Home Blog Page 6

অবশেষে রূপপুরের জ্বালানি দেশে পৌঁছেছে

পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়ামের চালান বাংলাদেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে রাশিয়া থেকে আসা বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আজ ভোরে কঠোর নিরাপত্তায় চালানটি পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নেওয়ার কথা রয়েছে।

রসাটমের সূত্রে জানা গেছে, উড়োজাহাজ থেকে ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ গাড়িতে চালানটি তুলতে প্রায় চার ঘণ্টা লাগবে। এরপর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে তা রূপপুরে নেওয়া হবে। চালান পরিবহনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দায়িত্ব পালন করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রূপপুরের দুই ইউনিটের জন্য মোট ৯টি কার্গোতে ইউরেনিয়াম আসবে। এর মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি চালান রয়েছে।
নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে এসব চালানে প্রথম ইউনিটের জন্য বাড়তি ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি দেশে আসার কথা।

রাশিয়া থেকে কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত হয়ে এসব চালান বাংলাদেশে আসছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর একটি চালান আসার কথা থাকলেও পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল হয়। পরে জটিলতা কাটিয়ে নতুন সূচিতে চালান পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম শুক্রবার জানিয়েছিলেন, রাশিয়া থেকে জ্বালানিবাহী বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর সেটি রূপপুরে নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে এরই মধ্যে জ্বালানি লোড করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর চুল্লির জ্বালানির একটি অংশ পরিবর্তন করতে হয়। এ কারণে প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জ্বালানিও আগাম আনা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম তিন বছর রাশিয়া জ্বালানি সরবরাহ করবে। পরে নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রয়োজনীয় জ্বালানি বাংলাদেশকে আমদানি করতে হবে।

রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় রসাটম ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান রূপপুর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। দুই ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।

এলপিজির বাজারে অস্থিরতা, সারাদেশে ক্রেতারা ভুগছেন

ঢাকার ধামরাইয়ের কালামপুর গ্রামের লিটন মিয়া। বৃহস্পতিবার সকালে বের হয়েছিলেন ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে। সঙ্গে নিয়েছিলেন ২২০০ টাকা। কিন্তু কয়েক দোকান ঘুরেও সিলিন্ডার কিনতে পারেননি। হতাশ হয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয় তাঁকে।

লিটন মিয়া আক্ষেপ করে সমকালকে বলেন, ‘১ হাজার ৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার কিনতে ২২০০ টাকা নিয়ে বের হয়েছিলাম। সাত দোকান ঘুরেও সিলিন্ডার পাইনি। সব দোকানদারই বলছেন, সরবরাহ নেই। এখন রান্নার চুলা জ্বালাব কীভাবে।’

লিটন মিয়া কিনতে না পারলেও তাঁর গ্রামের বাসিন্দা আনিছুর রহমান আগের দিন সিলিন্ডার কিনেছেন। এ জন্য তাঁকে বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে। আনিছুর বলেন, ‘আমি বুধবার পাঁচ দোকান ঘুরে ২ হাজার ৩৫০ টাকায় সিলিন্ডার কিনেছি। তবে দোকানদার অতিরিক্ত দামে বিক্রির কথা কাউকে বলতে নিষেধ করেছেন।’

শুধু ধামরাই নয়, দেশের কমপক্ষে ১৩ জেলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও বেশি দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন জানান, বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগে দুই দিনে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান চলবে।
অপারেটরদের দাবি, দেশে এলপিজির আমদানি ও মজুত স্বাভাবিক। কিন্তু কিনতে গেলে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। এমন অবস্থা সৃষ্টির পেছনে কৃত্রিম সংকটের মতো বিষয় আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এক অনলাইন সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), প্রতিযোগিতা কমিশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারি করতে হবে।

সরকারি হিসাবে, আগস্টে দেশে প্রায় এক লাখ ৫৭ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বরে প্রায় এক লাখ ৫৬ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। এরপরও রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকার বাজারে সিলিন্ডার নিয়ে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা।

দেশে বছরে এলপিজির চাহিদা ১৭ থেকে ১৮ লাখ টন। প্রায় এক কোটি গ্রাহক এ জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। চাহিদার ৮০ শতাংশ ব্যবহৃত হয় বাসাবাড়ির রান্নায়। তাই বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ ও দামের এই অস্বাভাবিকতায় সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।

কয়েক কোম্পানির হাতে বাজারের বড় অংশ
দেশের এলপিজি বাজারের প্রায় ৯৯ শতাংশ বেসরকারি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে। লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক হলেও নিয়মিত আমদানি করে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি। বাজারের বড় অংশ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের হাতে।

ওমেরা পেট্রোলিয়ামের বাজার হিস্যা ১৯ শতাংশ, পেট্রোম্যাক্সের ১৭, মেঘনা গ্রুপের ১৬ এবং যমুনা স্পেসটেকের ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ এ চার কোম্পানি প্রায় ৬৮ শতাংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। বিএম এনার্জির হিস্যা ৮ শতাংশ, ইউনাইটেড আইগ্যাসের ৭ এবং ডেল্টার ৪ শতাংশ।

সেপ্টেম্বরের আমদানিতেও বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য দেখা গেছে। গত শনিবার পর্যন্ত ইউনাইটেড আইগ্যাস ২৩ হাজার ৪৩২ টন, যমুনা স্পেসটেক ২০ হাজার ৬০২, বিএম এনার্জি ১৮ হাজার ২৫২, ওমেরা পেট্রোলিয়াম ১৪ হাজার ৩০১, মেঘনার ফ্রেশ ১৩ হাজার ৪০১ এবং পেট্রোম্যাক্স ১০ হাজার ৬০০ টন এলপিজি আমদানি করেছে। সান গ্যাস আমদানি করেছে আট হাজার ৪০০, এসকেএস চার হাজার এক, টিএমএসএস তিন হাজার ৩০০ এবং প্রিমিয়াম এলপি গ্যাস দুই হাজার ৪৫০ টন।

দেশজুড়ে বেশি দামে সিলিন্ডার
রাজধানীতেও নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি সিলিন্ডার। সেপ্টেম্বরে সরকার ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও বিভিন্ন এলাকায় তা দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজধানীর বাইরে এলপিজির বাড়তি দামের চিত্র আরও স্পষ্ট। কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না, কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সিরাজগঞ্জে বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে এই অভিযান শুরু হয়। বুধবার একটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। জেলার তাড়াশ উপজেলা সদরের কৃষিজীবী নিয়াজ আহমেদ বলেন, বুধবার তাড়াশ পৌর বাজার থেকে তিনি ১২ কেজির ফ্রেশ সিলিন্ডার গ্যাস কিনেছেন ২ হাজার ৩০০ টাকায়।

বেলকুচি উপজেলার সমেশপুর বাজারে যমুনা তেল কোম্পানির ডিলার ইসমাইল হোসেনের মালিকানাধীন সাথী এন্টারপ্রাইজের দোকানে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের বিক্রয়মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারিত উল্লেখ করে তালিকা টানানো রয়েছে। তবে কিনতে গেলে ২১৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলা সদরের মুকুন্দগাতী বাজারের শতরুপা স্টোরের মালিক হাবিবুর রহমান হাবিব হোসেন স্থানীয় পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস ২১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

রাজবাড়ীতে বিভিন্ন দোকান ঘুরে অনেক সময় সিলিন্ডার পাচ্ছেন না ক্রেতারা। পাওয়া গেলেও ১২ কেজির সিলিন্ডারের জন্য দিতে হচ্ছে এক হাজার ৮০০ থেকে এক হাজার ৯০০ টাকা। কয়েকটি কোম্পানির সরবরাহ না থাকায় অন্য কোম্পানির ওপর চাপ বেড়েছে।

কুড়িগ্রামে প্রায় এক মাস ধরে ওমেরা, বসুন্ধরা ও যমুনা ব্র্যান্ডের গ্যাসের সরবরাহ নেই বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। তাদের হিসাবে, প্রতিটি কোম্পানি মাসে গড়ে সাত থেকে আট হাজার সিলিন্ডার প্রয়োজন। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় মজুত থাকা সিলিন্ডারও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।

মৌলভীবাজারে সংকটের পাশাপাশি বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। জেলার ডিস্ট্রিবিউটরদের অধিকাংশই কম সরবরাহ পাচ্ছে। বাজারে ওরিয়ন ও টোটাল গ্যাসের সংকট রয়েছে। আইগ্যাস, পেট্রোম্যাক্স, ওমেরা ও ফ্রেশের ১২ কেজির সিলিন্ডার খুচরায় এক হাজার ৯৫০ থেকে দুই হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। কোনো কোনো কোম্পানির সিলিন্ডারের দাম উঠেছে দুই হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত।

নওগাঁর রাণীনগরেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোনো কোনো কোম্পানির সিলিন্ডার এক মাস ধরে না আসায় স্থানীয় বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। লালমনিরহাটে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা দামের সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬২০ থেকে ১ হাজার ৬৭০ টাকায়। এ ছাড়া নরসিংদী, খুলনা, বরগুনা, নাটোর, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও লালমনিরহাটেও প্রায় একই রকম চিত্র পাওয়া গেছে।

এক পক্ষের দায় অন্য পক্ষের ঘাড়ে
বাড়তি দামের কারণ নিয়ে অপারেটর, ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারদের মধ্যে চলছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের অভিযোগ, অপারেটররা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার দিচ্ছেন না। আমদানি ও মজুত থাকার পরও প্ল্যান্ট থেকে সরবরাহ সীমিত করা হচ্ছে। এতে ডিস্ট্রিবিউটররা প্রয়োজনীয় পণ্য পাচ্ছেন না, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

সিলেটের এক ডিস্ট্রিবিউটরের অভিযোগ, কোম্পানির কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার সরবরাহ মিলছে না। এমনকি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কিনতে হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, ডিলারদের বেশি দামে বিক্রি না করে উপায় নেই। কারণ তারা অপারেটরের কাছ থেকে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনছেন।

অপারেটরদের বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, আমদানি কমেনি; দেশে পর্যাপ্ত এলপিজি এসেছে। সরবরাহ কমার সুযোগ নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের একাংশ সিলিন্ডার মজুত করে বাড়তি দামে বিক্রি করছে।

বাংলাদেশ এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের (লোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেছেন, আমদানি কমেনি। খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতাদের কারণে সমস্যা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। কোনো অপারেটর বেশি দামে বিক্রি করছে– এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

আন্তর্জাতিক বাজারেও চাপ
এলপিজির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন আমদানিনির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের দাম ও জাহাজ ভাড়া বাড়লে দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়ে। ব্যবসায়ীদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। অনেক আমদানিকারক চুক্তির পরিমাণের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম কার্গো পাচ্ছেন। নতুন কার্গো সংগ্রহেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিইআরসি মূল্য নির্ধারণের সময় টনপ্রতি ১৬০ ডলার প্রিমিয়াম ধরে হিসাব করলেও আন্তর্জাতিক বাজারে তা এখন ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে উঠেছে বলে ব্যবসায়ীদের দাবি। এতে নির্ধারিত দামে বিক্রি করে বাড়তি আমদানি ব্যয় সমন্বয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান আমদানি কমিয়েছে বা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগস্টে ১৩টি প্রতিষ্ঠান এলপিজি আমদানি করলেও সেপ্টেম্বরে আমদানি করেছে ৯টি প্রতিষ্ঠান।

পাঁচ বছরে নির্ধারিত দাম প্রায় দ্বিগুণ
২০২১ সালের এপ্রিলে বিইআরসি প্রথমবার বেসরকারি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ছিল ৯৭৫ টাকা। ২০২৬ সালের এপ্রিলে এটি বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৪০ টাকা। পাঁচ বছরে দাম বেড়েছে ৯৬৫ টাকা বা প্রায় ৯৯ শতাংশ।

চলতি বছরেও দামে বড় ওঠানামা হয়েছে। এপ্রিলে দুই দফায় মোট ৫৯৯ টাকা বেড়ে দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৪০ টাকা। পরে জুনে ৫৫ টাকা ও জুলাইয়ে ৩৫৭ টাকা কমানো হয়। আগস্টে আবার ৭০ টাকা বাড়িয়ে দাম করা হয় ১ হাজার ৫৯৮ টাকা। সেপ্টেম্বরে আরও ১৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম বলেন, বিইআরসির নির্ধারিত দামে কোথাও এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এতে ভোক্তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এলপিজি খাতের অনিয়ম ঠেকাতে বিইআরসি, প্রতিযোগিতা কমিশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

শামসুল আলমের মতে, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিল এবং আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে নতুন করে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ও বিবেচনা করা যেতে পারে।

বুধবার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনলাইন সভায় জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে তথ্যপ্রমাণসহ প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, কৃত্রিম সংকট বা বিইআরসি নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  বৃহস্পতিবার লোয়াবও অপারেটর, ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে।

নাইটক্লাবে সাদ-সোহেলের ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন সেই নারী

০

ইন্দোনেশিয়ার কাছে বাংলাদেশের ৯-২ গোলে হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রের একটি ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ইন্দোনেশিয়ার নারী আলানা। শুক্রবার এক্সে দেওয়া নতুন পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, ভিডিও ও ছবিগুলো ইন্দোনেশিয়ায় নয়, দুই মাস আগে নেপালে ধারণ করা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে সাদ ও সোহেলের সঙ্গে তিন নারীকে দেখা যায়। আরেকটি ভিডিওতে গানের সঙ্গে সাদকে নাচতেও দেখা যায়। বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের পর ভিডিওগুলো প্রকাশ পাওয়ায় অনেকে ধরে নিয়েছিলেন, সেটি ম্যাচের পরের ঘটনা।

নতুন পোস্টে আলানা লেখেন, ‘শুধু স্পষ্ট করে বলতে চাই, ছবি ও ভিডিওগুলো দুই মাস আগে নেপালে তোলা। সেখানে আমি সত্যিই ভালো মনের ও পেশাদার কিছু বন্ধুর সঙ্গে দেখা করেছিলাম।’

ভ্রমণের ছবি-ভিডিও দেরিতে প্রকাশ করার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। আলানা বলেন, ‘পোস্টগুলোর কারণে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকলে আমি দুঃখিত। আমি সব সময়ই দেরিতে পোস্ট করি। ভ্রমণের সময় খুব কমই কিছু শেয়ার করি। কারণ আমি নিজের অবস্থান গোপন রাখতে এবং মুহূর্তটা উপভোগ করতে পছন্দ করি। এটুকুই।’

SAAD SOHEL%20(2) 1790935359

এর আগে সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানাও জানিয়েছিলেন, ভিডিওটি ইন্দোনেশিয়ার নয়। জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরুর আগে মোহামেডানে যোগ দেওয়ার পর অবসর সময়ে তারা নেপাল ভ্রমণে গিয়েছিলেন। সেখানেই আলানার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। তাদের ভাষ্য ছিল, ‘মোহামেডানে সাইন করার পর আমরা ফ্রি ছিলাম। জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগে নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তখন একটি (লোডা) ক্লাবে তার সঙ্গে দেখা ও পরিচয় হয়েছিল। এটি জাকার্তা বা ইন্দোনেশিয়ায় নয়।’

তবে আলানার আগের একটি পোস্টের সঙ্গে নতুন বক্তব্যের পার্থক্য রয়েছে। আগে তিনি লিখেছিলেন, বাংলাদেশি ফুটবলারদের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ায় দেখা হয়েছিল এবং তারা তাকে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পরে সেই পোস্টটি মুছে দেন তিনি।

এদিকে এই ঘটনার পর নিজের এক্স আইডিও ডিজেবল করে রেখেছেন ইন্দোনেশিয়ার এই নারী।

রাবির তারুণ্যের উচ্ছ্বাস-বন্ধুত্ব-প্রেম, সত্য ঘটনায় নির্মিত ‘চিরকুট’ সিনেমার পোস্টার এলো

০

নব্বইয়ের দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়  (রাবি)। ক্যাম্পাসজুড়ে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, বন্ধুত্ব, নস্টালজিয়া, প্রেম আর জীবনের নানা গল্প। সেই সময়ের একটি সত্য ঘটনা এবার উঠে আসছে বড় পর্দায়। সেকালের সেই গল্পকে একালের সিনেমার ভাষায় দর্শকদের সামনে তুলে ধরছে চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’। আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রস্তুতি চলছে চলচ্চিত্রটির।

ফিল্ম ম্যানিয়া প্রযোজিত এ চলচ্চিত্রটির গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতা মুনতাসির আকিব।

চলচ্চিত্রটির পোস্টার উন্মোচন উপলক্ষে আজ ফিল্ম ম্যানিয়ার নিকেতন কার্যালয়ে আয়োজন করা হয় বিশেষ অনুষ্ঠানের। পোস্টার উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ‘চিরকুট’-এর আনুষ্ঠানিক প্রচারণার নতুন অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক সমিতির সাবেক সভাপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক খোরশেদ আলম খসরু এবং জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও লেখক লুৎফর হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রটির নির্মাতা মুনতাসির আকিব। অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে ছিলেন শ্যামল মাওলা, আজিজুন মীম, সুমন পাটোয়ারী, সিয়াম নাসির, মাহিরা হাসান, সাদি খান, শামীম আহসান ও ইমু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগীতশিল্পী স্নেহাশিস চক্রবর্তী অভি, সংগীত পরিচালক অভিষেক ভট্টাচার্যসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও অনেকে।

99 1790924690

‘চিরকুট’-এর গল্পের পটভূমি নব্বইয়ের দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সময়ের ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের জীবনযাপন, বন্ধুত্ব, সম্পর্ক, আবেগ এবং একটি সত্য ঘটনার স্মৃতিকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া একটি সময়কে বর্তমান প্রজন্মের দর্শকদের সামনে নতুন করে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির অন্যতম আকর্ষণ এর বিশাল অভিনয়শিল্পী দল। এতে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, আজিজুন মীম, কাজী নওশাবা, সুমন পাটোয়ারী, তেহজিব, আব্দুল্লাহ আল সেন্টু, সঞ্জিব আহমেদ, শাওন আশরাফ, ইকবাল, আজমল মিঠু, সিয়াম নাসির, শিমুল, সাদি খান, শামীম আহসান, শেখ চাঁদনী, মাহিরা হাসান, ইব্রাহিম সুজনসহ আরও অনেকে।

শুধু পেশাদার অভিনয়শিল্পীরাই নন, ‘চিরকুট’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। চলচ্চিত্রটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন শিক্ষার্থী অভিনয় করেছেন। ফলে সিনেমাটিতে শুধু গল্পের সময়কালই নয়, তৎকালীন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের আবহও বড় পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে নব্বইয়ের দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে পর্দায় তুলে ধরা নির্মাতার জন্য ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সময়ের পার্থক্য, পোশাক, ক্যাম্পাসের পরিবেশ এবং সে সময়ের জীবনযাপনের নানা অনুষঙ্গকে গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

নির্মাতা মুনতাসির আকিব বলেন, ‘নব্বইয়ের দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা থেকেই ‘চিরকুট’-এর গল্পের সূত্রপাত। সেই সময়ের পরিবেশ, মানুষের আবেগ এবং ঘটনাটিকে সিনেমার ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। দর্শক যেন শুধু একটি গল্প দেখেন না, বরং একটি সময়কে অনুভব করতে পারেন—সেটাই আমাদের চেষ্টা।’

দীর্ঘ প্রস্তুতি ও নির্মাণপর্ব শেষে এখন মুক্তির অপেক্ষায় ‘চিরকুট’। নব্বইয়ের দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গল্প, সেই সময়ের আবহ এবং বিশাল অভিনয়শিল্পী দলের উপস্থিতি নিয়ে চলচ্চিত্রটি দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করবে বলে প্রত্যাশা নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টদের। সেকালের গল্প, একালের সিনেমা—এই ভাবনা নিয়েই আসন্ন দুর্গাপূজায় প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের সামনে হাজির হওয়ার অপেক্ষায় ‘চিরকুট’।

‘চিরকুট’-এর অন্যতম আকর্ষণ এর সংগীত। চলচ্চিত্রটিতে রয়েছে চারটি গান। গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রেহান রাসুল, মাশা, স্নেহাশিস চক্রবর্তী অভি, মেহেদী সরকার, রাকিব ও ঐশী।

বারবার ভুলে যাচ্ছেন? কোন ভিটামিনের অভাবে এ সমস্যা হয়

অনেকেরই ভুলে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। শুধু বয়স বাড়লেই এমন হয় তা নয়। কোনও নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাবেও হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আলঝেইমার এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে একটি হলো শরীরে কোনো নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাব। তা হলো ভিটামিন বি১২।

ভিটামিন বি১২ হলো একটি পুষ্টি উপাদান যা শরীরের স্নায়ুতন্ত্র এবং রক্তকণিকার স্বাভাবিক কার্যকলাপের জন্য অপরিহার্য। এর অভাবে দুর্বলতা, হাত ও পায়ে ঝিনঝিন করা, বিভ্রান্তি এবং স্মৃতিশক্তির সমস্যার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই ধরনের সমস্যা হলে ঘাটতি পূরণে খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। যেমন-

দুধ ও অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার
ভিটামিন বি১২-এর প্রাকৃতিক উৎস। একটি সুষম দৈনিক খাদ্যতালিকায় দুধ, দই বা অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

মাছ ও মাংস থেকে পাওয়া যায়
প্রাকৃতিকভাবে মাছ, মাংস এবং মুরগির মাংসের মতো প্রাণীজ খাবার থেকে ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়। পরিমিত পরিমাণে এই খাবারগুলো গ্রহণ করলে বি১২-এর চাহিদা পূরণ হবে।

ডিম
ভিটামিন বি ১২ এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য উৎস হচ্ছে ডিম। সকালের নাশতায় বা দিনের অন্যান্য খাবারে পরিমিত পরিমাণে ডিম অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

সয়া পণ্য
সয়া দুধ এবং টোফুর মতো সয়া পণ্যগুলিতেও ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়।

বাজারে শীতের আগাম সবজিতে উত্তাপ, কাঁচা মরিচে স্বস্তি মুরগি-ডিম আগের মতোই

রাজধানীর বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে আগাম শীতকালীন সবজি। পেপে বাদে বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ ছুঁই ছুঁই। এদিকে শীত আসার আগে শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তবে ভোক্তার জন্য স্বস্তির খবর হলো, বাজারে কাচামরিচের দাম কমেছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। অন্য সবজির মধ্যে টমেটো ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, বরবটি, ঝিঙে ও করলা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ধরনের উপর নির্ভর করে প্রতিটি লাউ ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে বাজারে মাংস ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই। ব্রয়লার মুরগির ১৮০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমান বাজারে মাছের দরদাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মাছ তাজা নাকি মৃত, মাছের আকার এবং আলাদা বাজারের কারণে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকার মতো পার্থক্য দেখা যায়।

বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, তুলনামূলক সহজলভ্য মাছ যেমন পাঙাশ ও তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকার মধ্যে। রুই ও কাতলা মাছের দাম আকারভেদে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। চাষের কই, শিং, মৃগেল, পাবদা, ভেটকি ও পোয়া মাছের কেজি মিলছে ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়। তবে দেশি কই, বাইম, ট্যাংরা এবং সাধারণ শোল মাছের দাম একটু বেশি; এগুলো ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে চিংড়ি, রূপচাঁদা, নদীর বেলে এবং বড় শোল মাছের মতো দামি মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি হাজার টাকার ওপরে খরচ করতে হচ্ছে।

মাছের দামের এই ওঠানামার বিষয়ে বিক্রেতা রহিম মিয়া জানান, মাছের কোনো নির্দিষ্ট দাম থাকে না। এটি মূলত সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। বাজারে মাছের আমদানি বেশি থাকলে দাম কমে যায়, আবার ক্রেতার চাপ বাড়লে দাম বেড়ে যায়। এমনকি সকাল-বিকেলেও দামের পরিবর্তন হয়।

মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার অভিযোগ, সৌদি জোটের দাবি অস্বীকার হুতিদের

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের মদিনায় পবিত্র মসজিদে নববির একটি বিদ্যুৎ সরবরাহকেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। গত মঙ্গলবার এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে জোটটি। তবে হুতিদের সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সৌদি জোট গতকাল বৃহস্পতিবার জানায়, হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে গেছে। তবে এতে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

জোটের দাবি, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা ও তদন্তের পর তারা নিশ্চিত হয়েছে, হুতিরাই মদিনার ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত।

তবে হুতি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র সৌদি জোটের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। হুতিদের পরিচালিত সাবা নিউজ এজেন্সিকে ওই সূত্র বলেছে, অভিযোগটি মিথ্যা। এর আগে সৌদি জোট হুতিদের বিরুদ্ধে পবিত্র মক্কা নগরীতে হামলার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ তুলেছিল, কিন্তু তা প্রমাণ করতে পারেনি। সেই ব্যর্থতা আড়াল করতেই মদিনায় হামলার নতুন অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেছে সূত্রটি।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সৌদি আরব জানিয়েছিল, মক্কার দক্ষিণে তারা একটি হুতি ড্রোন ধ্বংস করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, ড্রোনটি মক্কার আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয়। তখন সৌদি জোট দাবি করেছিল, ২০১৭ সালের পর মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি ছিল হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। তবে হুতিরা মক্কা বা ইসলামের অন্য কোনো পবিত্র স্থানে হামলার চেষ্টা করার কথা অস্বীকার করে আসছে।

মদিনার ঘটনা সম্পর্কে সৌদি জোট বলেছে, হুতিরা মসজিদে নববি ও মক্কার মসজিদুল হারামে বারবার হামলার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। মঙ্গলবারের হামলাটিও এরই ধারাবাহিকতা। মুসলিমদের উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসব হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জোটটি। একই সঙ্গে মুসলিমদের পবিত্র স্থান ও মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে তারা।

এদিকে হুতিদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির অন্যান্য এলাকায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলা চালিয়েছে। তবে সৌদি আরব তাৎক্ষণিকভাবে এসব হামলার তথ্য নিশ্চিত করেনি।

ইয়েমেন সরকারের সশস্ত্র বাহিনীর এক মুখপাত্রও বলেছেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সানায় ‘গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

এ ছাড়া সৌদি জোট জানিয়েছে, হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাইতের দিকে যাওয়ার সময় শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে। এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানানো হয়নি।

স্থানীয় কর্মকর্তারা শুক্রবার ভোরে জানান, হুতিরা এডেনে সৌদি বাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তর লক্ষ্য করে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। তবে এ বিষয়ে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বা হুতিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিষয় : সৌদি আরব হুতি বিদ্রোহী মদিনা ড্রোন হামলা
আরও পড়ুন
দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৫০০
দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৫০০
আপডেট ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:২৫
ইরানি প্রতিনিধি দলকে নিউইয়র্ক ছাড়তে বলেছিলেন রুবিও
ইরানি প্রতিনিধি দলকে নিউইয়র্ক ছাড়তে বলেছিলেন রুবিও
আপডেট ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ০৭:১৬
নারীদের নিরাপত্তায় দিল্লিতে ‘পিংক ফোর্স’
নারীদের নিরাপত্তায় দিল্লিতে ‘পিংক ফোর্স’
আপডেট ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ০৬:৫৭
যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারে নতুন বাস্তবতার মুখে কুর্দি বাহিনী
যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারে নতুন বাস্তবতার মুখে কুর্দি বাহিনী
আপডেট ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ০৫:০১
সর্বশেষ
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৫০০
দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৫০০
বাসচাপায় অটোরিকশার নিহত সাতজনের চারজন একই পরিবারের
বাসচাপায় অটোরিকশার নিহত সাতজনের চারজন একই পরিবারের
নাইটক্লাবে সাদ-সোহেলের ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন সেই নারী
নাইটক্লাবে সাদ-সোহেলের ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন সেই নারী
শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
মহাখালীতে যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম
মহাখালীতে যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম
চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনের রড-সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনের রড-সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফার্মাসিস্টদের দশম গ্রেডের ফাইল ছাড়ার আহ্বান
৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফার্মাসিস্টদের দশম গ্রেডের ফাইল ছাড়ার আহ্বান
আরও পড়ুন

দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৫০০

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শুক্রবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেখানে জড়ো হওয়ার সময় প্রায় ৫০০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বাসে করে তাদেরকে বিভিন্ন থানায় নেওয়া হয়েছে।

যন্তর মন্তরের কাছে থেকে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আতিশি, আম আদমি পার্টির (আপ) দিল্লি শাখার প্রধান সৌরভ ভরদ্বাজ, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা।

বিক্ষোভের জন্য জড়ো হওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তিদের মধ্যে কংগ্রেস কর্মীরাও ছিলেন। আটককৃতদের বদরপুর ও আউটার নর্থ দিল্লি থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুপুরের পর বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয় জনপথ এলাকা। সেখানে ৫০ থেকে ৬০ জন মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট ও যন্তর মন্তর এলাকার দিকে যেতে বাধা দিচ্ছে।

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (এসআইআর) অনিয়মের অভিযোগ তুলে আগেই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ বৃহস্পতিবারই জানিয়ে দেয় যে, কোনো কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না।

গত মাসে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ভোটার তালিকা সংশোধনে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য প্রকাশ করা হয়। বলা হয়, ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তালিকা থেকে কয়েক লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবারের বিক্ষোভ ঘিরে যন্তর মন্তর এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। তারা গান্ধীর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নীতি মেনে কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলেন।

বিক্ষোভে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তিরা ভারতের জাতীয় পতাকা বহন ও সিইসির পদত্যাগ দাবিতে স্লোগান দেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী নিধি শর্মা বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যতই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। আমাকে ভোট দিতেই হবে।’

৩৮ বছর বয়সী মিনা গিরি জানান, তিনি ১৫ বছর ধরে দিল্লিতে বসবাস করছেন। আগের নির্বাচনগুলোতে ভোটও দিয়েছেন। কিন্তু এবার তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে মিনা গিরি বলেন, ‘আমার মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হলো কেন?’

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ইমরান (১৮) জানান, তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এ কারণে সরকারি কাগজপত্র তৈরি করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অভিযোগ নিয়ে সিইসি জ্ঞানেশ কুমার এখনো মন্তব্য করেননি। তবে ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এসব অভিযোগে সামগ্রিক চিত্রের কেবল একটি অংশ তুলে ধরা হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। শুক্রবার সকালে মাগুরার নোমানী ময়দানে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচারের সময় বাংলাদেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ অর্থনীতি ধ্বংস করা হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার পরিবার ও আওয়ামী লীগ একটি পলাতক শক্তি। তারা নানা জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে, কারও আশীর্বাদ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। কিন্তু শেখ হাসিনাকে দেশে আনার জন্য বর্তমান তারেক রহমানের সরকার ভারত সরকারকে চিঠি দিয়েছে।’

শেখ হাসিনার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে দেশে আনা হবে। তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলায় তার ফাঁসির রায় হয়েছে, আরও অনেক মামলা পেন্ডিং (বিচারাধীন ) রয়েছে। আমরা চাই শেখ হাসিনা দেশে আসুক। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

এ সময় বিএনপিকে ভয় দেখানোর কিছু নেই উল্লেখ করে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, কামারবাড়ির বিড়াল যেমন হাতুড়ির ঠকাঠকিতে ভয় পায় না, তেমনি আওয়ামী লীগের ঠকাঠকিতেও আমরা ভয় পাই না। বিএনপিকে ভয় দেখানোর কোনো কারণ নেই। বিএনপি কোনো পলাতক শক্তি নয়।

কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী, জেলা প্রশাসক মুতাকাব্বির আহমেদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিলসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে আসা ক্রীড়াপ্রেমীরা।