Home Blog Page 294

সোনাইমুড়ী নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তাসলিমা আক্তার। তার স্বামীর বাড়ির পার্শ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামে। আর পিতার বাড়ি সোনাইমুড়ী উপজেলার মটুবি গ্রামে। সে অনলাইনে আবেদন করে গত ২৮ অক্টোবর সকাল ৯টায় পিতার বাড়ির ঠিকানায় ভোটার হতে আসে উপজেলা নির্বাচন অফিসে।

নির্বাচন কর্মকতা আবু তালেবের রুমে প্রবেশ করার পর ভোটার হতে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে ও তার বৃদ্ধ মা আলেয়া বেগমকে বের করে দেয়। পুনরায় আবার তার রুমে প্রবেশ করলে ওই কর্মকর্তা রাগান্বিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালগাল শুরু করে। পরে মা-মেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানান।

সোনাইমুড়ীর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ড্রাইভার মনির হোসেন। এখন তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ি চালান। তার এক আত্মীয় ভোটার হতে উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করে। তার জন্ম নিবন্ধনে বয়সের ত্রুটি দেখিয়ে হয়রানি করতে থাকে। পরে সে উপজেলা কর্মচারী পরিচয় দিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন বলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন। পরে ওই কর্মচারী তার সাথে দুর্ব্যবহার করেন।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল অফিসের পিয়ন সালাউদ্দিন জানান, তার চাচাতো ভাই মাইনুল ইসলাম ভোটার হতে নির্বাচন অফিসে যান। একইভাবে জন্ম নিবন্ধনে বয়সের ত্রুটি দেখিয়ে আবেদনের ফাইল ফেরত দেন ওই নির্বাচন কর্মকর্তা। পরে ওই অফিসের জনৈক্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা চুক্তি করে ভোটার হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন।

উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের পলাশ জানান, তার ফুফাতো ভাইয়ের নামের আগে মো. নাই। তিনি মো. যুক্ত করতে অনলাইনে আবেদন করে উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে নানা অজুহাদ দেখিয়ে ওই আবেদনটি বাতিল করে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে আবু তালেব যোগদান করার পরেই হয়রানি ও ঘুষ লেনদেন বেড়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দিনের পর দিন ঘুরলেও কাজ না করে দিয়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে অহেতুক হয়রানি করেন। তার রুমের প্রধান দরজা বন্ধ থাকে, জানালায় থাকে পর্দা দেখা করতেও লাগে অনুমতি। চাহিদামতো প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়েও পাওয়া যায় না সমস্যার সমাধান জাতীয় পরিচয়পত্রের এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে দেরি হওয়ায় অনেকেই পাসপোর্ট ও চাকরিসহ বিভিন্ন জরুরি কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকইে। এই অফিসে নতুন ভোটার হওয়া, জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল সংশোধন ও ভোটার স্থানান্তরসহ সব কাজেই গুণতে হয় টাকা। ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলায় যোগদান করেন নির্বাচন কর্মকর্তা আবু তালেব। এখানে যোগদান করার পরেই তিনি বিভিন্ন ঘুষ ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রবাসীরা তাদের ভোটার আইডিকার্ড সংশোধন করতে এলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তিনি ঘোরাতে থাকেন। পরে জরুরি ভিত্তিতে করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন ওই কর্মকর্তা। তিনি যোগদান করার পর ঘুষের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা পরিষদের এক কর্মচারী জানান, মায়ের সাথে সন্তানের বয়সের অমিল থাকলে নির্বাচন কর্মকর্তা ওই আবেদনগুলো বাতিল না করে তার ড্রয়ারে রেখে দেন। পরে আবেদনকারীরা নিরুপাই হয়ে টাকার মাধ্যমে ভোটার হয়েছেন বলে অনেকের অভিযোগ। এছাড়া ঠিকানা স্থানান্তর তদন্ত করতে সময়কাল ক্ষেপণ করেন বলেও অনেকে অভিযোগ তুলেছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা নেন। সেবাগ্রহীতারা তার কার্যালয়ে হয়রানি শিকার হয়ে ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারের কাছে কয়েকটি অভিযোগ দিয়েছেন।

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু তালেব দৈনিক বাংলাকে জানান, তিনি এ উপজেলায় যোগদান করার পরই বিভিন্ন সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবে তিনি ওই অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করেননি।

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আক্তার বলেন, নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সেবাগ্রহীতারা হয়রানি হচ্ছে এটা সত্য। অভিযোগ পেয়ে কয়েকবার তাকে সতর্ক করা হয়েছে।

নোয়াখালী জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাদেকুল ইসলাম দৈনিক বাংলাকে বলেন, ভোটার হতে সেবাপ্রার্থী থেকে টাকা নিয়েছে, এমন প্রমাণ থাকলে দেন। ব্যবস্থা নেব।

তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী হলেন আজহারউদ্দিন

ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও কংগ্রেস নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন গতকাল শুক্রবার তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণ করেছেন। রাজ্যের গভর্নর জিশ্নু দেব বর্মা রাজভবনে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
আজহারউদ্দিন ঠিক কোন দপ্তরের দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তিনি শপথ নেওয়ায় রাজ্যটির মন্ত্রিসভার দীর্ঘদিনের শূন্যতা পূরণ হয়েছে। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের এই রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনিই প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি।
আজহারউদ্দিনের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির সমালোচনা করেছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। তারা বলেছে, আগামী ১১ নভেম্বর জুবিলি হিলস আসনের উপনির্বাচনকে মাথায় রেখে আজহারউদ্দিনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়েছে। কারণে, সেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার রয়েছে।
তবে শাসক দল তেলেঙ্গানা কংগ্রেস আজহারউদ্দিনের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তিকে সামাজিক ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ বলে দাবি করেছে। কংগ্রেসের রাজ্যপ্রধান মহেশ গৌদ এনডিটিভিকে বলেন, ‘আমাদের দল সংখ্যালঘুদের মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এমনকি তৎকালীন অন্ধ্র প্রদেশে সব সময় সংখ্যালঘুরা মন্ত্রিসভায় থাকতেন। আমরা কেবল দীর্ঘদিনের অসমতা ঠিক করেছি।’
আজহারউদ্দিন এখন পর্যন্ত বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য নন, যা রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার জন্য আবশ্যক। তবে গভর্নরের কোটায় তাকে এরই মধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গভর্নর এখনো প্রস্তাবটিতে সই করেননি। মন্ত্রিসভার পদ ধরে রাখতে হলে তাকে ছয় মাসের মধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য হতে হবে।

জীবন যুদ্ধের লড়াকু সৈনিক গফুর মল্লিক, পাশে দাঁড়িয়েছেন তারেক রহমান

রাজবাড়ী সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নে জন্মান্ধ আব্দুল গফুর মল্লিকের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের খোলাবাড়িয়া গ্রামের এই বৃদ্ধ ব্যক্তিটি, জীবনের শেষ প্রান্তে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লড়ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওপরে শিরোনামে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রতিবেদন প্রকাশ হলে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। পরে তিনি এই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

তারেক রহমানের নির্দেশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় আ. গফুর মল্লিকের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসেন এবং গফুর মল্লিকের হাতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নগদ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এ অনুষ্ঠানে আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের নেতৃত্বে সংগঠনটির উপদেষ্টা, সদস্য সচিব ও সদস্যরা, রাজবাড়ী-১ আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী রাজবাড়ী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতি অ্যাড. মো. আসলাম মিয়া, রাজবাড়ী-২ আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর রশীদ, রাজবাড়ী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. এ খালেদ পাভেলসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ৮০ বছর বয়সেও গফুর মোল্লা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ট্রেনে নাড়ু বিক্রি করে সংসার চালান। তার এই সংগ্রামী জীবনের গল্প সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নজরে আসে। মানবিক বিবেচনায় তিনি গফুর মল্লিকের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীর কোন দেশে এ ধরণের কোনো ঘটনা নেই, এক কেন্দ্রিক, একদলীয় কর্তৃত্ববাদী দেশে সম্ভব। পার্লামেন্ট নির্বাচনের কী দরকার, গণভোট কী দরকার। সত্যিকার গণতন্ত্রের জন্য অফুরন্ত লড়াই আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আহনাফ, ওয়াসিম আকরাম জীবন দিল, তার ঐক্যমত্যে কমিশনের এ ধরণের ভেজাল, জনগণের সাথে একটি প্রতারনামূলক জুলাই সনদ কিভাবে হয়। আমরা নিরাশাবাদী নই, আমরা আশাবাদী। ৫ আগস্টের ঘটনায় বিএনপির সাড়ে ৪শত ৫শত লোক মারা গেছে। আমরা জনগণের জন্য কাজ করব। গণতান্ত্রিক শাসনে আমরা কাজ করব। আগে খাতায় না লিখলেও পাশ করে দেওয়া হতো, এবার এইচএসসির রেজাল্ট দেখেছেন।

উল্লেখ্য, আ. গফুর মল্লিক জীবনের অধিকাংশ সময় বাসে ও ট্রেনে ফেরি করে নারকেলের নাড়ু, টেস্টি হজমি ও বাদাম, মটকা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। যিনি কখনোই ভিক্ষা করতে চাননি। বয়সের ভারে কুঁজো হয়ে গেছেন এবং শরীরের অধিকাংশ শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। তার স্ত্রীকে নিয়ে সংসার হলেও তাদের কোনো সন্তান নেই। কিন্তু নিজের সম্মান রক্ষার্থে আজও কাজ করে যাচ্ছেন, এমনকি নিজের হাতে তৈরি করা নারকেলের নাড়ু ও বাদাম বিক্রি করেই জীবনধারণ করতেন।

শেখ হাসিনার পতনের কারণ জানালেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পেছনে দুর্বল শাসনব্যবস্থাই মূল কারণ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত দোভাল। তিনি বলেন, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও জনগণের আস্থাহীনতা একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে।

শনিবার (১ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, রাষ্ট্রীয় ঐক্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন দোভাল। সেখানে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “দুর্বল শাসন ব্যবস্থা অনেক সময় সরকারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে অনানুষ্ঠানিক উপায়ে সরকার পরিবর্তনের পেছনে এই প্রশাসনিক দুর্বলতাই বড় ভূমিকা রেখেছে।”

অজিত দোভাল বলেন, “রাষ্ট্র গঠন ও নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর শাসনব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু রাষ্ট্রকে লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে না, বরং সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথও তৈরি করে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আজকের প্রশাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট রাখা। জনগণ এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে অনেক বেশি প্রত্যাশা রাখে। তাই সরকারকে মানুষের প্রত্যাশার প্রতি সাড়া দিতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক নীতির প্রশংসা করে দোভাল বলেন, “ভারত এখন নতুন কক্ষপথে প্রবেশ করছে— নতুন ধরনের শাসনব্যবস্থা, সমাজ কাঠামো ও বৈশ্বিক অবস্থানের মধ্য দিয়ে। প্রশাসনিক দুর্নীতি দমনে মোদি সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারগুলো ইতিমধ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং ভবিষ্যতেও আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

ভালো শাসনের অংশ হিসেবে তিনি নারীর সুরক্ষা, সমতা ও ক্ষমতায়ন, প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। দোভাল বলেন, “শুধু ভালো আইন করলেই হবে না, এগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নই আসল চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে সাইবার হামলা ও প্রযুক্তিনির্ভর হুমকি থেকেও আমাদের সুরক্ষিত থাকতে হবে।”

অজিত দোভালের মতে, কোনো জাতির প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে তার শাসনব্যবস্থার মানের মধ্যে। যে রাষ্ট্র তার প্রশাসনিক কাঠামোকে দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনগণকেন্দ্রিক রাখতে পারে, সেই রাষ্ট্রই দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকে।

সীমান্তে আরাকান আর্মির পুতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে নিহত নায়েক আক্তারের দাফন সম্পন্ন

সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আরাকান আর্মির পুতে রাখা মাইন বিষ্ফোরনে আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরনকারী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সাহসী সদস্য নায়েক মো. আক্তার হোসেন এর মরদেহ ভোলায় আসার পর জানাযা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন ৩৪ বিজিবির এই সদস্য শুক্রবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার সিএমএইচ হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

শনিবার (০১ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ বিজিবির একটি টিম হেলিকপ্টার যোগে ভোলার দৌলতখান উপজেলায় তার নিজ গ্রামে মরদেহ নিয়ে আসে। পরে জানাযা নামাজ শেষে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

নিহত নায়েক আক্তার হোসেন ভোলার দৌলতখান পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার আব্দুল মান্নান মিয়ার পুত্র। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। জীবদ্দশায় তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

গত ১২ অক্টোবর নায়েক আক্তার পেয়ারাবুনিয়া সীমান্ত এলাকায় টহলরত অবস্থায় মাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন।

এরপর তাকে দ্রুত রামু সিএমএইচে নেওয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরদিন হেলিকপ্টারে করে ঢাকা সিএমএইচে নেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে তার মৃত্যু হয়।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নায়েক আক্তার হোসেনের মৃত্যুতে পুরো বাহিনীতে গভীর শোক নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম (পিএসসি) বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমরা এক সাহসী সহযোদ্ধাকে হারালাম। নায়েক আক্তার হোসেনের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বিজিবির এ কর্মকর্তা শোক প্রকাশ করে আরও বলেন, শহীদ নায়েক আক্তার হোসেন দেশের জন্য আত্মোৎসর্গের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার আত্মার মাগফিরাত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

নির্বাচনের আগে বিদেশে যেতে পারবেন না সরকারি কর্মকর্তারা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোনো কর্মকর্তা বিদেশ সফরে যেতে পারবেন না।

বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের আগের পরিপত্র এবং অর্থ বিভাগের গত ৮ জুলাইয়ের চিঠির বিষয়টি তুলে ধরে সম্প্রতি সরকারের সব সচিবের কাছে নতুন পরিপত্র পাঠানো হয়েছে। পরিপত্রের অনুলিপি উপদেষ্টাদের একান্ত সচিবদেরও দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, লক্ষ্য করা যাচ্ছে, জারিকৃত পরিপত্রগুলোর নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করে বিদেশ ভ্রমণের ঘটনা ঘটছে। মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও সচিব একই সময়ে বৈদেশিক সফরে যাচ্ছেন। একই মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা একসঙ্গে বিদেশে যাচ্ছেন। এ ধরনের প্রস্তাব প্রায়ই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে, যা আগের নির্দেশনাগুলোর পরিপন্থী।

সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত আগের সব নির্দেশনা প্রতিপালনের নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘এখন থেকে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত একান্ত অপরিহার্য কারণ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করার অনুরোধ করা হলো।’

জন্মদিনের পাঁচদিন পর নিজেকে শুভেচ্ছা জানালেন পরীমণি

০
ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণির জন্মদিন ছিল গত ২৪ অক্টোবর। তবে জন্মদিনের উৎসব শুরু হয়েছিল এরও প্রায় চার দিন আগে এবং এখনও তা চলছে। দীর্ঘ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে নায়িকার দেওয়া একের পর এক পোস্ট থেকেই তা স্পষ্ট।
গত ২১ অক্টোবর, নায়িকার জন্মদিনের তিন দিন আগেই শুরু হয় এই উন্মাদনা। এদিন তার টিমের সহকর্মী ও মেকআপ আর্টিস্ট অর্ক তাকে চমকে দিতে অগ্রিম কেক কাটেন, যা নায়িকা ফেসবুকে প্রকাশ করেন।
জন্মদিনের আগের দিন (২৩ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন পরীমণি। সেখানে বিশেষভাবেই জন্মদিন পালন করতে যান বলে ধারণা করা হয়।
জন্মদিনের দিনে (২৪ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার লংকি আইল্যান্ড থেকে সহকর্মীদের নিয়ে কেক কাটেন তিনি। এদিন ফেসবুকে নিজেকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তিনি লেখেন, ‘এ জীবন শুধু বেঁচে থাকার চেয়ে বাঁচা জীবন উদযাপন করাই শ্রেয়।’
জন্মদিনের চার দিন পর (২৮ অক্টোবর), ফের নিজেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান পরীমণি। একটি ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে তিনি ছবিও প্রকাশ করেন।
এরপর সবশেষ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘নিজেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।’ সেই ভিডিওতে দেখা যায়, নায়িকা একটি জমকালো রেস্তোরাঁ বা হোটেলের ভেতরে দাঁড়িয়ে আছেন। পেছনের কাঁচের জানালায় মালয়েশিয়ার রাতের শহরের আলোকিত দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এমন পরিবেশে পরীমণিকে একটি ঘিয়ে রঙের ফ্লোরাল প্রিন্টের গাউন বা লম্বা পোশাকে দেখা যায়, মুখে উজ্জ্বল হাসি। তার সামনে দৃষ্টিনন্দন কয়েকটি কেক সাজানো রয়েছে। প্রতিটি কেকের ওপরেই মোমবাতি জ্বলছে, যার মৃদু আলোয় পুরো পরিবেশটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
ভিডিওটির প্রথম দিকে তিনি কেকগুলোর দিকে তাকিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি হাত জোড় করে যেন নিজেকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তাকে দেখে মনে হচ্ছে যেন তিনি নিজের জন্য এই জমকালো আয়োজনে ভীষণ আনন্দিত।
তবে দীর্ঘ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এমনকি জন্মদিনের ৫ দিন পার হওয়ার পরও এভাবে উৎসব চলতে থাকায় ভক্তদের কাছেও মনে হচ্ছে এই নায়িকার জন্মদিন যেন শেষই হচ্ছে না।

স্বর্ণের দাম আরও কমল, বর্তমান দাম কত?

০
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা কমেই চলেছে। এবার বড় আকারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
এবার ভরিতে ১০ হাজার ৪৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বুধবার (২৯ অক্টোবর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, সবশেষ গত ২৭ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ২৮ অক্টোবর থেকে।
এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭০ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৮ বার, আর কমেছে মাত্র ২২ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

 

ফিফপ্রোর বর্ষসেরার তালিকায় আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি

০
ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বারবার প্রমাণ করে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। ৩৮ বছর বয়সেও থামছেন না তিনি। সোমবার প্রকাশিত ফিফপ্রো ওয়ার্ল্ড ১১-এর বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। আগামী ৩ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে বছরে সেরা একাদশ।
এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি ফুটবলার উঠেছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট–জার্মেইন (পিএসজি) থেকে—মোট ৭ জন। রয়েছেন উইলিয়াম পাচো, মারকিনিয়োস, ভিটিনিয়া, জোয়াও নেভেস, আশরাফ হাকিমি, নুনো মেন্ডেস ও বর্তমান ব্যালন ডি’অর জয়ী উসমান দেম্বেলে।
রিয়াল মাদ্রিদ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন থিবো কোর্তোয়া, ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড, জুড বেলিংহাম, ফেদেরিকো ভালভার্দে ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বার্সেলোনার প্রতিনিধিত্ব করছেন পাও কুবারসি, পেদ্রি, লামিন ইয়ামাল ও রাফিনিয়া।
শীর্ষ তারকাদের তালিকায় আরও আছেন—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, আরলিং হালান্ড, কেভিন ডে ব্রুইনা, লুকা মদ্রিচ, মোহামেদ সালাহ ও কোল পামার।
জানা গেছে,বছরে সেরা একাদশ খেলোয়াড়দের ভোটেই নির্ধারিত হবে।
ফিফপ্রো ওয়ার্ল্ড ১১ এর বিশেষত্ব হলো—এটি বিশ্বের পেশাদার ফুটবলারদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়। এবারের ভোটে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০ হাজার খেলোয়াড়।

 

বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িতদের নাম প্রকাশ করা নিয়ে যা জানাল বিসিবি

০
বিপিএলের স্পট ফিক্সিংয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গতকাল হাতে পেয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ৯০০ পৃষ্ঠার সেই প্রতিবেদন পেলেও অভিযুক্ত কারও নাম সামনে আনবে না বাংলাদেশ ক্রিকেটট বোর্ড (বিসিবি)। কেউ দোষী প্রমাণিত হলেও মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের নাম প্রকাশ্যে আনবে না তারা।
তবে ভেতরে ভেতরে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে খেলা থেকে বিরত রাখা হবে। ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে সে তালিকা প্রকাশ করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বুলবুল বলেন, ‘এই মুহূর্তে প্রকাশ করার মতো পরিস্থিতিতে আমরা নেই। কিন্তু ইভেনচুয়ালি করব।’
পরে বিসিবির সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন নাম প্রকাশ করা হবে কি না। দেখুন, প্রত্যেকের ব্যক্তিগত পরিচয় এবং এটা একান্ত একটা ব্যক্তিগত বিষয়, গোপনীয় বিষয়। সুতরাং আমাদের কমিটিটা ওরা চার্জ ফ্রেম করলে সেটা ভেতরে ভেতরে যোগাযোগ করা হবে। কোনো মিডিয়া বা পাবলিকলি কারও নাম আসবে না। কিন্তু হয়ত ওই ইনডিভিজ্যুয়াল জানবে।’
বিসিবির সহ-সভাপতি নিশ্চিত করেছেন যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে তাদের কেউই খেলতে পারবেন না, ‘কারো বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ (স্পট ফিক্সিংয়ের) প্রমাণিত হয় তাহলে সে খেলতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেখুন— ওই ক্ষমতা কিন্তু বোর্ডের নেই কারও নাম প্রকাশ করার। যখন সে খেলতে পারবে না আপনারা বুঝবেন, সবাই বুঝবে। আমরা কিন্তু আদালত না। আপনাদেরকে এটা বুঝতে হবে এবং তাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অধিকার আছে হিউম্যান রাইটস আছে। সুতরাং একটা নির্দিষ্ট খেলা নিয়ে সে যদি কোনো কিছু করে থাকে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হয় সেক্ষেত্রে তাকে খেলা থেকে দূরে রাখা হবে। নাম প্রকাশ করে এটা নিয়ে আমাদের হেয় করার কিছু নেই।’