Home Blog Page 252

তারেক রহমানের আগমনে ফ্যাসিস্ট তারকার পল্টিবাজি

০

দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফেরায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রত্যাশার কথা তুলে ধরছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শোবিজ তারকারা। এমনকি বাদ যাননি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ তারকারাও।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টার অভিযোগের আসামি ও ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের সদস্য অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি এক পোস্টে লিখেছেন, ‘স্বদেশে স্বাগতম তারেক রহমান! ১৮ বছর সুদীর্ঘ সময় এখন বাংলাদেশ আর তলা বিহীন ঝুড়ি নয়! শেখ হাসিনার উন্নয়নে বদলে যাওয়া বাংলাদেশে আপনাকে স্বাগতম! আপনাকে দেখেও মানুষ ভাবছে বদলে যাওয়া তারেক রহমান! আশা করি আপনিও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে দেশের মানুষের স্বস্তি ও শান্তির জন্যে কাজ করবেন।’

সবশেষে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে জ্যোতি লিখেছেন, ‘সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা! আজকের দিনটি প্রকৃত অর্থেই বাংলাদেশের জন্য বড় হয়ে উঠুক।’

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী-কন্যাকে বহনকারী বিমান সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে বিমানটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে যাত্রাবিরতির পর তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাটি স্পর্শ করে। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে ৩০০ ফিট সড়কে দলীয় আয়োজনে তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তারেক রহমান।

আবারও বাড়ল সোনা, রুপা ও প্লাটিনামের দাম

০

বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতুর দামে একযোগে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রুপার দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স ৭৫ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে সোনা ও প্লাটিনামও সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। এর ফলেই মূল্যবান ধাতুর বাজারে এই শক্তিশালী ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

স্পট বাজারে সোনার দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৫০৫ দশমিক ৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের একপর্যায়ে সোনার দাম রেকর্ড ৪,৫৩০ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনা ফিউচার শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৫৩৪ ডলারে লেনদেন হয়।

সবচেয়ে নাটকীয় উত্থান দেখা গেছে রুপার দামে। স্পট রুপা ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৩ দশমিক ৬৮ ডলারে লেনদেন হলেও দিনের একপর্যায়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৭৫ দশমিক ৬২ ডলার স্পর্শ করে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম প্রায় ১৫৮ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ ঘাটতি, যুক্তরাষ্ট্রে রুপাকে ‘ক্রিটিক্যাল মিনারেল’ হিসেবে ঘোষণা এবং শিল্প খাতে শক্তিশালী চাহিদাই এই উত্থানের প্রধান চালিকা শক্তি।

প্লাটিনামের দামেও বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে। স্পট প্লাটিনাম ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২,৩৩৮ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছায়। দিনের শুরুতে এটি রেকর্ড ২,৪৪৮ দশমিক ২৫ ডলার স্পর্শ করে। একই সঙ্গে প্যালাডিয়ামের দাম ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১,৮০৯ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের সেশনে তিন বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, চলতি সপ্তাহে সব ধরনের মূল্যবান ধাতুই লাভের পথে রয়েছে। এর মধ্যে প্লাটিনাম সাপ্তাহিক হিসাবে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী উত্থান রেকর্ড করতে যাচ্ছে।

৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের টাকা উত্তোলন নিয়ে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

০

একীভূত হওয়া সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত শিগগিরই কার্যকর হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা সময় চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি গণমাধ্যমে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) থেকে মার্জারের আওতাভুক্ত একটি ব্যাংকের আমানতকারীদের টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হবে— এমন একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা সঠিক নয়। মার্জারের আওতাভুক্ত পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি শিগগিরই শুরু হবে। তবে এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ বা সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, স্কিম কার্যকর হওয়ার পর যেসব আমানতকারীর হিসাবে দুই লাখ টাকা বা এর কম রয়েছে, তারা একবারেই পুরো টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। আর যাদের হিসাবে দুই লাখ টাকার বেশি রয়েছে, তারা প্রতি তিন মাস অন্তর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে দুই বছর পর্যন্ত টাকা তুলতে পারবেন। তবে ৬০ বছরের বেশি বয়সী গ্রাহক কিংবা ক্যানসার বা জটিল রোগে আক্রান্ত আমানতকারীদের ক্ষেত্রে এই সীমা শিথিল থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তারা যেকোনো পরিমাণ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি ব্যাংকে বর্তমানে প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারীর মোট জমা রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। বিপরীতে এসব ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা, যার একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে।

বাবার সঙ্গে একইদিনে ভোটার হচ্ছেন জাইমা রহমানও

০

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানও আজ ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। এরপর তারা এনআইডি পাবেন। এতে বাবার সঙ্গে একই দিনে ভোটার হচ্ছেন জাইমা রহমান।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এনআইডি মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুর কবীর গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, তারেক রহমানের সঙ্গে তার মেয়ে জাইমা রহমানও আজ ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন।

এর আগে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আমরা যতটুকু জানিয়েছে উনি অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন। এখন আমাদের কাছে এসে কেবল আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। এরপর সফটওয়্যার স্বযংক্রিয়ভাবে তার তথ্য সার্ভারে সার্চ করে দেখবে যে সেটা কারো সঙ্গে ম্যাচ করে কিনা। ম্যাচ না করলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এটা আমাদের কারো হাতে নেই। এক্ষেত্রে আমাদের কাছ থেকেও এনআইডি বা স্মার্টকার্ড নিতে পারবেন। আবার তার মোবাইলে মেসেজ যাবে, সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

এদিকে, শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ১১ টা ৪৫ মিনিটে  নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্দেশে রওনা হয়েছে তারেক রহমান।

বাবা–মায়ের এই ভুলেই সন্তান হয়ে উঠছে জেদি

বাবা–মা সবসময়ই সন্তানের মঙ্গল চান। সন্তানকে সঠিক জীবনদর্শন শেখানো, ভালো-মন্দ বোঝানো এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তবুও অজান্তেই এমন কিছু আচরণ করে ফেলেন, যা সন্তানের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাবা–মায়ের কিছু অভ্যাসই শিশুদের একগুঁয়ে ও জেদি করে তুলতে পারে।

শিশু বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাধারণত ৩ থেকে ৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে জেদ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এই সময়টিতে সঠিকভাবে লালন-পালন না হলে শিশুর আচরণে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা তৈরি হতে পারে। দেখা যায়, সন্তান কোনো কথা শুনতে চায় না, সামান্য কিছু না পেলেই কান্নাকাটি করে বা হাত-পা ছুড়ে আবেগ প্রকাশ করে। তাই এই বয়সে বাবা–মায়ের আচরণে সচেতন হওয়া জরুরি।

অকারণে রাগারাগি

অকারণ রাগ বা উচ্চস্বরে কথা বলা শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। বাবা–মা ঘন ঘন রাগ করলে কিংবা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করলে শিশুর নিরাপত্তাবোধ নষ্ট হয়। এতে সে ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি ও ভাবনা বাবা–মায়ের সঙ্গে ভাগ করতে চায় না।

সন্তানের সব ইচ্ছা পূরণ করা

অনেক অভিভাবক মনে করেন, সন্তানের সব চাওয়া পূরণ করলেই তাঁরা ভালো বাবা–মা। কিন্তু বাস্তবে এটি শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সব ইচ্ছা সহজে পূরণ হলে শিশুর মনে জন্ম নেয়—সে যা চাইবে, যখন চাইবে, তাই পাবে। এতে ধীরে ধীরে সে একগুঁয়ে হয়ে ওঠে এবং অন্যের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা হারাতে শুরু করে।

সবার সামনে সমালোচনা করা

প্রত্যেক শিশুরই আত্মসম্মানবোধ থাকে। সবার সামনে সন্তানের ভুল ধরা, নিন্দা করা বা অন্যের সঙ্গে তুলনা করলে তার মনে গভীর প্রভাব পড়ে। এতে শিশুর আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং সে প্রতিবাদী ও জেদি হয়ে উঠতে পারে।

ভুল উপেক্ষা করা

শিশু ভুল করলে যদি বাবা–মা তা উপেক্ষা করেন, তাহলে সে মনে করতে পারে তার ভুলের কোনো পরিণতি নেই। এতে শিশুর দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে না। তাই সন্তানের ভুল হলে তা বুঝিয়ে সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া প্রয়োজন।

মারধর করা

অনেক সময় রাগের মাথায় বাবা–মা সন্তানকে মারধর করেন। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শিশুর আত্মবিশ্বাসে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মারধরের ফলে শিশুর মধ্যে ভয়, রাগ ও জেদ তৈরি হয়। সন্তান ভুল করলে শান্তভাবে বিষয়টি বোঝানোই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সৌজন্যবোধ শেখানো জরুরি। কাউকে কিছু দিলে ধন্যবাদ জানানো, বড়দের সম্মান করা—এ ধরনের অভ্যাস শিশুর আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।

শীতে আদা-লেবুর চা কেন উপকারী?

শীতকালে গরম পানীয়ের প্রতি ঝোঁক স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। দুধ চা ও কফি জনপ্রিয় হলেও অনেকেই এ সময় হালকা ও শরীরবান্ধব ভেষজ পানীয় বেছে নেন। আদা-লেবুর চা তেমনই একটি পানীয়, যা স্বাদে সতেজ ও শরীরের জন্য আরামদায়ক।

সহজ উপাদানে তৈরি এই চা শীতের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় সহজেই মানিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিমিতভাবে আদা-লেবুর চা পান করলে শীতকালে শরীর সুস্থ রাখতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সকালে কিংবা ঠান্ডা সন্ধ্যায়—যে কোনো সময়েই এই পানীয় উপকারী হতে পারে।

শরীর উষ্ণ রাখতে সহায়ক

আদা প্রাকৃতিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে থাকা উষ্ণতাবর্ধক উপাদান রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং শরীরে ভেতর থেকে উষ্ণতার অনুভূতি তৈরি করে। গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশলে এই প্রভাব আরও বাড়ে। শীতের সকালে বা সন্ধ্যায় শরীর যখন ভারী বা অলস লাগে, তখন আদা-লেবুর চা আরাম এনে দিতে পারে।

হজম শক্তিশালী করে

শীতকালে খাবার তুলনামূলক ভারী হওয়ায় অনেক সময় হজমে সমস্যা দেখা দেয়। আদা হজমের জন্য পরিচিত একটি ভেষজ। এটি পাকস্থলীর কার্যকারিতা বাড়ায়, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এবং বমিভাব বা অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায়। আদার সঙ্গে লেবু যোগ হলে পানীয়টি হালকা থাকে এবং সহজে হজম হয়।

গলার অস্বস্তি কমায়

শীতের ঠান্ডা বাতাসে অনেকেরই গলায় খুসখুস বা অস্বস্তি তৈরি হয়। উষ্ণ আদা-লেবুর চা গলার জন্য প্রশান্তিদায়ক। আদায় থাকা প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক উপাদান গলা ব্যথা, কাশি ও সর্দির উপসর্গ কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি লেবুতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

সার্বিকভাবে বলা যায়, শীতকালে নিয়মিত ও পরিমিত আদা-লেবুর চা পান শরীরকে উষ্ণ রাখা, হজম ঠিক রাখা এবং মৌসুমি অসুস্থতা থেকে সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

পাল্টে গেছে বাংলাদেশের রাজনীতির হিসাব!

০

একদিনেই বদলে গেছে বাংলাদেশের রাজনীতির প্রচলিত সব সমীকরণ। ২৫ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রে ছিল—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশে ফিরবেন কি না। ১২ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও জনমনে ছিল নানা প্রশ্ন—ভোট আদৌ হবে কি না, মব সন্ত্রাস থামবে কি না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে কি না। এখন এসব প্রশ্নের উত্তর অনেকটাই স্পষ্ট। ১৭ বছর পর দেশে ফিরে লাখো মানুষের সামনে দেওয়া তাঁর বক্তব্য রাজনীতির হিসাবনিকাশ পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছে।
নির্বাচন নিয়ে দেশবাসীর মধ্যে ইতিবাচক ভাবনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় নির্বাচন ভণ্ডুল করার কোনো ষড়যন্ত্র আর সফল হবে না—এমনটাই মনে করছেন অনেকে। শুধু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন নয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তারেক রহমানকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করেছে। এর ফলে এতদিন ধরে চলে আসা জোটভিত্তিক নির্বাচনি হিসাবও জটিল হয়ে পড়ছে।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত ‘ওয়ান ইলেভেন’ সরকারের সময় কারামুক্ত হয়ে দেশ ছাড়েন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেও বিষয়টি ঘিরে ছিল ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে টেলিভিশনের টক শো—সবখানেই চলছিল আলোচনা ও বিতর্ক।
বুধবার মধ্যরাতে লন্ডন থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার মধ্য দিয়ে সব জল্পনার অবসান ঘটে। ১৭ বছর পর তাঁর প্রত্যাবর্তনের সময় দেশে ক্ষমতায় ছিল একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকার। ভোটাধিকার প্রয়োগ ও গণতন্ত্রে ফেরার আশায় নির্বাচনের অপেক্ষায় ছিল দেশের মানুষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ছিল সীমাহীন উচ্ছ্বাস। ভোটের আগে বিপুল জনসমাগম ঘটিয়ে নজিরবিহীন সংবর্ধনার মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশবাসীর প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা দেন। পাশাপাশি গতকাল ১৯ বছর পর রাজধানীর শেরেবাংলানগরে চন্দ্রিমা উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন তিনি। সেখানেও নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। এসব উপস্থিতি নির্বাচনকে ঘিরে জনমনে বিশেষ বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
মাজার প্রাঙ্গণে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন। জিয়ারত শেষে কিছুক্ষণ নীরবে কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে তাঁর চোখে জল দেখা যায়।
অনেকের ধারণা, নির্বাচন নিয়ে যে সংশয় এতদিন ছিল তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কোনো ষড়যন্ত্রই ঠেকাতে পারবে না। ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে বিশেষ মহলের যে উচ্ছ্বাস ছিল, তাতে ভাটা পড়তে শুরু করেছে।
বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গতকালের প্রধান শিরোনাম ছিল তারেক রহমানের রাজসিক প্রত্যাবর্তন। আলজাজিরাসহ একাধিক গণমাধ্যম তাঁকে আগামীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছে। রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে শিরোনাম করেছে—‘নির্বাচনের আগে নির্বাসন থেকে ফিরলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’। সংবাদ সংস্থাটি বলেছে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে এবং তিনি এখন প্রধানমন্ত্রী পদের প্রধানতম প্রতিদ্বন্দ্বী।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির শিরোনাম ছিল—‘সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে পৌঁছেছেন’। সংস্থাটি জানিয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এই উত্তরসূরি বিপুল জনসমর্থন ও উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে দেশে ফিরেছেন, যা আসন্ন নির্বাচনের গতিপথ বদলে দিতে পারে।
অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাঁকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে শিরোনাম করে জানায়, ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। বিবিসির মতে, ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানই হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রনায়ক।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি সাধারণ স্বদেশ ফেরা নয়; এটি বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রে ফেরার পথে একটি বড় পদক্ষেপ। বিশ্বের প্রভাবশালী বহু গণমাধ্যম মনে করছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগামী নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। ১৭ বছরের মামলা, হামলা ও ষড়যন্ত্র পেরিয়ে তাঁর এই রাজসিক প্রত্যাবর্তনকে ‘পরিবর্তনের প্রতীক’ হিসেবে দেখছে বিশ্ব সম্প্রদায়।
বৃহস্পতিবার সংবর্ধনা মঞ্চে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন। তাঁর রাষ্ট্রনায়কোচিত বক্তব্যের প্রশংসা করছেন অনেকে। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও। তাঁদের ভাষায়, ‘তারেক রহমানের আগমন দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা আরও সুসংহত করবে। রাজনীতিতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করবে।’
এদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিএনপি প্রায় ৩০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিগগিরই মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সারা দেশে নেতা-কর্মীদের মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছেন। অন্যদিকে নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে ইসলামী আটদলীয় জোটের পরিসর বাড়তে পারে। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ আসন সমঝোতায় যুক্ত হতে যাওয়া দলগুলোর সঙ্গে এনসিপি যুক্ত হতে পারে—এমনটাই জানিয়েছেন আট দলের নেতারা। তবে চূড়ান্ত ঘোষণার জন্য আরও দু-এক দিন অপেক্ষা করতে হবে।
নেতারা জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র উত্তোলনের শেষ দিন পর্যন্ত সমঝোতা না হলে প্রত্যাহারের আগেই দলগুলোর মধ্যে আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হবে। সব মিলিয়ে নির্বাচনি অঙ্কে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘তারেক রহমানের দেশে ফেরা দেশের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখবে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশে না থাকার কারণে তিনি যে স্বপ্নগুলো দেখেছেন, প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে সেসব স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। বিএনপিকে কেন্দ্র করে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হবে মানুষ। ’ প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনায় দেশবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।

ভোটার হতে এনআইডি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন তারেক রহমান

০

ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর সকালে শহীদ ওসমান হাদি ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরে জিয়ারত শেষে তিনি নির্বাচন কমিশন ভবনে যান।

সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের অংশ হিসেবে তারেক রহমান ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের আইরিশ স্ক্যান এবং স্বাক্ষর প্রদান করেন। এর আগে তিনি ও তার মেয়ে জায়মা রহমান অনলাইনে ভোটার হওয়ার আবেদন ফর্ম পূরণ করেন।

নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগ জানিয়েছে, আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত হবে। অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আবেদন করার সাত ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি পাওয়া যেতে পারে। সর্বোচ্চ ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

প্রসঙ্গত, ২০০৭-২০০৮ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ২০০৮ সালে কারামুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার পর দেশে ফিরতে না পারায় সে সময় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি তারেক রহমানের। পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান দেশে ফিরে ভোটার তালিকায় নাম লেখান। অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের ঠিকানায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হন।

অবসরে গেলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

০

বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিলেন ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর সংবিধান অনুযায়ী বয়সসীমা ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় বিচারিক জীবনের ইতি টানেন তিনি। ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এক সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিচার বিভাগের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি।

১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ প্রায় এক বছর সাড়ে চার মাস প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর বিচার বিভাগ যখন নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন গত বছরের ১০ আগস্ট তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। দেশের উচ্চ আদালতের ইতিহাসে তিনিই প্রথম বিচারক, যিনি হাইকোর্ট থেকে সরাসরি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে একটি উল্লেখযোগ্য নজির স্থাপন করেন।

তার আইনজীবী জীবনের সূচনা ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। বিচারক হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয় ২০০৩ সালে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে, আর ২০০৫ সালে তিনি স্থায়ী বিচারক পদে উন্নীত হন। দীর্ঘ দুই দশকের বিচারিক জীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ রায় প্রদান করেন এবং বিচার বিভাগের কাঠামোগত সংস্কার প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের অবসরের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। তার বিদায়ের পর দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার, ২৮ ডিসেম্বর তিনি নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন। বিদায়ী প্রধান বিচারপতির রেখে যাওয়া সংস্কার উদ্যোগ এবং চলমান চ্যালেঞ্জগুলো নতুন নেতৃত্ব কীভাবে মোকাবিলা করেন, সেদিকেই এখন নজর আইন অঙ্গনের।

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে যা বললেন খায়রুল বাসার

০

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে ফিরে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ভাষণ দেন তিনি।

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ করা গেছে। সেই উচ্ছ্বাসের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে শোবিজ অঙ্গনেও।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক পোস্টে তার ফেরা ও বক্তব্যকে ঘিরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন তারকা। সেই কাতারে আছেন অভিনেতা খায়রুল বাসার।

এবার তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাস খায়রুল বাসার লেখেন, বাংলার শিশিরভেজা ঘাসের স্পর্শে আপনার অন্তর শীতল হোক। আর আপনার নেতৃত্বে এ দেশে শান্তি ফিরুক। আপনি সুস্থ থাকেন, সুন্দর থাকেন এবং বাংলার মানুষের আস্থা হয়ে থাকেন—এই দোয়া রইল।
স্ট্যাটাসে ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে এই অভিনেতা লেখেন, যখন দেশের মানুষ আপনার হাতে দেশের দায়িত্ব তুলে দেবে, সেদিন থেকে আপনার সব ভালো কাজের স্তুতি করতে না পারলেও অসংগতির প্রতি ভরপুর সমালোচনা করব। আশা রাখি আপনি সবসময় সমালোচনাকে ভালোবাসা হিসেবেই এবং সাধারণ মানুষের অস্বস্তি অস্থিরতার প্রকাশ হিসেবে গ্রহণ করবেন।