ঢাকা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গ্যাস যে দামে কেনা হবে সেই দামই গ্রাহককে দিতে হবে, সেক্ষেত্রে দাম বাড়তে পারে। তিনি বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও মূল্যস্ফীতি আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। তাতে আমরা সফলও হয়েছি।
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধিশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে সরকার জোর দেওয়ার কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নয়নে সবচেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হবে বলেও জানান তিনি।
জাতীয় পার্টির এমপি মুজিবুল হক চুন্নু পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে আইএমএফের ঋণের শর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ সরকার কিভাবে সামলাবে।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইএমএফ তখনই ঋণ দেয় যখন ওই দেশ ঋণ দেওয়ার যোগ্যতা থাকে। এখানে আমরা তেমন কোনো শর্ত দিয়ে ঋণ নিইনি।
সরকারপ্রধান আরও বলেন, আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসে এখনো ভর্তুকি দিচ্ছি। কিন্তু জনগণকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। আর দ্রব্যমূল্যের দাম সারা বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের কারণে বেড়ে গেছে। তারপরও সব মানুষ যাতে খাদ্য কম দামে পায় সে ব্যবস্থা করেছি। যারা কিছুই করতে পারে না তাদের জন্য বিনামূল্যে খাদ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষিতেও ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।
গ্যাস যে দামে কিনব সেই দামই গ্রাহককে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি এখনো অনুকূল নয়, সিইসি ।
ঢাকা ডেস্ক : দেশের সংবিধান অনুযায়ী চলতি বছরে ডিসেম্বর বা আগামী জানুয়ারি মাসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। তবে ওই কিছু বিষয় নিয়ে এখনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি। এ মতপার্থক্যের কারণে অতীতে নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করেও অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করতে পারেনি।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) হেড অব ডেলিগেশন চার্লস হোয়াইটলির নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে এসব তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার প্রতিনিধি দলটি নির্বাচন ভবনে গিয়ে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে।
বৈঠকের পর চার্লস হোয়াইটলি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগ্রহী। এ বিষয়ে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক মন্তব্যে তারা খুশি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবাই একটি অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়।
ইসির সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের বৈঠক দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হয়ে চলে দেড় ঘণ্টা। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথও সেখানে ছিলেন।
অপরদিকে চার্লস হোয়াইটলির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডেনমার্ক, সুইডেন, জার্মান, নেদারল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূতসহ ১১ জন। বৈঠকের পর সিইসি ও চার্লস হোয়াইটলি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এর আগে গত জুলাই মাসে ইসির সঙ্গে বসেছিল ইইউ দল।
সূত্র জানায়, ওই বৈঠকে সিইসি বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর জাতীয় সংসদের দুটি উপনির্বাচন, দুটি সিটি করপোরেশন, ১৯ পৌরসভা, ২১৯টি ইউনিয়ন পরিষদসহ অন্যান্য নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে শেষ করেছেন বলে প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছেন। তাদের বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী জানুয়ারি মাসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
এর কারণ ব্যাখ্যা করে তাদের তিনি বলেন, বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো মতৈক্য হয়নি। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি এখনো অনুকূল নয়। কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্দলীয় তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করছে। যদিও এসব বিষয় নির্বাচনের কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত নয়। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা। নির্বাচনের সময়ে বর্তমান রাজনৈতিক সরকার আমাদের কাজে সহায়তা করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
প্রতিনিধি দলকে সিইসি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, অবাধ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনেরা সহযোগিতা না করলে ওই নির্বাচন অর্থবহ হবে না। তিনি বলেন, অতীতে দেখা গেছে- নির্বাচন কমিশন এককভাবে চেষ্টা করা সত্তে¡ও অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারেনি।
বৈঠকের পর সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমাদের যে রোডম্যাপ আছে, সে রোডম্যাপ অনুযায়ী আমরা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে এবং আমরা যথাসময়ে নির্বাচন করব। আমরা এটাও উনাদেরকে পরিষ্কার করে বলেছি। কিছু কিছু বিষয় এখনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো মতপাথর্ক্য রয়েছে। এই মতপার্থক্য থাকার কারণে এখনো নির্বাচনি পরিবেশটা অনুকূলে (কনজেনিয়াল) নয়।
অচিরেই মতপার্থক্যটা দূর হয়ে যাবে- এ আশা প্রকাশ করে সিইসি বলেন, শেষমেশ দলগুলো নির্বাচনে আসবে সেই বিষয়ে আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছি। আমরা বলেছি যদি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয় তাহলে চমৎকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের পুরো প্রস্তুতি রয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে একাধিকবার বলেছি যে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন এবং ব্যাপক অর্থে তাদের মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হয়। প্রথম থেকেই আমরা এ আবেদন করে আসছি, এখনো করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, মতপার্থক্যগুলো রাজনৈতিক ইস্যু, আমাদের জন্য ইস্যু নয়। কাজেই রাজনৈতিক ইস্যুগুলো, যেগুলো নির্বাচনের জন্য অন্তরায় হতে পারে, সেগুলোর সুরাহা রাজনৈতিক নেতাদের করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে সেটা অনুধাবন করতে হবে এবং বুঝতে হবে। তাহলেই নির্বাচনটা প্রত্যাশিত মাত্রায় অংশগ্রহণমূলক হবে। সুন্দর, সুষ্ঠু হবে এবং গণতান্ত্রিক চেতনায় যে নির্বাচন প্রত্যাশিত সে নির্বাচনটা ওভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপি-জামায়াতের ‘ভোটব্যাংকে’ মশাল হাতে চ্যালেঞ্জের মুখে সাবেক সংসদ সদস্য তানসেন
বগুড়া ডেস্ক : বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে উপনির্বাচনে মহাজোটের শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলকে (জাসদ) সমর্থন দেওয়ায় প্রার্থী দেয়নি আওয়ামী লীগ। জাসদের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন এবার মশাল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। অন্যদিকে লাঙ্গল নিয়ে লড়ছেন জাপার প্রার্থী শাহীন মোস্তফা কামাল।
ভোটাররা বলছেন, বিএনপির সাবেক নেতা কামরুল হাসান সিদ্দিকী প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় ভোটের সমীকরণ পাল্টে যেতে পারে। কারণ, এই নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের ভোটার অনেক বেশি। অতীতের নির্বাচনগুলোতে জাসদ ও জাপার পাওয়া ভোটের সংখ্যা খুবই কম। আওয়ামী লীগ-বিএনপির দলীয় প্রার্থীবিহীন এই নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত ভোটারদের আগ্রহ নেই। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি বাড়লে সুবিধা বেশি পাবেন কুড়াল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান। তিনি নন্দীগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র এবং পৌর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি। যদিও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে পৌরসভায় প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে আগেই দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এই তিনজন ছাড়াও বগুড়া-৪ আসনে মাঠে আছেন জাকের পার্টির আবদুর রশিদ সরদার (গোলাপ ফুল) এবং তাজ উদ্দিন মণ্ডল (ডাব)। সোমবার প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই জোড় প্রচারণা শুরু করেছেন প্রার্থীরা।
কাহালু উপজেলার মানুষ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নানাভাবে বঞ্চিত। এবার এখানকার ভোটারদের মুখে এক সুর, সংসদ সদস্যের পদ কোনোভাবেই নন্দীগ্রামে যেতে দেবেন না।
কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৪ আসনটি বিএনপি-জামায়াতের ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে পরিচিত। দুই উপজেলার অন্তত ২০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে মোশারফ হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। অন্যদিকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম নৌকা প্রতীক নিয়ে ৮৪ হাজার ৬৭৯ ভোট পান। ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুই উপজেলাতেই জামায়াত প্রার্থীদের কাছে বড় ব্যবধানে হারে আওয়ামী লীগ-প্রার্থীরা। অতীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনী ফলাফলেও এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াত। এ কারণে ভোটের রাজনীতিতে এ আসনটি বিএনপি-জামায়াতকে শক্ত প্রতিদ্বন্দি ধরা হয়।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। সংসদীয় আসনটির ২ লাখ ৮৩ হাজার ২৪০ ভোটারের মধ্যে ৩৫ হাজার ৬৯২ জন সেবার ভোট দেন। মহাজোট প্রার্থী রেজাউল করিম ২২ হাজার ২০৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম পেয়েছিলেন ১৩ হাজার ৪৮৯ ভোট।
ভোটাররা বলছেন, বিএনপির ছেড়ে দেওয়া এই আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্তত ছয়জন নেতা। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে জাসদকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় মশাল প্রতীকে ভোট চাওয়ায় আগ্রহ নেই আওয়ামী লীগ নেতাদের।
জাসদ প্রার্থী রেজাউল করিম ১৯৯১ সালের নির্বাচনে মশাল প্রতীকে ১ হাজার ৬৩৯ ভোট, ১৯৯৬ সালে ৮৮৮ ভোট, ২০০১ সালের নির্বাচনে ২ হাজার ৭৭৮ ভোট পেয়ে জামানত হারান। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোট থেকে নৌকা প্রতীকে ৭৫ হাজার ৯৯১ ভোট এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ৮৪ হাজার ৬৭৯ এবং ভোট পান। মশাল প্রতীক নেওয়ায় এবারও তিনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নন্দীগ্রাম ও কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের চারজন নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা। দলীয় প্রতীকের বদলে অন্য প্রতীকে ভোট চাওয়া সম্ভব নয়।
কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের দুজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান সিদ্দিকী মাঠে ফেরায় হিসাব-নিকাশ পাল্টেছে। এখন কামরুল হাসানের সঙ্গেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। অতীতে সংসদ সদস্য পদ পেয়েছেন নন্দীগ্রাম উপজেলার প্রার্থী। এতে কাহালু উপজেলার মানুষ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নানাভাবে বঞ্চিত। এবার এখানকার ভোটারদের মুখে এক সুর, সংসদ সদস্যের পদ কোনোভাবেই নন্দীগ্রামে যেতে দেবেন না। এ সুযোগ নিতে পারেন লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শাহীন মোস্তফা।
নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের দুজন নেতা বলেন, এ কে এম রেজাউল করিম ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে মশাল প্রতীকে অল্প ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন হাটবাজার ইজারা, কাবিখা-টিআর কর্মসূচিতে অনিয়ম কেলেঙ্কারিতে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। এবারও প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে ভোটারদের নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে।
নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা। অন্য প্রতীকে ভোট চাওয়া বিব্রতকর। মহাজোট প্রার্থী রেজাউল করিম কখনো মশাল, কখনো নৌকা প্রতীকে ভোট করায় ভোটাররাও বিভ্রান্ত। তবুও মহাজোটের পক্ষে নির্বাচনী সভা ডাকলে সেখানে যেতে হবে।
জাসদ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, ‘মহাজোট থেকে এ আসনে আমাকে প্রার্থী করা হয়েছে। মশাল প্রতীক হলেও আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এই আসনে অন্যদের তেমন ভোট নেই। মহাজোট ঐক্যবদ্ধ। শরিক দল একজোট হয়ে এখানে মশালের পক্ষে কাজ করছেন। নির্বাচিত হলে অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে পারব।’
আগামী ১ ফেব্রয়ারি এই আসন ইভিএমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বিপিএলঃ হ্যাটট্রিক পরাজয়ের পর জয়ের দেখা পেল কুমিল্লা
ঢাকা ডেস্ক : হ্যাটট্রিক পরাজয়ের পর জয়ের দেখা পেল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সোমবার চট্টগ্রামকে তাদের ঘরের মাঠেই হারায় কুমিল্লা।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে স্বাগতিকরা। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ উইকেটে ৭৩ রান করা চট্টগ্রাম এরপর সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ১৩৫/৮ রানে ইনিংস গুটায়।
দলের হয়ে ২৩ বলে সর্বোচ্চ ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক শুভাগত হোম। ২১ বলে ২৯ রান করেন আফিফ হোসেন। কুমিল্লার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তানভির ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও খুশদিল শাহ।
টার্গেট তাড়া করতে নেমেই ব্যাটিং তাণ্ডব চালান ওপেনার লিটন কুমার দাস। ২২ বলে চার বাউন্ডারি আর ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৪০ রান করে ফেরেন লিটন।
উইকেটের একপ্রান্তে লিটন তাণ্ডব চালিয়ে ফেরার পর একে একে আউট হন ইমরুল কায়েস (১৫), জেচন চার্লস (০), জাকের আলি (২২)। তবে অন্যপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে মাঠ ছাড়েন কুমিল্লার পাকিস্তানি তারকা ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান। তিনি ৩৫ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
শচীনের ১০০টি সেঞ্চুরির রেকর্ড কি ভাঙ্গতে পারবে বিরাট ?
ঢাকা ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাচ্ছেন বিরাট কোহলি। বেশ কিছু পরিসংখ্যানে কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে গেছেন কোহলি।
তবে শচীনের ১০০টি সেঞ্চুরির মাইলফলক ছুঁতে আরও ২৬টি সেঞ্চুরি করতে হবে কোহলিকে। সেজন্য আরও মিনিমাম ৫ থেকে ৬ বছর খেলতে হবে তাকে। এমনটিই বলেছেন সুনীল গাভাস্কার।
তিনি বলেছেন, কোহলি যদি আরও ৫-৬ বছর খেলে তাহলে ১০০টা শতরান করে ফেলবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ বছরে প্রায় ৬টা করে শতরান করে কোহলি। তাহলে ২৬টা শতরান করতে ওর ৫-৬ বছরই সময় লাগবে। তবে তার জন্য ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত খেলতে হবে ওকে।
তিনি আও বলেন, শচীন ৪০ বছর পর্যন্ত খেলতে পেরেছে বলেই ১০০টা শতরান করেছে। কোহলি নিজের ফিটনেস নিয়ে সচেতন। এখনো সব থেকে দ্রæত ছুটতে পারে। এ বয়সেই যেভাবে সিঙ্গল-ডাবলস নেয় সেটা বাকিদের দেখে শেখা উচিত। এই ফিটনেস নিয়ে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত খেলা খুব কঠিন নয়।
বিপিএলঃ ব্যাটিং দুর্বলতাকে দায়ী করলেন অধিনায়ক নাসির হোসেন
ঢাকা ডেস্ক : এখন পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে ফেলেছে ঢাকা ডমিনেটরস। জয় পেয়েছে মাত্র একটি। হেরেছে তিনটি। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান নিচের দিকেই। দলের এমন অবস্থার জন্য ব্যাটিং দুর্বলতাকে দায়ী করলেন অধিনায়ক নাসির হোসেন। টপঅর্ডার থেকে আরও বেশি রান চান তিনি।
সোমবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে দলের ব্যাটিং প্রসঙ্গে নাসির বলেন, ‘আমরা টপঅর্ডার থেকে তেমন সাপোর্ট পাচ্ছি না। যেটা অন্যরা পাচ্ছে। আপনি যদি সিলেটের কথা বলেন, ওদের টপঅর্ডার সব সময় ভালো খেলছে। আমরা ওই সাপোর্টটা পাচ্ছি না। আমরা যদি একটা ভালো শুরু পাই, ধরেন যে প্রথম ছয় ওভার বা ১০ ওভারে এক উইকেট, তাহলে একটা সুন্দর পজিশনে যেতে পারব। আর আমি যখন ব্যাটিংয়ে নামি তখন রান ৬০-৬৫, উইকেট চলে যায় ৪-৫টা। ওই অবস্থা থেকে অনেক কঠিন ১৬০, ১৭০ করা।’
গতকালের ম্যাচ প্রসঙ্গে নাসির বলেন, ‘সর্বোপরি যদি আমাদের বোলিং, ফিল্ডিং দেখেন তাহলে দেখবেন যে আমাদের বোলাররা খুব ভালো বল করেছে।
যেহেতু আমরা ১২৮ করেছি, এই রান ডিফেন্ড করা কঠিন। তো আমার মনে হয়েছে আমরা ২০-২৫ রান কম করেছি। আমাদের টপঅর্ডারে ছোট্ট একটা পার্টনারশিপ হলে ১৫-২০ রান বেশি হতে পারত। যেমন উইকেট ছিল, তাতে ১৪০-১৪৫ ফাইটিং স্কোর হতো।’
পাকিস্তানের কোচ হতে চান না অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার
ঢাকা ডেস্ক : জাতীয় ক্রিকেট দলের জন্য একজন ভালো বিদেশি কোচ খুঁজছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। কিন্তু সেভাবে মেলাতে পারছে না কাউকেই। পুরোনো কোচ মিকি আর্থারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি খণ্ডকালীন দায়িত্ব হলে রাজি আছেন, অন্যথায় নয়।
সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক ও ইংল্যান্ডের সাবেক কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার পিসিবিকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে যেন কোচের সম্ভাব্য তালিকায় বিবেচনা করা না হয়।
কেন তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের কোচ হতে চাচ্ছেন না? ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আমি বর্তমানে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত। এটা আমি উপভোগ করছি। পিসিবি এটা জানে।
ফ্লাওয়ার বর্তমানে পিএসএলের দল মুলতান সুলতানসের কোচের দায়িত্বে আছেন। পাকিস্তানের ক্রিকেট সম্পর্কে ধারণা আছে বলে তাকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভেবেছিল পিসিবি। কিন্তু সেটিও আপাতত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ নিয়েও প্রচুর আগ্রহ পঙ্কজ ত্রিপাঠীর, বললেন জয়া ।
ঢাকা ডেস্ক : দুই দেশে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের গুণী অভিনেত্রী জয়া আহসান। তার অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ সবাই।
এবার ঢালিউড, টলিউড পেরিয়ে জয়ার স্বপ্নের উড়ান বলিউড! ইতিমধ্যেই নিজের প্রথম হিন্দি ছবির শ্যুটিংয়ের কাজ শেষ করে ফেলেছেন জয়া। ছবির নাম ‘কড়ক সিং’। ছবির পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এই ছবিতে মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করছেন ‘কলিন ভাইয়া’ পঙ্কজ ত্রিপাঠী।
কো-স্টার হিসাবে পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে পেয়ে মন্ত্রমুগ্ধ জয়া। এক সাক্ষাৎকারে ঢাকাই সুন্দরী বলেছেন, ‘স্টারডম জিনিসটি পঙ্কজজির (ত্রিপাঠী) মধ্যে নেই। তিনি ভীষণ সহযোগী একজন অভিনেতা। তিনি প্রায় সময়ই আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।
জয়া-পঙ্কজ ছাড়াও এই ছবিতে থাকছেন মালায়লাম অভিনেত্রী পার্বতী থিরুভোথু এবং ‘দিল বেচারা’ খ্যাত সঞ্জনা সাংঘি। গত শনিবার এই ছবির শ্যুটিং শেষ হয়েছে।
জয়া আহসান জানান, ‘আমি জিগ্গেস করিনি আমার কোনও কাজ দেখেছেন কিনা উনি, নিজেই নিঁখুতভাবে বলছিলেন আমার কাজ নিয়ে। শ্যুটিং হোক বা আড্ডা- অনেক শিখেছি ওনার কাজ থেকে।’
বাংলাদেশ নিয়েও প্রচুর আগ্রহ পঙ্কজ ত্রিপাঠীর, বিশেষত জয়ার কাছে একটা আবদারও রেখেছেন অভিনেতা।
শ্যুটিং চলাকালীন নাকি ইলিশ খেতে চেয়েছিলেন অভিনেতা, কিন্তু কলকাতায় বাংলাদেশের ইলিশ পাওয়া দুষ্কর, তাই জয়া বাংলাদেশে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রেখেছেন। কারণ ‘ভোজন রসিক’ পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে বাঙালি খাবার খাওয়াতে চান অভিনেত্রী।
শ্যুটিং শেষের পর মন খারাপ জয়ার। এতদিন একটা পরিবার হয়ে শ্যুটিং করছিলেন, শুধু সহ-অভিনেতা নয়, ইউনিটের সবাইকে মিস করছেন জয়া আহসান।
ইতিমধ্যেই বলিউডে বেশ কিছু কাজের অফার রয়েছে জয়ার হাতে। সব ইন্ডাস্ট্রিতেই জয়ার কাছে অভিনয়ের ক্ষেত্রটা এক, তবে হিন্দি ভাষা রপ্ত করতে একটু বেগ পেতেই হচ্ছে। কিন্তু সেটাও অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতা। আপতত শুধুই কাজ করে যেতে চান জয়া আহসান।
সিঙ্গেল, বাট নট হ্যাপি টু মিঙ্গেল : শ্রীলেখা
ঢাকা ডেস্ক: ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
তিনি সিঙ্গেল মাদার। মেয়েকে নিয়ে তিনি জীবনযাপন করছেন। কথা প্রসঙ্গে বললেন, সিঙ্গেল, বাট নট হ্যাপি টু মিঙ্গেল। (হাসি)। তবে এই সিঙ্গেল জীবনে তিনি ভালো আছেন। বেশ ভালো আছেন বলেও জানালেন। বললেন, ‘বেশ ভালো আছি। অনেক বয়স হয়েছে। আমার মেয়ের এখন বয়ফ্রেন্ড হওয়ার কথা।’ তবে আমি প্রেমে আছি, রোমান্সে আছি।
প্রেমে আছেন, রোমান্সে আছে জানতেই ব্যাখ্যা করে বললেন, ‘প্রেমে আছি বলতে, ওই যে আমার জীবে আমার প্রেম। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। যার জন্য ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, যেটা আমাদের দেশেও আছে, আমি সেটার বিরুদ্ধে কথা বলি। আমি একটা মুভমেন্টও শুরু করেছি, হ্যাশট্যাগ মাই রিলিজিয়ন অব লাভ। সুতরাং আমার ধর্মই তো প্রেম।’
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২১তম আসরে অংশ নিতে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় এসেছেন টালিগঞ্জের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তার পরিচালনায় নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এবং ছাদ’-এর প্রদর্শনী ছিল সোমবার। সোমবার বিকাল পাঁচটায় জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে তার সিনেমার প্রথম প্রদর্শনী শুরু হয়।
উত্তর কলকাতার ছাদকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে সিনেমার গল্প। এতে মধ্যবয়সী এক গৃহবধূর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা। অভিনয়ে আরও আছেন ছোট পর্দার অভিনেতা প্রীতম দাস। পরিচালনার পাশাপাশি ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন শ্রীলেখা।
২৫ জানুয়ারি সারাদেশে বিএনপির সমাবেশ
ঢাকা ডেস্ক : বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য কমানো এবং ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৫ জানুয়ারি সারাদেশে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর বিএনপির সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ ঘোষণা দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার মেগা প্রজেক্ট করে মেগা দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে গত ১০ বছরে প্রায় দশ লাখ কোটি টাকার বেশি বিদেশে পাচার হয়েছে। আমরা মনে করি আন্ডার ইনভয়েস-ওভার ইনভয়েস করে এই টাকা আওয়ামী লীগ সিন্ডিকেটের ব্যবসায়ীরা বিদেশে পাচার করেছে।
তিনি বলেন, ব্যাংকে ভোক্তা পর্যায়ে সুদের হার বৃদ্ধি করে তারা (সরকার) আইএমএফকে খুশি করতে চায়। কিন্তু আইএমএফ বলেছে তারা খুশি নয়। তারা আরও সংস্কার দেখতে চায়। তার অর্থ হচ্ছে আজকে আইএমএফও বুঝতে পেরেছে বাংলাদেশের টাকা বিদেশে চলে গেছে, যার জন্য আজকে ডলারের সংকট, ব্যাংকগুলোতে তারল্যের সংকট।
এদিকে সমাবেশের পর বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ ও ১০ দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছেন নেতা-কর্মীরা। বিকেল সোয়া ৪টায় এ মিছিল শুরু হয়। যানজটের কথা বিবেচনা করে মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত হবে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ মিছিল-সমাবেশ করছে বিএনপি। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি গণ-অবস্থান কর্মসূচি থেকে আজকের মিছিল-সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত¡াবধায়ক সরকারসহ পূর্বঘোষিত ১০ দফা দাবির সঙ্গে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুটি সামনে এনেছে দলটি।


