Home Blog Page 204

পূজা চেরির গায়ে হলুদের ভিডিও ফাঁস

একদিন আগেই আফরান নিশোর সঙ্গে ২৪ সেকেন্ডের শূটিংয়ের একটি দৃশ্যের ভিডিও ফাঁস হয়েছে পূজা চেরির। রেদওয়ান রনির ‘দম’ সিনেমার শূটিং এটি। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পূজার গায়ে হলুদের ভিডিও ফাঁস হয়েছে। বেশ কয়েকটি পেজে দেখা গেছে ভিডিওটি। জানা গেছে, শূটিং সেট থেকে কে বা কারা ভিডিওটি গোপনে ধারণ করে প্রকাশ করে দিয়েছেন। ১৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি নাচে গানে ভরপুর। এরই মধ্যে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওতে গায়ে হলুদের সাজে পূজার লুক তার ভক্ত-অনুরাগীদের মন ভরিয়েছে। মন্তব্যের ঘরে অভিনেত্রীকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন তারা।
ভিডিওর শুরুতেই দেখা যায়, চারদিক থেকে পূজা চেরিকে ঘিরে রেখেছেন অনেকেই। মাঝখানে হলুদ শাড়ি পরে নাচছেন নায়িকা। তারপর সাজানো বিয়ে বাড়ির দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
জানা গেছে, পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ‘দম’ সিনেমার শূটিং চলাকালে ধারণ করা ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। সিনেমাটির নায়িকা হিসেবে পূজাকে দেখে একদিকে যেমন উচ্ছ্বসিত ভক্তরা অন্যদিকে শূটিংয়ের ভিডিও ফাঁস হওয়াকে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্নও। শূটিং চলাকালে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ধারণ করা হচ্ছে, সেখান থেকেই কেউ ভিডিওটি ফাঁস করেছেন।
তবে সমালোচনা যাই হোক, এই ছবি নিয়ে অধীর আগ্রহে আছেন দর্শক সেটা ফাঁস হওয়া ভিডিওগুলোতে প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা গেল। টানটান উত্তেজনা আর অ্যাকশনে ভরপুর এই ছবি নিয়ে আগ্রহ কেনই বা থাকবে না দর্শকের। এতে প্রথমবার একসঙ্গে দেখা যাবে দুই ডাইনামিক অভিনেতা নিশো ও চঞ্চল চৌধুরীকে। এ ছবি দিয়েই প্রথমবার বড় পর্দায় জুটি হয়ে আছেন নিশো ও পূজা।  আরও অনেক চমকের একটি হলো এ ছবি দিয়ে প্রায় ১০ বছর পর সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছেন ডলি জহুর। সব মিলিয়ে বিগ বাজেটের সিনেমাটি মুক্তির পর ভালো সাফল্য পাবে বলেই প্রত্যাশা সিনেমাপ্রেমীদের।

ফটিকছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বসতঘর পুড়ে ছাই

উপজেলার আব্দুল্লাহপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে  ৬ টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বৃহস্পতিবার   সকালে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ুয়া পাড়ায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুনে নওজেল বড়ুয়া, বিক্রম বড়ুয়া, আদর্শ বড়ুয়া, সজল বড়ুয়া ও পিন্টু বড়ুয়ার বসতঘরসহ মোট ছয়টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। ঘরগুলোতে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ প্রায় সব মালামাল আগুনে পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

বাউফল উপজেলায় বিএনপির আহ্বায়ককে শোকজ

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে  অবস্থান নেয়ার  অভিযোগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্ববায়ক আব্দুল জব্বার মৃধাকে শোকজ করেছে।

বুধবার  রাতে  পটুয়াখালী জলা বিএনপি তাকে এ কারণ দর্শনোর নোটিশ করে। তবে  বৃহস্পতিবার রাতে এ নোটিশের কপি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পৌঁছানো হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদকের মজিবুর রহমান টোটন  যৌথ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে শোকজ করা হয় এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগের বিষয় লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পটুয়াখালী-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে আব্দুল জব্বার মৃধার নেতৃত্বে একাধিক সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এসব সভায় প্রার্থীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা বানোয়াট বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেন আব্দুল জব্বার মৃধা।

এছাড়াও প্রকাশ্যে দলীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাফনের কাপড় জড়িয়ে মিছিলের নেতৃত্ব দেন তিনি। তার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল  এবং এতে সংগঠনের আদর্শ ক্ষুণ্ন হয়েছে।

জেলা বিএনপি সূত্র জানায়, অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাদের থেকে একাধিক লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কেন তার বিরুদ্ধে  কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা জানতে  চেয়ে ওই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব ও লিখিত ব্যাখ্যা দিতে না পারলে, দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে আব্দুল জব্বার মৃধাকে তার মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও  পাওয়া যায়নি।

আজকের পর আমাদের প্রার্থীরা কোনো দলের না, ১১ দলীয় ঐক্যের:নাহিদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট। এই ঐক্যের আওতায় ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে ২৫৩টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, আজকের পর থেকে জোটভুক্ত কোনো দলের আলাদা প্রার্থী থাকবে না, সবাই ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবেই মাঠে থাকবেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে থাকবে কি না, তা নিয়ে চলমান গুঞ্জনের মধ্যেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দুপুরে ১০ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর জানানো হয়েছিল, সবাই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। তবে সন্ধ্যার সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত দলটিকে ছাড়াই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জোট নেতারা। তারা জানান, যেসব আসনে সমঝোতা হয়েছে, সেখানে এখন থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে জোটের সব দল। একই সঙ্গে গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। সারা দেশের কোনো আসনেই আর আলাদা দলীয় প্রার্থী থাকবে না। আজকের পর থেকে সবাইকে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করা হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জনগণের পক্ষে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে আমরা নির্বাচনকে একটি অর্থবহ ফলাফলের দিকে নিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, এই ঐক্যের লক্ষ্য বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া।
নাহিদ আরও বলেন, সংস্কার, দেশের আজাদি, বৈষম্য ও দুর্নীতিবিরোধী রাজনীতির পক্ষে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আজ এক প্ল্যাটফর্মে এসেছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সম্মিলিতভাবে অংশগ্রহণের এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং নতুন রাজনৈতিক যাত্রা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
তিনি বলেন, এটি শুধু নির্বাচনী সমঝোতা নয়, এর রাজনৈতিক গুরুত্বও অত্যন্ত গভীর। গণ-অভ্যুত্থানের পর যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা ধারণ করেই আমরা সামনে এগোতে চাই। আসন্ন নির্বাচন সেই আকাঙ্ক্ষার একটি বড় পরীক্ষা, যেখানে আমাদের সবাইকে উত্তীর্ণ হতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের জোটভুক্ত দলগুলোর আসন বণ্টনের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।
এছাড়া জানানো হয়, ১১ দলীয় ঐক্যে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টিও যুক্ত থাকছে। তবে তাদের জন্য এখনো আসন বণ্টন চূড়ান্ত হয়নি। বিষয়টি পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়ায় দলটি শেষ পর্যন্ত এই জোটে থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আসন সংখ্যা নিয়ে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। এরই মধ্যে গুঞ্জন ওঠে, ১১ দলীয় জোট থেকে সরে যেতে পারে ইসলামী আন্দোলন।
এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলনকে বাদ দিয়ে ১০ দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে নেতারা জানান, ১১ দলীয় ঐক্য ভাঙবে না এবং আলোচনার পথ এখনো খোলা রয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন নজর, শেষ পর্যন্ত এই ঐক্য কতটা বিস্তৃত ও টেকসই হয়, সেদিকেই।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য প্রতিনিধির বৈঠক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (অস্ট্রেলিয়া ফরেন এন্ড ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) মি. ব্রুস সোয়ারের সঙ্গে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আরও যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ শাখার সহকারী পরিচালক মিস স্টেসি লি ওয়াকার, বাংলাদেশ শাখা-১ (দ্বিপাক্ষিক) এর সহকারী পরিচালক মিস ব্রুক সিম্পসন এবং বাংলাদেশ শাখা-২ (রোহিঙ্গা) এর সহকারী পরিচালক মিস মিশ খান।

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান এবং গণতন্ত্রকে অর্থবহ করার ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামগুলোতে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে অস্ট্রেলিয়া থেকে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইউরোপোর মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান, বিশিষ্ট বাংলাদেশি প্রবাসী নাগরিক ড. আবদুল মান্নান, ব্যারিস্টার ওসমান গণি ও জনাব আহমদুল্লাহ সাদি।

ফেব্রুয়ারিতে যে দুই দফায় ছুটি পাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা

নতুন মাসের শুরুতেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে স্বস্তির খবর। ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় টানা ছুটি পাওয়ার সুযোগ থাকছে, যা কর্মব্যস্ততার মাঝেই এনে দেবে বাড়তি বিশ্রাম ও পরিবারকে সময় দেওয়ার সুযোগ।
মাসের প্রথম দফার ছুটি আসছে পবিত্র শবেবরাতকে কেন্দ্র করে। ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার চাঁদ দেখা গেলে সেদিনই শবেবরাত পালিত হবে। সে ক্ষেত্রে পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সরকার নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার, অর্থাৎ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি। সব মিলিয়ে এই দফায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা তিন দিনের ছুটি উপভোগ করবেন।
এরপর খুব বেশি সময়ের বিরতি ছাড়াই আসছে দ্বিতীয় দফার ছুটি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত রয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। নির্বাচন উপলক্ষে ওই দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি আবারও সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এই পর্বেও সরকারি চাকরিজীবীরা টানা তিন দিনের বিশ্রাম পাবেন।
সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি কর্মচারীরা দুই দফায় তিন দিন করে মোট ছয় দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন। শীতের শেষভাগে এমন ছুটির সূচি অনেকের কাছেই ভ্রমণ, পারিবারিক সময় কিংবা ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মানি লন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুসন্ধানে তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়ার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বাদী হয়ে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছেন।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এতে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা। পাশাপাশি পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ব্যয় হিসেবে হিসাব করা হয়েছে আরও ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।
অন্যদিকে দুদকের হিসাব অনুযায়ী, বৈধ উৎস থেকে আনিস আলমগীরের মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় হিসেবে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই হিসাবে ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় তার কাছে অতিরিক্ত ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অর্থ ও সম্পদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক আনিস আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগ এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক এবং আরটিভির চিফ নিউজ এডিটর হিসেবেও কাজ করেছেন। দুদকের এই মামলাকে ঘিরে সাংবাদিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বিচ্ছেদের পর কেমন আছেন রাফসানের প্রাক্তন স্ত্রী এশা?

জনপ্রিয় উপস্থাপক রাফসান সাবাবের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। কণ্ঠশিল্পী জেফারের সঙ্গে তার এই নতুন পথচলা ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে। তবে এই খবরে অনেকের কৌতূহল—রাফসানের প্রাক্তন স্ত্রী সানিয়া সুলতানা এশা বর্তমানে কী করছেন?

২০২০ সালে ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে চিকিৎসক সানিয়া সুলতানা এশাকে বিয়ে করেন রাফসান। প্রায় তিন বছর দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর ২০২৩ সালের নভেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের সময় নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও দু’পক্ষই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নীরবতা বজায় রাখেন।

বিচ্ছেদের পর নিজের পেশাগত জীবনেই মনোযোগ দিয়েছেন এশা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান এস্তে এসথেটিক হাসপাতাল-এ এসথেটিক মেডিসিন কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। কসমেটিক মেডিসিন খাতে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করছেন তিনি।

গত ৩১ ডিসেম্বর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার কথা জানিয়ে এশা লেখেন, এস্তে মেডিকেল বাংলাদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতার পর এই নিয়োগ তার জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। এতে পেশাগত দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনি শেখার সুযোগও আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পোস্টে এশা তার কর্মস্থলের ম্যানেজমেন্ট ও শিক্ষাগুরুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং রোগীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে সেবা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সবার দোয়া কামনা করেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন পেছনে ফেলে পেশাগত সাফল্যের দিকেই এখন এগিয়ে যাচ্ছেন সানিয়া সুলতানা এশা—এমনটাই মনে করছেন তার অনুসারীরা।

এক মাস আদা খেলে আপনার শরীরে ঘটে যে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন!

রান্নাঘরের এক কোণে থাকা এই সাধারণ মসলাটিকেই আমরা অনেক সময় অবহেলা করি। অথচ আধুনিক গবেষণা বলছে, প্রতিদিন মাত্র অল্প পরিমাণ আদা নিয়ম করে খেলে এক মাসের মধ্যেই শরীরের ভেতরে শুরু হয় একের পর এক ইতিবাচক পরিবর্তন। হজম থেকে শুরু করে রোগপ্রতিরোধ, এমনকি মানসিক কর্মক্ষমতাও বদলে যেতে পারে এই একটি প্রাকৃতিক উপাদানে।

রান্নার স্বাদ নয়, আদার আসল শক্তি শরীরের ভেতরে
আদা শুধু ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য পরিচিত নয়। এতে থাকা জিঞ্জেরল, শোগাওল ও জিঞ্জিবারিনের মতো বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ শরীরের প্রদাহ কমাতে, ব্যথা উপশম করতে এবং কোষের ক্ষতি রোধে কাজ করে। পাশাপাশি রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান, যা শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষা দেয়। প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসায় আদার ব্যবহার তার কার্যকারিতারই প্রমাণ।

এক মাস নিয়মিত আদা খেলে যে পরিবর্তনগুলো টের পাবেন
প্রথম পরিবর্তনটি দেখা যায় হজমে। আদা পাকস্থলীর কার্যকারিতা বাড়ায়, গ্যাস ও বদহজমের সমস্যা কমায়। বমিভাব বা পেট ভারী লাগার প্রবণতাও অনেকটাই হ্রাস পায়।
দ্বিতীয়ত, শরীরের প্রদাহ ও জোড়ার ব্যথা কমতে শুরু করে। যারা দীর্ঘদিন হাঁটু বা পিঠের ব্যথায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে আদা ধীরে ধীরে আরাম দিতে পারে।
তৃতীয়ত, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে আদা। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
চতুর্থত, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। সর্দি, কাশি বা মৌসুমি সংক্রমণ থেকে দ্রুত সেরে ওঠার অভিজ্ঞতা জানান অনেকেই।
সবচেয়ে চমকপ্রদ পরিবর্তন আসে মানসিক কর্মক্ষমতায়। নিয়মিত আদা খেলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ে, ফলে মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি উন্নত হতে পারে।

হৃদ্‌যন্ত্র ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য বাড়তি সুরক্ষা

গবেষণায় দেখা গেছে, আদা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমায়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি কোষের বয়সজনিত ক্ষয় ধীর করতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঘরের সাধারণ এই মসলাটি এক মাস নিয়মিত খেলে শরীর ও মনের ওপর যে প্রভাব পড়ে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। তবে অতিরিক্ত নয় পরিমিত পরিমাণেই আদা গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও উপকারী। বিশেষ করে যাদের আলসার, রক্তপাতজনিত সমস্যা বা বিশেষ শারীরিক অবস্থা রয়েছে, তাদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সচেতন ব্যবহারে আদা হতে পারে সুস্থ জীবনের এক সহজ কিন্তু শক্তিশালী সহচর।

২০২৬ সালে শুরু করুন এই ৭টি ছোট ব্যবসা, আয় করতে পারেন সহজে

২০২৬ সালের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য উদ্যোক্তাবিষয়ক জনপ্রিয় ম্যাগাজিন Entrepreneur সম্ভাবনাময় কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা প্রকাশ করেছে। বড় পুঁজি ছাড়াই এগুলো শুরু করা সম্ভব, আর মুনাফার সুযোগও যথেষ্ট। চলুন দেখে নিই, ২০২৬ সালে কোন খাতে ছোট ব্যবসা শুরু করলে সহজেই আয় করা যায়।
১. ল্যান্ডস্কেপিং ও লন কেয়ার
বিশ্বজুড়ে লন কেয়ার ও ল্যান্ডস্কেপিং ব্যবসার বাজার প্রতি বছর কয়েকশো বিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৮ সালে বাজার দাঁড়াবে ৩৩৬ বিলিয়ন ডলারে। শুধু গাছপালা নয়, দেয়াল সংস্কার, কৃত্রিম ঘাস বসানো, বেড়া স্থাপন এসব দিয়ে ব্যবসা বাড়ানো সম্ভব। Inc. ম্যাগাজিন জানায়, একটি ল্যান্ডস্কেপিং কোম্পানি তার বার্ষিক মুনাফার তিন থেকে ছয় গুণ দামে বিক্রি হতে পারে।
২. গ্রাফিক ডিজাইন
Photoshop, Canva বা Illustrator-এ দক্ষ হলে নিজস্ব গ্রাফিক ডিজাইন এজেন্সি শুরু করা লাভজনক উদ্যোগ হতে পারে। কোম্পানির নিউজলেটার, বিজ্ঞাপন, ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট তৈরিতে সহায়তা করে আয় করা যায়। প্রিন্ট শপ বা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে সমন্বয় করলে ব্যবসার সুযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব।
৩. গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি মেরামত
যাদের প্রযুক্তিতে দক্ষতা আছে, তারা ফ্রিজ, ওভেন, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের মেরামত ব্যবসা শুরু করতে পারেন। স্থানীয় ইলেকট্রনিক্স দোকানের সঙ্গে চুক্তি করে ওয়ারেন্টি সার্ভিস দেওয়ার সুযোগও রয়েছে। পুরনো ডিভাইস কিনে মেরামত করে বিক্রি করাও লাভজনক।
৪. নোটারি সেবা
নোটারি হলেন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি, যারা চুক্তিপত্র, দলিল বা শপথনামায় স্বাক্ষর নিশ্চিত করেন। যদিও এটি তুলনামূলক পুরনো পেশা, তবুও বন্ধক, সম্পত্তি হস্তান্তর বা আইনি কাজে নোটারির চাহিদা থাকে। ঋণ চুক্তির নোটারাইজেশন থেকে ভালো আয় সম্ভব।
৫. পশুপালন ও পোষা প্রাণীর যত্ন
পোষা প্রাণীর সংখ্যা বাড়ছে। পেট-সিটার, ডগ ওয়াকার বা গ্রুমার হিসেবে শুরু করা যেতে পারে। বিশেষ প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্স প্রয়োজন হয় না, খরচও কম। যারা প্রাণী ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।
৬. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
বিয়ে, জন্মদিন বা কর্পোরেট আয়োজন সবকিছুতে বড় চাহিদা রয়েছে। পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় দক্ষরা এই খাতে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। হোটেল বুকিং, ফ্লাইট টিকিট, দৈনিক রুটিন বা বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও আয় বৃদ্ধি করতে পারে।
৭. কোচিং, ট্রেনিং ও পরামর্শসেবা
আপনার বিশেষ দক্ষতা থাকলে তা দিয়ে অন্যদের শেখানো সম্ভব। উদ্যোক্তাদের পরামর্শদাতা, খেলাধুলা বা টেকনিক্যাল প্রশিক্ষক, লাইফ বা মোটিভেশনাল কোচ সবকিছুই লাভজনক। শিক্ষার্থীদের টিউটরিং করেও আয় করা যায়।
২০২৬ সাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগের বছর হতে পারে। বড় প্রতিষ্ঠান নয়, ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু করেও গড়ে তোলা সম্ভব লাভজনক ভবিষ্যৎ। শুরু করুন আজই যেখানেই আপনি আছেন, সেখান থেকেই নিজের উদ্যোগে পথচলা শুরু করুন।