Home Blog Page 494

যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবো : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবো, স্থিতিশীলতা রক্ষা করবো, দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে আনবো।’

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘শহীদ সেনা দিবসের’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর দেশকে সমৃদ্ধভাবে বিনির্মাণের সুযোগ এসেছে। কিন্তু আজকে আবার সেই সুযোগকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পতিত শেখ হাসিনা অবস্থান নিয়েছে দিল্লিতে, সেখান থেকে চক্রান্ত করছে- কী করে এই বিজয়কে নস্যাৎ করে দেয়া যায়, কিভাবে বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা যায়।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না করলে স্থিতিশীলতা আসবে না। কোনোমতেই আমরা স্থিতিশীলতা পাবো না। তাই, প্রকৃতপক্ষে নিরপেক্ষ বস্তুনিষ্ঠ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন।’ জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যাতে আমরা একটা গণতান্ত্রিক পর্যায়ে পৌঁছতে পারি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, অনেকে সমালোচনা করে বলেছেন আমরা নাকি শুধু নির্বাচন নির্বাচন করি। আমরা সংস্কার করতে নাকি চাই না! এত বড় মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে তারা স্যোশাল মিডিয়ায়। কতিপয় মানুষ বিএনপিকে টার্গেট করে এই মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। এরা অপপ্রচার করে বিএনপিকে হেয় করতে চায়।’

‘আমরা যেকোনোমূল্যে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবো, স্থিতিশীলতা রক্ষা করবো, দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে আনবো,’ বলেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনি শক্ত হাতে আপনার সরকারকে পরিচালনা করবেন, কেউ যেন না বলে, আপনি কারো পক্ষপাতিত্ব করছেন। আর আমি এ কথা শুনতেও চাই না। কারণ আপনি একজন বিখ্যাত দক্ষ প্রতিষ্ঠিত মানুষ। নিরপেক্ষতা বজায় রেখে যত দ্রুত, ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যান।’

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

নাহিদের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সদ্য উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করা নাহিদ ইসলামকে নিয়ে লিখেছেন, ‘সহকর্মী, সহযোদ্ধার সাথে সরকারে শেষ দিন। আগামীর যাত্রা শুভ হোক।’

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে নাহিদ ইসলামকে শুভকামনা জানান তিনি।

এ দিন দুপুরে পদত্যাগ করেন নাহিদ ইসলাম। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা হতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন নাহিদ। এর আগে তিনি ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’ নামে একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন। এই সংগঠনের আহ্বায়ক ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

নাহিদ ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মহসীন হলে। নাহিদের বাড়ি ঢাকার বাড্ডা এলাকার বরাঈদ ইউনিয়নে।

পরিবারসহ শামীম ওসমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার স্ত্রী সালমা ওসমান, ছেলে ইমতিনান ওসমান ও মেয়ে লাবিবা জোহার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো: জাকির হোসেন (গালিব) এই আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট করে টেন্ডার বাণিজ্য, বিভিন্ন খাতে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, পরিবহন ও জুট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কমিশন গ্রহণ, দলীয় পদ ও মনোয়ন বাণিজ্য, জমি দখল, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হতে অর্থ আত্মসাৎপূর্বক বিদেশে অর্থ পাচার করে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি ক্রয় ও দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনাসহ নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে শত শত কোটি টাকা জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।

সূত্র : বাসস

নিজেরা মারামারি করলে স্বাধীনতা বিপন্ন হবে : সেনাপ্রধানের ‘সতর্কবার্তা’

০

‘নিজেরা কাঁদা ছোড়াছুড়ি বা মারামারি-কাটাকাটি করলে’ দেশ এবং জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে বলে সতর্ক করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এই সতর্কতা উচ্চারণ করেন তিনি।

কোনো পক্ষের নাম উল্লেখ না করে সেনাপ্রধান বলেন, আপনারা যদি নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে একসাথে কাজ না করতে পারেন, নিজেরা যদি কাঁদা ছোড়াছুড়ি করেন, মারামারি-কাটাকাটি করেন, এই দেশ এবং জাতির স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে।’

‘পরে বলবেন যে আমি সতর্ক করিনি, আমি আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি,’ যোগ করেন তিনি।

মতের বিরোধ থাকলেও দিনশেষে দেশ এবং জাতির দিকে খেয়াল করে সবাইকে এক থাকার আহবান জানান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

‘তাহলে দেশটা উন্নত হবে, সঠিক পথে পরিচালিত হবে। না হলে আমরা আরো সমস্যার মধ্যে পড়তে যাবো। বিশ্বাস করেন, ওই দিকে আমরা যেতে চাই না,’ বলেন সেনাপ্রধান।

সূত্র : বিবিসি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করলেন নাহিদ ইসলাম

নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নাহিদ ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়া এই পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেন, ‘রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের পরে ছাত্র-জনতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে পরিবর্তিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য আপনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।’

এই উপদেষ্টা পরিষদে তাকে সুযোগ দেয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম লিখেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদে আমি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাই। নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আপনার নেতৃত্বে দায়িত্ব পালনে সদা সচেষ্ট থেকেছি। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমার ছাত্র-জনতার কাতারে উপস্থিত থাকা উচিত মর্মে আমি মনে করি। ফলে আমি আমার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়া সমীচীন মনে করছি।’

পরে তিনি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ জানান।

সূত্র : বিবিসি

বাংলাদেশ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : ড. ইউনূস

০

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ২০০৯ সালে ঢাকার পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের সময় নিহত সামরিক কর্মকর্তাদের ন্যায়বিচার পাওয়া নিশ্চিত করতে একটি রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় শহীদ সেনা দিবসের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা শহীদদের জাতির মেধাবী সন্তান হিসেবে সম্মানিত করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এখন থেকে প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, স্বজন হারানোর এত বছর পরও স্বজন হত্যার বিচারের অপেক্ষায় শহীদদের পরিবারের সদস্যরা। পিলখানায় বীর সেনা সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার পর জাতি হিসেবে আমাদের বহু বছর ধরে বিভ্রান্তিতে রাখা হয়েছে।

অধ্যাপক ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, দেশ ও জনগণ সহানুভূতিশীল হয়ে শহীদ পরিবার ও সকল নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াবে। ‘এখন থেকে এ দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেবে একদল সাহসী মানুষের অপ্রত্যাশিত নৃশংস মৃত্যুর কথা, যারা আমাদের চেতনা ও অনুভূতির নিয়ামক হিসেবে দেশের জন্য লড়াই করার ব্রত নিয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, দুঃশাসন, ষড়যন্ত্র ও আত্মঅহঙ্কারে যেন আর কোনো প্রাণহানি না ঘটে।

প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমরা জাতির শহীদ সৈনিকদের স্মরণে একটি স্বনির্ভর ও সভ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি। শহীদ সেনা দিবসে আমি আরো একবার জাতির পক্ষ থেকে সমস্ত শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

সূত্র : ইউএনবি

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য, রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশকে ২৯ মিলিয়ন!

রতন তালুকদারঃ রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশকে ২৯ মিলিয়ন! মাননীয় ড. ইউনূস, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য! আপনার কিছু মনে পড়ে?
এত দ্রুত এসব তথ্য ফাঁস হবে কেউ ভেবেছিল? ছাত্রদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সবে ছয় মাস পার করেছে। দেশে বিদেশে বহুমুখী চাপে ড. ইউনূস সরকার। দৃশ্যপট অনেকাংশে লেজে-গোবরে তলিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার আমেরিকার ফ্লোরিডা রাজ্যের মায়ামী শহরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্প বিস্ফোরক তথ্য জানিয়ে হাটে হাড়ি ভেঙে দিলেন। তোলপাড় বিশ্বজুড়ে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এফআইআই ইনস্টিটিউট এ তার খোলামেলা বক্তৃতায় বলেন,
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য আমেরিকার ইউএসএইড্ধসঢ়;-এর ফান্ড থেকে ২৯ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন দেয়া হয়।
ডাল মে কুছ কালা হে? আমাদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, ইউনূসের শুভগমন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে ইউনূস সমর্থক এনজিও, ছাত্র ও সুশীলদের নিয়ে উপদেষ্টা
পরিষদ। ড. ইউনূস সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের অধিবেশনে এসে শুনালেন অমৃতবাণী,ডেকে আনলেন ক্লিনটন ফাউন্ডেশন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে জানালেন
বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের নায়ক ছাত্ররাই। উপদেষ্টা মাহফুজই প্রধান মাস্টারমাইন্ড, অনুষ্ঠানের ডিজাইন ছিল দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ।
৮ই আগস্ট ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হয়ে জাতিকে জানালেন আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্ররা তাকে নিয়োগ দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের ভেতর কি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনে মার্কিন ২৯ মিলিয়ন ডলার ভূমিকা ছিলো? তদন্ত হোক।

নিউইয়র্কে বগুড়া সমিতি অফ নর্থ আমেরিকার কার্যকরী কমিটি গঠন

নিউইয়র্ক : বগুড়া সমিতি অফ নর্থ আমেরিকার সদস্যদের উপস্থিতিতে আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটির একটি রেষ্ট্যুরেন্টে সমিতির ২০২৫ – ২০২৬ বর্ষের কার্যকরী কমিটি গঠিত হয় গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫। দ্বিবার্ষিক এই নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় নির্বাচন কমিশন এই কমিটিকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। মাসুদুল হক রুবেল সভাপতি এবং ইউসুফ আলীকে সাধারন সম্পাদক করে ২৫ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়। এছাড়াও ১০ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়।
সমিতির পূর্নাঙ্গ কমিটি : সভাপতি: মাসুদুল হক রুবেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি: এ্যাডভোকেট সুরাইয়া মনিরা, সহ-সভাপতি (৫জন): মো: আব্দুল বাকী, রোকেয়া বেগম, শারমিন আখতার মুন, রবিউল ইসলাম, এম. এইচ মোস্তফা(বিপ্লব), সাধারন সম্পাদক: মো: ইউসুফ আলী, সহ-সাধারন সম্পাদক: রানা আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ: মো: ওয়ালিউল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক: মো: মাহবুবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক: মমিনুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: রানা কবির, ক্রীড়া ও সাংষ্কৃতিক সম্পাদক: হুমায়ুন কবির, সহ- ক্রীড়া ও সাংষ্কৃতিক সম্পাদক: সোবহান আলী, আপ্যায়ন সম্পাদক: আফরোজা বেগম শেলী, সহ- আপ্যায়ন সম্পাদক: নুর-ই-জান্নত মুন্নী, প্রচার সম্পাদক: হুমায়ুন সরকার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক: সুফিনাজ স্বপ্না, সহ- মহিলা বিষয়ক সম্পাদক: সানজিদা আখতার লোপা, কার্য্যকরী সদস্য(৫জন): মোহাম্মদ এন মন্ডল ফানসু, আগা ই জলিল তুহিন, রেজাউদ্দৌলা এ্যাপোলো, আলতাব হোসেন সবুজ, আতাউর রহমান লিটন।

Bogra 1

নির্বাচিত বগুড়া সমিতির উপদেষ্টা : প্রকৌশলী মার্ক ফারুকী, এ্যাড: মাহবুবুর রহমান বকুল, মোস্তফা আলমগীর, নুরুন চন্দনা, আব্দুল কাদির, বিধান চন্দ্র পাল, জাহাংগীর আলম, মো: রুহুল আমিন, নাজনীরা খাতুন, এ্যাড: এম. জুয়েল ।
নির্বাচনী সভার সভাপতিত্ব করেন পূর্ববতী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এন মন্ডল ফানসু এবং সভা পরিচালনা করেন এ্যাড: মাহবুবুর রহমান বকুল। সভায় সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক আশরাফ হোসেন রতন এবং নির্বাচিত সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং তাঁদের আতœার মাগফেরাত কামনা করে দোয় করা হয়।
নির্বাচন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত সভাপতি মাসুদুল হক রুবেল। নির্বাচিত সভাপতি প্রথমেই তাঁর বক্তব্যে তাকে নির্বাচিত করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি তার বক্তব্যে প্রবাসের অন্যতম এই সংগঠনকে এগিয়ে নিতে, কার্য্যক্রমকে গতিশীল করতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। বগুড়া সমিতি অফ নর্থ আমেরিকা যেনো আমেরিকায় বসবাসরত বগুড়াবাসী তথা সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের কল্যানে কাজ করতে পারে এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সমিতির নব-নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক তাঁর স্বাগতিক বক্তব্যে তাকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করায় সকলকে ধন্যবাদ জানান। সংগঠনের সকল কার্য্যক্রমে জোরদার করতে সকলকে অংশগ্রহন করার আহ্বান জানান।

খালেদা জিয়ার খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি ২ মার্চ

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সাত বছরের দণ্ড থেকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ২ মার্চ ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

আজ রোববার বিচারপতি মো: আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আসিফ হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ।

অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, দুদকের আইনজীবী আসিফ হোসাইন আদালতে জানিয়েছেন তারাও একটি আপিল আবেদন করেছেন। শুনানির জন্য সময় চাইলে ২ মার্চ দু’টি আপিল আবেদনের শুনানি দিন ঠিক করেছেন আপিল বিভাগ।

গত ২৭ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের দণ্ড থেকে খালাস দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেন।

২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। একইসাথে অন্য তিন আসামিকেও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। খালেদা জিয়াসহ প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ট্রাস্টের নামে কেনা কাকরাইলে ৪২ কাঠা জমি বাজেয়াপ্ত করে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে নেয়ার আদেশ দেয়া হয়। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি স্থগিত করল ইসরাইল

০

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস শনিবার ছয় ইসরাইলি পণবন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। বিনিমিয়ে ইসরাইলের ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে হস্তান্তর করার কথা থাকলেও তারা তা স্থগিত করেছে।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় স্থগিতাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং ভবিষ্যতে পণবন্দীদের মুক্তি ‘অপমানজনক অনুষ্ঠান’ ছাড়াই নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

গত মাসে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে শনিবার গাজা থেকে ছয়জন ইসরাইলি পণব্ন্দীকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। হামাস বৃহস্পতিবার আরো চার পণবন্দীর লাশ হস্তান্তর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে শনিবারে ছয় পণবন্দী মুক্তির বিনিময়ে ইসরাইলের ২৩ শিশু ও একজন নারীসহ ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয়ার কথা ছিল। তবে ইসরাইলি কর্মকর্তারা আরো নিরাপত্তা পর্যালোচনার কারণ দেখিয়ে সেই মুক্তি বিলম্বিত করেন।

হামাসের মুখপাত্র আবদেল লতিফ আল-কানৌ এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর এ ঘোষণাকে ‘টালবাহানা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্থবির করার কৌশল’ বলে অভিযুক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর নির্ধারিত সময়ে বন্দীদের মুক্তি স্থগিত করা চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন।’

হামাস আরো জানিয়েছে, তারা এ বিলম্বের বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর ও কাতারকে অবহিত করেছে। গোষ্ঠীটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, চুক্তি লঙ্ঘন করলে এবং বন্দীদের মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ইসরাইল আর মধ্যস্থতাকারী খুঁজে পাবে না।

সূত্র : সিএনএন ও ডয়চে ভেলে