Home Blog Page 497

চিকিৎসক-নার্সসহ বিএসএমএমইউয়ের ১৫ জন বরখাস্ত

জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ১৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরাও রয়েছেন।

বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর শেখ ফরহাদ এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার এই সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক নজরুল ইসলাম সই করেন।

প্রক্টর শেখ ফরহাদ বলেন, ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে যে তারা সংঘাতে জড়িত ছিলেন। কেন তারা এমনটা করেছেন, তা জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের জেরা করবে।

আজ থেকে তাদের এই বরখাস্তের আদশে কার্যকর করা হবে।

কার্ডিওলোজি বিভাগের ডা. আবু তোরাব আলী মিম, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রিয়াজ সিদ্দিকী প্রাণ ও হাসপাতালের পরিচালকের অফিসের পেইন্টার নিতীশ রায়ও বরখাস্ত হওয়ার মধ্যে আছেন।

এছাড়াও সাইফুল ইসলাম, কাজী মেহেদী হাসান, অ্যাসিস্ট্যান্ড ড্রেসার শহীদুল ইসলাম (সাইদুল), সুইপার সন্দ্বীপ, রেসপাইরেটরি মেডিসিন অ্যাসিস্ট্যান্ট উজ্জ্বল মোল্লা, গাড়িচালক সুজন বিশ্ব শর্মা, ওপিডি-১ এমএলএসএস ফখরুল ইসলাম জনি, ল্যাব কাস্টমার কেয়ার অ্যাটেনডেন্ট রুবেল রানা, সিনিয়র নার্স শবনম নুরানি, ওয়ার্ড এমএলএসএস স্টাফ শাহাদাত, মুন্না আহমেদ ও আনোয়ার হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, বিএসএমএমইউয়ের ৯৪তম সিন্ডিকেট বৈঠকে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তারা গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

সূত্র : ইউএনবি

৭ বছর পর দেখা হচ্ছে মা ও ছেলের

আগামী ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বড় কোন জটিলতা না হলে দলটির বিভিন্ন পর্যায় থেকে এই তারিখটিই চূড়ান্ত বলে জানানো হয়েছে। সব ঠিক থাকলে ওইদিন রাত ১০টায় কাতার এয়ারলাইন্সের একটি এয়ার-অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। লন্ডনে পৌঁছে সরাসরি তার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কথা রয়েছে। বড় ছেলে তারেক রহমানের সাথে লন্ডনে কিছুদিন থাকার পর যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। মেরিল্যান্ডের পূর্ব বাল্টিমোরে অবস্থিত জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে চিকিৎসা নিবেন তিনি।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন জরুরি। ধারণা করা হচ্ছে, বেগম জিয়ার এই চিকিৎসায় কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগতে পারে।

দলীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা সম্পন্ন হলেই বেগম জিয়া দেশে ফিরবেন। ফেরার পথে সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন করতে পারেন তিনি। এমনও আলোচনা আছে, চিকিৎসা শেষে মায়ের সাথে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একত্রে দেশে ফিরতে পারেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিদেশযাত্রা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনা যেমন চলছিল, তেমনি চলছিল প্রস্তুতিও। বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি দুটি একসঙ্গে না এগুনোয় একাধিকবার বিদেশ যাত্রার তারিখ পরিবর্তন করতে হয়েছে। তবে নতুন করে আর তারিখ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে চিকিৎসক এবং দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে শনিবার (৪ জানুয়ারি) বলেছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য বেগম খালেদা জিয়া আগামী ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যেতে পারেন। এখন পর্যন্ত এটা ঠিক আছে, সেভাবেই কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ওইদিন রাতে তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের রি-ফুয়েলিংয়ের জন্য দোহাতে থামা হতে পারে। পরদিন ভোরে বা সকালে লন্ডন পৌঁছে সোজা হাসপাতালে যাবেন তিনি।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে ২০২০ সালের মার্চে তৎকালীন সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি পান তিনি। মূলত এই সাময়িক কারামুক্তির পর থেকেই বেগম জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার এবং দল থেকে একাধিকবার দাবি জানানো হচ্ছিল। তবে প্রতিবারই শর্তসাপেক্ষে সাময়িক মুক্তির কথা বলে তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার।

এদিকে সাময়িক কারামুক্তির পর থেকে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় থাকলেও এই সময়ে তাকে একাধিকবার জরুরি ভিত্তিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার হার্টে রিং পরানো হয়েছে, লিভার সিরোসিসের চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে চিকিৎসক এনে ‘টিপস’ করানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও তার বিদেশে চিকিৎসার দরজা উন্মুক্ত হচ্ছিল না। তবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়া মুক্তি পান। এর পরপরই তার বিদেশযাত্রা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়। তিনি কোন দেশে যেতে পারেন, সেটা নিয়ে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড ও পরিবার একাধিকবার বৈঠক করেছে। এই সময়ের মধ্যে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থাও দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য পারমিট করছিল না। এমন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থা দীর্ঘ ভ্রমণের উপযোগী করে তোলা, কোনভাবে তাকে বিদেশে নেয়া যায় এবং তার পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনের ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হয়। ইতোমধ্যে বেগম জিয়ার নতুন পাসপোর্ট করানো, ভিসা জটিলতা সব কিছু কেটে গেছে। তিনি যুক্তরাজ্য ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের ভিসাও পেয়েছেন।

চিকিৎসকরা বলছেন, বিশেষ বিমানে তিনি এখন ভ্রমণেরও উপযোগী। ফলে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিতে তার পরিবার এখন সব দিক থেকে প্রস্তুত। জানা গেছে, খালেদা জিয়ার সাথে ৫/৬ জন চিকিৎসকসহ ১৫/১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যাবে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন গত ২৯ অক্টোবর বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে প্রথমে ‘দীর্ঘযাত্রার বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে’ লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর সেখান থেকে তাকে তৃতীয় একটি দেশে মালটিডিসিপ্ল্যানারি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হবে। পরবর্তীতে তৃতীয় সেই দেশটি যুক্তরাষ্ট্র বলে জানান তিনি।

২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। পেটে পানি আসা ও রক্তক্ষরণ বন্ধে তার শরীরে ট্রান্সজুগলার ইন্ট্রাহেপাটিক পোরটোসিসটেমিক সান্ট (টিপস) প্রতিস্থাপন করা হয়। সে কারণে বেগম জিয়ার মেডিকেল বোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই হাসপাতালেই লিভার প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে। জটিল এই অপারেশন প্রক্রিয়ায় টিপস সম্পাদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা তো থাকবেনই, খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের কয়েকজন চিকিৎসকও সেখানে অংশগ্রহণ করবেন।

৭৮ বছর বয়সী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস ছাড়াও কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। ২০০৭ সালে থেকে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে রয়েছেন। খালেদা জিয়ার এই সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পরে সেখানে মা-ছেলের সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে। এটিও একটি আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করবে বলে পরিবারের সদস্যরা বলছেন। এই কারণে খালেদা জিয়া সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে না গিয়ে প্রথমে লন্ডনে যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, চোখ ও পায়ের ফলোআপ চিকিৎসার জন্য ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন খালেদা জিয়া। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তিনি যাত্রাবিরতি করেন। ১৬ জুলাই বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে বেগম জিয়া লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান। লন্ডনে মা-ছেলের এ সাক্ষাৎকালে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান উভয়ই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারেক রহমান তখন নিজের গাড়িতে করে মা খালেদা জিয়াকে গন্তব্যে নিয়ে যান।

শেখ হা‌সিনা‌র ফেরতের বিষয়ে এখনো প্রতি‌ক্রিয়া জানায়‌নি ভারত : পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টা

পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টা মো: তৌ‌হিদ হো‌সেন জানিয়েছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনাকে ফেরত পাঠা‌নো নি‌য়ে ভার‌তের আনুষ্ঠা‌নিক কো‌নো প্রতি‌ক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে বেলাব থানা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

তৌ‌হিদ হো‌সেন ব‌লেন, ‘ওনা‌কে (‌শেখ হা‌সিনা) ফেরত পাঠা‌নো নি‌য়ে ভার‌তের কো‌নো আনুষ্ঠা‌নিক প্রতি‌ক্রিয়া এখনো আমরা পাইনি।’

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে অবস্থান করছেন।

প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে সম্প্রতি দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে ভারতের চিঠির জন্য অপেক্ষা করবে বাংলাদেশ। ভারতের কাছে চিঠির জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এদিকে, শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বাংলাদেশের বার্তা পাওয়ার কথা পুনরায় তু‌লে ধ‌রেন। তি‌নি ব‌লেন, কূট‌নৈ‌তিক পত্র প্রাপ্তিস্বীকারের বাইরে তেমন কিছু বলার নেই।

নতুন করে বিয়ে বন্ধনে তাহসান

মিথিলার পর এবার রোজার সাথে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে এই তারকা যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি আপলোড করেছেন।

পোস্টে তাহসান জানান, স্ত্রী রোজা আহমেদ একজন উদ্যোক্তা। নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে কসমেটোলজির ওপর পড়াশোনা করেছেন। পড়াশোনা শেষ করে তিনি কসমেটোলজি লাইসেন্স গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে নিউ ইয়র্কের কুইন্সে রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার প্রতিষ্ঠাতা করেন।

প্রায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন রোজা আহমেদ। সামাজিক মাধ্যমে রয়েছে তার অসংখ্য অনুসারী এবং নেটিজেনদের কাছেও জনপ্রিয়।

তাহসান খান বাংলাদেশের বিনোদন শিল্পে গায়ক-গীতিকার, অভিনেতা এবং টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবে সুখ্যাতি কুড়িয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে। কর্মজীবন শুরু করার আগে ব্ল্যাক ব্যান্ডের সাথে তার সঙ্গীতযাত্রা শুরু করেছিলেন। এটি তার শাস্ত্রীয় এবং আধুনিক সঙ্গীতের অনন্য মিশ্রণের জন্য পরিচিত।

উল্লেখ্য, এর আগে প্রায় ১৮ বছর আগে ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান ও অভিনেত্রী মিথিলা। এরপর ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই তাদের ঘর আলো করে আসে আইরা তাহরিম খান নামের কন্যা সন্তান। পরে ২০১৭ সালের ৪ অক্টোবর বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তাহসান।

৮ বছর আইনি লড়াই : অ্যাঞ্জেলিনা- ব্র্যাড পিট’র বিবাহ বিচ্ছেদ

হলিউডের তারকা দম্পতি ব্র্যাড পিট এবং অ্যাঞ্জেলিনা জোলি সোমবার বিবাহ বিচ্ছেদের মীমাংসাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।

পিপল ম্যাগাজিনের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, আট বছরের আইনি লড়াইয়ের পর এই বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পন্ন হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

জোলির আইনজীবী জেমস সাইমন মীমাংসার বিষয়টি নিশ্চিত করে এক বিবৃতিতে বলেছেন, জোলি তাদের পরিবারের শান্তি ও স্বস্তির দিকে মনোনিবেশ করেছিলেন।

তিনি বলেন, এটি দীর্ঘ চলমান প্রক্রিয়ার একটি অংশ, যা আট বছর আগে শুরু হয়েছিল। সত্যি বলতে, অ্যাঞ্জেলিনা ক্লান্ত, কিন্তু এই অধ্যায়টি শেষ হওয়ায় তিনি স্বস্তি পেয়েছেন।

জোলি (৪৯) এবং ব্র্যাড পিট (৬১) ছিলেন হলিউডের খুবই জনপ্রিয় তারকা দম্পতি।

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জোলি তাদের বিয়ে ভেঙে দেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন এবং তখন থেকেই আদালতে লড়াইয়ে এই জুটির বিষয়টি আটকে ছিল।

২০০৫ সালে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করার পর পিট এবং জোলি একসাথে জুটিবদ্ধ হন।

তিনটি দত্তকসহ তাদের ছয়টি সন্তান রয়েছে।

সূত্র : এএফপি

চিত্রনায়িকা অঞ্জনা রহমান মারা গেছেন

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শিল্পী সমিতির সভপতি শহীদ হাসান মিশা (মিশা সওদাগর) তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিসেম্বরের শুরুতে জ্বরে আক্রান্ত হন অঞ্জনা। জ্বর না কমায় গত ২২ ডিসেম্বর তাকে বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক দিন করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এরপর তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

কয়েকটি পরীক্ষার পর রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়ে।

দুপুরে এফডিসিতে শেষ শ্রদ্ধা
শনিবার (৪ জানুয়ারি) বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে৷ এর আগে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার লাশ নেয়া হবে এফডিসিতে। এমনটাই জানিয়েছেন মিশা সওদাগর।

তিনি জানান, অঞ্জনাকে শনিবার বাদ যোহর এফডিসিতে নেয়া হবে। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন চলচ্চিত্রের সহকর্মী থেকে সাধারণ ভক্ত অনুরাগীরা। পরে সেখানেই হবে প্রথম নামাজে জানাজা।

এফডিসি থেকে অঞ্জনার লাশ নিয়ে যাওয়া হবে বনানী কবরস্থানে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হবে। এ বিষয়ে মিশা জানান, পরিবারের সাথে কথা বলে জেনেছি, তাদের প্রথম চয়েস বনানী কবরস্থান, সেখানে কোনো কারণে দাফন করা না গেলে জুরাইন কবরস্থান বিকল্প হিসেবে ভেবে রাখা হয়েছে।

৩ শতাধিক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী অঞ্জনা। ১৯৮১ সালে ‘গাংচিল’ এবং ১৯৮৬ সালে ‘পরিণীতা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি৷ এছাড়া তিনি মোহনা (১৯৮৩), পরিণীতা (১৯৮৬) এবং রাম রহিম জন (১৯৮৯) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে তিনবার বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন।

চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে তিনি একজন নামী নৃত্যশিল্পী ছিলেন। অঞ্জনার অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘সেতু’ চলচ্চিত্র দিয়ে। তবে তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র শামসুদ্দিন টগর পরিচালিত দস্যু বনহুর (১৯৭৬)। রহস্য ভিত্তিক এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন সোহেল রানা।

১৯৭৮ সালে তিনি আজিজুর রহমান পরিচালিত ‘অশিক্ষিত’ চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের বিপরীতে লাইলি চরিত্রে অভিনয় করেন। রাজ্জাকের বিপরীতে তিনি ৩০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়া আলমগীর, জসিম, বুলবুল আহমেদ, জাফর ইকবাল, ওয়াসিম, উজ্জ্বল, ফারুক, ইলিয়াস জাভেদ , মিঠুন চক্রবর্তী, (ভারত) ইলিয়াস কাঞ্চন, সোহেল চৌধুরী, রুবেল, সুব্রত বড়ুয়া, মান্নার মতো তারকা নায়কদের সাথে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হন।

টিকটক করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিকটিক করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। পরে ওই তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ছয় যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা গ্রামে শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, এ ঘটনায় ওই তরুণীর মা ধর্ষণের অভিযোগে একটি এবং পর্নগ্রাফি আইনে আরো একটি মামলা করেন।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী গ্রামের আমজাদ খাঁনের ছেলে আকরাম খাঁন (২৫), মধুখালি উপজেলার কাঠালবাড়ি গ্রামের সাগর মোল্লার ছেলে জুয়েল মোল্লা (৩০), সাইদুল মোল্লা (৩০), মামুন শরীফ (৩২), বাবু মোল্লা (৩০) ও মো: জুয়েল মোল্লাকে (২৪)।

জানা যায়, চুমুরদী ইউনিয়নের বাবলাতলা গ্রামের আকরাম খাঁন নামে এক যুবক টিকটক ভিডিও করার জন্য ওই তরুণীকে বোয়ালমারী উপজেলা থেকে ভাঙ্গায় তার গ্রামে নিয়ে যায় আকরাম ও তার সহযোগী জুয়েল। এরপর নির্জন এক বাড়িতে নিয়ে ওই তরুণীকে প্রথম দফায় ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপর সেখান থেকে ওই তরুণীকে বাবলাতলা বাজারের কাছে একটি বিউটি পার্লারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে চুমুরদী ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আনারুদ্দিন মোল্লার ছেলে ছাইদুল মোল্লাসহ পাঁচ থেকে ছয়জন যুবক সন্দেহভাজন আচরণ দেখে তাদের আটকে রাখে।

ভুক্তভোগী তরুণী ও পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে ছাইদুল ও তার সহযোগীরা ওই তরুণী ও আকরামকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারপিট করে বিভিন্ন আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে। এরপর ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে। পরে ভুক্তভোগী ভাঙ্গা থানায় গিয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকছেদুর রহমান জানান, ‘আটকদের মোবাইলে ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিওর ফুটেজ জব্দ করেছে পুলিশ। রোববার গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।’

কাশ্মিরে ভারতীয় ৪ সেনা সদস্য নিহত

ভারতশাসিত কাশ্মিরে সড়ক দুর্ঘটনায় চার সেনা সদস্য নিহত হয়েছে। এছাড়া আরো তিনজন আহত হয়েছে। শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভূস্বর্গের বান্দিপোরা জেলায় এ ঘটনা ঘটে।

সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, ভূস্বর্গের বান্দিপোরা জেলায় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে গড়িয়ে গেল ভারতীয় সেনা বাহিনীর একটি ট্রাক। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে চারজনের। আহত হয়েছেন আরো তিনজন। এ ঘটনায় উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।

সেনা সূত্রে জানিয়েছে, সদর কুট পায়েনের কাছে পাহাড়ি পথে বাঁক নিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান চালক। এর পরেই ট্রাকটি রাস্তা লাগোয়া খাদে গড়িয়ে যায়। তাতেই গুরুতর জখম হন বেশ কয়েকজন জওয়ান। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আরো তিনজনের চিকিৎসা চলছে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গেছে। ঘটনাস্থলে সেনার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, খাদে সেনার গাড়ি পড়ে দুর্ঘটনা এই প্রথম নয়। গত ২৪ ডিসেম্বর পুঞ্চে ৩৫০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায় সেনার আরেকটি গাড়ি। ওই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল পাঁচজনের। আরো পাঁচজন আহত হয়েছিলেন। তার আগে গত নভেম্বরে রাজৌরি জেলায় খাদে সেনার গাড়ি পড়ে মৃত্যু হয়েছিল একজনের, আহত হন আরো একজন।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

চক্রান্তের কাছে মাথানত করবো না : মির্জা ফখরুল

বিএনপিকে নিয়ে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে মন্তব্য করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আজকে অনেক ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, চক্রান্ত শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তের কাছে আমরা মাথানত করব না।’

শনিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে শহরের সাধারণ পাঠাগার চত্বরে এক ছাত্র সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা যুদ্ধ করেছিল জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে, তারা সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক একটা দেশ দেখতে চেয়েছিল। তারা বৈষম্যে বিশ্বাস করেনি, তারা বৈষম্যহীন একটা রাষ্ট্র চেয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘আজকে সবখানে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে। সবখানে দুর্নীতিতে ভরে গেছে। সেই বৈষম্য ও দুর্নীতি দূর করে জনগণের একটা সরকার, পার্লামেন্ট করতে পারি; জনগণ যাতে ভোট দিতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে পারি। সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’

এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে নতুন একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ১৫ বছর আমরা আন্দোলন করেছি শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে। এই ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। পাশাপাশি দেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। অসংখ্য ছাত্রকে হত্যা করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘এই আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় এবং তারা দেশের সবকিছুকে ধ্বংস করে দেয়। আজকে আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে। আমাদের সামনে নতুন একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আজকে আমাদের বিশেষ করে যেটা প্রয়োজন- সেটা হলো ঐক্য, জনগণের ঐক্য, তার সাথে ছাত্রদের ঐক্য।’

ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: কায়েসের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ।

আগামী নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ-সুষ্ঠু হবে : ড. ইউনূস

বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি ড. রূপা হককে আশ্বাস দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের এমপি রূপা হক সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গত তিনটি নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। সেখানে ছিল ভুয়া সংসদ, ভুয়া এমপি ও ভুয়া স্পিকার। দেশের জনগণ এখন তাদের কণ্ঠ ফিরে পেয়েছে। তাদের কণ্ঠ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল।’

এ সময় রূপা হকের এক প্রশ্নের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের জন্য দুটি সম্ভাব্য সময়সূচি রয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৫ বা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি। তবে নির্বাচনের তারিখ নির্ভর করছে মানুষ কতটা সংস্কার চায় তার ওপর।

রূপা হক আগামী সাধারণ নির্বাচনের অস্থায়ী তারিখ, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দেখে সত্যিই আমি উৎসাহিত।’ আগামী সাধারণ নির্বাচন দেখতে বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা তাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ওপর চালানো হাসিনা সরকারের নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশন ঢাকার ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান।