Home Blog Page 620

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপন

ইমা এলিস, নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ১৩ এপ্রিল শনিবার দুপুরে মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সহস্র কন্ঠে দেশের গান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা। তবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকগানে হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতাদের মাতিয়ে তোলেন প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী মমতাজ।

times square boishakh 01


বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন নিউ ইয়র্কের কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল হুদা। নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস উদ্বোধনের কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীরা ছাড়াও বিভিন্ন দেশীয় নৃত্য শিল্পীরা তাদের দেশীয় ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করেন। বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে দেশাত্ববোধক ও লোকগান। টাইমস স্কয়ারে বাংলা বর্ষবরণের আয়োজন করেন এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড নামের একটি সংগঠন। অনুষ্ঠানের আহবায়ক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, নৃত্য শিল্পী লায়লা হাসান, প্রধান পৃষ্ঠপোষক আইএফআইসি ব্যাংক-এ সিইও শাহ আলমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

কানেকটিকাটের মিডল টাউনে বাংলা নববর্ষ উদাযাপন

ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের মিডল টাউনে উদাযাপন হয়েছে বাংলা নববর্ষ। স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মিডল টাউনের বাংলাদেশি মালিকানাধীন তন্দুর রেস্তোরাঁয় বাংলা নববর্ষ পালনের আয়োজন করেন স্থানীয় বাংলাদেশিরা।
সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত নববর্ষ পালনের এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশাজীবি বাংলাদেশি পরিবার পরিজনসহ শিশু কিশোরদের কলতানে, পান্তা ইলিশ আর বাংলা গানের অসাধারণ আয়োজনে একটি অত্যন্ত সুন্দর সন্ধ্যার আয়োজন করেন তন্দুর রেস্তোরাঁ। মিডে টাউনের সুপরিচিত মুখ বাংলাদেসশি কমিউনিটি নেতা মোস্তাক মাহমুদ এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত বিনয়ের সাথে অতিথিদের আপ্যায়ন করেন। অনুষ্ঠানে খিচুড়ি, ইলিশ, চিকেন কারী, বিফ ভুনা, পান্তা ভাত, শুঁটকির দোপেঁয়াজা, বেগুন ভর্তা, আলু ভর্তা, টোম্যাটো ভর্তা, রসগোল্লা, চা, তেঁতুল ও আমের ফ্রেশ পানীয়, পান সুপারিসহ পহেলা বৈশাখের বাংলাদেশি সমস্ত খাবারের  পাশাপাশি মেন্যু থেকে যে কোনো খাবার অর্ডার দেবার ব্যবস্থা ছিল। বাংলাদেশি অতিথিদের আনন্দ প্রদানের জন্য সংগীত শিল্পীদের দ্বারা গানের ব্যবস্থা ও বিনোদনে ব্যবস্থা করা হয়।
কানেকটিকাটের বাংলাদেশি আমেরিকান সিপিএ শ্রাবনী তার পুত্র কৃষকে নিয়ে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, তন্দুর রেস্তোরাঁয় তিনি বহু দিন ধরে আসা যাওয়া করেন।সম্প্রতি বাংলাদেশি মালিকানাধীনে নতুন করে রেস্তোরাঁটির যাত্রা শুরু হয়। এ রেস্তোরাঁয় সব খাবার সম্পূর্ণ হালাল। ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত আছেন রেস্তোরাঁর মালিক কর্তৃপক্ষ। নিজেরা উপস্থিত থেকে সবসময় খুব সুন্দর ভাবে তারা সব কিছু পরিচালনা করেন।

middletown boishak 01

 মোস্তাক মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রী দুজনেই নিজ নিজ পেশায় নিয়োজিত। তাদের দুই সন্তানের এ দেশেই জন্ম। কিন্তু তাদের ব্যবহার এবং পরিবেশন শতভাগ বাঙালি। কোথাও কোনো ত্রুটি নেই। এই প্রসঙ্গে মোস্তাক মাহমুদের স্ত্রী বলেন, বহু দিন ধরে তারা মিডল টাউনের বাসিন্দা কিন্তু বাংলাদেশি হালাল খাবার পেতে খুব কষ্ট হতো। তাই কম্যুনিটির চাহিদার কথা মাথায় রেখে তারা এই রেস্তোরাঁটি খোলার উদ্যোগ নেন।
তিনি বলেন, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ রেস্তোরাঁয় ইফতারির আয়োজন করা হয়। এখানে বুট পিয়াজুর পাশাপাশি তেহারি জিলাপির ব্যবস্থা ছিল। বিভিন্ন মসজিদে ও কমিউনিটির অনুষ্ঠানে সুলভে ক্যাটারিং করা হয় তন্দুর রেস্তোরাঁ থেকে। তাছাড়া বাংলা নববর্ষ, ভ্যালেন্টাইন ডে, স্বাধীনতা দিবস কিংবা নিউ ইয়ার এরকম সব কটি বিশেষ দিনে অত্যন্ত সুলভ মূল্যে বহু আইটেমসহ বিশেষ বাফের আয়োজন করা হয়। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই মূলধারার কাস্টমারদের জন্যে রেস্তোরাঁয় এ সমস্ত ব্যবস্থা থাকে  তবে বাংলাদেশি কম্যুনিটির জন্যে থাকে বিশেষ চমক এবারের পহেলা বৈশাখের দিন তাই বাংলাদেশি কম্যুনিটির জন্যে হৃদয়গ্রাহী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তন্দুর রেস্তোরাঁয়।
সিপিএ শ্রাবনী জানান কম্যুনিটির অনেকেই যখন হিংসা দ্বিধা বিভক্তিতে কিংবা নিজ নিজ স্বার্থ উদ্ধারে মগ্ন, তখন মিডল টাউনের তন্দুর রেস্তোরাঁয় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে উদাহরণ সৃষ্টি করেন তিনি।  
তিনি বলেন ছোটবেলা থেকেই রান্না করতে পছন্দ করেন। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী মার্কেট থেকে গ্রোসারি সামগ্রী আনা হতো তাদের চট্টগ্রামের বাসায় পহেলা বৈশাখের দিনে তাছাড়া মিষ্টি থেকে স্পেশাল অর্ডারে শত শত মিষ্টির প্যাকেট আনা হতো। সেগুলো তার মা-বাবার আত্মীয় স্বজন প্রতিবেশী পাড়া থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম কলেজ এর প্রিন্সিপাল কিংবা মেয়র মহিঊদ্দিন আংকেলের বাড়িতে তাদের কর্মচারীরা দিয়ে আসতেন। তার মায়ের অনেক কলিগ ছিলেন বিহারি। তিনি মোগলাই রান্না থেকে শুরু করে ফ্রেঞ্চ বেকিং সবকিছুতে পারদর্শী ছিলেন। তাই রান্না করার প্রতি ছোট বেলা থেকেই আগ্রহ। কিন্তু ক্যারিয়ার এর ব্যস্ততায় আমেরিকায় রান্না করার সুযোগ হয়ে ওঠেনা তার। তাই হরেক রকমের রেস্তোরাঁয় ছেলেকে নিয়ে ডাইনিং আউট করে থাকেন তিনি।
ট্যাক্স সিজনে কানেকটিকাটের বাংলাদেশি খাবা্রের ক্রেভিং হলে এখন আর নিউ ইয়র্ক যেতে হয়না। মিডল টাউনে তার অতি প্রিয় মেইন স্ট্রিটে এখন বাংলাদেশি খাবার পাওয়া যায়। ছেলেকে দেশীয় সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত রাখতে চান শ্রাবনী।

ভিপি নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা এক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে চট্টগ্রামের একটি আদালত।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ জুন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক আইন সম্পাদক শাহরিয়ার ইয়াসির আরাফাত চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১ জুন নুর বাংলা নিউজ বিডি নামের একটি পেজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে নিয়ে কটূক্তি করেন এবং ফেসবুকে তা পোস্ট করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিকে নির্দেশ দেন। সম্প্রতি তদন্ত শেষে সিআইডি ভিপি নুরের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দেয়। সোমবার আদালত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করে নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

মির্জা ফখরুলের দাবি নাকচ করলেন ওবায়দুল কাদের

কারাবন্দী বিএনপি নেতাকর্মীদের সংখ্যার বিষয়ে মির্জা ফখরুলের সাথে একমত নন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি এসব নেতাকর্মীর তালিকা চেয়েছেন বিএনপি মহাসচিবের কাছে।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব বিষয়ে কথা বলেন।

বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মী কারাবন্দী- দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন দাবি নাকচ করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবকে এ বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি বিএনপির এসব কারাবন্দীর তালিকা চান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি মির্জা ফখরুল ইসলামকে চ্যালেঞ্জ করছি। ছিল ২০ হাজার, হয়ে গেলো ৬০ লাখ! অবিলম্বে ৬০ লাখ বন্দীর তালিকা প্রকাশ করুক। না হয় মিথ্যাচারের জন্য জাতির কাছে মির্জা ফখরুলকে ক্ষমা চাইতে হবে।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপির জন্ম মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি বাংলাদেশের অস্তিত্বের মূলে আঘাত করতে চায়। একাত্তরে তাদের যে ভূমিকা, হঠাৎ করে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে এমনিই তিনি ঘোষক হয়ে গেলেন! ২৪ বছরের যে আন্দোলন, এসবের কোনো দাম নেই?

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘১৭ এপ্রিল মুজিব নগর দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ দিবস, সেই দিনটিকে তারা অস্বীকার করে। ১০ এপ্রিল প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার গঠন হয়, সেটা অস্বীকার করে। বিএনপি বাঙালি সংস্কৃতির চেতনা নিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বি এম মোজাম্মেল হক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান।

সূত্র : বাসস

সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচীর অনুষ্ঠান, যা বললেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের জারি করা নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচীর অনুষ্ঠান করা ও নেতিবাচক বিবৃতি দেয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে তার দফতর কক্ষে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যে নির্দেশনা জারি করেছিল সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান করা ছিল হঠকারী ও দুঃখজনক। তাদের এই আচরণে সরকার খুবই ব্যথিত ও মর্মাহত।’

তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে এবং যশোরের উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং অনেকে পঙ্গু হয়েছে। হলি আর্টিজান, শোলাকিয়া ময়দান ও সিলেটে ঈদের জামাতের জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং জনগণের জীবন বাঁচিয়েছেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সবসময় সতর্ক থাকায় অতীতে মতো বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি হামলা বা সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটতে পারেনি। এই বিষয়ে সরকার সকলের সহযোগিতা কামনা করে।’

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৩ সালে ১৪০০ বঙ্গাব্দে, বাংলা শতবর্ষ বরণ করার সময় বেগম খালেদা জিয়া সরকার বাধা দিয়েছিল। তাদের বাধা দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল নিরাপত্তাজনিত নয় বরং বাঙালির সার্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক এই উৎসবকে নিরুৎসাহিত করা। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল সংগঠনসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা আমরা সকলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা দেয়া সরকারের কর্তব্য। আশা করব এক্ষেত্রে সবাই সবসময় সহযোগিতা করবেন যাতে আনন্দের অনুষ্ঠান বিষাদে পরিণত না হয়ে যায়।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যে অনুষ্ঠান উদীচী করেছে সেখানে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটতো তার দায়-দায়িত্ব কে নিতো- এ প্রশ্ন রেখে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা মনে করি নিয়ম বা নির্দেশ না মেনে অনুষ্ঠান যারা করবেন তাদেরকেই সেই দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে যথাযথভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয় উল্লেখ করে এ সময় মোহাম্মাদ আলী আরাফাত আরো যোগ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য বাংলা নববর্ষ ভাতা ব্যবস্থা করেছে। তার সরকারের সময়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসঙ্ঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো ২০১৬ সালে বাংলাদেশের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’-কে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।’

সূত্র : বাসস

ইসরাইলে ইরানের হামলার পর কমেছে তেলের দাম

ইসরাইলের ওপর ইরানের হামলা ব্যর্থ হওয়ার পর তেলের দাম কমেছে বলে আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইসরাইলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে ব্যর্থ হওয়ার পর তেলের দাম কমেছে এবং মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে- তারা ইরানের সাথে বৃহত্তর যুদ্ধকে সমর্থন করে না।

বিশ্লেষকরা বলেছেন যে- তেলের দামের প্রধান ঝুঁকি হলো- গাজা যুদ্ধের কারণে যদি সংঘর্ষ বাড়তে থাকে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরান তেল সরবরাহ ব্যাহত করে।

মার্কিন অবস্থান এবং ইরানের গৃহীত অবস্থান নির্দেশ করে যে- প্রতিশোধমূলক স্ট্রাইকের মাধ্যমে বিষয়টি ‘সমাপ্ত বলে মনে করা যেতে পারে’।

এদিকে তেল ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেছে, তারা আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমিয়ে ব্যারেল প্রতি ৮৯ দশমিক ৮২ ডলারে করেছে। এটি সপ্তাহান্তে হামলার আগে শুক্রবার ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারের কাছাকাছি ছিল।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, যে ঝুঁকিগুলি দাম বাড়াতে পারে তার মধ্যে রয়েছে ইরানের তেল স্থাপনার ইসরাইলি হামলা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কঠোর প্রয়োগ।

এসএন্ডপি গ্লোবালের বিশ্লেষকরা বলেছেন, ‘ইসরাইলের যেকোনো প্রতিশোধ, বিশেষ করে যেটি ইরানের তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে করা হয়। এটি জ্বালানি বাজারের জন্য বড় প্রভাব ফেলবে।’
সূত্র : আল-জাজিরা

জয়া বচ্চনের জন্মদিনে খোলা চিঠি অমিতাভের, নীরব ঐশ্বরিয়া

০

সত্তরের দশকের মিষ্টি বাঙালি মেয়ে থেকে বলিউডের বচ্চন পরিবারের দাপুটে অভিনেত্রী হয়ে ওঠা জয়া ৭৬-এ পা দিলেন। ১৯৭৩ সালের জুন মাসে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন জয়া এবং অমিতাভ বচ্চন।
‘শোলে’, ‘অভিমান’, ‘মিলি’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘সিলসিলা’র মতো ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। শ্বেতা এবং অভিষেকের জন্মের পর থেকে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছিলেন জয়া। তবে পরবর্তী সময়ে ‘কাল হো না হো’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘লাগা চুনরি মে দাগ’, ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’-র মতো ছবিতে দেখা গিয়েছে তাকে। জন্মদিনের সকালে মায়ের সাদাকালো ছবি পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছেলে অভিষেক বচ্চন। তবে স্ত্রীর জন্মদিনে খোলা চিঠিতে জয়ার উদ্দেশে কী লিখলেন ‘শাহেনশাহ’?
অমিতাভ জয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘এমন একটা জন্মদিন, যার কোনও উল্লেখ প্রয়োজন নেই। এটা পারিবারিক উদযাপন। অর্ধাঙ্গিনীর জন্মদিন। পারিবারের ভালবাসায় পরিপূর্ণ বিশেষ এই দিনটা।’
বচ্চন পরিবারের কর্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পরিবারের অন্য সদস্যরাও। তবে এই দিনেও নিশ্চুপ বৌমা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। শাশুড়ির জন্মদিনে কোনো শুভেচ্ছাবার্তাই আসেনি অভিনেত্রীর তরফে।
গত বছর থেকেই বচ্চনদের পরিবারের অন্দরের কলহ নিয়ে সরগরম মায়ানগরী। এই নিয়ে অবশ্য নানা মুনির নানা মতও রয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে কখনোই কোনো মন্তব্য করেননি বচ্চনরা।
তবে চলতি বছর দোলে অবশ্যে গোটা পরিবার একজোট হয়ে হোলিকাদহন করেছিলেন। তাই বচ্চনদের অন্দরের সমীকরণ ঠিক কার সঙ্গে কেমন, তা বোঝা দায়।

চারপাশে খারাপ লোকের সংখ্যাই বেশি : নোরা ফাতেহি

০

ঢাকা : ক্যারিয়ারের লম্বা সময়ে একাধিক মানুষের সঙ্গে নাম জড়ালেও কোনো সিরিয়াস সম্পর্কে দেখা যায়নি বলিউড সেনসেশন নোরা ফাতেহিকে। অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী হিসেবে সফল হলেও সংসার করতে চান তিনি। স¤প্রতি ‘কানেক্ট এফএম কানাডা’র সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন নোরা।
তিনি জানালেন জীবন সঙ্গী পছন্দের সময় কোনো জিনিসে গুরুত্ব দেন। নোরা বলেন, আমি এমন একজন মানুষকে খুঁজছি যে সৃষ্টিকর্তাকে ভয় করে এবং যার লালন-পালন খুব ভালো হয়েছে। এর পরে অর্থ ও আর্থিক স্থিতিশীলতা আসে।
নোরা বলেন, আমার এমন একজন দরকার যে ভেতর থেকে সত্যিই ভালো। কারণ বর্তমানে চারপাশে খারাপ লোকের সংখ্যাই বেশি। যারা সুবিধাবাদি ও আপনাকে ব্যবহার করে। মিথ্যাবাদীও আছে। কিছু লোক বছরের পর বছর আপনার সঙ্গে থাকবে। কিন্তু আপনাকে চাইবে না। তারা আপনার টাকা, আপনার জনপ্রিয়তা বা আপনার নেটওয়ার্ক চাইবে। চারপাশে সত্যিই অদ্ভুত মানুষ আছে। ভালো মনের কাউকে পেলে আমি খুশি হব।
দেখতে কেমন জীবনসঙ্গী চান এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এত কিছুর পরে আসলে সুন্দর চেহারা আসে। আমি বলতে চাইছি, আমার ভালো জেনেটিক্স দরকার, কারণ আমি সুন্দর বাচ্চা পেতে চাই।
নোরা বলেন, পাঁচ বছর আগে থেকে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল উচ্চতা ও চেহারার মতো শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নজর দিয়ে নিজের জন্য জীবনসঙ্গী খোঁজা। গত কয়েক বছরের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় তার ভাবনা-চিন্তা বদলেছে। এখন তিনি তার অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দেন।

নিউইয়র্কে জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এমপির সংবর্ধনা

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ১ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে মুনলাইট গ্রীল রেস্টুরেন্টের মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন যুক্তরাষ্ট্র শাখা এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত ফরিদা ইয়াসমিন এমপি এ সময় প্রবাসীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমি যখনই নিউইয়র্কে আসি তখনই আপনাদের উষ্ণ আতিথেয়তায় আপ্লুত হয়। এবার নতুন পরিচয়ে এসেও একইভাবে আপনাদের আন্তরিক আতিথেয়তায় আমি অভিভূত এবং গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের আরো অনেক অনুষ্ঠানে আমি এসেছি। প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে, সভাপতি হবার পর যখনই নিউইয়র্কে এসেছি আপনাদের সাথে মিলিত হয়েছি। সমাবেশে কথা বলেছি।
জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি বলেন, আমরা যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের শেকড় কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ। আমাদের আদর্শ হলেন বঙ্গবন্ধু। আমাদের আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। যে চেতনায় আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, একাত্তরের ৭ মার্চের যাদুকরি বক্তব্যে সারা বাংলার সাধারণ মানুষেরাও মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন। আর এটিই হচ্ছে আমাদের মূল শেকড়। আর আপনারা যারা এই প্রবাসে আছেন, তাদের প্রত্যেকের হৃদয়েই কিন্তু একখণ্ড বাংলাদেশ বাস করছে। সে তাগিদেই অনেক কিছু ত্যাগ করে আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন ও ধারণ করছেন, এই চেতনাকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন, এটি আসলেই অনেক বড় ব্যাপার। দেশকে ভালো না বাসলে এটা সম্ভব হতো না।
এই সংসদ সদস্য বলেন, যারা সত্যিকার অর্থে দেশের জন্যে নিবেদিত, তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী চলমান উন্নয়ন অভিযাত্রা ত্বরান্বিত করতে কাজে লাগাচ্ছেন। আমি মনে করি যে, আমাকে তিনি সংসদ সদস্য মনোনীত করে সাংবাদিকদেরকেই সম্মানীত করেছেন, সাংবাদিক সমাজকে মূল্যায়ন করেছেন, বিশেষ এক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছেন। এজন্যে দেশ ও প্রবাসের সকল গণমাধ্যম কর্মীর পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কন্সাল জেনারেল মো. নাজমুল হুদা বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদেরকে আমার সহকর্মী হিসেবে স্ট্যাকহোল্ডার হিসেবে পাশে রাখতে চাই। আমরা যারা মানুষের সেবার দায়িত্বে আছি, তাদের সাথে গণমাধ্যমের একটি সুন্দর সম্পর্ক থাকা খুবই জরুরি। কারণ আমরা যে কাজগুলো করছি তা গণমানুষের কাছে পৌঁছানো অথবা আমরা যদি কোন ভুল করে থাকি সেগুলোর শোধরানোর অভিপ্রায়ে পয়েন্টআউট করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সে দৃষ্টিকোণ থেকেই আমরা কাজ করছি। নাজমুল হুদা সংসদ সদস্যা ফরিদা ইয়াসমিনকে নিউইয়র্ক কন্স্যুলেট পরিভ্রমণের অনুরোধ জানান।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের হ্যাড অব চ্যান্সেরী শুয়েব আব্দুল্লাহ বলেন, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এবং সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ-৭১ এর কর্মকান্ডে নিউইয়র্কের অনেকে সময় দিচ্ছেন এবং সংসদ সদস্যও উৎসাহিত করছেন। পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে এসেছেন বলে সংসদ সদস্যকেও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এসব সংগঠন টিকে থাকলেই বিদেশের মাটিতে আমাদের চেতনা, আমাদের ঐতিহ্য অটুট থাকবে।
কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক বলেন, আমরা আশা করছি আপনার বিচক্ষণতাপূর্ণ কর্মকান্ডে বাংলাদেশ তার অভীষ্ঠ লক্ষ্যে উপনীত হবে। এ সময় তিনি ঢাকা এয়ারপোর্টে প্রবাসীদের হয়রানি চিরতরে অবসানে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের প্রতি আহŸান জানান।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হোস্ট সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মিয়া। তিনি তাঁর সমাপনী বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিনের মত সাদামনের মানুষকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করার জন্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাস। তিনি বলেন, ফরিদা ইয়াসমিনরা জীবনের পুরোটা সময় ব্যয় করেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত থেকে। বাকিটা জীবন গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্বে শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ রচনায়ও অপরিসীম ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করছি।
‘প্রিয় মানুষ ফরিদা ইয়াসমিন এমপিকে নিউইয়র্কে অভিনন্দন-শুভেচ্ছা’ ব্যানারে এ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও পরিচালনায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কম্যুনিকেশন্স ডাইরেক্টর বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর নারী বিষয়ক সম্পাদক ও বহ্নিশিখা সঙ্গীত নিকেতনের প্রধান সবিতা দাস, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুব্রত তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, ব্রæকলীন কম্যুনিটি বোর্ড-১২ এন নবনির্বাচিত সেক্রেটারি মামুনুনুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিব রহমান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ মার্চ ভোরে রোম থেকে নিউইয়র্কে এসেছেন ফরিদা ইয়াসমিন। ব্যক্তিগত সফরে তিনি ৬ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন।

নিউইয়র্কে নবীগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল

নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে ধর্মীয় উৎসব আমেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবীগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল। ব্রঙ্কসের আল আকসা পার্টি হলে গত ৮ এপ্রিল সোমবার অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নবীগঞ্জবাসীর এ সংগঠনের ইফতার মাহফিল। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম’র।
সংগঠনের সভাপতি শেখ জামাল হোসেনের সভাপত্বিতে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান আলী টিপুর পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত, রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাবাজার জামে মসজিদের খতীব মাওলানা আবুল কাশেম এয়াহইয়া।
ইফতার মাহফিলে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা মুবাশ্বির হোসেন চৌধুরী, দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী, হাসান আলী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ডা. মাসুদুল হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, মূলধারার রাজনীতিক মোহাম্মদ এন মজুমদার, স্টারলিং ডায়াগনস্টিকস অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার এর সিইও আব্দুর ওয়াহিদ চৌধুরী জাকি, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র উপদেষ্টা মজলু হোসাইন, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনক এর উপদেষ্টা মোঃ আব্দুর রব দলা মিয়া, সভাপতি সামাদ মিয়া জাকারিয়া, সহ সভাপতি প্রফেসার আমিনুল হক চুন্নু, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন কামালী, সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী শেফাজ, মোহাম্মদ লায়েক, বাংলাদেশী-আমেরিকান কালচারাল এসোসিয়েশনের সভাপতি সারওয়ার চৌধুরী, বিবিএর সাধারণ সম্পাদক এ ইসলাম মামুন, চুনারুঘাট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন আহমেদ, হবিগঞ্জ জেলা সদর সমিতির সভাপতি মিয়া এম আসকির, সাধারণ সম্পাদক আমির আলী, সার্জেন্ট বিলাল ইসলাম, সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী রবি-উজ-জামান, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট মোহাম্মদ আলী, মোঃ মামুন, আফজল আলী. বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনক এর আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক কাজিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মছনুর রহমান, সদস্য হুমায়ূন কবির সোহেল, আয়োজক সংগঠনের সহ সভাপতি আজমান আলী, কোষাধ্যক্ষ গোলাম মুহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, সদস্য আক্তার হোসেন নানু প্রমুখ। সহযোগিতায় ছিলেন সহ সভাপতি মামুন আলী ও সদস্য আবুল হাছনাত সাজু প্রমুখ।
মাহফিলে মাওলানা আবুল কাশেম এয়াহইয়া বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সকল ইবাদাত-বন্দেগী থেকে সিয়ামকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছেন। এর সমমর্যাদার আর কোন আমল নেই। রোজা এমন একটি আমল যাতে লোক দেখানো ভাব থাকে না। মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্য, কিন্তু সিয়াম শুধু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, তিনিই তার প্রতিদান দেবেন। মুনাজাতে দেশ, প্রবাস ও বিশ্ব মানবতার শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী নবীগঞ্জবাসী এ ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।