৬-১৭ বছর ধরে খেলছে কিন্তু দেশের জন্য কিছুই জিততে পারেনি। তাহলে এত লম্বা সময় ধরে তাদের খেলানোর কারণটা কী?’

কার্তিক আরো বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম ২০২৩ বিশ্বকাপ শেষেই মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ অবসর নেবে। তবে তারা খেলা চালিয়ে যাওয়াটাকেই বেছে নিয়েছে। জানি না আর কত দিন খেলবে! তারা আমাকে অনেক বিস্মিত করেছে।’

এই প্রসঙ্গে আরো তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় কোনো না কোনো সময়ে তরুণদের জন্য জায়গাটা ছাড়তে হবে। কারণ এটা দলকে স্থিতিশীল করবে। প্রথমদিকে তারা হয়তো স্ট্রাগল করবে, তবে শেষে গিয়ে এটাই তাদের সাফল্য দেবে।’

এরপর বাংলাদেশকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘২০২৬ সালে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ভালো করতে চাইলে এমনটাই হওয়া উচিত। বড় পরিসরে ভাবতে হবে, সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।’

ইউক্রেন নিয়ে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা বুঝতে পারছে না রাশিয়া

০

রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, ইউক্রেন সঙ্ঘাত নিয়ে গত সপ্তাহে সৌদি আরবে রাশিয়া এবং মার্কিন প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের পরিকল্পনা নিয়ে পরিষ্কার হতে পারেনি মস্কো।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সঙ্কটের দ্রুত সমাধান বের করার বিষয়ে তারা ওয়াশিংটনের ইচ্ছা লক্ষ্য করেছেন।

গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বৈঠক করেন এবং ইউক্রেনে শান্তি আলোচনা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পরে রিয়াদ বৈঠককে মস্কো এবং ওয়াশিংটন খুবই ফলপ্রসু বলে উল্লেখ করেছে।

রিয়া নভোস্তি পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে রিয়াবকভ বলেন, ভারসাম্যপূর্ণ স্বার্থের ভিত্তিতে ইউক্রেন সঙ্ঘাতের সমাধান করার ক্ষেত্রে রাশিয়ার দরজা উন্মুক্ত। কিন্তু এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরিকল্পনা কী তা এখনো রাশিয়া পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারেনি।

তিনি বলেন, রাশিয়া এখন পর্যন্ত পরিষ্কারভাবে মার্কিন পরিকল্পনা বুঝতে পারছে না তবে আমরা গুরুত্ব সহকারে লক্ষ্য করেছি যে- মার্কিন পক্ষ দ্রুত যুদ্ধবিরতি চায়।

কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী মীমাংসা ছাড়া যুদ্ধবিরতি শুধুমাত্র দ্রুতগতির শত্রুতা সৃষ্টি করবে এবং আরো ভয়াবহ সঙ্ঘাতের জন্ম দেবে। এ ধরনের দৃশ্যপট এড়াতে চায় রাশিয়া।

রিয়াবকভ জোর দিয়ে বলেন, চলমান সঙ্ঘাতের আসল কারণ খুঁজে সেভাবেই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটে ইউক্রেনের যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন।

একই সাথে তিনি বলেন, রুশ ভাষাভাষী অঞ্চল দোনবাস নিয়ে যে সঙ্কট রয়েছে তারো সমাধান করতে হবে।
সূত্র : পার্সটুডে

গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মাঠে থেকে কাজ করতেই পদত্যাগ করেছি : নাহিদ

জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাপূরণে সরকারে থাকার চেয়ে রাজপথে বেশি ভূমিকা পালনে উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগ করা তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন দাবি করেন।

নাহিদ বলেন, “আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। গত ছয় মাসে আমি আমার জায়গা থেকে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। দু’টি মন্ত্রণালয়ের বাইরেও অনেক অতিরিক্ত দায়িত্ব আমাকে পালন করতে হয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি। মন্ত্রণালয়গুলোতেও আমরা কিছু কাজ করেছি, সেই কাজের ফলাফল হয়ত জনগণ পাবে।”

‘ছয়মাস খুবই কম সময়, তবুও আমি চেষ্টা করেছি, আমার কাজ ও তার ফল জনগণ মূল্যায়ন করবে। আজ থেকে মূলত আমি সরকারের কোনো দায়িত্বে নেই,’ যোগ করেন তিনি।

এই ছাত্রনেতা আরো বলেন, “নিজের জায়গা থেকে মনে করেছি, আমার বাইরে থাকা দরকার। এখনো গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন হয়নি। বিচার ও সংস্কারের যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে এ সরকার গঠন করা হয়েছিল, সেটা পূরণে এখনো দু’জন ছাত্র উপদেষ্টা রয়েছেন। তারা মনে করছেন, এখনো সরকারে তাদের দায়িত্ব রয়েছে। তারা সরকারে থেকেই জনগণকে সেবা দেবে। রাজনীতিতে প্রয়োজনবোধ করলে তারা সরকার ছেড়ে দেবে।”

‘নতুন যে রাজনৈতিক শক্তি ও দল গঠিত হচ্ছে, তাতে অংশগ্রহণের অভিপ্রায় আমার আছে। জনগণের সাথে মিশে জনগণকে আবারো ঐক্যবদ্ধ করা, আমাদের যে গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নে মাঠে থাকার লক্ষ্যেই আমি পদত্যাগ করেছি।’

সরকারে থেকে যতদিন দায়িত্ব পালন করেছেন, তাতে কোনো ব্যর্থতা ছিল কি না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিলই, সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি সবসময়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ছিল।’

‘আমরা এসে আমলাতন্ত্রকে যেভাবে পেয়েছি, পুলিশের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল, জুলাই গণহত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের বিষয়ে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল, তবে আমরা কাজ করেছি। জনপ্রশাসনের একটি কমিটিতে দুই সপ্তাহ ছিলাম। তাতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ২০১৮ সালে যারা ডিসি ছিলেন, দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন, তাদের সরানোর উদ্যোগ নিয়েছি,’ বলেন নাহিদ ইসলাম।

সূত্র : ইউএনবি