২১ দিন বাইরে থাকার পর গতকাল বিকালে তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সূত্র : আনন্দবাজার, আজকাল। জেলে যাওয়ার আগে তিনি রাজঘাট, হনুমান মন্দির এবং আপের সদর দফতর ঘুরে যান। তিনি দুপুর ৩টার দিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বের হন। সেখান থেকে চলে যান রাজঘাটে। মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে মালা দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। তারপর হনুমান মন্দির ঘুরে যান আপের সদর দফতরে। সেখানে তাঁকে দেখার জন্য ভিড় করেছিলেন আপের কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁদের উদ্দেশে কেজরি বলেন, ‘আমি ২১ দিনের ১ মিনিটও নষ্ট করিনি। আমি সমস্ত দলের হয়ে প্রচার করেছি। আমি দেশকে বাঁচানোর জন্য প্রচার সেরেছি। দেশ আগে, তার পর আমার দল।’ এখানেই থেমে থাকেননি কেজরি। তিনি আরও বলেন, ‘প্রচার অভিযানের সময় সবচেয়ে ভালো জিনিস যেটা ঘটেছে, সেটা হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বীকার করেছেন, আমার বিরুদ্ধে তাঁর কাছে কোনো প্রমাণ নেই। কেজরি বলেন, এটা একনায়কত্ব। যাকে ইচ্ছে জেলে ঢুকিয়ে এই বার্তাই দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যখন কেজরিওয়ালকে জেলে রাখা যায়, তো যে কাউকে জেলে ঢোকানো সম্ভব।’ এ সময় কেজরিওয়ালের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুনীতা, দিল্লির মন্ত্রী অতিশী মারলেনা, কৈলাশ গৌহলত, সৌরভ ভরদ্বাজ। আরও ছিলেন রাজ্যসভার সংসদ সদস্য সঞ্জয় সিংহ, সন্দীপ পাঠক এবং দলীয় নেতা দুর্গেশ পাঠকসহ অন্যেরা।
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের কারণে সুপ্রিম কোর্ট কেজরিওয়ালের অন্তর্র্বতীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছিল। তবে সুপ্রিম কোর্টের শর্ত ছিল, জামিনে মুক্তি পাওয়া ২১ দিনে কেজরিওয়াল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর ভবন কিংবা সচিবালয়ে যেতে পারবেন না। তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলা নিয়ে কোথাও কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। অবশ্য জামিনে মুক্তি পেয়ে দলের হয়ে টানা প্রচার চালিয়েছেন তিনি।
ফের জেলখানায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী
মোদি শিবিরে উল্লাস
ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ৫৪৩ আসনে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন অপেক্ষা ফলাফলের। আগামীকাল (মঙ্গলবার) এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে তার আগেই চলছে বুথফেরত জরিপের ফলাফল নিয়ে জোর জল্পনা-কল্পনা। বুথফেরত জরিপে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, আবারও ক্ষমতায় আসছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। সে কারণে চাঙা অবস্থায় রয়েছে ক্ষমতায় থাকা মোদি শিবির। সূত্র : ভারতীয় গণমাধ্যম।
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বুথফেরত জরিপই শুধু বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএর জন্য সুখবর দিচ্ছে না। একই বার্তা দিচ্ছে ভবিষ্যৎ আঁচ করা ‘সাট্টা বাজার’ও। যদিও কংগ্রেস দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেছেন, ‘ইন্ডিয়া’ জোট ২৯৫টির বেশি আসনে জিতবে। গতকাল তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইন্ডিয়া জোট অন্তত ২৯৫ আসন পাবে। এর বেশিও হতে পারে; কিন্তু কম হবে না। আমরা সব নেতার সঙ্গে আলোচনা ও ভোট বিশ্লেষণ করে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি।’ তবে বুথফেরত জরিপ বলছে, শরিকদের নিয়ে তৃতীয় বার কেন্দ্রে সরকার গড়তে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। ‘৪০০ আসন পার’ হবে কি না- তা নিয়েই জল্পনা-কল্পনা চলছে। কয়েকটি বুথফেরত সমীক্ষা এনডিএকে ৪০০-এর বেশি আসন দিয়ে রেখেছে। আর সাট্টা বাজারের উদ্ধৃতি দিয়ে ‘ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস’ বলছে, বুথফেরত সমীক্ষার মতোই সাট্টা বাজার এনডিএকে এগিয়ে রাখছে। বাজারের পূর্বাভাস, এনডিএ পেতে পারে ৩৫০-৩৫৫ আসন। একা বিজেপি জিততে পারে ৩০৩-৩০৫ আসনে। বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ ৮০-৮৫টি আসন জিততে পারে। গুজরাট, হিমাচলপ্রদেশ এবং উত্তরাখন্ডের সব লোকসভা আসনই জিতবে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশের ২৯টি আসনের মধ্যে ২৫ থেকে ২৭টি আসন পেতে পারে বিজেপি। রাজস্থানের ২৫টি আসনের মধ্যে ১৮-২০টি আসনই পেতে পারে বিজেপি। হরিয়ানায় বিজেপি পেতে পারে ৫-৬টি আসন, ওড়িশায় ১১-১২টি আসন, তেলঙ্গানায় পেতে পারে ৫-৬টি আসন। ঝাড়খন্ড এবং ছত্তিসগড়ে ১০-১১টি করে আসন জিততে পারে বিজেপি। দিল্লিতে পেতে পারে ৫-৬টি আসন। এ ছাড়া উত্তরপ্রদেশে বিজেপি পেতে পারে ৫৫-৬৫ আসন। বিজেপিবিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র ভাগে পড়তে পারে ১৫-২৫টি আসন। প্রসঙ্গত, ২০১৪ ও ২০১৯ সালে সাট্টা বাজারের পূর্বাভাস মিলে গিয়েছিল। এখন দেখার বিষয় ২০২৪ সালেও সেই ধারা বজায় থাকবে কি না। এদিকে কলকাতা থেকে আমাদের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, অরুণাচল প্রদেশে বিধানসভার নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের আরেক রাজ্য সিকিমে সরকার গড়তে চলেছে ‘সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা (এসকেএম)’। অরুণাচল প্রদেশে সরকার গড়তে গেলে প্রয়োজন ৩১ আসন। সেখানে বিজেপি জয় পেয়েছে ৪৬ আসনে। এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় আগেই ১০ আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। প্রধান প্রতিপক্ষ ‘ন্যাশনাল পিপলস পার্টি’ (এনপিপি) পেয়েছে ৫টি আসন, ১টি আসনে জয় পেয়েছে শতাব্দী প্রাচীন দল কংগ্রেস এবং অন্যরা ৮টি আসনে জয়ী হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খান্ডু এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী চাওনা মেইন- উভয়েই তাদের নিজ নিজ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে সিকিমে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৭ আসন। সেখানে রাজ্যটির ক্ষমতাসীন দল ‘সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা’ (এসকেএম) ৩১ আসনে জয়ী হয়েছে। প্রধান প্রতিপক্ষ ‘সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’ (এসডিএফ) এর ঝুলিতে গেছে মাত্র ১টি আসন। আগামী ৪ জুন ভারতের ৫৪৩ আসনে লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন দেশটির আরও দুই রাজ্য -অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা বিধানসভার আসনের ভোট গণনা হবে।
ডালাসে ব্যান্টের বৈশাখী মেলায় দর্শকশ্রোতা মাতালেন জনপ্রিয় সোলস ব্যান্ড
নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস মাতিয়ে গেলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সোলস ব্যান্ড। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ টেক্সাস (ব্যান্ট) এর আয়োজনে ডালাসের প্লানো এম্পিথিয়েটারে বিশাল আয়োজনে বৈশাখী মেলায় সোলস ব্যান্ড তাদের জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে দর্শকশ্রোতাদের মাতিয়ে তোলেন।
স্থানীয় প্রায় ৬৫ জনের অধিক শিল্পী উক্ত মেলায় গান, নৃত্য, কবিতা, ফ্যাশন শোতে অংশ নেন। বিকেলে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় চলে রাত ১১ পর্যন্ত। প্রথম দিকে স্থানীয় ডালাসের শিল্পীদের অনুষ্ঠান ছিল এবং রাত সাড়ে রাত নটার পর থেকে সোলস তাদের অনুষ্ঠান শুরু করেন। এবারে সোলস ব্যান্ডের ৭ সদস্যদের নেতৃত্ব দেন পার্থ বড়ুয়া। মেলায় তাদের জনপ্রিয় গান মন শুধু মন ছুঁয়েছে, এমন পরিচয়, দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে এমন সবকাল জয়ী গান গেয়ে দর্শকদের উপহার দেন। দর্শকরাও তাদের সাথে নেচে গেয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। আগের দিন সন্ধায় স্হানীয় স্পাইস অফ রিচার্ডসন রেস্টুরেন্টে মিট এন্ড গ্রীটে অংশ নিয়ে স্হানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্পন্সর ও ব্যান্ট কার্যকরী কমিটির সম্মাননা গ্রহন করেন।

স্থানীয় শিল্পীদের অনুষ্ঠানে প্রথমে তাসকীর আলী খানের নেতৃত্বে বৈশাখী আনন্দ শোভাযাত্রা দিয়ে শুরু হয়। এবার মেলায় রেকর্ড সংখ্যক ৩০ এর অধিক ভেন্ডর, ৬টি রেস্টুরেন্ট এবং স্পন্সর ব্যান্টের প্রতি তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটিকে একটি ভিন্ন মাত্রায় উপনিত করেন।
এই প্লানো এম পি থিয়েটারে বিগত বেশ কয়েক বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করে এবার ২২০০ র অধিক স্থানীয় অধিবাসী মেলা, শিল্পী ও এবং সোলস্ এর ব্যান্ড সংগীত উপভোগ করেন।
উল্লেখ্য ব্যান্ট এর ১৩ সদস্য বিশিস্ট নতুন কার্যকরী কমিটি সাগর শামসুদ্দোহার নেতৃত্বে বিগত পাঁচ মাস যাবত কমিউনিটির দেশীয় কালচার, ঐতিহ্য ও বিভিন্ন সেবা মূলককার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছে। কমিটি তাদের ‘ব্যান্ট বাংলাদেশ সেন্টার’ ও ‘ব্যান্ট বাংলা স্কুল’ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। রাতে লেজার শো, এলইডি স্ক্রিনের ডিসপ্লে এবং রেস্টুরেন্ট এর সকল মজাদার খাবার উপস্থিত দর্শকরা মন ভরে আনন্দে উপভোগ করেছেন। একই জায়গায় বসে খাওয়া আর উন্মুক্ত খোলা একই জায়গায় বসে দর্শদের অনুষ্ঠান দেখার আনন্দই ছিল আলাদা।

ডালাসের স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠানের মূল পরিকল্পনা ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন কালচারাল সেক্রেটারী ফারহানাজ রেজা এবং সম্পূর্ণ বৈশাখী মেলার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন সভাপতি সাগর শামসুদ্দোহা, সহ-সভাপতি ফাহিম খান ও সাধারণ সম্পাদক শেখ রশিদ লীমন। ব্যান্টের সভাপতি আগামী বছর বৈশাখী মেলা ১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষনা দিয়ে কমিউনিটির সকলকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সবাই এখন আওয়ামীলীগ করতে চায়: ড.হাছান মাহমুদ
ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্র সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন সবাই এখন আওয়ামীলীগ করতে চায়। কিন্তু আমাদেরকে হিসাব করে নৌকায় যাত্রী উঠাতে হয়। কারণ বেশি যাত্রী উঠলে নৌকা ডুবে যেতে পারে এটাও স্মরণ রাখতে হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় গুলশান টেরেসে নিউ ইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে প্রবাসীদেরও সহযোগিতার প্রয়োজন। তাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, আজ ৩০ মে বিএনপি দেশ-বিদেশে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিবস পালন করছেন। জিয়ার মৃত্যুতে তার পরিবারই বেশি লাভবান হয়েছেন। তা না হলে সোয়া দুই বছর ক্ষমতায় থেকেও তারা জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচার করলেন না কেন। নিশ্চয় ‘ডাল মে কুচ কালা হ্যায়’। জিয়া হত্যাকাণ্ডে তার কাছের ও পরিবারের কারো হাত ছিল কি না সে প্রশ্নও তুলে এই হত্যাকাণ্ডের প্রথম প্রতিবাদ আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনাই জানিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জিয়া হত্যায় তার পরিবার যেভাবে লাভবান হয়েছিল তা নজিরবিহীন। বেগম জিয়া পেয়েছিলেন ৭ একর জমির ওপর বাড়ি ও বিপুল ব্যাংক সুবিধা আর জাতিকে দেখানো জিয়াউর রহমানের ছেঁড়া গেঞ্জি আর ভাঙা সুটকেস থেকে পরে বেরিয়ে এসেছিল বহু জাহাজ ও ব্যবসা-বাণিজ্য।
তিনি আরও বলেন, গত নির্বাচনের পর বিশ্ব সম্প্রদায় নতুন সরকারকে কী বলে বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা চাতক পাখির মতো তাকিয়ে ছিল। এ পর্যন্ত ৮০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে। এটা দেখে বিএনপি আর কোন কথা বলেন না।

তিনি বলেন আমার ঠিকানা সরকার না, আমার ঠিকানা হল দল। আর বিএনপির বিএনপির ঠিকানা কই? তাদের ঠিকানা নয়া পল্টন, আর রাতে বিভিন্ন অ্যাম্বেসি। দেশের মানুষের সাথে তাদের কোনো দেন-দরবার নেই। ক্ষমতার মালিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্র নয়, কিংবা বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা নয়। দেশের জনগণই ক্ষমতার মালিক বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশে বসে বিএনপি-জামাতের এজেন্টরা দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে অব্যাহত ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন। তদের এসব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। এসব ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর, স্টেট সিনেটরসহ আইন প্রণেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি। প্রয়োজনে পাল্টা এজেন্ট নিয়োগ করে যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতাদের কাছে শেখ হাসিনার সরকারের ১৫ বছরের কর্মকান্ডসহ দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরারও আহবান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতারা ঢাকা ফ্লাইওভার আর পদ্মা সেতু দিয়ে পার হয়ে বলেন দেশে কোন উন্নয়ন হয় নাই। তারা দেশের কোন উন্নয়নেই দেখতে পান না। যারা চোখ থাকতে অন্ধ আর কান থাকতে বধির তাদের আল্লাহ যেন হেদায়েত করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি ঢাকা-নিউ ইয়র্ক ফের বিমান চলাচল প্রসঙ্গে বলেন এ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। শিগিগির একটি ভালো খবর জানতে পারবেন। এছাড়াও দূতাবাস কর্মকর্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। যত দ্রুত সম্ভব দূতাবাস থেকে প্রবাসীদেরকে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বারবার মৃত্যু উপত্যকা থেকে ফিরে এসে জনগণের জন্য সংগ্রামে অবিচল বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রুখতে সকলকে তৎপর ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করারা আহবান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ।
নিউ ইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমলের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ, আ. নেতা নিজাম চৌধুরী, এম ফজলুর রহমান ও এমদাদ চৌধুরী প্রমুখ।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত, ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস মোহাম্মদ ইমরান, নিউ ইয়র্কের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, ডেপুটি কনসাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসান, বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, দূতাবাস, কনস্যুলেটের কর্মকর্তা কর্মচারী, কানেকটিকাট, নিউ জার্সি, পেনসিনভানিয়া, নিউ ইংল্যান্ড, ওয়াশিংটন মেট্রো স্টেট আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
১৮ বছরের বিরতি ভাঙলেন শিল্পা শেঠি
ব্যক্তিজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে আবার অভিনয়ে মনোযোগী হচ্ছেন শিল্পা শেঠি। ক্যারিয়ারের শুরুতে বেশ কিছু দক্ষিণী ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শিল্পা শেঠি। এবার ১৮ বছর পর আরও একবার দক্ষিণী ছবির জগতে দেখা যাবে তাকে।
এরই মধ্যে ‘কে ডি : দ্য ডেভিল’ নামের একটি দক্ষিণী ভারতীয় সিনেমায় কাজ শুরু করেছেন। এতে শিল্পার সহশিল্পী হিসেবে আছেন দক্ষিণ ভারতের আলোচিত ধ্রুব সারজা। এ ছাড়া অভিনয়ে থাকছেন বলিউড সতীর্থ সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেফি।
এ সিনেমার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৮ বছরের বিরতি ভাঙতে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। এই দীর্ঘ সময় শুধু বলিউডেই তিনি কাজ করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, ‘কে ডি : দ্য ডেভিল’ সিনেমাটি শিল্পাকে নতুন রূপে পর্দায় তুলে ধরতে যাচ্ছে। এতে তাকে দেখা যাবে ‘সত্যবতী’ নামের একটি চরিত্রে। যার প্রথম লুক এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।
সেখানে অভিনেত্রীকে দেখা গেছে, ভিনটেজ গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। তার পরনে রেট্রো শাড়ি। কাঁধ থেকে ঝুলছে লম্বা বেণী। চোখে পুরোনো আমলের পরিচিত সানগøাস। সত্তরের দশকে বেঙ্গালুরুতে ঘটে যাওয়া একটি বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এতে ধ্রুব সারজা অভিনয় করছেন গ্যাংস্টারের ভূমিকায়। প্রেম পরিচালিত বড় বাজেটের এ সিনেমা আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
২০০৫ সালে এই অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছিল ডি রাজেন্দ্র বাবু পরিচালিত কন্নড় ভাষার ‘অটো শঙ্কর’ সিনেমাতে। এতে তার বিপরীতে ছিলেন অভিনেতা উপেন্দ্র। সা¤প্রতিক সময়ে বলিউডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যখন দক্ষিণী সিনেমা দর্শক মনোযোগ কেড়ে নেওয়া শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়ে শিল্পার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।
তোমাকে পেয়ে অনেক ভাগ্যবান আমি: তমা
‘সুড়ঙ্গ’খ্যাত অভিনেত্রী তমা মির্জার জন্মদিন ছিল ১ জুন। এ উপলক্ষ্যে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্মাতা রায়হান রাফী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। প্রতি উত্তরে কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন এ চিত্রনায়িকা। দুজনই দুজনকে বন্ধু হিসেবে আখ্যায়িত করেন সবসময়।
পোস্ট করা ছবিতে দুজনকে সুন্দর একটি ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের দৃশ্য দেখা যায়। সেই পোস্টের ক্যাপশনে তমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাফী লেখেনÑ ‘আমি খুব সৌভাগ্যবান যে, তোমাকে নিয়ে আরও একটি বছর পেলাম; উদযাপন করো। শুভ জন্মদিন তমা।’
রাফীর সেই পোস্টে নেটিজেনদের মন্তব্যের বন্যা বয়ে গেছে। এমনকি তমা মির্জাও মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন, ‘আমিও তোমাকে পেয়ে অনেক ভাগ্যবান রাফী।’
স¤প্রতি তমা মির্জা আলোচনায় এসেছিলেন মিষ্টি জান্নাত প্রসঙ্গে মামলা করে। তবে সেই সমস্যার সমাধানও হয়েছে। আর রায়হান রাফী ‘তুফান’ সিনেমার একটি বিশেষ মুহূর্ত প্রকাশ করে সামাজিক পাতায় ঝড় তুলে দিয়েছে।
তমা মির্জা ২০১৫ সালে ‘নদীজন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
বিয়ে করছেন শুভমন গিল? মুখ খুললেন ‘প্রেমিকা’
শচিন টেন্ডুলকরের মেয়ে সারার সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট তারকা শুভমান গিলের প্রেম নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছে একসময়। এখনো তা নিয়ে চর্চা হয়। এর মধ্যেই জানা গেছে, অভিনেত্রী ঋদ্ধিমা পণ্ডিতের প্রেমে পড়েছেন শুভমান। দুই তারকার চার হাত ডিসেম্বরেই নাকি এক হতে চলেছে। সেই জল্পনা নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নিজেই। খবর আনন্দবাজার অনলাইনের।
সারার সঙ্গে শুভমানের সম্পর্ক নিয়ে কেউই সরাসরি মুখ খোলেননি। তবে নাতাশা স্তানকোভিচ ও হার্দিক পান্ডিয়ার বিচ্ছেদের জল্পনার মধ্যে শুভমানকে নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
মূলত ছোটপর্দার অভিনেত্রী ঋদ্ধিমা। ‘বহু হামারি রজনীকান্ত’ সিরিয়ালে রজনীর চরিত্রে অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘আমার বিয়ে সম্পর্কে জানতে চেয়ে সাংবাদিকদের থেকে অনেক ফোন পেয়ে ঘুম ভেঙেছে। কিন্তু কিসের বিয়ে? আমি মোটেই বিয়ে করছি না। যদি এ রকম কিছু হয়, তা হলে সবার আগে আমি এগিয়ে এসে তা ঘোষণা করব। এ খবরের কোনো সত্যতা নেই।’
এক ওয়েবসাইটে ঋদ্ধিমা আরও বলেন, ‘কিছু মানুষের কল্পনার ফল এ খবর। কেউ কেউ গল্প তৈরি করে তা ভাইরাল করে দেয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে শুভমানকে চিনিও না। জঘন্য একটা খবর। সকাল থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছি। অস্বীকার করতে করতে আমি ক্লান্ত। তার জন্য সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করে সবাইকে একসঙ্গে জানাতে বাধ্য হলাম।’
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তাণ্ডব চালালেন অ্যারন জোনস
২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কানাডাকে ৭ উইকেটে হারাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অর্থাৎ জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে স্বাগতিক দেশ আমেরিকা। বিশ্বকাপের নবম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ কানাডার দেওয়া বড় সংগ্রহকে মামুলি বানিয়ে জয় তুলে নিয়েছে তারা। ব্যাট হাতে অনেকটা তাণ্ডব চালিয়েছেন অ্যারন জোনস। তিনি ৪০ বলে ৯৪ রানের মাধ্যমে দলের জয় নিশ্চত করে মাঠ ছাড়েন।
রোববার নিউইয়র্কের ডালাসে বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। টস হেরে আগে ব্যাট করে নাভনিত ধালিওয়াল ও নিকোলাস কিরটনের হাফ সেঞ্চুরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে ১৯৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় কানাডা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো করেনি আমেরিকা। শূন্য রানে তারা তাদের প্রথম উইকেট হারায়। স্টিভেন টেলরকে সাজঘরে ফেরান কালিম সানা। এরপরে মোনাঙ্ক প্যাটেল ও আন্দ্রিস গাউস ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। তবে মোনাঙ্ক ১৬ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এর পরে আন্দ্রিস গাউসের সঙ্গে ইনিংস সামলান অ্যারন জোন্স। ৪৬ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন আন্দ্রিস গাউস। নিখীল দত্তের বলে অ্যারন জনসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে গাউস সাজঘরে ফেরেন। তবে বাকি কাজটা অ্যারন জোন্সের সঙ্গে শেষ করেন কোরি অ্যান্ডারসন।
চতুর্থ উইকেটে কোরি অ্যান্ডারসনকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন অ্যারন জোনস। ১৭.৪ ওভারেই লক্ষ্য অর্জন করেন তারা। অ্যারন জোন্স ৪০ বলে ১০ ছক্কা ও ৪ চারে ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচশেষে জোন্সের ৬ রানের আক্ষেপ থেকে গেল। কোরি অ্যান্ডারসন অপরাজিত থাকেন ৩ রানে।
উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডাকে হারাল যুক্তরাষ্ট্র
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ কানাডার দেওয়া বড় সংগ্রহকে মামুলি বানিয়ে জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছেন আন্দ্রেস গুস ও অ্যারন জোনস। গুস আউট হয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত দলের জয় নিশ্চত করে মাঠ ছাড়েন জোনস। এদিন টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ডও গড়ে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে সর্বোচ্চ ১৬৯ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ছিল এই জুটির।
রোববার (২ জুন) নিউইয়র্কের ডালাসে বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। টস হেরে আগে ব্যাট করে নাভনিত ধালিওয়াল ও নিকোলাস কিরটনের হাফসেঞ্চুরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে ১৯৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় কানাডা। জবাবে আন্দ্রেস গুস ও অ্যারন জোনসের তাণ্ডবে ১৪ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র।
কানাডার দেওয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই উইকেট হারায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর দলীয় ৪২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় তারা। তৃতীয় উইকেটে গুস ও জোনস জুটি বেঁধে দলের সব শঙ্কা দূর করে দেন। ম্যাচের সময় যতই বাড়ছিল এ দুই ব্যাটার খোলস ছেড়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় ১৭৩ রানে গুসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নিখিল দত্ত। তার আগে গুস ৪৬ বলে ৩ ছক্কা ও ৭ চারে ৬৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন।
চতুর্থ উইকেটে কোরি অ্যান্ডারসনকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন অ্যারন জোনস। তিনি ৪০ বলে ১০ ছক্কা ও ৪ চারে ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচ শেষে জোনসের ৬ রানের আক্ষেপ থেকে গেল। কোরি অ্যান্ডারসন অপরাজিত থাকেন ৩ রানে।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে কানাডাতে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন অ্যারন জোন্স ও নাভনিত ধালিওয়াল। এ দুজন প্রথম ৩২ বলেই স্কোরবোর্ডে জমা করেন ৪৩ রান। জোন্স ১৬ বলে ২৩ রান করে হারমিতের শিকার হলে ভাঙে জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে নেমে পারগাত সিং বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। দলীয় ৬৬ রানে ৫ রান করে রান আউটের ফাঁদে পড়েন তিনি।
তৃতীয় উইকেটে ধালিওয়াল ও নিকোলাস কিরটন ৬২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। দলীয় ১২৮ রানে ধালিওয়ালকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন কোরি অ্যান্ডারসন। অবশ্য তার আগে ধালিওয়াল ৪৪ বলে ৩ ছক্কা ও ৬ চারের সাহায্যে ৬১ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন। এটি ৯ম আসরের প্রথম অর্ধশতক। চতুর্থ উইকেটে কিরটন উইকেটরক্ষক ব্যাটার শ্রেয়াস মোভাকে সঙ্গে নিয়ে ৩১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। তবে দলীয় ১৫৯ রানে ব্যক্তিগত ৫১ রান করে আলী খানের শিকারে পরিণত হন তিনি। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ২ ছক্কা ও ৩ চারে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আম্পায়ার বাংলাদেশের সৈকত
উদ্বোধন অনুষ্ঠান ছাড়াই শুরু হলো আইসিসিরি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৪-এর নবম আসর। আজ উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হয় কানাডা। বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায় ম্যাচটি শুরু হয়। এ ম্যাচ দিয়ে আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে আম্পায়ারিংয়ের সুযোগ পান শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
উদ্বোধনী ম্যাচেই অন-ফিল্ডে ইংল্যান্ডের আম্পায়ার রিচার্ড কিথ ইলিংয়োর্ডের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
এর আগে ভারত বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছিলেন আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিশ্বমঞ্চে নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতার প্রমাণ দেন তিনি। সেই দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পান তিনি।
শরফুদ্দৌলা সৈতক অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গত ১৭ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে থার্ড আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন। পরে ব্রিসবেনে দিবারাত্রির টেস্টে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এ ছাড়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও ম্যাচ পরিচালনা করেন সৈকত।
গত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ম্যাচসহ মোট পাঁচটি ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড উদ্বোধনী ম্যাচসহ তিন ম্যাচে চতুর্থ আম্পায়ার এবং তিন ম্যাচে টিভি আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন সৈকত।


