Home Blog Page 100

ট্রাম্পের সামনে দুটি পথ—অসম্ভব অভিযান অথবা বাজে চুক্তি: আইআরজিসি

শান্তি আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যখন সেটি পর্যালোচনার কথা বলছেন, তখন তাঁকে উদ্দেশ্য করে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

রোববার আইআরজিসির গোয়েন্দা সংস্থা বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে এখন দুটি পথ খোলা আছে। প্রথমত, ইরানে ‘অসম্ভব’ অভিযান পরিচালনা করা। দ্বিতীয়ত, একটি ‘বাজে’ চুক্তি করা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন এই দুটির যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটনের কোণঠাসা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেছে আইআরজিসির সংস্থাটি। এতে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের প্রতি চীন, রাশিয়া ও ইউরোপের মনোভঙ্গির পরিবর্তন হচ্ছে। একইসঙ্গে মার্কিন নৌ-অবরোধের বিপরীতে ইরানি সময়সীমার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

আইআরজিসির এই বিবৃতি এলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের শনিবার করা এক মন্তব্যের পর। ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। প্রস্তাবটি তিনি খতিয়ে দেখবেন। কিন্তু মেনে নেবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। আগামী দিনগুলোতে ইরানে হামলা হলেও হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

মে মাসের এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ বিইআরসির

মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আজ রোববার এ দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানায়, মে মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এর আগে গত মাসে দুইবার সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। গত ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এরপর গত ১৯ এপ্রিল ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

এদিকে, রোববার মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ২ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত মাসে দুইবার সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দামও। গত ২ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে ১৭ টাকা ৯৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এর গত ১৯ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে ৯ টাকা ৭৩ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করে বিইআরসি।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক’, সিএনএন ‘নির্বোধ’: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এবং সিএনএন-এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি সিএনএন-কে ‘নির্বোধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। দেশটির অন্য আরেকটি প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনকে বলেছেন ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক’।

আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসের একটি অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেছেন।

সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ইরানকে ‘সামরিকভাবে পঙ্গু’ করে দিয়েছেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ক্ষমতা সীমিত করার ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রচেষ্টারও সমালোচনা করেন।

ট্রাম্প জানান, তিনি প্রতিদিন তার দেশের সামরিক বাহিনী কতটা ভালো করছে তা পড়েন। তিনি বলেন, ‘তারপরেও আমি দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এবং ‘নির্বোধ’ সিএনএন দেখি— কারণ আপনাকে শত্রুদের একটু হলেও দেখতে হবে।’

যুদ্ধ নিয়ে তাদের প্রতিবেদনের সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, এই দুটি সংবাদমাধ্যমের কভারেজ দেখে মনে হয় যে ইরান ‘যুদ্ধে জয়ী হচ্ছে’ ।

তিনি বলেন, আপনি যদি দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পড়েন— আমার মতে এটি আসলে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক’। আপনি এদের কিছু কলামিস্টের লেখা পড়তে পারেন, তবে এর সবকিছু ওপর থেকেই শুরু হয়। এটি একটি ভয়ানক ব্যাপার।

এসবের কোনোকিছুই তোয়াক্কা করেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে, দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় পর্ষদ মন্তব্য করেছিল, ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘তার ধার হারাচ্ছে’। তারা যুক্তি দিয়েছিল, কৌশলগত অর্জনগুলো সামগ্রিক বিজয়ে রূপান্তরিত হয়নি। এর ফলে ওয়াশিংটনের অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে।

মহান মে দিবসে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন কবিতা ও নৃত্যে উঠে এলো শ্রমজীবী মানুষের বঞ্চনা

মহান মে দিবস উপলক্ষে গত শুক্রবার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন ‘তূর্যশিকড়’-এর উদ্যোগে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। ওইদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর ছায়ানট মূল মিলনায়নে ‘মানুষের শ্রম, মানুষের জয়’ শীর্ষক এই আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লেখক ও সংস্কৃতিকর্মী মফিদুল হক। তিনি বলেন, তূর্যশিকড়ের এই আয়োজন বাঙালি সংস্কৃতির শিকড়কে আরও দৃঢ় করবে। সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাটকের সমন্বয়ে এক মনোরম প্রযোজনা উপস্থাপন করা হয়। বিশেষ করে কবিতা ও গানে শ্রমজীবী মানুষের বঞ্চনা, অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং তাদের জীবন বাস্তবতা শক্তিশালীভাবে তুলে ধরা হয়। তুর্যশিকড়ের নিজস্ব নৃত্য, কবিতা ও গানের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী অন্যান্য সাংস্কৃতিক দল জলতরঙ্গ, স্বনন ঢাকা, নৃত্য নিকেতন, গানের তরী বাংলাদেশ, ঢাকা ড্যান্স অ্যান্ড আর্ট সেন্টার ও মুক্তধারা নাট্য সম্প্রদায়ের পরিবেশনাও ছিল নান্দনিক।

এই আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সারওয়ার হোসেন, সাংস্কৃতিক সংগঠক সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান এবং শিক্ষক, গবেষক, ও সংগঠক মিরুনা বানু। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা লেখক ও সংগঠক মাহফুজুর রহমান।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তুর্যশিকড়ের সভাপতি সুমনা শিল্পী প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি এবং অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের সম্মাননা স্মারক, উত্তরীয় ও উপহার দেন। তিনি ভবিষ্যতেও এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আগামী অর্থবছরে ব্যয়সাশ্রয়ী বাজেটের পরামর্শ ফাহমিদা খাতুনের

রাজস্ব আয়ে বড় অঙ্কের ঘাটতি থাকায় আগামী অর্থবছরে ব্যয়সাশ্রয়ী বাজেটের পরামর্শ দিয়েছেন গবেষণা সংস্থা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, যেহেতু ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংযমী না হলে সরকারকে প্রচুর ঋণ করতে হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হলে তা হবে অর্থনীতির জন্য আত্মঘাতী। বাজেটে ঘাটতি পূরণে আন্তর্জাতিক উৎসগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ তার।

শনিবার এফডিসিতে জীবনযাত্রায় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিয়ে শিক্ষার্থীদের এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মত দেন ফাহমিদা খাতুন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অস্থির পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণকে স্বস্তি দিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় আমদানি পণ্যের ওপর কর তুলে দেওয়া যেতে পারে। তবে বাজার ব্যবস্থাপনা দুর্বল থাকলে এর ফলাফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না। রোজার মাসে আমদানি করা পণ্যের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স কমানোতে ভোক্তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিল।

তার মতে, বর্তমান সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড প্রদান আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ। তবে এর সুফল পেতে উপকারভোগী নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অতীতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। নিম্নবিত্তের জীবনকে সহায়তা করতে ভর্তুকি দেওয়া প্রয়োজন। তবে ভর্তুকি লক্ষ্যভিত্তিক হতে হবে। কৃষি, সেচ ও গণপরিবহনের মতো খাতগুলোতে ভর্তুকি প্রদানে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

প্রেম, কষ্ট ও স্বপ্ন–সবকিছুই বাস্তবে ফুটে উঠেছে: পূজা চেরি

গত ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া নায়িকা পূজা চেরির সিনেমা ‘দম’ এখনো দেশের প্রেক্ষাগৃহে চলমান।  এ সিনেমায় ভিন্নধর্মী ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্র অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছেন তিনি। ‘দম’ সিনেমার রেশ কাটতে না কাটতেই এলো পূজার আরও এক সিনেমা মুক্তির ঘোষণা। নাম ‘নাকফুলের কাব্য’।

আজ দুপুরে সিনেমাটির পোস্টার উম্মোচন করে প্রযোজনা সংস্থা জানায়, আসছে ঈদুল আযহায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে পূজা চেরি অভিনীত চলচ্চিত্র ‘নাকফুলের কাব্য’। এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে আদর আজাদকে।

আলোক হাসান পরিচালিত ও ফেরারী ফরহাদের গল্প-সংলাপে নির্মিত ‘নাকফুলের কাব্য’-সিনেমায় সমাজপতিদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে একটি অমর প্রেম ও বিরহের গল্প উঠে এসেছে।

সিনেমাটি নিয়ে পূজা চেরি বলেন, ‘এই গল্পটি আমার হৃদয়ের খুব কাছের। এখানে প্রেম, কষ্ট আর স্বপ্ন-সবকিছুই খুব বাস্তবভাবে ফুটে উঠেছে। আমি বিশ্বাস করি দর্শকরা চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে নিতে পারবেন এবং সিনেমাটি তাদের মনে দাগ কাটবে।’

প্রযোজনা সংস্থা বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, ‘‘বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড সবসময়ই নান্দনিক ও পারিবারিক সিনেমা নির্মাণের প্রতি যত্নশীল ও দায়বদ্ধ। আমরা সবসময় এমন গল্প তুলে ধরতে চাই যা আমাদের সংস্কৃতি ও আবেগকে ধারণ করে। ‘নাকফুলের কাব্য’ সেই চেষ্টারই একটি অংশ। এটি শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং আমাদের মানুষের গল্প, যা পরিবার নিয়ে বসে উপভোগ করার মতো একটি নির্মাণ।”

রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার ‘নাকফুলের কাব্য’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, কাজী কানিজ, লুৎফর রহমান জর্জ, শিখা মৌ, আলীরাজসহ অনেকে।

এদিকে ঈদুল আযহায় পূজা চেরি অভিনীত ‘মাসুদ রানা’ সিনেমাও মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এতে পুরোদস্তুর অ্যাকশন গার্লের ভূমিকায় দেখা যাবে পূজাকে।

সিনেমায় নিজের অভিনয় নিয়ে পূজা চেরি বলেছিলেন, ‘আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। এ জন্য ফাইট প্র্যাকটিস করছি। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সোহানার মতো অভিনয় করছি। আমার আগের সিনেমাগুলোয় দর্শক যেভাবে আমাকে দেখছেন, এ সিনেমাতে ভিন্ন এক পূজাকে দেখবেন। পুরো একজন অ্যাকশন লেডি হিসেবে দর্শক দেখতে পাবেন আমাকে।’

মাসুদ রানা সিনেমার বেশিরভাগ শুটিং শেষ হয়েছিল প্রায় পাঁচ বছর আগে। বাকি ছিল একটি গান ও কয়েকটি দৃশ্যধারণের কাজ। অবশেষে সব জটিলতা কাটিয়ে সম্প্রতি শুরু হয়েছে বাকি থাকা শুটিং।

কলা নাকি খেজুর, কোনটি বেশি উপকারী?

কলা ও খেজুর দুই-ই স্বাস্থ্যকর। এ দুটি ফল শক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে। কলায় রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি। অন্যদিকে খেজুরে থাকে প্রাকৃতিক চিনি, আঁশ (ফাইবার), আয়রন ও ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। এছাড়া খেজুরে ক্যালোরি তুলনামূলক বেশি, তাই এটি শক্তির উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে কাজ করে।

শক্তি বাড়াতে
যদি দ্রুত শক্তি বাড়াতে চান, তাহলে খেজুর খান। এতে থাকা গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ দ্রুত শরীরে শক্তি জোগায়। অন্যদিকে কলা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে।

হজমের জন্য
খেজুরে উচ্চমাত্রার ফাইবার থাকায় এটি হজমে সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। কলা, বিশেষ করে সামান্য কাঁচা অবস্থার কলা, অন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ভালো ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে
কলা তুলনামূলক কম ক্যালোরিযুক্ত এবং দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি ভালো বিকল্প। খেজুর পুষ্টিকর হলেও এর মিষ্টি স্বাদ ও বেশি ক্যালোরির কারণে সহজেই বেশি খেয়ে ফেলার ঝুঁকি থাকে।

হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায়
কলা ও খেজুর উভয়েই হার্টের জন্য উপকারী। কলা উচ্চ পটাশিয়ামের কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। খেজুর কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক এবং এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদ্‌যন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে
খেজুরের গ্লাইসেমিক লোড বেশি, তাই অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। কলার গ্লাইসেমিক সূচক মাঝারি, তাই যারা রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য এটি তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প।

বাংলাদেশের বড় হারে সমতায় সিরিজ শেষ নিউজিল্যান্ডের

অল্প পুঁজিতেও জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। শরিফুল ইসলামের আগুনে স্পেলে মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল নিউজিল্যান্ড। তবে জীবন পেয়ে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন বেভন জ্যাকবস। তার অপরাজিত ফিফটিতে ২০ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শরিফুল ইসলামের তোপের মুখে পড়ে নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডার। নিজের প্রথম দুই ওভারেই ৩ উইকেট শিকার করে কিউইদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন এই বাঁহাতি পেসার। শেখ মেহেদী হাসান কিউই অধিনায়ক নিক কেলিকে বিদায় করলে ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারায় কিউইরা। মিরপুরের গ্যালারি তখন সিরিজ জয়ের গন্ধে মাতোয়ারা।

বিপর্যয় থেকে নিউজিল্যান্ডকে টেনে তোলেন বেভন জ্যাকবস ও ডিন ফক্সক্রফট। তবে এই জুটিকে থামাতে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশেষ করে ৪৫ রানে থাকা অবস্থায় জ্যাকবসের ক্যাচ মিস করেন শেখ মেহেদী হাসান। জীবন পেয়ে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন জ্যাকবস। এরপর রিশাদ হোসেনের বলে সীমানায় তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচ তো নিতেই পারেননি, উল্টো তার হাত লেগে বল সীমানার বাইরে চলে গেলে জ্যাকবস ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পূর্ণ করেন।

পঞ্চম উইকেটে জ্যাকবস ও ফক্সক্রফটের ৪০ বলে ৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ম্যাচটি বাংলাদেশের হাত থেকে কেড়ে নেয়। ৩১ বলে ৬২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন জ্যাকবস। অন্য প্রান্তে ১৫ বলে ১৫ রান করে সঙ্গ দিয়েছেন ফক্সক্রফট। ১১.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কিউইরা।

প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশ জিতেছিল এবং দ্বিতীয় ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ৩ ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হলো। শরিফুল ইসলাম ৩ উইকেট নিয়ে একাই লড়াই চালিয়ে গেলেও বাকিদের ব্যর্থতায় শেষটা রাঙাতে পারল না বাংলাদেশ।

শরিফুলের পর আক্রমণে এসে সফল হয়েছেন শেখ মেহেদী হাসানও। কিউই অধিনায়ক নিক কেলি ৫ বলে মাত্র ১ রান করে মেহেদীর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন। এতে ৪ উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

৭ বলে শরিফুলের ৩ উইকেট

নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ক্লিন বোল্ড করে দেন ওপেনার টিম রবিনসনকে। এর ফলে মাত্র ৭ বলের ব্যবধানে ৩ উইকেট নেন এই  পেসার।

শরিফুলের এক ওভারে দুই শিকার

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই আঘাত হানেন শরিফুল। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাটেনে ক্লার্ককে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করেন তিনি। একই ওভারের শেষ বলে আবারও উৎসব বাংলাদেশের। এবার তার শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে ডেন ক্লেভার পরাস্ত হলে আম্পায়ার আউট দেননি। তবে অধিনায়ক লিটন দাসের রিভিউতে দেখা যায় বল ব্যাটের কানায় লেগেছে। এক ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে কিউইদের চাপে ফেলেন শরিফুল।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না বাংলাদেশের। সাইফ হাসানের (১৬) কল্যাণে ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২১ রান তোলে টাইগাররা। তবে চতুর্থ ওভারেই ধাক্কা দেন জেইডেন লেনক্স। সাইফের বিদায়ের পর পঞ্চম ওভারে শুরু বাংলাদেশ ভুগে নাথান স্মিথে। ওভারের তৃতীয় বলে তানজিদ হাসান তামিমকে (৬) বোল্ড করার পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমনকে (০) ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান তিনি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখনই চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

বৃষ্টির পর অধিনায়ক লিটন দাস আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করেন। ৩টি চার ও ১টি ছয়ে ১৭ বলে ২৬ রান করে তিনি ক্লার্কসনের শিকার হলে বড় সংগ্রহের আশা ফিকে হয়ে যায়। এক প্রান্ত আগলে রাখা তাওহিদ হৃদয় সর্বোচ্চ ৩৩ রানের ইনিংস খেললেও অন্য প্রান্ত থেকে যোগ্য সমর্থন পাননি। শামীম পাটোয়ারী (৩) রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিলে মিডল অর্ডার পুরোপুরি ধসে পড়ে।

ইনিংসের শেষ দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও রিশাদ হোসেনরা রানের গতি বাড়াতে পারেননি। ১৫তম ওভারের প্রথম দুই বলে শরিফুল ও রিপন মণ্ডলকে বোল্ড করে বাংলাদেশের ইনিংস ১০২ রানে গুটিয়ে দেন বেন সিয়ার্স। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে জশ ক্লার্কসন ৩টি, বেন সিয়ার্স ও নাথান স্মিথ ২টি করে উইকেট শিকার করেন। একটি করে পান জেইডেন লেনক্স ও ইস সোধি।

বৃষ্টির কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে ১৫ ওভারে। কিন্তু ৪ বল বাকি থাকতেই ১০২ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় আজকের এই ম্যাচটিই অলিখিত ফাইনাল।

ফসলহানির শোকে অসুস্থ হয়ে কৃষকের মৃত্যু

নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে নিজের ছয় বিঘা জমির পাকা ধান পানির নিচে ডুবে যেতে দেখে জমির আইলে লুটিয়ে পড়েন আহাদ মিয়া (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি গোয়ালনগর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের হরমুজ আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে শ্রমিক নিয়ে জমিতে ধান কাটতে গিয়ে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। সকালে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে গিয়ে নিজের জমির পাকা ধানের তলিয়ে যাওয়া দৃশ্য দেখে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তিন সন্তানের জনক আহাদ মিয়া ধারদেনা করে ছয় বিঘা জমি আবাদ করেছিলেন।

ওই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আহামেদ আলী। তিনি বলেন, চোখের সামনে সব শেষ হয়ে যেতে দেখে মানুষটা সহ্য করতে পারেনি।

নিহত কৃষকের ভাতিজা মোহাম্মদ ফারুক আহমেদও তার চাচার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গোয়ালনগর ইউনিয়নের সোনাতলা, ঝামারবালি ও কদমতলি—এই তিন গ্রাম মিলিয়ে অন্তত তিন হাজার বিঘা জমি নতুন করে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে শুধু সোনাতলা গ্রামেই দেড় থেকে দুই হাজার বিঘা জমি ডুবে গেছে। ঝামারবালি ও কদমতলিতেও বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

‘মায়া লাগে, তাই জমিতে আসি’—চোখের সামনে পাকা ধান ডুবতে দেখি। কথাগুলো বলতেই কণ্ঠটা কেঁপে ওঠে মো. নজরুল ইসলামের। পুটিয়া বিলের পাঁচ বিঘা জমিতে স্বপ্ন বুনেছিলেন তিনি। দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ, ধারদেনা, এনজিও থেকে ঋণ—সব মিলিয়ে একটাই আশা ছিল, পাকা ধান ঘরে তুলবেন। পরিবারের সারা বছরের খরচ ও এনজিওর কিস্তি পরিশোধ করবেন। কিন্তু সেই ধানই যখন চোখের সামনে পানির নিচে তলিয়ে যেতে থাকে, তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেননি।

জমির আইলেই হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। পাশে থাকা কৃষকেরা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে প্রাণে বাঁচেন।

ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের এই ঘটনার মতোই আরও শত শত কৃষক পাকা ধান হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। কারও চোখে জল, কারও কণ্ঠে হতাশা, আবার কারও শরীরই আর এই ধাক্কা নিতে পারছে না। তলিয়ে যাওয়া জমি দেখে অসুস্থ হয়ে আরও দুজন কৃষক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সোনাতলা গ্রামের কৃষক খলিল মিয়া বলেন, ১০ বিঘা জমি করছিলাম ঋণ নিয়ে। এখন ৮ বিঘাই পানির নিচে। এই অবস্থায় পরিবার নিয়ে এলাকায় থাকা কঠিন হয়ে যাবে।

ঝামারবালি গ্রামের কৃষক শাহাজান মিয়ার কণ্ঠেও আক্ষেপের কথা। তিনি বলেন, নির্বাচন এলে সবাই আসে, কিন্তু এখন কেউ নেই। কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনার তালিকা হলেও আমাদের এলাকার হাজার হাজার কৃষক বঞ্চিত।

কৃষক রহমত আলী বলেন, তিন বিঘা জমি কেটে এনেছি ৪ দিন হয়েছে। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে সব ধান পচে গন্ধ বের হচ্ছে। বাকি চার বিঘা জমি পানির নিচে আছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান সাকিল জানান, দুই দিন আগেও প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি তলিয়ে গিয়েছিল। টানা বৃষ্টিতে আরও দুই থেকে তিন হাজার বিঘা জমি নতুন করে তলিয়েছে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। একজন কৃষকের মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে আমাদের এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে নিহতের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন বলেন, একজন কৃষকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি, আরও কয়েকজন স্ট্রোক করে চিকিৎসাধীন আছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। কৃষি কর্মকর্তাকে সরেজমিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে প্রকৃত কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যেদিকে তাকাই দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি, সামনে এগোতে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারে আসার পর যেদিকে তাকাই শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখতে পাই। সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এসব বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজধানীর শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্টবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নতুন করে বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে। জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে নানা বাহাস হচ্ছে। তা ভালো, কিন্তু এগুলোকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, আমাদের দরকার জিয়াউর রহমানের ওপর গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আমার চাপে জিয়া পরিষদ কয়েকটি বই করেছে। তারা গবেষণামূলক কাজ করুক, সেটি প্রত্যাশা। বাংলাদেশে নিয়ম হয়েছিল, তদবির ছাড়া কাজ হয় না। এটি ১৫ বছরে হয়েছে। অনেকে ভাইস চ্যান্সেলর হতে তদবির করেছেন- এটা দুঃখজনক। এটি সিস্টেমের দোষ। মূলত মেধা ও বুদ্ধিমত্তা ছাড়া সামনে এগোনো যায় না।

বিএনপির মহাসচিব, জুলাই সনদের প্রতিটি জায়গায় আমরা ছিলাম। আমরা কিছু জায়গায় নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি। স্বাক্ষরও করেছি। এখন অবলীলায় বলছে, সবটাই করতে হবে। উচ্চকক্ষে পিআরে আমরা একমত হইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়েও আমরা একমত হইনি। সবকিছু সংসদে করতে হবে।

তিনি বলেন, অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন বিএনপি সংস্কার মানে না। অথচ বিএনপিই সংস্কারের জনক। জিয়াউর রহমান প্রথম সংস্কার এনেছিলেন। তারা মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন, জামায়াত এটা নিয়ে আন্দোলনও করছে। উদ্দেশ্য, বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা। আইনমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনে কমিটির নাম চেয়েছেন। আশা করি, দ্রুত তারা নাম দেবে।

তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতিতে মেধাবীদের যুক্ত করতে হবে। সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে হবে। না হলে এটি অতীতের মতো আগামীতেও ক্ষতি করবে।