Home Blog Page 662

আবারো বিজেপির আক্রমণের শিকার অমর্ত্য সেন

ঢাকা ডেস্ক, ১৭ জানুয়ারি : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ারও যোগ্যতা রাখেন, ভারতের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন একটি সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করার পর দেশে ক্ষমতাসীন বিজেপির সাথে তার সঙ্ঘাত তুঙ্গে পৌঁছেছে।
নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রবল সমালোচক বলে পরিচিত অমর্ত্য সেন সম্প্রতি একের পর এক সাক্ষাৎকারে ও অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যেই বিজেপির মতাদর্শকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন।
সবশেষ গেল সপ্তাহে বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, আগামী বছর দেশের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি অনায়াসে জিতবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। তার সূত্র ধরেই তিনি মমতা ব্যানার্জির প্রধানমন্ত্রিত্বের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।
এর পরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ওনার মতো এত অভিজ্ঞ ও একজন বিদ্বান ব্যক্তির এই মন্তব্য আমার কাছে আদেশ!
তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রবীণ অর্থনীতিবিদের বক্তব্যে উচ্ছ¡সিত প্রতিক্রিয়া জানানো হলেও বিজেপি অবশ্য যথারীতি অমর্ত্য সেনকে কটাক্ষ করেছে তীব্র ভাষায়।
একজন অর্থনীতিবিদ হয়েও কেন তিনি দেশের রাজনীতি নিয়ে নাক গলাচ্ছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা এখন আবার সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।
অমর্ত্য সেন বেঁচে থাকতে ভারত থেকে বিজেপির বিদায় দেখে যেতে পারবেন না, এমন কথাও সরাসরি বলছেন তারা। দিল্লিতে বিজেপির ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা পর্যন্ত ব্যঙ্গ করে বলছেন, অমর্ত্য সেন যা খুশি বলতে পারেন কিন্তু ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো চাকরি খালি নেই!’
বছরদুয়েক আগে শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের পৈতৃক বাসভবনের জমি যখন জবরদখল করা বলে অভিযোগ উঠেছিল, তখন ‘বোন ও বন্ধু’ হিসেবে মমতা ব্যানার্জি যে তাকে সমর্থনসূচক চিঠি লিখেছিলেন, সে কথাও তারা মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
সব মিলিয়ে মমতা ব্যানার্জিকে দেয়া অমর্ত্য সেনের ‘প্রশংসাপত্র’কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের বিরোধ আবার দৃষ্টিকটুভাবে সামনে চলে এসেছে।
ঠিক কী বলেছেন অমর্ত্য সেন?
গত ১৯ ডিসেম্বর ফরাসি পত্রিকা লে মঁদকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ভারতে এখন যেটা চলছে সেটাকে বলা যেতে পারে সা¤প্রদায়িকতাপূর্ণ একটি শাসনব্যবস্থার সংকীর্ণতম রূপ।
যেভাবে ভারতে মুসলিমরা আক্রান্ত হচ্ছেন এবং যেভাবে একটি হিন্দু রাষ্ট্রের ভাবনা প্রচার করা হচ্ছে তার তীব্র নিন্দা ব্যক্ত করেন তিনি।
এরপর এ বছরের ৯ জানুয়ারি কলকাতায় নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘প্রতীচী ট্রাস্টে’র একটি অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি বিজেপির নাম না নিয়েও মন্তব্য করেন, ভারতে এই মুহূর্তে যে অসহিষ্ণুতার পরিবেশ চলছে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। মানুষকে এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।
গত সপ্তাহেই সুপরিচিত সাংবাদিক করণ থাপারকে দেয়া আর একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্যতম সরকারগুলোর মধ্যে একটি হলো ভারতের মোদি সরকার।
পার্লামেন্টের কোনো কক্ষেই যে ভারতের শাসক দলের একজনও মুসলিম সদস্য নেই, সে বিষয়টিকেও ‘বর্বরোচিত’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেন তিনি।
কিন্তু চলতি সপ্তাহে বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে দেয়া তার সাক্ষাৎকারটি ঘিরেই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে, কারণ সেখানে তিনি দেশের বর্তমান রাজনীতি নিয়ে নিজস্ব কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।
ওই সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন-
মমতা ব্যানার্জির অবশ্যই দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা আছে, তবে এই পদে যেতে হলে তাকে দেশের বিজেপি-বিরোধী শক্তিগুলোকে একজোট করে দেখাতে হবে।
বিজেপির বিরুদ্ধে দেশের মানুষের হতাশাকে ব্যানার্জি কতটা কাজে লাগাতে পারবেন, তা অবশ্য এখনো দেখার বিষয়। এটা এখনো সন্দেহাতীতভাবে প্রতিষ্ঠিত বা প্রমাণিত নয়।
বিজেপি ২০২৪ -এর নির্বাচনে একাই দৌড়াবে, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আগামী বছরের নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোও খুব প্রাসঙ্গিক ভূমিকা পালন করবে।
এই পটভূমিতেই লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। একই রকমভাবে নজর থাকবে সমাজবাদী পার্টি বা ডিএমকের মতো দলগুলোর ওপরেও।
বিজেপির প্রতিক্রিয়ায় শ্লেষ
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনো সরাসরি নাম করে অমর্ত্য সেনের সমালোচনা না করলেও তার সরকার যে বর্ষীয়ান ও বরেণ্য এই অর্থনীতিবিদকে কী চোখে দেখে তা অবশ্য নানা ঘটনাতেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদিও ২০১৭তে একটি জনসভায় বলেছিলেন, ‘হার্ভার্ডের চেয়ে হার্ড ওয়ার্ক (কঠোর পরিশ্রম) যে অনেক বেশি শক্তিশালী, সেটা বারে বারে প্রমাণ হয়েছে’। উল্লেখ্য, অমর্ত্য সেন তখনও হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিরই অধ্যাপক ছিলেন।
বিহারে ‘পুনরুজ্জীবিত’ নালন্দা ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলার হিসেবে অমর্ত্য সেনের ভূমিকা নিয়েও বিজেপি নানা প্রশ্ন তুলেছে, যদিও সেই সব কথিত দুর্নীতির অভিযোগ এখন অবধি প্রমাণিত হয়নি।
জাতীয় স্তরে দলের সহ-সভাপতি ও এমপি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, মোদিজিকে সরিয়ে অন্য কাউকে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসাবেন, এটা অমর্ত্য সেনদের অনেক পুরাতন স্বপ্ন। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে যাবে, এটা দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি।
আগামী লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের সবগুলো পেলেও যে মমতা ব্যানার্জির পক্ষে প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব নয়, সে কথাও তিনি মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য আরো কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন, অমর্ত্য সেনের দীর্ঘায়ু কামনা করি, কিন্তু তিনি যে নিজের জীবদ্দশায় বিজেপি-মুক্ত ভারত দেখে যেতে পারবেন না তাতে কোনো সংশয় নেই।
২০২৪-র নির্বাচনে অমর্ত্য সেনের বাসভবন ‘প্রতীচী’র দরজাতেও ‘পদ্মফুল’ (বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক) ফুটবে বলে তিনি কটাক্ষ করেন। আরো এক ধাপ এগিয়ে বিজেপির সিনিয়র নেতা ও কেন্দ্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গণতন্ত্রে যে কেউ যা খুশি বলতে পারেন, দিবাস্বপ্নও দেখতে পারেন। অমর্ত্য সেনেরও মতামত দেয়ার পূর্ণ অধিকার আছে, তা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু ওনাকে মনে করিয়ে দেব, এই দেশে প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো ভ্যাকেন্সি নেই। গত দু’দফায় দেশের মানুষ মোদিজিকে বিপুল ভোটে জিতিয়েছে, সামনের বছর আবার জেতাবে!
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরের বছর তাকে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব ‘ভারতরতেœ’ ভূষিত করেছিল অটলবিহারী বাজপায়ীর বিজেপি সরকার।

অবশেষে ডিভোর্স সম্পূর্ণ নচিকেতার ।

ঢাকা ডেস্কঃ জীবনমুখী ও বাস্তবধর্মী গানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী দুই বাংলার মানুষরে কাছে বেশ জনপ্রিয়। জনপ্রিয় এই শিল্পী রহস্যময় এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে ডিভোর্সের কথা বলা হয়েছে।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নচিকেতা লেখেন, যাঃ! অবশেষে ডিভোর্সটা হয়েই গেল।
তবে কার ডিভোর্স হয়েছে তা উল্লেখ করেননি তিনি। কারো কারো ধারণা নতুন কোনো গান আসছে তার। যার শিরোনাম হতে পারে, ‘যাঃ! অবশেষে ডিভোর্সটা হয়েই গেল।’
৫৭ বছর বয়সী জনপ্রিয় এই শিল্পীর বাড়ি কলকাতায়। সেখানেই তার জন্ম। তবে নচিকেতার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর গ্রামে।
তবে তার এই স্ট্যাটাসে কমেন্ট করেছেন অনেকে। বেশিরভাগই জানতে চেয়েছেন এই পোস্টের রহস্য।

ফোর্বসের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি, ১২ জানুয়ারি : বলিউড বাদশাহ বলা হয় শাহরুখ খানকে। এদিকে যেমন তিনি বলিউডের শীর্ষ তারকা, অন্যদিকে তিন ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ীও। কারণ বলিউডের দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে যশ-খ্যাতি যেমন পেয়েছেন, তেমনি আয় করেছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। এবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় উঠে এসেছে এই তারকার নাম। ওয়ার্ল্ড অব স্ট্যাটিস্টিক্স এই তালিকা প্রকাশ করেছে।
এ তালিকার সবার উপরে রয়েছেন মার্কিন স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান জেরি সিনফিল্ডের নাম। তার মোট অর্থের পরিমাণ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মার্কিন অভিনেতা-পরিচালক টেইলর পেরি। তার অর্থের পরিমাণও ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ‘দ্য রক’খ্যাত মার্কিন অভিনেতা ডোয়াইন জনসন। যার সম্পদের পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এ তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন ভারতের বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান। তার সম্পদের পরিমাণ ৭৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন মার্কিন অভিনেতা টম ক্রুজ। যার সম্পদ ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ৬ষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম স্থানে যথাক্রমে রয়েছেন চাইনিজ অভিনেতা জ্যাকি চ্যান (৫২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), মার্কিন অভিনেতা-পরিচালক জর্জ ক্লুনি (৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), মার্কিন অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো (৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
শাহরুখ খান নামি ১৪টি পণ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছে, আইসিআইসি, লাক্স, হুন্দাই প্রভৃতি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তাকে পারিশ্রমিক হিসেবে ৫.৫-১০ কোটি রুপি প্রদান করে থাকে। তা ছাড়া এ অভিনেতার রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ম্যাগাজিন ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, শাহরুখ খানের গড়ে বার্ষিক আয় প্রায় ৩১৩ কোটি রুপি। ফোর্বসের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় তিনবার জায়গা পেয়েছেন তিনি

তুমি আমি

লুৎফুর রহমান চৌধুরী

তুমি ফুল আমি ফল
তাই তো পাখিগুলো
করে কোলাহল।

তুমি মাটি আমি চারা
তাই তো বৃষ্টির পানি
হয় দিশেহারা।

তুমি নদী আমি ঢেউ
তাই তো মুক্তা খুঁজে 
কেউ না কেউ।

তুমি চন্দ্র আমি তারা
তাই তো রৌদ্র তাপে
অশান্ত পাড়া।

তুমি ছবি আমি তুলি
তাই তো ডালে ডালে
ডাকে বুলবুলি।

তুমি পাতা আমি লতা
তাই তো সবুজ মিলে
বলে কিছু কথা।

তুমি মেঘ আমি বৃষ্টি
তাই তো দু’জন মিলে
কবিতা করি সৃষ্টি।

শাহবাগে পুলিশি বাধায় স্থগিত হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-ঐক্য পরিষদের রোডমার্চ

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি : ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ইতশেহারে দেওয়া প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাত দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অভিমুখে রোডমার্চ পুলিশি বাঁধায় পন্ড হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার সাত দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অভিমুখে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য রোডমার্চ শুরু করে ঢাকার রমনা কালী মন্দির থেকে যাত্রা শুরু করে টিএসসি হয়ে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত পুলিশ রোড মার্চকে সামনে এগুলোতে দেয়নি।
এসময় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা শেষে পরিষদের অন্যতম সভাপতি নিম চন্দ্র ভৌমিকের নেতৃত্ব সাত সদস্যের একটি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিকাল ৩টা ৫০মিনিটে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে অভিমুখে রওনা দেন। প্রতিনিধি দলের অন্যরা হলেন-রানা দাশ গুপ্ত,কাজল দেবনাথ,উষাতন তালুকদার,জয়ন্ত কুমার দেব,বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক,সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্র নাথ পোদ্দার।
রোডমার্চে ‘ধর্ম যার যার,রাষ্ট্র সবার,পদ্মা-মেঘনা-যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা, আজকের সমাবেশ, সফল হোক! সফল হোক!, ঐক্য পরিষদের সমাবেশ, সফল হোক! সফল হোক!, সংখ্যালঘু কমিশন গঠন কর! করতে হবে!- আমাদের দাবি,আমাদের দাবি, মানতো হবে,মানতে হবে!- বলে শ্লোগান দিতে থাকে।
এর আগে বেলা ১২টায় সংগঠনের অন্যতম সভাপতি উষাতন তালুকদারের সভাপতিত্বে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের দাবিতে রমনা কালিমন্দিরের সামনে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে তাদের পেশকৃত সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ২৪ ফেব্রæয়ারি মশাল মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা দেন নেতারা। এর পরেও দাবি আদায় না হলে আমরণ অনশন কর্মসূচিরও ঘোষণা দেওয়ার হুমকি দেন নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমরা গনিমতের মাল হিসেবে থাকতে চাইনা। রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে সেই ব্যবহার আর আমরা করতে দেবো না। গণতন্ত্রের স্বার্থে আপনারা আমাদের থেকে কী নেবেন আর কী দেবেন এই সমঝোতা আজকে প্রয়োজন। আজকে এই সমাবেশে আমরা যে দাবি নিয়ে আমরা উপস্থিত হয়েছি, এই দাবি করেছিলাম ২০১৮ সালে। সরকারি দল এই দাবি মেনে নিয়ে তাদের ইশতেহারে তারা অঙ্গিকার করেছিলেন নির্বাচনে তারা জয়যুক্ত হলে তা বাস্তবায়ন করবেন। আমরা আশা করেছিলাম, আমরা আশা করেছিলাম, কিন্তু আর মাত্র ১বছর বাকি। এখনো তার কিছুই হয়নাই। বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনীতির প্রতি আমরা আস্থা রাখতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আপনি আমাদের শেষ ভরসাস্থল। আপনার ওপর আমরা আশা ও আস্থা রাখতে চাই। আমরা চাই এতে বিন্দুমাত্র ঘাটতি হোক। আমাদের দাবিগুলো যদি বিবেচিত না হয়, আমাদের দিকে যদি ফিরে তাকাতে কুণ্ঠাবোধ করেন, তাহলে আমরাও আপনাদের প্রতি কতটুকু ফিরে তাকাবো সেই বিষয়েও চিন্তাভাবনা করতে হবে।
এসময় তিনি রোডম্যাপের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি দলের নির্বাচনি প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৪ ফেব্রæয়ারি দেশের বিভাগীয় শহর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মশাল মিছিলের কর্মসূচির ঘোষণা করছি। আজকের রোডম্যাপ, স্মারকলিপি প্রদান ও পরবর্তী সময়ে মশাল মিছিলের কর্মসূচি দিয়েও যদি দাবি বাস্তবায়ন না হয় তবে আমরণ অনশন কর্মসূচি দিতে আমরা প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের অন্যতম সভাপতি উষাতন তালুকদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে এই সমাবেশে থেকে সংখ্যালঘুদের পক্ষ থেকে জানাতে চাই। আজকে এই কনকনে শীতের মধ্যে এসকল মানুষ আনন্দ করতে আসেনি। তারা এসেছে তাদের অধিকার আদায়ে, ন্যায্য দাবি লড়াইয়ে। প্রধানমন্ত্রী আমরা জানি আপনার সীমাবদ্ধতা রয়েছে, অনেক মহল রয়েছে। আপনি কথা দিলে কথা রাখেন, কিন্তু গত চার বছরে তো কোনো ওয়াদা রাখলেন না। আমরা আশা করছি আপনি অবিলম্বে আমাদের দাবি মেনে নিবেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা বার বার এই সাত দফা দাবি পেশ করে আসছি। কিন্তু কোনো অজানা কারণে আমাদের এই দাবির বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই। আমরা বার বার সা¤প্রদায়িক হামলার শিকার হচ্ছি,আমরা এই নির্যাতন থেকে রেহাই চাই। আমাদের এই দাবি বাস্তবায়ন অবিলম্বে না করা হলে আমরা আরো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো। আমরা আগামী নির্বাচন বয়কট করবো যদি আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না করা হয়। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মতুয়া সাধু-সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাগর সাধু ঠাকুর, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি উষাতন তালুক, ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকসহ আরো অনেকে।
প্রসঙ্গত, তাদের সাত দফা দাবি হলো- জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, সমতলে অধিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন,পার্বত্য শান্তি চুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশনের যথাযথ কার্যকরীকরণ, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন।

বিছানা বালিশে রক্ত : পরীমণির সংবাদ সম্মেলন

রাজকে জীবন থেকে ‘ছুটি’ দেয়ার পর আবার আলোচনায় এসেছেন পরীমণি। সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে ২০২২ সালের শেষ দিনে নিজের জীবন থেকে অভিনেতা শরিফুল রাজকে ‘ছুটি’ দেন তিনি।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে পরী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘হ্যাপি থার্টি ফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নাই।’

এদিকে শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে নতুন স্টোরি শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা গেছে তার বিছানা ও বালিশে রক্তের ছাপ। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু লেখেননি।

ফেসবুকে দেয়া ওই ছবির সাথে কেবল লিখেছেন ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার। প্রেস কনফারেন্স টুমরো (আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন)’।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে তারা বিয়ে করেছিলেন। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা। একই দিন সন্তানধারণের বার্তাটিও দেন এ দম্পতি। এরপর ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সারেন। গত ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলো করে এসেছে ছেলে সন্তান-শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

রাজকে জীবন থেকে ‘ছুটি’ দিয়ে দিলেন পরীমণি

বছরজুড়ে আলোচনার শীর্ষে ছিলেন পরীমণি। বছরের শেষ দিনে দিলেন নতুন বার্তা। তবে তা সুখের নয়। বছর শেষে সংসারে ভাঙনের সুর।

শুক্রবার রাতে ফেসবুকে এক পোস্টে পরীমণি নিজেই এই ইঙ্গিত দেন। জানান শরিফুল রাজের সাথে সম্পর্কের সমাপ্তির কথা।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে পরী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘হ্যাপি থার্টি ফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নাই।’

বিষয়টি গণমাধ্যমকেও নিশ্চিত করেন এই নায়িকা। বলেন, ‘এখনো আমাদের বিচ্ছেদ হয়নি। তবে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করে রাজের বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি। আজ থেকে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। শিগগির বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে তারা বিয়ে করেছিলেন। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা। একই দিন সন্তানধারণের বার্তাটিও দেন এ দম্পতি। এরপর ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সারেন। গত ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলো করে এসেছে ছেলে সন্তান-শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন না মাহি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি।

রোববার আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় এ আসনে জিয়াউর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। তিনি নবম জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

রাতে গণভবনে দলের বোর্ড সভায় আসন্ন ছয় আসনের উপনির্বাচনে ৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন চেয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনায় আসা চিত্রনায়িকা মাহিকে মনোনয়ন দেয়নি ক্ষমতাসীন দলটি।

৬টি আসনের মধ্যে যে তিনটিতে প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ, সেগুলো হলো- রাগেবুল আহসান রিপু (বগুড়া-৬), জিয়াউর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), আব্দুল ওদুদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩)। এছাড়া বাকি তিন আসনের মধ্যে বগুড়া-৪ (জাসদ-ইনু), ঠাকুরগাঁও-৩ (ওয়ার্কার্স পার্টি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (উন্মুক্ত)।

প্রসঙ্গত, গত ১১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এ ছয় আসনের বিএনপির এমপিরা। এরপর এ আসনগুলোতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচনের ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন।

যৌথ পারমাণবিক মহড়া নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি মোকাবেলায় মার্কিন পরমাণু শক্তির অংশগ্রহণে যৌথ পারমাণবিক মহড়া চালানোর জন্য সিউল ও ওয়াশিংটন আলোচনা করছে।

সোমবার প্রকাশিত বার্তা সংস্থা চোসান ইলবো’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ইউন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়াকে দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান ‘পারমাণবিক সহায়তা’ এবং ‘বর্ধিত প্রতিরোধ ক্ষমতা’ দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণকে আশ্বস্ত করার জন্য যথেষ্ট না।’

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে নেতা কিম জং-উন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে তাদের শত্রু বলে অভিহিত করে এ দুই দেশকে ঠেকাতে তার দেশের পারমাণবিক অস্ত্রাগারের এবং আন্তঃমহাদেশীয় নতুন ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) ‘তাত্বিক বৃদ্ধি’ করার আহ্বান জানানোর এক দিন পরে সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হয়।

২০২২ সালে উত্তর কোরিয়া প্রায় প্রতি মাসেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা বিভিন্ন অস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। এসবের মধ্যে তাদের একেবারে অত্যাধুনিক আইসিবিএম রয়েছে।

তারা শনিবার প্রথম প্রহরে স্বল্প পাল্লার তিনি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং রোববার ভোরে আরো একটি অস্ত্রের পরীক্ষা চালায়।

চৌকস নেতা ইউনের প্রশাসনের আওতায় দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যৌথ সামরিক মহড়া জোরদার করেছে।

এদিকে ২০১৯ সালে আলোচনা ভেঙ্গে যাওয়ার পর থেকেই কিম নিষেধাজ্ঞা থাকা তার অস্ত্র কর্মসূচি জোরদার করেছেন। সিউল ও ওয়াশিংটন কয়েক মাস ধরেই সতর্ক করছে যে পিয়ংইয়ং তাদের সপ্তম পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
সূত্র : বাসস

মেক্সিকোতে কারাগারে সশস্ত্র হামলা, নিহত ১৪

উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোর সীমান্তবর্তী শহরের একটি কারাগারে সশস্ত্র হামালা হয়েছে। এতে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন বেশ কয়েকেজন।

স্থানীয় সময় রোববার দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত শহর জুয়ারেজের একটি কারাগারে সশস্ত্র হামলার পর হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ওই হামলার পর একই শহরে পৃথক কয়েকটি স্থানে হামলা হয়েছেন। এতে করে আরো দুজন নিহত হয়েছন।

সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

চিহুয়াহুয়া রাজ্যের প্রসিকিউটর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কারাগারের হামলায় যারা মারা গেছে তাদের মধ্যে ১০ জন নিরাপত্তাকর্মী ও চারজন বন্দী রয়েছে। তাছাড়া ১৩ জন আহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে ২৪ জন পালিয়ে গেছেন। তবে কারা কারাগারটিতে হামলা চালিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়।

প্রসিকিউটর জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে সশস্ত্র আক্রমণকারীরা স্থানীয় সময় সকাল ৭টার দিকে কারাগারে পৌঁছায়। এ সময় তারা বেশ কয়েকটি সাঁজোয়া যানে করে এসে গুলি শুরু করে।

এর আগে জুয়ারেজের পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের কার্যালয়েও হামলা হয়েছিল। পরে আক্রমণকারীদের ধাওয়া করে একটি ট্রাক জব্দ করা হয় এবং চারজনকে আটক করা হয়।

এর আগে গত বছরের আগস্টে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে কারাগারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়। ওই সময় প্রাণ হারানোদের বেশিরভাগই ছিলেন বেসামরিক মানুষ।