Home Blog Page 154

নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।

নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়াকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রির ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের ওই টাকা লুট করার জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। এছাড়া বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে গেছে। হাবিবুরের স্ত্রী পপি খাতুনের কানের রিং ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তানদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির উদ্দেশে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে ঢুকেছিল। ডাকাতি করার পর পরিচয় প্রকাশ হওয়ার ভয়ে পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে।

টয়োটা বাংলাদেশ ও পেপার রাইম অ্যাডভার্টাইজিংয়ের চুক্তি স্বাক্ষর

টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড ও পেপার পেপার রাইম অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডয়ের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের লক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড তাদের জনসংযোগ (পিআর), কমিউনিকেশন্স এবং মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি সহযোগী হিসেবে পুনরায় পেপার রাইম অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডকে নিযুক্ত করেছে। সম্প্রতি স্বাক্ষরিত এক চুক্তির মাধ্যমে এই অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত করা হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের (টিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমমিত সিং, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউসুকে ওগিনো এবং ব্র্যান্ড এক্সিকিউটিভ সাইদুর রাহমান ফারাজি। পেপার রাইম অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার এজেডএম সাইফুদ্দিন, ডিরেক্টর জাফরিন গনি এবং স্ট্র্যাটেজি ম্যানেজার ওয়াজায়ের সাদমান।

পল্লবীতে শিক্ষিকা ফিরোজা হত্যারহস্যের জট খোলেনি

রাজধানীর পল্লবীতে স্কুলশিক্ষিকা ফিরোজা খানম জোসনা হত্যার রহস্য বের করতে পারেনি পুলিশ। কে বা কারা কেন তাঁকে হত্যা করে–সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে তাঁকে হত্যা করা হয়। তবে হত্যার কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে নানামুখী তৎপরতা চলছে। শিগগিরই রহস্যের জট খুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আল-আমিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতুড়ি ও রক্তমাখা ওড়না উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মাথার বাঁ পাশে ও মাঝে থেঁতলানো জখম ছিল। এ ছাড়া থুতনির ওপরেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা জানতে কাজ করছে পুলিশ। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।

এদিকে নিহতের স্বজনরা বলছেন, পরিবার থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন ছিলেন ফিরোজা। ফলে তাঁর বিষয়ে বিস্তারিত কেউ বলতে পারছেন না। তবে এই হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা।

পারিবারিক সূত্র জানায়, হলি ক্রিসেন্ট আইডিয়াল স্কুল নামে স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন ফিরোজা। তিনি মিরপুর-১২ নম্বর সেকশনের ডি ব্লকের ৮ নম্বর সড়কের ২৯ নম্বর ভবনের দোতলার একটি ঘরে ভাড়া থাকতেন। প্রায় ২৫ বছর আগে তাঁর বিয়ে হলেও কিছুদিন পরই স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি একাই থাকতেন। শুক্রবার সেই ঘরেই তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মুন্সিপাড়ার কৃষ্ণপুর এলাকায়।

নিহতের ভাই ফিরোজ আলম বলেন, ‘ফিরোজার সঙ্গে পরিবার বা আত্মীয়স্বজনের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তিনি একটি স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন বাসায় টিউশনি করে নিজের খরচ নিজেই চালাতেন। তাঁর কোনো শত্রু ছিল কিনা তা আমাদের জানা নেই। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে সে বিষয়েও কোনো ধারণা করতে পারছি না। আমরা আশা করছি পুলিশ দ্রুত সত্যিটা খুঁজে বের করবে।’

শেষ হচ্ছে ধারাবাহিক ‘এটা আমাদের গল্প’

০

টেলিভিশন নাটকে পারিবারিক গল্পের প্রতি দর্শকের আগ্রহ নতুন করে বাড়ছে। সেই ধারায় আলোচিত একটি কাজ ছিল নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজের ধারাবাহিক ‘এটা আমাদের গল্প’, যা সম্প্রচারের শুরু থেকেই দর্শকদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলে। সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভালোবাসা, ভুল বোঝাবুঝি আর একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধতা– সব মিলিয়ে একটি বাস্তবসম্মত পারিবারিক চিত্র ফুটে উঠেছিল নাটকটিতে।

গত বছরের নভেম্বর মাসে প্রচার শুরু হওয়া এই সিরিজ অল্প সময়েই দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। চ্যানেল আইতে নিয়মিত প্রচারের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও এটি সাড়া ফেলেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত পর্ব প্রচারিত হয়েছে, আর সম্প্রতি শেষ হয়েছে এর শুটিং কার্যক্রম। তবে মোট কত পর্বে নাটকটি শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্মাতা এখনও কিছু জানাননি।

শেষ দিনের শুটিং সেট ছিল আবেগঘন। উপস্থিত ছিলেন নাটকের প্রায় সব প্রধান শিল্পী। তাদের অনেকেই জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করার ফলে একটি পরিবারের মতো সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। শুটিং শেষ হলেও সেই বন্ধন সহজে ভাঙবে না।

অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ এই অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘দীর্ঘ কয়েক মাসের এই যাত্রা তাঁকে ভীষণভাবে স্পর্শ করেছে। অন্যদিকে খায়রুল বাসার মনে করেন, দর্শকের সঙ্গে গল্পের সংযোগ তৈরি করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় সাফল্য।’

মেহরীন চরিত্রে অভিনয় করে কেয়া পায়েল নতুন পরিচিতি পেয়েছেন বলে জানান। তাঁর মতে, কোনো চরিত্রের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠা একজন শিল্পীর জন্য বড় অর্জন। প্রথম ধারাবাহিকে অভিনয় করেই সুনেরাহ বিনতে কামালও পেয়েছেন ব্যাপক সাড়া; দর্শক তাঁকে চরিত্রের নামেই ডাকছেন।

নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ বলেন, শুরুতে প্রত্যাশা থাকলেও এত বড় সাড়া পাবেন ভাবেননি। তাঁর মতে, এই কাজটি তাঁর আগের সব কাজের সাফল্যকে ছাড়িয়ে গেছে।

হাইকোর্টের রুল জারি গৃহকর্মীদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক কেন নয়

দেশে গৃহকর্মীদের নিবন্ধন কেন বাধ্যতামূলক করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সরকারের  সংশ্লিষ্টদের প্রতি  রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট।

একইসঙ্গে বিদ্যমান ‘দ্য ডোমেস্টিক সার্ভেন্টস রেজিস্ট্রেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১’ অনুযায়ী এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের ‘নিষ্ক্রিয়তাকে’ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে  বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী সমন্বয় গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রোববার এ রুল জারি করেন।  আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিবাদী দেরকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে

‘জনস্বার্থে’ এই রিট মামলা দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা।

তিনি বলেন, “আদালত কোনো অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেননি। বিবাদীদের রুলের জবাব পাওয়ার পর আদালতের কাছে পরবর্তী নির্দেশনার জন্য আবেদন করা হবে।”
আইন  সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রিট মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, দেশে গৃহকর্মীদের একটি বড় অংশ আনুষ্ঠানিক আইনি সুরক্ষা, চুক্তি, বা পরিচয়পত্র ছাড়াই কাজ করছে। ২০১৫ সালে সরকার ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি’ গ্রহণ করলেও এর কোনো কার্যকর নিবন্ধন, তদারকি বা প্রয়োগ ব্যবস্থা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

এছাড়া ১৯৬১ সালের ‘ডোমেস্টিক সার্ভেন্টস রেজিস্ট্রেশন অর্ডিন্যান্স’-এ গৃহকর্মীদের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ইস্যু এবং নিবন্ধন ছাড়া কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞার স্পষ্ট বিধান রয়েছে।
কিন্তু এ আইন নির্দিষ্ট কিছু এলাকার বাইরে দেশব্যাপী সম্প্রসারণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যার ফলে এটি কার্যত অকার্যকর হয়ে আছে।

সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একজন গৃহকর্মীর বিরুদ্ধে মা ও মেয়েকে (লায়লা আফরোজ এবং নাফিসা নাওয়াল বিনতে আজিজ) হত্যার অভিযোগ ওঠার ঘটনা তুলে ধরা হয় রিট আবেদনে।
একইসঙ্গে গৃহকর্মীদের অধিকার, আইনি সুরক্ষা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জেলাভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।

বিশ্ব লিভার দিবস উপলক্ষে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত

লিভারের প্রাণঘাতী রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ রবিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ব লিভার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা লিভারের সুরক্ষা, রোগ নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. সহিদুর রহমান। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মিয়া মাসহুদ আহমদ, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভূঁইয়া এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন।

সেমিনারে আলোচক হিসেবে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আহমেদ সামি আল-হাসান, ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাবরিনা বিনতে রহমান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও নিউট্রিশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোসা. নাজনীন সরকার, এনজিএলআইএইচ-এর ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. খালেদা আক্তার খানম, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আয়েশা সিদ্দিকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইএনএফএস-এর পরিচালক ডা. সাইদুল আরেফিন, এনজিএলআইএইচ-এর সাবেক পরিচালক ও অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. মো. সাইফ উদ্দৌলা এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড রেডিয়েশন অনকোলজির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মেহবুব আহসান রনি।

বক্তারা লিভারের প্রদাহ সঠিক সময়ে শনাক্তকরণ এবং ‘ফ্যাটি লিভার’ প্রতিরোধে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে রোগীদের জন্য বিনামূল্যে হেপাটাইটিস বি ও সি স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

এসআইসিআইপি-বিজিএমইএ’র ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর’ অনুষ্ঠিত

দেশের শিল্পখাতে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ওয়ার্কশপ উইথ হেড অব এইচআর ২০২৬’।

দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ প্রধানদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মশালায় শিল্পের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সেতুবন্ধন জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিজিএমইএ ও এসআইসিআইপি’র যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরিফুর রহমান এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন রুমানা রশীদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুনীর চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন মো. আশফাকুর রহমান।

বক্তারা বলেন, দক্ষ জনশক্তি দেশের অর্থনীতির অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। এসআইসিআইপি-বিজিএমইএ প্রোগ্রাম প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করে তরুণদের চাকরির সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী মানবসম্পদ প্রধানরা শিল্পখাতের বর্তমান দক্ষতা-চাহিদা ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের প্রবণতা নিয়ে মতামত দেন।

আইসিইউর সিরিয়াল যখন এলো, গৌরী তখন শ্মশানে

হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আসা ছয় মাস বয়সী শিশু গৌরীকে জরুরি ভিত্তিতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক। তবে তৎক্ষণাৎ আইসিইউতে শয্যা মেলেনি। ২৬ শিশুর পেছনে অপেক্ষমাণ ছিল সে। ঠিকই সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে, তবে গৌরীর প্রাণ নেভার পর। গত শনিবার দুপুরে মৃত্যুর পরদিন গতকাল রোববার দুপুরে হাসপাতাল থেকে যখন আইসিইউ শয্যা খালি হওয়ার খবর জানাতে ফোন করা হয়, ততক্ষণে গৌরীর নিথর দেহ শ্মশানে।

গৌরী নাটোরের বাগাতিপাড়ার চাঁইপাড়া গ্রামের সোহাগ কুমার ও বন্দনা রানী দম্পতির প্রথম সন্তান। এ নিয়ে রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫২ শিশুর মৃত্যু হলো।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হামের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়িতেই গৌরীর চিকিৎসা চলছিল। গত বুধবার অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পাঠানো হয় রামেক হাসপাতালে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হলে চিকিৎসক তাকে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

গৌরীর বাবা সোহাগ কুমার বলেন, আইসিইউতে গিয়ে দেখি, সিরিয়াল পড়েছে ২৭ নম্বরে, অর্থাৎ গৌরীর আগে আরও ২৬ শিশু আইসিইউর জন্য মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে অপেক্ষায় আছে। আইসিইউ না পেয়ে ওয়ার্ডেই তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছিল।

সোহাগ আরও জানান, শনিবার দুপুরে মেয়ের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তিনি আবারও আইসিইউ বিভাগে ছুটে যান। কিন্তু সেখান থেকে জানানো হয়, সিরিয়ালের বাইরে তাদের করার কিছু নেই। এর কিছুক্ষণ পরই মারা যায় শিশুটি।

গতকাল দুপুরে যখন সোহাগের ফোনে আইসিইউ বিভাগ থেকে কল আসে, তখন পরিবারে চলছে মাতম। যিনি ফোন করেছেন, তাঁকে সোহাগ এটুকুই বলতে পেরেছেন, ‘আমাদের আর আইসিইউ লাগবে না। গৌরী আমাদের ছেড়ে চলে গেছে।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোহাগ বলেন, আমার মেয়েটা তো চলে গেল, আর কারও সন্তান যেন এভাবে না যায়। আইসিইউ শয্যা বাড়ানো হোক। রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, শিশুদের জন্য আইসিইউ শয্যা বাড়িয়ে ১৮টি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি হামের রোগীর জন্য ও ছয়টি সাধারণ রোগীর জন্য। তবে রোগীর চেয়ে তা অপ্রতুল। আরও আইসিইউ শয্যার প্রয়োজন। নতুন একটি আইসিইউ ওয়ার্ড তৈরির জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। শয্যা ফাঁকা না থাকায় শিশুদের দীর্ঘ সিরিয়ালে থাকতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, হাসপাতালে আসা অধিকাংশ শিশুর অবস্থাই সংকটাপন্ন থাকছে। ফলে আইসিইউর চাহিদা মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

হামের জরুরি টিকা
দেশে হামের প্রকোপ ও মৃত্যু আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় আজ সোমবার থেকে সারাদেশে একযোগে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এ রোগের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আগামী ৩ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি ১৩ দিন এগিয়ে আজ থেকে শুরু করছে সরকার।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) জানিয়েছে, তিন সপ্তাহের এই কর্মসূচির আওতায় ১১ কর্মদিবসে ১ কোটি ৭০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। আজ প্রথম দিনেই ১১ লাখ ২৩ হাজারের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সারাদেশে ২ লাখ ৮২ হাজার ৫১০টি কেন্দ্রে এই কার্যক্রম চলবে, যার মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজারই অস্থায়ী কেন্দ্র। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এক ভিডিও বার্তায় এই কর্মসূচি সফল করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

সংক্রমণের ভয়াবহ চিত্র
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এক দিনে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন মারা গেছে। এ নিয়ে এ বছর উপসর্গসহ মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮১-তে। এর মধ্যে শুধু নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৩৬ জন। গতকাল সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৯৭ জন চিকিৎসা নিয়েছেন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৫ জনের। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৫ হাজার ৩২৬ জন। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৪৩।
এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হামে গত দুদিনে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নাসিরনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল বহির্বিভাগে ৫৭০ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন, যার মধ্যে ২০০-ই শিশু। চিকিৎসকরা বলছেন, পাঁচ থেকে সাত মাস বয়সী শিশুর আক্রান্তের হার বেশি।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ১৪ শিশুর মৃত্যু হলো।
(প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা)

আরব আমিরাতে জিলকদ মাসের প্রথম দিন ঘোষণা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে হিজরি ১৪৪৭ সালের জিলকদ মাসের সূচনা হয়েছে। এ চাঁদ দেখার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আসন্ন জিলহজ মাস এবং পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কেও পূর্বাভাস দিয়েছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাউন্সিল ফর ফতোয়া জানায়, চাঁদ দেখার সঙ্গে সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক তথ্য পর্যালোচনা করে এবং দেশের বিভিন্ন বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জিলকদ মাসের পরই শুরু হবে জিলহজ, যে মাসে মুসলমানরা পবিত্র হজ পালন করেন এবং উদযাপন করেন ঈদুল আজহা। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে আরাফাতের দিন পালিত হবে এবং এর পরদিন ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে।

কাউন্সিলের এ ঘোষণা থেকে বোঝা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহ্যবাহী চাঁদ দেখার প্রথার পাশাপাশি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিও ব্যবহার করে ইসলামি মাস নির্ধারণ করে থাকে। এ ক্ষেত্রে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ—উভয়কেই গুরুত্ব দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো নির্ধারণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন আজ, অনেক প্রত্যাশা বগুড়াবাসীর

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আজ সোমবার নিজ জেলা বগুড়ায় প্রথমবার আসছেন তারেক রহমান। তাঁর সফর ঘিরে বগুড়াবাসী এ জেলার উন্নয়নে নানা প্রত্যাশা করছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর পৈতৃক বাড়ি গাবতলীর বাগবাড়ীতেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাওয়া সফরসূচি অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় রাজধানীর গুলশানের বাড়ি থেকে সড়ক পথে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁর বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পরে সব অনুষ্ঠান শেষ করে তিনি সন্ধ্যা ৬টায় সড়ক পথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

যে যৌক্তিক দাবিগুলো ১৭ বছরেও পূরণ হয়নি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বগুড়ায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বিমানবন্দর থেকে বাণিজ্যিক বিমান চালু, বগুড়া সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণ, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন নির্মাণ, করতোয়া নদীর প্রাণ ফেরাতে প্রকল্প গ্রহণ ও শহরের যানজট নিরসনে বিকল্প রাস্তা এবং ফ্লাইওভার নির্মাণ। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে রেললাইন নির্মাণ ও করতোয়া নদীর আংশিক খননকাজ হাতে নেওয়া হলেও অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সিটি করপোরেশন ও সারিয়াকান্দিতে নৌবন্দর এবং বিমানবন্দর নিয়ে কাজ শুরু করলেও তা মাঝপথে থেমে যায়। তবে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। বিএনপি সরকার গঠন করার পর এসব দাবির সঙ্গে যুক্ত হয় বগুড়ার সারিয়াকান্দি হয়ে জামালপুরের মাদারগঞ্জ পর্যন্ত আরেকটি যমুনা সেতু নির্মাণ, বগুড়া বিভাগ বাস্তবায়ন, বগুড়া টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপন এবং এলপিজি গ্যাস ডিপো চালু। এই দাবিগুলোর সঙ্গে আরও বেশ কিছু দাবিসহ মোট ২৩টি দাবি তুলে ধরেছে বগুড়া নাগরিক ফোরাম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সরকার রবিন গতকাল রোববার বগুড়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবিগুলো তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী আজ বগুড়া সফরে এসে বগুড়াবাসীর যে প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে যাচ্ছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন। বগুড়া পৌরসভাকে বিএনপির আমলে বর্ধিত করা হয়েছিল এবং ১৩টি ওয়ার্ড থেকে ২১টিতে উন্নীত করেছিল। এটিকে প্রথম প্রধান্য দিয়ে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া তাঁর অন্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে নিজবাড়ি গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড, শহীদ জিয়া গ্রাম হাসপাতালে হাম-রুবেলা টিকার কার্যক্রম উদ্বোধন, বাগবাড়ি চৌকিরদহ এলাকায় খাল খনন, বগুড়া জজ আদালতে নতুন ভবন ও ইবেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, বগুড়া প্রেস ক্লাব ও বায়তুর রহমান মসজিদের নতুন ভবনের উদ্বোধন এবং আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ।

সুশাসনের জন্য নাগরিক জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কেজিএম ফারুক আহম্মেদ বলেন, বগুড়া জেলা দীর্ঘদিন থেকে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে, কোনো মেগা প্রকল্প এ জেলায় বাস্তবায়ন হয়নি। এবার আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী এ জেলার সন্তান হিসেবে সব প্রত্যাশা পূরণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী আজ বগুড়া সফরে এসে বগুড়াবাসীর যে প্রত্যাশাগুলো পূরণ করতে যাচ্ছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন। বগুড়া পৌরসভাকে বিএনপির আমলে বর্ধিত করা হয়েছিল এবং ১৩টি ওয়ার্ড থেকে ২১টিতে উন্নীত করেছিল। এটিকে প্রথম প্রধান্য দিয়ে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া তাঁর অন্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে নিজবাড়ি গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড, শহীদ জিয়া গ্রাম হাসপাতালে হাম-রুবেলা টিকার কার্যক্রম উদ্বোধন, বাগবাড়ি চৌকিরদহ এলাকায় খাল খনন, বগুড়া জজ আদালতে নতুন ভবন ও ইবেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, বগুড়া প্রেস ক্লাব ও বায়তুর রহমান মসজিদের নতুন ভবনের উদ্বোধন এবং আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় ভাষণ।

সুশাসনের জন্য নাগরিক জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কেজিএম ফারুক আহম্মেদ বলেন, বগুড়া জেলা দীর্ঘদিন থেকে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে, কোনো মেগা প্রকল্প এ জেলায় বাস্তবায়ন হয়নি। এবার আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী এ জেলার সন্তান হিসেবে সব প্রত্যাশা পূরণ করবেন।