Home Blog Page 416

৩ সপ্তাহের দেনদরবারের পর ২০০০ কোটিতে হলো দুই পক্ষের সমঝোতা

তিন সপ্তাহ ধরে দেনদরবার চলেছে। লিভারপুল দুবার প্রস্তাব দিয়েছিল, প্রথমে ১০ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ডের, পরে ১১ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ডের। দুটি প্রস্তাবেই নিশ্চয়তা ছিল ১০ কোটি পাউন্ডের, বাকি অঙ্কটা শর্তসাপেক্ষ। নিশ্চয়তার অঙ্ক নিয়ে সমস্যা ছিল না, তবে শর্তসাপেক্ষ অঙ্কটার পরিমাণ আর সেসবের শর্ত নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় বায়ার লেভারকুসেন দুবারই লিভারপুলের প্রস্তাব বাতিল করে দেয়।

তবু লিভারপুল সমর্থকদের সম্ভবত তেমন দুশ্চিন্তা ছিল না। ইউরোপের ফুটবলে দলবদলবিষয়ক খবরের জন্য বিখ্যাত প্রায় সব সাংবাদিকই জানিয়ে রেখেছিলেন, ফ্লোঘিয়ান ভিয়ের্তশকে পেতে রেয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার সিটি, বায়ার্ন মিউনিখের আগ্রহ থাকলেও দৌড়ে শেষ পর্যন্ত টিকে ছিল শুধু লিভারপুলই। ১০ কোটি পাউন্ডের ‘নিশ্চিত অঙ্ক’ নিয়ে সমঝোতাও হয়ে যাওয়ায় বাকিটা নিয়ে সমঝোতা শুধু সময়ের ব্যাপার বলেই জানা গিয়েছিল।

সেই সমঝোতাও অবশেষে হয়ে গেছে দুই পক্ষে। বিবিসি, ইএসপিএন, ইংল্যান্ডের দ্য টাইমসসহ প্রায় সব সংবাদমাধ্যমই জানাচ্ছে, ফ্লোঘিয়ান ভিয়ের্তশকে পেতে ১১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডে সমঝোতা হয়ে গেছে লিভারপুল আর লেভারকুসেনের। বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা প্রায় ২০০০ কোটি টাকা!

তবে আগের দুই প্রস্তাবের মতোই এই প্রস্তাবেও লেভারকুসেনকে ১০ কোটি পাউন্ডের নিশ্চয়তা (গ্যারান্টিড পেমেন্ট) দিয়েছে লিভারপুল। বাকি ১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড শর্তসাপেক্ষ (অ্যাড-অন), যা ক্লাব হিসেবে লিভারপুল ও ক্লাবটিতে ভিয়ের্তশের পারফরম্যান্সের বিভিন্ন সূচকের ওপর নির্ভর করবে। লিভারপুল-এভারটনের মতো ক্লাবের খবরের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত সাংবাদিক পল জয়েস দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে লিখেছেন, শর্তগুলো এমন যে, ইংল্যান্ড ও ইউরোপে বড় টুর্নামেন্টগুলোতে লিভারপুল ও ভিয়ের্তশের পারফরম্যান্স টানা ভালো হলেই কেবল ওই অঙ্কের পুরোটা পাবে লেভারকুসেন।

তবে ১০ কোটি পাউন্ডের ‘নিশ্চয়তা’তেই লিভারপুলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হয়ে যাচ্ছেন ভিয়ের্তশ। এর আগে লিভারপুলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ছিলেন দারউইন নুনিয়েস, যদিও ২০২২ সালে তাঁকে কেনার সময়ে লিভারপুলের খরচ হিসেবে যে ৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড বলা হয়েছিল সংবাদমাধ্যমে, তার মধ্যে ২ কোটি ১০ লাখ পাউন্ডই ছিল শর্তসাপেক্ষ (যার সবটুকু পূরণ হয়নি বলেই ধারণা)।

আর যদি সব শর্ত পূরণ হওয়ায় বাকি ১ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডও লেভারকুসেনের একাউন্টে পাঠাতে বাধ্য হয় লিভারপুল, সে ক্ষেত্রেই কেবল দলবদলটা ইংলিশ ফুটবলেই এ যাবতকালের সবচেয়ে দামি দলবদল হবে।

তা ইউরোপের এই সময়ের সবচেয়ে প্রতিভাবান প্লেমেকারদের একজন, বয়সের হিসেবে যাঁর ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য সবচেয়ে সেরা সময়টা আগামী পাঁচ-ছয় বছরই হতে যাচ্ছে, যাঁকে পেতে ইউরোপের সেরা সব ক্লাব উন্মুখ ছিল – এমন একজনের জন্য এ দাম যথাযথ কি না, সে বিতর্কে ভোটটা লিভারপুলের পক্ষে যাওয়ারই সম্ভাবনা বেশি!

ভিয়ের্তশকে পেতে কার সঙ্গে লড়াই করতে হয়নি লিভারপুলকে! এবং কী অবিশ্বাস্য পরিস্থিতি থেকে দলবদলটা ঘুরিয়ে ফেলেছেন লিভারপুলের স্পোর্টিং ডিরেক্টর রিচার্ড হিউজেস ও ডিরেক্টর অব ফুটবল মাইকেল এডওয়ার্ডস! সঙ্গে যোগ হয়েছে কোচ আর্নে স্লটের বিশ্লেষণভিত্তিক দারুণ প্রেজেন্টেশন, যেখানে ভিয়ের্তশকে কীভাবে খেলানো হবে এবং আগামী বছরগুলোতে তাঁকে ঘিরেই কীভাবে লিভারপুল দলটা সাজবে সে ব্যাপারে পুঙ্খানুপুঙ্খ ধারণা দেওয়া হয়েছিল। দ্য অ্যাথলেটিক থেকে শুরু করে টাইমস… ইউরোপের বিখ্যাত সব সংবাদমাধ্যমেই ভিয়ের্তশের ব্যাপারে বলা হয়, ভিয়ের্তশ আর তাঁর বাবা টাকা-পয়সার চেয়ে তাঁর ক্যারিয়ারের অগ্রগতিবিষয়ক বিশ্লেষণভিত্তিক এমন পরিকল্পনাকেই সব সময় তাঁর ক্যারিয়ারের পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিয়েছেন বেশি।   

এই মে মাসের শুরুতেও জার্মানিতে ধারণা ছিল, ফ্লোঘিয়ান ভিয়ের্তশ বায়ার্ন মিউনিখেই যাচ্ছেন। ২২ বছর বয়সী জার্মান প্লেমেকারের বাবা – যিনি আবার ভিয়ের্তশের এজেন্টও – হানস-ইওয়াখিম ভিয়ের্তশের সঙ্গে বায়ার্নের আলংকারিক সভাপতি উলি হোভেনেসের সম্পর্ক ভালো, এর জেরে বায়ার্ন – এবং জার্মানিতে – ভিয়ের্তশের পরবর্তী ক্লাব নিয়ে সংশয় তেমন একটা ছিল না।

কিন্তু বায়ার্নের অতি-আত্মবিশ্বাসই শেষ পর্যন্ত কাল হলো তাদের জন্য। তাদের দিক থেকে আগেভাগেই সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হলো যে, ভিয়ের্তশ বায়ার্নেই যাচ্ছেন। বায়ার্ন ভেবেছিল, এতে লেভারকুসেনকে চাপে ফেলে দাম কমাতে বাধ্য করা যাবে। এ ব্যাপারে ১৮ মে পর্যন্ত নাকি ভিয়ের্তশের বাবার সঙ্গে সেভাবে আলোচনাই করেনি বায়ার্ন! অথচ ভিয়ের্তশ ও তাঁর বাবা দলবদলের আগে আগ্রহী সব পক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপে আগ্রহী ছিলেন।

ওদিকে লেভারকুসেন চায়নি, তাদের দলের সেরা খেলোয়াড় জার্মানিতেই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো ক্লাবে যাক, ভিয়ের্তশ সেদিকটি নিয়ে ভেবেছেন। তা ছাড়া বায়ার্ন কোচ ভাঁনস কম্পানিও বায়ার্নে জামাল মুসিয়ালা ও ভিয়ের্তশকে কীভাবে একসঙ্গে খেলাবেন, সে ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা দিতে পারেননি। কম্পানির পরিকল্পনার সঙ্গে নাকি বায়ার্নের কর্তাব্যক্তিরা একমত ছিলেন না। সব মিলিয়ে বায়ার্নকে ‘রিজেক্ট’ করে দেন ভিয়ের্তশ।

ম্যানচেস্টার সিটি ভিয়ের্তশকে পেতে আগ্রহী ছিল। ভিয়ের্তশও প্রাথমিকভাবে আগ্রহী ছিলেন পেপ গার্দিওলার সঙ্গে কাজ করতে। কেভিন ডি ব্রুইনার জায়গায় ভিয়ের্তশকে আদর্শ বিকল্প হিসেবেও ভেবে রেখেছিল সিটি। তবে সিটির সঙ্গে আলোচনায় যখন ভিয়ের্তশ প্রশ্ন করেন সিটিতে গার্দিওলা কতদিন থাকবেন (গার্দিওলার চুক্তি শেষ ২০২৭-এ), সে প্রশ্নের উত্তর পাননি। ফল? যদিও সিটির দিক থেকে দাবি করা হয়েছে, ভিয়ের্তশকে কেনার প্রকল্পে খরচ তাদের কাছে বেশি মনে হওয়ায় তারা আর আগ্রহী নয়, দ্য টাইমস জানাচ্ছে, ভিয়ের্তশই মূলত সিটিকে ‘না’ বলে দিয়েছেন।

রেয়াল মাদ্রিদের আগ্রহের কথা শোনা গিয়েছিল। লেভারকুসেনে ভিয়ের্তশের কোচ শাবি আলোনসোই এখন মাদ্রিদের কোচ বলে আলোচনাটা এগিয়েছে। তবে মাদ্রিদের স্কোয়াডে এই মুহূর্তে একজন অ্যাটাকিং প্লেমেকারের চেয়েও রক্ষণ ও মাঝমাঠের অন্য জায়গায় খেলোয়াড়ের দরকার বেশি। মাদ্রিদ চেয়েছিল, ভিয়ের্তশ লেভারকুসেনে চুক্তি নবায়ন করে আরেক বছর থেকে যান, যে চুক্তিতে একটা ‘রিলিজ ক্লজে’র ব্যবস্থাও থাকবে। কিন্তু ভিয়ের্তশ লিভারপুলের সঙ্গে কথা বলার পর তাদের পরিকল্পনা মনে ধরায়, পাশাপাশি তাঁর চোখে সেরা লিগ প্রিমিয়ার লিগে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় লেভারকুসেনে চুক্তি নবায়ন নিয়ে অত গা করেননি।

ফল? দৌড়ে শেষ পর্যন্ত থাকল শুধু লিভারপুল! তিন সপ্তাহ ধরে লেভারকুসেনের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে তাদের। গ্যারান্টিড পেমেন্টের ১০ কোটি পাউন্ড নিয়ে সমঝোতা আগেই হয়ে গিয়েছিল, ‘অ্যাড অনে’র শর্ত নিয়েই যা দেনদরবার হয়েছে। অবশেষে লিভারপুল সমর্থকদের স্বস্তির খবর হয়ে সব দেনদরবারে সমঝোতার খবরই এল। এখন শুধু মেডিক্যালে ভিয়ের্তশের পাস করার অপেক্ষা। তাঁর সঙ্গে লিভারপুল প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের চুক্তি করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দ্য অ্যাথলেটিকের ডেভিড অর্নস্টেইন।

নিজের শরীরকে প্রতিদিন ধন্যবাদ জানাই: তামান্না

নিজের শরীরকে প্রতিদিন ধন্যবাদ জানাই’- কথাটি অদ্ভুত শোনালেনও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজেকে নিয়ে এমন কথাই বলেছেন বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। কেন বলেছেন তিনি এমন কথা?

এর কারণ হলো—দীর্ঘদিন ধরে শরীরচর্চা, আত্মবিশ্বাস ও ‘সেলফ-লাভ’ নিয়ে তিনি লড়ে যাচ্ছেন। তার মতো যারা একইভাবে লড়তে চান তাদের জন্য এই বার্তা একটি অনুপ্রেরণা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তামান্না বলেন—‘আমি সত্যিই আমার শরীরকে ভালোবাসি। কাজের ব্যস্ত দিনের শেষে গোসলের সময়, আমি শরীরের প্রতিটি অংশকে স্পর্শ করে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, শুনতে অদ্ভুত লাগতে পারে, কিন্তু আমি জানি প্রতিদিন সে কীভাবে আমাকে সহ্য করে।
এই স্বীকারোক্তি শুধু এক তারকার নয়, বরং নিজের শরীর, মন ও সৌন্দর্য নিয়ে সমাজের প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক রূঢ় বার্তা।

‘একটা সময় ছিল যখন আমি ভাবতাম ছিপছিপে চেহারা হলেই আমি সুন্দর। কিন্তু পরে বুঝলাম, ওটা আসলেই আমাকে ভালো অনুভব করাতো না। সুন্দর লাগার অনুভূতি আসলে আমার ওজনের ওপর নির্ভর করত না’— মন্তব্য তামান্নার।

তামান্না আরও বলেন, ছোটবেলায় মনে করতাম ‘ছিপছিপে শরীর’ মানেই ‘সুন্দর’। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে শিখেছি, সৌন্দর্য বা আত্মসম্মান কেবল শরীরের মাপে আটকে থাকে না।

তামান্নাকে সম্প্রতি দেখা গেছে ‘সিকান্দর কা মুকাদ্দর’ ছবিতে, যেখানে তার সহ-অভিনেতা ছিলেন অবিনাশ তিওয়ারি ও জিমি শেরগিল।

‘তাণ্ডব’ নেমে উঠল ‘টগর’

চিত্রতারকা শাকিব খানের আলোচিত সিনেমা ‘তাণ্ডব’ নেমে গেল হল থেকে। আর সেই হলে মুক্তি পেল আদর আজাদ ও পূজা চেরি অভিনীত সিনেমা ‘টগর’।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নওগাঁ জেলার দেলুয়াবাড়ি এলাকার ফাইভস্টার সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছিল শাকিব খান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘তাণ্ডব’। তারকাবহুল সিনেমাটি প্রচারণার পরও আশানুরূপ দর্শক টানতে ব্যর্থ হয়েছে। যে কারণে শাকিব খানের সিনেমা নামিয়ে আদর আজাদের সিনেমাটি চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় হল কর্তৃপক্ষ।

হল কর্তৃপক্ষ জানায়, তাণ্ডব হাই রেন্টালে চালানো হচ্ছিল, কিন্তু দর্শকসংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছিল। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কায় সিনেমা হলে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই ‘তাণ্ডব’ নামিয়ে দিয়ে মুক্তি দিয়েছে আলোচিত সিনেমা ‘টগর’।

হল ম্যানেজার বলেন, দর্শকরা ভিন্ন স্বাদের গল্প খুঁজছে। টগরের গান, ট্রেইলার দেখে মনে হয়েছে ভালো কিছু হবে। তাছাড়া ঢাকার আজাদেও সেল ভালো। আমরা সিঙ্গেল স্ক্রিনের সিনেমাই চালাতে চাই।

আলোক হাসান পরিচালিত ও এআর মুভি নেটওয়ার্ক প্রযোজিত টগর চলতি সপ্তাহে মাল্টিপ্লেক্সের শো স্থগিত রাখলেও চলছে ঢাকার আজাদ, কিশোরগঞ্জের বাবু টকিজ-এ।

ড. ইউনূস-তারেক রহমানের বৈঠক নিয়ে যা বলল জামায়াত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা তাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন।

লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠক শুরু হয়। বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টায় বৈঠকটি শেষ হয়। পরে ওই হোটেলেই যৌথ সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখানে কথা বলেন খলিলুর রহমান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এই বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার রাতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার যুগান্তরকে বলেন, আমরা এ বৈঠক ও আলোচনাকে গণতন্ত্রকামী জনতার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ও ইতিবাচক মনে করি।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে রাজনৈতিক দল এবং সরকারপ্রধানের মধ্যে সংলাপ ও মতবিনিময় সবসময়ই সৌহার্দ-সহমর্মিতা বৃদ্ধি করে।এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।

ড. ইউনূস-তারেক বৈঠকে বিচার-সংস্কার সেভাবে প্রাধান্য পায়নি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠককে ইতিবাচকভাবে দেখলেও সেখানে অভ্যুত্থান পরবর্তী বিচার ও সংস্কার সেভাবে প্রাধান্য পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ফেসবুকে তিনি লেখেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠককে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি। জাতীয় ঐক্যমত্যের প্রশ্নে, দেশের স্বার্থে সরকারের সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলের এমন সুসম্পর্কই কাম্য।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, হতাশার বিষয়- বৈঠকে নির্বাচনের মাস ও তারিখ যেভাবে গুরুত্ব পেয়েছে অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা বিচার ও সংস্কার সেভাবে প্রাধান্য পায়নি। এই সরকার শুধু নির্বাচন দেওয়ার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো রূপ নয় বরং একটি অভ্যুত্থানের উপর দাঁড়িয়ে, দেশের মানুষের অসংখ্য ত্যাগের উপর দাঁড়িয়ে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার কাছে দায়বদ্ধ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

জুলাই মাসের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ, মৌলিক সংস্কার, দৃশ্যমান বিচার এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন নির্বাচনের পূর্বশর্ত।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই সনদের পূর্বে নির্বাচনের মাস আর তারিখ নিয়ে কথা বলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়বদ্ধতা ভুলে যাওয়ার নামান্তর। সনদ রচনার পরেই নির্বাচন বিষয়ক আলোচনা চূড়ান্ত হওয়া উচিত।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও লেখেন, দেশের স্থানীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, প্রশাসনকে প্রভাবিত করা, পেশিশক্তির প্রদর্শনসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা দৃষ্টান্ত প্রতিনিয়ত দৃশ্যমান হচ্ছে। এই অবস্থায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা। যেটা নির্বাচনের অন্যতম আরেকটি পূর্বশর্ত।

এনসিপির এই নেতা পোস্টে আরও বলেন, নির্বাচনের মাস এপ্রিল কিংবা ফেব্রুয়ারি যেটাই হোক না কেন, তার চেয়ে মুখ্য বিষয় হচ্ছে নির্বাচনের পূর্বে জুলাই সনদ দৃশ্যমান বিচার এবং মৌলিক সংস্কার গুলো হচ্ছে কিনা।

আত্মগোপন করেছেন নেতানিয়াহু!

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে আজ শুক্রবার ভোররাতে বিমান হামলার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপন করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরনার এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে ইরনার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে হামলার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে অজ্ঞাত কোনো স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সম্ভবত তাঁকে গ্রিসে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করে। ছবিতে অধিকৃত এলাকার বাইরে দুটি জঙ্গি বিমানের পাহারায় নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজকে অজ্ঞাত গন্তব্যের দিকে চলে যেতে দেখা গেছে। ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল১২ জানিয়েছে, বিমানটি গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে অবতরণ করেছে।

শুক্রবার ভোররাতে ইসরায়েল তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে একের পর এক সামরিক হামলা চালায়।

ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি, খাতাম আল-অনবিয়া সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল গোলাম আলী রশিদসহ অন্তত ২০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এ হামলার প্রতিশোধ নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টাকে কলম ও বই উপহার দিলেন তারেক রহমান

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে উপহার দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এসব উপহারের ছবি পোস্ট করেছেন।

প্রেস সচিবের পোস্টে দেখা গেছে, প্রধান উপদেষ্টাকে একটি কলম ও দুটি বই উপহার দিয়েছেন তারেক রহমান। একটি বই হলো পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের ‘নো ওয়ান ইস টু স্মল টু মেক অ্যা ডিফারেন্স’। আরেকটি বই ‘নেচার ম্যাটারস’।

এ আগে লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় বৈঠকে বসেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসু হয়েছে বলে এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে আগামী বছরের রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তাব করেছেন তারেক রহমান।

কেয়ামত পর্যন্ত গৃহস্থালিতে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা উচিত – জ্বালানি উপদেষ্টা

নতুন করে আর কোনো বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি আরও বলেন, যেখানে শিল্প কারখানাই গ্যাস পাচ্ছে না, সেখানে গৃহস্থালিতে গ্যাস সরবরাহ করা অপচয়, পারলে কেয়ামত পর্যন্ত এই সুযোগ বন্ধ রাখা উচিত। শুক্রবার (১৩ জুন) সিলেটের কৈলাশটিলা এমএসটিই প্ল্যান্ট গোলাপগঞ্জ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এই মন্তব্য করেন।

উপদেষ্টা জানান, সিলেটসহ যেসব এলাকায় গ্যাস উত্তোলন করা হয়, সেসব জায়গায় সরকার ৮০০ টাকায় সিলিন্ডার গ্যাস সরবরাহ করা হবে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে দেশের বাসাবাড়িতে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করা হবে।

জ্বালানি সংকটের বিষয়ে ফাওজুল কবির খান বলেন, প্রতিবছর প্রায় ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের উৎপাদন কমছে। একইসঙ্গে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গ্যাসের উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও তিনি জানান।

পরিদর্শনের শুরুতে উপদেষ্টা কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রের ৭নং কূপ এবং পরবর্তীতে ২নং কূপ পরিদর্শন করেন।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের (অপারেশন বিভাগ) অতিরিক্ত সচিব মো. খালিদ আহমেদ, বাপেক্স/এসজিএফএল-এর প্রকৌশলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোহেব আহমদ, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রেহসানুল ইসলাম, সেক্রেটারি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনির হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের ডিজিএম ফারুক আহমদ, কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ড এমএসটি প্ল্যান্টের ডিজিএম জাফর রায়হানসহ সংশ্লিষ্ট কূপের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

অর্থপাচারে অভিযুক্তদের সঙ্গে ‘সমঝোতার’ কথা ভাবছে সরকার

বিদেশে অর্থপাচারে অভিযুক্ত ধনকুবেরদের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতায় পৌঁছানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ফিন্যানশিয়াল টাইমসকে বলেছেন, অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর মামলাগুলোর ক্ষেত্রে আর্থিক সমঝোতা ‘অন্যতম বিকল্প’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

গভর্নর আরো বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ পুনরুদ্ধারে ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক মামলা পরিচালনায় তিনি ১০ কোটি ডলার পর্যন্ত অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্য রাখছেন।

যুক্তরাজ্য সফরের আগে ঢাকায় দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কথিত কার্যকলাপের প্রকৃতির ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ নির্ভর করবে।

এটা চুরি হওয়া অর্থ। আইনগতভাবে এবং আমি বলব নৈতিকভাবেও যুক্তরাজ্য সরকারের উচিত এই অর্থ শনাক্ত করতে সহায়তা করা।’

তিনি বলেন, ‘যদি আইন লঙ্ঘনের প্রকৃতি তুলনামূলকভাবে হালকা ধরনের হয়…তবে আমরা দেওয়ানি মামলা করব এবং সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আর্থিক সমঝোতার কথা বিবেচনা করা হবে।’ তবে সম্ভাব্য কোন ব্যক্তিরা এ প্রক্রিয়ার আওতায় আসতে পারেন, সে বিষয়ে কোনো উদাহরণ দেননি তিনি।

অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার পরিবারসহ আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিবারগুলোর বিরুদ্ধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১১টি তদন্ত শুরু করেছে। বর্তমান প্রশাসন কিছু অভ্যন্তরীণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টও জব্দ করেছে এবং শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে দেশ থেকে পাচার করা সম্পদ পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

পাচার করা অর্থ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধারে এ ধরনের প্রচেষ্টা এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে মুহাম্মদ ইউনূস এ সপ্তাহে লন্ডন সফরকালে যুক্তরাজ্য সরকারের কাছ থেকে আরো ‘উৎসাহব্যঞ্জক সহযোগিতা’ কামনা করেন।

অন্তর্বর্তী সরকার বলছে, বিগত সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ থেকে বহু বিলিয়ন ডলার পাচার করেছেন।

দেশে ফিরেছেন আরও ৪ হাজারের বেশি হাজি

পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন আরও ৪ হাজারের বেশি হাজি। এ নিয়ে মোট ৮ হাজার ৬০৬ জন বাংলাদেশি পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন। বৃহস্পতিবার হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা ও সৌদি আরবের সূত্রে হজ বুলেটিনের আইটি হেল্প ডেস্ক জানিয়েছে, বুধবার দিবাগত রাত ৩টা নাগাদ দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজির সংখ্যা ৮ হাজার ৬০৬ জন। মোট ২২টি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা।

এরমধ্যে সরকারি মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৮৩৭ জন। পাশাপাশি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ৭৬৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে দেশে ফেরা হজের ২২টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ১ হাজার ৪৯০ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৮৫ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৪ হাজার ১২ জন হাজি।

এদিকে চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত মোট ২৩ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। এরমধ্যে ১৫ জন মক্কায়, ৭ জন মদিনায় এবং একজন আরাফায় মারা যান।

এ বছর হজ উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ৩০২ জন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। এরমধ্যে প্রথম হজ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যায় গত ২৯ এপ্রিল। এরপর প্রায় এক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে হজযাত্রীদের বহন করে ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে সর্বশেষ হজ ফ্লাইটটি সৌদির উদ্দেশে পাড়ি জমায় গত ১ জুন। পুরো এই সময়ে মোট ২২০টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। যার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ৩০২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। পরবর্তীতে গত ৫ জুন পবিত্র হজ পালন শেষে গত মঙ্গলবার (১০ জুন) হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন ৩৬৯ জন হাজি।