বাংলাদেশে হিন্দু আন্দোলনের পথিকৃৎ শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভু দীর্ঘদিন জেলে, কবে তিনি মুক্তি পাবেন তা কেউ জানেনা। কারণ তিনি রাজনৈতিক রোষানলে জেল খাটছেন। তিনি এডভোকেট আলিফ হত্যা মামলার আসামী। এডভোকেট আলিফ যখন জামাতীদের হাতে নিহত হন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস তখন জেলে। তবু তিনি আসামী। এক শুনানিতে প্রভু বলেছেন, ‘মহামান্য আদালত, জীব হত্যা না করার জন্যে আমি মাছ-মাংস খাইনা, অথচ আমার বিরুদ্ধেই হত্যা মামলা দেয়া হলো’। বিচারক অবশ্য সবই বুঝেন, শুধু বলেছেন, ‘আমি সরকারি চাকুরী করি’। এমুহুর্তে শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস’র প্রসঙ্গ টানার কারণ হচ্ছে, চিন্ময় প্রভু জেলে, তাঁর মা অসুস্থ। মাস খানেক ধরে ভদ্রমহিলা একবার হাসপাতাল, আর একবার বাসায় যাচ্ছেন-আসছেন। একদিকে তিনি ছেলের চিন্তায় অস্থির, তদুপরি তাঁর ‘ল্যাং-ক্যান্সার’ ধরা পড়েছে। প্রাথমিক ষ্টেজ, ডাক্তার তাকে একটি ‘কেমো’ দিয়েছেন। এতে তিনি আরো কাহিল হয়ে পড়েছেন। এই কেমো দেয়া নিয়েও কথা উঠেছে, অন্য এক ডাক্তার প্রশ্ন তুলে বলেছেন, এ কেমো’র প্রয়োজন ছিলো কি? আমরা অধম সন্তান, এই মায়ের জন্যে কি আমাদের কিছুই করার নেই?



