Home Blog Page 132

১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা দেবে এডিবি অর্থমন্ত্রী জানালেন

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা) বাজেট সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। পাশাপাশি প্রকল্প সহায়তায় প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার উজবেকিস্তানের সমরখন্দে এডিবির বার্ষিক সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করতে গেলে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর পূর্ণ সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকারের ম্যানিফেস্টোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সব ধরনের প্রোগ্রাম, সহায়তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থমন্ত্রী জানান, বাজেট সহায়তার এই পরিমাণ ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়তে পারে।

আমির খসরু আরও বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। কারণ, সরকার পরিবর্তনের পর স্বল্প সময়ে বাজেট প্রস্তুত করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী সময় থেকে পাওয়া দুর্বল অর্থনৈতিক সূচক, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার চাপ মোকাবিলা করেই বাজেট দিতে হচ্ছে। বাস্তবিক অর্থে দেড় মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রস্তুত করা কঠিন কাজ। আসন্ন বাজেটে অর্থনীতির ‘ডেমোক্রেটাইজেশন’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া

হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতে অনেক গোষ্ঠী বাজেট সুবিধার বাইরে ছিল। এবার প্রতিটি গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে তাদের কাছে অর্থনৈতিক সুফল পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট এবং বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে সামগ্রিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতেও বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। এই প্রেক্ষাপটে এডিবির কাছে আরও বেশি আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

সমরখন্দে অনুষ্ঠিত এডিবির গভর্নরস বিজনেস সেশনে তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। তিনি এডিবির সময়োপযোগী বাজেট সহায়তার প্রশংসা করেন এবং বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় কাউন্টার-সাইক্লিক্যাল অর্থায়ন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

নিজামীর ছেলে যোগ দিলেন এনসিপিতে

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ড. মো. নাদিমুর রহমানসহ অনেকে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামটরের রূপায়ণ টাওয়ারে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘রাজনীতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকের যোগদান’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন হয়।
এতে ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক এম এইচ আরিফসহ বিভিন্ন পেশাজীবী এনসিপিতে যোগ দেন। এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গঠিত ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’-এর নেতারাও দলটিতে যুক্ত হন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনের সভাপতি মো. সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান জিসান ও সহসভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম গাজী।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপির বর্তমান রাজনীতিতে অসন্তোষ বাড়ছে, যা তাদের নতুন প্রজন্মের মধ্যেও প্রতিফলিত হচ্ছে। বিএনপির অনেক বড় নেতার সন্তানরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এমনকি স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সন্তানরাও জানাচ্ছেন, তাদের কাছে বর্তমান রাজনীতি গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে তাদের কাউকে কাউকে এনসিপিতে দেখা যেতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা সরকারি দল থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম যে, তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবে। তবে এখন দেখছি, তারা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিগত দিনে যারাই জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতারণা করেছে, তারা বেশিদিন টিকতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে জানে।

আসিফ মাহমুদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন না দিয়ে তারেক রহমান ঠিক এরশাদের মতোই দেশ চালাতে চাইছেন। সারাদেশে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার এই পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে। যারা নির্বাচনে পরাজিত বা মনোনয়নবঞ্চিত, তাদের দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান চালানো হচ্ছে। আমরা আহ্বান জানাব, দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে এই অচল অবস্থা দূর করুন। এরশাদের মতো দেশ চালালে এরশাদের মতোই পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।
তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে উগ্রপন্থিরা ক্ষমতায় আসায় আগামীতে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে শঙ্কা আছে। তবে আমরা তাদের আহ্বান জানাতে চাই, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আপনারা কথা না বললেই ভালো। আমাদের বিষয় দেখার জন্য আমরাই যথেষ্ট।

জামায়াত জোট কতদূর যাবে

এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বললেও সংবিধান সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থাকবে। জামায়াত ছাড়াও জোট শরিক এনসিপি, এবি পার্টিসহ কয়েকটি দল স্থানীয় নির্বাচনের জন্য এককভাবে প্রার্থী ঠিক করায় কর্মী-সমর্থকদের টানাপোড়েন আছে। তবে গণভোটের রায় বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া ১১ দল সংসদের ভেতরে এবং রাজপথে জোটবদ্ধ থেকে এগোবে।

জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলের নেতারা সমকালকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, সংবিধান সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান ব্যবস্থার ধারাবাহিকতার বিকল্প নেই। বিএনপি সরকার যদি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে গণভোটকে সম্পূর্ণ অবজ্ঞা করে সংবিধান সংশোধনের দিকে এগোয়, তবে বিরোধী জোট রাজপথের কর্মসূচিতে যাবে। এর আগ পর্যন্ত মিছিল, সমাবেশ, জনমত গঠনের মতো কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।

পাঁচ দিনে গ্রেপ্তার ২৬২২, চিহ্নিত দাগিরা অধরা

অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও অনলাইন জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আগাম ঘোষণা দিয়ে ১ মে থেকে দেশব্যাপী এই অভিযান চলছে।

গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ সদরদপ্তর থেকে প্রাপ্ত বিশেষ অভিযানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রথম পাঁচ দিনে সারাদেশে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই হাজার ৬২২ জনকে। তাদের মধ্যে রাজধানীতে ৪৪৯ জন। পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের তালিকাভুক্ত ৮৩ চাঁদাবাজ, তালিকাবহির্ভূত ১৩২, ছিনতাইকারী, ডাকাতিসহ নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ১৬০ ও মাদক কারবারি ৭৪ জন। বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে ১৮টি।

বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিভিআইপি প্রটোকলের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে তাঁর বহর পার হওয়ার জায়গা করে দিয়েছেন। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারওয়ান বাজার প্রান্তে এ ঘটনা ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী যখন সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন, পথিমধ্যে এ ঘটনা। সকাল ৯টার কিছু সময় আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর বনানী এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে কারওয়ান বাজার এফডিসি মোড়ের দিকে এগোচ্ছিল। আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স। তাঁর গাড়ি বহরের পেছনে সাইরেন বাজাতে বাজাতে অ্যাম্বুলেন্সটি অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি বুঝে অ্যাম্বুলেন্সটিকে সাইড দিতে বহরে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে কর্মকর্তারাও অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দেন।

এসএসসি পরীক্ষা খাতা নিচ্ছেন না শিক্ষকরা, ফল পেতে দেরির ভয়

পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে দিন দিন অনীহা বাড়ছে শিক্ষক-পরীক্ষকদের। তাদের অভিযোগ, পরিশ্রমের তুলনায় সম্মানী কম। আবার সেই সম্মানীও সময়মতো পাওয়া যায় না। এ ছাড়া প্রাইভেট ও কোচিংয়ে বেশি আয় করার প্রবণতা থেকেও অনেক শিক্ষক উত্তরপত্র মূল্যায়ন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত বছরের এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন নিয়েও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই সময় শিক্ষা বোর্ড শিক্ষকদের ডেকে নিয়ে সতর্ক করে এবং অনেকটা ‘ধমক’ দিয়েই খাতা ধরিয়ে দেয়। এ বছর একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেক পরীক্ষক নির্ধারিত সময়ে খাতা সংগ্রহ করছেন না। এমনকি কেউ কেউ খাতা নিলেও, নিজেরা না দেখে অন্যদের দিয়ে মূল্যায়ন করানোর অভিযোগও রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের চূড়ান্ত সতর্ক করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

২৩৫ পরীক্ষকের তালিকা প্রকাশ
বাংলা প্রথম পত্রের উত্তরপত্র মূল্যায়নে নিয়োগ পাওয়া ২৩৫ পরীক্ষক বারবার তলবের পরও খাতা সংগ্রহ না করায় গতকাল মঙ্গলবার তাদের তালিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হলেও তারা খাতা নেননি। তাদের গতকাল বিকেল ৫টার মধ্যে খাতা সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়, নতুবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা বোর্ড জানায়, এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য যোগ্য শিক্ষকদের পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও অনেকেই খাতা নিচ্ছেন না। এতে মূল্যায়ন কার্যক্রমে বিলম্ব ও জটিলতা তৈরি হচ্ছে, যা ফল প্রকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এটি নতুন নয়, পুরোনো সমস্যার পুনরাবৃত্তি। গত বছরও (২০২৫) একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরীক্ষকরা সময়মতো খাতা না নেওয়ায় সেই সময়ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং ফল প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। তখনও কঠোর নির্দেশনা দিয়ে খাতা নিতে বাধ্য করা হয়েছিল পরীক্ষকদের।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার সমকালকে বলেন, শিক্ষকরা আবেদন করে পরীক্ষক হলেও অনেকেই দায়িত্ব পালনে অনীহা দেখাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ে মূল্যায়ন শেষ না হলে ফল প্রকাশে দেরি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাছে মৌখিক অভিযোগ আসছে, অনেক শিক্ষক খাতা নিলেও নিজেরা দেখেন না। তারা বলেন, পাবলিক পরীক্ষার খাতা অন্য কাউকে দিয়ে মূল্যায়ন করানো আইনত দণ্ডনীয়। ১৯৮০ সালের পরীক্ষা পরিচালনা আইনে এ অপরাধের জন্য দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
এর আগে শিক্ষকদের খাতা দেখায় অনীহার বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রিট আবেদনের পর যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দিয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার খাতা দেখাতে বোর্ড কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং খাতা দেখার জন্য সঠিক ও প্রয়োজনীয় সময় বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে না– তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষকরা সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করায় পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পুনর্মূল্যায়নে শত শত পরীক্ষার্থী বেশি নম্বর পাচ্ছে। এদিকে ফেল করার কারণে অনেকে আত্মহত্যা করছে। পরীক্ষার খাতা দেখার জন্য প্রয়োজনীয় সময় না দেওয়ায় ফলের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।
কিন্তু যাদের কারণে এই বিপর্যয়, দায়ী সেই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। এতে অন্য পরীক্ষকরাও সতর্ক হচ্ছেন না। ফলে প্রতিবছর বাড়ছে ভুলের হার। সম্প্রতি আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের তদন্তেও পরীক্ষকদের ভুলের বিষয়টি উঠে এসেছে।

আবার যেসব শিক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করছে, তারাও শুভঙ্করের ফাঁকিতে পড়ছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মনে করছেন, ফল পুনর্নিরীক্ষণের অর্থ নতুন করে খাতা দেখা। কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। মূলত উত্তরপত্রের নম্বর যোগ ও বৃত্ত ভরাট ঠিক আছে কিনা, তা দেখেই পুনর্নিরীক্ষণ শেষ করা হয়। মূল খাতায় হাতই দেওয়া হয় না।

অযোগ্য পরীক্ষক নিয়োগের অভিযোগ
অভিযোগ রয়েছে, পরীক্ষক নিয়োগে নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় না। পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা ছাড়া পরীক্ষক হওয়ার নিয়ম না থাকলেও বাস্তবে অনেক কম অভিজ্ঞতার শিক্ষকও পরীক্ষক হচ্ছেন। এমনকি এক বিষয়ের শিক্ষক অন্য বিষয়ের খাতা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। এতেও এসব সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অযোগ্য পরীক্ষক ঠেকাতে এর আগে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষকদের ডিজিটাল ডেটাবেজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো ধরনের গাইডলাইন ছাড়া তৈরি এই ডেটাবেজেও ঢুকে পড়ছেন অযোগ্য শিক্ষকরা। প্রতিষ্ঠানপ্রধান সম্মতি দিলেই একজন শিক্ষক হয়ে যাচ্ছেন পরীক্ষক। এতে জুনিয়র সেকশনের শিক্ষক হয়ে যাচ্ছেন মাধ্যমিকের পরীক্ষক, কলেজের শিক্ষকরাও মাধ্যমিকের পরীক্ষক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আবার কোনো শিক্ষক যদি স্বল্প সময়ের জন্যও কোনো একটি বিষয় পড়ান, তাহলেও তিনি ওই বিষয়ে খাতার দেখার আবেদন করতে পারছেন। এভাবেই এক বিষয়ের শিক্ষক হয়েও অন্য বিষয়ের পরীক্ষক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তারা।

জানা যায়, ডিজিটাল ডেটাবেজ করার সময় গাইডলাইন না দিলেও পরীক্ষক হওয়ার জন্য একটি নীতিমালা রয়েছে। এতে প্রধান পরীক্ষক হতে গেলে কমপক্ষে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। আর পরীক্ষক হওয়ার জন্য লাগে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা। এ ছাড়া একজন শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও তাঁর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলও পরীক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় আনার কথা রয়েছে। যদিও এই নীতিমালা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানা হয় না।

কম সম্মানী ও প্রদানে বিলম্বে ক্ষোভ
শিক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মূল্যায়নের জন্য খাতাপ্রতি মাত্র ৩৫ টাকা সম্মানী দেওয়া হয়। একজন পরীক্ষক ৪০০ খাতা দেখলে পান ১৪ হাজার টাকা, সেখান থেকেও ১০ শতাংশ কর কেটে রাখা হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ বিলম্ব। অনেক শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, এক বছরের খাতা দেখার সম্মানী পরের বছরও পান না। ফলে তাদের মধ্যে অসন্তোষ ও অনাগ্রহ বাড়ছে।
উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষকদের অনীহা কেন– তা জানতে অন্তত ১৫ পরীক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছে সমকাল। তবে তারা কেউই নাম প্রকাশ করে বক্তব্য দিতে চান না।
শিক্ষকদের বক্তব্য, পরিশ্রমের তুলনায় খাতা দেখার সম্মানী নামমাত্র। সেটাও পেতে বছর পার হয়ে যায়। এসব নিয়ে পরীক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।
রাজধানীর খ্যাতনামা একটি বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, গত বছর তিনি ৪০০ খাতা দেখেছেন। এ বছর ৬০০ খাতা দেখেছেন। অথচ গত বছরের টাকাই এখনও পাননি। এ রকম অভিযোগ আরও অনেকের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড প্রতিবছরই পরীক্ষকদের খাতা দেখার টাকা দিতে দেরি করে। এ নিয়ে তারা বিরক্ত, ক্ষুব্ধ।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অটোরিকশাচালকদের অবরোধ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় হাইওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে অটোরিকশাচালকরা।

মঙ্গলবার সকালে হাইওয়েতে পুলিশ কর্তৃক অটোরিকশা আটক করার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করেন তারা। শত শত অটোচালকরা সকাল ১১টা থেকে মৌচাকের লোহাকৈর বাজার সড়কের মাথায় জড়ো হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

কফি ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে শক্তি বাড়ানোর ৫ উপায়

অনেকেই আছেন শরীরে শক্তি কমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে এক কাপ চা বা কফির খোঁজ করেন। কফি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে শক্তি অনুভব করেন। কখনো ভেবে দেখেছেন এর মাধ্যমে আপনার শরীরকে কী পরিমাণ ক্যাফেইনের সংস্পর্শে আসছে?

সবারই শক্তি প্রয়োজন। সেজন্য খুব সহজেই অনেকে চা বা কফি উপর নির্ভর করে। কিন্তু আপনি যদি শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান এবং স্বাস্থ্যকর উপায়ে পান তাহলে কেমন হয়? চলুন, জেনে নেয়া যাক এমনই কিছু উপায়ের কথা।

শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে র‍্যাঙ্কিংয়ের আটে বাংলাদেশ

আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের বার্ষিক হালনাগাদে বড় এক লাফ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের আট নম্বর অবস্থানে উঠে এসেছে টাইগাররা। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ভারত নিজেদের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ন রেখেছে।

আইসিসির এবারের বার্ষিক হালনাগাদে ২০২৫ সালের মে মাস থেকে খেলা সব ম্যাচকে ১০০ শতাংশ এবং আগের দুই বছরের ম্যাচগুলোকে ৫০ শতাংশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই নতুন সমীকরণে বাংলাদেশের ঝুলিতে এক পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২২৫ পয়েন্ট নিয়ে যা তাদের ৯ নম্বর থেকে আটে তুলে এনেছে। অন্যদিকে, ৬ পয়েন্ট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা ২২১ পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছে নয় নম্বরে। ২২০ পয়েন্ট নিয়ে লঙ্কানদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে দশম স্থানে থাকা আফগানিস্তান।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারত এখন এক অজেয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সব আন্তর্জাতিক সিরিজে অপরাজিত থাকা দলটি ২৭৫ পয়েন্ট নিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে অবস্থান করছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ২৬২ এবং খুব কাছেই ২৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা সাতে বাংলাদেশের উন্নতি ছাড়া আর কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২৪৭ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে নিউজিল্যান্ড। ২৪৪ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে সাউথ আফ্রিকা। আর ২৪০ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে পাকিস্তান। ২৩৩ পয়েন্ট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আছে সাত নম্বরে। শ্রীলঙ্কা ৬ পয়েন্ট হারিয়ে ৯ নম্বরে নেমে গেছে। ২২৫ পয়েন্ট নিয়ে তাতেই ৮ নম্বরে উঠে গেছে বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড রয়েছে যথাক্রমে একাদশ ও দ্বাদশ স্থানে। তবে বড় চমক দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ৬ পয়েন্ট বাড়িয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে উঠে এসেছে তারা, পেছনে ফেলেছে নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডকে।

লিবিয়ায় জিম্মি হবিগঞ্জের যুবক রায়হান হত্যা করে লাশ সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দালাল চক্রের

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ায় আটকে রাখা নবীগঞ্জের যুবক রায়হান চৌধুরীকে (৩০) নিয়ে নতুন করে আতঙ্কে পড়েছে তার পরিবার। রায়হানের বাবার অভিযোগ, মানবপাচার মামলার প্রধান আসামির জামিনে বাধা দিলে রায়হানকে হত্যা করে লাশ সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে দালাল চক্র।

সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় লিবিয়া থেকে দালাল শামীম ও রাকিব ফোন করে রায়হানের বাবা আবু তাহের চৌধুরীকে এই হুমকি দেন। এদিকে, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ঢাকা সিআইডির অ্যান্টি-ট্র্যাকিং মনিটরিং সেল বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

রায়হান চৌধুরীর বাবা আবু তাহের চৌধুরী জানান, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাকে ফোন করেন মানবপাচার চক্রের সদস্য শামীম ও রাকিব। তারা বলেন, তোমার পুত্রকে পেতে চাইলে আগামী ১১ মে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি নজরুল ইসলামের জামিন শুনানি হবে হবিগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতে যে জামিন শুনানি হবে তাতে বিরোধিতা করা যাবে না।

গতকাল সোমবার সকালে হবিগঞ্জ জেলা জজ আদালত থেকে প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা মামলার বাদী আবু তাহের চৌধুরীকে জামিন শুনানিতে থাকার জন্য চিঠি প্রেরণ করা হয়। উক্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, আসামির জামিনে যেতে তার কোনো আপত্তি থাকলে আদালতে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদান করার জন্য। এই চিঠি পাওয়ার পরই গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ফোন আসে।

নবীগঞ্জের যুবক রায়হান চৌধুরী (৩০)-কে ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে লিবিয়ায় আটকে রেখে ২৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের পরও ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বরং আবারও ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার জন্য মারপিট করে হাতের আঙুল কেটে দিয়ে  হাতের কবজি কাটার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এখন নির্যাতনের পর গত দুই মাস ধরে সে নিখোঁজ রয়েছে। এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা।

গত রোববার মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি গোপনে জামিন নেওয়ার চেষ্টা করলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী আবু তাহের চৌধুরী বলেন, আমি মামলা করে বিপাকে পড়েছি। আমি এখন আমার ছেলের কোনো সন্ধান পাচ্ছি না। গতকাল আদালতের চিঠি পাওয়ার পরই দালাল ও মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা ফোন করে আমাকে বাড়াবাড়ি না করতে বলেছে। তারা বলছে, এ নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি না করার জন্য এবং শামীমের বাবা নজরুলের জামিনে বাধা না দিতে। অন্যথায় রায়হানকে হত্যা করে লাশ সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গতকাল দৈনিক সমকালসহ বিভিন্ন পত্রিকায় রায়হানের নিউজ প্রকাশের পর দালাল রাকিব ও শামীম আবারও ফোন করেছে। এ সময় তারা তাকে বলেন, “এসব বিষয়ে মিডিয়ায় কেন প্রচার করা হলো—পরিণাম ভালো হবে না।”

এদিকে গতকাল সোমবার বিকেলে মানবপাচার রোধে ঢাকা সিআইডির অ্যান্টি ট্র্যাকিং মনিটরিং সেল থেকে এসপি কাওসার আহমদ ফোন করেন। তিনি বলেন, আমরা জাতীয় দৈনিক সমকালে প্রকাশিত নিউজ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে মামলার বাদী আবু তাহের চৌধুরীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছি। তার কাছ থেকে জবানবন্দি নেওয়ার কথাও জানান তিনি। কীভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় এবং দেশে যারা আছে তারা যেন বিদেশে পালিয়ে না যায়—এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি দৈনিক সমকালকে জানান, আমরা এখনও মামলার নথিপত্র পাইনি। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ শুরু করেছি, যাতে আসামিরা দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে। যারা বিদেশে আছে তাদের ব্যাপারেও কাজ করছি।