Home Blog Page 640

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলো ও. ইন্ডিজ, প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে নেই দু’বারের চ্যাম্পিয়নরা

দেয়াল লিখন প্রায় স্পষ্টই ছিল। চলতি বছর একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে বিদায় নেয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ছিল দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একটাই সুযোগ ছিল। সুপার সিক্স পর্বে নিজেদের তিনটি ম্যাচই জিততে হতো নিকোলাস পুরানদের। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে গেলেন তারা। তার ফলে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হলেন জেসন হোল্ডাররা। ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে না তাদের। বাকি দু’টি ম্যাচ নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে।

১৯৭৫ সাল থেকে শুরু হওয়া একদিনের বিশ্বকাপ ও ২০০৭ সাল থেকে শুরু হওয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথমবার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

গ্রুপ পর্বে জিম্বাবোয়ে ও নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরে নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই কঠিন করে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সুপার সিক্সে যোগ্যতা অর্জন করলেও পুরানদের ঝুলিতে কোনো পয়েন্ট ছিল না। অন্য দিকে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা চার পয়েন্ট নিয়ে গিয়েছিল সুপার সিক্সে। সেখানে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জেতে দু’দল। ফলে স্কটল্যান্ডের কাছে হারলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিদায় নিশ্চিত ছিল। সেটাই হলো।

জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রথমে ব্যাট করে ৪৩.৫ ওভারে ১৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোল্ডার ছাড়া আর কেউ রান পাননি। দলের প্রথম পাঁচ ব্যাটারই ব্যর্থ। পুরান ও হোল্ডার না থাকলে আরও সমস্যায় পড়ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পুরান ২১ ও হোল্ডার ৪৫ রান করেন। রোমারিয়ো শেফার্ড করেন ৩৬ রান। জিম্বাবোয়ের হয়ে ব্রেন্ডন ম্যাকুলেন ৩, ক্রিস সোল, মার্ক ওয়াট ও ক্রিস গ্রিভস ২ ও সাফিয়ান শরিফ ১ উইকেট নেন।

জবাব রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। ওই উইকেটের ফায়দা তুলতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাথু ক্রস ও ম্যাকুলেনের মধ্যে ১২৫ রানের জুটি হয়। ওই জুটিই হারিয়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তবে তার জন্য দলের ফিল্ডাররা অনেকটাই দায়ী। এবারের যোগ্যতা অর্জন পর্বে এই ম্যাচের আগে পর্যন্ত মোট ১৩টি ক্যাচ ফেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধেও পড়েছে দু’টি ক্যাচ। তার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে।

শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট নিলেও তাতে হার বাঁচাতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সহজেই সাত উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় স্কটল্যান্ড। সেইসাথে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

ফ্রান্স জুড়ে দাঙ্গায় পুলিশের ওপর গুলি, ১৩০০ গ্রেফতার

প্যারিসের শহরতলি নানতেরে পুলিশের গুলিতে নিহত নাহেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আলজিরীয় বংশোদ্ভূত এই মুসলিম তরুণের হত্যাকাণ্ড নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক দাঙ্গা-হাঙ্গামা চলছে।

ফরাসী দৈনিক ল্য মদ লিখেছে নিহত নাহেলের স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধব ছাড়াও নানতের মহল্লার অনেক বাসিন্দা এই জানাজায় অংশ নেয়। দাফনের আগে স্থানীয় ইবনে বাদিস মসজিদেও জানাজা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

নাহেলের পরিবার এসব অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেয়নি।

জানা গেছে, স্থানীয় সময় বেলা আড়াইটায় তার দাফন হবে।

এদিকে মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া দাঙ্গা গতরাতেও (শুক্রবার) অব্যাহত ছিল।

শুক্রবার রাতে দাঙ্গা উপদ্রুত বিভিন্ন শহরে ৪৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে চার দিনে ১ হাজার ৩০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার মধ্যে গত রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে ১ হাজার ৩১১ জনকে।

উদ্বিগ্ন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ জার্মানিতে তার এক নির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন।

পুলিশের ওপর গুলি
বন্দর নগরী মার্সেইতে দাঙ্গার সময় একটি বন্দুকের দোকানও আক্রান্ত হয়েছে। ফরাসী দৈনিক ল্য প্যারিসিয়েন খবর দিয়েছে ৩০ জনের মতো তরুণ-যুবক দোকান ভেঙ্গে ঢুকে পাঁচ থেকে আটটি শিকার করার রাইফেল নিয়ে যায়।

রোন অঞ্চলে গত রাতে তিনজন পুলিশ সদস্য গুলিতে জখম হয়েছে। একটি দেয়ালের পেছনে ঘাপটি মেরে থাকা এক ব্যক্তি অতর্কিতে ওই পুলিশ সদস্যদের ওপর গুলি চালায়।

সম্প্রচার সংস্থা বিএফএমটিভি একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করেছে যিনি বলেছেন, একটি রেড-লাইন ভেঙ্গে গেছে। এমন ঘটনা এখানে আগে কখনো ঘটেনি। খুবই উদ্বেগের বিষয়।

লিও শহরে গতরাতের দাঙ্গায় পুলিশের ৩৫ জন সদস্য আহত হয়েছে। তাদের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

লিওতে একটি পুলিশ স্টেশনসহ আটটি সরকারি ভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়।

বন্দর শহর মার্সেইতে শনিবার রাতের সহিংসতা অব্যাহত থাকতে পারে এই আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ সন্ধ্যা সাতটা থেকে সমস্ত গণ-পরিবহন বন্ধ করে দেয়ার কথা ঘোষণা করেছে। সমস্ত বড় অনুষ্ঠানও বাতিল করেছে। আজ মার্সেইতে সমকামী অধিকার নিয়ে একটি শোভাযাত্রা হওয়ার কথা ছিল।

লিল শহরের রুবাইক্স শহরতলী থেকে বিবিসির একজন সংবাদদাতা জানাচ্ছেন সেখানে বিভিন্ন অফিস ভবনে ব্যাপক ভাংচুর, অগ্নিকাণ্ড বং লুঠপাট হয়েছে।

তিনি জানান, গত রাতে বিক্ষুব্ধ লোকজন বিশাল একটি অফিস ভবনে- যেখানে কমপক্ষে ৫০০ লোক কাজ করতো- ঢুকে আগুন দেয়। আগুনে ভবনটির একাংশ পুরোপুরি পুড়ে কালো হয়ে গেছে। পরদিন সকালেও সেখান থেকে পোড়া গন্ধ বেরুচ্ছিল। ভবনের সমস্ত অফিসের সবকিছু পুড়ে গেছে।
সূত্র : বিবিসি

আমরা এক দফাতেই আন্দোলন শুরু করব : মির্জা ফখরুল

‘আমরা এক দফাতেই আন্দোলন শুরু করবো’- এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলন কখনো কোনো ছকে ফেলানো যায় না। যেকোনো আন্দোলন তার নিজস্ব গতিতে চলে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, এই ঘরেই বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের মধ্যে দিয়ে দেশটাকে একটা অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেয়া হলো। সে কথার প্রতিফলন আমরা ১৪ ও ১৮ নির্বাচনে দেখেছি।

তিনি বলেন, আমরা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছি। এতে আমাদের আন্দোলনের জনগণ সম্পৃক্ত হয়ে রাস্তায় নেমেছে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ জানাতে আমাদের ১৭ জন নেতা কর্মী নিহত হয়েছেন। ৩৫ লক্ষাধিক নেতাকর্মী আসামি, শত শত নেতাকর্মী গুম, খুন হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন শক্তি তরুণরা। যেকোনো সমস্যা সমাধানের আন্দোলনে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি। আগামীতে আমরা যতগুলো দফা আছে সবগুলো একত্রে করে এক দফা দাবিতে রাস্তায় নামবো। আমরা এক দফাতেই আন্দোলন শুরু করবো।’

এই এক দফার মধ্যে দিয়ে বর্তমান অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হবে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমি আশা করি জনগণ আন্দোলন সম্পৃক্ত হচ্ছে, দিন দিন আর সম্পৃক্ত হতে পারবে আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই এই অবৈধ সরকার নতি স্বীকার করে একটি নির্দলীয় নিরপক্ষে সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে।’

দেশ ও জাতির জন্য যেন ইবরাহিম আ:-এর মতো সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে পারি : জিএম কাদের

দেশ ও জাতির জন্য যেন হজরত ইবরাহিম আ:-এর মতো সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে পারি আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করেছেন উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় উপনেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাটা সঠিক হোক, যাতে মানুষ তাদের নেতৃত্ব সঠিকভাবে নির্বাচিত করতে পারে। কারণ সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন না হলে সেটি সম্ভব নয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সকাল পৌনে ৯ টায় রংপুর জেলা মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় শেষে তিনি সংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসিরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

জিএম কাদের দেশবাসিসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি, হযরত ইব্রাহিম আঃ এর যে আদর্শ। আল্লাহর খেদমত তথা আল্লাহর সন্তুস্টি লাভের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করার যে প্রস্তুতি, দেশ জাতির প্রয়োজনে সেই যেন ত্যাগ স্বীকার করতে পারি, আল্লাহ যেন সেই তৌফিক আমাকে দান করেন।

জিএম কাদের বলেন, আমরা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। দেশটা এভাবে একটা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থাটা সঠিক হোক। যাতে দেশের মানুষ সঠিকভাবে তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারে। জনগনের কাছে যাতে তাদের জবাবদিহীতা থাকে। যাতে নির্বাচিত কোন সরকার যদি জনগনের আশা আকাংখা পুরণ করতে না পারে, তাহলে যেন নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্ব আবার পরিবর্তন করতে পারে। আমরা মনে করি এটা অগ্রসরমান। এটা সফল হবে। এটা জনগন চাচ্ছে। আমরা মনে করি জনগণের দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন।

পরে তিনি পল্লী নিবাসে প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর কবর এবং মুন্সিপাড়া কবরস্থানে বাবা মায়ের কবর জিয়ারত শেষে পৈত্রিক নিবাস স্কাইমুনে যান। সেখানে নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনু‌ষ্ঠিত

ঢাকা দক্ষিণ সিটিকরপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট-সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাঁহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটিকর্পোরেশন (ডিএসসিসি) জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের আয়োজন করে।
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, ঢাকা উত্তর সিটিকরপোরেশনের মেয়র মো.আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটিকরপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন তেজগাঁও রেলওয়ে জামে মসজিদের খতিব ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্পাদক ড. মাওলানা মুশতাক আহমেদ। বিকল্প ইমাম হিসেবে ছিলেন মিরপুর জামেয়া আরাবিয়া মসজিদের মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান।এই ঈদ জামাতে মোকাব্বির হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের ক্বারী মো. এমদাদুল ইসলাম এবং বিকল্প হিসেবে ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী মো. ইসহাক।

ঈদের নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও দেশের মানুষের সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমেও মুসল্লিদের কম উপস্থিত লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র : বাসস

আজ পবিত্র ঈদুল আজহা

আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। যা কোরবানির ঈদ নামে পরিচিত। মুসলমানদের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন সামর্থ্যবান মুসলমানরা। মুসলমানদের জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আ:-এর ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত এ ঈদ। মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রয়োজনে নিজের প্রিয় বস্তুকে কোরবানি দেয়ার প্রস্তুতির শিক্ষাই এ ঈদের আদর্শ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দ্বিধাহীনভাবে তার কাছে আত্মসমর্পণ এবং তার নির্দেশ শর্তহীনভাবে মেনে নেয়াই হলো ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষা। আল্লাহর রাহে পশু কোরবানি করে সেই ত্যাগের কথাকেই স্মরণ করা হয়।

ঈদুল আজহার সাথে পবিত্র হজের সম্পর্ক রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পবিত্র মক্কা নগরীর অদূরে আরাফাতের ময়দানে সমবেত হওয়ার মধ্য দিয়ে পবিত্র হজ পালিত হয়েছে। প্রায় ২৫ লাখ মুসলমানের অংশগ্রহণে এবারের হজ পালিত হয়। গতকাল বুধবার সৌদি আরবে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। সকালে মুজদালিফা থেকে ফিরে হাজীরা মিনায় অবস্থান করে পশু কোরবানিসহ হজের অন্যান্য কার্যাদি সম্পাদন করবেন।

মুসলিম প্রধান বাংলাদেশে ঈদুল আজহা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। রাজধানীসহ সারা দেশের পশুর হাটগুলোতে গত কয়েক দিন ধরে চলছে কেনা-বেচা। স্বজনদের নিয়ে ঈদ উদযাপনের জন্য ইতোমধ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। গত কয়েক দিন ধরেই সারা দেশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঈদের দিনও রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগে বৃষ্টি বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে এখন বৃষ্টি থাকলেও ঈদের দিন তা কিছুটা কম হতে পারে।

ঈদুল আজহা হজরত ইবরাহিম আ: ও তার পুত্র হজরত ইসমাঈল আ:-এর সাথে সম্পর্কিত। হজরত ইবরাহিম আ: স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে পুত্র ইসমাইলকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে কোরবানি করতে গিয়েছিলেন। আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে এ আদেশ ছিল হজরত ইবরাহিম আ:-এর জন্য পরীক্ষা। তিনি পুত্রকে আল্লাহর নির্দেশে জবাই করার সব প্রস্তুতি নিয়ে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। আল্লাহর নির্দেশে ইসমাঈলের পরিবর্তে কোরবানি হয় দুম্বা। সেই ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণে হজরত ইবরাহিম আ:-এর সুন্নত হিসেবে পশু জবাইয়ের মধ্য দিয়ে কোরবানির বিধান এসেছে ইসলামী শরিয়তে। সামর্থ্যবানদের জন্য পশু কোরবানি করা ওয়াজিব। আল্লাহর উদ্দেশ্যে কোরবানি করার পর আনন্দ থেকেই উদযাপিত হয় ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ। এ ছাড়াও ১১ ও ১২ তারিখ কোরবানি করা যায়। ইসলামে কোরবানি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

পবিত্র কুরআনের সূরা কাউসারে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে- ‘অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি করুন।’

সূরা হজে বলা হয়েছে, ‘কোরবানি করা পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা।’ কোরবানির মূল উদ্দেশ্যই তাকওয়া বা খোদাভীতি। এ প্রসঙ্গে কুরআনে বলা হয়েছে- ‘কোরবানির পশুর রক্ত, গোশত কোনো কিছুই আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, পৌঁছায় কেবল তোমাদের তাকওয়া বা আল্লাহভীতি’ (সুরা হজ, আয়াত-৩৭)।

রাসূল সা: বলেছেন, ‘ঈদুল আজহার দিন কোরবানির চেয়ে আর কোনো কাজ আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয় নয়।’ অন্যত্র বলেছেন- ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকার পরও কোরবানি দিলো না সে যেন আমার ঈদগাহে না যায়।’

বিভিন্ন বর্ণনা থেকে জানা যায়, পৃথিবীতে মানবজাতির সূচনা থেকেই কোরবানির প্রচলন। হজরত আদম আ:-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিল সর্বপ্রথম কোরবানি দিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে কুরআনে এসেছে- ‘আপনি তাদের আদমের দুই পুত্রের বাস্তব অবস্থা পাঠ করে শোনান। যখন তারা উভয়ে কিছু কোরবানি করেছিল। তখন তাদের একজনের কোরবানি গৃহীত হয়েছিল এবং অপরজনেরটি গৃহীত হয়নি’ (সুরা মায়েদা-২৭)।

আল্লাহর সন্তুষ্টিই কোরবানির মূল উদ্দেশ্য। তার পথে প্রয়োজনে জীবন ও সবচেয়ে প্রিয় বস্তু উৎসর্গের জন্য তৈরি হওয়ার শিক্ষাই এতে নিহিত। এ জন্যই কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় বলা হয়- ‘ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহ্ইয়াইয়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।’ অর্থাৎ নিশ্চয় আমার নামাজ, আমার কোরবানি আমার জীবন, আমার মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য, যিনি নিখিল বিশ্বের প্রতিপালক।’

গরু, মহিষ, উট, ভেড়া, ছাগল, দুম্বা থেকে যেকোনো একটি প্রাণী দিয়ে কোরবানি করা যায়। কোরবানির পশুর গোশত তিন ভাগ করে একভাগ আত্মীয়স্বজনকে, আরেক ভাগ গরিবদের মধ্যে বণ্টন এবং বাকি এক ভাগ নিজেরা খাওয়া সুন্নত। ঈদুল আজহার দুই রাকাত নামাজ জামাতে আদায় করা ওয়াজিব।

হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে এবার ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

সারা দেশের বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ এবং সরকারি সংস্থাগুলোর প্রধানগণ জাতীয় কর্মসূচির আলোকে নিজ নিজ কর্মসূচি প্রণয়ন করে ঈদ উদযাপন করবেন।

এ ছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও গণমাধ্যমগুলো যথাযোগ্য গুরুত্বসহকারে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার ও সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করছে। ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কোরবানিকৃত পশুর রক্ত বা বর্জ্য পদার্থের কারণে যাতে পরিবেশ দুর্গন্ধময় না হয় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। মুসলমানদের ধর্মীয় এ উৎসব উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

গুরুতর অসুস্থ ম্যাডোনা, বাতিল ওয়ার্ল্ড ট্যুর

গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা ম্যাডোনা। খবর, জীবাণু সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। গত শনিবার হঠাৎ করেই সংজ্ঞা হারান পপ কুইন। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পাওয়া যাওয়ার পরেই তড়িঘড়ি তাকে ভর্তি করা হয় নিউ ইয়র্ক সিটি হাসপাতালে। অবস্থা এতটাই গুরুতর হয়ে গিয়েছিল যে, তাকে আইসিইউতেও স্থানান্তর করতে হয়। সম্প্রতি ম্যাডোনার ম্যানেজার গাই ওজারি সমাজমাধ্যমের পাতায় জানিয়েছেন পপ তারকার স্বাস্থ্যের এই খবর। তিনি আরো জানান, অসুস্থতার জন্য নিজের অনুষ্ঠানও বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন পপ তারকা।

সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করে ম্যাডোনার ম্যানেজার জানান, গত ২৪ জুন শনিবার পপ তারকার গুরুতর এক জীবাণু সংক্রমণ হয়। নিউ ইয়র্কের হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসা চলার পর আপাতত স্থিতিশীল আছেন গায়িকা। চিকিৎসার সাড়াও দিচ্ছেন। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে এখনো বেশ খানিকটা সময় লাগবে ষাটোর্ধ্ব পপ তারকার। শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই আগামী ট্যুরও বাতিল করা হয়েছে ম্যাডোনার টিমের তরফে। তবে গায়িকা সুস্থ হয়ে উঠলেই ট্যুরের নতুন তারিখ ও টিকিট সংক্রান্ত তথ্য জানানোর আশ্বাসও দিয়েছেন গাই ওজারি।

আগামী জুলাই মাস থেকে ‘ওয়ার্ল্ড ট্যুর’-এ যাওয়ার কথা ম্যাডোনার। আমেরিকা, ব্রিটেনের একাধিক শহর হয়ে আমস্টারডামে শেষ হওয়ার কথা ‘সেলিব্রেশন ট্যুর’-এর। ট্যুরের প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছিলেন পপ তারকা। একাধিক ছবিও সমাজমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেছিলেন তিনি। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত মঞ্চে ফেরা হবে না গায়িকার। আপাতত হাসপাতালই ঠিকানা তার। চিকিৎসকরা ছাড়াও পপ তারকার দেখাশোনা করার জন্য তার সঙ্গে রয়েছেন তার ম্যানেজার ও তার মেয়ে লর্ডস লিওন।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

বিশ্বকাপে পাকিস্তান খেলবে না!

বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণার পরেই আপত্তি জানিয়েছে পাকিস্তান। তিনটি ম্যাচের কেন্দ্র নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিচালনা সংস্থা আইসিসির কাছে তারা যে আবেদন করেছিল তা মানেনি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। তাই বিশ্বকাপ খেলতে পাকিস্তান আসবে কি না তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। বল পাকিস্তান সরকারের কোর্টে। তারা অনুমতি না দিলে ভারতে আসবেন না বাবর আজমরা। যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপে না খেলে তা হলে কী সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি?


একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান খেলতে না এলে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে আরো একটি দল মূল পর্বে খেলবে। এমনিতেই যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে প্রথম দুই দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে। পাকিস্তান না খেললে পয়েন্ট তালিকায় থাকা তৃতীয় দলও বিশ্বকাপে খেলবে। সে ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সূচিই নতুন দলের সূচি হিসেবে ধরা হবে। অর্থাৎ, পাকিস্তানের যে দিন যার বিরুদ্ধে খেলার কথা, সে দিন তার বিরুদ্ধে খেলবে সেই নতুন দল।

এখন জিম্বাবোয়েতে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্ব চলছে। সেখানে সুপার সিক্স পর্বে যে ছ’টি দল উঠেছে তারা হলো : শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে, নেদারল্যান্ডস, স্কটল্যান্ড এবং ওমান। এখন যা অবস্থা, তাতে বিশ্বকাপের মূল পর্বে যাওয়ার সুযোগ সব থেকে বেশি জিম্বাবোয়ে ও শ্রীলঙ্কার। কারণ, তাদের কাছে চার পয়েন্ট করে আছে। অন্য দিকে দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট শূন্য। ফলে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সম্ভাবনা তাদের প্রায় নেই বললেই চলে। তবে পাকিস্তান না খেললে একটা সুযোগ আসতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে।

বিশ্বকাপের খসড়া সূচিতে ছিল, ভারতের বিরুদ্ধে আমদাবাদে, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ে খেলতে হবে পাকিস্তানকে। তাতে রাজি ছিলেন না বাবররা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড দাবি করেছিল, নিরাপত্তার কারণে আহমদাবাদে খেলবে না তারা। চেন্নাইয়ের ঘূর্ণি উইকেটে আফগানিস্তান ও বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতেও আপত্তি জানায় তারা। চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর ম্যাচ অদল-বদল করার দাবি জানায় তারা। আহমদাবাদের ম্যাচ পারলে কলকাতায় স্থানান্তরিত করার প্রস্তাবও দেয় পাকিস্তান। কিন্তু সেই দাবি মানা হয়নি।

যদিও পাকিস্তানের আরো একটি অনুরোধ মেনে নিয়েছে আইসিসি। প্রস্তুতি ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে চায়নি পাকিস্তান। তাদের দাবি ছিল, এর আগে এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খেলেছে তারা। তাই এশিয়ার বাইরের কোো দেশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ দেওয়া হোক তাদের। আইসিসির কাছে অনুরোধ করেছিল পাক বোর্ড। সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছে আইসিসি। ২৯ সেপ্টেম্বর নিউ জিল্যান্ড ও ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা বাবরদের। দু’টি ম্যাচই হবে হায়দরাবাদে।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

এবার দিল্লি থেকে মোছা হলো আওরঙ্গজেব লেনের নাম

ফের রাস্তার নাম বদল দিল্লিতে। আবার উঠল নরেন্দ্র মোদির জমানায় মোগল ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ। দিল্লির আওরঙ্গজেব রোডের নাম পাল্টে ড. এ পি জে আব্দুল কালাম রোড করা হয়েছিল ২০১৫ সালের অগস্টে। আপত্তিও উঠেছিল তা নিয়ে। তবু লাটিয়েন্স দিল্লিতে ওই আব্দুল কালাম রোড এবং পৃথ্বীরাজ রোডের সংযোগকারী রাস্তাটির নাম এত দিন আওরঙ্গজেব লেন ছিল। এবার তার নামও পাল্টে ড. এ পি জে আব্দুল কালাম লেন করা হলো। বুধবার নয়াদিল্লি পুর পরিষদ (এনডিএমসি)-এর এক বৈঠকে এই নাম বদল সংক্রান্ত প্রস্তাবটিতে সিলমোহর দেয়া হয়েছে বলে সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান সতীশ উপাধ্যায় জানিয়েছেন।

এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ওয়েলফেয়ার পার্টি অব ইন্ডিয়ার সভাপতি এস কিউ আর ইলিয়াস বলছেন, ‘তাদের কাছে ঐতিহাসিক চরিত্র বা মোগল সম্রাটদের নামের লম্বা তালিকা আছে, যে নামগুলো তারা মুছে ফেলতে চান।’

ইতিহাসবিদদের একাংশও অসন্তুষ্ট। ইতিহাসবিদ নারায়ণী গুপ্তের মন্তব্য, ‘নয়াদিল্লিতে নতুন রাজধানী তৈরির সময়ে ঔরঙ্গজেব রোডের মতো একগুচ্ছ নাম দিয়েছিল ব্রিটিশ শাসক। সেন্ট স্টিফেন’স কলেজে পার্সিভাল স্পিয়ার তখন ইতিহাস পড়াতেন। তিনি এমন নাম বাতলে দিয়েছিলেন। কাজেই নামকরণেরও ইতিহাস আছে। নিছক একটা নাম-লেখা পোস্টের বদলে কালামের উদ্দেশে সত্যিকারের শ্রদ্ধার্ঘ্য হতে পারত ছোটদের জন্য তৈরি করা একটা বিজ্ঞান প্রদর্শশালা।’
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

পাখিদের মেলা

সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী

পাখি ডাকে সুরে সুরে

গান গায় পাখি

ঘুম ভাঙ্গে পাখি ডাকে

খুলে খুকু আঁখি।

পাখিদের ডাকডাকি

খুকু ওঠে সুখে

মন খুলে হাসে রাঙা

হাসি মিষ্টি মুখে।

ওড়ে পাখি নীলাকাশে

দূর থেকে দূরে

মিলে কী যে থাকে পাখি

সুখে কতো ঘুরে।

পাখিদের ছড়াছড়ি

সবুজের গাঁয়

পাখি মেলা দেখে মন

রঙে জুড়ে যায়।

পরিবেশ ভালো আহা

দূর হয় কালো

পাখিদের মেলা ওই

চারদিকে আলো।