Home Blog Page 92

জরিমানার অর্থ ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই অর্থদণ্ড ভিকটিমের পরিবারের আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন। ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিমের পরিবারের আইনগত উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এ সময় তাঁদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।

এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আজ রোববার আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় প্রদান করা হয়।

এদিন বেলা ১১টা পাঁচ মিনিট থেকে ১১টা ৩৮ মিনিট পর্যন্ত রায় পড়েন বিচারক। রায় ঘোষণার পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে শুরু করেন দুই আসামি।

এর আগে সকাল পৌনে ৯টায় কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকা মহানগর আদালতে আনা হয়। পরে দুই আসামিকে এজলাসে তোলা হয়।

মামলার রায়কে ঘিরে আদালতপাড়ায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।

গত বৃহস্পতিবার আসামিদের উপস্থিতিতে এই দিন ঠিক করেন বিচারক। হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায় এ মামলার রায় ঘোষণা করলেন আদালত।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার বিশেষ পিপি আজিজুর রহমান দুলু, আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কলিমুল্লাহ, ঢাকা মহানগর জজ আদালতের পিপি ওমর ফারুক ফারুকীসহ অন্যান্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে স্কুল পড়ুয়া শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ওইদিন সকালে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল রানা শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। এরপর গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘরেই ছিলেন। এরপর পুলিশ স্বপ্নাকে আটক করে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল রানা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

পাঁচ দিন তদন্ত করে গত ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। সেখানে সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আসামি করা হয়।

আলোচিত এ মামলার বিচার দ্রুত শেষ করতে অভিযোগপত্র জমার দিনই মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক। এরপর একদিনেই ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়। বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন এবং বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে।

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

কক্সবাজারের দরিয়ানগর এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণকালে পাহাড়ের মাটিচাপায় দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই শ্রমিক হলেন- চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার মোহাম্মদ ইলিয়াস ও মোহাম্মদ রাকিব। আহত শ্রমিক মোহাম্মদ শাহজাহানও একই উপজেলার বাসিন্দা।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন জানান, দরিয়ানগরে অবস্থিত ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাতায়াতের সড়কে পাহাড়ি পানি চলাচলের জায়গায় একটি ব্রিজ নির্মাণকাজ করছে লাকি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওখানে পাহাড়ের পাশের মাটি কাটা হয়েছে। কাজ করার সময় পাহাড়ের মাটি ভেঙে ৩ শ্রমিক মাটিচাপা পড়েন। অন্য শ্রমিকরা ৩ জনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে যায়।

কালভার্টটির নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাকি এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি আবদুর রহিম মজুমদার বলেন, ‘শ্রমিকেরা নিরাপত্তাবিধি মেনেই কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাটিধসে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। হতাহত ব্যক্তিরা সবাই প্রায় এক মাস ধরে এই প্রকল্পে কাজ করে আসছেন।’

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘গুরুতর অবস্থায় তিন শ্রমিককে সদর হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে দুজন হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন।’

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রায় বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

লক্ষ্মীপুরে পুকুর থেকে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সকালে নাশতা করে বের হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুকুরে ভাসতে দেখা গেল আরিফ হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃতদেহ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের তোরাবগঞ্জ বাজারসংলগ্ন সেলিম চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনের পুকুর থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মানসিকভাবে কিছুটা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হলেও পরিবার-সংসারের দায়িত্ব নিয়ে ভ্রাম্যমাণ দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত আরিফ কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লুতু মুন্সী বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে চকলেট ও চানাচুরের ভ্রাম্যমাণ দোকান পরিচালনা করতেন। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আরিফ হোসেন মানসিকভাবে কিছুটা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও সহজ-সরল প্রকৃতির ছিলেন। প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন সকালেও তিনি তোরাবগঞ্জ বাজারে এসে একটি দোকানে নাশতা করেন। পরে সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়রা পুকুরপাড়ে তাঁর ব্যবহৃত লুঙ্গি, জুতা ও গেঞ্জি পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ করেন। খোঁজ নিতে গিয়ে পুকুরে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখেন তাঁরা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের মামা সুলতান আহাম্মদ টিপু জানান, আরিফ দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে (এপিলেপ্সি) আক্রান্ত ছিলেন এবং নিয়মিত ওষুধ সেবন করতেন। বুধবার রাতেও তিনি ওষুধ খেয়েছিলেন। প্রতিবন্ধী হলেও তিনি সংসারের প্রতি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি পুকুরে গিয়েছিলেন বা কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, তা পরিবারের কারও জানা নেই।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদুল আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে।’

নেতানিয়াহু ভুল করছেন, ট্রাম্পকে ‘না’ বলুন: ইসরায়েলি মন্ত্রী

লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে ‘গুরুতর ভুল’ বলে সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। তাঁর মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘না’ বলার সাহস রাখাটা জরুরি। তা না হলে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হিজবুল্লাহকে মোকাবিলা করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় বুধবার যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। কট্টর ডানপন্থী বেন-গভির এই সিদ্ধান্তের সমালোচনায় এক্সে লিখেছেন, ‘উপদেষ্টাদের অলীক কল্পনা প্রধানমন্ত্রীকে (বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু) ভুল সিদ্ধান্তের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।’

যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে। তবে বেন-গভির বলছেন, এই চুক্তি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। লেবানন সরকারকে বিশ্বাস করা যায় না। হিজবুল্লাহ লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল ছাড়েনি। লেবাননের সেনাবাহিনীর পক্ষে তাদের সেখান থেকে সরানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। লেবানন রাষ্ট্রটাই হিজবুল্লাহর অংশীদার।

নেতানিয়াহুর সমালোচনা করে বেন-গভির আরও লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলা- আমরা আপনাকে পছন্দ করি। কিন্তু ইসরায়েল একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র।’

ইসরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী আরও লিখেছেন, এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন খোদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকেও ‘না’ বলার সাহস রাখতে হয়। এখনই সেটা না করা হলে ভবিষ্যতে হিজবুল্লাহ আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে সামনে আসবে।

হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্যের পর এবার রাষ্ট্রদ্রোহিতাসহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হলো পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের আইনজীবী রিংকু চ্যাটার্জি সিং।

অভিযোগপত্রে অভিযোগকারীর দাবি, ‌মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনমনে ঘৃণা তৈরির অপচেষ্টা করেছেন। এছাড়া, বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ভারত সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জড়িয়ে তাঁর মন্তব্য আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে। এই মন্তব্য দুই দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই মমতার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১৫২, ১৫৩, ১৫৩ (এ), ১৯১, ১৯২, ১৯৬, ৩৫১, ৩৫২, ৩৫৩সহ একাধিক ধারায় এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বিএনএস ১৫২ ধারা হলো- ভারতের নতুন ফৌজদারি আইন, যা ভারতের সার্বভৌমত্ব, একতা ও অখণ্ডতাকে বিপন্নকারী বা ক্ষুণ্ণকারী কার্যকলাপকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে।বিএনএস ১৫৩ ধারা অনুযায়ী, ভারত সরকারের সাথে শান্তিতে থাকা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা, যুদ্ধ করার চেষ্টা করা বা যুদ্ধে সহায়তা করা একটি গুরুতর অপরাধ। বিএনএস ১৫৩ ধারা অনুযায়ী- ধর্ম, বর্ণ, ভাষা বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ ছড়ানো এবং সম্প্রীতি নষ্ট করার অপরাধে মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আইনজীবী রিংকু চ্যাটার্জি সিং বলেছেন, অবিলম্বে মমতার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তিনি জানিয়েছেন, ৮ জুন হাইকোর্ট খুললেই সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির দাবিতে মামলা করবেন।

প্রসঙ্গত, বিধানসভার নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর মঙ্গলবার প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই ওসমান হাদি হত্যা প্রসঙ্গ টেনে বিস্ফোরক দাবি করেন মমতা। রাজনৈতিক সভা থেকে হঠাৎ করেই বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যার বিষয়টিও তুলে ধরেন মমতা। মমতার দাবি- হাদি হত্যাকারীদের রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন পান মমতা। তাকে বলা হয়, বিষয়টি যেন বাইরে না জানানো হয়।

মমতা আরও দাবি করে বলেন , ‘বাংলাদেশের একজন বড় খুনিকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাইছি তা হলো- ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এইটা তাদের কৃতিত্ব। কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার।’

অমিত শাহকে মমতার প্রশ্ন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকে সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভান্ডার। তথ্য ভান্ডার।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কিন্তু এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচার শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলবো না।’

পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যা মামলার রায় রোববার

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আগামী রোববার ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন।

এদিন আদালতে দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুসা কলিমুল্লাহ। এ সময় তিনি আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চান।

অন্যদিকে এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী বিশেষ পিপি আজিজুর রহমান দুলু বলেন তারা অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।

এদিন সকাল ৯টার দিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের ঢাকা দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। মামলাটিকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

আদ-দ্বীন হাসপাতাল ৬ নবজাতকের মৃত্যুতে অক্সিজেন স্বল্পতা ও প্রশাসনিক অবহেলার অভিযোগ

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন ভবনটি হাসপাতালের জন্য উপযুক্ত নয়। দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকায় পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে অক্সিজেন স্বল্পতা হয়। বদ্ধ কক্ষে বায়ু চলাচল কম থাকায় শিশুদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। শিশুদের মৃত্যুতে চিকিৎসক, নার্স ও কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ছিল।

হাসপাতালটিতে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোববারের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সম্ভবত মৃত্যুর কারণ ছোট কক্ষে দীর্ঘ সময় এসি না থাকা। প্রয়োজনীয় এসি না থাকায় ঘটনাস্থলে অক্সিজেন স্বল্পতা হয়। যে কারণে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে অতিরিক্ত জনসংখ্যার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা স্পষ্ট প্রমাণিত হয়েছে। এ অনুযায়ী বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে।

এর আগে বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দেন। ২৭ মে ভোর ৬ থেকে ৯টার মধ্যে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু হয়। ২৮ মে এই ঘটনায় মামলা হয়। তবে এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদনে যা আছে
১. ভবনটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য উপযুক্ত না
২. কক্ষতে অক্সিজেন কমে কার্বনডাই অক্সাইড বেড়েছে। অভিভাবকদের আহ্বানে নার্স সহযোগিতা করেনি
৩. ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ছিল
৪. হাসতাপাতাল পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি
৫. ভবিষ্যতে বেসরকারি হাসপাতাল লাইসেন্স দিতে ভবন পরিদর্শনের সুপারিশ

মৃত্যুর কারণ
এসি বন্ধ, অক্সিজেন স্বল্পতা ও ছোট কক্ষ
চিকিৎসক না থাকা। নার্সের অসহযোগিতা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রমাণিত হয়েছে।

জোতার শক্তিই রোনালদোদের প্রেরণা

গত বছরের ৩ জুলাই স্পেনে গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান দিয়োগো জোতা। পর্তুগালের জার্সিতে উয়েফা নেশনস লিগের ট্রফিও জিতেছিলেন লিভারপুলের এই তারকা। দুনিয়াতে না থাকলেও পর্তুগাল দলে অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছেন তিনি। দেশটির বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জোতাকে বলা হচ্ছে অদৃশ্য শক্তি। উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোদের ছায়াসঙ্গী হিসেবে থাকছেন জোতা। জাতীয় দলে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু রুবেন নেভেস তো বলেই দিলেন, জোতার প্রেরণাকেই বিশ্বকাপের জয়ের প্রতিজ্ঞা করছেন তারা। নেভেসের বিশ্বাস, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো জোতার প্রতি ভালোবাসা ও আবেগ বাড়তি শক্তি জোগাবে তাদের, ‘আমরা এটা নিয়ে অনেক কথা বলেছি এবং সব সময় আমরা একই কথা বলি। মাঝেমধ্যে বাড়তি শক্তি পাওয়ার জন্য কোনো কিছু আঁকড়ে ধরার প্রয়োজন হয়। এটি এমনই একটি বিষয় হবে, যা নির্দিষ্ট মুহূর্তে আমাদের বাড়তি শক্তি জোগাবে এবং আমরা যেখানে যেতে চাই, সেখানে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।’

এক বছর আগে উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষ পেনাল্টি শুটআউটে নেভেসের করা গোলেই নির্ধারিত হয়ে যায় পর্তুগালের ট্রফি জয়। বিশ্বকাপেও এমন গোলের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। যদিও জিততে চান নির্ধারিত সময়েই, ‘ওই ম্যাচের পর আমি বলেছিলাম, ওটা আমার ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ গোলগুলোর একটি– যদি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাও হয়। এই বিশ্বকাপে যদি এমনটা আবার হয় এবং তা দলকে পরের রাউন্ডে যেতে বা এমনকি টুর্নামেন্ট জিততে সাহায্য করে, তাহলে সেটি দারুণ হবে। কিন্তু আমি ৯০ মিনিটের মধ্যেই জিততে চাইব, যেন পেনাল্টি শুটআউটে যেতে না হয়। আমরা দল হিসেবে কী অর্জন করতে পারি, সেদিকেই আমাদের মনোযোগ।’

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে পর্তুগিজরা। বড় মঞ্চের যে ওজন এবং প্রত্যাশার চাপ, সেসব খুব বড় প্রতিবন্ধকতা মনে করেন না আল হিলালের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নেভেস, ‘আমাদের জাতীয় দলের সব ফুটবলারই এ ধরনের চাপে অভ্যস্ত। সম্প্রতি আমাদের চারজন ফুটবলার (নুনো মেন্দেস, ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস ও গনসালো রামোস) দ্বিতীয়বারের মতো (পিএসজির হয়ে) চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে। আমরা তরুণ দল, কিন্তু অনেক অভিজ্ঞ দল। আমরা এটাকে (চাপ) স্বাভাবিকভাবেই নিই। কারণ আমরা জানি, আমাদের সেই যোগ্যতা আছে এবং আমরা পর্তুগালের জন্য বড় কিছু অর্জন করতে পারি।’ বিশ্বমঞ্চে কোথায় পৌঁছাতে চান, সেটিও সরাসরি বলে দিলেন ২৯ বছর বয়সী এ ফুটবলার, ‘আমাদের লক্ষ্য ফাইনালে পৌঁছানো, জয়লাভ করা এবং বিশ্বকাপ (ট্রফি) হাতে নিয়ে ফেরা। ব্যক্তিগত কোনো লক্ষ্য বেছে নেওয়া কঠিন। কারণ দল হিসেবে কী অর্জন করতে পারি, সেদিকেই আমাদের সব মনোযোগ।’

বিশ্বকাপে পর্তুগালের সেরা সাফল্য ছয় দশক আগে। ১৯৬৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে গিয়েই কিংবদন্তি ইউসেবিওর অসাধারণ পারফরম্যান্সে তৃতীয় হয়েছিল পর্তুগাল। ২০০৬ আসরে লুইস ফিগোর নেতৃত্বে পর্তুগালের দলটিকে সোনালি প্রজন্ম হিসেবে ধরা হয়েছিল। তাদের কাছে প্রত্যাশা বেশি থাকলেও শেষ পর্যন্ত চতুর্থ হয়েছিল পর্তুগাল। গত ২০ বছরে সেমিফাইনালে পর্যন্ত উঠতে পারেনি তারা। অথচ এ সময়ে ২০১৬ সালে জিতেছে ইউরো। দুবার জিতেছে উয়েফা নেশনস লিগের ট্রফি। এবার বিশ্বকাপে ভালো করার আশা নেভেসের। ১৭ জুন বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।

গা গরমের ম্যাচে খেলোয়াড় সংকটে মেসিরা

প্রচণ্ড গরম কানসাস সিটিতে। এই গরমের মধ্যেই গত সোমবার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে প্রথম অনুশীলন করে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ দল। এমনকি লিওনেল মেসি, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, এমিলিয়ানো মার্টিনেজসহ স্কোয়াডের চোটাক্রান্ত ৯ জনও ছিলেন অনুশীলনে। তারা অবশ্য হালকা স্ট্রেচিং করেন। চোটাক্রান্ত এই ৯ জনই সম্ভবত প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে খেলবেন না। যে কারণে খেলোয়াড় সংকটে পড়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সে সংকট কাটাতেই দেশ থেকে ৭ জন উড়িয়ে এনেছে আর্জেন্টিনা। ৭ জুন হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে স্কোয়াডের বাইরের এই ৭ জনের মধ্যে অন্তত ৩ থেকে ৪ জন শুরুর একাদশে নামতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে প্রথম দিনের অনুশীলনে হাতে ব্যান্ডেজ বেঁধে নেমেছিলেন তারকা গোলরক্ষক দিবু মার্টিনেজ। ব্যান্ডেজ বাঁধা হাতের ছবি সামাজিক  মাধ্যমে পোস্ট করে ক্যাপশন দিয়েছেন ‘দারুণ উদীপ্ত’। ইউরোপা লিগের ফাইনালের আগে গা গরমের সময় বাঁ হাতের আঙুল ভেঙে ফেলেছিলেন অ্যাস্টন ভিলার এ গোলরক্ষক। এ চোটের কারণে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচই মিস করেছেন তিনি।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে ১৭ জুন নিজেদের প্রথম ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করছে আর্জেন্টিনা ম্যানেজমেন্ট। তাঁর অনুপস্থিতিতে স্কোয়াডের অন্য দুই গোলরক্ষক গোরোনিমো রুলি ও হুয়ান মুসোর মধ্যে যেকোনো একজন খেলবেন। প্রথম দিনের অনুশীলন শেষে সামাজিক মাধ্যমে দিবু আরও লেখেন, ‘প্রথম দিনের অনুশীলন ছিল উৎসাহে পরিপূর্ণ। তবে দুঃখ যে আমি সবকিছু করতে পারিনি। অবশ্য পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় বেশ ভালোও লাগছে।’