Home Blog Page 249

নির্বাচন কেন্দ্রিক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানালেন জামায়াত আমির

০

রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তার সাক্ষাৎকার সম্পর্কিত প্রতিবেদনে রয়টার্স লিখেছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে শক্ত অবস্থান নেওয়ার প্রত্যাশায় থাকা একসময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী ঐক্য সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে। দলটির আমির শফিকুর রহমান বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলো এক হলে তারা যৌথভাবে সরকার পরিচালনায় প্রস্তুত।

ঢাকার একটি আবাসিক এলাকায় নিজের কার্যালয়ে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শফিকুর রহমান বলেন, অন্তত পাঁচ বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র গড়াই তাদের লক্ষ্য। দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে সরকার যৌথভাবে চালানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি একটি প্রজন্মভিত্তিক (জেন-জি) দলের সঙ্গে সমঝোতায় যাওয়ার পর জামায়াতকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা বাড়ে।

ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক শাসনব্যবস্থার পক্ষে থাকলেও জামায়াত তাদের সমর্থনভিত্তি বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে। শফিকুর রহমান বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচি যে কোনো ঐক্য সরকারের অভিন্ন এজেন্ডা হতে হবে। তার মতে, যে দল সবচেয়ে বেশি আসন পাবে, প্রধানমন্ত্রী সেই দল থেকেই হবেন। জামায়াত সর্বোচ্চ আসন পেলে কে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হবেন, তা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর জামায়াতের রাজনৈতিক পুনরুত্থান ঘটে। ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়েন। তার দল আওয়ামী লীগ বর্তমানে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। শেখ হাসিনার শাসনামলে জামায়াতের একাধিক শীর্ষ নেতাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। জামায়াতের দলীয় সনদ সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক, এমন রায়ে ২০১৩ সালে দলটিকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের আগস্টে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে।

শফিকুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও তার দেশত্যাগের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক পর্যায়ে পৌঁছেছে, এটি উদ্বেগজনক। ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে তিনি জানান, চলতি বছর একজন ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে। তবে সেই বৈঠক গোপন রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য না করলেও দেশটির এক সরকারি সূত্র বিভিন্ন দলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা নিশ্চিত করেছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে জামায়াতের ঐতিহাসিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, তারা কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে চান না; বরং সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই তাদের নীতি।

এদিকে, জামায়াত অন্তর্ভুক্ত কোনো সরকার বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে স্বস্তিতে থাকবে না বলেও ইঙ্গিত দেন শফিকুর রহমান। ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের সমর্থনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত শাহাবুদ্দিন চলতি মাসে রয়টার্সকে জানান, প্রয়োজনে মেয়াদের মাঝপথে সরে যেতে তিনি প্রস্তুত। বুধবার রয়টার্সের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপে রাষ্ট্রপতি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

তারেক রহমানকে বুকে টেনে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

০

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে দুপুর ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ এই জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষের ঢল সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, যা এক বিশাল জনসমুদ্রে রূপ নেয়। জানাজায় ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা অংশ নেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

জানাজার সম্মুখসারিতে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় শোকাহত খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বুকে টেনে নিয়ে সান্ত্বনা জানাতে দেখা যায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে।

আবারও মা হওয়ার গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন বুবলী

০

শবনম বুবলী। ‘বসগিরি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় পা রেখে দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ফটোশুট, শোরুম উদ্বোধন নিয়ে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে তার। এসবের মাঝেই ফের শাকিব খান আর বুবলীকে নিয়ে আবার নতুন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন।

সম্প্রতি কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন ভার্সন এ খবরটি প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের তারকা শাকিব খানকে নিয়ে তার দুই স্ত্রীর ‘দড়ি টানাটানি’ নতুন নয়। শাকিবের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস, দ্বিতীয় স্ত্রী বুবলী। অভিনেতার দাবি, দুজনই তার প্রাক্তন। তবে দুই পুত্রসন্তানের প্রতি কর্তব্য পালনে অবিচল শাকিব। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলী ও পুত্র বীরকে নিয়ে আমেরিকায় লম্বা ছুটি কাটিয়ে আসেন অভিনেতা। তারপর বুবলী প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনা। বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা!

এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন অভিনেত্রী। পরনে ছিল ঘাগরা। দর্শকের সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও তোলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী নাকি অন্তঃসত্ত্বা।

তবে এ ধরনের খবরে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন শবনম বুবলী। তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের গুজব রটেছে। এবারের খবরটিও সম্পূর্ণ গুজব। এর কোনো ভিত্তি নেই।

শীতে সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই পাঁচ খাবার

শীতকাল এলেই ঠান্ডা, সর্দি–কাশি, ফ্লু ও ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় শরীরকে সুস্থ রাখতে শুধু গরম পোশাকই নয়, প্রয়োজন সঠিক খাবারও। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং শীতকালকে উপভোগ্য করতে খাদ্যতালিকায় কিছু পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি–এর এক প্রতিবেদনে শীতে খাওয়ার জন্য উপকারী পাঁচটি খাবারের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

১. কমলা

শীতের অন্যতম জনপ্রিয় সাইট্রাস ফল কমলা। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সর্দি–কাশি ও ফ্লু প্রতিরোধে সহায়তা করে। পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ রাখতেও কমলা কার্যকর।

২. গাজর

শীতের দিনে গাজর একটি অত্যন্ত উপকারী খাবার। এতে থাকা বেটা ক্যারোটিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গাজর শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে এবং ফুসফুসকে সুরক্ষা দেয়।

৩. ডিম

ডিমে রয়েছে নয়টি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও আয়রন। এটি শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ডিমে ভিটামিন বি২, বি১২, এ ও ই ছাড়াও জিংক ও ফসফরাস রয়েছে। শীতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখা যেতে পারে। তবে কারও বিশেষ স্বাস্থ্যসমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

৪. আদা

শীত মানেই আদা চা। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আদা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। এটি সর্দি, কাশি ও ফ্লু প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

৫. কাঠবাদাম

কাঠবাদাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর খাবার। এটি শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। শীতে নিয়মিত অল্প পরিমাণ কাঠবাদাম খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী।

থার্টি ফার্স্ট নাইটে কক্সবাজারে কঠোর বিধিনিষেধ জারি

থার্টি ফার্স্ট নাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কক্সবাজারজুড়ে কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। শহরের বিভিন্ন মোড়ে, বিশেষ করে-পর্যটন জোনে অবস্থান করছে আইন -শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে একাধিক বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক বার্তায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজার শহর এলাকাসহ সৈকতে আতশবাজী, পটকা ও ফানুস উড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে দূর্ঘটনা এড়াতে আতশবাজী ও ফটকা বিক্রি-বিপনন কেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলার উন্মুক্ত স্থানে ও রাস্তায় প্রকাশ্যে কোন কনসার্ট, নাচ ও গানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না।
৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত জেলার সব বার ও মদের দোকান বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়। পুলিশ আরও জানায়, থার্টি ফাস্ট নাইট উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কিংবা নাশকতা, সহিংসতা, বোমা হামলাসহ যে কোন ধরনের ধ্বংসাত্বক কর্মকাণ্ডে জড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
একই সঙ্গে  উচ্চ শব্দে গাড়ির হর্ণ বাজানো, প্রতিযোগিতা, জয় রাইড ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। থার্টি ফার্স্ট নাইটে আগত নারী পর্যটকদের কোনে ধরণের ইভটিজিং বা উত্ত্যক্ত করা যাবে না বলেও কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হোটেল ও মোটেল কর্তৃপক্ষকে ইনডোরে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের তথ্য এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিষয়ে জেলা বিশেষ শাখা (ডিএসবি) কে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস সবাইকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানান।
এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের প্রধান ও অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, উন্মুক্ত স্থানে আয়োজন না থাকলেও গভীর রাত পর্যন্ত পর্যটকদের নিরাপত্তায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে।

ল্যাপটপ নয়, শুধু একটি ফোন থাকলেই আয়! ঘরে বসে অনলাইনে রোজগারের ১০ উপায়

০

ডিজিটাল যুগে আয় করার জন্য আর ল্যাপটপ বা বড় সেটআপের দরকার নেই। এখন শুধু একটি স্মার্টফোন থাকলেই ঘরে বসে অনলাইনে নিয়মিত রোজগার করা সম্ভব। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, গৃহিণী কিংবা চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের খোঁজে থাকা মানুষের জন্য মোবাইলভিত্তিক আয়ের সুযোগ দিন দিন বাড়ছে। জেনে নিন ফোন ব্যবহার করেই অনলাইনে আয় করার ১০টি কার্যকর উপায়।

১. ফেসবুক পেজ বা অনলাইন ব্যবসা
নিজের পণ্য বা অন্যের পণ্য রিসেল করে ফেসবুক পেজ বা গ্রুপের মাধ্যমে আয় করা যায়। জামাকাপড়, কসমেটিকস, হোমমেড খাবার—সবই বিক্রি সম্ভব শুধুমাত্র ফোন ব্যবহার করেই।

২. ইউটিউব ভিডিও তৈরি
ভিডিও বানানোর জন্য এখন আর দামি ক্যামেরা প্রয়োজন নেই। স্মার্টফোন দিয়েই রান্না, ভ্লগ, শিক্ষামূলক কিংবা রিভিউ ভিডিও বানিয়ে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়।

৩. ফ্রিল্যান্সিং (মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে)
ডেটা এন্ট্রি, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, কনটেন্ট রাইটিংয়ের মতো কাজ Fiverr, Freelancer, Upwork-এর মোবাইল অ্যাপ দিয়েই করা সম্ভব।

৪. অনলাইন টিউশন বা কোচিং
Zoom, Google Meet কিংবা Facebook Live ব্যবহার করে ঘরে বসেই পড়াতে পারেন। বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান থাকলেই আয় শুরু করা সম্ভব।

৫. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
Daraz, Amazon বা অন্যান্য অ্যাফিলিয়েট প্ল্যাটফর্মের লিংক শেয়ার করে পণ্য বিক্রি হলে কমিশন পাওয়া যায়। শুধু ফোন ও ইন্টারনেটই যথেষ্ট।

৬. টিকটক ও শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম
টিকটক, Likee, SnackVideo-তে নিয়মিত কনটেন্ট বানিয়ে গিফট, স্পন্সরশিপ ও ফান্ড থেকে আয় করা যায়।

৭. অনলাইন সার্ভে ও মাইক্রো টাস্ক
কিছু বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট ও অ্যাপে সার্ভে পূরণ, অ্যাপ টেস্টিং বা ছোট কাজ করে আয় করা সম্ভব।

৮. কনটেন্ট রাইটিং (মোবাইল দিয়ে লেখা)
বাংলা বা ইংরেজি লিখতে পারলে মোবাইল দিয়েই আর্টিকেল, ক্যাপশন বা ব্লগ লিখে আয় করা যায়।

৯. ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি
নিজের তৈরি নোট, ই-বুক, ডিজাইন টেমপ্লেট বা প্রেজেন্টেশন অনলাইনে বিক্রি করা যায় শুধু ফোন ব্যবহার করেই।

১০. ফেসবুক গ্রুপ মডারেশন ও পেজ ম্যানেজমেন্ট
অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী তাদের পেজ বা গ্রুপ পরিচালনার জন্য লোক খোঁজেন। নিয়মিত পোস্ট ও ইনবক্স রিপ্লাই করেই আয় করা সম্ভব।

সতর্কতা জরুরি
অনলাইনে আয়ের নামে প্রতারণা থেকেও সতর্ক থাকতে হবে। কোনো কাজ শুরু করার আগে ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি।

একটি স্মার্টফোনই এখন হয়ে উঠতে পারে আপনার আয়ের প্রধান হাতিয়ার। ধৈর্য, সময় ও সঠিক প্ল্যাটফর্ম বেছে নিলেই ঘরে বসে অনলাইনে নিয়মিত রোজগার সম্ভব।

খালেদা জিয়ার সময়েই অর্থনীতি বিকাশের পথ উন্মুক্ত হয়

০

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশের পথ উন্মুক্ত হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত দেশের অগ্রযাত্রা নতুন গতি পায় এই মহীয়সী নারীর শাসনামলে। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে, বিশেষ করে ১৯৯১-৯৫ সময়ে বাংলাদেশে বেসরকারিকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ সময় মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু করা হয়, যা বর্তমানে রাজস্ব আদায়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

স্বাধীনতার পর উত্তরাধিকার সূত্রে বাংলাদেশ অনেকগুলো ব্যাংক পেয়েছিল, যেগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছিল। নব্বইয়ের দশকে বিশ্বায়নের যুগে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে তিনি বেসরকারিকরণ শুরু করার পাশাপাশি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেন। বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই এ প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছিল। তার শাসনামলে ১৯৯৩ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইন প্রণীত হয়, যা আজও দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কার্যকর রয়েছে।
১৯৯৩ সালে একটি বেসরকারিকরণ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়, যা রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের বেসরকারিকরণের পথ প্রশস্ত করে এবং মুক্তবাজার অর্থনীতিতে বাংলাদেশের প্রবেশকে ত্বরান্বিত করে। এর ফলে বেসরকারি খাত ও রপ্তানি-ভিত্তিক শিল্পে প্রবৃদ্ধি ঘটে এবং দেশের অর্থনীতি বিকশিত হতে শুরু করে। দেশের তৈরি পোশাক শিল্প ধীরে ধীরে প্রধান রপ্তানি খাতে পরিণত হয়। রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান, আর্থিক খাতসহ অর্থনীতির প্রায় সব খাতেই এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। এই তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশের সূচনা হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে, বিশেষ করে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে। তার সময়ে তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশে সর্বোচ্চ নীতিগত সহায়তা দেওয়া হয়।

তৎকালীন সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য ‘ইউডি’ বা ইউনিট ডিক্লারেশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় ছিল, যা আবেদন করে উদ্যোক্তাদের সংগ্রহ করতে হতো। এই ব্যবস্থার কারণে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতো। পরবর্তীতে ইউডি সরাসরি বেসরকারি খাতের তৈরি পোশাক উদ্যোক্তাদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়। এর ফলে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর হয়। শিল্পটি অগ্রসর হয় দুর্দান্ত গতিতে এবং পরিণত হয় বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। এক পর্যায়ে তৈরি পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তারাই দেশের শিল্পায়নের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হন। এই সাফল্য সম্ভব হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী ও সাহসী নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে।
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত। ১৯৯১-১৯৯৬ এবং ২০০১-২০০৬ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি অর্থনীতিকে বাজারমুখী করতে নীতিগত সংস্কার গ্রহণ করেন। বিশেষ করে ব্যাংকিং ব্যবস্থা, বিমা খাত, শেয়ারবাজার ও তৈরি পোশাকশিল্পে তার সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। ১৯৯১ সালে সরকার গঠনের পর বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ব্যাংকিং খাতে সংস্কার কার্যক্রম জোরদার করে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বেসরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় উৎসাহ দেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার শাসনামলে বিমা খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ে।

পুলিশের বিশেষ অভিযানে টাঙ্গাইলে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জন গ্রেফতার

০

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত জেলার ১০টি থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারের গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শাহজাহান মিয়া, সুজন আহমদ, এস কে আলম, সাব্বির হোসেন তালুকদার, মঞ্জু মিয়া, সেলিম রেজা, আব্দুল্লাহ, সোহেল আমির, রকিবুল ইসলাম, সাগর মিয়া, খোকন, মোস্তফা কামাল, ফেরদৌস আলম এবং লিমন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর, বাসাইল, মির্জাপুর, সখীপুর, কালিহাতী, ঘাটাইল, মধুপুর, গোপালপুর এবং ভুঞাপুর থানার বিভিন্ন মামলার এজাহারনামীয় ও সন্দিগ্ধ আসামি। মামলাগুলোতে সংঘবদ্ধ সহিংসতা, হামলা, মারধর, গুরুতর আহত, হত্যাচেষ্টা, ভয়ভীতি, চাঁদাবাজি, বিস্ফোরক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধ বিভিন্ন উল্লেখ রয়েছে।

যেদিন আওয়ামী লীগের মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া

সবাইকে কাঁদিয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জাতীয়তাবাদের আদর্শের এই মহীয়সী নারী দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে গণতন্ত্র ও দেশ গঠনে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু ছবি নতুন করে ভেসে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো আওয়ামী লীগের মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিএনপির আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

ছবিটি যুক্ত করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, এই ছবির ইতিহাস নিশ্চয়ই সবাই ভুলে গেছেন।

এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান আরও লিখেছেন, এরশাদের স্বৈরশাসনকালে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন সরকারি হিসেবে ৯ জন, বেসরকারি হিসেবে ২৪ জন আর আওয়ামী লীগের ওয়েব পেজের হিসেবে ৮০ জন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই হামলাকে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই চালানো হয়েছিলো বলে বর্ণনা করা হয়।

তিনি লিখেছেন, এই হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় শহীদ মিনারে আওয়ামী লীগ ও তৎকালীন ৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ২৬ জানুয়ারি একটি বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিলো। রহস্যজনকভাবে সেই সমাবেশে শেখ হাসিনা যোগ দেন নাই, কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই সমাবেশে যোগ দেন। তিনি স্বৈরাচারী এরশাদ কর্তৃক শেখ হাসিনার গাড়িবহরে পুলিশের গুলি এবং গণহত্যার প্রতিবাদে ওই সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলেরও নেতৃত্বও দিয়েছিলেন।

সবশেষে বিএনপির আইসিটি বিষয়ক এই সম্পাদক লিখেছেন, এটি সেই মিছিলের ছবি।

মায়ের কোনো ব্যবহার-কথায় কেউ আঘাত পেলে আমি ক্ষমা প্রার্থী: তারেক রহমান

০

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার ঠিক আগে সমবেত লাখো মানুষের উদ্দেশে আবেগঘন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়েছেন তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজিত জানাজা অনুষ্ঠানে তিনি দেশবাসীর কাছে তাঁর মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।

বক্তব্যের শুরুতেই তারেক রহমান নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় পুত্র তারেক রহমান। আজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি।”

মায়ের পক্ষ থেকে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, “তিনি (খালেদা জিয়া) দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে যদি তাঁর কোনো ব্যবহারে বা কথায় কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তবে আমি তাঁর সন্তান হিসেবে আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনারা তাঁকে ক্ষমা করে দেবেন।”

লেনদেনের বিষয়ে দায়বদ্ধতা প্রকাশ করে তারেক রহমান আরও বলেন, “তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় যদি কারো কাছ থেকে কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, তবে দয়া করে আমাকে জানাবেন। আমি তাঁর সন্তান হিসেবে সেই ঋণ পরিশোধ করে দেব।”

সবশেষে কান্নজড়িত কণ্ঠে তিনি দেশবাসীর কাছে বিশেষ আরজি জানিয়ে বলেন, “আপনারা আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন।”

তারেক রহমানের এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত জনসমুদ্রে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। এই বক্তব্যের পরপরই জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল মালেকের ইমামতিতে জানাজা শুরু হয়।