Home Blog Page 76

তোফায়েল আহমেদ আর নেই

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদ নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

তার জামাতা ও সাবেক এমপি ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি এক মেয়ে ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখেন তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

নেত্রকোণায় বাসচাপায় মা ও দুই মেয়ে নিহত

নেত্রকোনায় বাসাচাপায় মা ও মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা বাইপাস মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- নূরজাহান বেগম (৪৫), তার বড় মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৫) ও ছোট মেয়ে ইতি আক্তার (১০)। তারা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের আমলি কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনার উদ্দেশে ছেড়ে আসা মহুয়া পরিবহনের একটি বাস চল্লিশা বাসপাই মোড়ে পৌঁছে একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মা ও দুই মেয়ে নিহত হন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৫ জন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল বাকিউল বারি ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়কে স্পিডব্রেকারসহ গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেয়।

নেত্রকোনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, বাসচাপায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে রয়েছে। বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে।

নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল বাকিউল বারি বলেন, দুর্ঘটনার পর এলাকাবাসী চল্লিশায় সড়ক অবরোধ করে। সড়কের ওই স্থানে স্পিডব্রেকার ও গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা অবরোধ তুলে নেয়। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

দেশে ফিরেছেন ৬১৭৫ হাজি

হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরতি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে আসতে শুরু করেছেন। প্রথম দিন ৬১৭৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। গতকাল শনিবার ১৫টি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরেন। এদিকে, দ্বিতীয় দিনের মতো আজ রবিবার দ্বিতীয় দিনে ১৪টি ফ্লাইটে ৫ হাজারের বেশি হাজি আসার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

হজ বুলেটিনের তথ্যানুযায়ী, ফিরতি মোট ১৫টি ফ্লাইটে ৬১৭৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে এসেছেন ৪১৬ জন হাজি। বেসরকারি মাধ্যমে আসা হাজির সংখ্যা ৫৭৫৯ জন।

এদিকে, হাজিরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেন, এ বছর হজ পালনে কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি। সকল ব্যবস্থাই ভালো ছিল। বাংলাদেশ ও সৌদি আরবে হাজিদের জন্য থাকা, খাওয়াসহ সব কিছুই গোছানো ছিল।

ভারতে পাঁচতলা ভবন ধস, উদ্ধার ১২

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির দক্ষিণে একটি পাঁচতলা বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় সাকেত মেট্রো স্টেশনের কাছে সাইদুলাজাব এলাকার ওয়েস্টার্ন মার্গে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভবনটিতে একটি কোচিং ইনস্টিটিউট, কয়েকটি ক্যাফে ও অফিস ছিল। একই সঙ্গে ভবনের ওপরের অংশে নির্মাণকাজ চলছিল বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত। ধ্বংসস্তূপে আর কেউ আটকা পড়ে আছেন বলে আপাতত মনে হচ্ছে না, তবে নিশ্চিত হতে তল্লাশি চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটি ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মানুষের চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। মুহূর্তেই চারদিকে ধুলার মেঘ ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের একটি অংশ পাশের একটি অস্থায়ী টিনশেড ক্যানটিনের ওপর ভেঙে পড়ে, যেখানে শিক্ষার্থীরা খাবার খাচ্ছিলেন।

দমকল বিভাগ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তিনজনকে উদ্ধার করে। পরে দমকলকর্মী ও জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

আহত এক শিক্ষার্থীর বাবা বলবন্ত যাদব জানান, তার মেয়ে নীলম ভবনের পাশের ক্যানটিনে ছিলেন। ভবন ধসে পড়ার সময় সেখানে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন। নীলমের পা ভেঙে গেছে এবং তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

উদ্ধারকাজে ভারী যন্ত্রপাতি, হাইড্রোলিক কাটার, বিশেষ ক্যামেরা ও প্রশিক্ষিত অনুসন্ধানী কুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে দমকল, এনডিআরএফ, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা কাজ করছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর ভবনটির মালিকানা, নির্মাণকাজের অনুমোদন এবং কোনো ধরনের অবহেলা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।

ওরা আমায় মারতে চায়: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গে হামলার শিকার হওয়ার পর নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে পৌঁছে তাঁর ছবির সামনে দাঁড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এসময় সাংবাদিকদের তিনি জানান, হামলায় তাঁর চশমা ভেঙে গেলেও হেলমেট থাকাতে মাথায় আঘাত লাগেনি।

এসময় তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাঁকে মারতে চায়।

তিনি বলেন, ‘আমার মাথাটা বেঁচে গিয়েছে হেলমেট ছিল বলে। আমার চশমা ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু আমি হয়তো এই ভাবেই এখান থেকে বেরিয়ে গেলাম। তারপর তো সঞ্জু কর্মকারের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের উপর চড়াও হবে ওরা।’

অভিষেক যখন নিহত কর্মীর বাড়িতে অবস্থান করছেন, তখনও বাইরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তিনি অভিযোগ করেন, বাইরে থাকা বিক্ষোভকারীরা বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছে।

চরম নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘ওরা আমায় মারতে চায়! মেরে দিক! আমি এখান থেকে যাব না। সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে ছেড়ে কোথাও যাব না। আমি হাই কোর্ট এবং রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছি। দরজা ভাঙার চেষ্টা করছে। পুলিশের কেউ নেই এখানে। আমি এসপি এবং আইসি-কে জানাতে বলেছি। এখনও কোনও বাহিনী আসেনি।’

এদিকে বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা চূড়ান্ত করার বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ দলীয় বিধায়কদের সই জাল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ সম্বলিত একটি চিঠি বন্ধ খামে সরাসরি বিধানসভা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে।

সই জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে আসার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। অভিষেকের বিরুদ্ধে শুরু হয় সিআইডি তদন্ত। শনিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হরিশ মুখার্জি রোডে তৃণমূল নেতার বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ পৌঁছে যায় রাজ্য সিআইডির একটি দল। তবে সিআইডি কর্মকর্তাদের খালি হাতেই ফিরতে হয়। তাঁর বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীরা জানান, তৃণমূল নেতা বা তাঁর পরিবারের কেউই বাড়িতে নেই।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টাইব্রেকারে আর্সেনালের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

কয়েক দিন আগেই ২২ বছরের দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আর্সেনাল। গানার্সদের সামনে সুযোগ ছিল একই মৌসুমে ঘরোয়া ও ইউরোপসেরার ‘ডাবল’ জয়ের ইতিহাস গড়ার। কিন্তু মিকেল আর্তেতার সেই স্বপ্নপূরণ হতে দিল না প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং এরপর আরও ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল জয়সূচক গোল না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে আর্সেনালকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপীয় শিরোপা ধরে রাখে ফরাসি ক্লাবটি।

শনিবার হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হয় ইউরোপ সেরার মুকুট নির্ধারণের এই মহারণ। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই পিএসজির জালে বল জড়ায় আর্সেনাল। কাই হার্ভেজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। প্রথমার্ধে দুদল একাধিক সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠে পিএসজি। ৬৫ মিনিটে ডিবক্সে ফাউলের জেরে পেনাল্টি পায় ফরাসি ক্লাবটি। উসমান দেম্বেলে গোল করতে কোনও ভুল করেননি। আর এতেই সমতা ফেরে।

পুরো ম্যাচ জুড়ে ফরাসি ক্লাবটি একের পর এক আক্রমণ চালায়। আর্সেনাল মূলত মেতেছিল তাদের অতি-রক্ষণাত্মক ‘বাস পার্কিং’ কৌশলে। শেষ পর্যন্ত এই অতি-রক্ষণাত্মক ফুটবলই কাল হলো আর্তেতার দলের জন্য। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

সেখান থেকে টাইব্রেকারে দুই দলের খেলোয়াড়দের ওপর জেঁকে বসে পাহাড়সম চাপ। পিএসজির হয়ে গনজালো রামোস এবং আর্সেনালের ভিক্টর গিওকেরেস প্রথম শটেই গোল করেন। পিএসজি তাদের দ্বিতীয় শটেও সফল হয়। তবে আর্সেনালের ইংলিশ মিডফিল্ডার এবেরেচি এজে বল গোলপোস্টের বাইরে মারলে পেনাল্টিতেই শিরোপার সুবাস পেতে শুরু করে ফরাসিরা।

ঠিক পরের শটে পিএসজির মেন্দেসের শট রুখে দিয়ে আর্সেনালকে আবারও লাইফলাইন এনে দিয়েছিলেন গানার্স গোলকিপার ডেভিড রায়া। এরপর আর্সেনালের ডেকলান রাইস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি এবং পিএসজির আশরাফ হাকিমিরা যার যার শটে জাল কাঁপায়। শেষ পর্যন্ত ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপসেরা হওয়ার বন্য উল্লাসে মাতে পিএসজি।

সামান্থাকে প্রতারণার অভিযোগ, আইনি লড়াইয়ে নাগা চৈতন্য

সাবেক স্ত্রী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুকে প্রতারণা করা এবং তার ক্যারিয়ার নষ্ট করার মতো অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তেলুগু অভিনেতা নাগা চৈতন্য। নিজের নাম, ছবি ও পরিচয় অনলাইনে অপব্যবহার করে প্রচারিত বিভিন্ন কনটেন্টের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা চেয়েছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নাগা চৈতন্য আদালতে দায়ের করা আবেদনে অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে সাবেক স্ত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে নানা দাবি ও পরকীয়ার অভিযোগও রয়েছে।

গত ২৯ মে বিচারপতি জ্যোতি সিংয়ের বেঞ্চে বিষয়টির শুনানি হয়। শুনানিতে নাগা চৈতন্যের আইনজীবী বৈভব গগ্গর আদালতকে বলেন, কিছু অনলাইন কনটেন্টে অভিনেতাকে সামান্থার সঙ্গে প্রতারণাকারী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে যে তিনি তার সাবেক স্ত্রীর ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছেন।

আইনজীবীর ভাষ্য, এসব বিষয় ন্যায্য সমালোচনার মধ্যে পড়ে না, বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ট্রলিং। তিনি আরও জানান, অভিনেতার সম্মতি ছাড়া তার পরিচয় ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ভিডিও ও আপত্তিকর কনটেন্টও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আদালতে নাগা চৈতন্যের পক্ষ থেকে বলা হয়, এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি তেলুগু চলচ্চিত্রে কাজ করছেন এবং ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তার বিপুল ভক্ত রয়েছে। এ ধরনের অননুমোদিত কনটেন্ট তার সুনাম, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও জনসম্মুখের ভাবমূর্তির ক্ষতি করছে।

শুনানি শেষে দিল্লি হাইকোর্ট বিবাদীপক্ষকে সমন জারি করেছে। একই সঙ্গে নাগা চৈতন্যের ব্যক্তিগত অধিকার সুরক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আদালত।

২০১৭ সালে নাগা চৈতন্য ও সামান্থা রুথ প্রভুর বিয়ে হয়। ২০২১ সালে তারা বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নানা ধরনের জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।

নামাজের সময় মেলার মাইক বন্ধের অনুরোধ, ইমামের ওপর হামলা

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এশার নামাজের সময় উচ্চ স্বরে মাইকিংয়ের প্রতিবাদ করায় এক মসজিদের ইমামের ওপর বর্বর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৯ মে) রাতে উপজেলার যশরা ইউনিয়নের বখুরা সরদারবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

হামলায় সরদারবাড়ি মসজিদের ইমাম মাওলানা ইউসুফ হোসেনের বাঁ চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার সকালে গফরগাঁও পৌর শহরের জামতলা মোড়ে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় আলেম-ওলামারা।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বখুরা সরদারবাড়ি এলাকায় মসজিদের ঠিক পাশেই স্থানীয় কিছু যুবক মেলার আয়োজন করেন। গতকাল শুক্রবার রাতে এশার নামাজের ওয়াক্ত চলাকালীন মেলায় উচ্চ স্বরে মাইক বাজানো হচ্ছিল। এতে মসজিদের ভেতরে নামাজের প্রচণ্ড ব্যাঘাত ঘটায় ইমাম মাওলানা ইউসুফ হোসেন মেলার আয়োজকদের সাময়িকভাবে মাইকটি বন্ধ করার অনুরোধ করেন। কিন্তু এই অনুরোধে ক্ষিপ্ত হয়ে মেলার আয়োজকেরা ইমামের ওপর চড়াও হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ইমামের ওপর বেধড়ক হামলা চালানো হয়। এতে তার বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে, ইমামের ওপর এই হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে শনিবার সকালে গফরগাঁও পৌর শহরের জামতলা মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন আলেম-ওলামারা। সমাবেশে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নামাজের সময় মাইক বন্ধের অনুরোধ করা কোনো অপরাধ নয়। একজন ইমামের ওপর এমন বর্বর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার ও সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান একরাম উল্লাহ, খায়রুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জহিরুল ইসলাম উসমানী, ময়মনসিংহ জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য ফজলুল হক, মাদকবিরোধী ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা ইউসুফ বিন মনির এবং ইত্তেফাকুল উলামা গফরগাঁও শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় ওলামা মাশায়েখ ও সাধারণ মুসল্লিরা।

জানতে চাইলে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এই হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। জড়িতরা পলাতক রয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে মাঠে কাজ শুরু করেছে।

গোপালগঞ্জে শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ, কিশোর গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিসিক ব্রিজ মোড় সংলগ্ন এলাকায় ৮ বছরের শিশুকে বলৎকারের অভিযোগে এক কিশোরকে (১৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।

আটক কিশোর বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামের মো. সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। তিনি গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরী এলাকার মধুমতি বেকারিতে কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিসিক ব্রিজ মোড় সংলগ্ন মধুমতি বেকারির দ্বিতীয় তলায় ২০ টাকার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে। ঘটনাটি টের পেয়ে স্থানীয়রা শফিকুলকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ভিকটিম শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠায় এবং অভিযুক্তকে আটক করে।

এ ঘটনায় শিশুটির মা সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছেলে বাসা থেকে পাশেই তার দাদার বাড়িতে যাচ্ছিল। এ সময় বিসিক ব্রিজের ওপর থেকে তাকে টাকা ও খাবারের লোভ দেখিয়ে বেকারি কর্মচারী বেকারির দোতলায় নিয়ে যায়। সেখানে আমার ছেলের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হয়। আমি তার কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) নয়ন চন্দ্র দেবনাথ  বলেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। খবর পেয়ে শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যার আগে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অসুস্থ শিশুটিকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় এবং ঘটনার মূল অভিযুক্তকে (১৫) আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রক্রিয়া শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ মোকাম রাজারহাটে চামড়া বিক্রি হচ্ছে ২৫-২৮ টাকা ফুট

হাটের এক কোণে কাঠফাটা রোদ্দুরে মাথায় গামছা প্যাঁচিয়ে হাঁটু গেড়ে বসে আছেন নড়াইলের লক্ষীপাশার রনজিত দাস। পাশেই দাঁড়িয়ে তার বড় ছেলে রোমেন দাস। ৯০ পিস গরু ও ৫৫ পিস খাসির চামড়া নিয়ে এসেছেন তারা। আড়ৎদাররা চামড়া উল্টে পাল্টে দেখছেন। কিন্তু তারা যে দাম বলছেন; তাতে বিক্রি করতে রাজি হচ্ছেন না রনজিত।

তিনি জানান, বাড়ি বাড়ি ঘুরে ৫ শ’ থেকে ৯ শ’ টাকা পর্যন্ত গরুর চামড়া কিনেছি। আর খাসির চামড়া ৫০ থেকে দেড় শ’ টাকা পর্যন্ত। এরপর প্রতিটি গরুর চামড়ায় লবণ লেগেছে একশ টাকার। খাসির চামড়ায় ২০ টাকা। লবণ শ্রমিক, বাজারে আনতে সব মিলিয়ে প্রতিটি চামড়ায় খরচ হয়েছে দেড় শ’ থেকে দুই শ’ টাকা পর্যন্ত। অথচ হাটে গরুর চামড়া সর্বোচ্চ বলছে আটশ’ টাকা। আর খাসি ৫০ টাকা।

রনজিত বলেন, সরকারের বেধে দেওয়া দর অনুযায়ী আমার প্রতিটি গরুর চামড়ার দাম হয় ১৫ শ’ থেকে ১৭ শ’ টাকা। অথচ বাজারে এনে দাম বলছে অর্ধেক। তাদের দামে চামড়া দিলে আসলও থাকবে না!

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চামড়ার মোকাম যশোরের রাজারহাটে কুরবানি পরবর্তী প্রথম হাট ছিল শনিবার। কাঁকডাকা ভোর থেকেই খুলনা বিভাগের ১০ জেলা ও ঢাকার গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ি থেকে মৌসুমী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন যানবাহন ভর্তি করে চামড়া নিয়ে এসেছেন। অন্তত ১৫ হাজার চামড়া উঠলেও বাইরের পাইকার ও ট্যানারি মালিকের প্রতিনিধিরা না আসায় বেচাকেনা জমেনি। সরকার নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অর্ধেকেরও কম দামে চামড়া কিনছেন বলে অভিযোগ করেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোও। সরকার এবার জেলা পর্যায়ে গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে। এ ছাড়া খাসির চামড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়া ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সে হিসাবে মাঝারি গরুর চামড়ার মূল্য হওয়ার কথা ৯৫০ থেকে ১২০০ টাকা এবং বড় গরুর চামড়া ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। অথচ যশোরের বাজারে মাঝারি গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ আর বড় সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা। সেই অনুযায়ী সরকারের নির্ধারিতের চেয়ে যশোরের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা ফুট।

চামড়া বিক্রেতাদের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকারি রেট কার্যকরে প্রশাসনের কোনো তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করছে। তবে চামড়া ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, সরকার দাম বাড়ালেও ট্যানারি মালিকরা সেই দামে চামড়া কিনতে রাজি নন।

বাগেরহাট থেকে আমজেদ বিশ্বাস নামে এক মৌসুমি ব্যবসায়ী বলেন, পিকআপ ভ্যানে করে ৪০০ গরুর চামড়া এনেছি। প্রতিটি চামড়া আড়তদাররা দিতে চাচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা করে। সরকারি বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি হলে প্রতি গরুর চামড়ার দাম পেতাম ১ হাজার ২৫০ টাকার বেশি। কিন্তু চামড়ার পাইকারি ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো দাম বলে চামড়া কেনাবেচা করছে। প্রতিটি গরুর ৩০ থেকে ৩৫ ফুট পর্যন্ত চামড়া হয়। সেই ক্ষেত্রে সরকারি রেটে চামড়ার দাম হবে ২১০০ টাকা। অথচ যশোরের বাজারে সর্বোচ্চ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে এক হাজার। তাহলে ফুট পড়ছে ২৮ টাকা পর্যন্ত। সরকারি রেট কার্যকর হলে ছোট ব্যবসায়ীরা লাভবান হতো।

রমেন দাস নামে আরেক মৌসুমি ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন, প্রতি বছর লোকসান করে ব্যবসা করে যাচ্ছি। সিন্ডিকেটে আমাদের ব্যবসাটা একটি গোষ্ঠী শেষ করে দিচ্ছে। কোনো সরকারই এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল না।

তবে আড়তদার গিয়াজ উদ্দিন বলেন, সরকারি দরের চেয়ে ২০ টাকা কমে আমাদের চামড়া কিনতে হয়। কেননা কাঁচা চামড়া কিনে লবণজাত, শ্রমিক ও ঢাকাতে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি চামড়া দুই শ’ টাকা পর্যন্ত পড়ে যায়। আমরা ট্যানারি মালিকদের কাছে সরকারি বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করতে পারছি না। যে কারণে সরকারি বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া কেনাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কেমিক্যালের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে ট্যানারি মালিকরা সরকারি দামে চামড়া কিনছেন নজ। ফলে দিন দিন চামড়ার দাম কমে যাচ্ছে।

রাজারহাট চামড়া মোকামের ইজারাদার রাজু আহম্মেদ বলেন, ঈদ-পরবর্তী প্রথম হাট হওয়াতে এদিন চামড়া উঠেছে কম, আবার বাইরের আড়তদার বা ট্যানারি মালিকের প্রতিনিধিরাও আসেননি। ফলে এদিন হাটে বিক্রিও হয়নি ভালো। আগামী কয়েকটি হাটে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশা করা যায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল সর্ববৃহৎ এই হাট। তিন শতাধিক আড়তদারের মাধ্যমে ঈদ মৌসুমে লক্ষাধিক পিস চামড়া বিক্রি হয় এখানে।