Home Blog Page 13

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

০

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, খাঁটি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৩৪২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন মূল্য ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অলংকারের ডিজাইন ও কারুকাজভেদে মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে। রুপার অলংকারের ভ্যাট বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে।  ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ২০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সরকারি অর্থায়নে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকার ইলেকট্রিক জিপ কেনা যাবে

০

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও পাবলিক সেক্টর করপোরেশনে কর্মরত কর্মকর্তাদের জন্য সরকারি অর্থায়নে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের ফুল ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (এফইভি) জিপ কেনা যাবে। সরকারের জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড-২ বা এর ওপরের লেভেলের কর্মকর্তারা রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ সর্বোচ্চ এই দামের গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।

সম্প্রতি কোন গ্রেডের কর্মকর্তারা কত দামের ইভি ব্যবহার করতে পারবেন, তা উল্লেখ করে নির্দেশনা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।

এতে গ্রেডভেদে কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ির তিনটি ধরন ও মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জিপ ও কার কেনার অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে এই মূল্যসীমা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রেড-৩ বা এর নিচের গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য প্রতিটি জিপ গাড়ির সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা। উপসচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পর্যন্ত বা সমমানের পদে কর্মরতরা সরকার থেকে গাড়ি সুবিধা পান। তাদের মধ্যে যারা সরকার থেকে সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে গাড়ি নেননি, তাদের জন্য সরকার থেকে গাড়ি সুবিধা দেওয়া হয়।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারি অর্থায়নে কর্মকর্তাদের জন্য ইভি কেনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরিবেশ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ইভি আমদানির শুল্ক-করও কমিয়েছে।

রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের এফইভির মোটর পাওয়ার হবে কমপক্ষে ২০০ কিলোওয়াট। ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমপক্ষে ৫৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা এবং রেঞ্জ হবে কমপক্ষে ৪৩০ কিলোমিটার। এছাড়া ৮ বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টিসহ চার্জিং (ডিসি ফাস্ট) কমপক্ষে ৮০ কিলোওয়াট হতে হবে।

অন্যদিকে, রেজিস্ট্রেশন, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের এফইভির মোটর পাওয়ার হবে কমপক্ষে ১৫০ কিলোওয়াট। এর ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমপক্ষে ৫৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা এবং রেঞ্জ হবে কমপক্ষে ৪০০ কিলোমিটার। এছাড়া ৮ বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টিসহ চার্জিং (ডিসি ফাস্ট) কমপক্ষে ৮০ কিলোওয়াট হতে হবে।

আর কারের মোটর পাওয়ার হবে কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট, ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমপক্ষে ৫০ কিলোওয়াট-ঘণ্টা এবং রেঞ্জ হবে কমপক্ষে ৪০০ কিলোমিটার। এছাড়া ৮ বছরের ব্যাটারি ওয়ারেন্টিসহ চার্জিং (ডিসি ফাস্ট) কমপক্ষে ৮০ কিলোওয়াট হতে হবে।

হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা রিফাত চৌধুরী

০

আশির দশকের কবি ও অভিনেতা রিফাত চৌধুরী শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রিফাত চৌধুরীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে দুর্বলতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা ও নিদ্রাহীনতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন এই অভিনেতা। তার চিকিৎসা চলছে এবং দ্রুত সুস্থতার জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রিফাত চৌধুরী দীর্ঘ অভিনয়জীবনে পাঁচ শতাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন। ‘হাউসফুল’, ‘এইম ইন লাইফ’, ‘পাটিগণিত’, ‘ফোর টোয়েন্টি’, ‘সিক্সটি নাইন’, ‘বনমানুষ’, ‘বাইসাইকেল’, ‘৪২০’, ‘ক্যারাম’, ‘মুড়ির টিন’সহ বহু জনপ্রিয় নাটকে তার অভিনয় দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। বিশেষ করে ‘সিক্সটি নাইন’ নাটকের ‘জাতীয় কাকা’ চরিত্রটি তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

অভিনয়ের পাশাপাশি কবি হিসেবেও রিফাত চৌধুরীর রয়েছে দীর্ঘ পথচলা। ১৯৮৪ সালে ‘আলিঙ্গনের নাম’ কবিতার মাধ্যমে তার কবিতার জগতে প্রবেশ। এ পর্যন্ত তার ২৯টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে অসুস্থ রিফাত চৌধুরী আবার অভিনয়ে ফিরতে এবং কবিতা লিখতে চান। তার চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য সহকর্মী, বন্ধু এবং শিল্প-সাহিত্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

অপ্রতিম হত্যা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৩ জন আটক, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

০

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রথমে তুহিন নামে এক তরুণকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দু’জনকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস। তিনি জানান, অপ্রতিমের নিখোঁজের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে অপ্রতিমের সঙ্গে তুহিনকে দেখা যায়। পরে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে। দুইজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে, ফাহিম আহমেদকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। তিনি বলেন, তুহিন ও আনাসকে আটকের পর ফাহিমকে আটক করা হয়। আটক তুহিনের বাড়ি সানন্দা এলাকায়। তার বাবার নাম নুরুল আলম। অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার সময় অপ্রতিমের সঙ্গে এক তরুণকে দেখা যায়। ওই ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। পরে তার বাবা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অপ্রতিমের মুঠোফোনের অবস্থান শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত গন্ধমতী এলাকায় শনাক্ত হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এরপর ফোনটির আর কোনো অবস্থান পাওয়া যায়নি।

আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মরদেহের সঙ্গে অপ্রতিমের মায়ের আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান। তার মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটির রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর কথা জানিয়েছে পুলিশ।

এক জীবনে আর কি চাই!

০

এক জীবনে আর কি চাই!

বাংলাদেশে জন্ম নিয়ে এ জীবনে কত কিছু দেখলাম। পাকিস্তান ভাঙ্গা দেখলাম। স্বাধীন বাংলাদেশ দেখলাম। বঙ্গবন্ধুকে দেখলাম, তাঁর দেশে ফিরে আসা দেখলাম, তার শাসনামল দেখলাম, তাঁর মৃত্যু দেখলাম। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মেজর জিয়ার নির্মম হত্যাকান্ড দেখলাম। সাত্তারকে দেখলাম, বিনা রক্তপাতে এরশাদের ক্ষমতা গ্রহণ দেখলাম। নূর হোসেনের ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লেখার কারণে পুলিশের গুলীতে হত্যা দেখলাম। শেখ হাসিনা’র আগমন দেখলাম। এরশাদ বিরোধী আন্দোলন দেখলাম। এরশাদের পতন দেখলাম। খালেদা জিয়ার উত্থান দেখলাম। পতন দেখলাম। তত্বাবধায়ক সরকার দেখলাম, এর বিলুপ্তি দেখলাম। নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস দেখলাম। বিচার বিভাগ, মিডিয়া, শিক্ষা ব্যবস্থার ধ্বংস দেখলাম। শেখ হাসিনা’র শাসন দেখলাম, ক্ষমতাচ্যুতি দেখলাম। জুলাই ষড়যন্ত্র ও মব ভায়োলেন্স দেখলাম। জামাতের গর্তে থেকে বেরিয়ে এসে ক্ষমতার কাছাকাছি চলে আসা দেখলাম। বিশ্ব-বাটপার ইউনূসের দেশ-বিক্রী দেখলাম। এখন দেখছি তারেক জিয়ার উত্থান। এক জীবনে আর কি চাই? আপাতত: দু’টি জিনিষ দেখার অপেক্ষা (১) জুলাই জঙ্গীদের শেষ পরিণতি (২) শেখ হাসিনা’র পুন:-প্রত্যাবর্তন।  

 

ভারত খারাপ, চীন ভাল

পাকিস্তানে কোন কম্যুনিষ্ট নেই, নেই বাম  আন্দোলন। চীনে কোন ইসলামিষ্ট নেই, নেই কোন ইসলামিক জঙ্গী তৎপরতা। কারণ কি? কারণ হচ্ছে, ‘মাইরের ওপর ওষুধ নেই’। বাংলাদেশে সামাজিক সম্প্রীতি বলতে কিছু নেই, কখনো ছিলোনা, আছে শুধু বৈষম্য আর বৈষম্য। চরম ধর্মীয় বিভেদ, বৈষম্য,সাম্প্রদায়িক নির্যাতন থাকা সত্বেও এগুলো কোন ইস্যুই নয়? কারণ হচ্ছে, দেশটা কট্টর সাম্প্রদায়িক, সমাজটা সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্পে ভরপুর, মানুষগুলো মনে ঘৃণা আর ঘৃণা। অন্যদিকে ভারতে আপনি কম্যুনিষ্ট পাবেন, বাম আন্দোলন পাবেন; ইসলামিষ্ট পাবেন, পাকিস্তানপন্থী সন্ত্রাসী পাবেন, ভারত ভাঙ্গার কথাবার্তা শুনবেন। সামাজিক মৈত্রী আছে-বৈষম্যও আছে; সাম্প্রদায়িকতা আছে- ব্যাপক অসাম্প্রদায়িকতা গোষ্ঠী ও চেতনা আছে!! একদল মুসলমানের বিপক্ষে আছে, বিশাল একটি জনগোষ্ঠী মুসলমানের পক্ষে দাঁড়িয়ে কথা বলে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা চীনে আপনি একটি ইহুদি পরিবার পাবেন না, ভারতে বিপুল সংখ্যক ইহুদি নিরাপদে বসবাস করে? অথচ ভারত ভালো না। বাঁশ দিলেও পাকিস্তান ভাল, চীন ভালো। 

 

নেপালে আসলে কি ঘটেছে? 

নেপালে আসলে কি ঘটেছে? সেখানে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা হয়েছে, তিনজন নিহত, পুলিশসহ বেশকিছু মানুষ আহত হয়েছে। ঠিক কি ঘটেছিলো জানা মুশকিল, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিউজ, ভিডিও দেখে যা জানা যায় তা হচ্ছে, দুই সম্প্রদায়ের মানুষ পাশাপাশি তাঁদের ধর্মানুষ্ঠান পালন করছিলো, একদলের বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজে অন্য দলের ব্যাঘাত ঘটে। এনিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি, উত্তেজনা ও পরে সেটি দাঙ্গায় রূপ নেয়। নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ অন্তত: ৮জনকে গ্রেফতার করেছে। নেপাল ল্যান্ডলকড রাষ্ট্র, সীমান্ত ভারত ও চীনের সাথে। ২০২১ সালের জনসংখ্যা জরিপ অনুযায়ী জনসংখ্যা ৩কোটি’র একটু কম, ৮২% হিন্দু, ৯% বৌদ্ধ, মুসলিম ৫.১%, খ্রিষ্টান ৩%। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে দ্রুত মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে, অভিযোগ রয়েছে সেখানে গত দুই দশকে প্রচুর বাংলাদেশী মুসলমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। নেপালে আনুমানিক দেড়লক্ষ মুসলমান আছে, অধিকাংশ সুন্নি। অধিকাংশ মুসলমানের বসবাস দক্ষিণের ‘টেরাই’ অঞ্চলে। বেশকিছু রোহিঙ্গা নেপালে ঢুকে পড়েছে। পাকিস্তানের আইএসআই ও বাংলাদেশী কট্টরপন্থী মুসলমান নেপাল থেকে ভারত বিরোধী অনেক ষড়যন্ত্র পরিচালনা করে থাকে। সম্প্রীতি রাজাকার মামুনুল হক নেপাল গেছেন।  

খ্যাতির মোহে নানা রকম কাণ্ডকীর্তি, ফের মৌসুমীদের ‘আমরা ভাইরাল’

০

শুরু হচ্ছে মৌসুমী হামিদ অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘আমরা ভাইরাল’। ৫২ পর্বের এই ধারাবাহিক নাটকের কাহিনি লিখেছেন আল আমিন স্বপন। পরিচালনা করেছেন সাজিন আহমেদ বাবু।

মৌসুমী হামিদের পাশাপাশি নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশিদ, আবু হুরায়রা তানভীর, সুজাত শিমুল, ফারজানা চুমকি, নাজনীন চুমকি, সেমন্তি, দিলরুবা তুষি, খায়রুল টিটু, আহসান কবির প্রমুখ। আজ থেকে প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২০ মিনিট নাটকটি আজ বাংলাভিশন চ্যানেলে প্রচার হবে।

ছোট একটা বিরতির পর ‘আমরা ভাইরাল’ নাটকের মধ্য দিয়ে আবার ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় শুরু করেছেন মৌসুমী হামিদ।

এই অভিনেত্রী বলেন, ‘খ্যাতির মোহে মানুষ অনলাইন দুনিয়ায় নিজেদের নানা রকম কাণ্ডকীর্তি তুলে ধরছে। আর তা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত জন্ম দিচ্ছে নানা ঘটনার, যা সমাজে দারুণভাবে প্রভাব ফেলছে। বর্তমান সময়ের সেই সত্যটাকে গল্পের আঙ্গিকে এ নাটকে তুলে ধরা হয়েছে। একইভাবে চরিত্রগুলোয় রাখা হয়েছে চেনা মুখের ছায়া। সে কারণে এই নাটকে অভিনয় নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবিনি। আশা করছি, বিনোদনের পাশাপাশি নাটকটি দর্শককে কিছু হলেও ভাবাবে।’

নির্মাতাদের কথায়, সামাজিক মাধ্যমে ‘ভাইরাল’ হওয়া এখন অনেকে কাছে এক ধরনের নেশায় পরিণত হয়েছে। ভালো কাজ করে যেমন মানুষ ভাইরাল হচ্ছেন, তেমনি আলোচনায় আসতে কেউ কেউ বেছে নিচ্ছেন বিতর্কিত কিংবা নেতিবাচক পথ। শুধু ভাইরাল হওয়ার আশায় ভালো-মন্দের তোয়াক্কা না করে নানা কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। হাস্যরসের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সেই প্রবণতা এবং সমাজে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে এ নাটকে; যা বিনোদনের পাশাপাশি দর্শককে সামাজিক বার্তাও দেবে।

বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো নারীরা অশুভ, কেন বললেন তানিশা

০

বলিউড তারকা কাজলের বোন অভিনেত্রী তানিশা মুখোপাধ্যায় মাঝেমধ্যে সমাজ ও নানা বিষয় নিয়ে নিজের মতামত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেন। এবার বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো নারীদের নিয়ে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তানিশার দাবি, এমন নারীরা নারীবাদী হতে পারেন না। বরং তারা অন্য নারীর বিরুদ্ধেই অবস্থান নেন। এমনকি জেনেশুনে বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো নারীদের ‘অশুভ’ ও ‘ক্ষতিকর’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তানিশা লেখেন, ‘বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে যে নারীরা সম্পর্কে জড়ান, তারা নারীবাদী নন। বরং তারা নারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেন। কারণ, অন্য এক নারীর স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো মানে একজন মহিলাকেই অসম্মান করা।’

তবে এমন সম্পর্কে বিবাহিত পুরুষটির দায় কতটা—সেটিও নিজের বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন তানিশা। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই সেই পুরুষও সমানভাবে দায়ী। তার চরিত্রও ভালো নয়। আর যে নারীরা জেনেশুনে বিবাহিত পুরুষের পেছনে ছুটে বেড়ান, তাঁরা অশুভ ও ক্ষতিকর। আমাদের সন্তানদের কাছে তাঁদের আদর্শ হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়।’

তানিশার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়েছেন। একজন লিখেছেন, এ ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ—দুজনেই সমানভাবে দায়ী। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে কারও সংসার ভাঙেন যাঁরা, তাঁরা লিঙ্গনির্বিশেষে দায়ী হয়ে থাকেন।’

গত বছরও নারীবাদ নিয়ে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল তানিশাকে। তখন দেশের সংস্কৃতিতে নারীদের সম্মানের বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতীয় সংস্কৃতিতে নারীদের প্রতি শ্রদ্ধার মূল্যবোধ বরাবরই ছিল। তবে নানা কারণে সমাজে সেই মূল্যবোধের অবক্ষয় হয়েছে।

তানিশা মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়জীবনের শুরু ২০০৩ সালে ‘শশশ…’ সিনেমার মাধ্যমে। ভৌতিক ঘরানার ওই ছবিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন কর্ণ নাথ ও ডিনো মোরিয়া। ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্য পায়নি। পরে ‘সরকার’, ‘নীল অ্যান্ড নিকি’সহ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

অভিনয়ের পাশাপাশি রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস্‌’-এ অংশ নিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন তানিশা। ২০১৩ সালে ‘বিগ বস্‌’-এর সপ্তম মৌসুমে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি। ওই মৌসুমের বিজয়ী হন গওহর খান।

হুতিদের ঠেকাতে ইসরায়েলের সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব: জেরুজালেম পোস্ট

০

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, গোয়েন্দা সহায়তা বিনিময় নিয়ে রিয়াদ ও তেল আবিবের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। হুতিদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার জন্য সৌদির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই সহায়তা দেওয়া হবে। আলোচনাটিতে মধ্যস্থতা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)।

পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্র তাদেরকে বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওই সূত্রের ভাষ্য উভয়পক্ষের মধ্যে ভালো আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে বৈঠকের পর ওই আলোচনা হয়।

মঙ্গলবার এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, হুতিদের হামলার মুখে থাকা সৌদির বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও পরিকল্পনা সহায়তা জোরদারে সেন্টকমের একটি টাস্কফোর্স কাজ করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেন্টকম সৌদি অংশীদারদের সঙ্গে শক্তিশালী নিরাপত্তা জোট বজায় রেখেছে।’

এএফপির প্রতিবেদনটিতে সৌদি-ইসরায়েল বৈঠক ও তাতে সেন্টকমের মধ্যস্থতার প্রসঙ্গ নেই। জেরুজালেম পোস্টও বিষয়টি নিয়ে তাদের প্রতিবেদনে রিয়াদ কিংবা তেল আবিবের দায়িত্বশীল কারও উদ্ধৃতি প্রকাশ করেনি।

একইদিন ইসরায়েলি আরেক গণমাধ্যম হারেৎজ জানিয়েছে, হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে না থাকতে নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কর্মকর্তারা। এর পরিবর্তে হুমকি মোকাবিলায় তারা বৃহত্তর আঞ্চলিক পদক্ষেপের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

জেরুজালেম পোস্ট ও হারেৎজে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

জেরুজালেম পোস্ট ও হারেৎজে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

হারেৎজ লিখেছে, গত কয়েকদিনে এসব রুদ্ধদ্বার আলোচনা হয়। হুতিরা ইয়েমেনের কৌশলগত বন্দরনগরী মোখার দখল নেওয়ায় কর্মকর্তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তারা মনে করেন, এই হুমকি মোকাবিলার কার্যকর উপায় হলো একটি বিস্তৃত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক জোট গঠন করা।

জেরুজালেম পোস্ট যা লিখেছে
আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে গণমাধ্যমটি লিখেছে, সৌদি আরবের সহায়তা অনুরোধের মূল লক্ষ্য ছিল সম্ভবত গোয়েন্দা সহায়তা পাওয়া। এর মাধ্যমে ওই এলাকায় হুতিদের অবস্থান সম্পর্কে জানা ও অভিযানের পরিকল্পনা করা হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রিয়াদকে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার অনুমতি দিয়েছেন। যা নিয়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ আছে। কারণ দুই দেশের সীমান্তে নিকটতম দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার।

বিষয়টি ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনাতেও তোলা হয়েছিল। তিনি রিয়াদ ও তেল আবিবের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিকে যুক্ত করে বক্তব্য দেন। সৌদি বলেছে, তারা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সমাধান হওয়ার পর তেল আবিবের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে চায়।

জেরুজালেম পোস্ট লিখেছে, তেল আবিব ও রিয়াদের মধ্যে বেশ কয়েকটি অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থ আছে। দুই পক্ষ কীভাবে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে সে ব্যাপারে রূপরেখা তৈরি হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে পোস্ট আরও লিখেছে, বাব এল-মান্দেব প্রণালি থেকে হুতিদের সরিয়ে দিতে যুক্তরাজ্যেরও সহযোগিতা চেয়েছে রিয়াদ। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম সামরিক উপদেষ্টা পাঠাতে সম্মত হয়েছেন। কিন্তু অতিরিক্ত কোনো সহায়তা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেননি।

ঢাকায় শুরু হচ্ছে নির্মাণ, কাঠ ও সোলার প্রদর্শনী

০

রাজধানীতে শুরু হতে যাচ্ছে নির্মাণ অবকাঠামো, কাঠশিল্প, ইন্টেরিয়র এবং সোলার পণ্যবিষয়ক চারটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা আইসিসিবির এক্সপো ভিলেজে ‘১০ম বাংলাদেশ বিল্ডকন’, ‘১০ম বাংলাদেশ উড এক্সপো’, ‘ইন্টেরিয়র এক্সপো’ এবং ‘সোলার বাংলা এক্সপো’ নামে এসব প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস ও ফিউচারেক্স ট্রেড যৌথভাবে প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। নলেজ পার্টনার হিসেবে থাকছে ‘ইন্টেরিয়র ডিজাইন বাংলাদেশ’ (আইডিবি)। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) মহাপরিচালক ড. প্রকৌশলী গিয়াসউদ্দিন হায়দার প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনী উদ্বোধন করবেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শনীর পর্দা উঠবে।

একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা

০

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়সংবলিত ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৭টি নতুন এবং ৫টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকার সংস্থান করা হবে।

সভায় অনুমোদিত ১২টি প্রকল্পের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রকল্প সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের। এগুলো হলো—ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বা মেট্রোরেলের লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট), রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প এবং মেট্রোরেলের লাইন-৫ (নর্দান রুট) ও লাইন-১-এর প্রথম সংশোধিত প্রকল্প।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন বাস্তবায়ন এবং বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ (১ম সংশোধন) প্রকল্প।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় বরিশাল সেনানিবাস স্থাপন (২য় পর্যায়) এবং খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌ সদস্যদের আবাসন সুবিধাসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।

এছাড়া, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে খুলনা পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন (১ম সংশোধন) প্রকল্প, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে টেক্সটাইল ও চামড়া খাতের শ্রমিকদের কাজের উন্নত পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক প্রকল্প এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অধীনে মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আপগ্রেডেশন ও সম্প্রসারণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি, সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী কর্তৃক ইতিপূর্বে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত ১৫টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তর নির্মাণ, ভাসানচরে গ্রিন বেল্ট স্থাপন ও কক্সবাজারে বনায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন, রংপুর জোনে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু প্রতিস্থাপন, আরডিএ ভবনের সম্প্রসারণ, সিলেট বিভাগের বন্যা পূর্বাভাসের জন্য ডিজিটাল এলিভেশন (থ্রি-ডি) মডেল তৈরি এবং সিলেট-১০ নম্বর কূপ খনন প্রকল্প।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সরদার এম এ মুহিত এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।