Home Blog Page 96

সম্মান না পেলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এবার ফিফার কাছে ‘সম্মানজনক পরিবেশ’ নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। তা না হলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়েছেন ফেডারেশন সভাপতি মেহদি তাজ। জানা গেছে, ইরানের এই অবস্থানের পেছনে অন্যতম কারণ রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভিসা জটিলতা।

বুধবার তেহরানে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেহদি তাজ জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদাহানি সহ্য করে তাঁ বিশ্বকাপে অংশ নেবেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা ফিফাকে আমাদের প্রত্যাশার কথা জানাব। তারা যদি সেগুলোর সমাধান করতে পারে, তাহলে অবশ্যই আমরা অংশ নেব। কিন্তু যদি কোনো নিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে কাউকে আমাদের মূল ভিত্তিকে অপমান করার অধিকার দেওয়া যায় না। যদি অসম্মানজনক আচরণ চলতেই থাকে, তবে আমরা ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে পারি।’

এই সংকটের মূল সূত্রপাত হয় যখন কানাডা ফেডারেশন প্রধান মেহদি তাজকে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। আইআরজিসির সঙ্গে অতীত সম্পর্কের জেরে এই নিষেধাজ্ঞা দেয় অটোয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে বিবেচনা করলেও ইরান একে দেখছে রাজনৈতিক বিদ্বেষ হিসেবে।

বিষয়টি নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাএ ইসমাইল বাঘায়ি জানিয়েছেন, ইরান দল কোনো দ্বিপাক্ষিক সফরে যাচ্ছে না, তারা যাচ্ছে ফিফার মেগা আসরে। তাই ভিসা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা ফিফা এবং আয়োজক দেশগুলোর আইনি বাধ্যবাধকতা।

বিশ্বকাপ নিয়ে ইরানের এমন অস্থিরতা থাকলেও তাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি থেমে নেই। দলের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহেই ৩০ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করা হবে। তুরস্কে কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষে যুক্তরাষ্ট্রে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এবারের বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে থাকা ইরান তাদের ক্যাম্প করবে যুক্তরাষ্ট্রের কিনো স্পোর্টস কমপ্লেক্সে।

আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হবে। ২১ জুন একই ভেন্যুতে দলটির প্রতিপক্ষ শক্তিশালী বেলজিয়াম। ২৬ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিয়াটলে মিসরের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে এশিয়ান জায়ান্টদের।

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ জন মারা গেছেন। এই সময়ে আরও ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু হয়। এর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে উপসর্গ নিয়ে, দুজন হামে মারা গেছে। এ নিয়ে গত ৫৩ দিনে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৬। এর মধ্যে ২৬৮ শিশু উপসর্গ নিয়ে এবং ৫৬ জন হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। একই সময়ে দেশের আট বিভাগে এক হাজার ৫৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নতুন শনাক্ত হয়েছে ৩৭৩ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত সিলেট বিভাগে (১৮২ জন), এরপর ঢাকা বিভাগে (১২২ জন)। তবে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৫ শিশু চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, যা কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৪৪ হাজার ২৬০ জন।

৫ বছর পর মুখোমুখি নাগা-সামান্থা

২০২১ সালে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিণী ছবির জনপ্রিয় জুটি সামান্থা রুথ প্রভু এবং নাগা চৈতন্য। সময় গড়িয়েছে প্রায় পাঁচ বছর। এর মধ্যে দু’জনেই নিজেদের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। গুছিয়ে নিয়েছেন ব্যক্তিগত জীবন। বিচ্ছেদের পরে আর কখনও প্রকাশ্যে একসঙ্গে দেখা যায়নি তাঁদের। না কোনও অনুষ্ঠান, না কোনও পারিবারিক জমায়েতে।

তবে সম্প্রতি সেই ছবিটাই খানিক বদলাল। হায়দরাবাদের এক বিয়েবাড়িতে হঠাৎই একই ছাদের নীচে হাজির হলেন দু’জন। প্রযোজক সুনীল নারং-এর মেয়ে সিমরনের বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন তাঁরা। খবর এই সময়ের। সেখানে স্ত্রী সোবিতা ধুলিপালার সঙ্গে দেখা যায় নাগ চৈতন্যকে। অন্য দিকে, নিজের বর্তমান স্বামী পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দেন সমান্থা। একই অনুষ্ঠানে তাঁদের উপস্থিতির খবর প্রকাশ্যে আসতেই চর্চা শুরু হয় অনুরাগীদের মধ্যে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—এতদিন পর কি মুখোমুখি হলেন প্রাক্তন দম্পতি? ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তা হয়নি। তারা নাকি সচেতনভাবেই একে অপরকে এড়িয়ে গিয়েছেন এবং আলাদা আলাদাভাবেই সময় কাটিয়েছেন অনুষ্ঠানে।

ব্যক্তিগত জীবনে এগিয়ে যাওয়ার গল্পও কম চমকপ্রদ নয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে কোয়েম্বত্তূরের লিঙ্গ ভৈরবী মন্দিরে ঘনিষ্ঠ পরিজনদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন সমান্থা ও রাজ নিদিমোরু। এর আগে ২০১৭ সালে গোয়ায় ধুমধাম করে নাগ চৈতন্যকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী—সেই বিয়ের প্রতিটি মুহূর্তই ছিল আড়ম্বরপূর্ণ এবং বিশেষভাবে পরিকল্পিত।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সোবিতা ধুলিপালা কে বিয়ে করেন নাগ চৈতন্য। সেই সময় থেকেই সমান্থা ও রাজের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছিল। এখন দু’জনেই নিজেদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত, আলাদা পথে এগিয়ে চলেছেন। অতীতকে পিছনে ফেলে নতুন সম্পর্ক, নতুন জীবনে তাঁরা যে স্বচ্ছন্দ—সাম্প্রতিক এই ঘটনাই যেন তারই ইঙ্গিত দিল।

প্রদাহ কমাতে উপকারী হলুদের চা, রেসিপি জেনে নিন

হলুদ রান্নাঘরে অন্যতম প্রয়োজনীয় মসলা। রান্নার স্বাদ বাড়াতে এর তুলনা নেই। মসলা হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি, হলুদের অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে এটি চায়েও ব্যবহার করা যেতে পারে। শরীরের প্রদাহ কমাতে, আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো কিছু রোগের উপসর্গ কমাতে এমনকী গাঁটের ব্যথা ও যন্ত্রণা কমাতেও হলুদ চা উপকারী।

অনেকেই হয়তো ভাবছেন কীভাবে নিজে হলুদের চা তৈরি করবেন। এখানে কয়েকটি রেসিপি দেওয়া হলো। এভাবে তৈরি চা শরীরে প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বেশ উপকারী।

সাধারণ হলুদ চা
৪ কাপ পানি, মধু বা লেবু (চাইলে দুটোই ব্যবহার করতে পারেন), এবং এক চা চামচ হলুদ। প্রথমে পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার হলুদের গুঁড়া যোগ করে প্রায় ১০ মিনিট ধরে অল্প আঁচে রাখুন। আঁচ থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন। কাপে চা ঢেলে নিন এবং স্বাদমতো লেবু , মধু যোগ করুন।

ক্রিমি হলুদ চা
এই চা তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে এক কাপ নারকেল বা আমন্ডের দুধ, এক চিমটি লাল মরিচের গুঁড়া, দেড় চা চামচ মধু , আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়া এবং আধা ইঞ্চি আদা। একটি ছোট প্যানে আমন্ড বা নারকেলের দুধ গরম করুন। একটি ছোট বাটিতে আদা, হলুদ, মরিচের গুঁড়া এবং মধু মিশিয়ে নিন, তারপর মিশ্রণটি নাড়তে নাড়তে গরম করা দুধ যোগ করুন। খেয়াল রাখবেন যেন দলা পাকিয়ে না যায়। বাকি দুধ যোগ করে আবার মেশান। পরিবেশনের আগে ছেঁকে নিন।

হলুদ লেবু চা
এই রেসিপিটির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে এক কাপ ফুটন্ত পানি, সামান্য আদা গুঁড়া, লাল মরিচের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, সামান্য হলুদ গুঁড়া এবং স্বাদমতো মধু। এটি মগে লেবুর রস,মরিচ, আদা ও হলুদের গুঁড়া মেশান। এর মধ্যে ফুটানো পানি দিন এবং উপকরণগুলো ভালোভাবে নাড়ুন। পানীয়টিতে স্বাদ আনার জন্য মধু যোগ করতে পারেন। শরীরের যেকোনো ধরনের প্রদাহ দূর করতে সারাদিন অল্প অল্প করে এটি পান করতে পারেন।

হলুদ গোলমরিচ চা
এই রেসিপিটির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে মধু, লেবু, গুঁড়ো হলুদ এবং গুঁড়ো করা গোলমরিচ। একটি মগে এক চা হলুদের সাথে স্বাদমতো মধু দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এতে ফুটন্ত পানি দিন। মিশ্রণটিতে গুঁড়ো করা গোলমরিচ যোগ করে ভালোভাবে নাড়ুন। এরপর এটি পান করুন।

এই হলুদ চায়ের রেসিপিগুলো যেকোনো প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। হলুদ চা ব্যবহারের সবচেয়ে ভালো দিকটি হলো, আরাম না পাওয়া পর্যন্ত এটি একাধিকবার ব্যবহার করতে পারেন।

হিজাব পরায় পরীক্ষার্থীর খাতা আটকে রাখার অভিযোগ, শিক্ষককে উকিল নোটিশ

কিশোরগঞ্জে অনার্স শেষ বর্ষের এক ছাত্রীর হিজাব পরার বিষয়কে কেন্দ্র করে চূড়ান্ত পরীক্ষার খাতা ৪০ মিনিট আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে বুধবার ওই শিক্ষককে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীর আইনজীবী মামা।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক ও কলেজ অধ্যক্ষের দাবি, পরীক্ষার্থীর পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং ডিভাইসের ব্যবহার রোধ করতেই পরীক্ষার হলের নিয়ম অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম সুমাইয়া আক্তার। তিনি কিশোরগঞ্জ শহরের পৌর মহিলা কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষা দিচ্ছেন। গত ৩০ এপ্রিল সরকারি গুরুদয়াল কলেজের আবদুল হামিদ ভবনের ৫০৪ নম্বর কক্ষে ‘মুদ্রা, ব্যাংকিং ও অর্থায়ন’ বিষয়ে তার পরীক্ষা ছিল।

অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন ভূঁইয়া তুহিনের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, তার ভাগ্নি সুমাইয়া আক্তার শহরের পৌর মহিলা কলেজ থেকে এবার অর্থনীতিতে শেষ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা দিচ্ছেন। সুমাইয়ার আসন পড়েছে শহরের সরকারি গুরুদয়াল কলেজে। গত ৩০ এপ্রিল মুদ্রা, ব্যাংকিং ও অর্থায়ন বিষয়ে পরীক্ষা শুরু হয় দুপুর ১টায়। সুমাইয়া আক্তার ও অপর পরীক্ষার্থী মুনিরা হিজাব পরিহিত ছিলেন। ওই কক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন গুরুদয়াল কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহ পরান।

এতে আরও বলা হয়, পরীক্ষা চলাকালে ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি দুই পরীক্ষার্থীকে হিজাব খুলে চেহারা দেখাতে বলেন। সুমাইয়া তখন একজন মহিলা শিক্ষক বা মহিলা পুলিশের সামনে হিজাব খোলার জন্য বলেন। কিন্তু শিক্ষক শাহ পরান এ কথায় কর্ণপাত না করে নিজেই শক্তি প্রয়োগ করে দু’জনের হিজাব উন্মুক্ত করেন। মহিলা শিক্ষক ও মহিলা পুলিশের কথা বলায় সুমাইয়া আক্তারকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে পরীক্ষার খাতা নিয়ে যান। অনেক অনুরোধের পর ৪০ মিনিট বিলম্বে খাতাটি ফেরত দেন শিক্ষক শাহ পরান। এতে সুমাইয়ার পরীক্ষার যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে।

অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন তুহিন ভূঁইয়া দাবি করেন, ওই শিক্ষক বহিষ্কারের ক্ষমতা রাখেন, যে কোনো সময় বহিষ্কার করতে পারেন বলেও হুমকি দেন। ফলে সুমাইয়া আক্তারের মনে একটা ভীতি কাজ করছে। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

অ্যাডভোকেট তুহিন অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত আবেদন জানিয়েছিলেন।

পরীক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তারকে প্রশ্ন করলে তিনিও এসব অভিযোগের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, আজকে একটি পরীক্ষাসহ এখনও সাতটি পরীক্ষা বাকি আছে। ওই শিক্ষক শাহ পরান তাকে বহিষ্কারের ক্ষমতা রাখেন বলে হুমকি দিয়েছেন। যে কারণে তাকে এক ধরনের ভীতি তাড়া করছে বলে জানিয়েছেন।

শিক্ষক শাহ পরানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ‘আমি সুমাইয়ার সামনের আসনের পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে যাচাই করার জন্য হিজাব খুলতে বললে তিনি সবসময় হিজাব ব্যবহার করেন বললে আর তাকে কিছু বলিনি। সুমাইয়াকে হিজাব খুলতে বলতেই বলে ওঠেন, আপনি যেভাবে বলছেন, তাতে তো হিজাব খুলতেই হবে। সুমাইয়া নিজেই হিজাব খুলেছেন। তার কথাগুলো ছিল বহিষ্কার করার মতো অশোভন। তবে খাতাটি ১০ মিনিটের মতো আটকে রেখেছিলাম। এখন বাড়িয়ে বলা হচ্ছে।’

মহিলা শিক্ষক বা মহিলা পুলিশের সামনে হিজাব খোলার মতো কোনো কথা সুমাইয়া বলেননি বলেও শিক্ষক শাহ পরান জানান। তবে উকিল নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি এখনও তিনি জানেন না বললেন।

সরকারি গুরুদয়াল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সিদ্দিক উল্লাহকে এ বিষয়ে বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তবে উকিল নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি তিনিও জানেন না বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অনেক পরীক্ষার্থী হিজাব পরে আসেন। হিজাবের আড়ালে অনেকে বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করেন। যে কারণে কান পর্যন্ত চেহারা দেখার প্রয়োজন হয়। পরীক্ষায় এ ধরনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়, বাধার মুখে পড়তে হয়। পরীক্ষার্থী সুমাইয়া শিক্ষক শাহ পরানের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করেছেন। এখন যে অভিযোগগুলো বলছেন, তা সঠিক নয়।

এদিকে অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন ভূঁইয়া তুহিনের মাধ্যমে পাঠানো উকিল নোটিশে বলা হয়েছে, নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে কেন মহামান্য হাইকোর্ট বা অন্য কোনো অধীনস্থ আদালতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এই মর্মে উপযুক্ত কারণ দর্শাতে হবে। নতুবা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনের বিধানমতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভবানীপুর না নন্দীগ্রাম—কোন আসন ছাড়বেন শুভেন্দু

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির রাজ্য শাখার অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবারের নির্বাচনে দুটি আসনে লড়াই করে দুটিতেই জয় পেয়েছেন। আসনগুলো হলো— নন্দীগ্রাম এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দুর্গ বলে পরিচিত ভবানীপুর।

ভারতের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী তিনি দুটি কেন্দ্রের বিধায়ক থাকতে পারবেন না। ফলে তাকে যেকোনো একটি আসন ছেড়ে দিতে হবে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তিনি নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের মধ্যে কোন আসনটি ছাড়বেন?

ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়ম এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ৩৩(৭) অনুযায়ী, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ দুটি আসন থেকে নির্বাচনে লড়তে পারেন। কিন্তু আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একসঙ্গে দুটি আসনের বিধায়ক (এমএলএ) বা সাংসদ (এমপি) থাকতে পারেন না।

ফলাফল ঘোষণার পর যদি কোনো নেতা দুটি আসন থেকেই জয়ী হন, তবে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের নির্দিষ্ট ১৪ দিনের মধ্যে তাকে যেকোনো একটি আসন থেকে পদত্যাগ করতে হয়। তিনি যে আসনটি ছেড়ে দেবেন, পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যেই সেই শূন্য আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাই ভোল্টেজ সেই লড়াইয়ে হেরে গেলেও পরে ভবানীপুরে উপনির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখেন মমতা।

তবে ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে গেছে। এবার নন্দীগ্রামের পাশাপাশি মমতার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ভোটে লড়েন শুভেন্দু।

ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসন থেকে ৯ হাজার ৬৬৫ ভোটে জয়ী হয়েছেন। এই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র করকে পরাজিত করেছেন তিনি।

এই পরিস্থিতিতে একটি আসন ছাড়ার বাধ্যবাধকতার বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, দলের হাইকমান্ড তাকে যে সিদ্ধান্ত নিতে বলবে, তিনি সেটাই মেনে নেবেন।

তিনি বলেন, “দলের কেন্দ্রীয় নেতারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই হবে। আমার মতামত দেওয়ার থাকলে তাদের কাছেই দেব। তবে আমার কর্তব্য থেকে সরে যাব না।”

বুধবার জয়ের পর প্রথমবারের মতো নন্দীগ্রামে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমি ২০১১-এর পরিবর্তনে ছিলাম। আর এবার আসল পরিবর্তনে থাকলাম। ধৈর্য ও সহ্য—এই দুটো মন্ত্র মেনে চলুন। আমরা এমন ভালো কাজ করব যে, ১০০ বছর বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে।”

তিনি স্থানীয় জনগণকে আশ্বস্ত করে জানান, আসন যেটিই ছাড়ুন না কেন নন্দীগ্রামের মানুষের তিনি আজীবন কাজ করে যাবেন।

১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা দেবে এডিবি অর্থমন্ত্রী জানালেন

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা) বাজেট সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। পাশাপাশি প্রকল্প সহায়তায় প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার উজবেকিস্তানের সমরখন্দে এডিবির বার্ষিক সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করতে গেলে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর পূর্ণ সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকারের ম্যানিফেস্টোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সব ধরনের প্রোগ্রাম, সহায়তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থমন্ত্রী জানান, বাজেট সহায়তার এই পরিমাণ ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তে পারে।

আমির খসরু আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। কারণ, সরকার পরিবর্তনের পর স্বল্প সময়ে বাজেট প্রস্তুত করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী সময় থেকে পাওয়া দুর্বল অর্থনৈতিক সূচক, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার চাপ মোকাবিলা করেই বাজেট দিতে হচ্ছে। বাস্তবিক অর্থে দেড় মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রস্তুত করা কঠিন কাজ। আসন্ন বাজেটে অর্থনীতির ‘ডেমোক্রেটাইজেশন’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া

হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতে অনেক গোষ্ঠী বাজেট সুবিধার বাইরে ছিল। এবার প্রতিটি গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে তাদের কাছে অর্থনৈতিক সুফল পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট এবং বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে সামগ্রিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতেও বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। এই প্রেক্ষাপটে এডিবির কাছে আরও বেশি আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

সমরখন্দে অনুষ্ঠিত এডিবির গভর্নরস বিজনেস সেশনে তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। তিনি এডিবির সময়োপযোগী বাজেট সহায়তার প্রশংসা করেন এবং বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় কাউন্টার-সাইক্লিক্যাল অর্থায়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

নিজামীর ছেলে যোগ দিলেন এনসিপিতে

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ড. মো. নাদিমুর রহমানসহ অনেকে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামটরের রূপায়ণ টাওয়ারে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘রাজনীতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকের যোগদান’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন হয়।
এতে ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এম এইচ আরিফসহ বিভিন্ন পেশাজীবী এনসিপিতে যোগ দেন। এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গঠিত ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’-এর নেতারাও দলটিতে যুক্ত হন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনের সভাপতি মো. সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান জিসান ও সহসভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম গাজী।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপির বর্তমান রাজনীতিতে অসন্তোষ বাড়ছে, যা তাদের নতুন প্রজন্মের মধ্যেও প্রতিফলিত হচ্ছে। বিএনপির অনেক বড় নেতার সন্তানরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এমনকি স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সন্তানরাও জানাচ্ছেন, তাদের কাছে বর্তমান রাজনীতি গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে তাদের কাউকে কাউকে এনসিপিতে দেখা যেতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা সরকারি দল থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম যে, তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবে। তবে এখন দেখছি, তারা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিগত দিনে যারাই জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতারণা করেছে, তারা বেশিদিন টিকতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে জানে।

আসিফ মাহমুদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন না দিয়ে তারেক রহমান ঠিক এরশাদের মতোই দেশ চালাতে চাইছেন। সারাদেশে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার এই পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে। যারা নির্বাচনে পরাজিত বা মনোনয়নবঞ্চিত, তাদের দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান চালানো হচ্ছে। আমরা আহ্বান জানাব, দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে এই অচল অবস্থা দূর করুন। এরশাদের মতো দেশ চালালে এরশাদের মতোই পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।
তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে উগ্রপন্থিরা ক্ষমতায় আসায় আগামীতে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে শঙ্কা আছে। তবে আমরা তাদের আহ্বান জানাতে চাই, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আপনারা কথা না বললেই ভালো। আমাদের বিষয় দেখার জন্য আমরাই যথেষ্ট।

জামায়াত জোট কতদূর যাবে

এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বললেও সংবিধান সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থাকবে। জামায়াত ছাড়াও জোট শরিক এনসিপি, এবি পার্টিসহ কয়েকটি দল স্থানীয় নির্বাচনের জন্য এককভাবে প্রার্থী ঠিক করায় কর্মী-সমর্থকদের টানাপোড়েন আছে। তবে গণভোটের রায় বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া ১১ দল সংসদের ভেতরে এবং রাজপথে জোটবদ্ধ থেকে এগোবে।

জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলের নেতারা সমকালকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, সংবিধান সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান ব্যবস্থার ধারাবাহিকতার বিকল্প নেই। বিএনপি সরকার যদি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে গণভোটকে সম্পূর্ণ অবজ্ঞা করে সংবিধান সংশোধনের দিকে এগোয়, তবে বিরোধী জোট রাজপথের কর্মসূচিতে যাবে। এর আগ পর্যন্ত মিছিল, সমাবেশ, জনমত গঠনের মতো কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।

পাঁচ দিনে গ্রেপ্তার ২৬২২, চিহ্নিত দাগিরা অধরা

অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও অনলাইন জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আগাম ঘোষণা দিয়ে ১ মে থেকে দেশব্যাপী এই অভিযান চলছে।

গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ সদরদপ্তর থেকে প্রাপ্ত বিশেষ অভিযানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রথম পাঁচ দিনে সারাদেশে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই হাজার ৬২২ জনকে। তাদের মধ্যে রাজধানীতে ৪৪৯ জন। পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের তালিকাভুক্ত ৮৩ চাঁদাবাজ, তালিকাবহির্ভূত ১৩২, ছিনতাইকারী, ডাকাতিসহ নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ১৬০ ও মাদক কারবারি ৭৪ জন। বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ১৮টি।