Home Blog Page 247

এখনও পর্যন্ত যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে

০

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে বেশ কয়েকজন আলোচিত ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ঢাকা-১১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত এবং ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নে কোনো অনিয়ম পাননি।

ঢাকা-১৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা এই সিদ্ধান্ত নেন। এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যেও একাধিক মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা দেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। একইভাবে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করা হয়। শনিবার সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান এ সিদ্ধান্ত জানান।

রাজধানীর ঢাকা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেগুনবাগিচায় ঢাকা মহানগরীর আওতাধীন আসনগুলোর যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা এই ঘোষণা দেন।

এদিকে, ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে ঢাকার ২০টি আসনে শুরু হওয়া যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে তার মনোনয়নপত্র অনুমোদন পায়।

অন্যদিকে, নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এসব প্রভাবশালী প্রার্থীর নির্বাচনি মাঠে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

০

বগুড়া-৬ আসনের পর এবার ঢাকা-১৭ আসন থেকেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এটি বৈধ ঘোষণা করেন। এর আগে সকালেই বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকেও তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষিত হয়েছিল।

তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ এবং প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ নির্ধারিত হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি।

উল্লেখ্য, তারেক রহমান এই নির্বাচনে একই সঙ্গে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ দুই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

তারেক রহমানের একান্ত সচিব ও প্রেস সচিব হলেন যারা

০

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নতুন একান্ত সচিব ও প্রেস সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন এ বি এম আব্দুস সাত্তার। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী)।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে তারেক রহমানের এই সচিবালয় পুনর্গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দাপ্তরিক কাজ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন।

এবার খুনি ফয়সালকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন জুমা

০

শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা। তাঁর দাবি, এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানোর উদ্দেশ্যেই ফয়সাল নামের একজনকে পরিকল্পিতভাবে জামিনে বের করে আনা হয়েছিল।

শনিবার (৩ জানুয়ারি ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে জুমা এই গুরুতর অভিযোগ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন— সরকারের ভেতর থেকে কারা এই আসামির জামিনের জন্য তদবির করেছিল এবং কোন বিচারক এই জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।

জুমা দাবি করেন, ফয়সালকে জেল থেকে বের করাই হয়েছিল এই খুনের মিশনটি সম্পন্ন করার জন্য। তিনি প্রশ্ন করেন, কোন আইনজীবী এবং কার সুপারিশে এই জামিন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছিল।

হত্যাকাণ্ডের চেষ্টায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত কবির সম্পর্কে তিনি বলেন, ফয়সালের সঙ্গে কবিরও প্রথম দিন থেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। কবিরের কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (লিড) পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও মামলার অগ্রগতি নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।

মামলায় নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে যে দাবি করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই ডাকসু নেত্রী। তাঁর মতে, ঘটনার নেপথ্যের কারিগরদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।

জুমা অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা এই জামিনের নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালীদের পরিচয় এবং ইনকিলাব টিভিতে ফয়সালের উপস্থিতির পেছনের মাধ্যমগুলো জাতির সামনে উন্মুক্ত করেন।

উল্লেখ্য, শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডটি দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করলেও মূল পরিকল্পনাকারীদের নিয়ে জনমনে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

হাসিনার আমলে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ছাড়া কে পুলিশে চাকরি পেয়েছে?

০

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ছাড়া কে পুলিশে চাকরি পেয়েছে? কে এনএসআইতে চাকরি পেয়েছে-খোঁজ নিয়ে দেখুন। আপনাদের অধিকার হরণ করা হয়েছে, সেটি আপনারা তখন বুঝতে পারেননি। এখন অনেক ক্ষেত্রে তাদের হয়েই কথা বলছেন।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী নিতাই গৌর সেবাশ্রম পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কোনো ভবিষ্যৎ আমি দেখি না। মানুষের কাছে তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। তারা বিপুলসংখ্যক মানুষকে হত্যা করেছে, গুম করেছে। এখন তাদের নেতাকর্মীরা দেশের বাইরে গিয়ে মিথ্যাচার করছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, জুলাই আন্দোলনে তিন হাজার পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে। লাখ লাখ আন্দোলনকারীদের জঙ্গি হিসেবে প্রচার করছে আওয়ামী লীগ। এসব বলে বলে তারা সারা পৃথিবীকে বোঝাতে চাচ্ছে যে এদের মারতে হবে।

প্রেস সচিব বলেন, ১৭ মাস পেরিয়ে গেলেও তারা কোনো অনুতপ্ত হয়নি। এখন যদি এসে বলে- আমরা ভুল করেছিলাম, দুঃখিত-তাহলেও আর সময় নেই। কারণ মনোনয়ন দাখিলের সময় ইতোমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে।

একটি রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে সরকার নতুন কোনো ফ্যাসিজমের দিকে যাচ্ছে কিনা-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, এখানে ফ্যাসিজমের কিছু নেই। বরং আওয়ামী লীগই দেশে ফ্যাসিজম কায়েম করেছিল। স্বাধীনতার চেতনার কথা বলে বলে তারা মানুষের অধিকার হরণ করেছে।

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন, একটি রাজনৈতিক দল যদি অস্ত্র হাতে তুলে নেয়, ছোট ছোট শিশু ও তরুণ শিক্ষার্থীদের হত্যা করে, তাহলে পৃথিবীর কোনো সভ্য রাষ্ট্রই তাদের ডেমোক্রেটিক স্পেস দেয় না। একটি রাজনৈতিক দল হওয়ার মূল শর্ত হলো শান্তিপূর্ণ থাকা এবং সহিংসতায় না জড়ানো।

প্রেস সচিব বলেন, অফিসিয়ালি নির্বাচনি ক্যাম্পেইন শুরু না হলেও ইতোমধ্যেই সারা দেশে নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ এখন ভোটের দিনের জন্য অপেক্ষা করছে। তবে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেই, কারণ তারা নিজেরাই নিজেদের অযোগ্য করে তুলেছে।

সকালে নিতাই গৌর সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ বাবাজী মহারাজ চিন্ময় আনন্দ দাস চঞ্চল গোসাইয়ের সঙ্গে আলাপকালে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা নেজারত ডেপুটি কালেক্টর সহকারী কমিশনার আমিনুল ইসলাম, মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আশিকুর রহমান এবং নিতাই গৌর সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক তরুণ ভৌমিক।

হঠাৎ ১ জানুয়ারিতেই এত মানুষের জন্মদিন কেন?

পহেলা জানুয়ারি এলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য মানুষকে জন্মদিন উদযাপন করতে দেখা যায়। অনেকেই বন্ধু-স্বজনদের জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসিয়ে দেন বছরের প্রথম দিনটিকে। এতে মনে হয়, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক নাগরিকের জন্মদিন যেন ১ জানুয়ারিই। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই বিশাল জনগোষ্ঠীর সবার জন্ম কি সত্যিই বছরের প্রথম দিনে? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো বাস্তবতা?
জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জন্ম তারিখ হিসেবে জানুয়ারির ১ তারিখের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। শিশুদের নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরাও দীর্ঘদিন ধরে এই প্রবণতা লক্ষ্য করে আসছেন।
শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ইশতিয়াক মান্নান জানান, বাস্তবে এমন নয় যে জানুয়ারির ১ তারিখেই অধিকাংশ শিশুর জন্ম হচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে এখনও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিশুর জন্ম হয় বাড়িতে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়। এসব জায়গায় শিক্ষার হার তুলনামূলক কম হওয়ায় অনেক অভিভাবক জন্ম নিবন্ধনের বিষয়ে সচেতন নন।”
তিনি আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রে জন্মের সময় সঠিকভাবে জন্ম নিবন্ধন করা হয় না—হাসপাতাল বা বাড়িতে জন্ম নেওয়া হলেও নিবন্ধনে গাফিলতি থাকে। পরে যখন শিশুকে স্কুলে ভর্তি করা হয় বা কোনো সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময় জন্ম তারিখ প্রয়োজন হয়, তখন অনেক সময় নির্দিষ্ট তথ্যের অভাবে একটি অনুমানভিত্তিক তারিখ বসিয়ে দেওয়া হয়। সহজে মনে রাখার সুবিধার জন্য শিক্ষক বা সংশ্লিষ্টরা একটি “কমন” তারিখ বেছে নেন, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জানুয়ারির ১ তারিখ হয়ে থাকে। এ কারণেই অনেকের জীবনে দেখা যায়, বাস্তব জন্মদিন এক রকম আর কাগজপত্রে আরেক রকম—অর্থাৎ দুইটি জন্মদিন।
বিশেষজ্ঞরা জানান, এই প্রবণতা শুধু বাংলাদেশেই নয়। ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশেও একই চিত্র দেখা যায়।
তবে ড. ইশতিয়াক মান্নান বলেন, “অনেকের জন্ম তারিখ কাগজে বানানো হলেও এটাও সত্য যে, বাংলাদেশে বাস্তব অর্থেই জানুয়ারির ১ তারিখে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যাও কম নয়।”

এখনই চেক করুন! অবৈধ স্মার্টফোন হলে নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেবে বিটিআরসি

আপনি যে স্মার্টফোনটি ব্যবহার করছেন, সেটি বৈধ কি না—এ বিষয়টি অনেকেই গুরুত্ব দিয়ে ভাবেন না। এমনকি অনেক ব্যবহারকারী এতদিন জানতেনই না যে, তাদের ব্যবহৃত ফোনটি নিবন্ধিত কি না। তবে এখন এই বিষয়টি সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) নেওয়া নতুন উদ্যোগের ফলে অবৈধ বা নিবন্ধনবিহীন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়তে পারেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে আনঅফিশিয়াল বা নিবন্ধন ছাড়া মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাই এর আগেই নিজের ফোনটি নিবন্ধিত কি না, তা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
যেভাবে যাচাই করবেন ফোন বৈধ কি না
ফোনটি নিবন্ধিত কি না তা জানার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে—
ধাপ ১: মোবাইল ফোন থেকে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করুন
ধাপ ২: অটোমেটিক অপশন এলে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই (IMEI) নম্বর লিখে পাঠান
ধাপ ৩: ফিরতি এসএমএসে ফোনটির বর্তমান নিবন্ধন অবস্থার তথ্য জানানো হবে
ফোন নিবন্ধিত না থাকলে কী করবেন
যদি যাচাইয়ের পর দেখা যায় ফোনটি নিবন্ধিত নয়, তাহলে অনলাইনে সহজেই রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
ধাপ ১: ফোনের আইএমইআই নম্বর বের করতে ডায়াল করুন *#০৬#
ধাপ ২: এনইআইআর (NEIR) পোর্টালে প্রবেশ করুন
ধাপ ৩: ‘আইএমইআই রেজিস্ট্রেশন’ বা ‘ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন’ অপশন নির্বাচন করুন
ধাপ ৪: প্রয়োজনীয় তথ্য দিন—আইএমইআই নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, মোবাইল নম্বর, ডিভাইস কেনার তথ্য (যদি থাকে)
ধাপ ৫: প্রযোজ্য হলে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে আবেদন সাবমিট করুন
যাচাই শেষে ফোনটি বৈধ হিসেবে স্বীকৃত হলে নেটওয়ার্ক সংযোগ স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।

পর্দায় আগুন ধরানোর আভাস সিয়ামের

০

নতুন বছরের প্রথম দিনে চোখ মেলেই ভক্ত-দর্শক-সমালোচকদের সতর্ক বার্তা দিলেন নায়ক সিয়াম আহমেদ। বললেন, সিনেমা হলের সিটটা শক্ত করে ধরতে। কারণ, নতুন বছরে পর্দায় আগুন ধরানোর আভাস দিলেন তিনি। শুধু সামনে নয়, নতুন বছরের প্রথম দিনে তিনি ফিরে তাকালেন পেছনের দিকেও। টানলেন ‘জংলি’র গল্প। যে সিনেমা দিয়ে তিনি গত বছর প্রশংসা কুড়িয়েছেন সব ঘরানার দর্শকের কাছে।
সিয়ামের ভাষায়, ঈদে লক্ষ লক্ষ মানুষ পরিবার নিয়ে সিনেমা হলে এসেছেন ‘জংলি’ দেখতে। আপনারা হেসেছেন, কেঁদেছেন, পরম মমতায় আমাকে জড়িয়ে ধরেছেন। সিনেমা হলে লুকিয়ে লুকিয়ে আমি দেখেছি, বাবা তার সন্তানকে আগলে ধরে বসে আছেন। মায়ের চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। বিশ্বাস করুন, আপনাদের সেই ভালোবাসা দেখে আমারও চোখ ভিজে উঠেছে। একজন অভিনেতার জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে।
গত বছর মুক্তি পাওয়া নিজের অভিনীত চরিত্রগুলোর নাম টেনে সিয়াম বলেন, আপনারা জনি কিংবা জংলিকে যেমন আপন করে নিয়েছেন, তেমনি আরমান মনসুরকে দেখে বিস্মিত হয়েছেন। অল্প সময়ের একটি চরিত্রকে ঘিরে আপনারা পোস্টার, মিম, ভিডিও ম্যাশআপ, এমনকি বিজিএম বানিয়ে পাঠিয়েছেন, এই ভালোবাসা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সিয়াম মনে করেন, অভিনেতা হিসেবে সবসময় নিজেকে চ্যালেঞ্জ করাই তার লক্ষ্য। আরও লক্ষ্য দর্শকদের জন্য ভিন্ন স্বাদের চরিত্র, নতুন গল্প নিয়ে পর্দায় হাজির হওয়া। গত বছরের চরিত্রগুলোর সফলতায় তিনি বুঝেছেন- তার চেষ্টা কিছুটা হলেও সফল। গত বছরের অভিজ্ঞতায় নতুন বছরটাকেও সাজাতে চান সিয়াম আহমেদ।

তার ভাষায়, এই বছরটা শুরু হয়েছিল অনেক আশঙ্কা আর অনিশ্চয়তা নিয়ে। ঠিক সেই সময়েই বিনোদনের কাজটা আরও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে- মানুষকে একটু হলেও বাস্তবের চাপ থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া, কিছুক্ষণ হাসানো, কাঁদানো কিংবা নতুন একটা জগতে নিয়ে যাওয়া। তাই এবার নতুন চ্যালেঞ্জের পালা। নতুন বছরে আপনাদের জন্য আসছে আরও নতুন কিছু চরিত্র, আরও নতুন গল্প। আমি সিনেমায় অভিনয় করি দর্শকদের জন্যই, দর্শকের ভালো লাগা-মন্দ লাগাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন। এমন কিছু চরিত্র, এমন কিছু গল্পই হাতে নিয়েছি যেখানে রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে।

বিজয়ের মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্সের রেকর্ড

০

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি (৩.২৯ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স আসার রেকর্ড ছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে এসেছিল সেটি। এখন পর্যন্ত এটিই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স আসার রেকর্ড। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ডটিও ছিল গত বছরের মে মাসে ২৯৭ কোটি ডলারের রেমিটেন্স। এবার সেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ডটিকে ভেঙে দিয়ে নতুন রেকর্ড তৈরি করল বিজয়ের মাস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্স আসার রেকর্ড গড়ল ডিসেম্বর। সদ্য বিদায়ী মাসটির পুরো সময়ে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।

দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ডিসেম্বরের পুরো সময়ে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা তার আগের মাস নভেম্বরের চেয়ে প্রায় ৩৪ কোটি ডলার বেশি এসেছে আর গত বছরের ডিসেম্বরের চেয়ে ৫৯ কোটি ডলার বেশি এসেছে। গত নভেম্বরের রেমিটেন্স এসেছিল ২৮৯ কোটি ডলার আর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এসেছিল ২৬৪ কোটি ডলার।
এদিকে আলোচিত সময়ে (ডিসেম্বর-২০২৫) রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫৭ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের (কৃষি ব্যাংক) মাধ্যমে এসেছে ৩৫ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২২৯ কোটি৩৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৮ লাখ ৯০ হাজার ডলারের রেমিটেন্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিটেন্স এসেছে, জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।
প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল, যা ছিল ওই অর্থবছরের রেকর্ড।

খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে বিজিএমইএ সভাপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

০

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা -২ আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে প্রবেশ করেন তারা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার সমাধিতে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে দোয়া ও মোনাজাত করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল খান বাবলু, পরিচালক ফয়সাল সামাদ এবং পরিচালক ড. রশিদ আহমদ হোসাইনী।

শোক প্রকাশ করে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মাতা ও বিএনপি’র চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে বিজিএমইএ’র প্রতিটি সদস্য গভীরভাবে শোকাহত। পোশাক শিল্পসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার রক্ষা ও কল্যাণে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তিনি তার কর্ম ও আদর্শের মধ্য দিয়েই প্রতিটি বাংলাদেশির হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবেন।

এ সময় সমাধিস্থলে কোরআন তেলাওয়াত চলতে দেখা যায়। পাশাপাশি জিয়া উদ্যানের সমাধি কমপ্লেক্স এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালাচ্ছেন দলের কর্মী ও গণপূর্ত অধিদফতরের কর্মীরা।এদিন জুমার নামাজের পর বেগম জিয়ার মাগফেরাতের জন্য মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তার আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত জটিল ও সংকটাপন্ন। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ভোর ৬টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন।